

ফরিদপুরের সদরপুর থানা থেকে লুট করা
অস্ত্র নিয়ে তিন তরুণ টিকটক করছিলেন। টিকটক করার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় পলাশ
হোসেন (১৮) নামে এক তরুণের।
সোমবার (১২ আগস্ট) ভোর ৬টার দিকে ঢাকার
নিউরো সায়েন্স হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। গত ৬ আগস্ট গুলিবিদ্ধ
হন ওই তরুণ।
নিহত পলাশ সদরপুর উপজেলার আটরশি গ্রামের
মোশারফ হোসেনের বড় ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ আগস্ট
সকালে পলাশ তার বাবার হোটেলে কাজ করছিলেন। এ সময় তার দুই বন্ধু সদরপুর সরকারি কালেজের
একাদশ শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী পলাশকে হোটেল থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে তারা আড়াই রশি
গ্রামে পলাশের নানা মোসলেম মাতুব্বরের বাড়িতে যান। ওই বাড়ির একটি কক্ষে তারা তিনজন
একত্রিত হয়ে গত ৫ আগস্ট সদরপুর থানা থেকে লুট করে নেওয়া একটি শর্টগান নিয়ে টিকটক ভিডিও
করার জন্য অস্ত্রটি একে অপরের মাথায় তাক করে অভিনয় করতে থাকেন। হঠাৎ শর্টগান থেকে গুলি
বের হয়ে তা পলাশের মাথায় লাগে। গুলির শব্দ এবং পলাশের চিৎকার শুনতে পেয়ে বাড়ির লোকজন
ছুটে যান সেই কক্ষে। সেখানে গিয়ে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পরে থাকতে দেখেন পলাশকে।
পলাশকে প্রথমে তারা আটরশি বিশ্ব জাকের
মঞ্জিল হাসপাতালে নেন। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সেখান
থেকে নেওয়া হয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে
ফরিদপুর থেকে ঢাকা নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঢাকার নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে
ছয় দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার ভোরে মারা যান পলাশ।
স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, পলাশকে
গুলি করা অস্ত্রটি সদরপুর থানা থেকে লুট হওয়া একটি শর্টগান। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের
দিন বিকেলে সদরপুর থানা থেকে ওই শর্টগান লুট করা হয়েছিল। অস্ত্রটি আটরশির একটি পরিত্যক্ত
ভবন থেকে উদ্ধার করে সদরপুরের আনসার বাহিনী এবং সেটি পরে ফরিদপুর সেনাবাহিনীর কাছে
হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনার পর পলাশের ওই দুই বন্ধু ও তাদের
পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপন করায় এ ব্যাপারে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
তবে নিহত পলাশের মা পারুলি আক্তারের
দাবি, সদরপুর থানা থেকে লুট করা অস্ত্র দিয়ে তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
থানার কাজকর্ম শুরু না হওয়ায় তাৎক্ষণিক এ ব্যাপারে আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।
সদরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় পলাশের মা পারুলী আক্তার বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম
উল্লেখ করে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। পলাশের মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ময়নাতদন্তের
জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। তদন্ত
করলে জানা যাবে, থানা থেকে লুট করে নেওয়া অস্ত্র দিয়ে বন্ধুরা টিকটক করতে গিয়ে গুলি
বের হয়ে পলাশ মারা গেছেন নাকি এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুরে সোনামুখী
কাঠের আসবাবপত্রের মেলায় যাদু প্রদর্শনীর আড়ালে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শন করার দায়ে ১০
জনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) ভোর রাতে
কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সাবরিন আক্তারের ভ্রাম্যমাণ আদালত
এ দণ্ডাদেশ দেন।
এর আগে রাত ১২টার দিকে সেনাবাহিনী ও
এনএসআই সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে দেড় শতাধিক অশ্লীল নৃত্য শিল্পী, যাদু প্রদর্শনীর
প্যান্ডেল পরিচালনা কমিটির সদস্য ও দর্শকদের আটক করে।
আটকদের মধ্যে থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে
১০ জনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকিদের থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শারদীয় দুর্গাপূজা
উপলক্ষে সোনামুখীতে প্রায় ৩০০ বছর ধরে কাঠের আসবাবপত্রের মেলা বসে। এই মেলা মাসব্যাপী
স্থায়ী হয়। এ বছরও যথারীতি মেলাটি শুরু হয়। কিন্তু গত এক সপ্তাহ ধরে বাইরে যাদু প্রদর্শনীর
সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে টিকিট বিক্রির করে ভেতরে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শন করা হচ্ছিল। এলাকার
কিছু স্থানীয় নেতার সহযোগিতায় মেলায় ৪টি প্যান্ডেল স্থাপন করে অশ্লীলতা চালানো হয়।
এ বিষয়টি জানতে পেরে এনএসআই ও সেনাবাহিনীর
সদস্যরা সেখানে যৌথ অভিযান চালায়। অভিযানের সময় অশ্লীল নৃত্যের প্যান্ডেলগুলো ভেঙে
ফেলা হয়।
কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
(ভারপ্রাপ্ত) সাবরিন আক্তার জানান, আমরা গোপন সংবাদে জানতে পারি সোনামুখী মেলায় অশ্লীল
নৃত্য প্রদর্শন করা হচ্ছে, পরে অশ্লীল নৃত্য পরিবেশনের সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা
হয়। এদের মধ্যে অশ্লীলতার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকায় ১০ জনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া
হয়েছে।
উক্ত অভিযানে এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক
আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নরসিংদীর শিবপুরে ট্রাক ও অটোরিকশার সংঘর্ষে ছয়জন নিহত হয়েছেন।
আজ শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১ টার দিকে উপজেলার পচারবাড়ি নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তবে নিহতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন, শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেন।
তিনি জানান, নিহতদের সবাই অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ ৪১ বছরের কর্মময় জীবন শেষে মসজিদের
ইমামকে ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে বিদায় জানালেন গ্রামবাসী। সে সাথে তার হাতে তুলে দিলেন নগদ
পৌনে এক লাখ টাকা এবং উপহার সামগ্রী।
শুক্রবার (৩১ মে) জুমার নামাজ শেষে
ব্যতিক্রমী এ ঘটনাটি ঘটেছে নাটোরের বাগাতিপাড়ার ক্ষিদ্রমালঞ্চি গ্রামে। বিদায়ী ইমাম
মো. মুনসুর আলী পার্শ্ববর্তী শ্রীরামপুর গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানান, ক্ষিদ্রমালঞ্চি কেন্দ্রীয়
জামে মসজিদের ইমাম মো. মুনসুর আলী ১৯৮৩ সালে ইমামের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। একই মসজিদে
দীর্ঘ ৪১ বছর দায়িত্ব পালনের পর বয়সজনিত কারণে তিনি অবসর নেন। আর প্রিয় ইমামের অবসরজনিত
বিদায় জানাতে গ্রামবাসীরা ওই মসজিদে বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে মসজিদ কমিটির
সভাপতি আরশেদ আলীর সভাপতিত্বে এবং আব্দুল হালিমের পরিচালনায় ইমাম মুনসুর আলীর কর্মময়
জীবনের ওপর আলোকপাত করে বক্তব্য দেন মসলেম উদ্দিন, আলাউদ্দিন, আসমত আলী, সেলিম রেজা,
আব্দুল আজিজ, সাইদুর রহমান প্রমুখ। শেষে ওই মসজিদসহ আশেপাশের ৫ মসজিদের অধীনের গ্রামবাসীরা
পৌনে এক লাখ টাকা ও উপহার সামগ্রী প্রদান করেন। এছাড়াও ইমামের বিদায় উপলক্ষে মসজিদে
উপস্থিত মুসুল্লিদের মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়। শেষে ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে পুরো এলাকা
ঘুরিয়ে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয় ইমাম মুনসুর আলীকে। এসময় গ্রামের সকল নারী-পুরুষরা রাস্তার
পাশে দাঁড়িয়ে বিদায় জানান প্রিয় ইমামকে। ব্যক্তিগত জীবনে মুনসুর আলী ৩ কন্যা ও ২ ছেলের
পিতা।
এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি আরশেদ
আলী বলেন, অন্যান্য চাকরি শেষে চাকুরিজীবীদের জাঁকজমক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদায় দেওয়া
হয়। তাছাড়াও তারা পেনশন পান। কিন্তু মসজিদের ইমামের বিদায়ে তা করা হয় না। এ কারণেই
গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় ইমামের বিদায়ে এই আয়োজন করা হয়েছে।
বিদায়ী ইমাম মো. মুনসুর আলী বলেন, জীবনের
শুরুতে সাবরেজিস্ট্রি অফিসের মুহুরীর কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু দুই-তিন দিন পর ভালো
না লাগায় সেকাজ ছেড়ে এসে এই মসজিদে ইমামতি শুরু করেন। দীর্ঘদিন পর অবসর নেওয়ায় গ্রামবাসীর
এমন বিদায়ে তিনি মুগ্ধ।
তবে তিনি কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন
গড়া এবং ইমান ও আমলের ওপর জীবনকে পরিচালিত করার আহবান জানান।
মন্তব্য করুন


অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে শেকড় সন্ধানী লেখক, সাংবাদিক ও সংগঠক শরীফ প্রধান-এর বই ‘শিক্ষানবিশ সাংবাদিকতা’। বইটি প্রকাশ করেছে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান 'প্রতিভা প্রকাশ। গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিষয়ক বইটির প্রচ্ছদ করেছেন শাহাদাত শিবলী। মুদ্রিত মূল্য রাখা হয়েছে ৪৫০ টাকা। বই মেলার- ৩২৭,৩২৮ ও ৩২৯ নং স্টলে পাওয়া যাচ্ছে বইটি।
গণমাধ্যম পেশায় আগত নবীন ও শিক্ষানবিশদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সহায়ক হবে। বইটির মাধ্যমে সাংবাদিকতার প্রাথমিক বিষয় সম্পর্কে নবীনরা চমৎকার ধারণা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন লেখক।
বই মেলার প্রথম দিন থেকেই প্রতিভা প্রকাশনার - ৩২৭, ৩২৮, ৩২৯ নং স্টলে বইটি পাওয়া যাবে। এছাড়াও অর্ডার করতে পারবেন রকমারি, বইফেরী, বাতিঘর, প্রথমা, বই বাজার, বিডি বুকস, ই-বইঘর, পাঠক পয়েন্ট, বইয়ের দুনিয়া, বইসদাই, বই প্রহরসহ যে কোনো অনলাইন বুকশপে।
শরীফ প্রধান বর্তমানে দৈনিক ইত্তেফাক-পত্রিকায় কাজ করছেন। এই বইটি লেখকের ৩য় প্রকাশিত গ্রন্থ। এর আগে, আঞ্চলিক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংবাদপত্রে প্রকাশিত উন্নয়নমূলক প্রতিবেদন নিয়ে ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয় "পজিটিভ দাউদকান্দি" নামে বই এবং তথ্য গবেষণা ও আঞ্চলিক বংশ ভিত্তিক ইতিহাসের বই "কাদিয়ারভাঙ্গা প্রধান বংশের ইতিকথা" নামের বইটি লেখকের প্রথম প্রতাশিত গ্রন্থ।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খাল থেকে এক নবজাতককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে জেলা শহরের পূর্ব মেড্ডার (পুরাতন সেকশনের) পাশে খাল থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় নবজাতকটিকে উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিয়ে খবর নিয়ে জানা যায়, জেলা শহরের পৌর এলাকার পূর্ব মেড্ডার পাশে খাল থেকে স্থানীয়রা প্রথমে কান্নার শব্দ শুনতে পান। পরে স্থানীয় সোহাগ মিয়া ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে বিষয়টি জানান। পুলিশ এসে নবজাতককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে।
নবজাতকটি পলিথিনে মোড়ানো ছিল। ইঁদুর নবজাতকের এক পাশের গাল কামড়ে ক্ষত করে ফেলেছে। এতে বাচ্চাটি কান্না করছিল। নবজাতকটি বাচ্চা মেয়ে । পরে পুলিশ নবজাতকটিকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসা চলছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, ৯৯৯ কল পেয়ে নবজাতটিকে খাল থেকে উদ্ধার করা হয়। কেউ অবৈধ গর্ভপাত করে নবজাতকটিকে খালে ফেলে গেছে। শিশুটিকে হাসপাতালে রেখে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার বিবিরবাজার সীমান্ত এলাকা থেকে প্রায় ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকার অবৈধ ভারতীয় বাজি জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আজ শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর বিশেষ টহলদল এই অভিযান চালায়।
বিজিবি জানায়, কটকবাজার পোস্টের বিশেষ টহলদল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সীমান্তের প্রায় ৬ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আদর্শ সদর উপজেলার বানাশুয়া এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় এক লাখ চার হাজার ২৪৭ পিস ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার বাজি জব্দ করা হয়। জব্দকৃত বাজির আনুমানিক বাজারমূল্য ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কোম্পানি অধিনায়ক মীর আলী এজাজ জানান, আটককৃত বাজিগুলো শিগগিরই আইন অনুযায়ী কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব প্রতিবেদক:
জনপ্রিয় দৈনিক কুমিল্লা কাগজ–এর প্রকাশক ও সম্পাদক এবং জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আই–এর সিনিয়র রিপোর্টার আবুল কাশেম হৃদয় আজ শুধু একজন সাংবাদিক নন, তিনি কুমিল্লা তথা বাংলাদেশের গণমানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছেন।
দেশ-বিদেশে সাংবাদিক সমাজে তার নাম আজ এক পরিচিত ব্র্যান্ড—যাকে একনামে চেনে সবাই। দীর্ঘদিন ধরে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও সমাজের পক্ষে নিরলস কাজ করে তিনি যেমন সম্মান অর্জন করেছেন, তেমনি কুমিল্লা বিভাগের দাবিকে তিনি মানুষের হৃদয়ের দাবিতে পরিণত করেছেন।
“কুমিল্লা নামে বিভাগ চাই”—এই স্লোগান আজ কেবল একটি দাবি নয়, এটি এখন এক সামাজিক আন্দোলন। রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, ব্যবসায়ী মহল থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণ—সবাই আজ এক কণ্ঠে এক সুরে বলছে, কুমিল্লা বিভাগ চাই। আর এই ঐক্যের পেছনে রয়েছে সাংবাদিক আবুল কাশেম হৃদয়ের নিরলস প্রচেষ্টা, প্রেরণা ও নেতৃত্ব।
তার উদ্যোগে কুমিল্লা বিভাগের দাবিটি আজ দেশের প্রতিটি স্তরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মাঠ পর্যায়ের সভা–সমাবেশ কিংবা বিভিন্ন গণমাধ্যম—সবখানেই কুমিল্লা বিভাগের দাবি প্রতিধ্বনিত হচ্ছে আবুল কাশেম হৃদয়ের কণ্ঠে।
কুমিল্লা অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা—এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকুক এবং প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে দ্রুতই কুমিল্লা বিভাগ ঘোষণার মাধ্যমে মানুষের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হোক।
মন্তব্য করুন


শ্বশুরকে মোটরসাইকেল উপহার দিয়ে তাক লাগালেন জামাই। এ বিরল ঘটনাটি ঘটেছে দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার শিবরামপুর ইউনিয়নের দেউলী গ্রামে।
জামাই সাবিত হাসান পেশায় একজন ফ্রিল্যান্সার। বাবাহারা এই যুবক ছোটবেলা থেকে অনেক কষ্টের মধ্যে দিন পার করে বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। জ্ঞান হওয়ার পর থেকে তার ইচ্ছা ছিল কোনো বাবার কলিজার টুকরো কন্যা সন্তানকে ঘরে তুললে বিনা যৌতুকে বিয়ে করবেন। শুধু তাই নয় উলটো শ্বশুরকে উপহার দিবেন মোটরসাইকেল। যে কথা সেই কাজ বিয়ে হয়েছে প্রায় দুমাস আগে।
এ সময় তার শ্বশুরকে কথা দিয়েছিলেন একটি মোটরসাইকেল উপহার দেবেন। তার ইচ্ছামতো একটি মোটরসাইকেল সম্প্রতি উপহার দিলেন শ্বশুর আলী হোসেনকে। সাবিতের শ্বশুরবাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার গড়েয়া ইউনিয়নের গুঞ্জরগড় গ্রামে।
শশুর আলী হোসেন মোটরসাইকেল পেয়ে শুধু খুশি নয় আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েছেন। তিনি জানান, তার মনের মতো জামাই নয়, যেন ছেলে পেয়েছেন তিনি।
অপরদিকে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় বেশ ধুম পড়ে যায়। এরকম ঘটনা সমাজে দৃষ্টান্ত বলে মনে করে স্থানীয়সহ বন্ধুরা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ছোটবেলা থেকেই সাবিতের ইচ্ছা ছিল বিনা যৌতুকে বিয়ে এবং শ্বশুরকে উল্টো মোটরসাইকেল গিফট করা। তার ইচ্ছা পূরণ হলো।
জামাই সাবিত হাসান বলেন, বর্তমান সমাজে যৌতুক ও খুশি করে দেওয়া উপহার যেন ট্র্যাডিশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই যৌতুক প্রথা ভাঙতেই তার এই মহৎ উদ্যোগ।
তার মতো সবাই শশুরকে উপহার নয় অন্তত বিনা যৌতুকে বিয়ে করবে এবং সমাজের যৌতুক প্রথার অবসান ঘটবে এমনটাই ইচ্ছা সাবিতের।
মন্তব্য করুন


মেয়ে শিশু জন্ম নেওয়ায় ওই নবজাতককে মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যরা নবজাতককে হাসপাতালে ফেলে পালিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে ওই ঘটনাটি ঘটে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে। বিষয়টি জানাজানি হয় বিকেলে।
নবজাতক রেখে পালিয়ে যাওয়া দম্পতি হলো আলমগীর হোসেন ও পাপিয়া খাতুন। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামের বাসিন্দা ওই নবজাতককে মা-বাবা।
নিজেদের সন্তান হাসপাতালে ফেলে পালানোর বিষয়ে জানা যায়, তিন মেয়ের পর এবার ছেলেসন্তানের আশায় বুক বেঁধেছিলেন এ দম্পতি। ফের কন্যাসন্তান হলে স্ত্রী পাপিয়াকে তালাকের হুমকিও দেন আলমগীর! কিন্তু এবারও কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন পাপিয়া। তাই তারা হাসপাতালে সন্তান রেখেই পালিয়ে গেছেন।
হাসপাতাল থেকে জানা গেছে, প্রসব বেদনা উঠলে সকাল ৭টা ৪৩ মিনিটে পাপিয়া খাতুনকে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানেই কন্যাসন্তান প্রসব করেন পাপিয়া। পরে তাকে ভর্তি করা হয় গাইনি ওয়ার্ডে। কিছুক্ষণ পর নবজাতককে আলমডাঙ্গা উপজেলার ছত্রপাড়া গ্রামের বিলকিস বানু নামে এক নারীর কাছে রেখে পালিয়ে যান ওই নবজাতকের মা-বাবা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।
খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিদ্দিকা সোহেলী রশীদ ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী।
পরে নবজাতকটিকে সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মালেকা খাতুনের তত্ত্বাবধায়নে রাখা হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা ওই নবজাতকের নাম রাখেন ‘পুষ্প’।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেন, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ওয়াহেদ মাহমুদ রবিন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী জানান, ওই দম্পতি হাসপাতালে যে নাম ও ঠিকানা দিয়েছেন তা যাচাই করা হয়েছে। তারা ভুল তথ্য দিয়েছেন। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ও ছবি দেখে ওই নারী ও তার স্বজনদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
নবজাতকটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়নে রয়েছে। প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজা’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ২৩ জুন রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন রাঙ্গুরি মধ্যমপাড়া এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মারুফ হোসেন (২২) ও ২। সাকিবুল হাসান (২১) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মারুফ হোসেন (২২) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার রাঙ্গুরি মধ্যমপাড়া গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস এর ছেলে এবং ২। সাকিবুল হাসান (২১) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বামুইল গ্রামের মোঃ লিটন এর ছেলে।
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন