

ভারী বর্ষণের পর ইন্দোনেশিয়ার মধ্য জাভা প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত ৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং ১৭ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। শনিবার (১৫ নভেম্বর) এ তথ্য জানায় দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আন্তারা।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার কর্মকর্তা বুদি ইরাওয়ান জানান, বৃহস্পতিবার সিলাক্যাপ অঞ্চলের সিবেউনিং গ্রামে আকস্মিক ভূমিধসে বেশ কয়েকটি বাড়ি মাটি চাপা পড়ে। প্রথমদিকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
বুদি বলেন, “আমরা আরও তিনটি মৃতদেহ পেয়েছি। এখনো ১৭ জনের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাদের খুঁজে পেতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”
তিনি আরও জানান, উদ্ধারকাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে, কারণ নিখোঁজ ব্যক্তিরা ৩ থেকে ৮ মিটার গভীরে চাপা পড়ে থাকতে পারেন।
ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া বিভাগ জানায়, দেশে সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া বর্ষা মৌসুম আগামী এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। ফলে বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা ও অতিভারি বৃষ্টিপাতের ঝুঁকি বেড়ে গেছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে মধ্য জাভার পেকালোঙ্গান শহরে টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট আরেকটি ভূমিধসে কমপক্ষে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


দেশবাসীর
প্রিয় নেত্রীকে শেষবারের মতো একনজর দেখা আর জানাজায় অংশ নেওয়ার ব্যাকুলতা নিয়ে ঢাকার
পথে সর্বস্তরের লাখো মানুষ। বাস, ট্রেন কিংবা লঞ্চ, যে যেভাবে পারছেন, গতকাল মঙ্গলবার
রাত থেকেই রাজধানীর পথ ধরেছেন।
আজ
বুধবার সকাল হতে না হতেই সেই জনস্রোত মিশতে শুরু করেছে মানিক মিয়া এভিনিউতে।
সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই
দেশের নানা প্রান্ত থেকে ঢাকামুখী এই যাত্রা শুরু হয়। মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে এই
স্রোত আরও জোরালো হয়। রাতে ভোলা, বরিশাল ও চাঁদপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের নেতাকর্মীরা নদীপথে
সদরঘাটে এসে পৌঁছান। একই সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা
ট্রেন ও বাসগুলোতেও ছিল তুলনামূলক ভিড়। সবার গন্তব্য একটাই, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা।
তীব্র
শীত উপেক্ষা করে গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাত থেকেই মানিক মিয়া এভিনিউ ও এর আশপাশের এলাকায়
জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মীরা। সকাল থেকেই লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে সংসদ ভবন চত্বর ও এর
আশপাশের সড়ক। অনেকে ফুটপাতেই রাত কাটিয়েছেন প্রিয় নেত্রীর জানাজায় সামনের কাতারে থাকার
আশায়।
জাতীয়
বার্তা সংস্থা বাসসের কথা হয় বাষট্টি বছর বয়সী কৃষক সাত্তার মিয়ার সাথে। লাঠিতে ভর
দিয়ে তিনি সুদূর বগুড়া থেকে গতকাল মঙ্গলবার রাতেই ঢাকায় পৌঁছান। থাকবার জায়গা না থাকায়
তীব্র শীত উপেক্ষা করে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের রাস্তায়। ভেজা চোখে
তিনি বলছিলেন, ‘ম্যাডাম হামাগের মা। ওনারে শেষবারের মতো দেখমু না, তা কি হয়? শরীর চলে
না, তাও মনের জোরে আসছি। ওনার জানাজায় শরিক হতে পারলেই শান্তি।’
সরেজমিনে
দেখা গেছে, সমবেত মানুষের চোখেমুখে গভীর শোকের ছায়া। দলীয় কার্যালয় ছাড়াও সড়কগুলোতে
উড়ছে কালো পতাকা। ঢাকার আশপাশের জেলাগুলো থেকে আজ ভোর থেকেই মিছিল নিয়ে আসছেন নেতাকর্মীরা।
তাছাড়া দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ শেষবারের মত শ্রদ্ধা জানাতে মানিক মিয়ার
পথ ধরেছেন।
আজ
দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবন মাঠ ও মানিক মিয়া এভিনিউতে খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত
হবে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব এই জানাজায় ইমামতি করবেন। এরপর পূর্ণ রাষ্ট্রীয়
মর্যাদায় শেরেবাংলা নগরে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাঁকে
সমাহিত করা হবে।
গতকাল
মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে ইন্তেকাল
করেন (ইন্নানিল্লাহে........রাজিউন) দেশের তিনবারের এই প্রধানমন্ত্রী। জীবনের শেষ মুহূর্তে
পাশে ছিলেন তাঁর বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে ইউএস ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড এর ডেপুটি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল জোশুয়া এম. রুড এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সেনাসদরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তাঁরা পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় ছাড়াও দু'দেশের মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। সেনাবাহিনী প্রধান তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল জোশুয়া এম, রুড, ডেপুটি কমান্ডার, ইউএস ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড'কে ধন্যবাদ জানান।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহ নগরীর নহরীর গুলকীবাড়ি এলাকায় বিশতলা ভবনের পাইলিং কাজের সময় পাশের পাঁচতলা একটি ভবন হেলে পড়েছে। ঘটনার কারণে আতঙ্কিত হয়ে বাসার মালিক ও ভাড়াটিয়ারা নিজেদের ঘর ত্যাগ করেছেন।
শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, গ্রিনল্যান্ড ডেভেলপার প্রাইভেট লিমিটেড বিশতলা ভবনের নির্মাণ কাজ পরিচালনা করছিল। পাইলিং করার সময় পাশের পাঁচতলা ভবনের সামনের ও পাশের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি দেখে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছেন। প্রশাসনের নির্দেশে ডেভেলপারকে হেলে পড়া ভবনকে সমর্থন দিতে মাটি ভরাটের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
ভাড়াটিয়া শিলা রানী জানান, “হঠাৎ ভবনটি হেলে পড়ায় আতঙ্কে আমরা বাসা ত্যাগ করেছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফিরে আসব।”
বাসার মালিকের ভাই রফিকুল ইসলাম লিটন বলেন, “কয়েক মাস ধরে ডেভেলপার কোম্পানি সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া কাজ করছে। এ কারণে আমাদের পাঁচতলা ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ভবনটির সামনে ও পাশে ফাটল দেখা দিয়েছে, ফলে যে কোনো সময় পুরো ভবন হেলে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”
কোতোয়ালি মডেল থানার এএসআই লাল মিয়া জানিয়েছেন, “বিশতলা ভবনের পাইলিং কাজেরকারণে পাশের পাঁচতলা ভবনটি হেলে পড়েছে। বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে।”
ডেভেলপার প্রাইভেট লিমিটেডের প্রকৌশলী আবু সাঈদ জানান, “পাইলিং কাজের কারণে ভবন হেলে পড়েনি। এটি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে। তবুও প্রশাসনের নির্দেশে ভবনকে সমর্থন দেওয়ার জন্য মাটি ভরাটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে যত টিম আছে, তার মধ্যে পুলিশ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিম বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ সোমবার (১৭ মার্চ) মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে খুব বেশি সময় নেই। আমরা ইতোমধ্যে সাত মাস পার করে এসেছি। আমরা বলছি, ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। কাজেই কী কী সংস্কার করতে চাই করে ফেলতে হবে।
পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনারাও সংস্কারের কথা বলেছেন। কারও জন্য অপেক্ষা করে কোনো ফায়দা হবে না। কাজটা করতে হবে এবং সেটা আমাদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, দেশ বদলাতে হলে একক নির্দেশে নয়, বরং সবাইকে নিয়ে এক একটি টিম হয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশে যত টিম আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিম হলো পুলিশ। সরকার যা কিছুই করতে চায়, শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাত দিয়েই করতে হয়। তারা সব করে দেয় না, তারা পরিবশেটা সৃষ্টি করে। যে পরিবেশটা না থাকলে কোনো কাজই আর হয় না। পুলিশের কথা প্রসঙ্গে বারবার আমরা দুটো শব্দ বলছি- আইনশৃঙ্খলা। পুলিশের হাতেই এটাকে এক্সিকিউট করতে হবে। এই পরিবেশ সৃষ্টি করা না গেলে সরকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, মানুষের অধিকার, নাগরিকের অধিকার- কিছুই থাকে না। আমরা পুলিশকে অবহেলা করে দেশ গড়তে পারব না। তারাই সম্মুখসারির মানুষ। তারা ক্ষেত্র প্রস্তুত করলেই বাকি জিনিসগুলো হয়। আইনশৃঙ্খলা না থাকলে যত বড় বড় চিন্তাই হোক, যত টাকাই থাকুক, কোনো কাজে আসবে না।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, পুলিশ হবে বন্ধু। কারণ, আমি আইনের পক্ষের মানুষ। আমি আইন প্রতিষ্ঠা করার মানুষ। আইন হলো আমাদের সবার আশ্রয়। পুলিশ হলো আশ্রয়দাতা। আমরা এই ইমেজটা যদি প্রতিষ্ঠিত করতে পারি, মানুষ অতীতের সব কথা ভুলে যাবে।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রসচিব নাসিমুল গনি ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ ও রাজশাহী পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম। এ সময় আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে
তার স্বামী এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে দাফন করা হয়েছে।
বুধবার
(৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে তাকে জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে সমাহিত করা হয়।
এর
আগে বিকেল ৩টার পর পূর্ণ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত
হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক তার জানাজা নামাজ পড়ান।
বেগম
জিয়ার জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী,
তিন বাহিনীর প্রধান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূতরা,
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও শীর্ষ নেতারা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের
প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সে
সময় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের আশপাশ, বিজয় সরণি, খামার বাড়ি, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট,
শাহবাগ, মোহাম্মদপুর পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। যে যেখানে পারেন সেখানেই দাঁড়িয়ে
জানাজায় যোগ দেন। জানাজার আগে বেগম জিয়ার দীর্ঘ জীবন নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
পরে
পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে কথা বলেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, আপনারা
আমার মরহুমা মায়ের জন্য দোয়া করবেন। কারও কাছে আম্মার কোনো ঋণ থাকলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ
করবেন। আমি পরিশোধ করবো। কেউ আমার মায়ের আচরণে বা কথায় কষ্ট পেয়ে থাকলে তার পক্ষ থেকে
আমি ক্ষমাপ্রার্থী। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।
এদিন
দুপুর পৌনে ১২টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার মরদেহ জাতীয় সংসদ ভবনের
দক্ষিণ প্লাজায় নেওয়া হয়। তাকে বহন করা হয় লাল-সবুজ রঙের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি
ফ্রিজার ভ্যানে। সেনাবাহিনী হিউম্যান চেইন তৈরি করে রাষ্ট্রীয় প্রোটোকলে তার মরদেহ
সেখানে নেন।
মন্তব্য করুন


রাজশাহীতে
ট্রায়াল দেওয়ার নামে গ্যারেজ থেকে গাড়ি নিয়ে যুবদলের এক নেতা লাপাত্তা হয়ে গেছেন বলে
অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ তুলে রোববার দুপুর ১২টায় গ্যারেজ মালিক নূর আহমেদ রাজশাহী নগরের
একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এরপর বিকেলে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি এক সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে এই নেতাকে বহিষ্কারের কথা জানিয়েছে।
অভিযুক্ত
নেতার নাম এসএম সফিক মাহমুদ তন্ময়। তিনি রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য
ছিলেন। এছাড়া দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাও ছিলেন। যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির
সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুইয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা
পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে তন্ময়কে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল
পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক
মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন। এতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতার
কোন অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না। তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য যুবদলের
সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে নির্দেশনাও দেওয়া হয় এতে।
এর
আগে সংবাদ সম্মেলনে গ্যারেজ মালিক নূর আহমেদের ভাই মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করেন, নগরের
বন্ধগেট এলাকায় তার ভাই নূর আহমদের একটি গাড়ির গ্যারেজ রয়েছে। সেখানে তিনি গাড়ি মেরামতের
কাজ করেন। পাশাপাশি পুরনো গাড়ি কেনাবেচার ব্যবসা করেন। গত ১৮ নভেম্বর বিকেলে গ্যারেজে
গাড়ি কেনার জন্য যান যুবদল নেতা তন্ময়। এ সময় তিনি গ্যারেজে থাকা একটি জিপ (ঢাকা মেট্রো
গ-০২-০৮৭০) পছন্দ করেন। ছয় লাখ টাকা দাম হয়। এরপর তন্ময় গাড়িটি ট্রায়াল দেওয়ার কথা
বলে নিয়ে যান। তারপর আর তিনি ফেরেননি। কয়েকদিন পর ফোন ধরলেও গাড়ি দিতে চাননি। মোহাম্মদ
আলী অভিযোগ করেন, তন্ময় বলেছিলেন যে তিনি যুবদল নেতা। তার কিছু করা যাবে না।
গ্যারেজ
মালিক নূর আহমেদ বলেন, ‘আমি গত ১৪ ডিসেম্বর মহানগরীর রাজপাড়া থানায় মামলা করতে যাই।
কিন্তু ওসি মামলা নেননি। আসামি প্রভাবশালী হবার কারণে আমাকে তিনি আদালতে মামলা করার
পরামর্শ দেন। পরে গত ২২ ডিসেম্বর আদালতে মামলা করি। বিষয়টি মহানগর বিএনপি এবং যুবদলের
শীর্ষ নেতাদের অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি।’
নূর
আহমেদ দাবি করেন, শহরের লক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমানের কাছ থেকে তিনি
গাড়িটি কিনে বিক্রির জন্য গ্যারেজে রেখেছিলেন। এ সংক্রান্ত চুক্তিনামা এবং বিআরটিএ’র
সমস্ত কাগজপত্রসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণাদিও তার কাছে আছে। সেই গাড়ি তন্ময় নিয়ে গেছেন। অভিযোগের
বিষয়ে জানতে চাইলে সদ্য বহিষ্কৃত যুবদল নেতা তন্ময় বলেন, ‘গাড়িটা আমার কেনা। গ্যারেজ
থেকে ট্রায়াল দেওয়ার নামে গাড়ি আনার অভিযোগ একেবারেই সত্য নয়।’
গাড়ি কেনার এফিডেফিট আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা এখনও করা হয়নি।’
দল
থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি জেনেছেন জানিয়ে তন্ময় বলেন, ‘দল তো আমাকে শোকজও করেনি। হঠাৎ
এটা দেখছি। সমস্যা নাই। আমি সঠিক আছি। সবকিছুই প্রমাণ হয়ে যাবে।’
রাজশাহী
মহানগর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শরিফুল ইসলাম জনি বলেন, ‘যারা অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত
হবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তন্ময়ের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ
সেটি জেনেছি। ইতোমধ্যে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি তাকে বহিষ্কার করেছে।’
মন্তব্য করুন


আলোচিত নারী উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতিমা তনির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন তার সাবেক স্বামী সদরুল ইসলাম সোয়েব। সোয়েব দাবি করেছেন, তাদের একমাত্র মেয়ে মানতাহা ইসলাম সানভীকে জোরপূর্বক আটকে রাখা হচ্ছে এবং বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে সোয়েব ২৪ নভেম্বর কিশোরগঞ্জের ১ নং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি এজাহার দাখিল করেন। আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করেছে এবং আগামী ২২ ডিসেম্বর শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোয়েব মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) কিশোরগঞ্জ শহরের আখড়াবাজারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ‘Sanvee's by Tony’ ফেসবুক পেজের অ্যাডমিন এবং উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতিমা তনি।
সোয়েবের মতে, তাদের বিয়ে হয়েছিল ২০১৩ সালের ২৮ জুন, এবং পরবর্তীতে এক মেয়ে জন্ম নেয়। দাম্পত্য কলহের কারণে ২০১৮ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তারা আলাদা হন। আদালতের শর্ত অনুযায়ী শিশু মায়ের কাছে বড় হচ্ছিল, কিন্তু বাবার সঙ্গে নিয়মিত দেখা করার সুযোগ দেওয়া হতো না বলে সোয়েব অভিযোগ করেন।
তিনি আরও জানান, তনি তার মেয়েকে ঢাকায় আটকে রেখেছেন এবং দেখা করতে চাইলে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয়। আলাদা হওয়ার পর তনি দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন শাহাদাৎ হোসাইনের সঙ্গে এবং তার মৃত্যুর পর ইংল্যান্ডপ্রবাসী সিদ্দিককে বিয়ে করেন। সোয়েব দাবি করেন, বর্তমানে তনি মেয়েকে নিয়ে ইংল্যান্ড যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে সোয়েব বলেন, “আমার মেয়ে মানতাহাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে রাখা হয়েছে। তাকে বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা চলছে। শিশুটিকে উদ্ধার করে আমার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ নিশ্চিত করতে আইনের সাহায্য চাই।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, তনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেয়েকে ব্যবহার করে ব্যবসায়িকভাবে ভাইরাল হওয়ার চেষ্টা করছেন, যা শিশুর মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক
অনুষ্ঠিত হয়। তথ্য অধিদপ্তরের এক বিবরণীতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের এই তথ্য জানানো
হয়েছে।
দুপুরে
তথ্য অধিদপ্তরের এক বিবরণীতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে বুধবার
(১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন আসিফ
মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম।
জুলাই
গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা
ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলম। আসিফ মাহমুদ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছিলেন। মাহফুজ
আলম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছিলেন।
মন্তব্য করুন


খাগড়াছড়িতে একটি বাসা থেকে বিলুপ্তপ্রায় এশিয়াটিক ব্ল্যাক বিয়ার (কালো ভালুক), মায়া হরিণ ও বানরসহ মোট নয়টি বন্য প্রাণী উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে জেলার সদর উপজেলার তেঁতুলতলা এলাকায় বন বিভাগ এবং বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের যৌথ অভিযানে প্রাণীগুলো উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া প্রাণীর মধ্যে রয়েছে একটি কালো ভালুক, ছয়টি মায়া হরিণ এবং দুটি বানর। পরে এসব প্রাণীকে নিরাপদ আবাসে রাখার জন্য কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে পাঠানো হয়েছে, যেখানে প্রাকৃতিক পরিবেশে এগুলো অবমুক্ত করা হবে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রাণীগুলো খাগড়াছড়ি সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য নবদ্বীপ চাকমার বাড়িতে রাখা ছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনিই বন বিভাগকে অবহিত করেন। তাঁর দাবি, স্থানীয় শিকারিদের কাছ থেকে প্রাণীগুলো কিনে তিনি সেগুলো লালন-পালন করছিলেন।
এ বিষয়ে নবদ্বীপ চাকমা বলেন, বনে শিকার হওয়া প্রাণীগুলোর খবর পেয়ে তিনি সেগুলো শিকারিদের কাছ থেকে কিনেছিলেন। পরে বুঝতে পারেন, এভাবে বন্য প্রাণী রাখা আইনত অপরাধ। প্রাণীগুলোর নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তিনি বন বিভাগকে বিষয়টি জানান।
খাগড়াছড়ি বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. ফরিদ মিঞা বলেন, বন্য প্রাণী ধরা ও লালন-পালন করা আইনবিরোধী। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজের ভুল বুঝতে পেরে প্রাণীগুলো হস্তান্তর করেছেন এবং ভবিষ্যতে এমন কাজে জড়াবেন না বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, মানুষের মতো বন্য প্রাণীরও প্রকৃতিতে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। বন উজাড় ও অবৈধ শিকারের কারণে এসব প্রাণী আজ বিলুপ্তির মুখে। এখনই সচেতন না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম প্রকৃতিতে এসব প্রাণী দেখার সুযোগ হারাবে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বাংলাদেশে কর্মরত বহুজাতিক কোম্পানিসমূহের শীর্ষ নির্বাহীদের সরকারের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে
কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশকে তুলে ধরার পাশাপাশি বিদ্যমান
ব্যবসায়িক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, এক টিমের সদস্য হিসেবে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা দেশের জন্য একটি
টিম।
তিনি শীর্ষ নির্বাহীদের উদ্দেশ্যে বলেন,
‘আপনারা দেশের র্ব্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হয়ে উঠুন, যা সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে
আসতে উৎসাহিত করবে।’
আজ মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বাংলাদেশে কর্মরত বহুজাতিক কোম্পানিসমূহের
আবাসিক প্রধানদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ আহ্বান জানান।
শীর্ষ নির্বাহীগণ বাংলাদেশে ব্যবসা
ও বিনিয়োগের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করেন।
এসময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে
সিদ্দিকী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল
কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং জাতীয় রাজস্ব
বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
ব্যবসায়ী নেতারা সরকারের কাছে লাইসেন্সিং
এবং করহার ও করনীতির পূর্বানুমেয়তা নিশ্চিত করা, সহজে ব্যবসা করার পরিবেশ উন্নত করা,
বিডার ওয়ান-স্টপ সার্ভিস আরও কার্যকর এবং ক্রেডিট রেটিং উন্নত করার আহ্বান জানান।
তারা বলেন, এগুলো করা গেলে বিনিয়োগকারীরা
তখন বাংলাদেশে আসতে উৎসাহিত হবে।
ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ শ্রম অধিকার সংস্কারের
জন্য সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এক্ষেত্রে তাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার
আশ্বাস দেন।
প্রধান উপদেষ্টা নির্বাহীগণকে ব্যবসা
পরিচালনায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,
‘ব্যবসা পরিচালনায় যেসব সমস্যা রয়েছে তা চিহ্নিত করতে সাহায্য করুন যাতে আমরা সেগুলোর
সমাধান করতে পারি’।
লুৎফে সিদ্দিকী প্রধান নির্বাহীকে একটি
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মানদণ্ড হিসেবে অভিহিত করেন।
তিনি বলেন, আগে সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের
বিশ্বাসের ঘাটতি ছিল। আমাদের সেটি দূর করতে হবে।
আশিক চৌধুরী জানান, ব্যবসায় কার্যক্রম
সহজ করতে বিডায় রিলেশনশিপ ম্যানেজার পদ চালু করা হচ্ছে।
আশিক চৌধুরী আরও জানান, তিনি এবং বিশেষ
দূত লুৎফে সিদ্দিকী আগামী মাসে সিঙ্গাপুরে গিয়ে রেটিং এজেন্সিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবেন।
এনবিআর চেয়ারম্যান ন্যাশনাল সিঙ্গেল
উইন্ডো চালু করার কথা উল্লেখ করে বলেন, এই ব্যবস্থা ব্যবসা পরিচালনা উল্লেখযোগ্যভাবে
সহজ করে দিবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিলিভার বাংলাদেশ
লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাভেদ আখতার, শেভরন বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা
পরিচালক এরিক এম. ওয়াকার, গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান, হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং
কর্পোরেশন লিমিটেডের (এইচএসবিসি) সিইও মো. মাহবুব উর রহমান, মেটলাইফ বাংলাদেশের সিইও
মুহাম্মদ আলাউদ্দিন আহমদ, এসজিএস বাংলাদেশ লিমিটেডের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুর
রশিদ, সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এম. এইচ. এম. ফাইরোজ,
কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন পিএলসির সিইও নাজিথ মীওয়ানাজ, ওরাকল বাংলাদেশের কান্ট্রি
ম্যানেজিং ডিরেক্টর রুবাবা দৌলা, মারুবেনি কর্পোরেশনের কান্ট্রি হেড মনাবু সুগাওয়ারা,
বারাকা পাওয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফয়সল আহমেদ চৌধুরী, লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেডের
সিইও মোহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী, ডিএইচএল ওয়ার্ল্ডওয়াইড এক্সপ্রেস বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেডের
ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিয়ারুল হক এবং ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের কান্ট্রি হেড
সুমিতাভ বসু।
মন্তব্য করুন