

দ্রুত
ধনী হওয়া এবং বিলাসবহুল জীবনযাপনের চরম লোভে অন্ধ হয়ে নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকাকে
নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগে দশম শ্রেণির দুই ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের তেলেঙ্গানা
রাজ্যের নালগোন্ডা জেলা পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন কোন্ডামাল্লেপল্লির
নাগার্জুনা পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ও পরিচালক কাল্লু রুপা রেড্ডি (৪৮)।
গত
১২ আগস্ট সকালে নিজ বাড়ি থেকে রুপা রেড্ডির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের শরীরে
মোট ২৭টি ছুরিকাঘাতের ক্ষত পাওয়া যায়। ঘটনার সময় তাঁর স্বামী রাজ্যের রাজধানী হায়দরাবাদে
অবস্থান করছিলেন। ফোনে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তিনি বিষয়টি প্রতিবেশীদের
জানান। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
ঘটনার
তদন্তে নেমে পুলিশ পাঁচটি বিশেষ দল গঠন করে। সিসিটিভি ফুটেজ, ফরেনসিক আলামত, আঙুলের
ছাপ ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণের পাশাপাশি ৮০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা
হয়। তদন্ত চলাকালে পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
একটি ক্লু পায়। জানা যায়, ফোন বন্ধ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এক আত্মীয়ের সঙ্গে কথা বলছিলেন
রুপা রেড্ডি এবং ওই আলাপে তাঁর উচ্চারিত শেষ শব্দটি ছিল ‘বাবু।
বুধবার
এক সংবাদ সম্মেলনে জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা শরৎ চন্দ্র পাওয়ার জানান, ফোনে রেকর্ড হওয়া
এই ‘বাবু’ শব্দটি কাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতে
গিয়েই সন্দেহের তির যায় স্কুলের ছাত্রদের দিকে।
এরপর
তদন্ত দল ছাত্রদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে এবং ঘটনার দিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকা দশম
শ্রেণির পাঁচজন শিক্ষার্থীকে চিহ্নিত করে। এদের মধ্যে দুজনকে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে
অস্বাভাবিকভাবে অর্থ খরচ করতে এবং পার্টি উদযাপন করতে দেখা যায়। বুধবার সকালে ওই দুই
ছাত্রকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড
ঘটানোর কথা স্বীকার করে।
পুলিশের
তদন্তে জানা যায়, কিছুদিন আগে হোস্টেলে ওই দুই ছাত্রের ব্যাগে বিপুল নগদ টাকা ও মোবাইল
ফোন পাওয়ায় প্রধান শিক্ষিকা তাদের শাসন করেছিলেন এবং বিষয়টি তাদের অভিভাবকদেরও জানিয়েছিলেন।
পরবর্তীতে তাদের হোস্টেল থেকে সরিয়ে বাড়ি থেকে স্কুলে আসা-যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘটনার পর থেকেই প্রধান শিক্ষিকার ওপর তীব্র ক্ষোভ জন্মায় তাদের
মনে।
হত্যাকাণ্ডের
অন্তত পাঁচ দিন আগে থেকে চুরির ছক কষে তারা এবং রুপা রেড্ডির বাড়ির আশপাশে নজরদারি
চালায়। আঙুলের ছাপ বা কোনো শারীরিক প্রমাণ যাতে পুলিশের হাতে না পড়ে, সে জন্য আগে থেকেই
ছুরি ও গ্লাভস কিনে রাখে তারা।
পরিকল্পনা
অনুযায়ী ঘটনার দিন এক ছাত্র পুরো মুখ ঢাকা মাঙ্কি টুপি ও গ্লাভস পরে প্রধান শিক্ষিকার
ঘরে প্রবেশ করে। শোবার ঘর থেকে আড়াই লাখ রুপি হাতিয়ে নিয়ে পালানোর সময় দুর্ঘটনাবশত
তার মুখের টুপি খুলে যায় এবং রুপা রেড্ডি তাকে চিনে ফেলেন। পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ার
আতঙ্কে সে সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে রুপা রেড্ডিকে উপর্যুপরি ২৭ বার কুপিয়ে হত্যা
করে।
হত্যাকাণ্ড
শেষ করে নগদ টাকা লুট করে রক্তমাখা পোশাক ও টুপি মাটিতে পুঁতে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা
করে তারা। এরপর সেই টাকায় তারা সরাসরি গোয়া ভ্রমণে চলে যায়। পুলিশ গ্রেপ্তারকৃতদের
কাছ থেকে ১ লাখ ৫৪ হাজার রুপি (যার কিছু নোটে রক্তের দাগ রয়েছে), তাদের কেনা একটি নতুন
আইফোন এবং নিহত রুপা রেড্ডির ব্যবহৃত ফোনটি উদ্ধার করেছে। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, অপরাধ
সংগঠনের আগে অভিযুক্ত দুই ছাত্র ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে ‘কীভাবে দ্রুত টাকা আয়
করা যায়’ লিখে একাধিকবার সার্চ করেছিল।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
চৌদ্দগ্রামে বন্ধুদের সাথে সাঁতার কেটে নদী পার হতে গিয়ে নিখোঁজ কলেজছাত্র মোহাম্মদ
শিহাব (১৮)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে ডুবুরিরা। নিখোঁজের ১৭ ঘণ্টা পর ডাকাতিয়া নদী থেকে
তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
গতকাল
শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম ও নাঙ্গলকোট উপজেলার সংযোগস্থল জাগজোর-নারান্দিয়া
ব্রিজ সংলগ্ন ডাকাতিয়া নদীতে শিহাব নিখোঁজ হয়। সে পার্শ্ববর্তী নাঙ্গলকোট উপজেলার
ঢালুয়া ইউনিয়নের নারান্দিয়া গ্রামের জাফর আহমেদ শিফনের ছেলে। সে চট্টগ্রাম বি.এন
কলেজের এইচএসসি প্রথমবর্ষের ছাত্র।
সিহাবের মামা আসিফ করিম বিষয়টি নিশ্চিত
করে জানান, শুক্রবার দুপুরে শিহাব তার অপর দুই বন্ধুকে নিয়ে নারান্দিয়া গ্রাম থেকে
পার্শ্ববর্তী জাগজোর গ্রামে যায় তালের শাঁস খাওয়ার জন্য। জুমার নামাজের সময় হওয়ায়
সেখান থেকে দ্রুত সাঁতার কেটে মসজিদে আসার জন্য নদীতে নামে তিন বন্ধু। এসময় অপর দুই
বন্ধু সাঁতার কেটে নদী পার হলেও শিহাব নদীতে হারিয়ে যায়।
চৌদ্দগ্রাম
ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, আমরা চাঁদপুর জেলা থেকে ডুবুরি টিমকেও
খবর পাঠাই। মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে চাঁদপুরের ডুবুরি টিম এসে বিকেল থেকে আনুমানিক এক
ঘণ্টা চেষ্টা করেও নিখোঁজ শিহাবকে উদ্ধার করতে পারেনি। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার
কার্যক্রম স্থগিত রাখে তারা এবং শনিবার সকালে উদ্ধার কার্যক্রম ফের শুরু করে। এ সময়
শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর মরদেহ নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা
হয়।
মন্তব্য করুন


কুষ্টিয়ার
মিরপুরে সেনা সদস্যদের বহনকারী একটি বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে
এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সেনা সদস্যসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। আজ রবিবার
দুপুর ১২টার দিকে পাবনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কে উপজেলার তালবাড়িয়া হাইস্কুলের সামনে এ
দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী,
পুলিশ ও আহতরা জানান, বগুড়া থেকে ভাড়া করা একটি বাসে করে প্রশিক্ষণরত সেনাসদস্যরা
খুলনার দিকে যাচ্ছিলেন। বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা হিমেল পরিবহন'-এর
একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সেটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের
উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে নেওয়ার পর আহতদের
মধ্যে একজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
প্রাথমিকভাবে
জানা গেছে, নিহত যাত্রীর নাম জিয়া। তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায় এবং তিনি ব্র্যাক
ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন।
আহত
সেনা সদস্যরা জানান, তাঁরা বর্তমানে সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণরত। ঈদুল আজহার ছুটি শেষে
তাঁরা একটি ভাড়া করা বাসে করে খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাসে ফিরছিলেন। ওই বাসে মোট
৪২ জন সেনা সদস্য ছিলেন। পথিমধ্যে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাঁরা কমবেশি সবাই আহত হয়েছেন।
আহত সেনা সদস্যদের মধ্যে অন্তত ১০ জনকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি
করা হয়েছে। বাকিদের অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


পটুয়াখালীর
কলাপাড়ায় বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ডেকে নিয়ে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কিশোর গ্যাং সদস্যরা
ছুরিকাঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিন কিশোরকে আটক করে পুলিশে
সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
শনিবার
(৩০ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের মাসুয়াখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত
তাজুল ইসলাম তাজ (১৬) ওই ইউনিয়নের ফারুক হাওলাদারের ছেলে। তিনি পাটুয়া আল-আমিন মাধ্যমিক
বিদ্যালয় থেকে চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
স্থানীয়
সূত্র ও স্বজনরা জানান, মাসুয়াখালী গ্রামের কামাল মৃধার বাড়িতে আয়োজিত একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে
উপস্থিত ছিলেন তাজুল। অনুষ্ঠান চলাকালে কয়েকজন কিশোর তাকে বাড়ির পাশের একটি বিলে ডেকে
নিয়ে যায়। সেখানে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়। তাজুলের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা
ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
পরে রাত ১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের
চাচা ও সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হাওলাদার বলেন, তাজুলের তলপেটসহ শরীরের বিভিন্ন
স্থানে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। হামলার পর পালিয়ে
যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তিনজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
তিনি
দাবি করেন, আটক কিশোররা স্থানীয়ভাবে বখাটে ও মাদকাসক্ত হিসেবে পরিচিত। এসএসসি পরীক্ষার
হলে খাতা দেখাদেখি নিয়ে পূর্বের একটি বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলেও
ধারণা করছেন তিনি।
ঘটনার
পর স্থানীয়রা রিয়াদ (১৭), সজীব খান (১৭) ও হৃদয় মোল্লা (১৮) নামে তিন কিশোরকে আটক করে
পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
কলাপাড়া
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের হাতে আটক তিন কিশোরকে
পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে তারা এখনো হত্যার দায় স্বীকার করেনি। নিহতের পরিবারের
পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত
অব্যাহত রয়েছে।
তিনি
আরও জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে এবং এ ঘটনায় আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


অযৌক্তিক কারণে কেউ নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে, দেশের স্বার্থে তাদের প্রতিহত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধ ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম।
আজ সোমবার (২৫ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
সমন্বয়ক সারজিস আলম লিখেছেন, সবার আগে দেশ, দেশের মানুষ, জনগণের সম্পদ। যদি কেউ অযৌক্তিক কারণে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, সে যে পরিচয়েরই হোক না কেন। তবে দেশের স্বার্থে তাদের প্রতিহত করে জনমানুষের নিরাপত্তা প্রদান করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধান কাজ ৷
মন্তব্য করুন


৫ আগস্টের পর গিরগিটির মতো ভুয়া সমন্বয়ক
তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয়ক
মো: সারজিস আলম।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার
দিকে মাদারীপুর পৌরসভার হলরুমে মাদারীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের
সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
সমন্বয়ক মো: সারজিস আলম বলেছেন, এসব
ভুয়া সমন্বয়কদের আলাদা করতে হবে। তাদের মধ্যে সুবিধাবাদী চরিত্রটা পূর্বেও ছিল এখনও
আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। এদেরকে আলাদা করা না হলে সমন্বয়কের নাম ভাঙিয়ে আমাদের ইমেজকে
খেয়ে ফেলবে। দেশের অনেকে জেলায় এমনটা হচ্ছে।
ভুয়া সমন্বয়কদের হুঁশিয়ারি দিয়ে মো:
সারজিস আলম বলেন, ছাত্রদের মধ্যে কেউ যদি ভবিষ্যতে ফ্যাস্টিস হওয়ার চিন্তা করেন কিংবা
ক্ষমতার অপব্যবহার করার চেষ্টা করেন, তাদেরকে বহিষ্কার করে আইনের মাধ্যমে ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হবে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্ররা কেউ আলাদা হবেন না। সবাই একত্রে থাকবেন।
তা না হলে পরিণতি খারাপের দিকে যাবে।
মন্তব্য করুন


স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন তাদের সুপারিশের একটি সারসংক্ষেপ গত বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জমা দেয়।
ঐ সারসংক্ষেপে সুপারিশ করে বলা হয় স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের মতে, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন একসঙ্গে এবং এ মুহূর্তে করা সম্ভব। তা না হলে নির্বাচনের পূর্বে অনেক প্রতিষ্ঠানের মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে আইনি জটিলতার সৃষ্ট হতে পারে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান-এর পরবর্তী সময়ে দেশে কার্যত কোনও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নেই।
গত ১৮ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদকে প্রধান করে ৮ সদস্য বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফেরদৌস আরফিনা ওসমান, সাবেক সচিব এ এম এম নাসির উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান, বিআইএসএস-এর পরিচালক ড. মাহফুজ কবির, নারী উদ্যোগ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক মাসুদা খাতুন শেফালী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তারিকুল ইসলাম এবং একজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।
কমিশনের মতে, বর্তমানে নতুন একটি স্বচ্ছ ক্যানভাসে নতুন ছবি আঁকা সম্ভব। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় সংসদীয় পদ্ধতি চালু করার আলোচনা দীর্ঘদিন ধরে জনপরিসরে থাকলেও কোনও সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। এখন সেই সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আগামী মার্চ অথবা এপ্রিলের মধ্যে একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের জন্য দুটি একীভূত স্থানীয় সরকার আইন প্রণয়ন করে আগামী জুনের মধ্যে সব সমতল ও পাহাড়ের ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা যেতে পারে। প্রস্তাবিত ‘স্থানীয় সরকার কমিশন এ বিষয়ে বিস্তারিত কাজ এপ্রিলের আগে সমাপ্ত করতে পারে। তবে জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে সরকার, রাজনৈতিক দলগুলো এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে একটি ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠিত হলেই তা সম্ভবপর হবে বলে মনে করেন কমিশন।
সংস্কার কমিশন বলছে, এসব নির্বাচন অনুষ্ঠানে পাঁচ বছরে মাত্র একবার সর্বোচ্চ দেড় থেকে দুই মাস সময়ের প্রয়োজন হতে পারে। এতে করে নির্বাচন ব্যবস্থাটিও ব্যয় সাশ্রয়ী ও সময় সাশ্রয়ী হবে। অভিন্ন বা সমন্বিত দুইটি স্থানীয় সরকার আইনের খসড়া এ কমিশন প্রস্তাব আকারে পেশ করছে। যা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অধ্যাদেশ আকারে প্রণয়ন করতে পারে, অথবা পরবর্তীতে নির্বাচিত সরকার আইন আকারে প্রণয়ন করতে পারে।
সংস্কার
কমিশন জানান, এ সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কার্য ও সেবা প্রয়োজন অনুসারে ভিন্ন
ভিন্ন থাকবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
চিঠিতে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করাসহ বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে সমর্থন অব্যাহত রাখার ব্যাপারেও জাতিসংঘের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি।
গত ৮ আগস্ট ড. ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। ১৬ আগস্ট ড. ইউনূসকে চিঠি দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জাতিসংঘ মহাসচিব।
চিঠিতে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আপনাকে আমার পক্ষ থেকে জানাই শুভেচ্ছা। আমি বাংলাদেশে শান্তি ফিরিয়ে আনা ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাই। এই ক্রান্তিকালে সহিংসতার অবসান ঘটাতে, জবাবদিহি নিশ্চিত করতে, আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পথে এগিয়ে যেতে আপনার নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ হবে। আমি আশা করি- আপনার সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পন্থা অবলম্বন করবে, যার মধ্যে তরুণ ও নারীদের পাশাপাশি সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রদায়ের কণ্ঠস্বর অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আমি সব নাগরিক ও বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর আস্থা রাখছি। আমি আপনাকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কল্যাণ নিশ্চিত করার জোরালোভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি, বিশেষ করে মিয়ানমারে অবনতিশীল পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে। বাংলাদেশ তার ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। জাতিসংঘ একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ গণতন্ত্রের প্রতি বাংলাদেশের প্রচেষ্টাকে পূর্ণ সমর্থন করে। অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দিতে জাতিসংঘ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মন্তব্য করুন


ঈদযাত্রা স্বস্তি ও আরামদায়ক করতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে প্রথমবারের মতো ঈদ স্পেশাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ২টি বিশেষ ট্রেনই আসা-যাওয়ার পথে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ৭টি স্টেশনে থামবে।
ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে ৫ দিন এই রুটে অন্তত ২টি স্পেশাল ট্রেন চলবে। এই প্রথম এই অঞ্চলের মানুষ ট্রেনে চড়ে ঈদে বাড়ি যাওয়ার সুযোগ পাবেন। সড়ক পথের উপর বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ কিছুটা কমবে। স্বস্তিতে বাড়ি ফেরার আশা এ অঞ্চলের মানুষের।
তারা জানিয়েূছেন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মানুষজনের পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদে বাড়ি যেতে কি পরিমাণ দুর্ভোগ পোহাতে হয় সেটা বুঝানো মুশকিল। এবার সে ঝামেলা ও দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। ট্রেনে করে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি যাওয়া যাবে।
যে সকল স্টেশনে ট্রেন থামবে:
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল ৭টায় কক্সবাজারের উদ্দোশ্যে রওনা হয়ে পৌঁছাবে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। আবার কক্সবাজার থেকে সন্ধ্যা সাতটায় ছেড়ে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১০টা ৫ মিনিটে।
পথে ট্রেনটি ষোলোশহর, জানালীহাট, পটিয়া, দোহাজারী, সাতকানিয়া, চকরিয়া, ডুলাহাজারা ও রামু স্টেশনে থামবে।
কক্সবাজার রুটে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে গত ১ ডিসেম্বর থেকে। বিপুল যাত্রী চাহিদা থাকলেও গত ৩ মাস ধরে এই রুটে চলাচল করছে মাত্র দুটি ট্রেন। তাও চলছে কেবল ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচল করা কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস বিরতিহীন হওয়ায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোকজন দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের সুফল পাচ্ছেন না। এনিয়ে ক্ষোভ রয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন চালুর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন এটি আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো ছিল। সে স্বপ্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবতায় রূপ দিয়েছেন। কিন্তু এখনো ট্রেনে চড়ে কক্সবাজার যাওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেছে। চট্টগ্রাম অল্পকিছু যাত্রী পরিবহনের সুযোগ রয়েছে। সেখানের টিকিট পাওয়াও দুর্লভ।
বিপুল চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসে চড়ে প্রতিদিন চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পান মাত্র ১১৫ জন করে যাত্রী। ঈদ যাত্রায় সেটি আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।
ঈদে বিপুল এ যাত্রী চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এবারের ঈদযাত্রায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে বিশেষ ট্রেন চালাবে রেলওয়ে। এতে ঈদযাত্রায় দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।
রেলওয়ের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা তারেক মুহাম্মদ ইমরান বাংলানিউজকে বলেন, এবার প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ঈদযাত্রায় বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করা হবে। ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল সাতটায় কক্সবাজারের উদ্দোশ্যে রওনা হয়ে পৌঁছাবে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। আবার কক্সবাজার থেকে সন্ধ্যা সাতটায় ছেড়ে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১০টা ৫ মিনিটে। ট্রেনটি থামবে ৭ টি স্টেশনে ।
ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু হবে আগামী ৩ এপ্রিল। অগ্রিম টিকিট মিলবে ২৪ মার্চ থেকে। গতবারের মতো এবারও ঈদযাত্রার কোনো টিকেট কাউন্টারে বিক্রি করা হবে না। অনলাইনেই টিকিট মিলবে শতভাগ ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় স্ত্রীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটার জেরে বড় ভাইয়ের দায়ের কোপে ছোট ভাই ফয়সাল খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বড় ভাই মোর্শেদকে (৪০) আটক করেছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার পশ্চিম জোড়কানন ইউনিয়নের গোয়ালগাঁও গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ফয়সাল (৩৫) গোয়ালগাঁও গ্রামের মৃত রাজা মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত মোর্শেদ তার আপন বড় ভাই।
ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানায়, স্থানীয় একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করেন অভিযুক্ত মোর্শেদের স্ত্রী। বুধবার দিবাগত রাতে তিনি নাইট শিফটে ডিউটি করে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি ফিরে ঘুমাতে যান। সকালে ঘরের পাশে শিশুরা হৈ-হুল্লোড় করলে মোরর্শেদ ঘর থেকে বের হয়ে স্ত্রীর ঘুমে ব্যাঘাত হচ্ছে বলে তাদের বকা দেন। এ সময় ছোট ভাই ফয়সাল বড় ভাইকে নিষেধ করলে দুই ভাইয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে তারা দুজনই বাড়ি থেকে বের হয়ে যান।
এরপর দুপুর দেড়টার দিকে দুই ভাই পুনরায় বাড়ি ফিরে আবারও বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে মোর্শেদ ঘর থেকে দা নিয়ে এসে ছোট ভাই ফয়সালকে কোপ দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় বিকেল সাড়ে ৩টায় স্থানীয় সুয়াগাজী বাজারে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মোর্শেদকে আটক করা হয়।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানায় ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম ।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান জানিয়েছেন আসন্ন এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের যে কোনো অসুবিধা মোকাবিলা করতে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত থাকবে ।
মঙ্গলবার(১৩ ফেব্রুয়ারী) রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ট্রাফিক বিভাগের আয়োজিত ‘এস এস সি পরীক্ষা ২০২৪ উপলক্ষে সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
মুনিবুর রহমান বলেছেন, পরীক্ষার্থীদের যে কোনো অসুবিধা মোকাবিলা করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এর ট্রাফিক বিভাগের প্রতিটি জোন কর্তৃক আলাদা আলাদা কুইক রেসপন্স টিম ( কিউআরটি ) গঠন করা হবে। এছাড়াও যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯ এ ফোন করে সহায়তার আহ্বান জানানো যাবে। এক্ষেত্রে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা থাকবে।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মুনিবুর রহমান আরও বলেছেন, পরীক্ষা শুরুর আগে এমনভাবে বের হতে হবে যেন নূন্যতম ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানো যায়। যে সব সড়ক পারাপারে রেল ক্রসিং আছে তা বিবেচনা করে বাসা হতে সময় বিবেচনা করে রওয়ানা দেওয়া জরুরি। আপনার বাসার বা পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশের সড়কে যদি কোনো খোড়াখুড়ি/মেরামত কাজ চলে তবে তা বিবেচনায় নিয়ে সময় মত রওয়ানা দিতে হবে। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাবধাণতা অবলম্বন করে যানবাহনে চলাচলের অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি।
মন্তব্য করুন