

সংগীতশিল্পী
জেফার রহমান ও উপস্থাপক রাফসান সাবাবের সম্পর্ক নিয়ে এক বছর ধরেই নানা গুঞ্জন চলছিল।
যদিও গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুজনই নিজেদের ‘ভালো বন্ধু’
হিসেবে পরিচয় দিয়ে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নীরব ছিলেন।
তবে
সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তারা। এই
দুজনের ঘনিষ্ঠজন এমন তথ্য কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছে।
জানা
গেছে, গত শনিবার জেফারের নিজ বাসায় দুই পরিবারের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
এর আগে ঘরোয়া আয়জনে ছোট করে তাদের গায়ে হলুদও অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে
আজ বুধবার রাজধানীর আমিনবাজারের এক রিসোর্টে হতে যাচ্ছে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। এরই মধ্যে আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছে বিয়ের দাওয়াত
পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য,
গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে থাইল্যান্ডে একসঙ্গে ভ্রমণের সময় তাদের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা আরো জোরালো হয়। সেসময় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জেফার
মন্তব্য করেছিলেন, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তার বলার কিছু নেই।
রাফসান
সাবাব ২০২৩ সালের শেষ দিকে চিকিৎসক সানিয়া এশার সঙ্গে তার তিন বছরের দাম্পত্য জীবনের
ইতি টানেন।
মন্তব্য করুন


শেরপুর-৩
(শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর বৈধ প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা যাওয়ায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী উক্ত আসনের
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট স্থগিত করা হয়েছে।
আজ
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য
জানিয়েছেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব
আদেশে বলা হয়েছে, কোনো বৈধ প্রার্থী মারা গেলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচন বাতিল করবেন
রিটার্নিং কর্মকর্তা। এ ক্ষেত্রে নতুন করে তফসিল দিতে হবে।
তবে
আগের বৈধ প্রার্থীদের নতুন করে মনোনয়নপত্র দাখিলের প্রয়োজন হবে না।
বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর বৈধ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মারা যাওয়ায় এ আসনে নতুন তফসিল দেবে
নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গণপ্রতিনিধিত্ব
আদেশের অনুচ্ছেদ ১৭-এর দফা (১)-এ বলা হয়েছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি-এমন কোনো
বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করলে রিটার্নিং অফিসার গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট
নির্বাচনসংক্রান্ত সকল কার্যক্রম বাতিল করবেন।
দফা
(২)-এ বলা হয়েছে, যে ক্ষেত্রে দফা (১)-এর অধীন কোনো নির্বাচনসংক্রান্ত কার্যক্রম বাতিল
করা হয়, সে ক্ষেত্রে এই আদেশের অধীন নতুন কার্যক্রম এমনভাবে শুরু করতে হবে, যেন এটি
একটি নতুন নির্বাচন।
তবে
শর্ত থাকে যে, অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নতুন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করা
বা অনুচ্ছেদ ১৩-এর অধীন পুনরায় অর্থ জমা দেওয়ার কোনো প্রয়োজন হবে না।
মন্তব্য করুন


বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামী ১২ তারিখের
নির্বাচন যাতে কেউ বানচাল করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, সবাইকে সজাগ
থাকতে হবে। জনগণ যদি ১২ তারিখে সতর্ক থাকে তাহলে ১৩ তারিখ থেকে শুরু হবে জনগণের দিন
ইনশাআল্লাহ। এই বাংলাদেশে ১৩ তারিখ থেকে হবে জনগণের দিন। জনগণের প্রত্যাশা, জনগণের
আশা, জনগণের আকাঙ্ক্ষা, যে সকল আছে সেসব বিষয়ের কাজগুলো ধীরে ধীরে পর্যায়ক্রমিকভাবে
শুরু হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক
মাদরাসা মাঠে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক
রহমান।
তারেক রহমান বলেন, একটি মহল ষড়যন্ত্র শুরু করছে। ভেতরে
ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে। কীভাবে এই নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যায়, কীভাবে বাধাগ্রস্ত
করা যায়।
তিনি আরও বলেন, বেকারদের কর্মসংস্থানের সমস্যার সমাধানের
কাজ শুরু হবে, মা-বোনদের ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু হবে, কৃষক ভাইদের কৃষক কার্ডের
কাজ শুরু হবে, পদ্মা ব্যারেজের কাজ আমরা শুরু করব। কৃষি লোন মওকুফের কাজ শুরু করব।
এই কাজগুলো হচ্ছে জনগণের কাজ। এই কাজগুলো ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখে ধানের শীষ জয়যুক্ত করলে
পরে ইনশাআল্লাহ ১৩ তারিখ থেকে শুরু হবে জনগণের জয়যাত্রা।
এ সময় রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিএনপির প্রার্থীদের
পরিচয় করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেকের হাতে আমি ধানের শীষ তুলে দিয়ে গেলাম। এখন আপনাদের
দায়িত্ব হচ্ছে ১২ তারিখ পর্যন্ত এদেরকে দেখে রাখা। ১২ তারিখে ইনশাআল্লাহ ভোট দিয়েন।
যখন আপনারা জিতিয়ে আনবেন তখন ১৩ তারিখ থেকে এদের দায়িত্ব হচ্ছে আপনাদেরকে দেখে রাখা।
জনসভায় সভাপতিত্ব করবেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি
মামুন-অর-রশিদ।
সঞ্চালনায় ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক
মাহফুজুর রহমান রিটন।
মন্তব্য করুন


সম্প্রতি
চাঞ্চল্যকর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ঢাকার কেরানীগঞ্জে। মা-মেয়েকে একসঙ্গে হত্যা করে ২১
দিন ওই দুই লাশ নিজ ফ্ল্যাটে রেখেই পরিবার নিয়ে দিব্যি বসবাস করছিলেন হত্যাকারী।
গত
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জের
কালিন্দী ইউনিয়নের মুক্তিরবাগ এলাকায় নুসরাত মীম নামে এক শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে স্কুলছাত্রী
জোবাইদা রহমান ফাতেমা ও তার মা রোকেয়া রহমানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ
ঘটনায় শিক্ষিকা নুসরাত মীম (২৪), তাঁর স্বামী হুমায়ুন মিয়া (২৮), মীমের ১৫ বছর ও ১১
বছর বয়সী দুই বোনকে আটক করা হয়। এরপর গ্রেপ্তার শিক্ষিকাকে জিজ্ঞাসাবাদে লোমহর্ষক তথ্য
পায় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানতে পারে, হত্যাকাণ্ডের পর ২১ দিন ধরে মা-মেয়ের লাশ
ফ্ল্যাটে রেখেই পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন ওই শিক্ষিকা।
এর
আগে গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিল স্কুলছাত্রী জোবাইদা রহমান (১৪) ও তার মা রোকেয়া
রহমান (৩২)। এ ঘটনার পরদিন রোকেয়ার স্বামী শাহীন আহম্মেদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় সাধারণ
ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ৬ জানুয়ারি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে থানায় অপহরণের
মামলা করেন তিনি।
নিজ
কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল
আলম বলেন, গ্রেপ্তার নুসরাত মীম একটি এনজিও থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ নেন। ওই ঋণের জামিনদার
ছিলেন তাঁর শিক্ষার্থী জোবাইদার মা রোকেয়া রহমান। নির্ধারিত সময়ে কিস্তির টাকা পরিশোধ
করতে না পারায় রোকেয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করে এনজিও কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে রোকেয়া ও নুসরাতের
মধ্যে একাধিকবার কথা–কাটাকাটি ও মনোমালিন্য হয়। ২৫ ডিসেম্বর
বিকেলে ফাতেমা প্রাইভেট পড়তে নুসরাতের বাসায় গেলে নুসরাতের ছোট বোনের (১৫) সঙ্গে তার
বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ফাতেমাকে গলা চেপে হত্যা করে তার ওই বোন।
ওসি
সাইফুল আলম বলেন, ঘটনার পর বিষয়টি আড়াল করতে ফাতেমার পোশাক পরে বাসা থেকে বের হয় নুসরাতের
বোন, যাতে সিসিটিভি ফুটেজে মনে হয় ফাতেমা নিজেই বাসা ছেড়ে চলে গেছে। ওই ঘটনার প্রায়
দুই ঘণ্টা পর ফাতেমার মাকে ফোন করে মেয়ের অসুস্থতার কথা জানান নুসরাত। তৎক্ষণাৎ মেয়েকে
নিতে নুসরাতের বাসায় ঢুকলে পেছন থেকে ওড়না পেঁচিয়ে রোকেয়ার গলা চেপে ধরেন তিনি। একপর্যায়ে
তাকে ধাক্কা দিয়ে মেঝেতে ফেলে দেন নুসরাত। পরে দুই বোন মিলে শ্বাসরোধে রোকেয়াকে হত্যা
করেন।
পুলিশের
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ঘটনার পর রোকেয়ার লাশ নুসরাতের শোবার ঘরের বক্স খাটের নিচে
এবং ফাতেমার লাশ শৌচাগারের ফলস সিলিংয়ের ভেতর লুকিয়ে রাখা হয়। দুটি লাশ ফ্ল্যাটে রেখেই
অভিযুক্ত দুই বোন ও তাদের পরিবার প্রায় ২১ দিন সেখানে বসবাস করে আসছিল।
তিনি
বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুসরাত ও তার ছোট বোন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার
করেছেন। ইতোমধ্যে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। নুসরাতের বোন নাবালিকা হওয়ায় তাকে গাজীপুরের
কোনাবাড়ী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না,
সেটাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মদ্যপান অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে ভারতের সাবেক ক্রিকেটার জ্যাকব মার্টিনকে আটক করেছে গুজরাটের ভাদোদরা পুলিশ। মঙ্গলবার ভোর রাতে ভাদোদরার আকোটা এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত প্রায় আড়াইটার দিকে পুনীত নগর সোসাইটির কাছাকাছি এলাকায় নিজের এমজি হেক্টর গাড়ি চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারান মার্টিন। এতে রাস্তার পাশে পার্ক করা একটি কিয়া সেলটোস, একটি হুন্ডাই ভেন্যু এবং একটি মারুতি সেলারিও গাড়ির সঙ্গে তার গাড়ির সংঘর্ষ হয়। ধাক্কায় তিনটি গাড়িই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঘটনার সময় ৫৩ বছর বয়সী এই সাবেক ক্রিকেটার মদ্যপ ছিলেন বলে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় ও বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়িটিও জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, ঘটনার আগে বন্ধুর সঙ্গে মদ্যপান করেছিলেন মার্টিন। দুর্ঘটনার তীব্র শব্দ শুনে আশপাশের বাসিন্দারা পুলিশকে খবর দিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে।
উল্লেখ্য, জ্যাকব মার্টিন একসময় বরোদার রঞ্জি ট্রফি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত ভালো পারফরম্যান্সের জন্য পরিচিত ছিলেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার ক্যারিয়ার তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত হলেও ১৯৯৯ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে ভারতের হয়ে ১০টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
মন্তব্য করুন


সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত রয়েছে এমন ব্যক্তি বা সত্তার এবং
তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ।
আজ রোববার (১১ মে) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে
এই খসড়া অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ।
বৈঠকের সারসংক্ষেপে বলা হয়, কতিপয় সন্ত্রাসী কার্য প্রতিরোধ
এবং উহাদের কার্যকর শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন করার
নিমিত্ত সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ প্রণয়ন করা হয়।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, কোন ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী
কার্যের সহিত জড়িত রয়েছে মর্মে যুক্তিসঙ্গত কারণের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন
দ্বারা, ঐ ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে
তালিকাভুক্ত করতে পারে। তবে বর্তমান আইনে কোন সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণের বিষয়ে
কোন বিধান নেই।
এই বিষয়টি স্পষ্টীকরণসহ বিধান সংযোজন আবশ্যক হেতু সন্ত্রাস বিরোধী
আইন, ২০০৯ কে সময়োপযোগী করে আইনের অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজন।
বর্ণিত প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাস বিরোধী আইন সংশোধন করে সত্তার কার্যক্রম
নিষিদ্ধ করা, প্রয়োজনীয় অভিযোজন করা এবং অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধকরণের
বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন ,কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ট্রেনের ধাক্কায় সাফরাত হোসেন সানভীর নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের আলকরা এলাকায় মেঘনা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু সানভীর উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের কেন্দুয়া গ্রামের মোঃ বাহরাইন প্রবাসী রাজুর একমাত্র ছেলে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন নিহতের চাচা মোরশেদ আলম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দুয়া গ্রামের নুর হোসেন সুজন মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশের বৈছামুড়া ব্রিজের পাশে মাছ ধরার দৃশ্য দেখতে যায়। এর কিছুক্ষণ পর জেঠার খোঁজে বৈছামুড়া ব্রিজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে ভাতিজা সাফরাত হোসেন সানভীর। নুর হোসেন সুজন মনে করেছিলেন, ভাতিজা সানভীর কিছু দূর গিয়ে আবার বাড়িতে ফিরে যাবে। কিন্তু ভাতিজা সানভীর জেঠার কাছে যেতে রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটতে থাকে। মুহুর্তের মধ্যেই চট্টগ্রামগামী মেঘনা এক্সেপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় সানভীর ঘটনাস্থলেই মারা যায়। নুর হোসেন সুজন পিছনের দিকে ভাতিজা সানভীরের দিকে তাকালে তাকে রেললাইনের পাশে নিহত অবস্থায় পাওয়া যায়। এদিকে একমাত্র ছেলে সানভীরকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ বাবা-মা। এ ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
নিহত সাফরাত হোসেন সানভীর চাচা মোরশেদ আলম বলেন, বাড়ি থেকে সামান্য দূরে রেললাইনের সাথে মাছ ধরা দেখতে তাঁর জেঠা বৈছামুড়া ব্রিজের পাশে যায়। জেঠার পিছনে পিছনে ভাতিজা সাফরাত হোসেন সানভীরও চলে যায়। জেঠা মনে করেছিলেন, সানভীর একটু গিয়ে আবার বাড়ির দিকে চলে গেছে। খেয়াল না করায় ট্রেনের ধাক্কায় ভাতিজা সানভীরের মৃত্যু হয়েছে।
তবে শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি জানে না লাকসাম জিআরপি থানা ও গুণবতী রেলষ্টেশন কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


পুরান
ঢাকার বেশির ভাগ ভবন ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, এখানে কোনো প্ল্যান ছাড়া এক কাঠার কম
জমিতেও ৬-৭ তলা
বাড়ি করা হয়েছে।
শনিবার
(২২ নভেম্বর) পুরান ঢাকার বংশালের বিভিন্ন ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
এসময়
রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘ভূমিকম্পে রাজধানীর কসাইটুলীর রেলিং ভেঙে পড়া ভবনটির নকশা আগামী সাত দিনের মধ্যে দেখাতে ব্যর্থ হলে ভবনটি সিলগালা করে হবে।
তিনি
বলেন, ‘এক কাঠার নিচে
আমরা কোনো প্ল্যান দিই না। যারা জোর করে করতেছে, আমরা তাদের মিটার কেটে দিচ্ছি। তারপরও আবার চোরাই মিটার নিয়ে বা জেনারেটর দিয়ে
তারা করতেছে।’
তিনি
জানান, পুরান ঢাকার শত বছরের পুরাতন
ভবনের ঐতিহ্য রক্ষা করেই নতুন পরিকল্পিত নগরায়ণের উদ্যোগ নিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানে
১৭ বছর ধরে চলে আসা উদ্গ্রীব অপেক্ষার এক আবেগঘন সমাপ্তি
হলো। ২৭ বছর বয়সী
কিরণ ১০ বছর বয়সে
ইসলামাবাদের বাড়ি থেকে হারিয়ে গিয়েছিলেন। অবশেষে করাচিতে তাঁর মা–বাবার সঙ্গে
মিলিত হলেন।
পাঞ্জাব
সেফ সিটি কর্তৃপক্ষের সহায়তায় কিরণের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। তাঁকে ইধি ফাউন্ডেশন পরিচালিত দাতব্য প্রতিষ্ঠান ইধি সেন্টার থেকে খুঁজে বের করা হয়।
ইধি
ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা জানান, সেফ সিটি সিস্টেমে থাকা তথ্যের সঙ্গে কিরণের দেওয়া বিবরণ মিলে যাওয়ার পর তাঁকে মা–বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়।
কিরণ
কর্মকর্তাদের জানান, ইসলামাবাদের বাসা থেকে আইসক্রিম কিনতে বেরিয়ে তিনি পথ হারিয়ে ফেলেছিলেন।
পরে এক অপরিচিত ব্যক্তি
তাঁকে ইসলামাবাদে ইধি ফাউন্ডেশন পরিচালিত একটি ইধি সেন্টারে নিয়ে যান।
পরবর্তী
সময় প্রয়াত বিলকিস ইধি শিশু কিরণকে পাকিস্তানের করাচিতে নিয়ে আসেন। তখন থেকে কিরণ ইধি ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। এ সময়ে তিনি
ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষা
লাভ করেন।
ইধি
সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত শাবানা ফয়সাল বলেন, কিরণের পরিবারকে খুঁজে বের করার জন্য তাঁকে কয়েকবার ইসলামাবাদে পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু এত দিন কোনো
কাজ হয়নি।
শাবানা
আরও বলেন, গত কয়েক সপ্তাহে
দেশজুড়ে ১২ জন হারানো
শিশুকে তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে করাচির পাঁচ মেয়েও ছিল।
পরিবারের
সঙ্গে কিরণের পুনর্মিলনের খবর অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে সবাই আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানান এবং ইধি ফাউন্ডেশনের অক্লান্ত প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
পরিচয়
নিশ্চিত হওয়ার পর কিরণের বাবা
করাচিতে পৌঁছালে কিরণের সঙ্গে তাঁদের হৃদয়স্পর্শী পুনর্মিলন ঘটে। তিনি তাঁর মেয়েকে প্রায় দুই দশক ধরে আশ্রয়, শিক্ষা ও যত্ন দেওয়ার
জন্য ইধি ফাউন্ডেশনের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


দেশের
বর্তমান বন্যা পরিস্থিতির বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তিনি উপদেষ্টা পরিষদের
সদস্যদের বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ
বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত কেবিনেট সভায় এই নির্দেশনা দেন
তিনি।
দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে
উপদেষ্টারা এই জেলাগুলো পরিদর্শন করবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক প্রেস
ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘আজ কেবিনেট বৈঠকে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা
হয়েছে এবং ড. ইউনূস উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনের কথা
বলেছেন।’
তিনি আরো জানান, ১০ জেলা বন্যাকবলিত হয়েছে এবং সর্বশেষ হিসাবে ৩৬ লাখ মানুষ
বন্যাকবলিত হয়েছে।
আবহাওয়া
অধিদপ্তরকে উদ্ধৃত করে শফিকুল আলম জানান, দীর্ঘ সময় ধরে অতিবৃষ্টির কারণে বন্যা
পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনগামী ৪৫ যাত্রী বহনকারী একটি ট্রলার নাফনদীর মোহনায় শাহপরীর দ্বীপের কাছে চরসংলগ্ন এলাকায় আটকা পড়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ঘটে এই ঘটনা। ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হওয়ার কারণে নৌযানটি চলাচল করতে পারেনি। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে কোস্ট গার্ডকে অবহিত করা হয়, তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম জানিয়েছেন, ট্রলারে থাকা ৪৫ যাত্রীর সকলেই নিরাপদ আছেন। টেকনাফ–সেন্টমার্টিন নৌরুটের সার্ভিস বোট মালিক সমিতির সভাপতি আবদুর রশিদ বলেন, শাহপরীর দ্বীপের কাছে ট্রলারটি আটকা পড়ায় কোস্ট গার্ড সেখানে পৌঁছে সহায়তা করছে। স্থানীয় ইজারাদার মোহাম্মদ হোসেন জানান, সাম্প্রতিক সময়ে নাফনদীর মোহনায় চর উঠে আসায় এ রুটে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মন্তব্য করুন