

কক্সবাজার
থেকে টেকনাফগামী একটি পালকি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজের রেলিং ভেঙে নিচের খাদে
পড়ে গেছে। এ দুর্ঘটনায় চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার
(২৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে টেকনাফের দমদমিয়া এলাকায় কেয়ারী ঘাটসংলগ্ন ব্রিজের কাছে
এ দুর্ঘটনা ঘটে। টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন।
আহতদের
মধ্যে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের দুজন এবং টেকনাফের দমদমিয়া এলাকার
দুজন বাসিন্দা রয়েছেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ও উদ্ধারকারী দল তাদের উদ্ধার করে
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
টেকনাফ
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কমান্ডার জামিম মিয়া জানান, দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস,
বিজিবি, কোস্ট গার্ড, পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা যৌথভাবে উদ্ধার কার্যক্রম চালান।
ভাগ্যক্রমে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটেনি। আমরা দ্রুত উদ্ধার করে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা
করেছি।
প্রত্যক্ষদর্শী
মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ‘মিনিবাসটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল।
একপর্যায়ে
চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি ব্রিজের রেলিং ভেঙে খাদে পড়ে যায়। ওই সময় বাসটিতে
প্রায় ১৬ জন যাত্রী ছিলেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানালা ভেঙে যাত্রীদের বের করে
আনেন। বাসটি চালাচ্ছিলেন হেলপার। এ কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছি।
টেকনাফ
মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে সব যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মন্তব্য করুন


পুশির
হাতে কামড় দিয়ে ও ধস্তাধস্তি করে হাতকড়া নিয়েই দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেও লাভ হয়নি
এক ডাকাতের।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
নাসিরনগরে ছদ্মবেশে জীবন মিয়া নামে এক ডাকাতকে ধরে কাঁধে করে থানায় নিয়ে আসেন পুলিশ।
ডাকাত জীবন মিয়া ছাড়া পাওয়ার জন্য পুলিশের হাতে কামড় দিতে থাকলেও হাল ছাড়েননি এসআই
রুপন নাথ।
শুক্রবার
(২৩ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের একটি জমি থেকে তাকে গ্রেফতার করা
হয়।
গ্রেফতারকৃত
জীবন মিয়া হরিপুর গ্রামের হুরন আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে থানায় একাধিক ডাকাতি
মামলা রয়েছে। সম্প্রতি সে মাধবপুর-হরিপুর সড়কে ডাকাতি করে আসছিলেন।
পুলিশ
জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীবন মিয়ার অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে পুলিশ। জীবনকে
গ্রেফতারের দায়িত্বে থাকা নাসিরনগর থানা পুলিশের এসআই রুপন নাথ আরও একজন কর্মকর্তা
ও তিন পুলিশ কনস্টেবলকে নিয়ে হরিপুরে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন জীবন তার সঙ্গীদের
দিয়ে একটি জমিতে বসে ইয়াবা সেবন করছিলেন। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে জীবন ও তার
সঙ্গীদের কাছে ইফতার করার জন্য পানি চান। তখন একপর্যায়ে জীবনকে আটক করে পড়ানো হয় হাতকড়া।
এসময় জীবন মিয়া পুলিশ কনস্টেবল রানার হাতে কামড় দিয়ে ও ধস্তাধস্তি করে হাতকড়া নিয়েই
দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ সদস্যরাও ছুটে গিয়ে আবার তাকে আটক করে। একপর্যায়ে
এএসআই মো. কামরুল ডাকাত সদস্যকে কাঁধে তুলেনেন। কিছুদূর আনার পর তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায়
করে কড়া পুলিশ পাহারায় থানায় নিয়ে আসা হয়।
এ
ব্যাপারে এসআই রূপন নাথ সাংবাদিকদের জানান, পাঁচজন মিলে এ অভিযান চালানো হয়। ডাকাত
জীবন খুবই চতুর। সে পালানোর চেষ্টা করেছিল। একপর্যায়ে তাকে বাধ্য হয়ে কাঁধে তুলে নিয়ে
আসা হয়। এ ঘটনায় রানা নামে এক পুলিশ কনস্টেবল আহত আহত হন।
এ
ব্যাপারে নাসিরনগর থানার ওসি মো. সোহাগ রানা বলেন, ডাকাত জীবন খুবই চতুর প্রকৃতির।
তাকে গ্রেফতার করা যাচ্ছিল না। শনিবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বতী সরকারের
আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত সার্চ কমিটিও গঠন হয়ে
গেছে। প্রজ্ঞাপনে হয়তো প্রধান উপদেষ্টা স্বাক্ষরও করেছেন। আজ অথবা কালকের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন
জারি হবে। আমাদের নির্বাচনমুখী যাত্রা শুরু হয়ে গেছে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর)
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এ কথা বলেন তিনি।
আইন উপদেষ্টা আসিফ
নজরুল বলেন, সার্চ কমিটি হয়ে গেলে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। এরপর ভোটার তালিকা সংশোধন
করা হবে। ভোটার তালিকা নিয়ে প্রচুর প্রশ্ন ছিল। আগের নির্বাচনগুলো ছিল ভুয়া। ফলে ভোটার
তালিকা নিয়ে কারও কোনো মাথা ব্যথা ছিল না। আমরা তো ভুয়া নির্বাচন করব না। আমরা অসাধারণ,
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করব। ফলে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর
সঙ্গে কথা বলে প্রধান উপদেষ্টা সবকিছু ঠিক করবেন।
মন্তব্য করুন


জামালপুর
শহরের আমলাপাড়ায় এলাকায় বিচারক দম্পতির বাসায় জানালার গ্রিল কেটে স্বর্ণালঙ্কার ও
নগদ টাকা চুরির ঘটনায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক দুই নেতাসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার
করেছে পুলিশ।
শুক্রবার
(৪ জুলাই) আসামিদের আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বৃহস্পতিবার
(৩ জুলাই) রাতে পৃথক জায়গা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
মামলা
সূত্রে জানা যায়, বিচারক আহমাদুল কবির সাকিল এবং বিচারক নুসরাত জেরিন জেনী জামালপুর
শহরের আমলাপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। তারা দুজন জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ
আদালতের মেলান্দহ ও দেওয়ানগঞ্জ সিভিল জজ আদালতের বিচারক হিসেবে কর্মরত আছেন।
৩০
জুন বিকালে আহমাদুল কবির ব্যক্তিগত কাজে বাইরে যান। রাতে বাসায় ফিরে মূল দরজা খুলতে
না পেরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন তিনি। পরে দেখতে পান দুর্বৃত্তরা
জানালার গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে আলমারির ড্রয়ার ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও হীরার
আংটিসহ ২০ লাখ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে। ঘটনার পরদিন জামালপুর জেলা ও দায়রা
জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা একেএম ছরওয়ার জাহান সিদ্দিকী বাদী হয়ে জামালপুর
থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এরপর
বৃহস্পতিবার রাতে একই ভবনের অন্য বাসার গৃহকর্মী নিলুফাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার
দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিচারকের বাসার গৃহকর্মী হাওয়া বেগমকে গ্রেফতার করা হয়। পরে
তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতাররা
হলেন- মেলান্দহ উপজেলার চর পলিশা গ্রামের নিলুফা, সদর উপজেলার তিতপল্লা সরদারপাড়া গ্রামের
হাওয়া বেগম, শহরের আমলাপাড়া এলাকার চাঁন মিয়া ওরফে কালাচাঁন, গোলাপবাগ এলাকার সুমন
মিয়া ও কলেজ রোড এলাকার নাজমুল ইবনে হোসেন ওরফে বিপ্লব।
এর
মধ্যে সুমন মিয়া জামালপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক
এবং নাজমুল ইবনে হোসেন ওরফে বিপ্লব সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক।
এ
বিষয়ে জামালপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মঞ্জুরুল করিম সুমন বলেন, গ্রেফতাররা
বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেউ নন। তবে তাদের মধ্যে দুজন গত কমিটিতে ছিলেন।
জামালপুর
থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা
চুরির ঘটনায় নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। চুরির মূল পরিকল্পনা, চোরাই মালামাল
উদ্ধার এবং চক্রের পলাতক সদস্যদের শনাক্ত করতে চারজনের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে
আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সম্পত্তি
নিয়ে বিরোধের জেরে তিন বিয়ে করা এক বৃদ্ধ বাবাকে ‘হানি ট্র্যাপে’
ফেলে অপহরণের পর হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনা উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। পরিকল্পিতভাবে নারী ব্যবহার
করে ফাঁদ পেতে বাবাকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
সোমবার
(১৫ জুন) সকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন
(পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রোর পুলিশ সুপার এস.এম রফিকুল ইসলাম।
তিনি
জানান, নিহত মুজিবুর রহমান পেশায় একজন বাবুর্চি ছিলেন। তার বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী
উপজেলার চাম্বল এলাকায়। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিনটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রীর
ঘরে দুই ছেলে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্ত্রীর ঘরে একটি করে মেয়ে রয়েছে।
পুলিশের
ভাষ্য অনুযায়ী, জীবনের শেষ সময়ে মুজিবুর রহমান তার দুই মেয়ের সঙ্গে বসবাস করতেন।
নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে মেয়েদের পেছনে খরচ করতেন। এ নিয়ে প্রথম পক্ষের দুই ছেলের
মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। একপর্যায়ে তারা বাবাকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন।
তদন্তে
জানা যায়, বেলাল হোসেন তার পরিচিত এক নারীকে বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। ওই নারী
নিয়মিত ফোনে কথা বলে মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। তাকে নতুন করে বিয়ে
দেওয়ার আশ্বাসসহ বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে নিজের বাসায় ডেকে নেন।
পুলিশ
সুপার এস.এম রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘২০২৪ সালের ৭ জুন মুজিবুর রহমান ওই নারীর বাসায় যান।
এটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত ফাঁদ। সেখানে তাকে আপ্যায়নের সময় কোমল পানীয় বা শরবতের সঙ্গে
ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেওয়া হয়। ওষুধের প্রভাবে তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়লে বেলাল ও তার
বড় ভাই আবদুল জলিল সেখানে পৌঁছান।‘পরে তাকে অসুস্থ রোগী পরিচয়ে একটি
সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে সিআরবি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ভাড়া করা
একটি মাইক্রোবাসে তুলে নগরের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরানো হয়। হত্যার জন্য নির্জন স্থান
খুঁজতে খুঁজতে তারা হালিশহরের আউটার লিংক রোড এলাকায় পৌঁছায়।’
মুজিবুর
রহমানের মৃত্যুর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যার দিকে মাইক্রোবাসের ভেতরেই গামছা
দিয়ে মুজিবুর রহমানের গলায় পেঁচিয়ে দুই পাশ থেকে টান দেন বেলাল ও জলিল। এতে তার
মৃত্যু হয়। পরে রাস্তার পাশের ঝোপে মরদেহ ফেলে রেখে চলে যান তারা। ঘটনার পর মুজিবুর
রহমানের মেয়ে কোতোয়ালী থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। তদন্তের এক পর্যায়ে নিহতের মোবাইল
ফোন বেলালের শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয়। এরপর মামলাটি নতুন মোড় নেয়।’
পুলিশ
জানায়, মামলা হওয়ার পর বেলাল আত্মগোপনে চলে যান এবং দীর্ঘ সময় কক্সবাজার এলাকায়
অবস্থান করেন। সম্প্রতি এলাকায় ফিরে এলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি
হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন এবং ঘটনাস্থল শনাক্ত করেন। তার তথ্যের ভিত্তিতে আবদুল জলিলকেও
গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্তে
আরও জানা যায়, হত্যার দুই দিন পর হালিশহর এলাকার একই স্থান থেকে একটি অজ্ঞাতনামা লাশ
উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ওই লাশের গলায় থাকা গামছা ও পরনের পোশাকের বর্ণনা আসামিদের বক্তব্যের
সঙ্গে মিলে গেছে। পুলিশ ধারণা করছে, সেটিই মুজিবুর রহমানের লাশ। বিষয়টি নিশ্চিত করতে
ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে।
পিবিআই
এসপির দাবি, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ থেকেই ছেলে বেলাল হোসেন ও তার সহযোগীরা এই হত্যাকাণ্ড
ঘটিয়েছে। ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার বেলাল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


‘হা হা হা এটাই বাস্তব’
কিংবা ‘বন্ধু তুমি একা হলে আমায় দিয়ো ডাক, তোমার সাথে গল্প করব আমি সারা রাত’
সংলাপের মাধ্যমে রাতারাতি আলোড়ন সৃষ্টি করা কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে পরকীয়ার অভিযোগে
আটকের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা
গেছে, সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে নেত্রকোণা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নে স্থানীয়
লোকজন তাকে আটক করেন। পরে তাকে সালিশে নেওয়া হয়। উপজেলার ৮ নং দক্ষিণ বিশিউরা ইউনিয়নের
৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে তাকে নিয়ে সালিশি বৈঠকের একটি ভিডিও সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে আরও দাবি করা হচ্ছে, বিবাহিত রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে পাশের গ্রামের এক
তরুণীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে অনুষ্ঠিত সালিশে তাকে ৫ লাখ
টাকা জরিমানা এবং গ্রাম ছাড়ার দাবি তোলে উপস্থিত লোকজন।
তবে
এসব দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো
আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য,
রিপন মিয়ার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
২০১৬
সালে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে ফেসবুকে যাত্রা শুরু করেন রিপন মিয়া। খুব অল্প সময়ের
মধ্যেই তার সহজ-সরল উপস্থাপনা আর ঘরোয়া ভিডিওগুলো দর্শকপ্রিয়তা লাভ করে। বিশেষ করে,
তার মুখে শোনা ‘হাই আই অ্যাম রিপন ভিডিও’ এবং ‘আই লাভ ইউ, এটাই বাস্তব’
সংলাপ দুটি নেটিজেনদের মাঝে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
মন্তব্য করুন


আইন
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশে প্রথমবারের
মতো ইন্টারনেটকে মৌলিক অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই অধ্যাদেশে
অনলাইন জুয়াকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো সাইবার স্পেসে নারী ও শিশু নির্যাতন
এবং যৌন হয়রানিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত অধ্যাদেশে
আগের আইনের ৯টি ধারা বাতিল করা হয়েছে। যা ছিল কুখ্যাত ধারা, এসব ধারাতেই ৯৫ শতাংশ মামলা
হয়েছিল। মামলাগুলোও এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
আজ
মঙ্গলবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে
এ তথ্য জানান তিনি।
উপদেষ্টা
পরিষদের বৈঠকে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া উপস্থাপন করা হয়। কিছু সংশোধন শেষে এই
সপ্তাহে গেজেট আকারে প্রকাশ হতে পারে বলেও জানান আইন উপদেষ্টা।
আইন
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, এছাড়া কিছু কিছু ধারা পরিবর্তন করা হয়েছে। মত প্রকাশের
ক্ষেত্রে দুটি অপরাধ রাখা হয়েছে, একটি হচ্ছে নারী ও শিশুর প্রতি যৌন নির্যাতনমূলক কন্টেন্ট
প্রকাশ, হুমকি দেওয়া। আরেকটি হচ্ছে ধর্মীয় ঘৃণা ছড়ানো, যেই ঘৃণা ছড়ানোর মধ্যে দিয়ে
সহিংসতা উসকে দেওয়া হয়। ধর্মীয় ঘৃণাকে কঠোরভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যাতে ভুল বোঝাবুঝি
না হয়, কেউ কাউকে হয়রানি করতে না পারে। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এই প্রথমবারের
বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে যদি কোনও সাইবার অপরাধ করা হয়, সেটাকে শাস্তিযোগ্য
করা হয়েছে। মত প্রকাশের ক্ষেত্রে ওই দুটি ক্ষেত্রে কারো বিরুদ্ধে মামলা হলে এটা আমলি
আদালতে যাবে, যাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি দেখেন—
এই মামলার কোনো যৌক্তিকতা নেই, তাহলে প্রি ট্রায়াল স্টেজে তিনি মামলা বাতিল করে দিতে
পারবেন। অর্থাৎ চার্জশিটের জন্য অপেক্ষা করা লাগবে না। যদি দেখেন সম্পূর্ণ ভুয়া মামলা,
এই মামলার কোনো ভিত্তি নেই, তাহলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই মামলা বাতিল করে দিতে পারবেন।
আইন
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আরও বলেন, বিলুপ্ত করা বিধানগুলোর মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের
চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় শহীদ বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কিত
বিদ্বেষ বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার যে দণ্ড দেওয়ার বিধান সেটা বিলুপ্ত করা হয়েছে।
এই বিধানে প্রচুর হয়রানিমূলক মামলা হতো। মানহানিকর তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে বিধান যেটা
এতে প্রচুর মামলা হতো, অনেক সাংবাদিক এই মামলার ভুক্তভোগী হয়েছেন, এই ধারা সম্পূর্ণ
বাতিল করা হয়েছে। আরেকটা হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে— এই ধরনের কোনও কন্টেন্ট
বা কথাবার্তা বলায় প্রচুর মামলা হতো, এটাও সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা হয়েছে। আক্রমণাত্মক
বা ভীতিকর তথ্য উপাত্ত প্রকাশ এটাও সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা হয়েছে।
সংবাদ
সম্মেলনে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, কোরবানি ঈদের ছুটি ৫-১০ জুন আগে থেকেই ঘোষণা
করা ছিল। ১১ এবং ১২ জুন ছুটি ঘোষণা করে ১৭ মে এবং ২৪ মে এই দুই দিন সরকারি ও আধা সরকারি
কর্মচারীরা কাজ করবেন। এই দুই দিন ছুটি ঘোষণা করায় ঈদুল আজহার ছুটি হবে ১০ দিন। এই
অনুযায়ী ব্যাংক ও প্রাইভেট কোম্পানি তাদের মতো করে ছুটি ঘোষণা করবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার গোলাবাড়ি এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাস দমনে প্রশাসনের কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে লং মার্চের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, প্রশাসন যদি দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তিনি নিজেই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামবেন। এমনকি প্রয়োজন হলে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করার কথাও তিনি বলেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) বেলা ১২টায় কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, “জঙ্গল সলিমপুর নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলে গোলাবাড়ি কেন নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না? সেখানে যদি এখনো কোনো অভিযান বা গ্রেপ্তার না হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন থেকে যায়।”
তিনি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের উদ্দেশে আরও বলেন, গোলাবাড়ির মূল অপরাধীদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রস্তুত করতে হবে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, প্রয়োজনে গোলাবাড়ি এলাকায় ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লং মার্চ কর্মসূচি পালন করা হবে।
মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় তিনি জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকুকে উদ্দেশ করে প্রশ্ন রাখেন, “মার্ডার ও মাদকসহ ৩৫টি মামলার আসামিরা কীভাবে জামিন পায়? এ বিষয়ে আরও কঠোর ভূমিকা নিতে হবে।”
জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বজলুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজিবি কুমিল্লার সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম, জেলা পিপি অ্যাডভোকেট কাইউমুল হক রিংকু, অধ্যক্ষ শরীফুল ইসলাম, লাকসাম সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার সনদ বড়ুয়া, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায়, আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


সুনামগঞ্জের
১১ বছরের শিশুকে গলায় কাঁচি ধরে ধর্ষণ এবং সেই ঘটনার ভিডিও ধারণের অভিযোগে সোফায়েল
মিয়া (২০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকে ভিডিও ধারণকারী
সহযোগী সায়েক মিয়া পলাতক রয়েছে।
১১
জুলাই শনিবার শিশুর বাবা বাদী হয়ে সোফায়েল ও সায়েককে আসামি করে শাল্লা থানায় একটি মামলা
দায়ের করেন। এর আগে, ১০ জুলাই শুক্রবার দুপুরে উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের মার্কুলি গ্রামে
বাড়ির পেছনে হাঁস খুঁজতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেফতার সোফায়েল একই গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ
ও ভুক্তভোগী শিশুর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার দুপুরে শিশুটি বাড়ির পেছনে
হাঁস খুঁজতে যায়। এ সময় ওত পেতে থাকা সোফায়েল মিয়া পেছন থেকে শিশুটির মুখ চেপে ধরে
এবং গলায় কাঁচি ঠেকিয়ে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। তখন সোফায়েলের সহযোগী একই গ্রামের
নুরুল হকের ছেলে সায়েক মিয়া নিজের মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে। পরে ঘটনাটি
কাউকে না জানাতে শিশুটিকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়।
পরবর্তীতে
শিশুটির শারীরিক ও আচরণগত পরিবর্তন দেখে অভিভাবকদের মনে সন্দেহ জাগে। এক পর্যায়ে পরিবারের
সদস্যদের কাছে শিশুটি নির্যাতনের বিষয়টি প্রকাশ করে। মামলার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে
প্রধান অভিযুক্ত সোফায়েল মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
শাল্লা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,
‘অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি সোফায়েলকে গ্রেফতার করেছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে।
তিনি
আরও জানান, ভুক্তভোগী শিশুকে সুনামগঞ্জ আদালতে এবং ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ
সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভিডিও ধারণকারী সায়েক মিয়াকে গ্রেফতার চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


আগে
যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব
এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন,
‘সমাজে এখনো কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন দৃশ্যমান নয়।’ তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে
সেই পরিবর্তনের আশা দেখছেন তিনি।
আজ
(বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর তথ্য ভবনে আয়োজিত এক প্রকাশনা অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা
ফখরুল বলেন, ‘যারা আগে ঘুষ খেত, তারা এখনও ঘুষ খায়। এখন তারা বড় জুলাই আন্দোলনকারী
সেজেছে। সমাজে কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না।’
তিনি
আরও বলেন, ‘সরকার পরিচালনার পাঁচ মাসেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের অনেক কিছুই বাস্তবায়িত
হয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবর্তনের যে প্রত্যাশা তৈরি করেছেন, সেটি বাস্তবায়িত
হবে বলে আমি আশাবাদী।’
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন