ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ - ⁠অধ্যাপক আলী রীয়াজ

ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ - ⁠অধ্যাপক আলী রীয়াজ
ছবি

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, রাষ্ট্রক্ষমতায় ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে। এবারের গণভোটে জনগণ রায় দিলে আইনসভায় নাগরিকদের প্রত্যেকটা ভোটের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। একই সাথে সংবিধান সংশোধন এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন আসবে। 

গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে  বুধবার রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে  অধ্যাপক  আলী রীয়াজ এসব কথা বলেন। 

রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐক্যমত্য) মনির হায়দার,  ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ কামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ পুলিশ রংপুর রেঞ্জ-এরডিআইজি আমিনুল ইসলাম ও রংপুরের পুলিশ কমিশনার মোঃ মজিদ আলী।

রংপুর বিভাগীয় প্রশাসন আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায়  বিভাগের সকল জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় সাংবাদিকগণ ও সুশীল সমাজ অংশগ্রহণ করেন।

অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, বিদ্যমান সংবিধানিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর হাতে সর্বময় ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি নির্বাহী প্রধান, একই সাথে সংসদ নেতা এবং রাজনৈতিক দলের প্রধানের দায়িত্বও প্রধানমন্ত্রীর হাতেই থাকে। তিনি বলেন, ক্ষমতা এক কেন্দ্রিক করার কারণেই ক্ষমতাসীনরা ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার সুযোগ পায়। আলী রীয়াজ বলেন, এ কারণেই জুলাই সনদে এক ব্যক্তির প্রধানমন্ত্রী থাকার মেয়াদ ১০ বছরে সীমিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়া, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিষয়ক সংসদীয় কমিটিগুলোতে বিরোধী দলগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর কথা হয়েছে। 

গণভোটে সরকারের তরফে প্রচার কার্যক্রমের মূখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ গণভোটের মার্কা টিক চিহ্ন উল্লেখ করে বলেন, নির্বাচনের দিন গোলাপী রঙের ব্যালটে টিক চিহ্নের ওপর সিল দিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ শাসনব্যবস্থা ও সুশাসিত বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যেতে হবে।

যারা জুলাই সনদের পক্ষে নয় তারা ফ্যাসিস্টের পক্ষে উল্লেখ করে বিশেষ অতিথি প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐক্যমত্য) মনির হায়দার বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার বিগত ১৬ বছর সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে থেকেই এক দানবীয় ব্যবস্থা তৈরি করেছিল। বিদ্যমান সংবিধানের গুরুতর ত্রুটির কারণেই আমরা বার বার তাদের হাতে জিম্মি হয়েছি। তাই যারা ফ্যাসিবাদকে আবারো ফিরিয়ে আনতে চায় তারাই জুলাই সনদ ও গণভোটকে ব্যর্থ করে দিতে চায়, তিনি বলেন।

মনির হায়দার বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এই অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্যের বিষয়ে জনগনকে সচেতন করতে ও সঠিক তথ্য জানাতে কাজ করার জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন প্রধান উপদেষ্টার এই বিশেষ সহকারী।

ধর্ম সচিব মোঃ কামাল উদ্দিন বলেন, আমাদের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিকভাবে গড়ে উঠতে পারে নি। ফলে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা বার বার প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছে, মর্যাদা হারিয়েছে। সরকারি কর্মচারীরা সুশাসনের পক্ষে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে গণভোটের মাধ্যমে জুলাই শাসন বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।

বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলাম সভাপতির বক্তব্যে  বলেন, বাংলাদেশকে একটি কল্যানরাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে আমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে গণভোটের বিষয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফেসবুকে জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, কলেজছাত্র গ্রেফতার

বন্ধুর বিয়েতে জুতা চুরি ঠেকিয়ে ভাইরাল শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রাকা ও কিং এর শুটিং চালিয়ে যাবেন দীপিকা

শাটল ট্রেন সেবা সংস্কারের দাবিতে চবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

‘ইমো হ্যাকার’ দম্পতিসহ আটক ৬ জন

ডাকসু নেতা মুসাদ্দিককে ‘দাঁত ফেলে দেওয়ার’ হুমকি

শব্দদূষণ প্রতিরোধে চবিতে সচেতনতামূলক মানববন্ধন

খাড়াতাইয়ায় গ্রামীণ পাঠাগার, জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু

কুমিল্লায় র‍্যাবের অভিযানে ৫০ কেজি গাজাসহ আটক-২

ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

১০

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ

১১

এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল

১২

আইজিপির সঙ্গে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৩

কুমিল্লা নগরীতে ৮ হাজার ৩১৮ সিমসহ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার

১৪

এসএসসি ক্যালকুলেটর ও ঘড়ি ব্যবহারে নতুন নির্দেশনা

১৫

মক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

১৬

নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকানো ছাত্রী পেল ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা

১৭

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

১৮

হার্ট অ্যাটাকে দিনে ৭০০ মানুষের মৃত্যু

১৯

ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

২০

বাংলাদেশ অবশেষে বাবার অনন্য গুণাবলিগুলো প্রত্যক্ষ করবে: জাইমা রহমান

বাংলাদেশ অবশেষে বাবার অনন্য গুণাবলিগুলো প্রত্যক্ষ করবে: জাইমা রহমান
সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বলেছেন, আমার আব্বু হলেন আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান মানুষ। আমার জীবনে তিনিই হলেন সেই একজন ব‍্যাক্তি যার ওপর আমি নিশ্চিন্তে যেকোনো পরিস্থিতিতে ভরসা করতে পারি।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা লিখেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বাবার সম্পর্কে এটিই জাইমা রহমানের প্রথম কোনো প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া।

ফেসবুক পোস্টে জাইমা রহমান লেখেন, ছোটবেলায় আমাদের সকলের মনেই বিশ্বাস জন্মে যে, আমাদের বাবারা সবকিছুতেই পারদর্শী। অনেক সময় তারাই হয়ে ওঠেন আমাদের জীবনের প্রথম ও সবচেয়ে বড় আদর্শ।

তিনি আরও লেখেন, ‘বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের প্রতি তার গভীর ভালোবাসা ও দেশপ্রেমই তাকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে।

আমি খুবই আনন্দিত যে, সমগ্র বাংলাদেশ অবশেষে তার এই অনন্য গুণাবলিগুলো প্রত্যক্ষ করবে। তার মধ‍্যে থাকা অসাধারণ গুণাবলিগুলোই তাকে এই দেশ ও জনগণের একজন সত্যিকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে ইনশাআল্লাহ।

ওই পোস্টে বাবা তারেক রহমানে সঙ্গে নিজের শৈশবের একটি ছবিও পোস্ট করেছেন। যেখানে দেখা যায়, বাবার কাঁধে বসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ছোট্ট জাইমা। নেটিজেনরা সেখানে মন্তব্য করেছেন- এই ছবিটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাবা ও কন্যার আবেগ ভালোবাসা।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফেসবুকে জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, কলেজছাত্র গ্রেফতার

বন্ধুর বিয়েতে জুতা চুরি ঠেকিয়ে ভাইরাল শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রাকা ও কিং এর শুটিং চালিয়ে যাবেন দীপিকা

শাটল ট্রেন সেবা সংস্কারের দাবিতে চবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

‘ইমো হ্যাকার’ দম্পতিসহ আটক ৬ জন

ডাকসু নেতা মুসাদ্দিককে ‘দাঁত ফেলে দেওয়ার’ হুমকি

শব্দদূষণ প্রতিরোধে চবিতে সচেতনতামূলক মানববন্ধন

খাড়াতাইয়ায় গ্রামীণ পাঠাগার, জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু

কুমিল্লায় র‍্যাবের অভিযানে ৫০ কেজি গাজাসহ আটক-২

ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

১০

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ

১১

এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল

১২

আইজিপির সঙ্গে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৩

কুমিল্লা নগরীতে ৮ হাজার ৩১৮ সিমসহ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার

১৪

এসএসসি ক্যালকুলেটর ও ঘড়ি ব্যবহারে নতুন নির্দেশনা

১৫

মক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

১৬

নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকানো ছাত্রী পেল ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা

১৭

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

১৮

হার্ট অ্যাটাকে দিনে ৭০০ মানুষের মৃত্যু

১৯

ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

২০

কুমিল্লার ট্রেন দুর্ঘটনা মামলায় আরেকজন গেইটম্যান কাউসার আটক

কুমিল্লার ট্রেন দুর্ঘটনা মামলায় আরেকজন  গেইটম্যান কাউসার আটক
ছবি

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;

কুমিল্লায় ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় করা মামলার দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার তদন্তে তাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে বলে দাবি পুলিশের।

মঙ্গলবার রাতে প্রধান আসামি হেলাল উদ্দিন এবং বুধবার রাতে কাউসার কে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন লাকসাম রেলওয়ে থানার ওসি জসীমউদ্দিন।

আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে ওসি জসীমউদ্দিন বলেন, “ঈদের দিন গেইটে দায়িত্বপ্রাপ্ত গেইটম্যান হেলাল উদ্দীন ও মেহেদী হাসান দায়িত্ব পালন না করে এক হাজার টাকায় বদলি হিসেবে অস্থায়ী গেইটম্যান কাউসার ও স্থায়ী গেইটম্যান নাজমুলকে ঠিক করেন; যাদের সেদিন ডিউটিই ছিল না।

তিনি আরো বলেন, “কাউসার ও নাজমুল ওই রাতে পদুয়ার বাজার লেভেলক্রসিংয়ের গেইটম্যানের কক্ষে থাকলেও তারা রাত পৌনে ৩টায় ঢাকা মেইল ট্রেন আসার আগে গেইট বন্ধ করেনি। তবে কেন তারা সেটি করেননি তা নিয়েও তদন্ত চলছে।

এছাড়াও পদুয়ার বাজার রেললেভেল ক্রসিংয়ের গেইটের কক্ষে মাদকের সংশ্লিষ্টতাও খুঁজে দেখা হচ্ছে বলে দাবি ওসি জসীম উদ্দিনের।

তিনি বলেন, গেইটম্যান আগের স্টেশন থেকে সিগন্যাল পেয়েছেন কি-না সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আসামি মেহেদী হাসান এখনো পলাতক আছেন। হেলালকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার পদুয়ার বাজার লেভেলক্রসিংয়ের গেইটম্যান হেলাল উদ্দিন ও ওয়েম্যান মেহেদী হাসানকে আসামি করে লাকসাম রেলওয়ে থানায় মামলা করেন আহত বাসযাত্রী শেফালী আক্তার। শেফালী দুর্ঘটনায় নিহত সোহেল রানার খালা। তার বাড়ি কুমিল্লার লাকসামে।

গত (২১ মার্চ ) শনিবার রাত ৩টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষে মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন আটজন।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেনটি ক্রসিং পার হওয়ার সময় চুয়াডাঙ্গা থেকে লক্ষ্মীপুরগামী মামুন স্পেশাল পরিবহনের একটি বাস রেললাইনে উঠে পড়লে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বাসটিকে ছেঁচড়ে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায় ট্রেন।

এ ঘটনায় পদুয়ার বাজার এলাকায় রেলের গেইটের দুই দায়িত্বরত কর্মচারী হেলাল ও মেহেদীকে বরখাস্ত করা হয় এবং তিন টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের দাবি, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ট্রেন আসার সময় বাজার রেলওয়ে ওভার পাশে লেভেল ক্রসিং এ গেইট সময়মত বন্ধ করতে পারেনি গেইটম্যান। এতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে ।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশ সুপার তহুরা জান্নাত  কে বলেন, এখন পর্যন্ত দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার দ্বিতীয় আসামি মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার চেষ্টা চলছে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফেসবুকে জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, কলেজছাত্র গ্রেফতার

বন্ধুর বিয়েতে জুতা চুরি ঠেকিয়ে ভাইরাল শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রাকা ও কিং এর শুটিং চালিয়ে যাবেন দীপিকা

শাটল ট্রেন সেবা সংস্কারের দাবিতে চবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

‘ইমো হ্যাকার’ দম্পতিসহ আটক ৬ জন

ডাকসু নেতা মুসাদ্দিককে ‘দাঁত ফেলে দেওয়ার’ হুমকি

শব্দদূষণ প্রতিরোধে চবিতে সচেতনতামূলক মানববন্ধন

খাড়াতাইয়ায় গ্রামীণ পাঠাগার, জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু

কুমিল্লায় র‍্যাবের অভিযানে ৫০ কেজি গাজাসহ আটক-২

ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

১০

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ

১১

এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল

১২

আইজিপির সঙ্গে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৩

কুমিল্লা নগরীতে ৮ হাজার ৩১৮ সিমসহ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার

১৪

এসএসসি ক্যালকুলেটর ও ঘড়ি ব্যবহারে নতুন নির্দেশনা

১৫

মক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

১৬

নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকানো ছাত্রী পেল ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা

১৭

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

১৮

হার্ট অ্যাটাকে দিনে ৭০০ মানুষের মৃত্যু

১৯

ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

২০

বেগম খালেদা জিয়ার নীরব সঙ্গী ছিলেন গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম

বেগম খালেদা জিয়ার নীরব সঙ্গী ছিলেন গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম
ফাইল ছবি

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের নীরব সঙ্গী গৃহকর্মী ছিলেন ফাতেমা বেগম। এভারকেয়ার হাসপাতালে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ছায়ার মতো খালেদা জিয়ার পাশে ছিলেন তিনি। সেই ছায়াসঙ্গী ফাতেমাকে চিরবিদায় জানালেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। 

রাজনীতির ইতিহাসে যেখানে নেতা, আন্দোলন, ক্ষমতা ও কারাগারের গল্প বারবার উঠে আসে। সেখানে অনেক সময় আড়ালে থেকে যায় কিছু নীরব মুখ। আলোয় না থেকেও যারা ইতিহাসের সাক্ষী হন। বেগম খালেদা জিয়ার জীবনে সেই নীরব সাক্ষীর নাম ফাতেমা বেগম।

দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে গৃহকর্মীর পরিচয় ছাড়িয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন খালেদা জিয়ার একান্ত সঙ্গী। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ, গৃহবন্দিত্বের দীর্ঘ সময়, হাসপাতালের নিঃসঙ্গ রাত কিংবা বিদেশ সফরের নীরব করিডর সবখানেই নিঃশব্দে উপস্থিত ছিলেন তিনি।

ফাতেমা বেগমের জন্ম ভোলার সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের শাহ-মাদার গ্রামে। রফিকুল ইসলাম ও মালেকা বেগম দম্পতির পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন জ্যেষ্ঠ। অল্প বয়সেই সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিতে হয় তাকে। একই ইউনিয়নের কৃষক মো. হারুন লাহাড়ির সঙ্গে বিয়ের পর মেঘনা নদীর চরে কৃষিকাজ করেই চলছিল সংসার।

তাদের সংসারে জন্ম নেয় মেয়ে জাকিয়া ইসলাম রিয়া ও ছেলে মো. রিফাত। তবে ২০০৮ সালে ছেলের বয়স মাত্র দুই বছর থাকতেই অসুস্থ হয়ে মারা যান তার স্বামী। এক মুহূর্তে বদলে যায় জীবনের পথচলা। দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি ফিরে যান বাবার বাড়িতে। কিন্তু মুদি দোকানি বাবার সামান্য আয় সংসারের ব্যয় মেটাতে না পারায় কঠিন সিদ্ধান্ত নেন ফাতেমা। সন্তানদের গ্রামে রেখে কাজের খোঁজে ঢাকায় পাড়ি জমান।

২০০৯ সালে পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি কাজ পান বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে। সেখান থেকেই শুরু হয় এক দীর্ঘ সহযাত্রা। রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এক নেত্রীর দৈনন্দিন জীবনের নীরব সাক্ষী হয়ে ওঠেন তিনি। বাথরুমে নেওয়াআসা, ওষুধ খাওয়ানো, শারীরিক দুর্বলতায় হাত ধরে রাখা এসব কাজ তার কাছে শুধু দায়িত্ব ছিল না, ছিল সম্পর্কের দায়।

২০১৪ সালের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি কর্মসূচির সময় গুলশানের বাসভবনের সামনে বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে পথ অবরুদ্ধ করা হয়। গাড়িতে উঠেও বেরোতে না পেরে ফিরোজার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন খালেদা জিয়া। পুলিশের চাপের মধ্যে শরীরের ভার সামলাতে না পারার মুহূর্তে নীরবে তার হাত শক্ত করে ধরে রেখেছিলেন ফাতেমা। ক্যামেরার ফ্রেমে ধরা পড়ে যায় সেই মানবিক দৃশ্য।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি আদালতের রায়ে খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে আইনজীবীরা আবেদন করেন, তার গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম যেন সঙ্গে থাকতে পারেন। আদালতের অনুমতিতে ছয় দিন পর তিনি নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াই স্বেচ্ছায় হয়ে ওঠেন কারাবন্দি।

২০২১ সালের এপ্রিল মাসে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৩ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন খালেদা জিয়া। যখন মহামারির ভয়ে প্রিয়জনের কাছেও যেতে মানুষ দ্বিধায় ছিল, তখন ফাতেমা ছিলেন অবিচল সেবিকা হয়ে, সাহস হয়ে, ছায়া হয়ে।

সবশেষ লন্ডনে উন্নত চিকিৎসার সময়ও খালেদা জিয়ার সঙ্গেই ছিলেন তিনি। আগের বিদেশ সফরগুলোতেও নীরবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফাতেমা বেগম কোনো রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন না, কোনো পদও ছিল না। তবু ইতিহাসের কঠিন মুহূর্তগুলোতে তার উপস্থিতি ছিল অবিচ্ছেদ্য। তিনি প্রমাণ করে গেছেন সব সম্পর্ক ক্ষমতার নয়, কিছু সম্পর্ক শুধু দায়িত্ব আর মানবিকতার। রাজনীতির কোলাহলের ভিড়ে তিনি ছিলেন এক নীরব নাম। কিন্তু সেই নীরবতাই তাকে আলাদা করে চিহ্নিত করে। 

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফেসবুকে জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, কলেজছাত্র গ্রেফতার

বন্ধুর বিয়েতে জুতা চুরি ঠেকিয়ে ভাইরাল শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রাকা ও কিং এর শুটিং চালিয়ে যাবেন দীপিকা

শাটল ট্রেন সেবা সংস্কারের দাবিতে চবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

‘ইমো হ্যাকার’ দম্পতিসহ আটক ৬ জন

ডাকসু নেতা মুসাদ্দিককে ‘দাঁত ফেলে দেওয়ার’ হুমকি

শব্দদূষণ প্রতিরোধে চবিতে সচেতনতামূলক মানববন্ধন

খাড়াতাইয়ায় গ্রামীণ পাঠাগার, জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু

কুমিল্লায় র‍্যাবের অভিযানে ৫০ কেজি গাজাসহ আটক-২

ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

১০

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ

১১

এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল

১২

আইজিপির সঙ্গে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৩

কুমিল্লা নগরীতে ৮ হাজার ৩১৮ সিমসহ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার

১৪

এসএসসি ক্যালকুলেটর ও ঘড়ি ব্যবহারে নতুন নির্দেশনা

১৫

মক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

১৬

নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকানো ছাত্রী পেল ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা

১৭

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

১৮

হার্ট অ্যাটাকে দিনে ৭০০ মানুষের মৃত্যু

১৯

ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

২০

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ভর্তি পরীক্ষা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ভর্তি পরীক্ষা
ছবি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা আগামী শুক্রবার (২ জানুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে। ভর্তি পরীক্ষার শুরু হবে ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। এবারের পরীক্ষা চট্টগ্রাম, ঢাকা ও রাজশাহীতে একসাথে একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।তবে B1, B2 ও D1 উপ-ইউনিটের পরীক্ষা শুধুমাত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নেওয়া হবে। আবেদনকারীদের উচিত, কোন কেন্দ্রের পরীক্ষা দিতে চান তা আবেদনপত্র পূরণের সময় সঠিকভাবে নির্বাচন করা।ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের জন্য কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে:

1. পরীক্ষার্থীদের সকাল ১০:৩০ টার মধ্যে নিজ নিজ আসনে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রবেশপত্র দেখানোর পরই পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন। বেলা ১১টার পর আর কোনো পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

2. প্রবেশপত্র অনুযায়ী পরীক্ষার্থীরা ভর্তি ওয়েবসাইটে লগইন করে পরীক্ষা শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে নিজের আসনের অবস্থান জানতে পারবেন। সিট প্ল্যান দেখার আগে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা বাধ্যতামূলক।

3. পরীক্ষা দিবস প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে ডাউনলোডকৃত প্রবেশপত্রের একটি কপি এবং উচ্চমাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড অথবা ‘এ’ লেভেলের Statement of Entry (যদি প্রযোজ্য হয়) সঙ্গে আনতে হবে।

4. পরীক্ষার হলে Fx-100 বা তার নিচের সাধারণ মানের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। তবে B ইউনিট এবং B1, B2 ও D1 উপ-ইউনিটের পরীক্ষায় কোনো ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না। মোবাইল ফোন, স্মার্টওয়াচ, ব্লুটুথ বা যেকোনো যোগাযোগের ডিভাইস পরীক্ষা হলে নিয়ে আসা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

5. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রতি মনোযোগ না দেওয়ার জন্য পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য বলা হয়েছে।

6. পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে উপস্থিত অভিভাবকদের নিরাপত্তার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র বা নিজস্ব পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষার সূচি

২ জানুয়ারি: ‘এ’ ইউনিট

৩ জানুয়ারি: ‘ডি’ ইউনিট

৫ জানুয়ারি: ‘ডি-১’ উপ-ইউনিট

৭ জানুয়ারি: ‘বি-১’ উপ-ইউনিট

৮ জানুয়ারি: ‘বি-২’ উপ-ইউনিট

৯ জানুয়ারি: ‘সি’ ইউনিট

১০ জানুয়ারি: ‘বি’ ইউনিট

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফেসবুকে জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, কলেজছাত্র গ্রেফতার

বন্ধুর বিয়েতে জুতা চুরি ঠেকিয়ে ভাইরাল শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রাকা ও কিং এর শুটিং চালিয়ে যাবেন দীপিকা

শাটল ট্রেন সেবা সংস্কারের দাবিতে চবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

‘ইমো হ্যাকার’ দম্পতিসহ আটক ৬ জন

ডাকসু নেতা মুসাদ্দিককে ‘দাঁত ফেলে দেওয়ার’ হুমকি

শব্দদূষণ প্রতিরোধে চবিতে সচেতনতামূলক মানববন্ধন

খাড়াতাইয়ায় গ্রামীণ পাঠাগার, জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু

কুমিল্লায় র‍্যাবের অভিযানে ৫০ কেজি গাজাসহ আটক-২

ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

১০

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ

১১

এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল

১২

আইজিপির সঙ্গে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৩

কুমিল্লা নগরীতে ৮ হাজার ৩১৮ সিমসহ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার

১৪

এসএসসি ক্যালকুলেটর ও ঘড়ি ব্যবহারে নতুন নির্দেশনা

১৫

মক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

১৬

নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকানো ছাত্রী পেল ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা

১৭

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

১৮

হার্ট অ্যাটাকে দিনে ৭০০ মানুষের মৃত্যু

১৯

ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

২০

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জেনেভা ক্যাম্পে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বুনিয়া সোহেল গ্যাং-এর ১১ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জেনেভা ক্যাম্পে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বুনিয়া সোহেল গ্যাং-এর ১১ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার
ছবি

গতকাল রাতে সুনির্দিষ্ট গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন জেনেভা ক্যাম্পের সেক্টর ৩, ৭ ও ৮ এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বুনিয়া সোহেল গ্যাং-এর বিরুদ্ধে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ১১ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এ সময় দীর্ঘ তল্লাশি করেও বুনিয়া সোহেলকে পাওয়া যায়নি। অভিযানকালে, বিপুল পরিমাণ মাদক, নগদ অর্থ এবং সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।  গ্রেফতারকৃতদের মধ্য হতে ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং শেখ জিলানিসহ ৭ জনকে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও পূর্ব হত্যাকাণ্ডের মামলা রয়েছে। 


বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ। অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক কিংবা সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফেসবুকে জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, কলেজছাত্র গ্রেফতার

বন্ধুর বিয়েতে জুতা চুরি ঠেকিয়ে ভাইরাল শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রাকা ও কিং এর শুটিং চালিয়ে যাবেন দীপিকা

শাটল ট্রেন সেবা সংস্কারের দাবিতে চবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

‘ইমো হ্যাকার’ দম্পতিসহ আটক ৬ জন

ডাকসু নেতা মুসাদ্দিককে ‘দাঁত ফেলে দেওয়ার’ হুমকি

শব্দদূষণ প্রতিরোধে চবিতে সচেতনতামূলক মানববন্ধন

খাড়াতাইয়ায় গ্রামীণ পাঠাগার, জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু

কুমিল্লায় র‍্যাবের অভিযানে ৫০ কেজি গাজাসহ আটক-২

ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

১০

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ

১১

এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল

১২

আইজিপির সঙ্গে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৩

কুমিল্লা নগরীতে ৮ হাজার ৩১৮ সিমসহ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার

১৪

এসএসসি ক্যালকুলেটর ও ঘড়ি ব্যবহারে নতুন নির্দেশনা

১৫

মক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

১৬

নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকানো ছাত্রী পেল ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা

১৭

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

১৮

হার্ট অ্যাটাকে দিনে ৭০০ মানুষের মৃত্যু

১৯

ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

২০

দেশে ২৩৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

দেশে ২৩৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
সংগৃহীত ছবি

রাজধানী ও আশপাশের জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২৩৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

১৯ নভেম্বর (রোববার) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ২৮ প্লাটুনসহ সারা দেশে ২৩৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও পর্যাপ্ত সংখ্যক বিজিবি প্লাটুন স্ট্যান্ডবাই রয়েছে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফেসবুকে জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, কলেজছাত্র গ্রেফতার

বন্ধুর বিয়েতে জুতা চুরি ঠেকিয়ে ভাইরাল শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রাকা ও কিং এর শুটিং চালিয়ে যাবেন দীপিকা

শাটল ট্রেন সেবা সংস্কারের দাবিতে চবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

‘ইমো হ্যাকার’ দম্পতিসহ আটক ৬ জন

ডাকসু নেতা মুসাদ্দিককে ‘দাঁত ফেলে দেওয়ার’ হুমকি

শব্দদূষণ প্রতিরোধে চবিতে সচেতনতামূলক মানববন্ধন

খাড়াতাইয়ায় গ্রামীণ পাঠাগার, জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু

কুমিল্লায় র‍্যাবের অভিযানে ৫০ কেজি গাজাসহ আটক-২

ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

১০

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ

১১

এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল

১২

আইজিপির সঙ্গে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৩

কুমিল্লা নগরীতে ৮ হাজার ৩১৮ সিমসহ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার

১৪

এসএসসি ক্যালকুলেটর ও ঘড়ি ব্যবহারে নতুন নির্দেশনা

১৫

মক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

১৬

নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকানো ছাত্রী পেল ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা

১৭

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

১৮

হার্ট অ্যাটাকে দিনে ৭০০ মানুষের মৃত্যু

১৯

ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

২০

প্রতি সপ্তাহে ২০০ শহীদের পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে: সারজিস আলম

প্রতি সপ্তাহে ২০০ শহীদের পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে: সারজিস আলম
সংগৃহীত

প্রতি সপ্তাহে ২০০ জন শহীদের পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম।

শুক্রবার (১ নভেম্বর) ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

সারজিস আলম বলেন, ‘শহীদ পরিবারের পাশে বাংলাদেশ’ শিরোনামে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা করা শুরু হবে শনিবার। এদিন চারটি সেগমেন্টে চেক হস্তান্তরের কাজ চলবে। ৮ বিভাগেই শহীদ পরিবারকে সহযোগিতার কাজ করা হবে। প্রথম ধাপে ঢাকা বিভাগ নিয়ে কাজ চলছে। ভুয়া নম্বর থেকে কল দেয়া হচ্ছে, যা আমাদের নয়। ১৬০০০ নম্বরটি থেকে শহিদ পরিবারে কল দেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক টাকার হিসাব যেন দিতে পারি, সেভাবে কাজ চলছে। আহতদের তালিকায় রয়েছে ২৪ হাজার। নিহত ১৬শ’র বেশি। তথ্য বারবার যাচাই করা হচ্ছে। আহতদের পুনর্বাসনের কাজও করা হবে।

নভেম্বরের মধ্যে ভেরিফিকেশন শেষ হলে ডিসেম্বরে সবার কাছে সহযোগিতা পৌঁছে যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক শহীদ পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ৫ লাখ এবং আহতদের পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফেসবুকে জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, কলেজছাত্র গ্রেফতার

বন্ধুর বিয়েতে জুতা চুরি ঠেকিয়ে ভাইরাল শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রাকা ও কিং এর শুটিং চালিয়ে যাবেন দীপিকা

শাটল ট্রেন সেবা সংস্কারের দাবিতে চবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

‘ইমো হ্যাকার’ দম্পতিসহ আটক ৬ জন

ডাকসু নেতা মুসাদ্দিককে ‘দাঁত ফেলে দেওয়ার’ হুমকি

শব্দদূষণ প্রতিরোধে চবিতে সচেতনতামূলক মানববন্ধন

খাড়াতাইয়ায় গ্রামীণ পাঠাগার, জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু

কুমিল্লায় র‍্যাবের অভিযানে ৫০ কেজি গাজাসহ আটক-২

ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

১০

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ

১১

এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল

১২

আইজিপির সঙ্গে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৩

কুমিল্লা নগরীতে ৮ হাজার ৩১৮ সিমসহ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার

১৪

এসএসসি ক্যালকুলেটর ও ঘড়ি ব্যবহারে নতুন নির্দেশনা

১৫

মক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

১৬

নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকানো ছাত্রী পেল ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা

১৭

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

১৮

হার্ট অ্যাটাকে দিনে ৭০০ মানুষের মৃত্যু

১৯

ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

২০

রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণে সহিংসতা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমীর

রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণে সহিংসতা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমীর
ছবি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের এমপি পদপ্রার্থী শরিফ ওসমান হাদীকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

আজ শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন আছেন বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। তিনি আরও উলেখ করেন, কোনো রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা মতভিন্নতার কারণে এ ধরনের সহিংসতা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি এই ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করছি এবং দোয়া করি, আল্লাহ তাআলা তাকে পূর্ণ সুস্থতা দান করুন।

এদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানান, হাদী রিকশায় ছিল। এমন সময় দুটি মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। সঙ্গে সঙ্গে তার রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরবর্তীতে ওই রিকশায় করেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ খবর পাওয়ার পর ঢাকা মেডিকেলের সামনে ভিড় করছেন অনেকেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার তীব্র নিন্দাও জানাচ্ছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফেসবুকে জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, কলেজছাত্র গ্রেফতার

বন্ধুর বিয়েতে জুতা চুরি ঠেকিয়ে ভাইরাল শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রাকা ও কিং এর শুটিং চালিয়ে যাবেন দীপিকা

শাটল ট্রেন সেবা সংস্কারের দাবিতে চবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

‘ইমো হ্যাকার’ দম্পতিসহ আটক ৬ জন

ডাকসু নেতা মুসাদ্দিককে ‘দাঁত ফেলে দেওয়ার’ হুমকি

শব্দদূষণ প্রতিরোধে চবিতে সচেতনতামূলক মানববন্ধন

খাড়াতাইয়ায় গ্রামীণ পাঠাগার, জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু

কুমিল্লায় র‍্যাবের অভিযানে ৫০ কেজি গাজাসহ আটক-২

ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

১০

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ

১১

এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল

১২

আইজিপির সঙ্গে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৩

কুমিল্লা নগরীতে ৮ হাজার ৩১৮ সিমসহ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার

১৪

এসএসসি ক্যালকুলেটর ও ঘড়ি ব্যবহারে নতুন নির্দেশনা

১৫

মক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

১৬

নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকানো ছাত্রী পেল ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা

১৭

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

১৮

হার্ট অ্যাটাকে দিনে ৭০০ মানুষের মৃত্যু

১৯

ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

২০

৭৪ বছরের বৃদ্ধ ২৪ বছরের তরুণীকে বিয়ে করতে খরচ করলেন ২ কোটি টাকা

৭৪ বছরের বৃদ্ধ ২৪ বছরের তরুণীকে বিয়ে করতে খরচ করলেন ২ কোটি টাকা
সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ায় ৭৪ বছর বয়সি এক বৃদ্ধ ২৪ বছর বয়সি এক যুবতীকে বিয়ে করে সাড়া ফেলে দিয়েছেন। মোহরানা হিসেবে কনেকে দিয়েছেন ২ কোটি ২২ লাখ টাকা (প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার)।

কিন্তু বিয়েটি নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে, যখন জানা যায় বিয়ের পর নবদম্পতি তাদের ফটোগ্রাফারের পারিশ্রমিক না দিয়েই উধাও হয়ে যান। এ নিয়ে তদন্তও শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ।

পূর্ব জাভা প্রদেশের পাসিতান রিজেন্সিতে গত ১ অক্টোবর এই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের অনুষ্ঠান হয়। বৃদ্ধের নাম তারমান, আর কনের নাম শেলা আরিকা। সবার সামনে তিনি বিয়ের ঘোষণা দেন এবং তিন বিলিয়ন রুপিয়ার (২ কোটি ২২ লাখ টাকা) মোহরানা প্রদান করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছেন, বিপুল অঙ্কের চেকটি ভুয়া ছিল।

বিয়ের আগে জানানো হয়েছে, মোহরানা হবে এক বিলিয়ন রুপিয়া (প্রায় ৭৪ লাখ টাকা), কিন্তু অনুষ্ঠান চলাকালে তা হঠাৎ বাড়িয়ে তিন বিলিয়ন রুপিয়া (প্রায় ২ কোটি ২২ লাখ টাকা) ঘোষণা করা হয়।

অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিলাসবহুল ভেন্যুতে অনুষ্ঠান হচ্ছে, আর বর তিন বিলিয়ন রুপিয়ার চেক প্রদর্শন করলে অতিথিরা উল্লাস করছেন। এ ছাড়া উপহার নেওয়ার পরিবর্তে বরপক্ষ নাকি অতিথিদের প্রত্যেককে নগদ ১ লাখ রুপিয়া (প্রায় ৭৩ হাজার টাকা) দিয়েছেন।

এদিকে অনুষ্ঠান শেষ হতেই বিয়ের ফটোগ্রাফি সংস্থাটি অভিযোগ তোলে, নবদম্পতি তাদের পারিশ্রমিক পরিশোধ না করেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে পালিয়ে গেছেন।

এমনও গুজব ওঠে যে তারমান কেবল ভেন্ডরদের টাকা দেয়নি তা-ই নয়, কনের পরিবারের মোটরসাইকেল নিয়েও পালিয়ে গেছেন। কেউ কেউ দাবি করছেন, তিন-বিলিয়ন রুপিয়ার চেকটিও নাকি নকল।

অপরদিকে কনের এক আত্মীয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, পরিবার ও প্রতিবেশীরা শেলাকে সতর্ক করেছিলেন, তবুও সে এই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তারমান সামাজিক মাধ্যমে জানান, মোহরানার টাকা আসল এবং তা এসেছে ইন্দোনেশিয়ার ব্যাংক সেন্ট্রাল এশিয়া (বিসিএ) থেকে। তিনি পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেন। তিনি আরো বলেন, ‘আমি আমার স্ত্রীকে ছেড়ে যাইনি, আমরা একসঙ্গেই আছি।কনের পরিবারও জানায়, ‘ওসব মিথ্যা খবর। তারা শুধু হানিমুনে গেছে।অন্যদিকে বিয়ের ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠানের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে।

এ বিয়ে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হইছই শুরু হয়েছে। অনেকেই বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। কেউ লিখেছেন, ‘মেয়েটি কি বৃদ্ধের গন্ধেই প্রেমে পড়ল? ভালোবাসা, নাকি কেবল টাকা?’ আরেকজন লিখেছেন, ‘অর্থই শেষ পর্যন্ত পৃথিবীর আসল শক্তি।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফেসবুকে জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, কলেজছাত্র গ্রেফতার

বন্ধুর বিয়েতে জুতা চুরি ঠেকিয়ে ভাইরাল শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রাকা ও কিং এর শুটিং চালিয়ে যাবেন দীপিকা

শাটল ট্রেন সেবা সংস্কারের দাবিতে চবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

‘ইমো হ্যাকার’ দম্পতিসহ আটক ৬ জন

ডাকসু নেতা মুসাদ্দিককে ‘দাঁত ফেলে দেওয়ার’ হুমকি

শব্দদূষণ প্রতিরোধে চবিতে সচেতনতামূলক মানববন্ধন

খাড়াতাইয়ায় গ্রামীণ পাঠাগার, জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু

কুমিল্লায় র‍্যাবের অভিযানে ৫০ কেজি গাজাসহ আটক-২

ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

১০

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ

১১

এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল

১২

আইজিপির সঙ্গে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৩

কুমিল্লা নগরীতে ৮ হাজার ৩১৮ সিমসহ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার

১৪

এসএসসি ক্যালকুলেটর ও ঘড়ি ব্যবহারে নতুন নির্দেশনা

১৫

মক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

১৬

নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকানো ছাত্রী পেল ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা

১৭

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

১৮

হার্ট অ্যাটাকে দিনে ৭০০ মানুষের মৃত্যু

১৯

ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

২০

শ্রম খাত সংস্কারের অঙ্গীকার প্রধান উপদেষ্টার

শ্রম খাত সংস্কারের অঙ্গীকার প্রধান উপদেষ্টার
সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (১৪ নভেম্বর) বলেছেন, তাঁর সরকার দেশের তৈরি খাতে আরও বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করার প্রয়াসে শ্রম খাতে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করবে।

এখানে প্রাপ্ত এক খবরে বলা হয়েছে, আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ-২৯ বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনের ফাঁকে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করার সময় অধ্যাপক ইউনূস তাকে বলেন, ‘শ্রম ইস্যুটি আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের অন্যতম এবং আমরা সকল শ্রম সমস্যার সমাধান করতে চাই।

থেরেসা মে বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রম ইস্যুতে কাজ করার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেন। তিনি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মানব পাচার ও অভিবাসন ইস্যু নিয়েও আলোচনা করেন।

অধ্যাপক ইউনূস আইনি মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে অভিবাসন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি ঝুঁকি ও অনিয়মিত অভিবাসন কমিয়ে দেবে এবং মানব পাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করবে।

অধ্যাপক ইউনূস থেরেসা মেকে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের সময় বাংলাদেশী তরুণদের আঁকা গ্রাফিতি ও ম্যুরাল বিষয়ক বই আর্ট অফ ট্রায়াম্ফের একটি অনুলিপি উপহার দেন।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব ও মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, তুরস্ক এবং আজারবাইজানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আনামুল হক উপস্থিত ছিলেন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফেসবুকে জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, কলেজছাত্র গ্রেফতার

বন্ধুর বিয়েতে জুতা চুরি ঠেকিয়ে ভাইরাল শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রাকা ও কিং এর শুটিং চালিয়ে যাবেন দীপিকা

শাটল ট্রেন সেবা সংস্কারের দাবিতে চবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

‘ইমো হ্যাকার’ দম্পতিসহ আটক ৬ জন

ডাকসু নেতা মুসাদ্দিককে ‘দাঁত ফেলে দেওয়ার’ হুমকি

শব্দদূষণ প্রতিরোধে চবিতে সচেতনতামূলক মানববন্ধন

খাড়াতাইয়ায় গ্রামীণ পাঠাগার, জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু

কুমিল্লায় র‍্যাবের অভিযানে ৫০ কেজি গাজাসহ আটক-২

ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

১০

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ

১১

এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল

১২

আইজিপির সঙ্গে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৩

কুমিল্লা নগরীতে ৮ হাজার ৩১৮ সিমসহ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার

১৪

এসএসসি ক্যালকুলেটর ও ঘড়ি ব্যবহারে নতুন নির্দেশনা

১৫

মক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

১৬

নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকানো ছাত্রী পেল ‘কন্যা সাহসিকা’ সম্মাননা

১৭

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

১৮

হার্ট অ্যাটাকে দিনে ৭০০ মানুষের মৃত্যু

১৯

ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

২০