

ঢাকার আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের লিডারসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, গাঁজা, মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গ্রেপ্তারদের প্রিজন ভ্যানে করে অন্যান্য আসামির সঙ্গে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর পাঁচটি পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আশুলিয়ার ইয়ার হোসেন (২০), জামগড়ার সোনা মিয়া (৪৫), একই এলাকার আশরাফুল (১৮), বড় বাবু (১৯), আকাশ (১৮) ও ১৭ বছরের এক কিশোর।
যৌথ বাহিনী জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাতভর অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোর গ্যাং লিডার ইয়ার হোসেন, মাদক ব্যবসায়ী সোনা মিয়াসহ মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইয়ার হোসেন ও সোনা মিয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, অনলাইন বেটিং, মাদক ব্যবসা এবং কিশোর গ্যাং কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। অভিযানে ১৬টি দেশীয় অস্ত্র, ৫টি ধারালো অস্ত্র ও কাঁচি, ৪৮টি মোবাইল সিম এবং ৮টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান জানান, দেশীয় অস্ত্র, গাঁজা, মোবাইল ফোন ও অপরাধে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামসহ ৬ জনকে থানায় হস্তান্তর করেছে যৌথ বাহিনী। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বন্যায় চারদিক যখন ডুবন্ত তখন এক অসহায় অন্তঃসত্ত্বাকে সেনাবাহিনী উদ্ধার করেছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই নারী কাতরাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট থেকে এ তথ্য জানা যায়।
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) ফেনী জেলার ফুলগাজী থেকে তাকে উদ্ধার করে অ্যাভিয়েশন হেলিকপ্টার।
পোস্টে বলা হয়েছে, বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী সিলেট, চট্টগ্রাম এবং কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের অধীন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনা, জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং ত্রাণ বিতরণে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে।
ওই নারীকে সেনাবাহিনীর অ্যাভিয়েশন হেলিকপ্টারে করে কুমিল্লা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
পোস্টটিতে
সবশেষে বলা হয় যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জনগণের পাশে দৃঢ়ভাবে আছে এবং তাদের সহায়তা
এবং উপস্থিতি অব্যাহত রেখেছে।
মন্তব্য করুন


ঝালকাঠিতে
প্রেমিকার রান্না করা নুডুলস খাওয়ার পর সজল দেবনাথ (১৯) নামে এক কলেজছাত্রের রহস্যজনক
মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। আর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার
(১১ নভেম্বর) সকালে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সজলের মৃত্যু হয়। সজল
দেবনাথ ঝালকাঠি সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ও ঝালকাঠি সদরের জেলেপাড়া এলাকার
বাসিন্দা সনাতন দেবনাথের ছোট ছেলে।
সজলের
পরিবার জানায়, রবিবার রাতে জগদ্ধাত্রী পূজার উৎসবে অংশ নিয়ে সজল বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন।
রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হঠাৎ অস্বাভাবিক আওয়াজ পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তার কক্ষে গিয়ে
দেখেন, সজলের পা বাঁধা অবস্থায় এবং তার কথিত প্রেমিকা তিথি খাটের নিচে লুকিয়ে আছেন।
দ্রুত তাকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকদের চেষ্টা সত্ত্বেও
তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
সজলের
বড় বোন অভিযোগ করেন, তিথি তার বাসা থেকে সজলের জন্য নুডুলস নিয়ে আসেন, যা খাওয়ার পরই
সজলের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিবারের ধারণা, নুডুলসে কোনো বিষাক্ত পদার্থ থাকতে
পারে, যা সজলের মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
এ
বিষয়ে প্রেমিকা তিথি জানান, তাদের দু’বছরের সম্পর্ক রয়েছে এবং জগদ্ধাত্রী পূজার দিন
তারা কিছুক্ষণ সময় কাটান। তবে সজলের আচরণ নিয়ে মতবিরোধের কারণে তাদের মধ্যে তর্ক হয়
এবং তিথি অভিযোগ করেন, সজল তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। ঘটনার দিন রাতে সজলের সঙ্গে
কাটালেও তিনি ঘটনাটি আড়াল করেন।
ঝালকাঠি
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার এটিএম মেহেদী হাসান সামি বলেন, গভীর রাতে হাসপাতালে
আনার পর দীর্ঘক্ষণ চিকিৎসা করা হলেও সজলকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর
সঠিক কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।
ঝালকাঠি
সদর থানার পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত শুরু করেছেন।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী
ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও উপপরিদর্শক মো: মুরাদ হোসেন এর নেতৃত্বে আজ
শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নিমসার বাজারের
পশ্চিমে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে গাড়ি চালকদের বিশ্রামাগারের পাশে রাস্তার উপর ঢাকা অভিমুখী হানিফ-পাহাড়িকা ডিলাক্স
নামক বাস তল্লাশী করে ১৫ কেজি গাঁজাসহ মোসা: কল্পনা আক্তার (৩০) ও কুলসুম আক্তার (২৪)
নামীয় দুইজন আসামিকে আটক করা হয়।
আসামী মোসা: কল্পনা আক্তার ও কুলসুম
আক্তার দুটি কাপড়ের ব্যাগে ৭.৫ কেজি করে মোট ১৫ কেজি গাঁজা নিয়ে কুমিল্লার নিমসার বাজার থেকে হানিফ-পাহাড়িকা ডিলাক্স
নামক বাসে ওঠেন।
আসামিরা জানান যে, সংসার চালানোর জন্য
টাকার বিনিময়ে এটি ঢাকায় পৌঁছে দিবেন।
আটককৃত আসামি মোসা: কল্পনা আক্তার
(৩০) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার বুরবুরিয়া
গ্রামের মো: মাসুদ রানার স্ত্রী। অপর আসামি কুলসুম আক্তার (২৪) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার দুর্গাপুর গ্রামের নুর মোহাম্মদের
স্ত্রী।
আসামীদের বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক মো: মুরাদ
হোসেন বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


ফেনী
জেলার পরশুরাম উপজেলায় হাত-পা ও মুখ বেঁধে উম্মে সালমা লামিয়াকে (৭) হত্যাকাণ্ডের নতুন
তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। শিশুটির সৎ মা রেহানা আক্তারকে ফাঁসাতে আপন মা আয়েশা আক্তার হত্যাকাণ্ডের
পরিকল্পনা করেছিলেন। আয়েশা আক্তার কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ
জানিয়েছে, মেয়েকে হত্যার ঘটনায় আয়েশা নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন। বৃহস্পতিবার
(৮ ফেব্রুয়ারি) তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক কারাগারে পাঠান।
পরশুরাম
মডেল থানার ওসি মো. শাহাদাত হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
গতকাল
বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ফেনী জেনারেল হাসপাতালে লামিয়ার ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে পরশুরামের
বাঁশপদুয়া গ্রামে তার দাফন করা হয়।
ওসি
মো: শাহাদাত হোসেন জানান, গত মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) হত্যার শিকার হয় শিশু লামিয়া।
রাতে তার বাবা মো: নূর নবী বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে পরশুরাম থানায় একটি মামলা দায়ের
করেন। সে রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের মা আয়েশা আক্তার ও সৎ মা রেহানা আক্তারকে
হেফাজতে নেয় পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদ
শেষে বৃহস্পতিবার সকালে আয়েশাকে গ্রেপ্তার দেখায় পরশুরাম মডেল থানা।
ওসি
শাহাদাত হোসেন আরও জানান, শিশু লামিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তার আপন ও সৎ মাকে
জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় নূর নবীর প্রথম স্ত্রী ও নিহত লামিয়ার মা আয়েশা আক্তার হত্যাকাণ্ডে
জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে নূর নবীর করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
গত
মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে হেলমেট পরা ২ যুবক পরশুরাম পৌরসভার পশ্চিম বাঁশপদুয়া এলাকার
এয়ার আহামদের ভাড়া বাসায় এসে নিজেদের পল্লী বিদ্যুতের লোক দাবি করে দরজা খুলতে বলে।
লামিয়া দরজা খুলে দিলে তারা ঘরের ভেতরে ঢুকে তাকে টেপ দিয়ে হাত-মুখ-পা বেঁধে হত্যা
করে। লামিয়ার বড় বোন ফাতেমা আক্তার নিহা (১২) এ ঘটনা দেখে পালিয়ে পাশের একটি বাড়িতে
আশ্রয় নেয়। তবে ওই ২ যুবককে এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। হেফাজতে নেওয়ার পর নূরের ২য়
স্ত্রী রেহানাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ঘটনার সঙ্গে তার জড়িত থাকার বিষয়ে কোনো তথ্য
পাওয়া যায়নি। যে কারণে রেহানাকে বাদীর জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের
মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হবে বলেও জানান ওসি শাহাদাত।
নিহত
লামিয়ার বাবা নূর নবী বলেন, বিচ্ছেদের পরও আমার সাবেক স্ত্রী আয়েশার সাথে বিরোধ চলে
আসছিল। আমাকে ও আমার বর্তমান স্ত্রীকে ফাঁসাতেই আয়েশা এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন।
তিনি
আয়েশার শাস্তি দাবি করেছেন।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে রৌমারী থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রাজীবপুর উপজেলার মরিচাকান্দি গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে সবুজ মিয়া (২৪) ও একই উপজেলার বদরপুর গ্রামের মৃত জিয়ারুল হকের ছেলে রাসেল মিয়া (২২)
রৌমারী থানা সূত্রে জানা যায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং শুক্রবার দুপুরে যাদুরচর ইউনিয়নের কাশিয়াবাড়ি এলাকায় বেলাল হোসেনের বাড়ীর পাশে রাস্তার ধারে রেখে দেওয়া একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়ে যায়। মোটরসাইকেল মালিক কাশিয়াবাড়ি গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে আবু সাইদ বাদী হয়ে রৌমারী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের পরপরই রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেলিম মালিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চোরদের গতিবিধি শনাক্ত করেন। পরে এসআই তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম অভিযান চালিয়ে ১৮ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৪টায় ময়মনসিংহের ভালুকা থানার স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে রৌমারী থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় আরও দুইজন পলাতক রয়েছে—রাজীবপুর উপজেলার ইনছান আলীর ছেলে তারেক রহমান (৪০) এবং বদরপুর উত্তরপাড়া আশ্রয়কেন্দ্র এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে জসিম উদ্দিন (৩০)।
মোটরসাইকেল মালিক আবু সাইদ বলেন,
“রৌমারী থানা পুলিশ অত্যন্ত তৎপরতা দেখিয়েছে। চুরির এক মাসের মধ্যেই চোরদের গ্রেপ্তারসহ আমার মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে। পুলিশের এই উদ্যোগ এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা করিয়েছেন।
এ ব্যাপারে রৌমারী থানা পুলিশ জানিয়েছেন যে কোন ঘটনা হলে আমাদেরকে তৎক্ষণাৎ জানাবেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার দক্ষিণগ্রাম এলাকায় সড়কে সিএনজি ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে চালক নিহত এবং গুরুতর আহত হয়েছে ২ জন।
আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সাড়ে ৮টার দিকে কুমিল্লা- সালদা সড়কের দক্ষিণ গ্রাম এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা-সালদা সড়কে দিয়ে একটি সিএনজি শংকুচাইল থেকে ছেড়ে কুমিল্লা দিকে যাওয়া পথে দক্ষিণগ্রাম এলাকায় পৌঁছলে একটি মোটরসাইকেলের সাথে সংঘর্ষ হয়। এসময় ঘটনাস্থলে সিএনজি চালক মারা যায় ও মোটরসাইকেলের চালকসহ দুইজন গুরুতর আহত হয়। তারা কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। নিহত চালকের নাম মো.আনোয়ার হোসেন উরফে কালা মিয়া (৪৫)। সে কুমিল্লা সদরের আমড়তলী উত্তরপাড়া মৃত. জাহের মিয়ার ছেলে। ঘটনাস্থলে বুড়িচং থানার এসআই জয়নুল ও সঙ্গীয় ফোর্স মরদেহ ও সিএনজি, মোটরসাইকেল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় সিএনজি চালক মোজাম্মেল জানায়, এই সড়কে প্রতিদিন একটি না একটি দুর্ঘটনা হয়ে থাকে শুধু বেপরোয়া মোটরসাইকেলের চালকদের কারণে। সিএনজি চালক কালা মিয়া একজন ভালো লোক ছিলেন।
নিহত চালকের বোন জামাই রফিকুল ইসলাম জানায়, কালা মিয়া একজন দরিদ্র লোক ছিলেন এবং তার উপার্জনে পরিবার চলত।
এ বিষয়টি নিশ্চিত করে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান জানায়, দক্ষিণগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি চালক নিহত হয়েছে, লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাদের আপনজনের মঙ্গল কামনায় মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর ২০২৩) দ্বিতীয়দিনে কুমিল্লা মহানগরীর লাকসাম রোডস্থ মহেশাঙ্গণে লোকনাথের আরাধনায় নিমগ্ন থেকে এই ব্রত পালন করেন জেলার বিভিন্ন উপজেলা হতে আগত প্রায় সাড়ে ৮ শতাধিক লোকনাথ অনুসারী ভক্ত ও পূর্ণ্যাথী। এ সময় প্রদীপ, ধুপ, ফল, ফুল সামনে নিয়ে একাগ্রচিত্তে নারী-পুরুষ, শিশু-তরুণ-বৃদ্ধ নির্বিশেষে মগ্ন থাকেন আরাধনায়।
জানা যায়- প্রাণঘাতী রোগ কলেরা-বসন্তের হাত থেকে বাঁচার জন্য কার্তিক মাসে উপবাস পালন এবং আশ্রম প্রাঙ্গণে ঘিয়ের প্রদীপ ও ধূপ-ধুনা জ্বালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বাবা লোকনাথ। সেই থেকে বিপদ-আপদ, রোগবালাই থেকে মুক্তি পেতে ও আপনজনের কল্যাণ কামনা করে লোকনাথ অনুসারী ও ভক্তরা পালন করে থাকেন ‘রাখের উপবাস’। কার্তিক ব্রত কোন কোন স্থানে ‘গোসাইর উপবাস’ নামেও পরিচিত এই ব্রত। প্রতি বছরের ১৫ কার্তিকের পর মাসের বাকি সময়ের প্রতি শনি ও মঙ্গলবার লোকনাথ অনুসারীরা এই ব্রত পালন করেন। প্রতিবছর ঘটা করে এ উৎসব পালিত হয়। বিকেল ৩টা হতেই দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তরা মহেশাঙ্গণে এসে জড়ো হন।
কুমিল্লা মহেশাঙ্গণ লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক হারাধন ভৌমিক ও লোকনাথ যুব সেবা সংঘের সাধারণ সম্পাদক লিটন চন্দ্র দাস এর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এই ব্রতের আগের দিন সংযম করতে হয়। তারপর উপবাস থেকে সন্ধ্যায় আগে ধূপ-প্রদীপ ইত্যাদি নিয়ে বসতে হয়। আরাধনায় বসে প্রদীপ জ্বালানোর পর কথা বলা বন্ধ করে দিতে হয়। সংযম, মনোব্রতের মাধ্যমে একাগ্রচিত্তে লোকনাথকে ডাকতে হয়। প্রদীপ আলো নিভে গেলে মন্দির থেকে ফলফলাদি ও চড়ুই প্রসাদ দেওয়া হয় পূণ্যার্থীদের। তারা বলেন- আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি লোকনাথ যুব সেবা সংঘের প্রায় শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত রয়েছে।
মহেশাঙ্গণে আসা একজন ব্রতী/পূর্ণ্যাথী ইতি রাণী ভৌমিক বলেন, আমি আজকে উপবাস থেকে আমার পরিবারের সকলের মঙ্গল কামণাসহ আপনজনের মঙ্গল কামনায় এখানে এসেছি প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করতে।
ওই অনুষ্ঠানে বাবার লোকনাথের পাঁচালী পাঠ করেন অধ্যাপক শ্যামা প্রসাদ ভট্টাচার্য।
এ-সময় উপস্থিত ছিলেন, লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘের সভাপতি ননী গোপাল পাল, সহ-সভাপতি প্রলয় সিংহ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ রায় চৌধুরী পার্থ এবং লোকনাথ যুব সেবা সংঘের সিনিয়র সদস্য এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার প্রমুখ। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘ ও লোকনাথ যুব সেবা সংঘের সদস্যবৃন্দসহ হাজার হাজার দর্শণ্যার্থী।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ। গতকাল
(১৪ জানুয়ারি) রাতে কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই (নিঃ) শেখ মফিজুর রহমান ও সঙ্গীয়
ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৪ নং আমড়াতলী ইউনিয়নের
বানাসুয়ায় ৫২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ তৌহিদুল ইসলাম প্রঃ মেহেদী হাসান প্রঃ
মনা কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: কুমিল্লা জেলার শাসনগাছা এলাকার মনসুর
মিয়ার ছেলে মোঃ তৌহিদুল ইসলাম।
গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (৮ এপ্রিল) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন উলুরচর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ শাহ আলম (২৫) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ শাহ আলম (২৫) কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার মুসাগাড়া গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত সিএনজি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক ছেড়ে দোকানের ভেতরে ঢুকে বাসযাত্রীসহ ১২ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের মধ্যে ৩জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তারা হলেন, আবদুর রহীম (৫০), গোপাল আশ্চর্য (৫০) ও নজরুল ইসলাম (৩৫)।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৮টার দিকে উপজেলার বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা টু সোনাইমুড়ী সড়কের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা সবুজ চৌধুরী জানান, রাত পৌনে ৮টার দিকে সোনাইমুড়ী উপজেলা থেকে জেলা শহর মাইজদীগামী যাত্রীবাহী জননী পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারায় নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে। তারপর সড়কের পাশে থাকা মকুলের ফার্সেসী ও রশীদের মুদি দোকানে ঢুকে পড়ে। বাসটি দোকানে ঢুকে গেলে ওষুধ দোকান ও মুদি দোকান ভেঙে তছনছ হয়ে যায়। এতে বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে দুই দোকানদারসহ ১২জন আহত হন। অপরদিকে,পল্লী বিদ্যুতের দুটি পিলার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন বন্ধ আছে।
বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অসীম কুমার জানান, আহত ৫ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঁচজনকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, চৌমুহনী ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে হাইওয়ে পুলিশ।
মন্তব্য করুন