

দেশে
আবারও পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ
এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে এ
ঘোষণা দেন।
চলতি
জুন মাস থেকেই নতুন দর কার্যকর হবে।
নতুন
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে
গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুতের সঞ্চালন (ট্রান্সমিশন) চার্জ
২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
নতুন
ট্যারিফ অনুযায়ী, গ্রাহক পর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণির বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য ভিন্ন
হারে দাম বাড়ানো হয়েছে।
এর
মধ্যে লাইফলাইন গ্রাহকদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১৫ শতাংশ এবং অন্যান্য শ্রেণিতে সর্বোচ্চ
১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে।
গ্রাহক
পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের গড় দাম ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ
করা হয়েছে। বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য হার ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা
বলছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় বৃদ্ধি এবং খাতটির আর্থিক চাপ মোকাবেলায় এই মূল্য
সমন্বয় করা হয়েছে।
তবে
নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের বিদ্যুৎ ব্যয় বাড়বে, যা সামগ্রিকভাবে
জীবনযাত্রার ব্যয় ও উৎপাদন খরচে প্রভাব ফেলতে পারে।
গত
২০ ও ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিইআরসির গণশুনানিতে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কম্পানি খুচরা
পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।
বিপিডিবি ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮
পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব করে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীরের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্টদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি আজ সোমবার (২৮
অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে সাক্ষাত করেছেন।
বৈঠককালে উভয় নেতা দু’দেশের বিদ্যমান
পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার পাশাপাশি মানবাধিকার, সুশাসন, দ্বি-পাক্ষিক ও আঞ্চলিক
স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বৈঠক শেষে, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জানান, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা
সংস্থা-‘সার্ক’কে সত্যিকারার্থে কার্যকর আঞ্চলিক সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব
দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নেপালের সাথে আমাদের সম্পর্ক
দীর্ঘদিনের। দ্বি-পাক্ষিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সম্ভাবনার নানা বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা
করেছি। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে নেপালের সাথে আমাদের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে মানবাধিকার,
সুশাসন, দ্বি-পাক্ষিক ও আঞ্চলিক সম্পর্কের
প্রতিফলন আগামী দিনগুলোতেও আমরা দেখতে চাই।
মন্তব্য করুন


লাইসেন্স
জালিয়াতি করে প্রায় ১৭ বছর ধরে শত শত ফ্লাইট পরিচালনার অভিযোগে এয়ার কানাডার এক
সাবেক পাইলটকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পিল অঞ্চলের পুলিশ। চার মাসের দীর্ঘ তদন্ত শেষে
মঙ্গলবার (৯ জুন) ৫৯ বছর বয়সী সাবেক ক্যাপ্টেন জিওফ্রে ওয়ালের বিরুদ্ধে জালিয়াতিসহ
বেশ কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়।
পুলিশ
জানিয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ভুয়া লাইসেন্স ব্যবহার করে ৯ শতাধিক অভ্যন্তরীণ
ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করেছেন এই পাইলট।
তদন্তে
জানা গেছে, জিওফ্রে ওয়ালের একটি বৈধ বাণিজ্যিক পাইলট লাইসেন্স থাকলেও, যাত্রীবাহী
উড়োজাহাজের ক্যাপ্টেন বা প্রধান চালক হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উচ্চস্তরের 'এয়ারলাইন
ট্রান্সপোর্ট পাইলট লাইসেন্স' তাঁর ছিল না। গত বছর অবসরে যাওয়ার আগপর্যন্ত তিনি এই
ভুয়া সনদ দিয়ে এয়ার কানাডা এবং কানাডার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে প্রতারিত
করেছেন। এই জালিয়াতির ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে একটি জালিয়াতি, দুটি জাল নথি তৈরি ও ব্যবহার,
তিনটি ভুয়া ট্রেডমার্ক রাখা এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এ
বিষয়ে পিল রিজিওনাল পুলিশের প্রধান নিশান দুরাইয়াপ্পা এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ
করে বলেন, ঘটনাটি জনমানুষের আস্থা ও নিরাপত্তার মূলে বড় ধরনের আঘাত হেনেছে। অভিযুক্ত
ব্যক্তি ৯০০টিরও বেশি ফ্লাইটে লাখ লাখ যাত্রীর জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলেছেন। অন্যদিকে,
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা ফ্লাইট সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রধান ও পেশাদার পাইলট
হাসান শাহিদি এই ঘটনাকে 'ব্যতিক্রমী ও অত্যন্ত বিরল' বলে আখ্যায়িত করেছেন।
তবে
এয়ার কানাডা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিলেও যাত্রীদের
নিরাপত্তা কখনোই বিঘ্নিত হয়নি। সংস্থাটির দাবি, লাইসেন্স জালিয়াতি করলেও জিওফ্রে
ওয়াল তাঁর সব প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন এবং বড় উড়োজাহাজ চালানোর ক্ষেত্রে
উচ্চস্তরের দক্ষতা প্রদর্শন করেছিলেন। প্রতি ছয় মাস পরপর বাধ্যতামূলক সিমুলেটর প্রশিক্ষণ
এবং বছরে একবার ফ্লাইট পরীক্ষায় তিনি সফলভাবেই উত্তীর্ণ হন। বিষয়টি জানার পরপরই তাঁকে
দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং ‘ট্রান্সপোর্ট কানাডা'কে অবহিত করা হয়। এয়ার
কানাডা আরও জানিয়েছে, এই ঘটনার পর তাদের সব পাইলটের লাইসেন্স পরীক্ষা করা হয়েছে এবং
অন্য কারও ক্ষেত্রে এমন কোনো জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


বিএনপিসহ
দলটির তিন অঙ্গসংগঠনের জেলা নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভা করছেন প্রধানমন্ত্রী ও দলটির
চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
শনিবার (০৯ মে) বেলা পৌনে ১১টায় ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট (কেআইবি) মিলনায়তনে
এ মতবিনিময় সভা শুরু হয়।
দিনব্যাপী
রুদ্ধদ্বার এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মতবিনিময়সভায়
সভাপতিত্ব করছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এতে আরো উপস্থিত রয়েছেন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ
চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও এ জেড এম জাহিদ
হোসেন।
গত
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়লাভের পর বিএনপির মাঠ পর্যায়ের নেতাদের
সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এটিই প্রথম মতবিনিময় সভা।
রুহুল
কবির রিজভী জানান, সভায় দলের নির্বাচনী ইশতেহার এবং সরকারের পরিকল্পনাগুলো নেতাদের
কাছে তুলে ধরা হবে। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হবে।
মন্তব্য করুন


ধর্ম-বর্ণ ও মতের পার্থক্য থাকলেও বাংলাদেশের সব মানুষ একই পরিবারের সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের আগে বিমানবন্দরে দেওয়া নিজের একটি বক্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ড. ইউনূস বলেন, তখন বলেছিলাম আমরা একটা পরিবার। আমাদের নানামত, নানা ধর্ম থাকবে, নানা রীতিনীতি থাকবে কিন্তু আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। এটাতে জোর দিয়েছিলাম। আমাদের শত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আমরা পরস্পরের শত্রু নই। আমাদের জাতীয়তা, পরিচয়ের প্রশ্নে এক জায়গায় চলে আসি। আমরা বাংলাদেশি, এক পরিবারের সদস্য।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শপথ গ্রহণের পরে শুনতে আরম্ভ করলাম, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে। তখন মনটা খারাপ হয়ে গেল। এর পরপরই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গেলাম। সেখানেও বললাম, আমরা একই পরিবারের সদস্য।
তিনি বলেন, সব দাবিদাওয়া বাদ দিলেও একটা দাবি পরিষ্কার আমাদের সকলের সমান অধিকার, বলার অধিকার, ধর্মের অধিকার, কাজকর্মের অধিকার। সেটা এসেছে সংবিধান থেকে। নাগরিক হিসেবে প্রাপ্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব সেটা নিশ্চিত করা।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, শুনলাম এখনো সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে।
তাই আমি সবাইকে নিয়ে বসলাম, এটা থেকে কীভাবে উদ্ধার করা যায়।
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সেটা পুরো জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছিল। তখন তৃপ্তি পেলাম, একটু তো কাজ করেছি।
ভুল তথ্যের বিষয়ে সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এখন আবার নতুন কথা, হামলা হচ্ছে, অত্যাচার শুরু হচ্ছে। বিদেশি গণমাধ্যম বলব না প্রচারমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে, এটা হচ্ছে। আমি খোঁজ নিচ্ছি, কী হচ্ছে? সবদিকে দেখলাম এটা হচ্ছে না। এক খবরে বলা হচ্ছে, আরেক খবরে বলা হচ্ছে হচ্ছে না, তথ্যের মধ্যে ফারাক আছে। এটা ঠিক না। এটার অবসান হতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা যে তথ্য পাচ্ছি তা ভুল হতে পারে। তথ্যের ওপর বসে থাকার কিছুই নাই, এটার অর্থ অন্ধের মতো বসে থাকা। ভেতরে গিয়ে দেখতে হবে। খোঁজ নিতে হবে তথ্যের গরমিল কেন? তাতে ওরা যা বলছে, তা কি মিথ্যা প্রচার? না আমরা যা বলছি তা মিথ্যা প্রচার। সত্যটা কোথায়।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্যের কোনো ফারাক নেই। সেখানে সঠিক তথ্য কীভাবে পাব, সেটা আমাদের জানার। প্রকৃত তথ্য, অনেক সময় সরকারি তথ্যের ওপর ভরসা করে লাভ নেই। কর্তা যা চায়, সেভাবে বলে। আসলটা মন খুলে বলতে চাই না। আমরা আসল খবরটা জানতে চাই। সেই প্রক্রিয়াটা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এত বড় দেশে যেকোন ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু প্রকৃত তথ্য জানতে চাই। তাৎক্ষণিক খবর পেলে যাতে সমাধান করা যায়। যেদিক থেকেই দোষী দোষীই। তাকে বিচারের আওতায় আনা সরকারের দায়িত্ব।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, প্রথম কথাটা হলো না হওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করা। আর হয়ে গেলে তাৎক্ষণিক প্রতিকারের ব্যবস্থা করা। আমি যা বলছি, তা দেশের বেশির ভাগ মানুষ মনে করে। আমরা এক পরিবারের মানুষ হিসেবে সামগ্রিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারি। সেখানে তথ্য ও প্রতিকার হলো বড় বিষয়।
তিনি বলেন, আমি পেলাম তথ্য কিন্তু প্রতিকার পেলাম না। সমস্যা হয়ে গেলে সমাধান করতে হবে। আজকের আলোচনা খোলাখুলি, আমরা সবাই আলোচনা করব। আমাদের লক্ষ্যে কোনো গোলমাল নেই। তথ্য প্রবাহ কীভাবে পাব, দোষীকে কীভাবে ধরব, যাতে সবাই সঠিক তথ্যটা পেয়ে যায়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এমন বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই, যার নাম দিয়েছি নতুন বাংলাদেশ। এটা আমাদের করতে হবে। আপনাদের কথা বলে সন্তুষ্ট করে আজকের মতো বিদায় দিলাম তা নয়। এটা দ্রুত করতে হবে। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে দেখলে হবে না, আমাদের বর্তমানেই করতে যেতে হবে।
সংখ্যালঘু সমস্যার বিষয়ে অবাধ, সত্য তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা যায়, সে বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের পরামর্শ চান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কীভাবে নিরাপদে সংগ্রহ করব, যে তথ্য দিচ্ছে সে যেন বিব্রত না করে তাও নিশ্চিত হতে হবে।
মন্তব্য করুন


বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসছে।
নিয়োগ পদ্ধতি শিক্ষক নিবন্ধন সনদের পরিবর্তে সরাসরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হবে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া করবে সরকারি কর্ম কমিশনের আদলে গঠিত একটি কর্তৃপক্ষ।
তবে এ নিয়ে বর্তমানে আইন তৈরির কাজ চলছে বলে জানা গেছে।
বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সনদের ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়। এজন্য প্রিলিমিনারি, লিখিত, মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হতে হয়। আর উত্তীর্ণ প্রার্থীরা বিজ্ঞপ্তির পর সনদের ভিত্তিতে আবেদন করলে আবেদনপত্রের ভিত্তিতে নিয়োগে সুপারিশ করে থাকে এনটিআরসিএ।
এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস এম মাসুদুর রহমান বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন আইন তৈরির বিষয়টি নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আইনটি পাস হলে শিক্ষক নিয়োগে আর কোনো নিবন্ধন সনদের দরকার হবে না। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হবে।
এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর এনটিআরসিএর জন্য নতুন আইন তৈরি সংক্রান্ত একটি বৈঠক হয়।
শিক্ষক নিয়োগে নতুন আইন প্রসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক অনুবিভাগ-২) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন আইন তৈরির কাজ চলমান। আশা করছি, আইনটি পাসের জন্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদে তোলা হবে।
এদিকে এনটিআরসিএর একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নির্বাচন এবং নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে সুপারিশ কর্তৃপক্ষ সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে। তবে এই নতুন আইন কার্যকর হতে দেড় থেকে দুই বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। আর এই সময় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আগের নিবন্ধন সনদের ভিত্তিতে হবে।
কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে এনটিআরসিএর সনদধারীরা গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আবেদন করলে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। এ ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব-৩৫ বা নিবন্ধন সনদের মেয়াদ ৩ বছর রয়েছে এমন সব প্রার্থীরা আবেদনের সুযোগ পান। ফলে অনেকেই বঞ্চিত হয়ে থাকেন। তবে নতুন আইন কার্যকর হলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বয়স উল্লেখ থাকবে। এতে বঞ্চিত হতে হবে না কাউকে।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সাল থেকে শিক্ষক নিয়োগের জন্য নিবন্ধন সনদ দিয়ে আসছে এনটিআরসিএ। প্রথম দশকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি। তবে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর এতে পরিবর্তন আসে। সনদ দেয়ার পাশাপাশি নিয়োগের জন্য সুপারিশের ক্ষমতা দেয়া হয় এনটিআরসিএকে।
মন্তব্য করুন


ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আজ (২২ মার্চ) থেকে বাসের অগ্রিম টিকিট শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মার্চ) বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান রমেশ চন্দ্র ঘোষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বোর্ডিং পয়েন্ট বা কাউন্টার থেকে যাত্রীরা টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন।
বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল থেকেই আন্তঃজেলা সব বাস কাউন্টারে অগ্রিম টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। একই সঙ্গে যাত্রীরা অনলাইনের মাধ্যমে অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।
ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে রমেশ চন্দ্র ঘোষ বলেছেন, বিআরটিএর নির্ধারিত ভাড়া অনুযায়ী বাসের ভাড়া নেওয়া হবে। ভাড়ার তালিকার বাইরে বাড়তি ভাড়া নেওয়া যাবে না। সব বাস মালিকদের সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ই-টিকিট কেনা যাত্রীদেরকে জানানো হয়েছে, রাস্তায় সৃষ্ট জ্যামের কারণে ও গাড়ির যান্ত্রিক ত্রুটি এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণে যাত্রার সময় পরিবর্তন হতে পারে। তাই বিষয়টি জেনে টিকিট ক্রয় করতে অনুরোধ করা হলো ।
মন্তব্য করুন


শিক্ষার্থীদের
মূল্যবান সময় সাশ্রয় ও আন্তর্জাতিক শিক্ষা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে
২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট
(এইচএসসি) পরীক্ষার সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
২০২৭
সালের এসএসসি পরীক্ষা আগামী ৭ জানুয়ারি এবং এইচএসসি পরীক্ষা ৬ জুন থেকে শুরু হবে।
আজ
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেন।
শিক্ষামন্ত্রী
জানান, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি।
অন্যদিকে, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন এবং শেষ হবে ১৩ জুলাই। ইতোমধ্যে
পরীক্ষার রুটিন চূড়ান্ত করা হয়েছে। তা দ্রুতই প্রকাশ করা হবে।
সেশনজট
নিরসন ও সময় সাশ্রয় বিষয়ে ড. মিলন বলেন, বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি
এবং ফল প্রকাশের অপেক্ষায় শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘ সময় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
তিনি
আরো বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছরে এইচএসসি শেষ করার কথা থাকলেও
সেশনজটের কারণে তা ২০ বছর পর্যন্ত গড়িয়ে যাচ্ছে। আমরা এই গ্যাপটি (ব্যবধান) কমিয়ে আনতে
চাই। আমাদের টার্গেট হলো ডিসেম্বরকে পরীক্ষার মাস হিসেবে গণ্য করা, যাতে জানুয়ারি থেকে
নতুন সেশন শুরু হতে পারে।’
বিদেশে
উচ্চশিক্ষার আবেদনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ফল সেমিস্টার ধরার সুবিধার্থে
এইচএসসি পরীক্ষা জুন-জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি
বলেন, এছাড়া ফলাফল প্রকাশের দুই মাসের মধ্যেই উচ্চশিক্ষায় ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করার
বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) মাধ্যমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে
প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের তাগিদ দেওয়া হবে।
কোচিং
সেন্টার বন্ধের প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শ্রেণিকক্ষে পাঠদানকে আরো কার্যকর করতে
হবে। যখন আমরা পরীক্ষা ও ভর্তির মধ্যবর্তী গ্যাপ কমিয়ে আনব। পাশাপাশি ইন-হাউস টিচিং
শক্তিশালী করব, তখন কোচিং সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা এমনিতেই ফুরিয়ে আসবে।’
তিনি
আরো জানান, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীদের রিডিং হ্যাবিট বা পড়ার
অভ্যাস বাড়াতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কাজ করছে সরকার। সংবাদ
সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ নাহিদ
ইসলাম বলেছেন, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিতে প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
দেশের বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময়
সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, সরকার
গণমাধ্যমকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে। এই স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে সাংবাদিকতা কীভাবে
গড়ে উঠবে, এ বিষয়টি বাংলাদেশের সাংবাদিকেরা নির্ধারণ করবেন। গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। এ কমিশন গণমাধ্যমের অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের
নিকট প্রতিবেদন দেবে। কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকার গণমাধ্যম সংস্কারের উদ্যোগ
গ্রহণ করবে।
তিনি আরও বলেন, মাঠ পর্যায়ের অনেক সাংবাদিক
আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহ করেছেন। তবে, সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষের কারণে সবক্ষেত্রে
আন্দোলনের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রচার হয়নি।
মতবিনিময় সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারের পূর্বে আবশ্যিকভাবে সত্যতা যাচাই
করতে হবে। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের পর গণমাধ্যমের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে। তিনি বৈষম্য
বিরোধী আন্দোলনে শহিদ ও আহতদের আত্মত্যাগ গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারের উপর গুরুত্বারোপ
করেন।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ৩য় ধাপের পরীক্ষা আগামী ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
শেষ ধাপের পরীক্ষায় অংশ নিবেন ঢাকা ও চট্টগ্রাম (তিন পার্বত্য জেলা ব্যতীত) বিভাগের প্রার্থীরা । এ ধাপের মোট পরীক্ষার্থী ৩ লাখ ৪৯ হাজার ২৯৩ জন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তৃতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষাকে স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করার জন্য ২৫টি যন্ত্র সহ ৫টি টিম পরীক্ষার কেন্দ্র পাইলটিং করবে।
এ বছর প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। রংপুর, বরিশাল, সিলেট বিভাগের প্রথম ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা গত বছরের ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬২৭ জন। মৌখিক পরীক্ষার পর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয় গত ২৭ ফেব্রুয়ারী।
রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ২ ফেব্রুয়ারী। পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছিলো ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ জন। এই ধাপের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি।
৩০ মের মধ্যে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ হতে পারে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আগামী শুক্রবার কক্সবাজারে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার করবেন।
আজ বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানিয়ে বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সৌজন্যে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে এই ইফতার পার্টির আয়োজন করা হবে।
চার দিনের সফরে আগামীকাল বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশ আসবেন।
মন্তব্য করুন