

দুবাই,
সংযুক্ত আরব আমিরাত – নতুন বছরকে সামনে রেখে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) পবিত্র রমজান
এবং ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি।
এমিরেটস
অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল–জারওয়ান
বলেন, ১৪৪৭ হিজরির রমজান মাসের চাঁদ ১৭ ফেব্রুয়ারি দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। সে অনুযায়ী,
রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৮ ফেব্রুয়ারি এবং এটি চলতে পারে ২৯ বা ৩০ দিন।
জ্যোতির্বিজ্ঞানের
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি ২০ মার্চ শুরু হতে পারে।
সংস্থার
চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল-জারওয়ান জানান, রমজান মাস যদি ৩০ দিন পূর্ণ না হয়, তবুও ইউএই
সরকারের নীতি অনুযায়ী ৩০তম দিনটি ঈদের ছুটির সঙ্গে যুক্ত করা হবে। ফলে ঈদুল ফিতরের
সম্ভাব্য ছুটি ১৯ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত টানা চার দিন হবে। জ্যোতির্বিদদের পূর্বাভাস
অনুযায়ী, ঈদুল ফিতর শুরু হতে পারে ২০ মার্চ।
২০২৬
সালে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখও ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি ছুটি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী,
আরাফাত দিবস হতে পারে ২৬ মে এবং ঈদুল আজহা শুরু হতে পারে ২৭ মে। এই ছুটি ২৯ মে পর্যন্ত
চলতে পারে। সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হলে বাসিন্দারা সর্বোচ্চ ছয় দিনের ছুটি উপভোগ করতে
পারবেন।
তবে
অন্যান্য ইসলামি ছুটির মতো, ইউএইতে ঈদের চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর।
নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি এসে কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ছুটির দিন ঘোষণা করবে।
মন্তব্য করুন


সুনামগঞ্জের
দোয়ারাবাজারে লিয়াকতগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নির্বাচনী
(টেস্ট) পরীক্ষায় সাত বিষয়ে ফেল করার পর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার দাবিতে শিক্ষকদের
অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে স্কুলে তালা লাগিয়ে দিয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আরিফ লক্ষীপুর
ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল আজিজের ছেলে।
মঙ্গলবার
(৬ জানুয়ারি) সকালে দলবল নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য শিক্ষকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরীক্ষায় অংশ দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রধান শিক্ষকের অফিসে
তালা মেরে স্কুল খোলা যাবেনা বলে হুঁশিয়ারি দেয়। তালার ঘটনাটি শিক্ষক ভিডিও করলে অকথ্য
ভাষায় গালিগালাজও করে ওই শিক্ষার্থী।
এ
বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসিনা মমতাজ বলেন, টেস্টে যারা ৪ বিষয়ের উপরে ফেল
করবে তারা মূল পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেনা—এটা কমিটির সিদ্ধান্ত। দশম শ্রেণির
শিক্ষার্থী আরিফ টেস্ট পরীক্ষায় সাত বিষয়ে ফেল করায় তাকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের
সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সে স্কুলে এসে শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ করে এবং
স্কুলের কক্ষ তালাবদ্ধ করে দেয়।
এ
বিষয়ে জানতে চাইলে তালা মারার ঘটনা অস্বীকার করে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আরিফের বাবা আব্দুল
আজিজ। ভিডিও কে দিয়েছে উল্টো সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন বলে দাবি অভিযুক্তের বাবার।
বিষয়টি স্বীকার করে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আরিফের ভাষ্য, 'সকল বিষয়ে যে ১৬ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে শুধু তারা পরীক্ষা দেবে। এর বাইরে কাউকে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ দিলে আমাদেরও দিতে হবে। এই দাবি বার বার শিক্ষকদের জানানো হয়েছে উল্লেখ করে আরিফ জানায়, চার বিষয়ে ফেল করা ছাত্ররা ছাড় পেয়েছে, আমি পাইনি। তাই তালা দিয়েছি।'
মন্তব্য করুন


বেনাপোল প্রতিনিধি :
ঈদুল আজহা কুরবানির ঈদ উপলক্ষে
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে টানা পাঁচ দিন আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সেই সঙ্গে
কাস্টমস এবং বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
শুক্রবার সকাল থেকেই ছুটি
শুরু বলে জানান বন্দর সংশ্লিষ্টরা।
বেনাপোল কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ
স্টাফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান ও বন্দর কর্তৃপক্ষ এ তথ্য
নিশ্চিত করেন।
ঈদের বন্ধের আগেই পচনশীল
পন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাস সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে অনেক পন্যবাহি ট্রাক বন্ধে আটকা
পড়বে বলে জানান তিনি।
১৭ জুন ঈদুল আজহা। এ উপলক্ষে
১৪ থেকে ১৮ জুন বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকবে। তবে এই সময়ের
মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের
অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম বলেন, পাঁচ দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও দুই
দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। এ সময় সাধারণত যাত্রী যাতায়াত
একটু বেশি থাকে। সেজন্য ডেস্ক এবং অফিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক
রেজাউল করিম বলেন, ১৪জুন থেকে শুরু হচ্ছে সরকারি ছুটি। চলবে ১৮জুন। তবে ঈদের দিন ব্যাতিত
এসময় গুরুত্বপূর্ন পন্য আমদানি-রফতানি করা যাবে।
১৯ জুন সকাল থেকে আবার আমদানি-রফতানি বাণিজ্য শুরু হবে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
মিরপুর এলাকায় সরকারি হাসপাতালে নতুন চাকরি পাওয়া এক নারীর স্বামীকে অস্বীকৃতি জানানোর
ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর সুমি আক্তার নামের
এই তরুণী নার্স পদে নিয়োগ পান।
তবে
চাকরি পাওয়ার পর থেকেই তার স্বামী আশরাফুলের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে তীব্র টানাপোড়েন
দেখা দেয় এবং শেষ পর্যন্ত তিনি স্বামীকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি স্থানীয়
মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। একটি সরকারি হাসপাতালের নার্স হিসেবে নিয়োগ
পাওয়ার পর থেকেই সুমি ও আশরাফুলের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে। ভিডিওতে প্রকাশিত কথোপকথনে
দেখা যায়, স্বামী আশরাফুল অভিযোগ করছেন—“আমার চোর বানাইছে আমার ওয়াইফ সুমি…
রিলেশন করে আমারে চোর বানাইছে।”
তিনি
দাবি করেন, সুমি একজন অচেনা পুরুষের সঙ্গে নিয়মিত মোবাইলে যোগাযোগ করেন এবং একটি সন্দেহজনক
মোবাইল নম্বর নিয়ে তাদের মধ্যে তীব্র বিরোধ সৃষ্টি হয়।
ঘটনাস্থলে
উপস্থিত এক নারী নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সুমির মোবাইল নম্বর যাচাইয়ের কথা বলেন—
“আমি সাংবাদিক, নাম্বারটা উঠাও।”এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন—“উনি আমারে ডিস্টার্ব করে, আমি কি করব?”
আশরাফুল
দাবি করেন, সুমি আগে তার বৈধ স্ত্রী ছিলেন। কিন্তু চাকরি পাওয়ার পর তিনি স্বামী হিসেবে
তাকে অস্বীকার করছেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে “তালাক আছে”
শব্দও শোনা যায়, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। পাশে থাকা কয়েকজন পরিস্থিতি ঠান্ডা
করার চেষ্টা করে বলেন—“কেউ যাবে না, আইডেন্টিফাই আছে, সমস্যা
নাই।”তবে ততক্ষণে ঘটনাটি ভিডিওসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল
হয়ে যায়।
স্থানীয়দের
মতে, চাকরি পাওয়ার পর সুমি আক্তার নিজের ক্যারিয়ার ও সিদ্ধান্তে স্বাধীনতা চান। অন্যদিকে
স্বামী আশরাফুলের দাবি—সুমি নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন এবং তাকে
অপমান করছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে আলোচনায় বসার চেষ্টা হলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি।
স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি আইনগত পর্যায়ে গড়াতে পারে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য দেন।
সকালে দেশের আট বিভাগ থেকে আগত স্বেচ্ছাসেবকদের নিবন্ধনের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ৯টায় স্বেচ্ছাসেবক ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সকাল ১০টায় ধর্মগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, বড় অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্প কিংবা বন্যার মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় শুধু সরকারি বাহিনীর পক্ষে এককভাবে সব দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। স্বেচ্ছাসেবকেরা পেশাদার বাহিনীর সঙ্গে একযোগে কাজ করেই দুর্যোগকালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তিনি আরও বলেন, যেকোনো দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি জানান, স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য সুযোগ–সুবিধা বাড়ানো এবং তাদের প্রশিক্ষণের মান ও পরিমাণ বৃদ্ধি করতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বখশ চৌধুরী এবং ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামালসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নিঃস্বার্থ সেবার মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবকেরা জনগণের বন্ধু হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছেন। সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্পসহ বড় বড় দুর্ঘটনায় ফায়ার ফাইটারদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছেন স্বেচ্ছাসেবকেরা—যা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
অনুষ্ঠানের আগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পূর্বাচল ট্রেনিং গ্রাউন্ডে স্বেচ্ছাসেবকদের মহড়া পরিদর্শন করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক দেশের বিভিন্ন এলাকার বাছাই করা ২২ জন স্বেচ্ছাসেবককে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করেন। তিনি স্বেচ্ছাসেবকদের নিরলস ও সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করে আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতের সব দুর্যোগেও তাদের দেশপ্রেম ও নিষ্ঠা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক ছাড়াও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক, উপপরিচালক, ট্রেনিং কমপ্লেক্সের অধ্যক্ষসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-৯ সংসদীয়
আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা
করা হয়েছে।
আজ শনিবার বেলা
১১টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঢাকা জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম এ ঘোষণা দেন।
এতে তাৎক্ষনিক
প্রতিক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন তাসনিম জারা।
দুজনের স্বাক্ষর
নিয়ে সমস্যা থাকায় মনোনয়ন বাতিল ঘোষণার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একজন জানতেন তিনি
ঢাকা-৯ এর ভোটার। কিন্তু জানার উপায় ছিল না তিনি এই আসনের ভোটার না।’
তাসনিম জারা আরও বলেন, ‘আরেকজন যার ব্যতিক্রম এসেছে তার কাছে যে জাতীয় পরিচয়পত্রের
কপি রয়েছে, তাতে তিনি ঢাকা-৯ এর ভোটার। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বলছে তিনি এই আসনের ভোটার
নন।’
স্বাক্ষরকারী দুজনের জানা না থাকায় এমনটা হয়েছে জানিয়ে তাসনিম জারা বলেন, ‘তাদের
জানা ছিল তারা ঢাকা-৯ আসনের ভোটার। সে অনুযায়ী স্বাক্ষর দিয়েছেন। আর নির্বাচন কমিশনও
ভোটারদের আসন জানার কোনো উপায় রাখেনি।’
গত ২৯ ডিসেম্বর তাসনিম জারা ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র
জমা দেন।
তফসিল অনুযায়ী গত ২৯ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন। ৪ জানুয়ারির মধ্যে
বাছাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর প্রার্থিতা নিয়ে আপত্তি থাকলে ৫ থেকে ৯
জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করা যাবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয়
সংসদ ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
হলফনামার তথ্য
অনুযায়ী, ডা. তাসনিম জারা পেশায় একজন চিকিৎসক। চাকরি থেকে তার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩
হাজার ৩৩৩ টাকা।
এ ছাড়া দেশের
বাইরে তার আয় রয়েছে ৩ হাজার ২০০ ব্রিটিশ পাউন্ড। তিনি আয়কর হিসেবে পরিশোধ করেছেন ৩৪
হাজার ৫৭ টাকা।
মন্তব্য করুন


বর্তমান
পরিস্থিতিতে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ অনড় বলে
জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। এই অবস্থান
আইসিসিকে বোঝাতে বাংলাদেশ সক্ষম হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আজ
বুধবার ( ০৭ জানুয়ারি ) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৈঠক শেষে উপদেষ্টা এ
কথা জানান। বৈঠকে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলসহ বোর্ডের পরিচালকরা এবং যুব ও
ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা
বলেন, আমাদের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা, বাংলাদেশের নিরাপত্তা, বাংলাদেশের মর্যাদা- এটার
প্রশ্নে আমরা কোনো আপস করব না। আমরা ক্রিকেট খেলতে চাই, আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই। আরেকটা
যে আয়োজক দেশ আছে শ্রীলঙ্কা, আমরা সেখানে খেলতে চাই।
তিনি
বলেন, এই পজিশনে (ভারতে খেলতে না যাওয়া) আমরা অনড় আছি। আমরা কেন অনড় আছি, আমরা আশা
করি সেটা আইসিসিকে বোঝাতে সক্ষম হবো। আইসিসি আমাদের যুক্তিগুলো সহৃদ্যতার সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে
বিবেচনা করে আমরা কষ্ট করে যেটা অর্জন করেছি সেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমাদের খেলার
সুযোগ করে দেবে।
আইপিএল
থেকে মোস্তাফিজুর রহমানের নাম কলকাতা নাইট রাইডার্স বাদ দেওয়ার পর ভারতে টি-টোয়েন্টি
বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের জন্য আইসিসিকে জানায় বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে এবং আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুতির এক মাস পূর্তিতে দিনটিকে
স্মরণীয় করে রাখতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘোষিত ‘শহীদী মার্চ’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) পৌনে ৪টায়
মার্চটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে শুরু হয়। এর আগে বেলা ২টা থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
বিভিন্ন হল এবং আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল
নিয়ে বিভিন্ন টিএসসির দিকে আসতে থাকে। এ সময় তাদের গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কিত বিভিন্ন
স্লোগান দিতে দেখা যায়।
জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
শুরু হয়ে এই মার্চ নীলক্ষেত, নিউমার্কেট, কলাবাগান, ধানমন্ডি, সংসদ ভবন, ফার্মগেট,
কারওয়ান বাজার, শাহবাগ হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ হবে।
এর আগে, গতকাল (বুধবার) দুপুরে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এক সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র
আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। মার্চে শহীদদের স্মরণ
করে ছবি, উক্তিসহ বিভিন্ন স্মারক নিয়ে ছাত্র-জনতাকে স্বতঃস্ফূর্ত অংশ নেওয়ার আহ্বান
জানান তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা নিজ
জায়গা থেকে শহীদী মার্চে অংশ নেবে।
এ ছাড়া ঢাকা মহানগরসহ দেশের প্রতিটি
জেলা ও উপজেলায় শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে শহীদী মার্চ পালনের কথা জানান। সরকার পতনের এক
মাস পূর্তি উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আন্দোলনের শহীদদের
ছবি থাকতে পারে। যে কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন, সেসব কথা প্ল্যাকার্ডে
থাকতে পারে। এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে কী চাই, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের
কাছে কী চাই- এসবও থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে
নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন আজ রোববার ( ১৮ জানুয়ারি ) ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার
কার্যালয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সৌহার্দ্যপূর্ণ
পরিবেশে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে
মতবিনিময় করেন এবং বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও উন্নয়ন সহযোগিতার
বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
আলোচনায়
তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প এবং প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-চীন
মৈত্রী হাসপাতাল প্রসঙ্গ উঠে আসে। এ বিষয়ে চীনা রাষ্ট্রদূত জানান, তিনি তিস্তা প্রকল্প
এলাকা পরিদর্শন করবেন। পাশাপাশি চলমান কারিগরি মূল্যায়ন দ্রুত সম্পন্ন করতে চীনের প্রতিশ্রুতির
কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাতে
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক উত্তরণ প্রক্রিয়ায় তার সরকারের
অব্যাহত সমর্থনের কথা জানান। একই সঙ্গে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের
জন্য শুভকামনাও ব্যক্ত করেন।
দুই
পক্ষই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থে
সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় বিএনপি’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, বহু বছরের জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশনেত্রী, গণতন্ত্রের নেত্রী ও আমাদের মাতা বেগম খালেদা জিয়া কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। তিনি বলেন, “আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি—আমাদের এই সম্পদ, আমাদের দলের শক্তিকে যেন আল্লাহ সুস্থ করে দেন। যার আহ্বানে দেশের কোটি মানুষ সত্যের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত হয়ে যায়। আমাদের মাতা দেশের গণতন্ত্রের আইকন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জীবন্ত প্রতীক। তাঁর সুস্থতা ও আরোগ্য লাভ দেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত জরুরি।”
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকালে কুমিল্লা নগরীর ঐতিহাসিক টাউন হল মাঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি কামনায় দিনব্যাপী পবিত্র কোরআন খতম শেষে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কান্নাজড়িত কন্ঠে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করে হাজী ইয়াছিন বলেন, “২০০৮ সালে টাউন হলের এক বিশাল জনসভায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমার হাতে ধানের ছড়া দিয়ে বলেছিলেন—‘ইয়াছিন আমার সন্তান সমতুল্য, তার হাতে আমি ধানের ছড়া তুলে দিলাম।’ আজ সেই স্মৃতি আরও গভীর হয়ে আছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি সকলের কাছে অনুরোধ করবো—আপনারা সবাই আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করুন ও দোয়া করুন। সৃষ্টিকর্তা যেন আমাদের নেত্রীকে সুস্থ করে তোলেন। ২০০৮ সালের মতোই যেন ২০২৫ সালেও আবার তিনি এই টাউন হলের মঞ্চে আসতে পারেন। এবং সেই একই স্নেহের ভাষায় যেন বলতে পারেন—‘আমার সন্তান হাজী ইয়াছিনের হাতে আবার ধান তুলে দিলাম।”
হাজী ইয়াছিন দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আমার আর কোনো ব্যক্তিগত চাহিদা নেই। আমার একমাত্র আকাঙ্ক্ষা—আমার নেত্রী যেন আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়ে ওঠেন। আমি পুনরায় তার হাত থেকে ধানের ছড়া নিতে চাই। তিনি ফিরে এলে জনগণের হৃদয়ে আবার গণতন্ত্রের শক্তি ফিরিয়ে আনবেন।”
দোয়া মাহফিলের পুরো সময় জুড়েই টাউন হল মাঠে ছিল একটি প্রার্থনামুখর পরিবেশ। কোরআন তেলাওয়াত, দরূদ শরীফ পাঠ এবং বিশেষ মুনাজাতে অংশ নেন দলীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ।
নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড, উপজেলা, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সাধারণ নাগরিক এবং নানা পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এ দোয়া অনুষ্ঠানে।
দোয়া মাহফিলে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, কৃষকদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এডভোকেট আলী আক্কাস, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বর্ষীয়ান নেতা এস এ বারী সেলিম, মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মাহাবুবর রহমান দুলাল, আতাউর রহমান ছুটি, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন—কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, যুবদলের ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ মাহমুদ জহির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু এবং যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব।
অন্যদের মধ্যে ছিলেন—জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহরম, মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, কৃষকদলের সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী এবং সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান।
এছাড়া মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিবসহ অগণিত নেতাকর্মী ও অংশগ্রহণকারী দোয়া মাহফিলের পরিবেশকে আরও আন্তরিক করে তুলেন।
অনুষ্ঠান শেষে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, “আমরা আজ আমাদের নেত্রী বেগম জিয়ার জন্য দোয়া করেছি। আমরা বিশ্বাস করি—আল্লাহর রহমতে ইনশাআল্লাহ তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং আগামীতেও দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গঠন ও রক্ষায় তাঁর ভূমিকা থাকবে।”
মন্তব্য করুন


রাজশাহীর
তানোরের কয়েলের হাট মধ্যপাড়া এলাকায় শিশু সাজিদকে ২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার করা
সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে ৪২ ফুট গভীর পর্যন্ত গিয়ে শিশুটিকে খুঁজে পাননি ফায়ার সার্ভিসের
কর্মীরা। তাই নতুন করে আরও ১০ ফুট গর্ত খননের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
ঘটনাস্থল
থেকে ব্রিফিংয়ে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম বলেন, ‘গর্তটি
১৫০ থেকে ২০০ ফুট গভীর। এর ভেতরে যে কোনো জায়গায় শিশুটি আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশ্বের কোথাও এমন কোনো প্রযুক্তি নেই যে, এত গভীর গর্ত থেকে তাৎক্ষণিক কাউকে উদ্ধার
করবে। নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আমরা পাশে গর্ত করে অনুসন্ধান চালাচ্ছি। এত গভীরে
পৌঁছাতে বিভিন্ন উন্নত দেশেও ৭৫-৭৮ ঘণ্টা সময় লাগে।’প্রথম পর্যায়ে ৩৫ ফুট পর্যন্ত গর্তে
ক্যামেরা পাঠানো হলেও কিছু দেখা যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখন ৪৫ ফুট পর্যন্ত নামতে
পেরেছে ফায়ার সার্ভিস। আমরা সর্বোচ্চ প্রযুক্তি ব্যবহার করছি।’
এর
আগে বুধবার দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কয়েক দফা চেষ্টায় নলকূপের ৩০ ফুট গর্তে ফায়ার
সার্ভিসের কর্মীরা ক্যামেরা নামায়। কিন্তু ওপর থেকে পড়া মাটি ও খড়ের কারণে শিশুটি তারা
দেখতে পায়নি। তবে একই দিন দুপুরে শিশুটির কান্নার আওয়াজ শোনা যায়।
শিশুটির
মা রুনা খাতুন জানান, বুধবার দুপুর ১টার দিকে মেজো ছেলে সাজিদের হাত ধরে তিনি বাড়ির
পাশের মাঠে যাচ্ছিলেন। এ সময় তার ছোট একটি সন্তান কোলে ছিল। হাঁটার সময় হঠাৎ পেছন থেকে
সাজিদ মা বলে ডেকে ওঠে। পেছনে তাকিয়ে দেখেন, ছেলে নেই, গর্তের ভেতর থেকে মা, মা বলে
ডাকছে। গর্তটির উপরে খড় বিছানো ছিল। ওখানে যে গর্ত ছিল, সেটা বুঝতে পারেননি তিনি নিজে
কিংবা ছেলেও। ওই জায়গায় পা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ছেলে গর্তের ভেতর পড়ে যায়। লোকজন ডাকাডাকি
করতে করতেই ছেলে গর্তের তলায় চলে যায়।
স্থানীয়রা
জানান, এক বছর আগে জমির মালিক কছির উদ্দিন সেচের জন্য সেমিডিপ নলকূপ বসাতে গিয়ে এ গর্তটি
খনন করেছিলেন; কিন্তু পানি না মেলায় কাজটি আর এগোয়নি। ফলস্বরূপ খোলা অবস্থাতেই রয়ে
যায় বিপজ্জনক এ গর্তটি। গতকাল সেই অবহেলাই যেন প্রাণসংকটে ফেলেছে দুই বছরের নিষ্পাপ
সাজিদকে। শিশুটির মা খড় তুলতে মাঠে গিয়েছিলেন। সে সময় খেলতে থাকা সাজিদ হঠাৎ গর্তে
পড়ে যায়। প্রথমে স্থানীয়রা প্রাণপণ চেষ্টা করেও তাকে তুলতে পারেননি। খবর দেওয়া হয় ফায়ার
সার্ভিসে।
মন্তব্য করুন