

ভালোবাসা
কোনো সীমান্ত মানে না, মানে না ভাষা কিংবা সংস্কৃতির ভিন্নতা—এই
কথাটিকেই যেন বাস্তবে প্রমাণ করেছেন ফ্রান্সের এক তরুণী ও লক্ষ্মীপুরের এক তরুণ দম্পতি।
.
লক্ষ্মীপুর
সদর উপজেলার রাজিবপুর এলাকার সমসের উদ্দিন খলিফা বাড়ির মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে আরিফুল
ইসলাম রাসেল ২০১১ সালে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডে যান। পরে ২০১৩ সালে তিনি ফ্রান্সে
পাড়ি জমান। সেখানেই পড়ালেখার সূত্রে সিনথিয়ার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে সেই পরিচয়
রূপ নেয় গভীর সম্পর্কে। পারিবারিক সম্মতিতে ২০১৭ সালে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে সিনথিয়া
ইসলাম নাম ধারণ করে রাসেলের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। সিনথিয়ার পূর্ব নাম ছিল ‘অম’।
বর্তমানে তাদের সংসারে রয়েছে দুটি সন্তান—আমেনা ইসলাম (৬) ও আলিফ ইসলাম (৪)।.
সম্প্রতি
স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরে এসেছেন রাসেল। গ্রামীণ মেঠোপথে হাঁটা,
হাওয়াই মিঠাই খাওয়া, স্থানীয়দের সঙ্গে গল্পে মেতে ওঠা—সবকিছুতেই
মুগ্ধ ফরাসি এই তরুণী। গ্রামের পরিবেশ ও মানুষের আন্তরিকতায় তিনি আপ্লুত বলে জানান
স্থানীয়রা। মেঘনা নদী এলাকা ও লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রসহ কক্সবাজার ভ্রমণের
ছবিও তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন।.
রাসেল
জানান, ২০২৪ সালে ‘রাসেল এন্ড সিনথিয়া’ নামে একটি ফেসবুক পেজ খোলা হয়। বর্তমানে
সেখানে প্রায় ২১ লাখ ফলোয়ার রয়েছে। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ বাংলাদেশি এবং ৬০ শতাংশ বিদেশি
ফলোয়ার। আরব দেশগুলো থেকেই তাদের সবচেয়ে বেশি অনুসারী রয়েছে।.
প্রেমের
শুরুটা সহজ ছিল না। ভাষাগত সমস্যার কারণে শুরুতে গুগল ট্রান্সলেটের সাহায্যে কথা বলতে
হতো তাদের। এক বছরের চেষ্টায় এই বাধা কাটিয়ে ওঠেন তারা। সিনথিয়াও আগ্রহ নিয়ে বাংলা
ভাষা শেখার চেষ্টা করছেন।.
রাসেল
বলেন, ‘আমার মাতৃভূমি বাংলাদেশ, আর আমার স্ত্রী ও সন্তানদের আরেকটি দেশ ফ্রান্স। ভবিষ্যতে
আমরা ছয় মাস বাংলাদেশে ও ছয় মাস ফ্রান্সে থাকার পরিকল্পনা করছি, যাতে সন্তানরা দুই
দেশের সংস্কৃতিই জানতে পারে।’.
সিনথিয়া
ফরাসি ভাষায় বলেন, বাংলাদেশে পরিবারের বন্ধন ও মানুষের পারস্পরিক ভালোবাসা তাকে সবচেয়ে
বেশি আকৃষ্ট করেছে। বাংলা ভাষায় তিনি গর্বের সঙ্গে বলেন, “আমার দেশ বাংলাদেশ।”
শাশুড়ির হাতে তৈরি পিঠা তার প্রিয় খাবার।.
ভালোবাসা,
বিশ্বাস ও পারিবারিক বন্ধনে গড়া এই দম্পতির গল্প এখন লক্ষ্মীপুরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
সীমান্ত, ভাষা আর সংস্কৃতির সব বাধা পেরিয়ে তাদের এই প্রেমের গল্প যেন বিশ্ববাসীর জন্য
এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।.
মন্তব্য করুন


মুক্তিকামী মানুষের আন্দোলন সংগ্রামের অন্যতম অগ্রনায়ক,
রাজনীতিবিদ, প্রগতিশীল চিন্তাবিদ, সমাজবিজ্ঞানী ও লেখক বদরুদ্দীন উমরের মৃত্যুতে গভীর
শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে পেশাজীবন শুরু করে পরবর্তী সময়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
শিক্ষক হিসেবে যোগ দেয়া বদরুদ্দীন উমর ছিলেন আমাদের মুক্তবুদ্ধি ও প্রগতি সংগ্রামের
এক উজ্জ্বল বাতিঘর। ভাষা আন্দোলনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা, গবেষণা, ঔপনিবেশিক মানসিকতার
বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ এবং সমাজতান্ত্রিক দর্শনের প্রতি তাঁর অবিচল নিষ্ঠা আমাদের
বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছে।
তিনি ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী সরকারের পরিবর্তনের
জন্য গোড়া থেকেই গণঅভ্যুত্থানের কথা বলেছেন এবং জুলাই আন্দোলনকে উপমহাদেশের একটি অভূতপূর্ব
গণ-অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি দিয়েছেন।
ড. ইউনূস বলেন, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি বদরুদ্দীন
উমর শুধু একজন তাত্ত্বিক ছিলেন না, ছিলেন একজন সংগ্রামী, যিনি আজীবন অন্যায়ের বিরুদ্ধে
সোচ্চার থেকেছেন।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের
জন্য লেখক ও বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন উমরকে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করে সরকার।
বদরুদ্দীন উমরের মৃত্যু জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি
উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিন্তাশীল মানুষদের জন্য তাঁর
লেখনী ও জীবনদর্শন এক অনন্য পথনির্দেশ হিসেবে কাজ করবে।
শোকবার্তায় বদরউদ্দীন উমরের শোকসন্তপ্ত পরিবার, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান প্রধান উপদেষ্টা।
দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় আক্রান্ত
৯৪ বছর বয়সী বদরুদ্দীন উমর আজ সকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা
যান।
মন্তব্য করুন


ইসলামাবাদের সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ক এগিয়ে
নিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে ১৯৭১ সালের অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সমাধানের
আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
ডি-৮ সম্মেলনের সাইডলাইনে আজ বৃহস্পতিবার
(১৯ ডিসেম্বর) মিসরের রাজধানী কায়রোর একটি হোটেলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ
শরিফের সঙ্গে বৈঠকের সময় অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, বিষয়গুলো বারবার আসছে। আসুন আমরা সামনে
এগিয়ে যেতে সেই বিষয়গুলোর ফয়সালা করি।
জবাবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ
শরিফ বলেন, ১৯৭৪ সালের ত্রিপক্ষীয় চুক্তিতে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত বিষয়গুলো মীমাংসা
করেছে, কিন্তু যদি অন্যান্য অমীমাংসিত সমস্যা থাকে, তবে সেগুলো দেখতে পেলে তিনি খুশি
হবেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের
জন্য বিষয়গুলো চিরতরে সুরাহা করে ফেলা ভালো হবে।
তারা ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং ক্রীড়া
ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে সম্মত
হন।
এখানে প্রাপ্ত এক বার্তায় বলা হয়, দুই
নেতা চিনি শিল্প এবং ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনার মতো নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারিত করার
ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তার ঘোষিত বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য সার্কের
পুনরুজ্জীবনসহ পারস্পরিক স্বার্থ সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে শরিফের সঙ্গে আলোচনা করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস ২০২৬ সালের মধ্যভাগের
আগে ‘প্রয়োজনীয় সংস্কার’ এবং সাধারণ নির্বাচন করতে তার সরকারের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ
করেন। তিনি বলেন, তিনি সংস্কারের বিষয়ে সংলাপের জন্য একটি ঐকমত্য গঠন কমিশনের নেতৃত্ব
দিচ্ছেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ
ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানান। শরিফ বলেন, আমরা
সত্যিই আমাদের ভ্রাতৃপ্রতিম বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার অপেক্ষায় রয়েছি।
তিনি সার্কের পুনরুজ্জীবনে অধ্যাপক
ইউনূসের উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং আঞ্চলিক সংস্থার শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের সম্ভাবনা
নিয়ে কাজ করার জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান।
অধ্যাপক ড. ইউনূস শরিফকে বলেন, এটি
একটি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
সার্ক বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. ইউনূস বলেন, আমি সার্কের ধারণার একজন বড় অনুরাগী। আমি ইস্যুটি নিয়ে কথা বলেই যাব।
আমি সার্ক নেতাদের শীর্ষ সম্মেলন চাই। তিনি বলেন, যদিও তা কেবল একটি ফটোসেশনের জন্যেও
হয়, তবুও এটি একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করবে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের
রাষ্ট্র পরিচালিত চিনিকলগুলোকে আরও ভালোভাবে পরিচালনার জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তার প্রস্তাব
দেন। তিনি বাংলাদেশে ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবের কারণে মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন এবং বলেন,
ঢাকা এ রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা থেকে উপকৃত হতে পারে।
তিনি বলেন, প্রায় এক দশক আগে পাঞ্জাবে
ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই বিশ্বমানের বলে প্রশংসিত হয়েছিল। বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের
সঙ্গে আমাদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করার জন্য আমরা বাংলাদেশে প্রতিনিধিদল পাঠাতে পারি।
অধ্যাপক ড. ইউনূস, শেহবাজ শরিফকে তার
সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং আশা করেন পাকিস্তান ও বাংলাদেশ এই প্রচেষ্টা অব্যাহত
রাখবে।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে
সিদ্দিকী।
সিদ্দিকী পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দারকে ফেব্রুয়ারিতে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং তিনি সেই
প্রস্তাব গ্রহণ করেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফও
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসকে তার সুবিধামতো সময়ে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ নির্বাচনের মাধ্যমেই জাতির ভাগ্যের ফয়সালা হবে। এ নির্বাচনে যাতে জনগণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ভোট দিতে পারে সে ব্যাপারে সবাইকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বুধবার ৫ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় সিলেট-১ আসনের ময়ূরকুঞ্জ কনভেনশন হলে মাঠ পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের নিয়ে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন। এ সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী জামায়াতের আমীর ফখরুল ইসলাম, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মাওলানা হাবিবুর রহমানসহ সিলেট মহানগরী ও জেলা নেতৃবৃন্দ।
আমীরে জামায়াত আরও বলেন, জনগণ যদি ভোট দিয়ে আমাদের নির্বাচিত করেন তাহলে আমরা বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ দেশবাসীকে উপহার দিব। মানুষে মানুষে কোন ভেদাভেদ থাকবে না। ঘুষ, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে উঠে আমরা দেশবাসীর সেবা করবো। দেশে যাতে আর কখনো ফ্যাসিবাদী শাসন ফিরে আসতে না পারে সে ব্যাপারে আমাদের সতর্ক ভূমিকা পালন করতে হবে। সৎ, যোগ্য ও খোদাভীরু লোকদের ভোট দিয়ে ভোটের সৎ ব্যবহার করতে হবে। তিনি বলেন, ভোট একটি পবিত্র আমানত। এ আমানতের সঠিক ব্যবহার করতে হবে।
জনগণ যদি উপযুক্ত লোককে ভোট দিয়ে নির্বাচন করে তাহলেই জাতির ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। আমাদের সবাইকে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আমাদের সঠিক সিদ্ধান্তের উপরই জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।
তিনি দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে যথাযথ ভূমিকা পালনে এগিয়ে আসার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা থেকে দাদি-নাতনির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন, ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নজিমুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শুনে রাস্তায় বের হয় স্থানীয়রা। পরে কান্নার আওয়াজ থেমে গেলে বাড়িতে চলে যান তারা। এরপর সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। এক পর্যায়ে নাতনী জামিলাকে খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে বাড়ির পাশে সরিষার ক্ষেতে বিবস্ত্র অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে সকালে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কারা, কি কারণে তাদের হত্যা করলো পুরো বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যা কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই শপথ পাঠ করানো
হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, ‘শপথ নিয়ে
আপনারা প্রশ্ন করেছিলেন। খুব দ্রুত শপথ সম্পন্ন হবে। আর খুব দেরি হলে এটা ১৬ বা ১৭
তারিখ, এর পরে যাবে না।
আজ
শনিবার ( ১৪ ফেব্রুয়ারি ) সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের
জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
প্রেসসচিব
জানান, নির্বাচনের পরদিন থেকে শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে স্পিকারের অবর্তমানে
কে শপথ পাঠ করাবেন, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো তথ্য জানাননি।
শফিকুল
আলম বলেন, ‘পরবর্তী সময় এসব বিষয় জানিয়ে দেওয়া হবে।
শপথের
জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গতকাল থেকেই শুরু হয়েছে। অলরেডি এমপিদের গেজেট প্রকাশ
হয়েছে এবং বাকি কাজগুলো খুব দ্রুতগতিতে চলছে। চিফ অ্যাডভাইজার কালকেও কাজ করেছেন, আজকেও
চিফ অ্যাডভাইজার কাজ করছেন এবং পুরো টিম কাজ করছে, ক্যাবিনেট কাজ করছে স্মুথ ট্রানজিশনের
জন্য।’ সংসদ সচিবালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বঙ্গভবন প্রস্তুতের
পুরো বিষয়টি আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল তদারকি করেছন বলেও জানিয়েছে প্রেসসচিব।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,দেশের সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটি কমিয়ে তালিকা সংশোধন করা হয়েছে। এতে পবিত্র রমজানের প্রথম ১৫ দিন ক্লাস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বছরের শুরুতে প্রকাশিত বাৎসরিক ছুটির তালিকায় ১১ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি রাখা হয়েছিল। আর পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর, গ্রীষ্মকালীন অবকাশ, জাতীয় শিশু দিবস, স্বাধীনতা দিবস, ইস্টার সানডেসহ বেশ কয়েকটি সরকারি ছুটির সমন্বয়ে দীর্ঘ এ সময় ক্লাস বন্ধ রাখার কথা ছিল। তবে তা থেকে সরে এসে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গত ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে ৩৭.০০.০০০০.০৭১.০৪.০০২.০২ (অংশ)-৬৪০ নং স্মারকে জারিকৃত সরকারি/বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের ২০২৪ সালের (১৪৩০-১৪৩১ বঙ্গাব্দ) শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এই সংশোধনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১১ মার্চ ২০২৪ হতে ২৫ মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত মোট ১৫ দিন সরকারি/বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে।
২০২৪ সালে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে ১১ অথবা ১২ মার্চ। তবে শাবান মাসের শেষে রমজানের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে এই তারিখ পরিবর্তন হতে পারে আর সে হিসাবে রমজানে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চালু থাকবে ক্লাস ।
মন্তব্য করুন


আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আজ রোববার থেকে
সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামছে।
ভোটের
আগে চারদিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুইদিনসহ মোট সাতদিন তারা দায়িত্ব পালন করবে। এ
হিসেবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে।
নির্বাচন
কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বাসস’কে জানান, রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে। সেনাবাহিনী আগে থেকেই মাঠে আছে, তবে আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে
মোতায়েন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ভোটের চারদিন আগে, ভোটের দিন ও পরবর্তী দুইদিন মিলিয়ে
মোট সাতদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে বলে জানান তিনি।
ভোটের
পরিবেশ সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আমরা
মনেকরি নির্বাচনের পরিবেশ সম্পূর্ণ ভালো আছে।’
নির্বাচনের
প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ব্যালট বাক্স জেলায়
জেলায় পাঠানো হচ্ছে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা সেগুলো গ্রহণ করছেন। সংশ্লিষ্ট সবাই এখন
ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।’
এ
বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে। এর মধ্যে সেনাবাহিনী সাতদিন দায়িত্ব
পালন করবে এবং আনসার বাহিনী থাকবে আটদিন। পুলিশ ও সেনাবাহিনী অলরেডি মাঠে রয়েছে।
ইসি
সচিব জানান, ১ হাজার ৫০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোতায়েন
(ডেপ্লয়েড) থাকবেন। মূলত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য তাদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি
এ সময় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদেরও মাঠে রাখা হবে। এছাড়া ইলেক্টোরাল এনকোয়ারি অ্যান্ড
এডজুডিকেশন কমিটি ইতোমধ্যে মাঠে কাজ করছে।
ইসি
সচিব আরও জানান, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার-প্রচারণা ভোট গ্রহণের
৪৮ ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় বন্ধ হবে।
এর
আগে গত ২২ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি
বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুষ্কৃতকারীদের ব্যালট ছিনতাইয়ের কোনো সুযোগ নেই। অতীতের
নির্বাচনে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে একজন করে অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করলেও
এবার প্রথমবারের মতো প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে কমপক্ষে পাঁচজন অস্ত্রধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে দুইজন অস্ত্রধারী পুলিশ ও তিনজন অস্ত্রধারী আনসার সদস্য
থাকবেন। গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে তিনজন অস্ত্রধারী পুলিশসহ মোট ছয়জন অস্ত্রধারী
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া,
প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অস্ত্রবিহীন (লাঠিসহ) ১০ জন আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে, যাদের
মধ্যে ছয়জন পুরুষ ও চারজন নারী।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, ‘এবারের জাতীয় নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অবাধ, স্বচ্ছ,
নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন, যা একটি রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হবে।’
এজন্য
নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের শতভাগ সততা, নিরপেক্ষতা
ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিএনসিসি, গার্লস গাইড ও স্কাউট সদস্যরাও
নির্বাচনে সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশজুড়ে দুই ধাপে
বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রথম ধাপে যারা বর্তমানে মোতায়েন আছেন, তারা দায়িত্বে থাকবেন।
দ্বিতীয় ধাপে ভোটকেন্দ্রিক মোতায়েন কার্যক্রম পরিচালিত হবে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যরা ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাতদিন দায়িত্ব পালন করবেন।
মন্তব্য করুন


ভারতের
মধ্য প্রদেশে গোবর ও গোমূত্র দিয়ে ক্যানসারের ওষুধ তৈরির একটি সরকারি গবেষণা প্রকল্পে
ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় এক দশক ধরে চলা এই প্রকল্পে রাজ্য সরকারের
কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও গবেষণার বাস্তব ফলাফল এবং অর্থ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর
প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
২০১১
সালে জবলপুরের নানাজি দেশমুখ ভেটেরিনারি সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে গরুর মল-মূত্র ও দুগ্ধজাত
পণ্যের মিশ্রণ ব্যবহার করে ক্যানসারসহ গুরুতর রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে
এই প্রকল্প শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শুরুতে আট কোটি রুপি দাবি করলেও মধ্য
প্রদেশ সরকার প্রকল্পটির জন্য সাড়ে তিন কোটি রুপি অনুমোদন দেয়। তবে প্রকল্পের অর্থের
ব্যাপক অপব্যবহার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠলে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।
অভিযোগ
পাওয়ার পর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে প্রকল্পটির ওপর তদন্ত শুরু হয়। অতিরিক্ত কালেক্টরের
নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি ২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ব্যয়ের নথিপত্র পরীক্ষা করে
সম্প্রতি কালেক্টরের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
তদন্তে
দেখা গেছে, শুধু গোবর, গোমূত্র, কাঁচামাল, সংরক্ষণ পাত্র ও যন্ত্রপাতির পেছনেই প্রায়
১ কোটি ৯২ লাখ রুপি ব্যয় দেখানো হয়েছে, যা বাজারদরের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। তদন্তকারীদের
মতে, এসব সামগ্রীর প্রকৃত খরচ ১৫ থেকে ২০ লাখ রুপির বেশি হওয়ার কথা নয়। এছাড়া গবেষণার
নামে দেশের বিভিন্ন শহরে ২৩ থেকে ২৪ বার প্লেনে ভ্রমণের খরচ দেখানো হয়েছে, যার প্রয়োজনীয়তা
নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, অনুমোদিত বাজেটে না থাকা সত্ত্বেও প্রায় সাড়ে সাত লাখ রুপির একটি গাড়ি কেনা
হয়। পাশাপাশি জ্বালানি ও গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণে সাড়ে সাত লাখ রুপি, শ্রমিক খাতে সাড়ে তিন
লাখ রুপি এবং আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিতে প্রায় ১৫ লাখ রুপি ব্যয়ের তথ্য পাওয়া
গেছে—যেগুলোকে প্রকল্পের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত বলে উল্লেখ করেছে
তদন্ত কমিটি।
অতিরিক্ত
কালেক্টর রঘুভর মারাভি বলেন, প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা থাকলেও
কী ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, তার কোনো স্পষ্ট নথি নেই। এমনকি যেসব গাড়ি কেনার কথা
বলা হয়েছে, সেগুলোর অবস্থানও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
তবে
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। রেজিস্ট্রার ড. এস এস তোমর বলেন,
সব কেনাকাটা সরকারি নিয়ম মেনে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে হয়েছে এবং প্রকল্প নিয়মিত
অডিটের আওতায় ছিল। তার দাবি, ‘এখানে কোনো দুর্নীতি হয়নি। তদন্ত কমিটিকে সব নথি সরবরাহ
করা হয়েছে।’
এখন
এই তদন্ত প্রতিবেদন ডিভিশনাল কমিশনারের কাছে পাঠানো হবে। সেখান থেকে পরবর্তী আইনি বা
প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


বেনাপোল প্রতিনিধি :
ঈদুল আজহা কুরবানির ঈদ উপলক্ষে
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে টানা পাঁচ দিন আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সেই সঙ্গে
কাস্টমস এবং বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
শুক্রবার সকাল থেকেই ছুটি
শুরু বলে জানান বন্দর সংশ্লিষ্টরা।
বেনাপোল কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ
স্টাফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান ও বন্দর কর্তৃপক্ষ এ তথ্য
নিশ্চিত করেন।
ঈদের বন্ধের আগেই পচনশীল
পন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাস সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে অনেক পন্যবাহি ট্রাক বন্ধে আটকা
পড়বে বলে জানান তিনি।
১৭ জুন ঈদুল আজহা। এ উপলক্ষে
১৪ থেকে ১৮ জুন বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকবে। তবে এই সময়ের
মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের
অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম বলেন, পাঁচ দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও দুই
দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। এ সময় সাধারণত যাত্রী যাতায়াত
একটু বেশি থাকে। সেজন্য ডেস্ক এবং অফিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক
রেজাউল করিম বলেন, ১৪জুন থেকে শুরু হচ্ছে সরকারি ছুটি। চলবে ১৮জুন। তবে ঈদের দিন ব্যাতিত
এসময় গুরুত্বপূর্ন পন্য আমদানি-রফতানি করা যাবে।
১৯ জুন সকাল থেকে আবার আমদানি-রফতানি বাণিজ্য শুরু হবে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের ছোট ধলিয়া গ্রামে মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) গভীর রাতে একটি বড় ধরনের ডাকাতির ঘটনা ঘটে। গ্রামের বাসিন্দা মাইনুদ্দিন (৪৮)–এর বাড়িতে রাতের অন্ধকারে ডাকাতদল হামলা চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্য ও পুলিশ জানায়, একটি সংঘবদ্ধ দল প্রথমে বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে ঢোকে এবং পরে মূল দরজা খুলে আরও ১০–১২ জন সদস্য ঘরে প্রবেশ করে। তারা ঘরে থাকা ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, প্রায় দুই লাখ টাকা, একটি আইফোন এবং সিসিটিভির ডিভিআর বক্স নিয়ে যায়। ডাকাতদের উপস্থিতি দেখে গৃহবধূ আকলিমা (৩৮) চিৎকার করলে তারা রড ও রেঞ্জ দিয়ে তাকে মারাত্মকভাবে আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
ঘটনাস্থল থেকে ডাকাতদের ফেলে যাওয়া একটি ধারালো দা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সামসুজ্জামান বলেন, ডাকাতির বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি জানান যে সকালে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ডাকাতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন