

প্রতিদিনের
মতো এক ব্যস্ত নারী চিকিৎসক রোগী দেখছিলেন তার চেম্বারে। হঠাৎ মাস্ক পরা এক নতুন রোগী
ভেতরে ঢুকলেন। চিকিৎসকের দিকে এগিয়ে দিলেন নিজের কাগজপত্র। কিন্তু কাগজপত্র ঘেঁটে চিকিৎসক
কিছু্ই বুঝতে পারছেন না। তিনি দেখলেন পাসপোর্ট, বোর্ডিং পাস ও টিকিট। দেখেন বোর্ডিং
পাসে স্বামীর নাম লেখা। সন্দেহ হতেই তিনি মুখ তুলে তাকান। তখনই তার জন্য সেরা চমকটা
অপেক্ষা করছে।
যুবকটি
যখন মাস্ক খুলে ফেলেন। দেখলেন, ছয় বছর ধরে যাকে শুধু ডিভাইসের স্ক্রিনে দেখে আসছেন,
সেই প্রিয়তম স্বামী শারীরিকভাবে তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। মুহূর্তেই চেয়ার থেকে উঠে দৌড়ে
গিয়ে ঝড়িয়ে ধরেন স্বামীকে। ডুকরে কেঁদে ওঠেন দুজন। তাদের এই মিলন যেন সিনেমার গল্পকেও
হার মানায়। এমন দৃশ্য দেখে নেট-দুনিয়াও ভাসল আবেগে।
ঘটনাটি
ঘটেছে ভারতের রাজস্থানে। সেখানকার একজন তার এক্স হ্যান্ডেলে ৩০ সেকেন্ডের এই ভিডিওটি
প্রকাশ করেন। ভিডিওতে দাবি করা হয়, ছয় বছর পর স্ত্রীকে সারপ্রাইজ দিতেই তার চেম্বারে
রোগীর ছদ্মবেশে হাজির হলেন প্রবাসী স্বামী। তবে ভাইরাল হলেও ভিডিওটির সত্যতা যাচাই
করা সম্ভব হয়নি।
প্রবাসজীবন
মানেই যেন কষ্ট, যন্ত্রণা ও দীর্ঘ অপেক্ষার। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যোজন
যোজন দূরত্ব তৈরি হতে থাকে। তখন একেকটি দিনও যেন এক বছরের মতো মনে হয় দুজনের কাছে।
তাই ভিন্ন দেশে বসবাসকারী দম্পতিদের জন্য এই সময়টা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। এই দম্পতির
গল্পেও তেমনটা উঠে এল।
ভিডিওর
সূত্র ধরে কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা এক প্রতিবেদনে জানায়, ‘নারী চিকিৎসক তার কেবিনে
বসে রয়েছেন। এমন সময় মাস্ক পরা অবস্থায় রোগী সেজে যুকব সেখানে উপস্থিত হন। মেডিক্যাল
রিপোর্টের পরিবর্তে চিকিৎসককে নিজের পাসপোর্ট, বোর্ডিং পাস দেখান তিনি। প্রথমে চিকিৎসক
কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে জিজ্ঞাসা করেন, ‘আপনি কেন আমার ভিডিও করছেন?’ পরে যখন তিনি বোর্ডিং
পাস ও টিকিট দেখেন, তখন অবাক হয়ে যান। বাকরুদ্ধ হয়ে যান তিনি। এরপর সংবিৎ ফিরতে বোর্ডিং
পাসে স্বামীর নাম দেখেন। যুবকও তার মুখের মাস্ক সরান। সঙ্গে সঙ্গেই ওই চিকিৎসক আনন্দে
লাফিয়ে উঠে গিয়ে যুবককে জড়িয়ে ধরেন। যুবকও চিকিৎসককে জড়িয়ে ধরেন।’
আনন্দবাজার
বলছে, ভিডিওতে যুবক ও মহিলা চিকিৎসককে স্বামী ও স্ত্রী হিসাবে দাবি করা হয়েছে। ভিডিওটি
দেখে নেটিজেনদের অনেকেরই চোখে জল চলে এসেছে বলে জানায়। এ সময় তারা নানা ধরনের আবেগময়
প্রতিক্রিয়া জানান।
প্রতিবেদনে
বলা হয়, ভাইরাল ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে ‘রাহুল_বাবু_১এম_’ নামের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল
থেকে। ইতোমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন ভিডিওটি। ইতোমধ্যে লাখ লাখবার দেখা হয়েছে সেটি।
হৃদয়গ্রাহী এই মুহূর্তটি নিয়ে লাইক ও কমেন্টের বন্যাও বয়ে গেছে।
ভিডিওটি
দেখে নেটিজেনরা যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই আবার মজার মজার মন্তব্য করেছেন অনেকে।
একজন লিখেছেন, ‘এত বছর পর স্বামীর সঙ্গে দেখা হওয়ার আনন্দ সবাই অনুভব করতে পারে না।’
মন্তব্য করুন


চালু হয়েছে ‘হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ’। স্থানীয় কাঁচামাল দিয়ে অবিকল হেলিকপ্টার তৈরি করেছেন স্থানীয় ওয়ার্কশপ মিস্ত্রি মো. মেহেদী হাসান ও তার বন্ধুরা।
তার এই হেলিকপ্টারে বসে পাখা ঘোরা অবস্থায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মুখরোচক খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন ভোজনরসিকেরা।
মহান বিজয় দিবসে পটুয়াখালীর ঝাউতলায় শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ‘হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ’র উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ও পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ। উদ্বোধনের পরপরই বহুল আলোচিত রেস্তোরাঁটি দেখতে এর খাবারের স্বাদ নিতে ভিড় জমান স্থানীয়রা।
জানা যায়, পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন ছোটবিঘাই ইউনিয়নের কাজীর হাট বাজারের ওয়ার্কশপমিস্ত্রি মো. মেহেদী হাসান ও তার দুই বন্ধু আরিফ ও আল-আমিন প্রায় ২০ লাখ টাকা খরচ করে নিজেদের ওয়ার্কশপে দীর্ঘ ৭ মাসের প্রচেষ্টায় নির্মাণ করেন হেলিকপ্টারের আদলে এই রেস্তোরাঁটি।
তবে প্রতিকূল পরিবেশেই রেস্তোরাঁটি নির্মাণ করেছিলেন এ তিন যুবক।
মেহেদী হাসান বলেন, যখন এটির পরিকল্পনা করি তখন পরিবার সম্মতি দেয়নি। প্রতিবেশীরা অনেকেই আমাকে পাগল বলেছিলেন। কিন্তু ধীরে ধীরে এবং একটু একটু করে যখন কাজীর হাট বাজারের একটি মাঠে হেলিকপ্টারটি বানাতে ও আকৃতি দিতে শুরু করি, তখনই চারিদিকে সাড়া পড়ে যায়।
হেলিকপ্টারটির ভেতরে ২১ জনের আরাম করে বসার ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে থাকবে নানা ধরনের খাবারের আইটেম। তিনি এই রেস্তোরাঁ নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় যাবেন এবং মানুষকে খাবার পরিবেশন করবেন। শহরের ঝাউতলা চার লেন সড়কে মেহেদীর এই ‘হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ’ দেখতে শত শত মানুষ ভিড় করছে নিয়মিতই।
মেহেদীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, তিনি তার এই রেস্তোরাঁকে নিয়ে সারা দেশ ঘুরে বেড়াবেন। দেশের সব জেলার মানুষ যেন তার এই রেস্তোরাঁকে দেখেন।
স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী ও শিক্ষক ফরিদ উদ্দিন বলেন, একজন ওয়ার্কশপমিস্ত্রি যে এত সুন্দর করে সত্যিকারের হেলিকপ্টারের মতোই দেখতে একটি হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ বানিয়েছে - এতে আমরা অবাক হয়ে গেছি। মেহেদীর এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই।
পটুয়াখালী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ও পটুয়াখালী পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, মেহেদীর মতো এমন উদ্যোক্তাই আমরা চাই। এটি পটুয়াখালীর জন্য একটি গর্বের বিষয়। মেহেদীকে সব ধরনের সহযোগিতা আমরা অব্যাহত রাখব।
মন্তব্য করুন


২০২৬
ফুটবল বিশ্বকাপের শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের
মতো বিশ্বসেরার মুকুট ছিনিয়ে নিয়েছে স্পেন। তবে মাঠের সেই মহাকাব্যিক লড়াই ছাপিয়ে
এই মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার তুঙ্গে উঠে এসেছেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার
মার্ক কুকুরেলা। চেলসির এই তারকাকে স্টেডিয়াম থেকে বের হওয়ার সময় একটি সাধারণ প্লাস্টিকের
শপিং ব্যাগে করে ‘বিশ্বকাপ ট্রফি’ বহন করতে দেখা গেছে, যার ভিডিও মুহূর্তেই
ছড়িয়ে পড়ে ভাইরালে রূপ নিয়েছে।
নির্ধারিত
৯০ মিনিটে কোনো দলই গোলের দেখা না পাওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানে ১০৬তম মিনিটে
ফেরান তোরেসের করা একমাত্র গোলটিতে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করে স্প্যানিশরা।
মাঠের বর্ণিল শিরোপা উদযাপন পর্ব শেষে খেলোয়াড়েরা যখন ড্রেসিংরুমের দিকে ফিরছিলেন,
ঠিক তখনই ক্যামেরায় বন্দি হন কুকুরেলা। এক হাতে সাধারণ একটি ব্যাগ ঝুলিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন
তিনি, যার ভেতর থেকে উঁকি মারছিল সোনালী রঙের ট্রফি। বিশ্বের সবচেয়ে দামি ও মর্যাদাপূর্ণ
ট্রফিকে এমন অবহেলায় ‘ময়লার ব্যাগের’ মতো বহন করতে দেখে ফুটবলবিশ্বের সংবাদমাধ্যম
ও নেটিজেনরা হতবাক হয়ে যান।
তবে
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই অবসান ঘটে সব কৌতূহলের। জানা গেছে, কুকুরেলার ঝুলিয়ে নেওয়া
ব্যাগের ভেতরে থাকা বস্তুটি মূলত আসল ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ছিল না। সেটি ছিল খেলনা
‘লেগো’ ব্লক দিয়ে খোদাই করে বানানো বিশ্বকাপ ট্রফিরই একটি অবিকল
প্রতিচ্ছবি। শখের বশে তৈরি করা সেই খেলনা ট্রফিটিই তিনি খেলার পর একটি প্লাস্টিকের
ব্যাগে করে ড্রেসিংরুমে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
এদিকে
ফাইনালের ম্যাচটি ছিল দুই দলের জন্যই চরম স্নায়ুচাপের। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় যখন
আর্জেন্টিনার তারকা মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।
স্প্যানিশ ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সিকে ফাউল করে তিনি লাল কার্ড খেলে আলবিসেলেস্তেরা ১০
জনের দলে পরিণত হয়। দলের সেরা গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ বেশ কয়েকটি চোখধাঁধানো
সেভ করে আর্জেন্টিনাকে টিকিয়ে রাখলেও, অতিরিক্ত সময়ে নিকো উইলিয়ামসের দারুণ হেড থেকে
আসা পাস ধরে জাল কাঁপাতে ভুল করেননি ফেরান তোরেস।
এই
ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে স্পেন। পুরুষ ও
নারী— উভয় বিভাগেই একই সময়ে ফিফা বিশ্বকাপ শিরোপাধারী বিশ্ব
ইতিহাসের প্রথম দেশ এখন তারাই। ২০১০ সালের পর পুরুষ ফুটবলে এটি স্প্যানিশদের দ্বিতীয়
বিশ্বজয়। মাঠের এই ঐতিহাসিক অর্জনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীদের মনে ২০২৬ বিশ্বকাপের স্মৃতিতে
একটি মজার খোরাক হিসেবে বাড়তি মাত্রা যোগ করল কুকুরেলার এই ট্রফি কাণ্ড।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তিকে পেট্রোল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।সোমবার (১৮ মে) রাতে সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী ভোমরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (১৯ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব-১১ কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মিঠুন কুমার কুণ্ডু।
গ্রেপ্তার আসামির জহির ইসলাম ওরফে জহির হিজড়া (৪৬)। তিনি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জাপর আলীর ছেলে। নিহত হিজড়ার নাম এনামুল হক শিশির (২৯)।
র্যাব জানায়, গত ১৩ মে সকালে বুড়িচং বাজারের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি টিনশেড বাসায় এনামুল হক শিশির (২৯) নামে তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তির হাত-পা বেঁধে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। পরে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ মে ভোরে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বুড়িচং থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেখানে জহিরকে প্রধান আসামি করে তিনজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৬ থেকে ৭ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
সহকারী পরিচালক মিঠুন কুমার কুণ্ডু জানান, নিহত শিশির ও আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে বসবাস করতেন। তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে। মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। তারা নিহত শিশির ও আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্বের মাদক মামলাও রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়াও বাকি কেউ জড়িত থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জে
মাদক মামলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মো. ইব্রাহীম
(৩৩) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
এ
ছাড়া উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১২ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ
হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত
যুবক শাহজাহানপুর ইউনিয়নের চরদূর্লভপুর গ্রামের শওকত আলীর ছেলে।
নিহতের
পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১০ জুন) সকল সাড়ে ৮টার
দিকে মাদক মামলায় হাজতে থাকা ফাহাদ নামের এক ব্যক্তির পরিবার ও স্বজনরা মামলার খরচ
নিয়ে ওই মামলায় জড়িত পলাতক আসামি একই গ্রামের রুবেলের বাবা মনিরুল ইসলাম ও তার লোকজনের
সঙ্গে সালিশে বসে। কিন্তু সালিশে কোনো ফল না হওয়ায় উভয়পক্ষ সকাল ১০টার দিকে দেশি অস্ত্র,
ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্রতিপক্ষের হামলায়
আহত হন ইব্রাহীম। তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক ১২টার দিকে মৃত ঘোষণা
করেন।
অন্যদের
হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সদর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একরামুল হোসাইন বলেন, মামলাসংক্রন্ত শত্রুতা নিয়ে সালিশের
পর ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের
জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান
ওসি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) লিখিত পরীক্ষায় ২ হাজার ৫৩৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।
বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ফল প্রকাশ করে বলা হয়, আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) লিখিত পরীক্ষা গত ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ২ হাজার ৫৩৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এছাড়াও তৃতীয় পরীক্ষকের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রাখা হয়েছে ৩৪৫ জনকে।
উত্তীর্ণ প্রার্থীদের এখন মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি পরে জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী হিসেবে সনদ পেতে তিন ধাপে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।
প্রথমত, আইনের উপর স্নাতক উত্তীর্ণের পরপরই আইনজীবী হিসেবে ন্যূনতম ১০ বছর পেশায় রয়েছেন এমন একজন সিনিয়রের অধীনে ইন্টিমেশন জমা দিতে হয়।
দ্বিতীয়ত, ইন্টিমেশন জমা দেওয়ার পর ছয় মাস অতিক্রম হলে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পূর্ণ করে এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।
এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা লিখিত পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পান।
আর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভ করেন।
সবশেষে সনদ লাভের পর সংশ্লিষ্ট জেলা বার এ যোগদানের মধ্য দিয়ে আইন পেশা শুরু করতে পারেন।
আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।
মন্তব্য করুন


বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার বাসভবনে গেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।
আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে
বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় উপস্থিত হন দলটির নীতিনির্ধারণী ফোরামের
নেতারা।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল
কবির খান জানান, খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর। আর স্থায়ী কমিটির নেতাদের মধ্যে আছেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার
জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম
খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আমির খসরু মাহমুদ
চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
এর আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে এলডিপির
চেয়ারম্যান অলি আহমদ সাক্ষাৎ করেছেন বলেও জানান তিনি।
বিএনপির নেতারা বলছেন, উন্নত চিকিৎসার
জন্য আগামী ৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন বেগম খালেদা জিয়া।
তাই তার আগে দলের স্থায়ী কমিটির নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন। সাক্ষাতের সময়ে দেশের
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আগামী দিনের বিএনপির করণীয় নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া কয়েকদিন
আগে ম্যাডাম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সেনাপ্রধান সাক্ষাৎ করে গেছেন। এই বিষয়ে নেতাদের সঙ্গে
আলোচনা হতে পারে। তাছাড়া তিনি কত মাস পর আবার দেশে ফিরবেন সেটি এখনও চূড়ান্ত নয়, কারণ
তিনি বিভিন্ন ধরনের রোগে ভুগছেন, ফলে তারা যাত্রা দীর্ঘ হবে। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে সবার
কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার বিষয় রয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন,
এটা মূলত ম্যাডাম চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আগে আমাদের আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ। সবকিছু
ঠিক থাকলে আগামী ৭ জানুয়ারি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে লন্ডনে নেওয়া হবে। ‘এটা তো
স্বাভাবিক বিষয়, ম্যাডামের সাক্ষাতে রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা হবেই।
মন্তব্য করুন


দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও তীব্র শীত আর অনুভূত হচ্ছে না। তাপমাত্রা কিছুটা উঠানামার মধ্যে থাকলেও কনকনে ঠান্ডা আর অনুভূত হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে বৃষ্টিরও পূর্বাভাস নেই।
আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমলেও দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তীত থাকতে পারে। (৩ ফেব্রুয়ারি) শনিবার সকাল ৯টায় পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবহাওয়াবিদ খোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, শীতের তীব্রতা আর থাকবে না; তবে শীত একদম বিদায়ও নিচ্ছে না। ফেব্রুয়ারিজুড়ে মৃদু শীত অনুভূত হবে।তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একটা মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস থাকলেও জোরালো না।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। অপর দিকে মংলা ও ভোলায় সর্বোচ্চ ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এদিন ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস বলছে, সারাদেশে শনিবার তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও রাতে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। এ ছাড়া রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। পরদিন সোমবারও (৫ ফেব্রুয়ারি) দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
সিনপটিকে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী, আগামী কয়েক দিন অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যান্য জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে।
আর বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
মন্তব্য করুন


আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের
কথা জানিয়েছে জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯
মে) টোকিওতে বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’
শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন,
জাপানে বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে।
এটা আমার জন্য সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও প্রেরণার দিন। এটি শুধু
কাজ করার জন্য নয়, বরং জাপানকে জানারও দ্বার উন্মোচন করবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য।
সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা দুটি সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী হন।
প্রথমটি বাংলাদেশের ব্যুরো অব ম্যানপাওয়ার এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (বিএমইটি)
ও কাইকম ড্রিম স্ট্রিট (কেডিএস)-এর মধ্যে, যার একটি জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ;
দ্বিতীয়টি বিএমইটি ও জাপানের ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট
কম্বাইন্ড কোঅপারেটিভস (জাপানে ৬৫টির বেশি কোম্পানির একটি ফেডারেশন) এবং জেবিবিআরএ
(জাপান বাংলা ব্রিজ রিক্রুটিং এজেন্সি)-র মধ্যে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই অনুষ্ঠানটি একটি দ্বার উন্মোচনের প্রতীক।
তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ ১৮ কোটি মানুষের দেশ,
যার অর্ধেকই ২৭ বছরের নিচে।
তিনি বলেন, ‘সরকারের কাজ হলো তাদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া।
শিজুওকার কর্মপরিবেশ উন্নয়ন সমবায়ের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থার
প্রতিনিধি পরিচালক মিতসুরু মাতসুশিতা বলেন, ‘অনেক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশিদের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছে
এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশি মেধাবীদের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের প্রতিভা
লালন করা আমাদের দায়িত্ব।
এনবিসিসি চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা স্মরণ করেন যে প্রায়
১৪ বছর আগে অধ্যাপক ইউনূস জাপানে এসেছিলেন এবং ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের
সহায়তার গল্প বলেছিলেন।
তিনি বলেন, আমাদের ফেডারেশন তরুণ ও দক্ষ শ্রমিকের জন্য বাংলাদেশকে একটি
সম্ভাবনাময় উৎস হিসেবে দেখছে। তারা উভয় দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে আমরা এক লাখ বাংলাদেশি শ্রমিককে স্বাগত
জানাতে প্রস্তুত।
ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওয়াতানাবে জানান,
বাংলাদেশে তাদের প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল প্রতিবছর ১৫০০
শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়, এবং তারা এই সংখ্যা ৩০০০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারীরা জাপানের চাকরির
বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিল্ড ওয়ার্কার
কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (জেইটিসিও) চেয়ারম্যান হিরোআকি ইয়াগি জাপানের শ্রমবাজারে
বাংলাদেশিদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনও ভাষা শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে।
জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের (এমএইচএলডব্লিউ) প্রতিমন্ত্রী
নিকি হিরোবুমি বলেন, জাপানে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে এবং সে কারণে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সহায়তা
প্রয়োজন হবে।
তিনি বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাপানের জন্যও একটি আশাব্যঞ্জক দিক হতে পারে।’
স্বাগত বক্তব্যে জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী
বলেন,
২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে শ্রমিক সংকট এক কোটি ১০ লাখ
পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আরও দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে পারে।
মন্তব্য করুন


সাতক্ষীরায়
পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে চাচাতো দুই ভাই নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার
(২৬ মে) সকাল ৬টার দিকে খুলনা-পাইকগাছা সড়কের তেতুলিয়া জামে মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা
ঘটে।
নিহতরা
হলেন- তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের প্রসাদপুর গ্রামের নাসিম আলী ফকির (৩২) ও মেহেদী
হাসান ফকির (২৫)। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই।
স্থানীয়রা
জানান, নিজেদের খামারের জন্য মাছ আনতে ভোরে মোটরসাইকেলে চুকনগরের উদ্দেশ্যে রওনা হন
নাসিম ও মেহেদী। পথে তেতুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের
সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় মোটরসাইকেলটি পিকআপের নিচে আটকে
গেলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন চালক নাসিম আলী ফকির। গুরুতর আহত অবস্থায় মেহেদী হাসানকে উদ্ধার
করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। তবে পথেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে
ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
তালা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন।
মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
মিরসরাইয়ে মোবাইল ও নারীদের ব্যাগ চুরির অভিযোগে আটক এক যুবককে ১০০ রাকাত নফল নামাজ
আদায় ও তওবা করিয়ে ছেড়ে দেন স্থানীয়রা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা না পেরোতেই সেই যুবককে মাদক
সেবন ও বিক্রির অভিযোগে আটক করে পুলিশ।
শুক্রবার
(১৭ জুলাই) বিকেলে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ফকির আস্তানা এলাকায় প্রথম ঘটনাটি ঘটে।
পরে রাতে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে আটক করে।
আটক
যুবকের নাম মো. করিম। তিনি জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, মোবাইল ফোন ও একটি লেডিস ব্যাগ চুরির অভিযোগে করিমকে আটক করেন এলাকাবাসী।
পরে তার অসহায় অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে তাকে পুলিশের হাতে না দিয়ে ভবিষ্যতে আর চুরি বা
অসৎ কাজে জড়াবেন না—এমন প্রতিশ্রুতি নেওয়া হয়। শাস্তিস্বরূপ
তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় ও তওবা করতে বলা হয়। নামাজ ও তওবা শেষে স্থানীয়রা তাকে
ছেড়ে দেন।
তবে
ওই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরই জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগে করিমকে
আটক করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
স্থানীয়
যুবক ইকবাল হোসেন বলেন, ভালো হওয়ার অঙ্গীকার করে ১০০ রাকাত নফল নামাজ ও তওবা করার পর
করিমকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাতেই তিনি মাদক-সংক্রান্ত অভিযোগে পুলিশের হাতে
গ্রেপ্তার হয়েছেন। এতে বোঝা যায়, নিজের ভেতর থেকে পরিবর্তনের ইচ্ছা না থাকলে কাউকে
জোর করে সংশোধন করা যায় না।
আরেক
স্থানীয় যুবক তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, করিমকে অসহায় মনে করে শেষবারের মতো সুযোগ দেওয়া
হয়েছিল। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি আবার আইনের আওতায় চলে যান। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।
জোরারগঞ্জ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম বলেন, স্থানীয়রা চুরির অভিযোগে
করিমকে আটক করে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়িয়ে ও তওবা করিয়ে ছেড়ে দিয়েছিলেন। পরে রাতে মাদক
সেবন ও বিক্রির অভিযোগে তাকে আটক করা হয়। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন