

বোয়ালমারী উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে কালের বির্বতনে হারিয়ে
যাচ্ছে গ্রাম বাংলার এক সময়ের ধান চাল ভাঙার একমাত্র অবলম্বন ঢেঁকি। গ্রাম বাংলার
ঐতিহ্য ঢেঁকি এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না। সময়ের বির্বতনে বিলীন হতে চলেছে ঢেঁকি।
উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে দেখা মিলতো ঢেঁকির। এখন ঢেঁকির কদর
কমে যাওয়ায় তেমন আর দেখা মেলে না। অনেক দরিদ্র পরিবার ঢেঁকিতে চাল ভাঙিয়ে
হাটে-বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতো। আর ঢেঁকিতে ভাঙা চাল খুব সুস্বাদু ও
পুষ্টি সমৃদ্ধ হওয়ায় ওই চালের খুব কদর ছিল কিন্তু কালের বিবর্তনে ধান, গম, ভাঙার
মেশিনের কারণে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি আজ বিলপ্তির পথে। গ্রাম-গঞ্জে গেলে
এখনো দু-একটি বাড়িতে ঢেঁকি দেখা গেলেও ভবিষ্যতে ঢেঁকির প্রচলন থাকবে না বলে মনে
করেন সচেতন মহল। বর্তমানে বিভিন্ন গ্রামের কয়েকটা বাড়ি ঘুরলে দেখা মেলে ঢেঁকির।
সেগুলো আবার রয়েছে অযন্তে। অথচ একদিন ঢেঁকি ছাড়া গ্রাম কল্পনা করাও কঠিনতর ছিল। যেখানে
বসতি সেখানেই ছিল ঢেঁকি। কিন্তু আজ তা আমাদের আবহমান গ্রামীণ সংস্কৃতি থেকে হারিয়ে
যাচ্ছে। এক সময় বোয়ালমারী উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলে প্রতিটি পরিবারেই
ধান-চাল গুঁড়ো করার ঢেঁকির প্রচলন ছিল। ঢেঁকি থেকে উৎপাদিত চালের ব্যাপক প্রচলন।
তখনকার সময়ে পরিবারের নারীরা ধান, গম, চালসহ বিভিন্ন খাদ্য শস্য ভাঙার কাজ
ঢেঁকিতেই করতেন। বিশেষ করে ঈদ, নবান্ন উৎসব পৌষ পার্বনসহ বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠানে
পিঠা-পুলি খাওয়ার জন্য অধিকাংশ বাড়িতে ঢেঁকির নতুন ধানের চালের গুঁড়া তৈরির ধুম
পড়ে যেত।
কেওয়াগ্রাম বাসিন্দা আবু সায়েদ মৃধা বলেন, একসময় এই অঞ্চলে ঢেঁকিতে ধান ভাঙার ব্যাপক প্রচলন ছিল। ঢেঁকি ভাঙার চালের ভাতে অনেক পুষ্টি ও অনেক সুস্বাধু ছিলো। এখন মেশিনের ধান ভাঙার চালে ও ভাতে কোনো স্বাদ নেই। বিভিন্ন উৎসবের সময় প্রতিটি বাড়িতে নতুন জামাই মেয়ে ও অতিথিদের উপস্থিতিতে বাড়ি ছিল কোলাহল পূর্ণ। গভীর রাতে ঢেঁকিতে ধান ভাঙার শব্দ শুনা যেত। কিন্তু কালের বির্বতনে ও সময়ের চাহিদা অনুয়ায়ী আধুনিক যন্ত্রপাতির ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে ঢেঁকি। তারপরও সেই ঢেঁকির কদর বোয়ালমারী প্রত্যন্ত অঞ্চলে দু-একটি বাড়িতে এখনো দেখা গেলেও অযত্নে ও অবহেলায় পড়ে রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কবি সাহিত্যিকেরা বলে গেছেন, যদি কখনো মনের ব্যামো হয়, তাহলে আবহাওয়ার বদল করতে হয়। সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাহিত্যের অঙ্গনে ছেলেমেয়েরা কবি সাহিত্যিকদের দেয়া সেই প্রেসক্রিপশনই অনুসরণ করলেন। তাইতো তারা নিয়মিত ক্লাস, এসাইনমেন্ট, পরীক্ষার একঘেয়েমি থেকে হাঁফ ছেড়ে বাঁচার জন্য বান্দরবানের প্রকৃতি থেকে ঢু মেরে আসলো।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখ রাতে প্রকৃতির অনন্য নিদর্শন বান্দরবানের এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এসময় শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষাসফরের শুভকামনা এবং সাময়িক বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আলী হোসেন চৌধুরী।
দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোরে শিক্ষাসফরের বাসটি বান্দরবান পৌঁছায়। সেখান তারা অপরূপ সৌন্দর্যে বেষ্টিত মেঘবাড়ি রিসোর্টে অবস্থান নেন। পাহাড় ঘেরা সবুজ মেঘের রাজ্যে সবাই মিলে একসাথে তাদের সকালের নাস্তা শেষ করেই তারা বেড়িয়ে পড়েন প্রকৃতির টানে। চাঁদের গাড়িতে করে পাহাড়ের বুক চিড়ে তারা ছুটে চলে নীলগিরি আর নীলাচলের দিকে। পথিমধ্যে তারা বিভিন্ন ঝর্ণা, এবং পাহাড়ী ছড়ার মায়াবী সৌন্দর্য উপভোগ করে। উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এর কথা মাথায় রেখেই “considers man and nature as essentially adapted to each other, and the mind of man as naturally the mirror of the fairest and most interesting properties of nature.” তারা গিরিবালার সৌন্দর্য অবলোকন করেছেন, সেখানকার ইতিহাস আর সংস্কৃতি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। শুধু পাহাড় দেখেই তারা তৃপ্ত হয়নি, ফিরতি পথে তারা সমুদ্র সৈকতে (পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত) তাদের পদচিহ্ন এঁকে দিয়ে এসেছে।
মন্তব্য করুন


ঠাকুরগাঁওয়ের মুদি দোকানি সওদাগর বর্মন প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে তৈরি করছেন দৃষ্টিনন্দন বাড়ি । সদর উপজেলার ঢোলারহাটে তার এই বাড়ি দেখতে প্রতিদিনই ভীড় অনেকে। আগ্রহ নিয়ে দেখছেন বৈচিত্র্যময় এই বাড়িটি। বাড়িটি এখন ‘বোতল বাড়ি’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।
সরোজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মুদি ব্যবসায়ী সওদাগর বর্মন তার দোকানে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতল এবং সংগ্রহ করা দেড় মণ বোতল দিয়ে শুরু করেছেন বাড়ি নির্মাণ। ইটের বদলে প্লাস্টিকের বোতলে বালু ভর্তি করে সিমেন্ট দিয়ে পরিবেশবান্ধব বাড়ি তৈরির কাজ করছেন তিনি। বর্তমানে ঘর তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। ১ কক্ষের বাড়িটি নির্মাণে খরচ হয়েছে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা।
স্থানীয় অনেকে বলেন, ইটের বদলে যে বোতল ব্যবহার করে বাসা তৈরি করা যায় তা আগে জানা ছিলো না। বিষয়টি ভিন্ন রকম। ইট দিয়ে যে দেয়াল করা হতো এটা তার থেকে বেশি শক্ত মনে হচ্ছে।
এদিকে সওদাগর বর্মণ বলেছেন, ইউটিউব দেখে শিখেছেন বোতল বাড়ি তৈরির কাজ। তিনি আগামী মাসের মধ্যে বাড়িটির কাজ সম্পূর্ণ করার ব্যাপারে আশাবাদী।
মন্তব্য করুন


শুরু হয়েছে হিফযুল কুরআন প্রতিযোগিতা Pusti Verses of Light।
কুমিল্লার ইপিজেড রোড, টমছম ব্রীজের আল হেরা স্কুল এন্ড মাদ্রাসাতে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রতিযোগিতাটির কুমিল্লা জেলার অডিশন। এছাড়াও দেশের আরো ১০টি জেলায় অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতাটির অডিশন। দেখতে চোখ রাখুন "পুষ্টি Verses of Light" এর পেইজে। অংশগ্রহণ করতে চাইলে রেজিস্ট্রেশন করুন এবং আল্লাহর পবিত্র বাণী ছড়ানোর পাশাপাশি জিতে নিতে পারবেন আরো বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কার।
রেজিস্ট্রেশন করতে কল করুন - ০৯৬১৪ ২৪ ২৪ ২৪
অথবা ওয়েবসাইট ভিজিট করুন www.pustiversesoflight.com
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় নিত্যপণ্যের
বাজারে তদারকি অভিযান পরিচালনা করে তিন প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে
২টা পর্যন্ত কুমিল্লা নগরীর নিউমার্কেট ও এর আশেপাশের এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে
চাল, ডাল, আটা, চিনি, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ডিম, মাংস, সবজি, তেলসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের
ক্রয় ভাউচার ও বিক্রয়ের তথ্য যাচাই করা হয়।
এরই সাথে দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন ও সেখানে তথ্যের গরমিল আছে কিনা সেটিও যাচাই করা হয়।
পাশাপাশি অনুমোদনহীন শিশু খাদ্য ও কসমেটিকস বিক্রি হচ্ছে কিনা সেটিও তদারকি করা হয় ।
অভিযান পরিচালনা শেষে অতিরিক্ত মূল্যে চিনি বিক্রি ও মূল্য তালিকায়
গরমিল থাকায় মেসার্স তুহিন স্টোরকে ৫ হাজার টাকা, অনুমোদনহীন রং ও শিশু খাদ্য
বিক্রয় করায় মেসার্স মা-মনি স্টোরকে ১০ হাজার টাকা এবং অনুমোদনহীন বিদেশী কসমেটিকস
বিক্রি এবং ইচ্ছেমাফিক
মূল্যের স্টিকার লাগানোর অভিযোগে মেসার্স মামুন এন্টারপ্রাইজকে ৩০ হাজার টাকা
জরিমানা করা হয়।
এছাড়াও বুধবার আয়োজিত এ অভিযানে
ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে অধিদপ্তরের প্রশাসনিক এখতিয়ারে
তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয় এবং তদারকি করা হয় অন্তত ৩০টি প্রতিষ্ঠান।
আজকের এ অভিযান পরিচালনা
করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো:
আছাদুল ইসলাম। সহযোগিতা করেন জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ইসরাইল হোসেন।
অিভিযান পরিচালনা করার সময়
নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।
জনস্বার্থে এ ধরণের কার্যক্রম
অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িগ্রাম উত্তর প্রতিনিধি:
“বাল্যবিবাহ নিয়ে সমাজের ধারণা পরিবর্তনে যুবদের অঙ্গীকার” এই স্লোগানকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে কিশোর-কিশোরী, অভিভাবক সমাবেশ এবং নাটক প্রদর্শন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। বৃহস্পতিবার বিকালে নাওডাঙ্গা স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে নাওডাঙ্গা যুব সংগঠনের আয়োজনে চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) প্রকল্প, এমজেএসকেএস এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, নাওডাঙ্গা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হানিফ, নাওডাঙ্গা যুব সংগঠনের সভাপতি মিলন মিয়া,মহিদেব যুব কল্যাণ সমিতির চাইল্ড নট ব্রাইট প্রকল্পের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর রনজিৎ রায়, এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ফুলবাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, চ্যানেল এস এর ফুলবাড়ী উপজেলা প্রতিনিধি মোস্তাফিজার রহমান জাহাঙ্গীর। সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা শেষে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক নাটক ময়নার জীবন কাহিনী মঞ্চায়িত হয়।
মন্তব্য করুন


"মানসম্মত সবুজ ও পরিচ্ছন্ন বিদ্যালয় বাস্তবায়ন কর্মসূচি" এই স্লোগান নিয়ে ময়মনসিংহের ভালুকায় অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি সদস্য সচিব সোহাগের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলীনূর খান, বিশেষ অতিথি মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান সহ আরও অনেকেই বক্তব্য রাখেন।
এসময় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৪ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ (৭ অক্টোবর) সকালে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন দয়াপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ
তানজিল উরফে লাল মিয়া নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে
৪ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ তানজিল উরফে লাল মিয়া (৫২) কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী থানার ষাইটধার গ্রামের মৃত ইয়াসিন
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মিনি কাভার্ড ভ্যান ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, চাঁদপুর
প্রতিনিধি :
চাঁদপুরের কচুয়ায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে দেখা দিয়েছে হাসির ঝিলিক।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে এ উপজেলায় ১৩ হাজার ৩০ হেক্টর লক্ষমাত্রা নির্ধারন
করা হয়েছিল কিন্তু কৃষি বিভাগের সার্বিক সহায়তা এবছর ১৩ হাজার ২শ ২৫ হেক্টর জমিতে বোরো
ধানের আবাদ করা হয়।
আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবং
কোন ধরণের রোগ বালাই না দেখা দেয়ায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।
কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়
ইতিমধ্যে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধান দ্রুত পেকে যাচ্ছে।
আগাম বন্যা, ঝড় শিলা বৃষ্টি না থাকায় প্রচন্ড রোদে কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই ধান টাকা,
মাড়াই ও শুকিয়ে কৃষকরা তাদের হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের ফসল ঘরে তুলতে পারছেন।
কৃষকরা জানান, কৃষি কাজে
যান্ত্রিকী করণের কারণে এবার শ্রমিক সংকট নেই। বিভিন্ন জমিতে বেশীর ভাগ কৃষকরা হারভেস্টার
মেশিন দিয়ে তাদের জমির ধান দ্রুত কেটে ফেলছেন।
প্রান্তিক চাষীরা বছরের খোরাকির
জন্য ধান সংরক্ষণ করছেন। সাড়ে ৯ শত টাকা থেকে ১ হাজার টাকা মন দরে ধান বিক্রি করছেন
তারা।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মেজবাহ
উদ্দিন বলেন, কচুয়া উপজেলায় পুরোদমে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে কম্বাইন হারভেস্টার
মেশিন দিয়ে কচুয়ার বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়েছে।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং
সময়মতো প্রয়োজনীয় সার বীজ কীটনাশক প্রয়োগ করায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। খুব কম
সময়ে মেশিনের সাহায্যে ধান কাটা ও মাড়াই করা হয় বলে কৃষকরা তাদের বোরো আবাদ সহজেই ঘরে
তুলতে পারছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৭০ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক
ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নিমসার বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ নূর নবী (২৩) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৭০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ নূর নবী (২৩) ভোলা জেলার বোরহান উদ্দিন থানার দক্ষিণ ভাটামারা গ্রামের মোঃ মান্নান
এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মাদারীপুর জেলার শিবচরে স্বপ্না আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূ তার প্রেমিক মুরগি ব্যবসায়ী সাকিল খানের (৩৭) সঙ্গে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে গৃহবধূর স্বামী গরু খামারি কামাল ঢালী বাদী হয়ে শিবচর থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন।
স্বপ্না আক্তার উপজেলার শিরুয়াইল ইউপির উৎরাইল এলাকার আবীল ফরাজীর মেয়ে ও একই এলাকার কামাল ঢালীর স্ত্রী। আর সাকিল খান শিবচর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের যাদুয়ারচর এলাকায় মোহাম্মদ খানের ছেলে। তিনি শিবচর বাজারের একজন মুরগি ব্যবসায়ী বলে জানা যায়।
অভিযোগ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১৭ বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বিয়ে করেন কামাল ঢালীকে। বিয়ের পর তাদের ঘরে দুইটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। ৫ মাস আগে ছোট ছেলেটি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। এ দিকে সাত বছর আগে কামাল ঢালী কাতার প্রবাসী হন। প্রবাসে থাকার সময় স্বপ্নার সঙ্গে পরিচয় হয় সাকিল খানের সঙ্গে। আর সে পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে। ২০২২ সালের ১৫ অক্টোবর গোপনে কামাল ঢালীকে তালাক দিয়ে বিয়ে করেন সাকিল খানকে। এ দিকে ৮ মাস আগে দেশে আসেন কামাল। দেশে আসার পরেও কামাল ঢালীর সঙ্গে সংসার করেন স্বপ্না। ১৫ জুন ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে পরিবারের সবার অজান্তে স্বপ্না সাকিল খানের সঙ্গে পালিয়ে যান।
কামাল ঢালী বলেন, স্বপ্না গোপনে সাকিলকে বিয়ে করেছে। এতোদিন আমার সঙ্গে সংসারও করেছে। বিদেশ থেকে এসে আমার ভাইয়ের সঙ্গে একটি গরুর খামার করি। ঈদের আগে খামারের গরু বিক্রির ৯ লাখ টাকা স্বপ্নার কাছে দেই। সেই টাকা ও স্বর্ণসহ সাকিলকে নিয়ে পালিয়ে যায় স্বপ্না। থানায় অভিযোগ দিয়েছি। এর উপযুক্ত বিচার চাই।
এই বিষয়ে শিবচরের নিলখী তদন্ত কেন্দ্রের উপ পরিদর্শক মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন