

কোনো
বিয়ে সাজের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকে, আবার কোনোটি সংগীতের জন্য। তবে ভারতের কেরালার চাঙ্গানাসেরি
শহরের একটি বিয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এক ভিন্ন কারণে।
ফুল,
সাজসজ্জা কিংবা সংগীত নয়, বরং বিয়ের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় যমজদের উপস্থিতির
কারণে এই বিয়ে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।
বৃহস্পতিবার
চাঙ্গানাসেরি মেট্রোপলিটন চার্চে অনুষ্ঠিত যমজ দুই ভাইয়ের সঙ্গে যমজ দুই বোনের বিয়েতে
আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন যমজ দুই পুরোহিত। শুধু তা-ই নয়, তাদের সহায়তায় ছিলেন আরো
এক জোড়া যমজ সহকারী।
এক
প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, গত বৃহস্পতিবার কেরালার চাঙ্গানাসেরি মেট্রোপলিটন
চার্চে বর্ণাঢ্য এই বিয়ের আয়োজন করা হয়।
এদিন
অখিল কে থমাসের সঙ্গে বিয়ে হয় ম্যাগি মেরি থমাসের এবং অখিলের যমজ ভাই নিখিলকে থমাসের
সঙ্গে বিয়ে হয় ম্যাগির যমজ বোন মারিয়া মেরি থমাসের।
বিয়ের
প্রতিটি আয়োজনে যমজদের অংশগ্রহণ কোনো কাকতালীয় ঘটনা ছিল না। যমজ বোনেরা নিজেরাই যমজ
পুরোহিতদের সন্ধান করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত কোঠানাল্লুরের একটি গির্জায় তাদের খুঁজে পান।
দুই
পরিবারের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের ফসল ছিল এই অনন্য বিবাহ অনুষ্ঠান। পেশাগত জীবনে বর অখিল
ও নিখিল মার্চেন্ট নেভিতে কর্মরত এবং কনেরা কাজ করছেন আইটি খাতে।
ম্যাগি
ও মারিয়া বলেন, ‘শৈশব থেকেই আমাদের স্বপ্ন ছিল, যমজ ভাইদেরই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে
নেওয়ার। আমাদের পরিবারও সেটাই চেয়েছিল। যিশু খ্রিস্ট সেই স্বপ্ন পূরণ করেছেন।
বিয়েটিকে
আরো স্মরণীয় করে তুলতে কনেপক্ষ উদ্যোগ নিয়ে খুঁজে বের করেন যমজ দুই যাজক। তারা হলেন
ফাদার আন্তো পেজুমকাটিল ও ফাদার আজো পেজুমকাটিল। আনন্দের সঙ্গে এই বিয়ে পড়াতে রাজি
হন তারা। এ সময় বেদীতে তাদের সহযোগিতায় ছিলেন জেরন জেমস ও জোহন জেমস নামের আরও দুই
যমজ ভাই।
যমজ
পুরোহিতরা জানান, এমন বিশেষ কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা তাদের জীবনে
এই প্রথম। এটি সারা জীবন তাদের মনে থাকবে। একই সঙ্গে পুরো আয়োজনে যমজদের এমন মেলবন্ধন
উপস্থিত অতিথিদের মধ্যেও বেশ কৌতূহল ও আনন্দের সৃষ্টি করে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শিক্ষার্থীদের নতুন
এক বিশ্ব গড়ার স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বুধবার (১৪ মে) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৫ম সমাবর্তন
অনুষ্ঠানে ভাষণদানকালে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত নতুন কিছু গড়ার সক্ষমতা রাখি।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে সমাবর্তন অনুষ্ঠান হয়।
সমাবর্তন ভাষণে অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, আমরা চাইলে আমাদের মতো
করে এক নতুন বিশ্ব গড়ে তুলতে পারি। তবে, তিনি বলেন, প্রত্যেকেরই স্বপ্ন থাকা দরকার-
কেমন পরিবেশ ও সমাজ তারা প্রতিষ্ঠা করতে চায় সেই সম্পর্কে।
গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পটভূমি স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, বর্তমানে যে সভ্যতা চলছে তা একটি ধ্বংসাত্মক অর্থনীতির সভ্যতা।
তিনি বলেন, ‘আমরা যে অর্থনীতি তৈরি করেছি তা মানুষের জন্য নয়,
বরং ব্যবসার জন্য।’ তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবসাকেন্দ্রিক
এই সভ্যতা আত্মঘাতী এবং তা টিকবে না।
অধ্যাপক ড. ইউনূস আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
এসে আনন্দিত। তিনি স্মরণ করেন, ১৯৭২ সালে চবিতে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।
তিনি ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ এবং কীভাবে গ্রামীণ ব্যাংক চট্টগ্রামে
দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষদের সহায়তা করতে গঠিত হয়েছিল তা তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের জন্ম হয়েছিল চবির অর্থনীতি
বিভাগে।
অনুষ্ঠানে, চবি কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক ইউনূসকে ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে
দারিদ্র্য বিমোচন এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের জন্য সম্মানসূচক
ডক্টরেট অব লিটারেচার (ডি লিট) উপাধিতে ভূষিত করে।
চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার অধ্যাপক ইউনূসের
হাতে ডি লিট সনদ তুলে দেন।
সমাবর্তনে শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরার এবং বিশ্ববিদ্যালয়
মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফয়েজসহ অন্যান্যরাও বক্তব্য রাখেন।
চবি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন
খান এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) মো. কামাল উদ্দিনও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
চবি আজ দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ সমাবর্তনের আয়োজন করে, যেখানে
২২,৫৮৬ জন শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


তরুণরা
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে যে স্বপ্ন নিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে, সেই স্বপ্নের সারথি
হয়ে সরকার পাশে থাকবে— এমনটাই জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার
(২৯ জুলাই) রাজধানীর আহসানুল্লাহ ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত এক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে
তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী
জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন তার একটা পরিকল্পনা রয়েছে। সেই পরিকল্পনার কারণেই দেশের
মানুষ নতুন করে স্বপ্ন দেখছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টান্তগুলো
জাতিকে আশান্বিত করেছে।
তিনি
বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী দিনে প্রায় ১৮ ঘণ্টা কাজ করছেন। একটি
অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তরুণদের রক্তের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। কিছু স্বল্পতা
রয়েছে আমাদের। তবে সেই সঙ্কটকে জয় করে ভালো কিছু করার আশাবাদও ব্যক্ত করেন মির্জা ফখরুল।
এসময়
তাদের সেই স্বপ্নিল দেশ বিনির্মাণে সরকার তাদের পাশে থাকবে বলেও উপস্থিত শিক্ষার্থীদের
আশ্বস্ত করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের
শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের অবহেলায় হাজেরা বেগম (৪২) নামে এক নারীর মৃত্যু
হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার স্বজনেরা।
শনিবার
(১২ সেপ্টেম্বর) অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে গণমাধ্যমকে জানান শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা
কর্মকর্তা ডা. আবু নাছের শাকিল।
এর
আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিনগত
রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডে হাজেরা বেগমের মৃত্যু হয়।
স্বজনদের
দাবি, মৃত্যুর প্রায় এক ঘণ্টা আগে
হাজেরা বেগমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তারা বারবার কর্তব্যরত চিকিৎসককে রোগীকে দেখতে আসার অনুরোধ করেন। তবে চিকিৎসক রোগীর কাছে না গিয়ে নিজের
কক্ষে স্মার্টফোন ব্যবহার করছিলেন।
জানা
গেছে, হাজেরা বেগম লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা বাজার ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের শেখের বাড়ির আক্তার হোসেনের স্ত্রী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত
সাড়ে ৮টার দিকে তাকে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাজেরা বেগমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তারা কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. প্রিয়াঙ্কাকে রোগীকে দেখতে আসার অনুরোধ করেন। এ সময় চিকিৎসক
রোগীর কাছে না গিয়ে নিজের
কক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলেন। পরে স্বজনদের অনুরোধের পর চিকিৎসক রোগীকে
বেড থেকে কাঁধে করে তার কক্ষে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এ সময় রোগীর
স্বামী আক্তার হোসেন একার পক্ষে স্ত্রীকে কাঁধে করে চিকিৎসকের কক্ষে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলে জানান।
পরে চিকিৎসক রোগীকে অক্সিজেন দেওয়ার পরামর্শ দেন। এর কিছুক্ষণ পর
রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাজেরা বেগমের মৃত্যু হয়।
হাজেরা
বেগমের স্বামী আক্তার হোসেন বলেন, আমার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন। ডাক্তারকে বারবার অনুরোধ করার পরও তিনি রোগীকে দেখতে আসেননি। তিনি সময়মতো চিকিৎসা দিলে হয়ত এ ঘটনা ঘটতো
না।
এদিকে
অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. প্রিয়াঙ্কার বক্তব্য জানতে গেলে সাংবাদিকদের বক্তব্য নিতে বাধা দেন হাসপাতালের কার্ডিওলজি কনসালট্যান্ট ডা. জয়ন্ত মালাকার। তিনি নিজেকে ষষ্ঠ গ্রেডের কর্মকর্তা এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দায়িত্বে রয়েছেন দাবি করে জানান, চিকিৎসকের কর্তব্যে অবহেলা সংক্রান্ত রোগীর স্বজনদের অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসকের সব বিষয়ের দায়
তিনি নেবেন। চিকিৎসকের পক্ষ থেকে সব ধরনের বক্তব্যও
তিনিই দেবেন।
কথোপকথনের
একপর্যায়ে ডা. জয়ন্ত মালাকার বলেন, ওই রোগীর আইসিইউ
সাপোর্ট প্রয়োজন ছিল। লিভারের জটিল চিকিৎসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেওয়া সম্ভব নয়।
এ
বিষয়ে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা
কর্মকর্তা ডা. আবু নাছের শাকিল মুঠোফোনে বলেন, কর্তব্যে অবহেলার বিষয়টি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে কোনো
অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে
নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪০৩ জন।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত একদিনে ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ১১৭ জন ছাড়াও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩৫ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে ৯২ জন, ঢাকা বিভাগে ৩৬ জন, খুলনা বিভাগে ১৫ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
অন্যদিকে গত একদিনে মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুইজন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা। এছাড়া ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া অপরজন খুলনা বিভাগের বাসিন্দা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম দিন থেকে শনিবার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর এই সময়ে মশাবাহিত রোগটি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫ হাজার ২০৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুমুক্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২৫২ জন। মোট ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৬০৩ জন।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল ১২ মে রোববার চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা
হবে।
সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে মাধ্যমিক ও সমমান
পরীক্ষা ২০২৪ এর ফলাফল এবং ফলাফলের পরিসংখ্যান তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান
চৌধুরী নওফেল। এ সময় তার সঙ্গে থাকবেন ৯টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা
বিভাগের সচিব বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা ১২ মে ফলাফল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সম্মতি দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর
সহকারী একান্ত সচিব-১ ইসমাত মাহমুদা এ সংক্রান্ত চিঠিতে সই করেছেন।
আর এর পরপরেই সকাল ১১টায় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফলাফল প্রকাশ
করা হবে।
নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি ও সময়সূচি নিতে প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ে চিঠি দিয়ে থাকে। প্রধানমন্ত্রী যেদিন সময় দেন, সেদিন ফল প্রকাশে প্রস্তুতি
নেওয়া হয়।
পরীক্ষার ফলাফল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট wwwdhakaeducationboard.gov.bd-G
Result-এ ক্লিক করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের EIIN এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক
রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া www.education boardresults.gov.bdbd ওয়েবসাইটে
ক্লিক করে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পরীক্ষার নাম, বছর ও শিক্ষা বোর্ড সিলেক্ট
করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করে ফল জানা যাবে।
মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে। ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে
স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম ৩ অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস
দিয়ে পাসের বছর লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে ফল।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়।
এবারের এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী
২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন। সারাদেশে ২৯ হাজার ৭৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা
৩ হাজার ৭০০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হয়।
মন্তব্য করুন


নতুন দল গঠন করে নেতৃত্বে আসা ও সরকার থেকে
পদত্যাগের বিষয়ে এ সপ্তাহের শেষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং তথ্য ও
সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে জানিয়েছেন ।
ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কার্য অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর রাত ১০টার দিকে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জানান, আমি এ বিষয়ে আমার অবস্থান ব্যক্ত করেছি মিডিয়ার বিভিন্ন জায়গায়। তবে বিভিন্ন সংবাদপত্র বা মিডিয়ায় যেভাবে তথ্য আসছে আমি মনে করি যে এভাবে আসা উচিত না। কারণ আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সেটা প্রকাশের আগেই, কোনো ধরনের অনুমানের ওপর ভিত্তি করে এ ধরনের তথ্যগুলো ছড়ানো উচিত হচ্ছে না।
নাহিদ ইসলামের কাছে প্রশ্ন ছিল- ছাত্র জনতার
নেতৃত্বে একটি নতুন দল আসছে, আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি নতুন দল আপনার নেতৃত্বকে
বেছে নিয়েছে, তারা চায় আপনি সেই দলের নেতৃত্ব দেন। সে ক্ষেত্রে আপনার অবস্থান
কী? সেই দলে যদি আপনি যেতে চান তাহলে উপদেষ্টার পর থেকে সরে আসতে হবে- সে বিষয়ে
আপনি কী ভাবছেন?
প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাইরে যারা আছে, বৈষম্যবিরোধী নাগরিক কমিটি তারা একটা রাজনৈতিক দলের উদ্যোগের কথা বলেছে অনেক আগেই, ফেব্রুয়ারির মধ্যে। আমি আমার জায়গাতে বলেছি যে, সেই দলে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা হয়তো আমার থাকতে পারে। তো সেটা হলে আমি সরকার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেই সেটি করবো। সে বিষয়ে আমি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। কিন্তু সেটা সম্ভাবনা আছে। হয়তো এ সপ্তাহের শেষে আমি এ বিষয়ে একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আপনাদের সবাইকে জানাতে পারব।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরকারের
পতনের পর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন মো. নাহিদ ইসলাম।
মন্তব্য করুন


রাজধানীতে
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে ছিনতাইকারী ব্যাগ ধরে টান দেওয়াতে, রিকশা থেকে
পড়ে এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিক্ষিকা মোসা. রনজিনা পারভীন বগুড়ার বাগবাড়ি
বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।
শনিবার
(২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সংসদ ভবনের দক্ষিন প্লাজার সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার
(ডিসি) ইবনে মিজান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
জানা
যায়, রাতে বগুড়া থেকে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় ইসলামিয়া চক্ষু হাসাপাতালে ডাক্তার
দেখাতে এসে ভোরে গাবতলী বাস টার্মিনাল নামেন তিনি। এরপর রিকশায় করে ইসলামিয়া চক্ষু
হাসপাতালে যাওয়ার পথে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় যাওয়া মাত্রই পেছন থেকে মোটরসাইকেলে
করে এসে ছিনতাইকারী তার ব্যাগ ধরে টান দিলে রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে তার মাথা ফেটে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে
মৃত ঘোষণা করেন।
এ
বিষয়ে তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, ‘আমরা মোটরসাইকেল
ও জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ করছি। আশা করছি খুব শীঘ্রই তাদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে
পারবো।’
মন্তব্য করুন


শহুরে
ব্যস্ত জীবনে এখন সম্পর্কের নতুন ঠিকানা হয়ে উঠছে কর্মক্ষেত্র। সকালের তাড়াহুড়া, একসঙ্গে
ডেডলাইন সামলানো, সাফল্যের মুহূর্ত ভাগ করে নেয়া, খারাপ দিনে পাশে থাকা, দুপুরের ছোট্ট
কফি বিরতি কিংবা দিনের শেষে ক্লান্ত মুখে ‘আজ অনেক চাপ গেল’,
এভাবেই অজান্তে কাছাকাছি চলে আসেন অনেক সহকর্মী।
একই
অফিসে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাতে কাটাতে কখন যে পেশাদার কথাবার্তার ভেতর একটু
আলাদা যত্ন, অপেক্ষা কিংবা ভালো লাগা জন্ম নেয়, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না শুরুতে। এসব
থেকেই অনেক সময় তৈরি হয় নির্ভরতা এবং প্রেম। এখন কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক বা ‘ওয়ার্কপ্লেস
রোমান্স’ আগের চেয়ে অনেক বেশি সাধারণ হয়ে উঠছে।
তবে
অফিসের সম্পর্ক শুধু সিনেমার মতো রোমান্টিক গল্প নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পেশাদারিত্ব,
ব্যক্তিগত সীমারেখা, সহকর্মীদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং কর্মপরিবেশের ভারসাম্যও।
সাম্প্রতিক
‘ওয়ার্কপ্লেস রোমান্স স্ট্যাটিস্টিকস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন বলছে, ৬০ শতাংশেরও
বেশি কর্মজীবী মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন।
এর মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ সম্পর্ক পরিণয়ে গড়িয়েছে। অর্থাৎ, অফিসে শুরু হওয়া সম্পর্কের
অনেকগুলোই শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে। ফোর্বস ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ
করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা
বলছেন, এর বড় কারণ হলো সময়ের পরিবর্তন। এখন মানুষের জীবনের বড় একটা অংশ কাটে কর্মস্থলে।
সকালে বের হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত অফিসেই সময় যায়। ফলে বাইরের সামাজিক যোগাযোগ কমে যাচ্ছে।
নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও আগের মতো নেই। তাই স্বাভাবিকভাবেই সহকর্মীদের
মধ্যেই তৈরি হচ্ছে কাছাকাছি আসার সুযোগ।
ফোর্বসের
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক তৈরির পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ‘স্বাচ্ছন্দ্যবোধ’।
প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, সহকর্মীর সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করতে করতে একটা বিশ্বাস
ও মানসিক নিরাপত্তা তৈরি হয়। এছাড়া ৬১ শতাংশ জানিয়েছেন, কাজের বাইরে নতুন মানুষের সঙ্গে
পরিচিত হওয়ার সময় না থাকাও একটি বড় কারণ। তবে অফিসের সম্পর্ক সবসময় সহজ বা সুন্দর অভিজ্ঞতা
হয় না। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নানা ধরনের জটিলতাও।
সমীক্ষায়
দেখা গেছে, প্রায় ৫৭ শতাংশ কর্মী মনে করেন, অফিসের সম্পর্ক তাদের কাজের পারফরম্যান্সে
প্রভাব ফেলেছে। কেউ কেউ কাজের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়েছেন, আবার অনেকের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত
টানাপোড়েন কাজের পরিবেশকেও অস্বস্তিকর করে তুলেছে।
এছাড়া
৫২ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, সম্পর্কের কারণে সহকর্মীদের আচরণ বদলে গেছে। অফিসে গুজব,
ঈর্ষা বা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও বেড়েছে অনেক ক্ষেত্রে। প্রায় অর্ধেক কর্মী বলেছেন,
সহকর্মীদের মধ্যে তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা বা কানাঘুষা চলেছে।
আরও
একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, প্রায় ৩৫ শতাংশ কর্মী তাদের সম্পর্কের বিষয়টি অফিস কর্তৃপক্ষকে
জানান না। কারণ হিসেবে তারা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, অস্বস্তি কিংবা চাকরিগত ঝুঁকির কথা
উল্লেখ করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের
মতে, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। মানুষ যেখানে বেশি সময় কাটায়,
সেখানেই আবেগ তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে সম্পর্কের কারণে যেন কর্মপরিবেশ, পেশাদারিত্ব
বা অন্য সহকর্মীদের স্বস্তি নষ্ট না হয়, সেই বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ
অফিসের সম্পর্ক শুধু দুজন মানুষের ব্যক্তিগত বিষয় হয় না, অনেক সময় সেটি পুরো কর্মপরিবেশের
ওপরও প্রভাব ফেলে।
এ
ব্যাপারে সাদমিনা নামের এক তরুণী বলেন, ‘অফিসে একজনকে ভালো লাগে। একসঙ্গে কাজ করতে
করতে কখন যে তার প্রেমে পড়ে গেলাম টেরই পেলাম না। আমরা একসঙ্গে লাঞ্চে যাই, চা খেতে
যাই, কাজের বাইরেও অনেক গল্প হয়। তবে ভালোলাগার কথাগুলো এখনও আদান-প্রদান হয়নি।’
এদিকে
সহকর্মীকে বিয়ে করা শাহরিয়ার নীরব নামের এক যুবক বলেন, ‘আমরা একই অফিসে চাকরি করি।
৫ বছর আগে যখন আমাদের প্রেম হয় তখন আশেপাশের সহকর্মীরা আমাদের দেখে হাসতো, মজা নিতো।
ব্যাপারটা আমরাও বেশ উপভোগ করতাম।’
নীরব
হেসে হেসে আরও বলেন, ‘আমরা যখন প্রেম করতাম তখন অফিসের কাজের চাপ থাকলেও চাপ মনে হতো
না। প্রেয়সীর চোখের দিকে তাকালেই সব ক্লান্তি দূর হয়ে যেত, অফিস ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও
টের পেতাম না।’
সহকর্মীর
সঙ্গে সংসার কেমন কাটছে এমন প্রশ্নের জবাবে নীরব বলেন, ‘আমরা ভালো আছি। সংসার জীবনের
এত বছরেও প্রেমের প্রথম দিনের মতোই মনে হয় এখনও। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আমরা এখনও
সহকর্মী।’
মন্তব্য করুন


ছাত্র আন্দোলনে আহতদের মধ্যে ১০০ জন
পুলিশের চাকরি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সিআইডির প্রধান
কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সিআইডিতে
আজকে আমার একটা নরমাল ভিজিট ছিল। আমার সঙ্গে আইজিপি ছিলেন। আমরা অনেক বিষয়ে কথা বলেছি।
আপনারা জানেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় অনেকে নিহত এবং আহত হয়েছেন। যারা আহত
হয়েছেন তাদের কর্মসংস্থানের একটা ব্যবস্থা কিভাবে করা যায় সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।
পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা এই বিষয়ে একটা প্রপোজাল পাঠিয়েছি। যারা আহত হয়েছে তাদেরকে পুলিশে
চাকরি দেওয়ার বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সবাইকেতো আর পুলিশে নেওয়া যাবে না, তবে একেকজন একেকভাবে
আহত হয়েছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আহতদের মধ্যে ১শ’ জনকে আমরা পুলিশ বাহিনীতে নিব।
আমরা দ্রুত এই বিষয়ে কার্যক্রম শুরু করব। আমরা আপাতত ১শ’ জন আহতকে দিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি,
পরবর্তীতে আমরা এই সংখ্যাটা আরো বাড়াব। আমরা আপাতত পুলিশে শুরু করছি পরবর্তীতে আমরা
আমার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সকল ডিপার্টমেন্টে এটা করে দিব। ট্রাফিক ব্যবস্থার একটা সমস্যা রয়ে
গেছে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে আমরা এক হাজার ছাত্রকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে প্রপোজাল পাঠিয়েছিলাম।
এখন পর্যন্ত ৪শ’ জন শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমরা আরো একটি প্রপোজাল পাঠিয়েছিলাম
যে, বিভিন্ন বাহিনীতে যারা অবসরে গিয়েছেন তাদের নিয়োগ দিয়ে ট্রাফিক শৃঙ্খলায় নিয়োজিত
করা। তবে অবসরপ্রাপ্তরা এই বিষয়ে রেসপন্স খুব কম দিয়েছেন। আমি ভেবেছিলাম তারা অনেকে
আসতে চাইবে। তবে আমরা আপাতত ৫০-৬০ জনের মত পেয়েছি। আমরা চেয়েছিলাম অন্তত ৫শ’ জন দিয়ে
শুরু করি।
শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সঙ্গে ট্রাফিক
ব্যবস্থাপনার বিষয়টা কেমন হবে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তারা যেন পড়াশোনা
ঠিক রাখতে পারে সেজন্য তাদেরকে আমরা সময়টা কম দিয়েছি। তারা যেন পড়াশোনাও করতে পারে
এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণেও কাজ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করেছি। তাদের সম্মানী দেওয়া হচ্ছে।
তারা রাস্তায় ২-৩ ঘণ্টা কাজ করবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিগত সরকারের
আমলে সব থেকে বড় সমস্যা ছিল মানি লন্ডারিং। মানি লন্ডারিং নিয়ে আমি সিআইডি প্রধানকে
সব থেকে বেশি ইন্সট্রাকশন দিয়েছি। আমি সিআইডি প্রধানকে বলেছি যে, তিনি যেন দ্রুত বাংলাদেশ
ব্যাংক থেকে রিজার্ভ চুরির ঘটনার প্রতিবেদন দেন। বিগত সরকারের আমলে মানি লন্ডারিং সব
থেকে বেশি হয়েছে। আমি সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছি মানি লন্ডারিং এর মামলাগুলোর প্রতিবেদন
যেন দ্রুত দেয়া হয়। তদন্তের
নামে সময়ক্ষেপন করে লাভ নেই। আমি একটা রিপোর্ট চাই যে কারা কারা মানিলন্ডারিং এর সঙ্গে
জড়িত। সেটা আমি সিআইডিকে বলেছি। যদি তদন্তের নামে দুই তিন বছর চলে যায় তাহলে তো এটার
কোন কার্যকারিতা থাকে না।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে এশার
আজান দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মো. আমিনুল ইসলামের (৪৮) মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার
(১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নামাজের জন্য মুসল্লিদের
আহ্বান জানাতে গিয়ে তার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, মো. আমিনুল ইসলাম উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর কাজীবাড়ি
এলাকার প্রয়াত শামসুল আলমের ছেলে। তিনি দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় মাস্টারবাড়ি
পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
এছাড়া
তিনি প্রায় এক দশক ধরে কণ্ঠনগর দক্ষিণপাড়া দারুল সুন্নাহ তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসার
প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার এবং
সমাজে নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তার অবদান স্থানীয়দের কাছে প্রশংসিত ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও তিনি এশার নামাজের আজান দিতে দাঁড়ান। আজান দেওয়ার
একপর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা
করার চেষ্টা করলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান বলে জানা যায়।
তার
আকস্মিক মৃত্যুতে স্থানীয় মুসল্লি, শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের
সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোক প্রকাশ
করছেন। পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মন্তব্য করুন