

পবিত্র রমজান মাসে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি জানিয়েছে সরকার।
বুধবার (৫ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, রমজানে দুপুর আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর সব সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকবে।
এতে বলা হয়, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।
রমজানে
রাজধানীর যানজট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার চরজোকা এলাকার ভয়ংকর মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতা মিলন ফকিরসহ মানব পাচার চক্রের সদস্য রিজাউল ফকির ও তাসলিমা বেগম কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ এর আভিযানিক দল।
র্যাব জানান, চক্রের মূলহোতা মিলন ফকির দীর্ঘদিন ধরে লিবিয়া থেকে মানব পাচারের কাজ করে আসছে। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বেকারত্ব ও দারিদ্রের সুযোগ নিয়ে তার চক্রের অন্যান্য সদস্যদের মাধ্যমে বিদেশে ভালো চাকরী দেওয়ার লোভ দেখিয়ে মানব পাচার করে আসছিল। এই চক্রটি ফরিদপুরের ভাংগা থানার গোয়ালদী গ্রামের সহিদুল শেখ (৪৮) এর ছেলে জুবায়েদকে ১২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ইতালিতে মোটা টাকার বেতনের চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে আসে। বেকারত্বের অভিশাপ থেকে বাঁচার জন্য জুবায়েদের হত দরিদ্র বাবা-মা জায়গা-জমি বন্ধক রেখে অনেক কষ্ট করে টাকা জোগার করে উপরোক্ত মানব পাচার চক্রের সদস্য রিজাউল ফকির ও তাসলিমা বেগমকে দেয়। গত ২০২২ সালের আগস্ট মাসের ২৯ তারিখে আসামীরা পরস্পর যোগসাজসে জুবায়েদকে পাচারের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে নিয়ে লিবিয়া পাঠিয়ে দেয় । এরপর থেকে জুবায়েদের আর খোঁজ না পেয়ে তার বাবা-মা মূলহোতা মিলনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে সে আরো দশ লক্ষ টাকা দাবী করে তার ছেলেকে ফিরিয়ে দেবার কথা বলে। এরই মধ্যে হঠাৎ করে জুবায়েদ একদিন ফোন করে বলে তাকে প্রচুর অত্যাচার করেছে এবং ট্রলারে করে তাকে সাগরে নিয়ে যাচ্ছে। তার বাবা-মা এতে আতঙ্কিত হয়ে মূলহোতা মিলনকে আরো ছয় লক্ষ টাকা দিলেও তার ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে ২০১২ সালের মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ৬/৭/৮ ও ১০ ধারায় মামলা দায়ের করেন। এই মানব পাচারের সাথে জড়িত চক্রটির মূলহোতা মিলন ফকিরসহ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতার লক্ষ্যে র্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ, সিপিএসসি কোম্পানি এর একটি চৌকশ গোয়েন্দা টীম যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে তাদের অবস্থান সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের চেষ্টা করেন। আজ (৫ মে) নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানা এলাকা থেকে মানব পাচার চক্রের মূলহোতা এজাহারনামীয় ১নং আসামী মিলন ফকির (৪২), মানব পাচার চক্রের সদস্য ২নং আসামী রিজাউল ফকির (৬৫), ৩নং আসামী তাসলিমা বেগম (৫৫) কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানাধীন চরজোকা এলাকার মোঃ রিজাউল ফকির এর ছেলে মিলন ফকির, মৃত আলিম উদ্দিন ফকির এর ছেলে রিজাউল ফকির, রিজাউল ফকির এর স্ত্রী তাসলিমা বেগম।
গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য ফরিদপুর জেলার ভাংগা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
মিরপুর এলাকায় সরকারি হাসপাতালে নতুন চাকরি পাওয়া এক নারীর স্বামীকে অস্বীকৃতি জানানোর
ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর সুমি আক্তার নামের
এই তরুণী নার্স পদে নিয়োগ পান।
তবে
চাকরি পাওয়ার পর থেকেই তার স্বামী আশরাফুলের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে তীব্র টানাপোড়েন
দেখা দেয় এবং শেষ পর্যন্ত তিনি স্বামীকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি স্থানীয়
মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। একটি সরকারি হাসপাতালের নার্স হিসেবে নিয়োগ
পাওয়ার পর থেকেই সুমি ও আশরাফুলের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে। ভিডিওতে প্রকাশিত কথোপকথনে
দেখা যায়, স্বামী আশরাফুল অভিযোগ করছেন—“আমার চোর বানাইছে আমার ওয়াইফ সুমি…
রিলেশন করে আমারে চোর বানাইছে।”
তিনি
দাবি করেন, সুমি একজন অচেনা পুরুষের সঙ্গে নিয়মিত মোবাইলে যোগাযোগ করেন এবং একটি সন্দেহজনক
মোবাইল নম্বর নিয়ে তাদের মধ্যে তীব্র বিরোধ সৃষ্টি হয়।
ঘটনাস্থলে
উপস্থিত এক নারী নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সুমির মোবাইল নম্বর যাচাইয়ের কথা বলেন—
“আমি সাংবাদিক, নাম্বারটা উঠাও।”এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন—“উনি আমারে ডিস্টার্ব করে, আমি কি করব?”
আশরাফুল
দাবি করেন, সুমি আগে তার বৈধ স্ত্রী ছিলেন। কিন্তু চাকরি পাওয়ার পর তিনি স্বামী হিসেবে
তাকে অস্বীকার করছেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে “তালাক আছে”
শব্দও শোনা যায়, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। পাশে থাকা কয়েকজন পরিস্থিতি ঠান্ডা
করার চেষ্টা করে বলেন—“কেউ যাবে না, আইডেন্টিফাই আছে, সমস্যা
নাই।”তবে ততক্ষণে ঘটনাটি ভিডিওসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল
হয়ে যায়।
স্থানীয়দের
মতে, চাকরি পাওয়ার পর সুমি আক্তার নিজের ক্যারিয়ার ও সিদ্ধান্তে স্বাধীনতা চান। অন্যদিকে
স্বামী আশরাফুলের দাবি—সুমি নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন এবং তাকে
অপমান করছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে আলোচনায় বসার চেষ্টা হলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি।
স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি আইনগত পর্যায়ে গড়াতে পারে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমে সমর্থন দেওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাপানি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে তাদের অবস্থান অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে জাপানি রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত কিমিনোরি অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, জাপান সরকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক— এই তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করবে।
কিমিনোরি বলেন, ‘আমরা এই তিনটি স্তম্ভের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’
তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্বাচনী ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সংস্কার কার্যক্রমে টোকিওর ‘দৃঢ় সমর্থনের’ কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে অবদান রাখায় জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের প্রশংসা করে বলেন, ‘এই সম্পর্ক সবসময় খুব শক্তিশালী ছিল।’
সরকার বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে আরও জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি আমাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা দেয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জাপানি রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ থেকে জাপানি কোন কোম্পানিও চলে যায়নি। তারা এখানে থাকতে আগ্রহী।’
তিনি নিক্কেইয়ের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে জাপানের প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ওই সম্মেলনে অধ্যাপক ইউনূস জাপানের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন এবং তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানাতে পারবেন।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনে প্রধান উপদেষ্টার পদক্ষেপের প্রশংসা করে জাপানি রাষ্ট্রদূত বলেন, টোকিও এই বৈঠককে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।
অধ্যাপক ইউনূস মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিসংঘের গ্যারান্টিযুক্ত একটি নিরাপদ এলাকা তৈরির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন, যেখানে সংঘাত শেষ হওয়ার পর বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে তাদের বাড়িতে ফেরার পূর্বে সাময়িকভাবে পুনর্বাসিত করা যেতে পারে।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম নগরের কদমতলীর টিডি রোডের বহুতল ভবন চেয়ারম্যান বাড়ির ভেতরে কম্বলের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরের দিকে কোতোয়ালি থানার কদমতলীর পোড়া মসজিদ এলাকায় ভবনটির পঞ্চম তলায় এ ঘটনা ঘটেছে।
ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশ ঘটনাস্থলে সহায়তা দিচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবনটির ভেতর থেকে ধোঁয়া ও দাউদাউ আগুন বের হচ্ছে। আশপাশের এলাকাজুড়ে মানুষের ভিড় সৃষ্টি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ভবনের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলেও তীব্র তাপ ও ধোঁয়ার কারণে বেশ কয়েকবার পিছিয়ে আসতে হয়েছে।
আগুনের তীব্রতায় ভবনের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। আগুনের উৎস ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
মন্তব্য করুন


নরসিংদীর রায়পুরায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে আজ সকালে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্স চালক মোজাম্মেল নিহত হয়েছেন। বেপরোয়া গতিতে চলা এনা পরিবহণের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সটির মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলেই এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনায় চালক সহ মোট ৫ জন যাত্রী গুরুতর আহত অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র মারফত জানা যায়, শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল আনুমানিক ১০:৩০ মিনিটে রায়পুরার মাহমুদাবাদ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।সিলেট থেকে আসা নিহত অ্যাম্বুলেন্স চালক মোজাম্মেলকে গুরুতর আহত অবস্থায় দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হলেও, তিনি পথেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এছাড়া, অ্যাম্বুলেন্স ও বাসের আরও পাঁচজন যাত্রী আঘাত পেয়েছেন। বর্তমানে তারা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এই দুর্ঘটনার জেরে মহাসড়কে সাময়িক যানজট সৃষ্টি হলেও, পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং সড়ক পরিষ্কার করে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। সরকারের
প্রত্যক্ষ মদদে এক বছর আগে ঘটে যাওয়া হত্যাযজ্ঞ এবং ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর,
বর্তমানে দেশ যথেষ্ট স্থিতিশীল এবং নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত।
তিনি জানান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির
প্রথমার্ধে নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে এবং এই নির্বাচনের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
একটি নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।
প্রধান উপদেষ্টা আজ সোমবার (২৫ আগস্ট)
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা অংশীজন সংলাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা
এখন আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আছি। এক বছর আগে আমরা এক ভয়াবহ
হত্যাযজ্ঞের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলাম। এরপর ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী
শাসন থেকে দেশকে মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
রোহিঙ্গা সংকটকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের
কাছে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে, গতকাল থেকে কক্সবাজারে তিন দিনের আন্তর্জাতিক সংলাপ
“স্টেকহোল্ডার্স’ ডায়ালগ: টেকঅ্যাওয়ে টু দ্য হাই-লেভেল কনফারেন্স অন দ্য রোহিঙ্গা সিচুয়েশন”
শুরু হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা স্থানীয় হোটেল বে ওয়াচে আজ সংলাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যাপক ড. ইউনূস
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের জন্য সাত দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেন এবং আন্তর্জাতিক
সম্প্রদায়কে কার্যকর ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন,রোহিঙ্গাদের ওপর চলমান নিপীড়ন
ও বাস্তুচ্যুতি থামাতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
অধ্যাপক ড. ইউনূস উত্থাপিত সাত দফা
প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে- রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের
জন্য বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ প্রণয়ন, দাতাদের অব্যাহত সমর্থন, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ও আরাকান
আর্মির কাছে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও জীবিকা নিশ্চিত করার আহ্বান, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে
গঠনমূলক সংলাপ ও অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, আসিয়ানসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা,
গণহত্যার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক আদালতে জবাবদিহিতা ত্বরান্বিত করা।
মন্তব্য করুন


রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। প্রচণ্ড গরমে মানুষের নাভিশ্বাস অবস্হা ।
তীব্র তাপদাহে ইতোমধ্যে সারা দেশে বেশ কয়েকজনের হিট অ্যাটাকে মৃত্যুও হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিন নগরবাসীকে ব্যাগে পানির বোতল, টুপি, ফ্যান, ছাতার মতো জিনিসপত্র রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
তীব্র তাপপ্রবাহের এই পরিস্হিতিতে সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই অবস্থা থেকে সবাইকে বাঁচানোর জন্য তারা নিয়মিত ‘হিট অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইন’ চালাচ্ছেন। চেষ্টা করে যাচ্ছেন কেন ঢাকায় তাপমাত্রা বাড়ছে তা খুঁজে বের করার। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সেটার চেষ্টা সম্পর্কে বুশরা জানান, তার মতে, ঢাকা এবং আশপাশের এলাকায় তাপমাত্রা কমাতে আরও বেশি গাছ লাগানো জরুরি।
তিনি বলেন, আমাদের এখানে রাস্তার ধারে ২ লাখ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর উপযুক্তভাবে রক্ষণাবেক্ষণও করতে হবে। নগরে বনায়ন করা খুব জরুরি। এখানে যে ফাঁকা এবং পরিত্যক্ত জায়গাগুলো পড়ে আছে সেখানে সবুজায়ন করার দিকেও আমরা নজর দিয়েছি। আমাদের এখানে আরও অনেক পার্ক এবং সবুজে ঘেরা জায়গা দরকার। তাতে তাপমাত্রা যেমন কমবে, তেমনই পাখিসহ নানা প্রাণীও ফিরে আসবে।
হিট অফিসার আরো বলেন, ঢাকা শহরের প্রায় ৮০ শতাংশ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এর ফলে নানা রকম সমস্যার সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রাও। দিন দিন বাড়তে থাকা জনসংখ্যার ঘনত্বের কারণে সংকটে পড়া ঢাকার তাপমাত্রা গ্রামাঞ্চলের চেয়ে বেশি হচ্ছে।
নগরের তাপমাত্রা কমাতে ঢাকায় বনাঞ্চল তৈরির পরিকল্পনার বিষয়ে বুশরা আফরিন বলেন, ঢাকায় তাপমাত্রা কমানোর জন্য আমরা ‘টু অ্যাবেল ফরেস্ট’ অর্থাৎ দুটি বন করার চেষ্টা করছি। একটা হচ্ছে মিরপুর কল্যাণপুরের দিকে; অন্যটি বনানীর এক্সপ্রেসওয়ের পাশে।
তিনি বলেন, এই বন দুটি যে শুধু নগরের হিট কমাবে তা নয় পাশাপাশি দূষণ প্রতিরোধেও সহায়তা করবে। একই সঙ্গে তীব্র তাপপ্রবাহ কমাতে শহরের ফাঁকা জায়গাগুলোতে গাছ লাগনো হবেও বলে জানান তিনি।
বুশরা বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহে আমরা নিজেরা যদি সচেতন থাকি- আমরা যদি বাসা থেকে বের হওয়ার আগে আমাদের ব্যাগে একটা পানির বোতল, টুপি, ফ্যান, ছাতার মতো জিনিসপত্র সঙ্গে রাখি তাহলে কিন্তু অনেকটাই নিরাপত্তা পেতে পারি।
মন্তব্য করুন


খুলনায়
আদালত চত্বরে দুর্বৃত্তের গুলিতে দুই জন নিহত হয়েছেন।
আজ
রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, আসামিরা হাজিরা দিয়ে মোটরসাইকেলে বের হওয়ার মুহূর্তে দায়রা জজ আদালতের সামনে
তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। পরে দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
খুলনা
মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার শিহাব করীম বলেন, আদালতের সামনে দুইজনকে গুলি করা
হয়েছে—সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে
রেখেছে এবং হামলাকারীদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
মন্তব্য করুন


বড়দিন
উপলক্ষ্যে আগামীকাল ২৫ ডিসেম্বর দেশব্যাপী র্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।
খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’।
খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বৃহত্তম এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেছে র্যাব
ফোর্সেস।
আজ
বুধবার ( ২৪ ডিসেম্বর ) র্যাব থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে
দেশের সকলে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের উৎসব উদযাপন করে। খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের
বড়দিনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও র্যাব ফোর্সেস
বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে।
ক.
বড়দিন উদযাপন উপলক্ষ্যে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে
দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধিসহ পর্যাপ্ত সংখ্যক র্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
খ.
র্যাব ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সার্বক্ষণিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ গির্জা, উপাসনালয়সমূহ
ও গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানস্থলে প্রয়োজনীয় স্যুইপিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছে। যে কোনো
উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় র্যাব স্পেশাল ফোর্স-এর কমান্ডো টিমকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত
রাখা হয়েছে।
গ.
যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকল মেট্রোপলিটন শহর, জেলা শহর ও উপজেলা পর্যায়ে
গির্জাসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসমূহে চেকপোস্ট স্থাপন, পর্যাপ্ত সংখ্যক টহল মোতায়েন এবং
সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সকল মেট্রোপলিটন শহর ও গুরুত্বপূর্ণ
জেলা শহরসমূহে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সার্বক্ষণিক প্রয়োজনীয় সংখ্যক ফোর্স রিজার্ভ
রাখা হয়েছে।
ঘ.
চক্রান্তকারী, উসকানিদাতা ও সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের বিষয়ে আগাম তথ্য সংগ্রহপূর্বক নাশকতামূলক
কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও যে কোনো ধরনের
নাশকতার পরিকল্পনা নস্যাৎ করতে কাজ করছে র্যাব।
ঙ.
ভার্চুয়াল জগতে যে কোনো ধরনের গুজব, মিথ্যা তথ্য ছড়ানো প্রতিরোধে র্যাব সাইবার মনিটরিং
টিম অনলাইনে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রাখছে। যারা সাইবার জগতে মিথ্যা তথ্য ও গুজব
ছড়িয়ে উসকানি দেওয়ার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অপচেষ্টা করবে, তাদের
শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ গির্জা, উপাসনালয় ও অনুষ্ঠানস্থলে
অপতৎপরতাকারীদের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বড়দিন উদযাপন কমিটি সিসিটিভি ক্যামেরার
মাধ্যমে মনিটরিং করা হচ্ছে।
চ.
এছাড়াও বড়দিন উদযাপন কমিটি নিয়োগকৃত স্বেচ্ছাসেবক এবং কর্তব্যরত র্যাব সদস্যদের মাধ্যমে
সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কোনো দুষ্কৃতকারী গির্জা ও অনুষ্ঠান
এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তাৎক্ষণিকভাবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা
হবে।
ছ.
গুরুত্বপূর্ণ গির্জা, উপাসনালয় এবং অনুষ্ঠানস্থলসমূহে আগত নারীদের উত্ত্যক্ত, ইভটিজিং,
যৌন হয়রানি রোধকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
জ.
গির্জাসমূহের নিরাপত্তা রক্ষায় সেখানে দায়িত্বরত র্যাব সদস্যদের গির্জা কর্তৃপক্ষের
স্বেচ্ছাসেবক টিম সর্বদা সহায়তা করার জন্য অনুরোধ করছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ গির্জাসমূহে
নিরাপত্তা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য যে সকল সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে, তা যথাযথভাবে
মনিটরিং করার জন্য গির্জা কর্তৃপক্ষকে আহ্বান করছে র্যাব।
ঝ.
ব্যাটলিয়নসমূহ নিজ নিজ কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে তাদের জনপ্রতিনিধি ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনীর সাথে সমন¦য় করে কাজ করছে। র্যাব সদর দপ্তরে কন্ট্রোল রুমের (কন্ট্রোল রুমের
হটলাইন নম্বর : ০১৭৭৭৭২০০২৯) মাধ্যমে ঢাকাসহ সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ
ও সমন্বয় করা হচ্ছে। বড়দিনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট
করার লক্ষ্যে কেউ নাশকতার চেষ্টা করছে এমন কোনো তথ্য আপনারা পেলে সে ব্যাপারে র্যাবকে
অবহিত করুন।
ঞ.
বড়দিন এর উৎসবকে কেন্দ্র করে চক্রান্তকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি নিয়ে জনস্বার্থ
বিরোধী পদক্ষেপ নিতে না পারে, সেজন্য কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধিসহ প্রতিরোধমূলক
ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র্যাব।
ট.
বড়দিনের উৎসবকে কেন্দ্র করে বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের কর্মকর্তা এবং ভিআইপি কর্মকর্তাগণ
অনুষ্ঠানস্থলে গমনাগমন করে থাকেন। এছাড়াও, খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি
এবং ধর্মযাজকগণের নিরাপত্তার বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহপূর্বক ঝুঁকি পর্যালোচনা ও
অনুষ্ঠানস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
ঠ.
বড়দিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানসমূহ বিশেষ করে ঢাকার বনানী, গুলশান, উত্তরা, পূর্বাচল,
৩০০ ফিট, হাতিরঝিল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের অভিজাত হোটেল ও ক্লাবগুলোতে এবং
কক্সবাজার ও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আয়োজিত অনুষ্ঠানের আড়ালে অশ্লীল কর্মকাণ্ড, ইভটিজিং
ও নারীদের শ্লীলতাহানির ঘটনা রোধকল্পে বড়দিন উদযাপন কমিটিসমূহসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ
করা হয়েছে।
ড.
বঙ্গভবন, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা, বাংলাদেশ সচিবালয়, প্রধান উপদেষ্টার অফিস এবং
গণভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কেপিআই-এর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে র্যাবের
গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
ঢ.
বড়দিনের অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে পটকা, আতশবাজিসহ আগুন দ্বারা পরিচালিত ফানুস ওড়ানো যাবে
না। আতশবাজি বা পটকা ফোটানো বা ফানুস ওড়ানো বন্ধ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা
হয়েছে।
ণ।
পূর্বের বছরগুলোর ন্যায় এ বছরও অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে সারা দেশব্যাপী বড়দিন
উদযাপিত হবে এবং সকলেই উৎসব মুখরভাবে বড়দিন উদযাপন করবে। র্যাব ফোর্সেস অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনী সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে।
মন্তব্য করুন