

ভারতশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের একটি নবপ্রতিষ্ঠিত মেডিকেল কলেজে অধিকাংশ শিক্ষার্থী মুসলিম হওয়াকে কেন্দ্র করে চরমপন্থী হিন্দু সংগঠনগুলোর প্রবল বিরোধিতার মুখে কলেজটির কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ।আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি ভারতের চিকিৎসা শিক্ষার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন (এনএমসি) রিয়াসি জেলার শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী মেডিকেল ইনস্টিটিউটের অনুমোদন বাতিল করে দেয়।নভেম্বর মাসে যাত্রা শুরু করা এই মেডিকেল কলেজের প্রথম ব্যাচে মোট ৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হন। তাদের মধ্যে ৪২ জন মুসলিম, সাতজন হিন্দু এবং একজন শিখ ধর্মাবলম্বী ছিলেন। কলেজটি একটি হিন্দু ধর্মীয় ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হওয়ায় এখানে মুসলিম শিক্ষার্থীর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো আপত্তি তোলে এবং ধারাবাহিক আন্দোলন শুরু করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এই চাপের মধ্যেই সরকার কলেজটির বিরুদ্ধে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নেয়।বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, বৈষ্ণো দেবী মন্দিরের ভক্তদের অনুদানে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানে মুসলিম শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। আন্দোলন জোরালো হলে স্থানীয় বিজেপি নেতারাও উপরাজ্যপালের কাছে আবেদন জানান, যেন কলেজটিতে শুধু হিন্দু শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি সীমিত করা হয়।এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে এনএমসি হঠাৎ করে কলেজটির অবকাঠামোগত দুর্বলতার কথা তুলে ধরে। তাদের দাবি ছিল, সেখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক, হাসপাতালের শয্যা এবং গবেষণাগারের ঘাটতি রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক প্রতিষ্ঠিত সরকারি মেডিকেল কলেজের তুলনায় এখানে আধুনিক ল্যাব ও উন্নত শিক্ষার পরিবেশ ছিল।ভারতের নিয়ম অনুযায়ী, মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে হলে সর্বভারতীয় নিট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কেন্দ্রীয় মেধা তালিকার মাধ্যমে কলেজ বরাদ্দ পেতে হয়। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, তারা সম্পূর্ণভাবে মেধার ভিত্তিতেই এই কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন এবং সেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কোনো ভূমিকা ছিল না।তবে কট্টর হিন্দু সংগঠনগুলো মেধার বিষয়টিকে উপেক্ষা করে ধর্মের প্রশ্নে কলেজ বন্ধের দাবি জানায়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কলেজটি চালুর সময় এনএমসি যখন অনুমোদন দিয়েছিল তখন অবকাঠামো নিয়ে কোনো আপত্তি তোলা হয়নি। শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশের পর হঠাৎ ঘাটতির অভিযোগ ওঠা সন্দেহজনক।এদিকে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি আশ্বাস দেন, ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ জন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন নষ্ট হতে দেওয়া হবে না এবং তাদের রাজ্যের অন্যান্য মেডিকেল কলেজে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যেখানে মানুষ নতুন মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে, সেখানে কেবল ধর্মীয় বিদ্বেষের কারণে একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার আন্দোলন কীভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।মানবাধিকারকর্মী ও ছাত্র সংগঠনগুলো সতর্ক করে বলেছে, উচ্চশিক্ষায় এ ধরনের সাম্প্রদায়িক বিভাজন অত্যন্ত বিপজ্জনক। এতে শুধু শিক্ষাব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, বরং মেধাবী তরুণদের মনেও দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত তৈরি হয়।
মন্তব্য করুন


সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে আনতে পেরে আমরা
গর্বিত।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে
ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আজকে আমরা বিশেষভাবে সৌভাগ্যবান এবং সম্মানিত যে, বাংলাদেশের তিনবারের
নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া আজ এখানে আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন। এক যুগ ধরে তিনি এই মহাসম্মেলনে
অংশগ্রহণের সুযোগ পান নাই। আজকে সুযোগ পেয়েছেন, আমরা সবাই আনন্দিত এবং গর্বিত। আমরা
এই সুযোগ দিতে পেরেছি আপনাকে। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও এই বিশেষ দিবসে সবার সঙ্গে
শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আমরা তার আশু রোগ মুক্তি কামনা করছি। এবং এই
অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে স্বাগত জানাচ্ছি।
দীর্ঘ এক যুগ পর সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন
তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস এবং খালেদা জিয়া পাশাপাশি বসেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়া কুশল
বিনিময় করেন। খালেদা জিয়াকে বেশ উৎফুল্ল দেখা যায় এবং তাদের হাস্যোজ্জ্বল কথাবার্তা
বলতে দেখা যায়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘুরে ঘুরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
জানা গেছে, এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির ২৬ নেতাকে সেনাকুঞ্জে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


বৈশাখের প্রথম দিনে অন্যদিনের চেয়ে তাপমাত্রা একটু বেশি থাকবে আর সাথে সঙ্গী
হবে অস্বস্তি- এসব আগেই জানিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর।
কিন্তু এমন পূর্বাভাসের মধ্যে সকালে কিছুটা মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশ থাকলেও বেলা বাড়ার
সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজ বাড়তে থাকে আর এরইমধ্যে তাপপ্রবাহের বিস্তার ঘটতে পারে বলে পূর্বাভাস
মিলেছে।
রোববার (১৪ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে দেয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের
বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তার কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ
দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
সারাদিনর আবহাওয়ার অবস্হা নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানায়, আজকের দিনে এ অবস্থায়
অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। আর নীলফামারি ও
নেত্রকোনা জেলাসহ রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে
মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাবে।
এ সময় দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
সোমবার (১৫ এপ্রিল) একই ধরনের আবহাওয়া পরিস্থিতি থাকলেও মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল)
রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা
বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। পাশাপাশি বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টিরও
শঙ্কা রয়েছে। তবে তাপপ্রবাহ অন্যান্য এলাকায় অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মো. মনিরুল হক সাক্কুকে ডেকে পাটিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টায় রাজধানীর গুলশানে মহাসচিবের বাসায় তাকে ডেকে পাঠানো হয়। সেখানে সাক্কুকে নিয়ে বৈঠক করেন বিএনপি মহাসচিব। বৈঠকে মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লা-৬ আসনের রাজনৈতিক পরিবেশ মির্জা ফখরুলকে অবহিত করেন বলে জানা গেছে।
পরে বিকেলে মো. মনিরুল হক সাক্কু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আমি কুমিল্লার আদি লোক। আদি বিএনপি। এখন যারা সবুজ সংকেত পেয়েছেন বলে মাঠে হইচই করছেন তারা বিএনপিতে আমার জুনিয়র। আগামী নির্বাচনে সদর আসনের সঠিক চিত্র কি হতে পারে, তা আমি মহাসচিবকে অবহিত করেছি। এ ছাড়াও কুমিল্লার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উনার সঙ্গে আলাপ হয়েছে।
এর আগে ২০২২ সালের মে মাসে বিএনপি থেকে মনিরুল হক সাক্কু আজীবনের জন্য বহিষ্কার হন। এরপরও তিনি দল থেকে দূরে না সরে সব কর্মসূচি পালন করছেন। কুমিল্লার ভোটের রাজনীতিতে সাক্কু বড় ধরনের ফ্যাক্টর বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
বুড়িচং উপজেলা নিমসার সবচেয়ে বড় কাঁচাবাজারে মাসে কোটি টাকা চাঁদাবাজি অভিযোগ মাঠে নামে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গতকাল রাত মহাসড়ক উপর ওপেন চাঁদাবাজি করার সময় হাতেনাতে কুমিল্লা ডিবি ও থানা পুলিশ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে।
তাদের কাছে টাকা আদায়ের ভুয়া রশিদ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। দেখা গেছে চাঁদাবাজ কারীরা নিমসার কাচাবাজারে আসা দুর দুরান্ত থেকে ট্রাকে করে ব্যবসায়ীরার কাছে থেকে টোল আদায়ের নাম করে যেমন খুশি তেমন চাঁদা আদায় করছিলেন, এসময় তাদের চাদা আদয়ের রশিদ চেক করে দেখা যায় ট্রাক প্রতি ব্যবসায়ীর কাছে থেকে ১৭০০ টকা, লেগুনা কাছ থেকে ১৫০০, ছোট গাড়ী থেকে ১০০০ টাকা, অট্রোরিকশা মাল কাচামালের গাড়ি থেকে ৪০০০ থেকে ৫০০ ২০০ টাকা ১০০টাকা, ৩০০ টাকা করে চাঁদা নেয় তারা, এর প্রমাণ পাওয়া গেল তাদের রশিদ বইয়ে লেখা। সাধারণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা পযন্ত কিভাবে তাঁরা চাঁদা নেয় এটা প্রশ্ন সাধারণ মানুষের?
বুড়িচং উপজেলা এই বাজারটিতে দীর্ঘ দিন ধরে কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ও এখন চলছে বাজারটিতে ওপেন চাঁদাবাজি। বিগত সরকারের আমলে খাস কালেকশন নামে ১০ কোটি টাকা লোটপাট করেছেন সাবেক ইউএনও বাজার ভুয়া ইজারাদার আব্দুল্লাহ আল মামুন। এখন এই চাঁদাবাজি করছেন হুমায়ন ও কবির এর নেতৃত্বে এই চাঁদাবাজি চলছে।
কুমিল্লা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান বলেন, কুমিল্লায় কোন রকম চাঁদাবাজি চলবে না এই বিষয়ে আমি জিরো টলারেন্স আছি।
কুমিল্লা বুড়িচং থানা ও কোতোয়ালি মডেল থানা দায়িত্ব সারকেল সাইফুল ইসলাম বলেন, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আমি কঠোর অবস্থানে আছি।
বুড়িচং থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি লুৎফর রহমান বলেন, কুমিল্লা নিমসার বাজারে ওপেন চাঁদাবাজি হচ্ছে এমন অভিযোগ পেয়ে আমরা কাজ শুরু করি গতকাল ডিবি পুলিশ ও থানা পুলিশ অভিযান করে নিমসার কাচাবাজার থেকে, ১১ জন গ্রেফতার করি হাতেনাতে ধরে ফেলি, থানায় মামলা করি।
তাঁরা সড়ক উপর কাচামালের ট্রাক থেকে ওপেন চাঁদাবাজি করছিল।
মন্তব্য করুন


পবিত্র
ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে, সরকার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি
নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
কার্যকর
ব্যবস্থাপনা ও সমন্বিত উদ্যোগের ফলে এবারের ঈদযাত্রায় মহাসড়কে বড় ধরনের যানজট হবে না
বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
আজ
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এ কথা
বলেন।
তিনি
বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে সরকারের গৃহীত বহুমুখী পদক্ষেপ ইতোমধ্যে কার্যকর করা
হয়েছে। এর ফলে যাত্রীরা যানজট ছাড়াই স্বাচ্ছন্দ্যে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন।
এ
সময় জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে, মানুষের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতার কথাও
উল্লেখ করেন তিনি।
সুলতান
সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, ঈদের ছুটিতে যাতে ঘরমুখো মানুষ ভোগান্তির শিকার না হন এবং
রোজাদারদের সড়কে ইফতার করতে না হয়, সে জন্য সার্বক্ষণিকভাবে মহাসড়ক পর্যবেক্ষণ করা
হচ্ছে।
তিনি
বলেন, গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন খাতের ছুটি শুরু হওয়ায়, আজ থেকে প্রায় ৪০ লাখ অতিরিক্ত
মানুষ এই মহাসড়ক ব্যবহার করবে বলেও তিনি জানান।
মৎস্য
ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, ঈদযাত্রায়
কোনো ধরনের ভোগান্তি যেন না হয়, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
এখন
পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও যানজট সৃষ্টি হয়নি এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলেও উল্লেখ
করেন তিনি।
যান
চলাচল সচল রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে সক্রিয় রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গুরুত্বপূর্ণ
পয়েন্টগুলোতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি তদারকি
করছেন। দলীয় নেতা-কর্মীরাও সড়কে থেকে পুলিশকে সহায়তা করছেন।
এক
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অতীতে অব্যবস্থাপনার কারণে মানুষ যানজটে পড়লেও, এবার আগাম
প্রস্তুতি ও সার্বক্ষণিক তদারকির ফলে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
পরিদর্শনকালে
ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম
সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


স্বামীর
মুখে দুর্গন্ধের কারণে পারিবারিক অশান্তির অভিযোগ তুলে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন চাঁদপুরের
এক গৃহবধূ। জেলার শাহরাস্তি উপজেলার বাসিন্দা ওই নারী শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে এ
অভিযোগ করেন। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে বিষয়টি মীমাংসা হয়।
উপজেলার
রায়েশ (সুদূরবাড়ী) এলাকার পারভীন আক্তার (৫০) তার স্বামী হেলাল আলীর বিরুদ্ধে শাহরাস্তি
থানায় অভিযোগ করেন। এতে বলা হয়, তাদের দাম্পত্য জীবনে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি চলছে। স্বামীর
মুখে দুর্গন্ধের কারণে একই ঘরে বসবাস করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
অভিযোগে
আরো বলা হয়, মুখের তীব্র দুর্গন্ধ দূর করতে স্বামীকে নিয়মিত মুখ পরিষ্কার রাখার অনুরোধ
করেও ফল পাননি পারভীন আক্তার। উল্টো এ কারণে প্রায়ই তাকে গালাগাল ও মারধর করা হয়।
শাহরাস্তি
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর দুই
পক্ষকে থানায় ডেকে আলোচনা করা হয়। স্বামী-স্ত্রী দুজনই বয়স্ক হওয়ায় বিষয়টি পারিবারিকভাবে
মীমাংসা করা হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে মুখের দুর্গন্ধের সমস্যাকে বলা হয় ‘হ্যালিটোসিস’।
এটি অনেকের ক্ষেত্রেই জটিল সমস্যা তৈরি করে, এমনকি ঘনিষ্ঠরাও অস্বস্তিতে ভোগেন।
ক্লিভল্যান্ড
ক্লিনিকের ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, অনেকে মুখে দুর্গন্ধের বিষয়টিকে সাময়িক সমস্যা ভেবে
অবহেলা করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে জটিলতা চললে তা মুখগহ্বরের রোগ কিংবা অন্য কোনো শারীরিক
জটিলতার ইঙ্গিত হতে পারে।
মুখে
দুর্গন্ধের সবচেয়ে বড় কারণ দাঁতের ক্ষয়, মাড়ির রোগ এবং জিভে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়া।
দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাবার পচে দুর্গন্ধ তৈরি করে, যা সময়ের সঙ্গে আরো তীব্র হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লালা মুখ পরিষ্কার রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু পানি
কম পান করা বা দীর্ঘ সময় মুখ শুকনা থাকলে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এ কারণে সকালে
ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মুখে দুর্গন্ধ বেশি থাকে।
আবার
খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনও মুখে দুর্গন্ধের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। পেঁয়াজ, রসুন, কফি
ও মসলাযুক্ত খাবার সাময়িকভাবে মুখে গন্ধ বাড়ায়। পাশাপাশি ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন এ
সমস্যাকে দীর্ঘস্থায়ী করে তুলতে পারে।
অনেক
ক্ষেত্রে সাইনাস ইনফেকশন, টনসিল স্টোন, গ্যাসট্রিক, ডায়াবেটিস, এমনকি কিডনি ও যকৃতে
সমস্যার কারণেও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে মাথা ও ঘাড়ের ক্যান্সারের
কারণেও মুখে দুর্গন্ধ পাওয়া যেতে পারে। তাই দীর্ঘদিন সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ
নেওয়া উচিত।
দন্তচিকিৎসকদের
পরামর্শ হলো, দিনে অন্তত দুইবার দাঁত ব্রাশ করা, নিয়মিত জিভ পরিষ্কার করা এবং ডেন্টাল
ফ্লস ব্যবহার করলে মুখের দুর্গন্ধ অনেকাংশে কমানো সম্ভব। এ ছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান,
ধূমপান পরিহার এবং প্রয়োজন হলে মাউথওয়াশ ব্যবহার করা।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যুবসমাজের জীবন উৎসর্গ এবং অদম্য
নেতৃত্বের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে যুগান্তকারি পরিবর্তন ঘটেছে। একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও
সমৃদ্ধ দেশ গড়ার লক্ষ্যে তারা জীবন দিয়েছে। তরুণদের এই স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়ে
তুলতে বিদেশী বন্ধুদের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
নিউইয়র্ক সময় মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা বিদেশী বন্ধুদের উদ্দেশে আরও বলেন, তরুণদের আত্মত্যাগ আমাদের সামনে বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। আমরা এই সুযোগ হারাতে চাই না। বিদ্যমান রাষ্ট্র কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানগুলোর আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে তরুণরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চায়। এটি বাস্তবায়নে আপনাদের সবার সমর্থন প্রয়োজন।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের
সদস্যপ্রাপ্তির ৫০তম বছর উদযাপন উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পাকিস্তানের
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ডোনাল্ড লুসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
বাংলাদেশ ১৯৭৪
সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে।
সংবর্ধনা আয়োজনে
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আরও ছিলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, জ্বালানি উপদেষ্টা
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ
আবদুল মুহিত, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ,
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি মাহফুজ আলম, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম
প্রমূখ।
অধ্যাপক ইউনূসের
সঙ্গে আলোকচিত্রী ও লেখক শহিদুল আলম শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাগুলো
নিয়ে লেখা দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।
শিক্ষার্থীদের
আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গোটা জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। যারা নতুন বাংলাদেশের
স্বপ্ন দেখেছিল আমরা তাদের হতাশ করতে চাই না।
প্রাতিষ্ঠানিক
সংস্কারের মাধ্যমে একটি নতুন নির্বাচনী ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে তার সরকার কাজ করছে
বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ড. ইউনূস বলেন,
যুবসমাজের সামনে কোন স্বপ্ন ছিল না। স্বৈরাচার তাদের স্বপ্ন ও ভব্যিষতকে ধ্বংস করে
দিয়েছিল। তাই তারা স্বৈরাচারের পতন ঘটাতে বুলেটের সামনে দাঁড়াতে পিছপা হয়নি।
মন্তব্য করুন


পৃথিবীকে জলবায়ু বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার জন্য ‘শূন্য বর্জ্য ও শূন্য কার্বন’-এর ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন জীবনধারা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
বুধবার (১৩
নভেম্বর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ২৯-এর ওয়ার্ল্ড লিডারস ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি আহ্বান করেন।
একটি নতুন পৃথিবী গড়ার লক্ষে তিনটি শূন্যভিত্তিক তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্নের কথাও উপস্থাপন করেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, বেঁচে থাকার জন্য, আমাদের আরেকটি সংস্কৃতি গঠন করতে হবে। একটি ভিন্ন জীবনধারার ওপর ভিত্তি করে আরেকটি পাল্টা সংস্কৃতি গড়তে হবে। এটি হবে শূন্য বর্জ্যের ওপর ভিত্তি করে। এ সংস্কৃতি নিত্য পণ্যের ব্যবহারকে সীমিত করবে, কোন বর্জ্য অবশিষ্ট রাখবে না। এ জীবনযাত্রাও হবে শূন্য কার্বনের ওপর ভিত্তি করে যেখানে কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি থাকবে না, শুধুমাত্র পুনঃনবায়নযোগ্য শক্তি থাকবে। এতে এমন একটি অর্থনীতি হবে যা প্রাথমিকভাবে সামাজিক ব্যবসার মতো ব্যক্তিগত পর্যায়ে শূন্য মুনাফার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। সামাজিক ব্যবসার একটি বিশাল অংশ পরিবেশ ও মানবজাতির সুরক্ষায় মনোযোগ দেবে। সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের জীবন কেবল সুরক্ষিতই হবে না, গুণগতভাবে উন্নত হবে। এটি যুবকদের জন্য উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সহজতর করবে। উদ্যোক্তা হওয়ার নতুন শিক্ষার মাধ্যমে তরুণরা প্রস্তুত হবে। চাকরিপ্রার্থী তৈরির শিক্ষা উদ্যোক্তা-কেন্দ্রিক শিক্ষা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে।
পরিবেশের সুরক্ষার জন্য একটি নতুন জীবনধারার প্রয়োজন উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন জীবনধারা চাপিয়ে দেয়া হবে না, এটি হবে পছন্দ বেছে নেওয়া। তরুণরা সে জীবনধারাকে পছন্দ হিসেবে বেছে নেবে। প্রতিটি যুবক তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে। এগুলো হচ্ছে- শূন্য নেট কার্বন নির্গমন, শুধুমাত্র সামাজিক ব্যবসা গড়ে তোলার মাধ্যমে শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ ও নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে পরিণত করার মাধ্যমে শূন্য বেকারত্ব। প্রত্যেক মানুষ তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে এবং সারাজীবন তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে থাকবে। এটি নতুন সভ্যতা গড়ে তুলবে। এটা করা যেতে পারে আমাদের যা করতে হবে তা হল এ গ্রহের নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নতুন জীবনধারা গ্রহণ করা যেখানে সবাই বসবাস করে। আজকের তরুণ প্রজন্ম বাকিটা করবে। তারা তাদের আমাদের গ্রহকে ভালোবাসে। আমি আশা করি আপনারা এ স্বপ্ন দেখায় আমার সাথে যোগ দেবেন। আমরা যদি একসাথে স্বপ্ন দেখি তবে তা সম্ভব হবে। জলবায়ু সংকট তীব্রতর হচ্ছে এবং সে কারণে মানব সভ্যতা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মানুষ আত্ম-বিধ্বংসী মূল্যবোধের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আত্ম-রক্ষাত্মক ও আত্ম-শক্তিবর্ধক একটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপনের জন্য আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক, আর্থিক ও যুব শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা, এই গ্রহের মানব বাসিন্দারা এই গ্রহের ধ্বংসের কারণ। মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করছে এবং তারা এমন একটি জীবনধারা বেছে নিয়েছে যা পরিবেশের বিরুদ্ধে কাজ করে। তারা এটিকে একটি অর্থনৈতিক কাঠামো দিয়ে ন্যায্যতা দেয়, যা এ গ্রহ ব্যবস্থার মতো প্রাকৃতিক হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অর্থনৈতিক কাঠামো সীমাহীন খরচের ওপর ভিত্তি করে চলছে। আপনি যত বেশি ব্যবহার করবেন তত বেশি প্রবৃদ্ধি পাবেন। যত বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করবেন, তত বেশি অর্থ উপার্জন করবেন। সর্বাধিক মুনাফা অর্জনকে সিস্টেমের সবকিছুকে আমাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভূমিকা পালনের শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


এয়ারবাসের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াউটার ভ্যান ওয়ার্শ আজ মঙ্গলবার লন্ডনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তাঁর হোটেলে সাক্ষাৎ করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (১০ জুন) লন্ডনের একটি হোটেলে এই সাক্ষাৎ হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা চার দিনের সরকারি সফরে আজ স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৫ মিনিটে লন্ডন পৌঁছান।
মন্তব্য করুন