

আসন্ন এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাঠে খেলতে নামবে বাংলাদেশ ফুটবল দল। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ নভেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে।
সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুর ২টা থেকে অনলাইনে শুরু হয় এই ম্যাচের টিকিট বিক্রি। শুরু হওয়ার পর মাত্র ছয় মিনিটেই শেষ হয়ে যায় সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) প্রতিযোগিতা কমিটির চেয়ারম্যান ও নির্বাহী সদস্য, সাবেক জাতীয় ফুটবলার গোলাম গাউস বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,
“মাত্র ছয় মিনিটেই সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট বুকিং হয়ে গেছে। এখন ক্রেতারা পেমেন্ট সম্পন্ন করছেন, এর মধ্যেই অর্ধেকের বেশি পেমেন্ট শেষ হয়েছে। সাধারণ গ্যালারির কোনো টিকিট অবিক্রিত নেই; এখন রেড বক্স ও হসপিটালিটি টিকিট পাওয়া যাচ্ছে।”
এর আগে ঘরের মাঠে সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচে সাধারণ গ্যালারির টিকিটের দাম ছিল ৪০০ টাকা। কিন্তু ভারত ম্যাচ ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ বিবেচনা করে টিকিটের মূল্য বাড়িয়ে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাফুফে।
দাম বাড়লেও উৎসাহী সমর্থকদের চাহিদায় কোনো ভাটা পড়েনি। টিকিট বিক্রি শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। উল্লেখযোগ্যভাবে এবার টিকিট সংগ্রহে ভোগান্তি বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
আগামী ১৮ নভেম্বরের ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ, যারা আগের অ্যাওয়ে ম্যাচে শিলংয়ে ভারতের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল। এই ম্যাচটি ঘিরে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে এখন তীব্র উত্তেজনা ও প্রত্যাশা বিরাজ করছে।
মন্তব্য করুন


সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ শনিবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তিনি এ সংবর্ধনা প্রদান করেন।
এ সময় নারী ফুটবল দলের সদস্যরা তাঁদের স্বপ্ন ও খেলোয়াড় জীবনের প্রতিদিনের সংগ্রামের কথা প্রধান উপদেষ্টার সামনে তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বিজয়ী খেলোয়াড়দের বিভিন্ন দাবি ও কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অগ্রাধিকারভিত্তিতে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।
গত ৩০ অক্টোবর কাঠমান্ডুতে সপ্তম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে পরাজিত করে শিরোপ জিতে নেয় বাংলাদেশ দল।
নারী ফুটবলারদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই সাফল্যের জন্য আমি পুরো জাতির পক্ষ থেকে তোমাদেরকে অভিনন্দন জানাই। জাতি তোমাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমাদের দেশের মানুষ সাফল্য চায়, আর তোমরা সেই সাফল্য এনে দিয়েছ।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে সম্মানিত বোধ করছি।
তিনি বলেন, অনেক বাধা পেরিয়ে আমরা এই পর্যায়ে পৌঁছেছি। শুধু নারী ফুটবল দলই নয়, বাংলাদেশের নারীদের সামগ্রিকভাবে নানা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
২০০৯ সালে ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করা সাবিনা তাঁর আগের প্রজন্মের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, আগের প্রজন্ম
ফুটবলকে তাঁদের ভালবাসা হিসেবে বেছে নেওয়ার সাহস দেখিয়েছিলেন।
সাবিনা আরো বলেন, আমাদের অনেকে সাধারণ পরিবার থেকে এসেছে এবং তার পরিবারকে আর্থিকভাবে
সাহায্য করতে হয়।
তিনি বলেন, আমাদের বেতন খুব বেশি নয়। এই বেতন দিয়ে পরিবারকে তেমন কোন সাহায্য করতে পারি না।
এই তারকা স্ট্রাইকার তাঁর কয়েকজন সহযোদ্ধার সংগ্রামের গল্প, যেমন মারিয়া মান্দারের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
ময়মনসিংহের বিখ্যাত কলসিন্দুর গ্রামের মারিয়া, যেখান থেকে সাফ বিজয়ী দলের ছয়জন খেলোয়াড় এসেছেন, ছোটবেলায় তাঁর বাবাকে হারান এবং মা তাকে বড় করেন।
উইঙ্গার কৃষ্ণা রানী সরকার ঢাকায় তাঁদের আবাসন সমস্যার কথা উল্লেখ করেন, আর মিডফিল্ডার মানিকা চাকমা খাগড়াছড়ি জেলার দূরবর্তী লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার ফুটবলার হিসেবে উঠে আসার সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন।
মিডফিল্ডার স্বপ্না রানী তাঁর নিজ জেলা দিনাজপুরের রানীশংকৈল উপজেলায় তার গ্রামের দূর্বল অবকাঠামোর কথা বলেন।
উইঙ্গার কৃষ্ণা প্রধান উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ করেন যেন তাঁদের জন্য এশিয়ার বাইরে একটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়, বিশেষ করে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বিজয়ী বার্সেলোনার সঙ্গে।
প্রধান উপদেষ্টা প্রত্যেক খেলোয়াড়কে তাদের ব্যক্তিগত আশা-আকাঙ্ক্ষা, সংগ্রাম ও তাদের বিভিন্ন দাবি আলাদাভাবে কাগজে লিখে তাঁর কার্যালয়ে জমা দেওয়ার জন্য বলেন।
অধ্যাপক ইউনুস বলেন, ‘তোমরা যা কিছু চাও তা লিখতে দ্বিধা করো না আমরা তোমাদের দাবিগুলো পূরণ করার চেষ্টা করব। যদি কিছু এখনই করা সম্ভব হয়, আমরা তা করব’।
কোচ পিটার বাটলার এবং ম্যানেজার মাহমুদা আক্তারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া, সুপ্রদীপ চাকমা, অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এবং নূরজাহান বেগম।
মন্তব্য করুন


সন্তানের
ত্বক এবং মাথার চুলের রং ভিন্ন হওয়ায়
স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন মোজাফ্ফর হোসেন নামের এক যুবক। যশোর
সদরের রামনগর ইউনিয়নের বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।
জানা
গেছে, বছর পাঁচেক আগে যশোর সদর উপজেলার বাউলিয়া চাঁদপাড়া গ্রামের মজিদ মোল্লার ছেলে মোজাফ্ফর হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় বাজুয়াডাঙ্গা পশ্চিমপাড়ার
শহিদ মোল্লার মেয়ে মনিরা খাতুনের।
২০২২
সালের ১৩ নভেম্বর এই
দম্পতির শিশু আফিয়ার জন্ম। শিশুটি দেখতে আর পাঁচটা সাধারণ
বাচ্চার মতো না হওয়ায় স্ত্রী
ও মেয়েকে ত্যাগ করে প্রবাসী হন মোজাফফর। মিথ্যা
অপবাদ দিয়ে মনিরা খাতুনকে তালাক দেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর।
মনিরা
বলেন, আফিয়া জন্মের পরপরই ওর বাবা আমাকে
নানা অপবাদ দিতে শুরু করে। মেয়ে তার না। আমার অন্য কারো সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক ছিল। আস্তে আস্তে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। পরে ৭ থেকে ৮
মাস পর আমাকে তালাক
দিয়ে দেয়। এরপর আমার ও আমার মেয়ের
কোনো খোঁজ নেয়নি।
তিনি
জানান, ২০২৪ সালের ২১ মে স্থানীয়দের
সহযোগিতায় একটি সালিশ হয়। সেই সময় স্বামী মোজাফফরের পক্ষে তার বড় ভাই আবু
বক্কর আফিয়ার খরচ বাবদ প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০
টাকা দেওয়ার অঙ্গীকার করেন; কিন্তু দুই বছর পার হলেও কোনো টাকা দেয়নি। ফলে সন্তানকে নিয়ে চরম দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন তিনি।
মন্তব্য করুন


আজ
২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। আজ থেকে ১৭ বছর আগে এই দিনে দেশের সীমান্তরক্ষী
বাহিনী বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)-এর সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানায় বিদ্রোহের নামে সংঘটিত
হয় বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড। এতে বিডিআরের তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদসহ
৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নির্মমভাবে নিহত হন।
মেজর
জেনারেল সাকিল আহমেদের স্ত্রীসহ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিকও ওই দিন প্রাণ হারান। পরদিন
২৬ ফেব্রুয়ারিও হত্যাযজ্ঞ চলতে থাকে। ২০০৯ সালের এই মর্মান্তিক দিনটিকে গত বছর থেকে
‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।
আজ
বুধবার সকালে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনাদের
রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রদ্ধা জানাবেন। দিবসটি শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ, দোয়া এবং রাষ্ট্রীয়
শ্রদ্ধা জানানোর দিন হিসেবে পালন করা হয়। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর একটি স্বাধীন
তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও জড়িতদের
বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করা হয়।
দিবসটি
উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তিনি বলেন, ‘আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি,
জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ
সংঘটিত হয়েছিলো। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিলো। ২০০৯ সালের
পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি।
২০২৪
সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’
হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা
করছি। তাদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ
করছি।’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত
কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকান্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব
বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিলো- নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরী
বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকান্ডের পর নানারকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত
করার চেষ্টা হয়েছিলো। তবে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে
জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকান্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য।’তিনি
আরও বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে
আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই
শপথে বলীয়ান হতে হবে।
দেশ
এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে
দাঁড়াবো- এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি
ঢাকার পিলখানায় বিডিআরের একটি অংশ সদর দপ্তর দখল করে নেয়। তারা মহাপরিচালক মেজর জেনারেল
সাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা এবং ১৭ জন বেসামরিক ব্যক্তিকে হত্যা করে। বেসামরিক
লোকজনের ওপর গুলি চালানো হয়। অনেক সেনা কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারকে জিম্মি করা হয়।
স্থাপনা ও সম্পদ ভাঙচুর এবং মূল্যবান সামগ্রী লুটপাট করা হয়।
জানা
যায়, ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ওই ঘটনায় সদর দপ্তরে আটকে পড়া সেনা কর্মকর্তাদের উদ্ধারে
তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ ছিল না। তথাকথিত বিদ্রোহী সেনাদের
সঙ্গে আলোচনা ও অস্ত্র সমর্পণের নামে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতাদের
কার্যক্রম গোটা জাতি প্রত্যক্ষ করেছে। পরবর্তী সময়ে ঘটনার শিকার, ভুক্তভোগী এবং ভাগ্যক্রমে
বেঁচে ফেরা সেনা কর্মকর্তা ও অন্যরা ওই ঘটনার ভয়াবহতার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


সাগরপথে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারের সময় কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপকূলে অভিযান চালিয়ে দুটি ট্রলারসহ ২৩ জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এ সময় ট্রলার দুটি থেকে ১ হাজার ৭৫০ বস্তা সিমেন্ট ও ৩২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
বুধবার বিকেলে নৌবাহিনীর পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারের উদ্দেশ্যে একটি চক্র সাগরপথ ব্যবহার করছে—এমন তথ্য পেয়ে নৌবাহিনী অভিযান চালায়।
বঙ্গোপসাগরে টহলরত নৌবাহিনীর জাহাজ শহীদ মহিবুল্লাহ কুতুবদিয়া বাতিঘর থেকে প্রায় ৪৬ নটিক্যাল মাইল দূরে দুটি সন্দেহজনক কাঠের ট্রলার শনাক্ত করে। থামার সংকেত দিলে ট্রলার দুটি পালানোর চেষ্টা করে।
পরে ধাওয়া চালিয়ে নৌবাহিনী ‘এফবি আজিজুল হক’ ও ‘এফবি রুনা আক্তার’ নামের ট্রলার দুটি আটক করে। তল্লাশি চালিয়ে ট্রলারগুলো থেকে বাংলাদেশি ডায়মন্ড সিমেন্টের ১ হাজার ৭৫০ বস্তা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে পাচারচক্রের ২৩ সদস্যকে আটক করা হয়।
আটকরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, অধিক মুনাফার আশায় সিমেন্টগুলো মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন। জব্দ করা মালামালসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পতেঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নিজের হাতে থাকা ২৫ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের
জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (১২) সচিবালয়ে বৈঠক শেষে ব্রিফ
করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী।
জনপ্রশাসন সচিব জানান, সব মন্ত্রণালয়ের
কাজ দ্রুত চালু করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। এ জন্য সাত দিন সময় দিয়ে এখন
থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। গত কয়েক বছর যারা পদোন্নতি থেকে
বঞ্চিত হয়েছেন, তাদের দাবিগুলো শুনে শিগগিরই সিদ্ধান্ত হবে। মন্ত্রণালয় এবং দপ্তরগুলোকে
দ্রুত ফাংশনাল করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
জনপ্রশাসন সচিব বলেন, যেসব মন্ত্রণালয়ে
আগে মন্ত্রী ছিলেন সেসব মন্ত্রণালয়ের কাজ যাতে স্থবির হয়ে না যায়, সচিবরা সেসব কাজ
নিজ উদ্যোগে যাতে শুরু করেন তা নিয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, সার, বিদ্যুৎ, কৃষি, জ্বালানি,
বন্দর, খাদ্যসহ জরুরি বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে সাত দিনের মধ্যে তালিকা করে কাজ শুরু করতে
হবে এবং তালিকাগুলো প্রধান উপদেষ্টাকে দিতে হবে।
মন্তব্য করুন


চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে নিহত শহিদুল ইসলাম (৩৭) বা শহিদের মরদেহ সাত দিন পর দেশে ফেরত এসেছে। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে দৌলৎগঞ্জ-মাজদিয়া স্থলবন্দর এলাকায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ মরদেহটি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর কাছে হস্তান্তর করে।
বিজিবির পক্ষে মহেশপুর ৫৮ ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান মরদেহ গ্রহণ করেন। জীবননগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন কুমার দাস জানান, দীর্ঘ সাত দিন পর মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শহিদের বাবা নস্কার আলীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মাহেদুল ইসলাম গত ২৯ নভেম্বর গয়েশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে আহত হন। তিনি উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের নস্কার আলীর ছেলে। ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা পাঁচ সহযোগী পালিয়ে যান, তবে শহিদুল গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে কৃষ্ণগঞ্জের গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
মন্তব্য করুন


অন্তবর্তী
সরকারের উপদেষ্টা এবং সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি এবং তাদের স্ত্রী-স্বামীর সম্পদ বিবরণী
প্রকাশ করা হয়েছে।
এতে
যুব ও ক্রীড়া এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা এবং বর্তমানে জাতীয়
নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সম্পদ বিবরণীও রয়েছে।
আজ
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এ সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করা হয়।
আসিফ
মাহমুদের সম্পদ বিবরণীতে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তার সম্পদ ও টাকার পরিমাণ উল্লেখ
নেই। ২০২৪ হতে ২০২৫ সালের ৩০ জুুন পর্যন্ত তার আর্থিক সম্পদের বিবরণ ১৪ লক্ষ ২৪ হাজার
৭১৪ টাকা দেখানো হয়েছে। অ-আর্থিক বা নন-ফাইনান্সিয়াল সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ১
লক্ষ দশ হাজার টাকা।
উপদেষ্টা
থাকাকালীন বাংলাদেশের বাইরে তার কোনো সম্পদ নেই। তার মোট সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে
১৫ লক্ষ ৩৪ হাজার ৭১৭ টাকা। ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দায় ২৮ হাজার ৬৬৯ টাকা।
সম্পদ
বিবরণীতে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। শুধু ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তার (টেক্সপেয়ার আইডেন্টিফিকেশন
নাম্বার সার্টিফিকেট) ছিল না বলে মন্তব্য করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, বিএনপি যদি সংস্কার প্রস্তাব না মানে তবে এটা তাদের দায়িত্বহীনতার পরিচয়। নতুন করে রাজনৈতিক সংকট তৈরির অপপ্রয়াস। ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন সম্পর্কে জনগণের মাঝে সংশয় তৈরির অপপ্রয়াস।
আজ শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) কুমিল্লায় নিজ নির্বাচনি এলাকা চৌদ্দগ্রামের নির্বাচন কেন্দ্র পরিচালক সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় ডা. তাহের বলেন, ‘যদি নির্বাচন না হয় তাহলে যারা পালিয়ে গিয়ে ভারতে বসে ষড়যন্ত্র করছে, তারাই একটা সুযোগ নিবে। বিগত সরকারের যে বাংলাদেশ, সংস্কারবিহীন যে বাংলাদেশ, মনে হয় যেন বিএনপি সেই জায়গায় ফিরে যেতে চায়। বাংলাদেশকে আওয়ামী জাহেলিয়াতের দিকে ফিরে যেতে এদেশের মানুষ দিবে না।’
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, ‘সরকারের সিদ্ধান্ত থেকে যদি সরকার সরে যায়, তাহলে এটা পরিষ্কার হবে যে সরকার আর নিরপেক্ষ নেই। এ সরকার যদি নিরপেক্ষতা হারায় এবং কোনো দলের প্রতি যদি তাদের আনুগত্য প্রকাশ করে এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এটা আশঙ্কা তৈরি হবে।’
উপজেলা জামায়াতে আমির মু মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা অঞ্চল টিম সদস্য ও সাবেক জেলা আমির আব্দুস সাত্তার, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান ভুঁইয়া, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে সাবেক আমির ভিপি সাহাব উদ্দিন।
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইনের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা আমির মাওলানা ইব্রাহীম, জামায়াত নেতা আয়ুব আলী ফরায়েজী, সাবেক চৌদ্দগ্রাম উপজেলা দক্ষিণ আমির শাহ মিজানুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রহিম, পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি, মোশাররফ হোসেন ওপেলসহ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য সেনাবাহিনী
সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে সেনারা মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। আগে এত
দীর্ঘ সময় মাঠে থাকতে হয়নি। তাই সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে, দূরত্ব থাকলে
তা দূর করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকালে ঢাকা
সেনানিবাসে ‘অফিসার্স অ্যাড্রেস’অনুষ্ঠানে
সেনা সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন সেনাপ্রধান। এতে পদস্থ কর্মকর্তারা
সরাসরি উপস্থিত ছিলেন এবং দেশের অন্য সব সেনা স্থাপনার কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি যুক্ত
হন।
সেনা সদস্যদের উদ্দেশে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
বলেন, সেনাবাহিনী একটি পেশাদার সংগঠন। মাঠে দায়িত্ব পালনের সময় পেশাদারি দেখাতে হবে।
প্রতিশোধমূলক কোনো কাজে জড়ানো যাবে না।
সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়ানো নিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, বিভ্রান্তিকর
বার্তা দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কেউ ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে সেনাবাহিনীর
ভাবমূর্তি নষ্ট করতে না পারে।
তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষ এখন সেনা
সদস্যদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে
এবং বাহিনীর চেইন অব কমান্ড অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।
মন্তব্য করুন


শিল্প,
গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর
রহমান খান বলেছেন, দেশের প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা
করছে।
শনিবার
দুপুরে মাদারীপুরে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত ও স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন
শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তি আসন্ন নির্বাচনে বাধা
দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকার একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন
আয়োজন করবে। যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবে, তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
উপদেষ্টা
আরও বলেন, বাংলাদেশের কোনো দেশপ্রেমিক মানুষই নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করবে না। দেশের
প্রতিটি নাগরিকই আগামী নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এগিয়ে আসবে এবং সরকারকে সহযোগিতা
করবে।
এর
আগে তিনি মঠের বাজার এলাকায় জুলাই আন্দোলনে শহীদ নাইমুর রহমান ও শহীদ মামুনের কবর জিয়ারত
করেন এবং স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে শিবচর উপজেলায় হাউজিং প্রকল্প
ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্টের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।
এ
সময় মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আল নোমানসহ প্রশাসনের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা
বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত বিভিন্ন জেলায় গিয়ে উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনের পাশাপাশি
জুলাই আন্দোলনের শহীদদের কবর জিয়ারত করা হচ্ছে এবং তাদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন