

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরের বাউন্ডারি ভেঙে একটি বাস ঢুকে যাওয়ার ঘটনায় সিভিল এভিয়েশনের সিনিয়র একজন
ইঞ্জিনিয়ার নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সামনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নিরাপত্তা বাইন্ডারিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম মাইদুল ইসলাম
সিদ্দিকী। তিনি সিভিল এভিয়েশনের সিনিয়র সাব-অ্যাসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার।
দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিমানবন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন চন্দ্র দাস জানান, আজ সকাল ১০টার দিকে রাইদা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তৃতীয় টার্মিনালের নিরাপত্তা বাউন্ডারি ভেঙে ঢুকে যায়। এসময় রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন সিভিল এভিশনের সিনিয়র সাব অ্যাসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মাইদুল ইসলাম। তার মোটরসাইকেলটি রাইদা পরিবহনের বাসটির নিচে চলে যায়। পরে তাকে গুরুতর অবস্থায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এসআই সুমন চন্দ্র দাস আরও
বলেন, নিহতের মরদেহের সুরতহাল শেষে তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো
হবে ময়নাতদন্তের জন্য।
দুর্ঘটনায় জড়িত বাসচালক,
হেলপার পলাতক। তবে বাসটি জব্দ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া
চলমান।
মন্তব্য করুন


ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, তার দুই সন্তান—শেখ ফজলে নাশওয়ান ও শেখ ফজলে নাওয়ার—এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ২১টি ব্যাংক হিসাব সাময়িকভাবে জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ বিষয়ে আবেদন করলে ২৪ নভেম্বর (সোমবার) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন। জব্দ করা হিসাবগুলোতে মোট ১০ কোটি ৩৮ লাখ ৪ হাজার ৭৯৫ টাকা রয়েছে বলে আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন নিশ্চিত করেন।
দুদকের পক্ষে সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, তাপসের সম্পদের পূর্ণ বিবরণ এখনো শনাক্ত করা যায়নি, তবে তার নিজ নাম, সন্তান এবং স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের নামে মোট ২১টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত হয়েছে। এসব হিসাব থেকে সম্পদ যাতে সরানো বা বেহাত হওয়ার আশঙ্কা না থাকে সেজন্যই এগুলো অবরুদ্ধ করার প্রয়োজন দেখা দেয়।
এর আগে ৫ জানুয়ারি, তাপসের বিরুদ্ধে দুদক মামলা করে। মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৭৩ কোটি ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া ২০১৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট পর্যন্ত নিজের নামে থাকা ২৭টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৩০৪ কোটি ৩৩ লাখ ৫৮ হাজার ৫২৮ টাকা জমা এবং ২৩৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ টাকা উত্তোলন করেছেন—অর্থাৎ মোট লেনদেনের পরিমাণ ৫৩৯ কোটি ১৬ লাখ ২৫ হাজার ২৭৮ টাকা।
এছাড়া তাপস বৈদেশিক মুদ্রায়ও অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার হিসাবগুলোতে ২ লাখ ৬৩ হাজার ৭৩৬ মার্কিন ডলার জমা এবং ২ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯১ মার্কিন ডলার উত্তোলন করা হয়েছে, যা মিলিয়ে ৫ কোটি ১৭ লাখ ৫২৭ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ লেনদেন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো.
সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের
প্রতিনিধি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের বৈঠকের সিদ্ধান্তের
পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।
৬ আগস্ট বঙ্গভবন থেকে
গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস রিলিজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এছাড়া প্রেস রিলিজে আরো
বলা হয়েছে যে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
১ জুলাই ২০২৪ থেকে ৫
আগস্ট পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও বিভিন্ন মামলায় আটকদের মুক্তি দেওয়া শুরু
হয়েছে এবং এরই মধ্যে অনেকে মুক্তি পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় জুয়ার আসর থেকে ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মোবারক হোসেন এ তথ্য জানান।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. কবির হোসেন, মো. কাউসার, মো. জাকির হোসেন, মো. মহিউদ্দিন, মো. আনু, মো. ইয়াকুব আলী, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. রিপন, মো. সুন্দর আলী, মো. রাসেল মিয়া, মো. মাসুম বিল্লাহ, মো. সুজন মিয়া, মো. মামুন, আ. করিম, মোশারফ হোসেন, মো. আলী ও মো. মজিবুর রহমান।
ওসি মোবারক হোসেন জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) মধ্য রাতে কারওয়ান বাজারের এসি ভবনের ষষ্ঠ তলায় অভিযান চালানো হয়। সেসময় ১৭ জনকে তাস দিয়ে জুয়া খেলা অবস্থায় আটক করা হয়। পরে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
মন্তব্য করুন


১৯৭১
সালের ১৪ ডিসেম্বর, বিজয়ের আগ মুহূর্তে, জাতি হারায় তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। পরিকল্পিতভাবে
রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে দেশকে মেধাশূন্য করার নৃশংস
চেষ্টা চালায়। সেই শোকাবহ স্মৃতি স্মরণে প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর পালিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী
দিবস। দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ রোববার সকাল ৭টার পর রাজধানীর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে
পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি
সাহাবুদ্দিন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তাঁদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর স্মৃতিসৌধ সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
এরপর একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি
শ্রদ্ধা জানায়।
বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ঢাকা মহানগর নেতৃবৃন্দের পক্ষে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির
আহ্বায়ক আমিনুল হক পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা
বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জাতি
যখন নতুন করে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তখনই দেশের শত্রুরা
হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতায় লিপ্ত হয়েছে।’
সাম্প্রতিক
কয়েকটি ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতা দেশের
গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা।’তিনি আরও বলেন, এই দিনে বিএনপির পক্ষ
থেকে অসুস্থ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ
থেকে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। পাশাপাশি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব
ও গণতন্ত্র রক্ষার শপথ গ্রহণ করা হয় এবং গণতন্ত্র ও দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী সকল শহীদের
প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।’
দিবসটিতে
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, মৎস্যজীবী দল (ঢাকা মহানগর উত্তর), ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন
অব বাংলাদেশ (ড্যাব), বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, ঢাকা মহানগর যুবদল, জাতীয়তাবাদী তাঁতী
দল, জাতীয় যুবশক্তি, জাতীয় ছাত্রশক্তি, গণফোরাম, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, গণতান্ত্রিক
বিপ্লবী পার্টি, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, ভাসানী জনশক্তি পার্টি ও নাগরিক ঐক্যসহ
বিভিন্ন সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র আহ্বায়ক নাহিদ
ইসলামের নেতৃত্বে দলের নেতৃবৃন্দও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
নাহিদ
ইসলাম বলেন, ‘১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধপন্থী লেখক, সাহিত্যিক, সাংবাদিকসহ চিন্তাশীল
মানুষদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়, যাতে বাংলাদেশ স্বনির্ভরভাবে দাঁড়াতে না পারে।’
তিনি বলেন, আজও নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক অভ্যুত্থান নস্যাৎ করতে পরিকল্পিত টার্গেট কিলিংয়ের
ঘটনা ঘটছে। এসময় জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের
আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি ১৯৭১, ১৯৪৭ ও ২০২৪ সালের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে
জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বানও জানান।এছাড়া জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশের
কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, বাংলাদেশের
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, বাসদ (মার্কসবাদী), সমাজতান্ত্রিক ছাত্র
ফ্রন্ট, জাতীয় জনতা পার্টি, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ, আমার বাংলাদেশ
(এবি পার্টি), গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি
শ্রদ্ধা নিবেদন করে।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের
স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন।
মন্তব্য করুন


সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চ-এর মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির বিষয়ে সবশেষ তথ্য জানিয়েছে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড।
আজ
শনিবার ( ১৩ ডিসেম্বর ) মেডিকেল বোর্ড থেকে
পাঠানো আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ওসমান হাদির মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে। যেহেতু অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে, সেহেতু এখন কনজারভেটিভভাবেই ম্যানেজ করতে হবে।
তার কিডনির কার্যক্ষমতা ফেরত এসেছে। তবে সার্বিকভাবে তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।’এতে
বলা হয়, ওসমান হাদিকে গতকাল (১২ ডিসেম্বর) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে
অপারেশনের পরে এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর
করা হয়।
মেডিকেল
বোর্ডের অবজারভেশন ও সিদ্ধান্ত সমূহ—
১.
রোগীর মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেহেতু সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপ সম্পন্ন
হয়েছে, তাই বর্তমানে তাকে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রাখা হয়েছে। ব্রেন প্রোটেকশন প্রটোকল
অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সব সাপোর্ট চালু থাকবে। শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে
পুনরায় ব্রেনের সিটি স্ক্যান করা হতে পারে।
২.
ফুসফুসে ইনজুরি বিদ্যমান রয়েছে। চেস্ট ড্রেইন টিউব দিয়ে অল্প পরিমাণ রক্ত নির্গত হওয়ায়
তা আপাতত চালু রাখা হয়েছে। ফুসফুসে সংক্রমণ ও এআরডিএস প্রতিরোধের বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা
অবলম্বন করে ভেন্টিলেটর সাপোর্ট অব্যাহত রাখা হবে।
৩.
কিডনির কার্যক্ষমতা বর্তমানে ফিরে এসেছে। এটি বজায় রাখার জন্য পূর্বনির্ধারিত ফ্লুইড
ব্যালেন্স যথাযথভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।
৪.
পূর্বে শরীরে রক্ত জমাট বাঁধা ও রক্তক্ষরণের মধ্যকার অসামঞ্জস্যতা (ডিআইসি) দেখা দিলেও
বর্তমানে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এ অবস্থা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে এবং
প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত ও রক্তজাত উপাদান সঞ্চালন অব্যাহত থাকবে।
৫.
ব্রেন স্টেম ইনজুরির কারণে রক্তচাপ ও হৃৎস্পন্দন ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
বর্তমানে যে সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে, তা চলমান থাকবে। হৃৎস্পন্দন বিপজ্জনকভাবে কমে গেলে
তাৎক্ষণিকভাবে টেম্পোরারি পেস-মেকার স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট টিম সম্পূর্ণ প্রস্তুত
রয়েছে।
৬.
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার, রেডিওলজি, আইসিইউ, অ্যানেস্থেশিয়া,
নিউরোসার্জারি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের চিকিৎসক ও সাপোর্টিভ স্টাফদের অসাধারণ
ও মানবিক অবদানের জন্য এই মেডিকেল বোর্ড তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।
৭.
বর্তমানে রোগীর সার্বিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।
৮.
বোর্ড এই মেডিকেল সামারিটা রোগীর ভাই ও নিকট আত্মীয়দের বিস্তারিতভাবে অবহিত করেছে।
তারা চাইলে গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশবাসীকে এ বিষয়ে অবহিত করতে পারেন। মেডিকেল টিমের
পক্ষ থেকে ওসমান হাদির জন্য দোয়া করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
৯.
অপ্রয়োজনে কেউ হাসপাতালে এসে ভিড় করবেন না। কোনো ধরনের ভিজিটর অনুমোদিত নয়।
১০.
কোনো ধরনের অনুমানভিত্তিক বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করে মেডিকেল বোর্ডের প্রতি
আস্থা রাখার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে। রোগীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মর্যাদা
রক্ষায় সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হলো।
১১.
আমাদের মেডিকেল টিম সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে তার চিকিৎসা চালিয়ে
যাচ্ছে। তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য মেডিকেল বোর্ড ও পরিবারের পক্ষ থেকে সবার নিকট দোয়া
চাওয়া হয়েছে।
গতকাল
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরের কালভার্ট এলাকায় অস্ত্রধারীরা ওসমান হাদিকে গুলি
করে। তখনই তাকে উদ্ধার করে ২টা ৩৫ মিনিটে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ
জানায়, ওসমান হাদি এবং তার সঙ্গে আরেকজন রিকশায় করে যাচ্ছিলেন। তাদের রিকশা কালভার্ট
রোড এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলযোগে দু’জন এসে ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি
করে পালিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর হাদিকে রাতেই এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া
হয়।
মন্তব্য করুন


আজ শনিবার বিকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিভিন্ন ইসলামি দলের প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপের সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে অযৌক্তিক সময় নষ্ট করবে না অন্তর্বর্তী সরকার।
বৈঠক শেষে দলগুলোর প্রতিনিধিরা সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
এ ছাড়া সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে আসন্ন দুর্গাপূজায় কেউ যাতে নৈরাজ্য করতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে ইসলামি দলগুলোর প্রতিও আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।
এর আগে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামী, খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী আন্দোলন এবং নেজামে ইসলাম বাংলাদেশের শীর্ষ নেতারা।
নেতারা জানান, প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত সময়ে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির জন্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে দাবি জানানো হয়। তারা আরও জানান, সংলাপে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য নিশ্চিত করা, দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না হওয়া, নির্বাচনী ব্যবস্থাসহ সাংবিধানিক বেশ কিছু সংস্কারের দাবিও উপস্থাপন করেছেন নেতারা।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা যৌক্তিক সময়ে সব কিছুর সমাধান করে দেশকে নির্বাচনের দিকে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের তিন দিন পর গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব বুঝে নেয় মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদ। পরে ১২ আগস্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপি, ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, শাহ আলমের নেতৃত্বে সিপিবি, মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বে গণতন্ত্র মঞ্চ, আন্দালিব রহমান পার্থের নেতৃত্বে বিজেপি, এএফএম সোলায়মান চৌধুরীর নেতৃত্বে এবি পার্টি, নুরুল হক নূরের নেতৃত্বে গণঅধিকার পরিষদ, হারুন চৌধুরীর নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, ববি হাজ্জাজের নেতৃত্বে এনডিএম আলাদা আলাদাভাবে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এরপর ২৯ আগস্ট মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাৎ শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পর্যায়ক্রমে প্রধান উপদেষ্টা মতবিনিময় করবেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর ফুলবাড়িয়ার ঐতিহাসিক হযরত গোলাপ শাহ্ (রহ.) মাজারের দানবাক্স খুলে আবারও মিলল বিপুল পরিমাণ দান। সর্বশেষ গণনায় দান হিসেবে পাওয়া গেছে ৫৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫৫০ টাকা।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ গণনার এ তথ্য প্রকাশ করে।করপোরেশন জানায়, গত ২ ডিসেম্বর সকাল থেকে রাত পর্যন্ত—পুরো ১২ ঘণ্টা—মাজার ও মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির তত্ত্বাবধানে ৫৬ জন অনুমোদিত গণনাকারী দান গণনার কাজে যুক্ত ছিলেন। এর আগে চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি দানগণনা হয়েছিল; প্রায় ১০ মাস পর এবার নতুন করে ওই অর্থের হিসাব করা হলো।মাজার ও মসজিদ ব্যবস্থাপনায় ১৫ সদস্যের একটি কমিটি কাজ করছে, যেখানে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সভাপতি এবং প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা সদস্য সচিবের দায়িত্বে আছেন। দানবাক্সের টাকা গণনা ও ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য আরও একটি ১৫ সদস্যের উপকমিটি রয়েছে, যার নেতৃত্বে করপোরেশনের সচিব। গণনাকারীদের নাম ও সংখ্যা আগে থেকেই করপোরেশন অনুমোদন করে থাকে।গণনা শেষে সব টাকা সরাসরি জনতা ব্যাংকের নগর ভবন শাখায় মাজারের নিজস্ব অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয়। দানকৃত অর্থ কেবল মাজার ও মসজিদের উন্নয়ন, সংস্কার ও ব্যবস্থাপনার খাতে ব্যয় হয়।
দানকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ব্যবস্থাপনা কমিটি জানিয়েছে—গোলাপ শাহ্ (রহ.) মাজারের প্রতি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাই এ বিপুল দানের প্রমাণ।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় আসামি গৃহকর্মী আয়েশার স্বামী
রাব্বি শিকদার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
আজ
সোমবার ( ১৫ ডিসেম্বর ) ঢাকার মেট্রোপলিটন
ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ
দেন।
এদিন
রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর
থানার উপপরিদর্শক সহিদুল ওসমান মাসুম তার জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। এর আগে
১০ ডিসেম্বর সকালে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার চরকয়া গ্রাম থেকে গৃহকর্মী আয়েশা ও তার
স্বামী রাব্বি সিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ১১ ডিসেম্বর আয়েশার ছয় দিন ও রাব্বির
তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। নিহত লায়লা ফিরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম বাদী
হয়ে গত ৮ ডিসেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা
হয়, ৫ ডিসেম্বর আসামি আয়েশা বাদী আজিজুল ইসলামের বাসায় খণ্ডকালীন গৃহকর্মী হিসেবে কাজ
শুরু করেন।
৮
ডিসেম্বর সকাল অনুমান ৭টার সময় তিনি নিজের কর্মস্থল উত্তরায় চলে যান। কর্মস্থল থেকে
তিনি স্ত্রীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে
তিনি নিরুপায় হয়ে সকাল অনুমান ১১টার সময় বাসায় ফেরত আসেন। এসে দেখেন, তার স্ত্রীর গলাসহ
শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কাটা রক্তাক্ত জখম হয়ে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে এবং তার মেয়ের
গলার ডান দিকে কাটা। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মেইন গেটের দিকে পড়ে আছে। তখন মেয়ের
ওই অবস্থা দেখে তাকে উদ্ধার করে পরিছন্নতাকর্মী মো. আশিকের মাধ্যমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী
মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে
মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এজাহারে
তিনি আরো উল্লেখ করেন, বাদী আজিজুল বাসার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখতে পান, আসামি
গৃহকর্মী আয়েশা সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে কাজ করার জন্য বাসায় আসেন এবং সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটের
সময় তার মেয়ের একটি মোবাইল, একটি ল্যাপটপ স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থসহ অন্যান্য মূল্যবান
সামগ্রী নিয়ে যান। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বাদী নিশ্চিত হন যে, অজ্ঞাত কারণে
সকাল ৭টা ৫১ থেকে ৯টা ৩৫ মিনিটের মধ্যে যেকোনো সময় তার স্ত্রী ও মেয়েকে ছুরি অথবা অন্য
কোনো ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করে হত্যা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে হত্যার ঘটনায়
করা মামলায় গ্রেপ্তার গৃহকর্মী আয়েশার ছয় দিন ও তার স্বামী রাব্বি শিকদারের তিন দিনের
রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন
ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম রিমান্ডের এ আদেশ দেন।
তাদেরকে আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের ১০ দিন করে
রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো.
সহিদুল ওসমান মাসুম।
রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সহকারী
পাবলিক প্রসিকিউটর হারুন-অর-রশিদ রিমান্ড আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন।
শুনানি শেষে আদালত আসামি আয়েশার ছয় দিন এবং তার স্বামী
রাব্বি শিকদারের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঝালকাঠির নলছিটি
উপজেলায় ফুফু শাশুড়ির বাড়ি থেকে আয়েশা ও তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর
এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত লায়লা ফিরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ৮
ডিসেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ৫ ডিসেম্বর আসামি
আয়েশা বাদী আজিজুল ইসলামের বাসায় খণ্ডকালীন গৃহকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন। গত ৮
ডিসেম্বর সকাল ৭টার সময় তিনি নিজের কর্মস্থল উত্তরায় চলে যান। কর্মস্থল থেকে তিনি
স্ত্রীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে তিনি
নিরুপায় হয়ে সকাল ১১টার সময় বাসায় ফেরত আসেন। এসে দেখেন, তার স্ত্রীর গলাসহ শরীরের
বিভিন্ন জায়গায় কাটা রক্তাক্ত জখম হয়ে মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন এবং মেয়ের গলার ডান
দিকে কাটা। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মেইন গেটের দিকে পড়ে আছে তারা। ওই অবস্থা দেখে
মেয়েকে উদ্ধার করে পরিচ্ছন্নতা কর্মী মো. আশিকের মাধ্যমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে পাঠান। এরপর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বাসার সিসিটিভি
ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখতে পান— আসামি গৃহকর্মী আয়েশা সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে কাজ করার
জন্য বাসায় আসেন এবং সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটের সময় তার মেয়ের একটি মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ,
স্বর্ণালংকার ও অর্থসহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা
করে বাদী নিশ্চিত হন যে, অজ্ঞাত কারণে সকাল ৭টা ৫১ থেকে ৯টা ৩৫ মিনিটের মধ্যে যেকোনো
সময় তার স্ত্রী ও মেয়েকে ছুরি অথবা অন্য কোনো ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করে
হত্যা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন