

ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গত মাসের পাঁচ তারিখে ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালের পুনরাবৃত্তি দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। দশ দল নিয়ে শুরু হওয়া এই বৈশ্বিক আসর এসে ঠেকেছে দুই দলে। আহমেদাবাদেই স্বাগতিক ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে এই বিশ্বকাপের। চরম উত্তেজনাকর এই ম্যাচে আসরের সেরা দলের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা দল।
এবারের আসরে এখন পর্যন্ত দুইদলের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা একটি ফাইনাল দেখতে যাচ্ছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। এখন পর্যন্ত মোট পাঁচবার বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। আগামীকাল তাদের হেক্সা মিশনের চূড়ান্ত লড়াই। অপরদিকে দুইবার বিশ্বজয় করেছে ভারত। তাদের সামনে তৃতীয় শিরোপা হাতে নেওয়ার সুযোগ।
এই ফাইনালের মঞ্চ ভারত বা অস্ট্রেলিয়া কোন দলের জন্যই অপরিচিত নয়। নিশ্চতভাবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য তো নয়ই, অষ্টমবারের মতো তারা ফাইনালের মঞ্চ মাতাবে। কলকাতা, লন্ডন, জোহানেসবার্গ, বার্বাডোস এবং মেলবোর্নে তারা বিশ্বকাপ তুলেছে এমনভাবে যেভাবে বাচ্চারা তাদের খেলনা সংগ্রহ করে। অনেক দলের জন্য বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা একটি উপলক্ষ। অস্ট্রেলিয়ার জন্য, এটি জীবন ধারণের একটি উপায়। তবে এবার এই বিন্দুতে তাদের যাত্রা অনিশ্চয়তার মধ্যেই ছিল।
বিশ্বকাপে তারা তাদের প্রথম দুটি ম্যাচই হেরেছে, ৩৮৮ রান করার পরেও প্রায় হারতে বসেছিল, ২৯২ রান তাড়া করতে যেয়ে ৯১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে হারতে বসছিল এবং সেমিফাইনালের প্রথম ঘন্টার মধ্যে তাদের প্রতিপক্ষকে ২৪/৪ করার পরও প্রায় হারতে বসছিল। তবুও তারা সব বাধা অতিক্রম করে ফাইনালে প্রায় চ্যাম্পিয়নও তারা। এটি এমন এক বছরে যে বছরে তারা ইতিমধ্যেই অ্যাশেজ ধরে রেখেছে এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপও ঘরে তুলেছে, ক্রিকেট খেলার প্রতিটি ফরম্যাটে তিন বছরের বিশ্ব শিরোপা পূর্ণ করতে তাদের দরকার শুধু আগামীকালের ফাইনাল জয়। পারবে তো কামিন্সরা?
তবে বিশ্বকাপের সাথে অজিদের এতো ইতিহাস থাকার পরেও প্যাট কামিন্স এবং তার দল স্বীকার করবে যে তাদের প্রতিপক্ষ ফাইনালে ফেভারিট হিসাবে শুরু করবে এবং শুধুমাত্র এই কারণে নয় যে তারা স্বদেশী দর্শকদের সামনে ঘরের মাঠে খেলবে। এমনকি যারা সাধারণত ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে থাকেন তারাও ভারতের এই দলের ক্রিকেটের এই সংস্করণে যে নির্ভুলতা এবং আগ্রাসণের সাথে কাজ করেছে তার প্রশংসা করবে। এই ভারতীয় দলের সাথে অনেকেই ২০০০ সালের পরের সব জয় করা বিখ্যাত অস্ট্রেলিয়া দলের সাথে মিল পাবেন।
এখানেই রোহিত শর্মা-রাহুল দ্রাবিড়ের কৃতিত্ব। এই ক্যাপ্টেন-কোচ জুটি একটি দলের সাফল্যের জন্য আক্রমণাত্মক ব্র্যান্ডের খেলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা লুকানোর কোনও চেষ্টা করেনি ,একটি দলে সবার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা এবং অসামান্য ব্যক্তিগত প্রতিভা দিয়ে ভারতকে অজেয়তার আভাস দিয়ে রেখেছেন।
তবে দ্রাবিড় এবং রোহিত কথা নয় কাজে দেখাও মনোভাবে বিশ্বাসী। বলিউডের সিনেমায় দেখানো হয় যোগ্যতার পিছনে ছুটতে কিন্তু বাস্তব জীবনে এখনও সাফল্য মাপা হয় সার্টিফিকেট এবং ট্রফি দিয়ে এটি দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি। ভারতের সর্বকালের সেরা ওয়ানডে দল হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে, রোহিতকে কপিল দেব এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়কদের সারিতে রাখার জন্য শুধু স্কোরকার্ড এবং পরিসংখ্যান দিয়ে হবে না।
সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রোহিতের অসাধারণ অধিনায়কত্বের গল্প, শামির প্রথম বলে উইকেট, কোহলির দুর্দান্ত শতক, রোহিতের প্রায় ১০০ এবং বুমরাহর জাদুকরী বোলিংকে ইতিহাসের পাতায় ভালোভাবে স্মরণ করা হবে যদি আগামীকাল ট্রফিটি রোহিতের হাতে উঠে। ভারতের অবশ্যই সাফল্যের কোন ঐশ্বরিক অধিকার নেই এবং অধিনায়ক এবং কোচ একমত হবেন যে তারা কেবল পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করতে পারেন। তবে এখন ভারতের এই দলের নিখুঁত সমাপ্তির স্ক্রিপ্ট করার সর্বোত্তম উপায় হল মাঠে জবাব দেয়া।
এই দুই হেভিওয়েটের চেন্নাইতে তাদের ম্যাচ শুরু না করার আগ পর্যন্ত এই বিশ্বকাপটি খুব একটা দৌড়াতে পারেনি। এই দুইদলের তাদের চূড়ান্ত বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত এটি শেষ হবে না। মোতেরা থেকে খালি হাতে ফিরে আসা অধিনায়কের কীর্তি হতাশায় আবদ্ধ হবে আর অপর অধিনায়ক একটি ১১ কিলো ভরের সোনা এবং রৌপ্যর প্রলেপ দেওয়ায় ট্রফি দিয়ে লোকগাঁথায় অমরত্ব পাবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ নারী দল পাকিস্তানকে হারিয়ে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচ জিতল ।
শুক্রবার মিরপুরে ১৬৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে সাত উইকেট ও ২৬ বল হাতে রেখে জয় পায় বাংলাদেশ। এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল সিরিজ জিতল ।
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রান তোলে পাকিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৪ রান করেন সিধরা আমিন।
উদ্বোধনী জুটিতে জবাবে খেলতে নেমে ১২৫ রানের রেকর্ড গড়েন মুর্শিদা খাতুন ও ফারজানা হক। মুর্শিদা ৫৪ রান ও ফারজানা ৬২ রানে আউট হন। দুই ওপেনারের বিদায়ের পরও পথ হারায়নি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৫.৪ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ নারী দল।
নাহিদা আক্তার বাংলাদেশের হয়ে ১০ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন । এ ছাড়া রাবেয়া খান দুই উইকেট পেয়েছেন। ফাহিমা খাতুন, নিশিতা আক্তার ও স্বর্ণা আক্তার একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ভিশন ২০৩০’ কর্মপরিকল্পনার আওতায় ব্যাপক বিনিয়োগের মাধ্যমে ক্রিকেট অঙ্গনে নিজেদের ভিত্তি মজবুত করতে চায় সৌদি আরব। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্রের পথ অনুসরণ করে বিভিন্ন টেস্ট খেলুড়ে দেশ থেকে ক্রিকেটার সংগ্রহ করে দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় দল গড়ার লক্ষ্য নিয়েছে দেশটি।এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই বাংলাদেশ থেকে ক্রিকেটার ও কোচ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে সৌদি আরব। তবে তাদের সেই প্রস্তাবে সায় দেয়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।ক্রিকেটবিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি বিসিবির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রিকেটার পাঠানোর অনুরোধ জানায় সৌদি কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, প্রায় দুই মাস আগে তাঁর কাছে প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি।এ প্রসঙ্গে বিসিবি প্রধান আরও জানান, সৌদি আরব পুরুষ ও নারী—দুই বিভাগ থেকেই ক্রিকেটার ও কোচ চেয়েছিল। তবে দেশের ক্রিকেটের স্বার্থের সঙ্গে আপস করে এমন সহযোগিতা করা সম্ভব নয় বলেই তিনি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেন।উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে সৌদি আরব ইতোমধ্যে গলফ, ফর্মুলা ওয়ান এবং ২০৩৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের মতো বড় উদ্যোগে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে। এবার আইসিসি ও এসিসির সহায়তায় উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রিকেটে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করাই তাদের নতুন লক্ষ্য।
মন্তব্য করুন


গত এক দশক ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের ক্রিকেট লড়াই মানেই মাঠের ভেতর ও বাইরের উত্তেজনা। সেই উত্তেজনার আরেক অধ্যায় আজ বুধবার ( ২৪ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ে শুরু হতে যাচ্ছে, যেখানে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত। বাইরে থেকে সম্পর্ক যতই ঠাণ্ডা দেখাক, মাঠে দুই দলের মধ্যে উত্তাপের ঘাটতি নেই।
ভারত এখনো টুর্নামেন্টে অপরাজিত এবং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার আত্মবিশ্বাস তো আছেই। শেষ ৩২ ম্যাচে মাত্র তিনটিতে হেরেছে তারা, যা তাদের সাম্প্রতিক ফর্মের সাক্ষ্য দেয়। অন্যদিকে, সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় পেলেও ফাইনালের স্বপ্ন ধরে রাখতে এই ম্যাচে জয় গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্স স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতকে হারানো অসম্ভব নয়। তার মতে, নিজেদের সেরা খেলাটা খেলে ভারতের ভুলগুলোকে কাজে লাগাতে হবে।
ভারতের মতো দলের বিপক্ষে জিততে হলে নিখুঁত হতে হবে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই। দুবাইয়ের স্লো পিচে শরিফুলের বদলে দেখা যেতে পারে আগ্রাসী পেসার তানজিম হাসান সাকিবকে। ওপেনিংয়ে তানজিদ ও সাইফ, তিনে লিটন, এরপর হৃদয়, শামীম ও জাকের আলী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। একজন বাড়তি অলরাউন্ডার হিসেবে সাইফউদ্দিনের খেলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলী, শামীম হোসেন, মেহেদী হাসান, শরীফুল ইসলাম/তানজিম সাকিব, নাসুম আহমেদ/সাইফউদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ।
ভারতের সম্ভাব্য একাদশ: অভিষেক শর্মা, শুভমান গিল, সঞ্জু স্যামসন, সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), তিলক ভার্মা, শিভম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, জসপ্রিত বুমরাহ, কুলদীপ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তী।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের
মতো নারী ও পুরুষ ফুটসাল টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ)।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের অভিষেক আসরেই অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার
গৌরব অর্জন করল বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটসাল দল।
আজ রোববার
(২৫ জানুয়ারি) নিজেদের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা।
৭ দেশ নিয়ে আয়োজিত লিগ পদ্ধতির এই টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৬ পয়েন্ট পেয়েছে
বাংলাদেশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভুটানের পয়েন্ট ৫ ম্যাচে ১১।
গত পরশু ভারত-ভুটান
ম্যাচ ড্র হলে আজকের ম্যাচের আগেই চ্যাম্পিয়ন হতে পারতেন সাবিনারা। কিন্তু ওই ম্যাচে
ভুটান জেতায় শিরোপা নিশ্চিতে শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। নারী ফুটসালে মালদ্বীপ
সবচেয়ে দুর্বল শক্তির দল হওয়ায় বাংলাদেশের জয় অনুমেয়–ই ছিল।
ককের নন্থাবুরি
স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ মাঠে নেমেছিল ‘ড্র করলেই চ্যাম্পিয়ন’ সমীকরণ নিয়ে। প্রথমার্ধে
৬-১ গোলে এগিয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন সাবিনা-মাসুরারা। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ আরও ৮ গোল
করে। এই টুর্নামেন্টে এটাই কোনো দলের সর্বোচ্চ গোলের কীর্তি।
প্রথম মিনিট
থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন সাবিনারা। তবে ম্যাচে প্রথম গোলটা করেছে মালদ্বীপই। তৃতীয়
মিনিটে গোলকিপার স্বপ্না আক্তার ও মাসুরা পারভীনের বোঝাপড়ার ভুলে বল যায় বাংলাদেশের
জালে। তবে সমতাসূচক গোল পেতে বেশিক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে হয়নি বাংলাদেশকে।
ম্যাচের পঞ্চম
মিনিটে সরাসরি ফ্রি–কিক থেকে গোল করেন সাবিনা খাতুন। এর এক মিনিট পর পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ।
তবে এই সুযোগটা সাবিনা কাজে লাগাতে পারেননি। ১৩ মিনিটে আবার ফ্রী কিক পায় বাংলাদেশ।
এবার আর ভুল করেননি সাবিনা, সরাসরি শটে জাল কাঁপান অধিনায়ক।
বাংলাদেশও ম্যাচে
২–১ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি মালদ্বীপ। একের পর এক গোল হজম
করেছে। ২০ মিনিট দৈর্ঘ্যের প্রথমার্ধে আরও চারটি গোল করে বাংলাদেশ। ৬–১ স্কোরলাইনে
সাবিনার মতো জোড়া গোল করেন লিপি আক্তারও।
দ্বিতীয়ার্ধে
বাংলাদেশ করে ৮টি গোল। এর মধ্যে ম্যাচের ২২তম মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সাবিনা।
এক মিনিট পর বাংলাদেশকে অষ্টম গোলটি এনে
দেন মাতসুশিমা সুমাইয়া। ২৬ মিনিটে সাবিনা নিজের নামের পাশে আরেকটি গোল যোগ করেন।
ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে মালদ্বীপকে আরও পাঁচ
গোল দিয়েছে বাংলাদেশ। দশম ও ১১ নম্বর গোলটি করেন নিলুফা ইয়াসমিন ও লিপি আক্তার। ৩১
মিনিটে কৃষ্ণা উদযাপন করেন বাংলাদেশের ১২তম গোল। মালদ্বীপের কফিনে শেষ দুটি পেরেক ঠুকেছেন
মেহেরুন আক্তার ও মাসুরা।
বাংলাদেশের
নারী ফুটবলের কিংবদন্তি সাবিনা খাতুন সাবিনা খাতুনের এই টুর্নামেন্টে তার গোল সংখ্যা
১৩। বাংলাদেশের প্রতি ম্যাচে ধারাভাষ্যকার সাবিনার প্রশংসা করেছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ
টানা দুই বার সাফ ফুটবলের পর ফুটসালেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
২০১৮ সালে ফুটসালে
বাংলাদেশের মেয়েদের পথচলা শুরু হয়। সে বছর কোচ গোলাম রব্বানীর অধীনে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে
অংশ নেয় বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল। এরপর দীর্ঘ ছয় বছর কার্যক্রম বন্ধ ছিল। গত বছরের
শেষদিকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন নতুন করে দল গঠন শুরু করে।
প্রথমবারের
মতো সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপ সামনে রেখে দেশে ও দেশের বাইরে অনুশীলনের মধ্য দিয়ে
গড়ে ওঠে এই চ্যাম্পিয়ন দল। মেয়েদের পাশাপাশি ব্যাংককে চলছে ছেলেদের প্রথম সাফ ফুটসাল
চ্যাম্পিয়নশিপও। তবে ৬ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে বড় চমক হয়ে এসেছেন কুমিল্লার জনপ্রিয় গায়ক আসিফ আকবর। চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে প্রার্থী ছিলেন দুইজন-আসিফ আকবর এবং মীর হেলাল উদ্দিন। আজ বুধবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন, দুপুর ১২টার আগে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন মীর হেলাল। ফলে একক প্রার্থী হয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হচ্ছেন আসিফ আকবর।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন ৬ অক্টোবর। তার আগে আজ বুধবার (০১ অক্টোবর) ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এই সময়ের মধ্যে তামিম ইকবালসহ ১৬ পরিচালক প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
এদিকে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে বড় চমক ছিলেন তামিম ইকবাল। শুধু তামিমই নয়, আরও একাধিক প্রার্থী সরে দাঁড়িয়েছেন বিসিবি নির্বাচন থেকে। ক্যাটাগরি-২ থেকে তামিম ইকবাল ছাড়াও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন সাইদ ইবরাহিম, ইসরাফিল খসরু, রফিকুল ইসলাম বাবু, বোরহানুল পাপ্পু, মাসুদুজ্জামান, আসিফ রব্বানি, মির্জা ইয়াসির আব্বাস ও সাব্বির আহমেদ রুবেল। ক্যাটাগরি-১ থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন মির হেলাল। আর ক্যাটাগরি-৩ থেকে সিরাজ উদ্দিন আলমগীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
প্রত্যাহার লিস্ট : তামিম ইকবাল (ওল্ডডিওএইচএস); রফিকুল ইসলাম বাবু (ইন্দিরা ক্রীড়াচক্র); মাসুদুজ্জামান (মোহামেডান); সাঈদ ইব্রাহীম আহমেদ (ফেয়ার ফাইটার্স); মির হেলাল (চট্টগাম জেলা); সৈয়দ বুরহান হোসেন পাপ্পু (তেজগাঁও ক্রিকেট একাডেমি); ইসরাফিল খশরু (এক্সিউম ক্রিকেটার্স); সাব্বির আহমেদ রুবেল (প্রগতি সেবা সংঘ); তৌহিদ তারেক (পাবনা); অসিফ রাব্বানী (শাইনপুকুর); সিরাজ উদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর (ক্যাটাগরি-৩); ইয়াসির আব্বাস (আজাদ স্পোর্টিং); ফাহিম সিনহা (সুর্যতরিণ); সাইফুল ইসলাম সপু (গুপিবাগ ফ্রেন্ডস); ওমর শরীফ মোহাম্মদ ইমরান (বাংলাদেশ বয়েজ)
মন্তব্য করুন


৮৫
বছর বয়সে চলে গেলেন আর্জেন্টিনাকে ১৯৭৮ সালে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জেতানো
ক্যারিশম্যাটিক কোচ সেজার লুইস মেনোত্তি।
এক্স
হ্যান্ডেলে মেনোত্তির মৃত্যুর খবর জানিয়ে এএফএ লিখেছে, আর্জেন্টিনা
ফুটবল ফেডারেশন অত্যন্ত শোকের সঙ্গে বর্তমান জাতীয় দলের পরিচালক ও আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপজয়ী কোচ লুইস সিজার মেনোত্তির মৃত্যুর খবর জানাচ্ছে। বিদায় প্রিয় ফ্লাকো!
স্থানীয়
গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে,
মেনোত্তিকে মার্চ মাসে গুরুতর রক্তাস্বল্পতা নিয়ে একটি
ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি এপ্রিল মাসে ফ্লেবিটিসের জন্য অস্ত্রোপচার
করেছিলেন এবং পরে দেশে ফিরে আসেন বলে জানা গেছে। আর্জেন্টিনার ফুটবলে তাকে সবচেয়ে
প্রভাবশালী কোচ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মেনোত্তি
একজন রাজনৈতিক কর্মী এবং আর্জেন্টিনার কমিউনিস্ট পার্টির সহযোগী সদস্য হবার
পাশাপাশি বক্সিং অনুরাগী ছিলেন। তিনি রোজারিও সেন্ট্রাল (১৯৬০-৬৩ এবং ১৯৬৭) এর
একজন তরুণ খেলোয়াড় হিসাবে তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন, তারপরে রেসিং
ক্লাব (১৯৬৪) এবং বোকা জুনিয়র্স (১৯৬৫-১৯৬৬)সহ একাধিক ক্লাবের হয়ে খেলেন।
মেনোত্তি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্ক জেনারেলদের হয়ে খেলেছেন (১৯৬৭), তারপরে ব্রাজিলের
সান্তোস (১৯৬৮) এবং ইতালির জুভেন্টাসের (১৯৬৯-১৯৭০) হয়েও তাকে খেলতে দেখা গেছে।
মেনোত্তি
১৯৭৪ থেকে ১৯৮৩ সালের মধ্যে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। বিশ্বকাপের
প্রাক্কালে, মেনোত্তি
১৭ বছর বয়সী ম্যারাডোনাকে স্কোয়াড থেকে বাদ দিয়েছিলেন-যে সিদ্ধান্তের জন্য
উভয়ের মধ্যে সম্পর্কের বেশ অবনতি নয়। পরবর্তীতে মেনোত্তি ১৯৯১-৯২ সালে মেক্সিকো
জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। তিনি বার্সেলোনাকেও নেতৃত্ব দেন, যেখানে তার
স্কোয়াডে ম্যারাডোনা ছিলেন। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, উরুগুয়ের পেনারোল,
ইতালির সাম্পডোরিয়া এবং মেক্সিকোর টেকোসে ছিল তার শেষ কোচিং জীবন। মেনোত্তি
সিগারেটে আসক্ত ছিলেন। কিন্তু ২০১১ সালে তার তামাক আসক্তির কারণে তিন দিনের জন্য
হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে তিনি এই অভ্যাস ছেড়ে দেন।
মেনোত্তি একজায়গায় রসিকতা করে বলেছিলেন, আমাকে না
হারানো পর্যন্ত আমি আমার চুল কাটব না। মেনোত্তির হাত ধরেই সহিংসতাপূর্ণ খেলার
কুখ্যাতি থেকে সরে এসে রোমান্টিক ধাঁচের ফুটবল খেলে সমর্থকদের মন জিতেছে
আর্জেন্টিনা।
মেনোত্তির
মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের
অধিনায়ক লিওনেল মেসি লিখেছেন,
আর্জেন্টিনার ফুটবলের অন্যতম গ্রেট আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তার পরিবার এবং
প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা। শান্তিতে ঘুমান।
মন্তব্য করুন


মাঠে উত্তেজনা তুঙ্গে, রাকিবের চমৎকার পাস থেকে মোরসালিন করেন দলের প্রথম গোল, ফলে বাংলাদেশ ১-০ তে এগিয়ে গেল। গোলটি পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে উল্লাস ছড়িয়েছে এবং দর্শকরা আনন্দে হাততালি করছেন।
বাংলাদেশ দল এখন আক্রমণাত্মক খেলায় আরও দৃঢ় হয়েছে, প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে চেষ্টা করছে। ভারতের খেলোয়াড়রা প্রতিরোধ করতে বদ্ধপরিকর, কিন্তু বাংলাদেশের আক্রমণ এখন গতিময় এবং সজাগ।
মোরসালিনের এই গোল কেবল দলকে এগিয়ে নেয়নি, সমর্থকদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়েছে। ম্যাচের বাকি সময়েও উত্তেজনা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ইতালি প্রবাসী ফুটবলার ফাহমিদুল ইসলামকে প্রাথমিক ক্যাম্পে ডেকেও দেশে আনা হয়নি। এ নিয়ে দেশের ফুটবলে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে আর সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হওয়া এ ক্ষোভ গড়িয়েছে আন্দোলনেও।
এমন পরিস্থিতিতে
রাজধানীর নগর ভবনে আজ দুপুর আড়াইটায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ
মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ ফুটবলের নতুন সম্ভাবনা
হামজা চৌধুরী। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত হয়ে চলমান সঙ্কট নিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টার
সঙ্গে আলোচনায় বসেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল।
এসময় ক্রীড়া উপদেষ্টা
সমর্থকদের পক্ষ থেকে আসা অভিযোগ সম্পর্কে বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘ফুটবল ফেডারেশনে
সিন্ডিকেট করার কোনো সুযোগ নেই। যোগ্যতা অনুযায়ী সবাই যার যার জায়গা করে নেবে, এমন
কোন কিছুর আভাস মিললে ব্যবস্থা নেবে ফেডারেশন। ফাহমিদুলকে আমরা বাদ দিয়ে দেইনি। তবে
ওকে আমরা আরও সময় দিতে চেয়েছি। আগামী জুনেই ঘরের মাঠে বাংলাদেশের ম্যাচ রয়েছে,
খুব শিগগিরই হয়তো তাকে আমরা মাঠে দেখতে পারি। সমর্থকদের এতটুকু বলবো, হতাশ হওয়ার
কিছু নেই।
আন্দোলনের
সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, স্বজনপ্রীতি ও সিন্ডিকেটের কারণেই নেওয়া হয়নি ফাহমিদুলকে।
আলোচনায় সিন্ডিকেট নিয়ে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আনা অভিযোগ এবং ফাহমিদুলের বাদ পড়া প্রসঙ্গে ক্রীড়া
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘দেশের স্বার্থেই যোগ্য খেলোয়াড়দের বঞ্চিত করার কোনো
সুযোগ নেই। প্লেয়ার সিলেকশনে যেনো স্বজনপ্রীতি বা সিন্ডিকেটের শিকার কেউ না হোন সে
বিষয়ে বাফুফেকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। এ বিষয়ে দুর্নীতির প্রমাণ পেলে জড়িতদের
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার। ’
যে কোনো সঙ্কট
মোকাবিলায় বাফুফেকে আরো সুদৃঢ় পদক্ষেপ নিয়ে দেশের ফুটবলকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার
আহ্বান জানান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আলোচনায় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের প্রতি আধুনিক ধারার দৃষ্টিভঙ্গি এবং আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসার প্রয়াসকে প্রশংসিত করে ক্রীড়া উপদেষ্টাকে সাধুবাদ জানান হামজা। বাংলাদেশ ফুটবলকে নিয়ে নতুন সম্ভাবনার কথা শুনিয়ে হামজা চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসায় আমি আপ্লুত, দেশের ফুটবলকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমার আপ্রাণ চেষ্টা থাকবে।
মন্তব্য করুন


আগামী ১৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) নিলামের আগে সাবেক ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিন আয়োজন করেছিলেন মক নিলাম। এই প্রদর্শনী নিলামে চড়া দামে বিক্রি হন বাংলাদেশের স্টার পেসার মোস্তাফিজুর রহমান।
মক নিলামে মোস্তাফিজের ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছিল ২ কোটি রুপি। তবু চেন্নাই ও বেঙ্গালুরু দুই দলই তার জন্য লড়াই চালায়। শেষ পর্যন্ত ৩.৫ কোটি রুপিতে মোস্তাফিজের দলে ভেড়ানোর দৌড়ে জয়ী হয় বেঙ্গালুরু।
আইপিএলের আসল নিলামে মোস্তাফিজের ভিত্তিমূল্য রাখা হয়েছে ২ কোটি রুপি। এবারের আসরে মোস্তাফিজ ছাড়াও আরও ছয়জন বাংলাদেশি ক্রিকেটার অংশ নিচ্ছেন। তারা হলেন—তাসকিন আহমেদ, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, শরীফুল ইসলাম, রাকিবুল হাসান এবং নাহিদ রানা।
নিলাম শুরুর আগে এই মক নিলাম ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে এবং দেখিয়েছে, বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের প্রতি আইপিএলের দলের আগ্রহ বেড়ে গেছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম ম্যাচে রংপুর রাইডার্স দাপুটে জয় দেখিয়ে শুরু করলো। লিটন দাস ও ডেভিড মালানের প্রাণবন্ত ব্যাটিংয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৭ উইকেট ব্যবধানে হারিয়ে নুরুল হাসান সোহানের দল শুরুতেই শক্তিশালী প্রভাব দেখাল।চট্টগ্রাম রয়্যালস প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১০২ রান সংগ্রহ করতে পারে। সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রংপুর মাত্র ৩০ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে।রংপুরের ওপেনার লিটন দাস ও ডেভিড মালান শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং দেখান। তারা ধীরে ধীরে চট্টগ্রামের বোলারদের ওপর চড়াও হন এবং নিয়মিত বাউন্ডারি হাঁকাতে থাকেন। লিটন দাস ৩১ বলে ৪৭ রান করে আউট হন, তাওহীদ হৃদয় মাত্র ১ রান করে ফিরে যান। মালান ৪৮ বলে ৫১ রান করে ফিফটি তুললেও অপরাজিত থাকতে পারেননি। শেষ দিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (১*) ও খুশদিল শাহ (৬*) সহজেই দলের জয় নিশ্চিত করেন।টস জিতে রংপুর অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান। ইনিংসের প্রথম বলেই নাহিদ রানার আউট হন ইংলিশ ব্যাটার অ্যাডাম রশিংটনের হাতে। দ্বিতীয় উইকেটে মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও মির্জা বেগ কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। বেগ ২৪ বলে ২০ রান ও নাঈম ২০ বলে ৩৯ রান করেন। এরপর ফাহিম আশরাফ ও মুস্তাফিজুর রহমানের ধারাবাহিক আঘাতের মুখে চট্টগ্রামের ব্যাটিং দ্রুত ভেঙে যায়। শেষ আটজন ব্যাটারের মধ্যে কেবল আবু হায়দার রনি দুই অঙ্কের রান তুলতে সক্ষম হন—তিনি করেন ২১ বলে ১৩ রান।রংপুরের বোলারদের মধ্যে ফাহিম আশরাফ সর্বাধিক কার্যকর ছিলেন, একাই পাঁচটি উইকেট শিকার করেন। মুস্তাফিজুর রহমান দুটি উইকেট নেন, এবং বাকি তিনটি উইকেট তিনজন বোলার ভাগাভাগি করে নেন।
মন্তব্য করুন