

বান্দরবনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালেয় শিক্ষার্থী কুড়িগ্রামের জয়নবের বাড়ীতে শোকের ছায়া।
আজ (২১ জানুয়ারি) সকালে রৌমারী উপজেলার মন্ডল পাড়ার বাড়ীতে তার মরদেহ নিয়ে আসলে পরিবার ও স্থানীয়দের মাঝে শোকের মাতম দেখা যায়।
জয়নব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিদ্যা বিভাগের মাষ্টার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ভ্রমণ করা ছিল তার শখ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভ্রমণপিপাসুদের সংগঠন ভ্রমণকন্যা’র সদস্য তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি ট্যুরিস্ট সাইটে কাজ করতেন তিনি। কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা শহরের মন্ডলপাড়ার আব্দুল জলিল মিয়ার তিন সন্তানের সবার ছোট জয়নব।
অসচ্ছল পরিবারের মেয়ে জয়নব কোনো প্রকার কোচিং, টিউশনি ছাড়াই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়। পড়া লেখার পাশাপাশি টিউশনি করে পড়ার খরচ চালাতো।
জয়নবের বাবা একজন কাঠ মিস্ত্রি। মেয়েকে উৎসাহ ও সাহস দিতেন। মেয়ের মৃত্যুর খবরে তিনি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। এছাড়া মেয়ের মরদেহ দেখে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন মা জুলেখা বেগম।
শুক্রবার সকালে ৫৮ জন ভ্রমণকন্যার একটি দল ৫টি জিপ গাড়ি করে রুমা উপজেলায় যায়। ঘোরাফেরা শেষে শনিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে বান্দরবানের উপজেলার পর্যটন কেন্দ্র কেওকারাডাং থেকে বান্দরবান সদরে ফেরার পথে বগালেক-কেওকারাডং সড়কের দার্জিলিং পাড়া এলাকায় তাদের বহন করা গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলে মারা যায় জয়নবসহ দু’জন। এসময় আহত হয় ৮ জন।
নিহত জয়নবের মরদেহ জানাজা শেষে রৌমারী কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
স্থানীয় শিহাব খান নামের একজন বলেন, জয়নব খুবই মেধাবী ছিলেন। অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। তার পরিবার তাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু হঠাৎ সড়ক দুর্ঘটনার তার মৃত্যুতে তার পরিবার খুবই ভেঙে পড়েছে।
রৌমারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হীল জামান জানান, রৌমারীর মন্ডল পাড়া এলাকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী জয়নবের মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম ৪ আসনের সংসদ সদস্য বিপ্লব হাসান পলাশ জানান, আমি পরিবারটির খোঁজখবর নিয়েছি। পরবর্তীতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
মন্তব্য করুন


খুলনার খানজাহান আলী থানার আটরাগিলাতলা এলাকার একটি কালভার্টের নিচ থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। জানা গেছে, নিহত যুবকের বাম হাতের একটি অংশ ভাঙা এবং সেখানে ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। মুখের বাম দিকে ও মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ছাড়া থুতনিতে লম্বা আঘাতের দাগ রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত যুবকের বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের সাব-ইন্সপেক্টর প্রান্ত গাতিদারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল এবং পিআইবির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছেন। যুবকটিকে হত্যা করে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা পুলিশের।
খানজাহান আলী থানার (ওসি ) মো. তুহিনুজ্জামান বলেন, দুপুর ১টার দিকে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে রেলের কালভার্টের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করি। এখনো তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
মন্তব্য করুন


গভীর
রাতে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময়
কম্বল মোড়ানো শিশুটি দেখতে পান পথচারী। এরপর
পুলিশ খবর পেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধারের
পর তার পরিচয় শনাক্ত
করে। তারপর মাকে থানায় ডেকে
নিয়ে শিশুটিকে তার কোলে তুলে
দেওয়া হয়।
পুলিশ
জানিয়েছে, রাস্তায় পড়ে থাকা শিশুটির
নাম মালিহা ইসলাম ওহি। তার বয়স
মাত্র ৯ মাস। তার
মায়ের নাম মরিয়ম বেগম।
গত
৪দিন আগে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর
উপজেলার তোরাবগঞ্জ অগ্রণী স্কুলের ক্যাম্পাস থেকে চুরি হওয়া
তাকে চুরি করে নিয়ে
যায় অজ্ঞাত এক নারী।
শিশু
মালিহার মা মরিয়ম বেগম
বলেন, গতরাত ১২ টার আগ
পর্যন্ত আমরা থানায় ছিলাম।
সেখান থেকে বাড়ি আসার
১০ মিনিটের মাথায় থানা থেকে আমাদের
কাছে ফোন আসে। থানায়
গিয়ে আমার মেয়েকে দেখতে
পাই। পরে আমার কাছে
মালিহাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৪
দিন পর আমার মেয়ে আমার
কোলে ফিরেছে। আমার বুকটা ভরে
গেছে। চুরির সঙ্গে যে নারী জড়িত
তাকে যেন গ্রেপ্তার করে
আইনের আওতায় আনা হয়। আমি
তার বিচার দাবি করছি।
কমলনগর
থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল
জলিল বলেন, রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত
আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে
থানার কাছে উপকূল কলেজের
পেছনে মাটির রাস্তা দিয়ে জনৈক পথচারী
ইউছুপ বাড়ি যাওয়ার সময়
কম্বল মোড়ানো একটি শিশুটি দেখতে
পান। তিনি চিৎকার দিয়ে
লোকজন জড়ো করে। পরে
এলাকার লোকজন থানায় খবর দেয়। পুলিশ
গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং তার
পরিচয় নিশ্চিত করে। এর আগে
শিশুর মা থানায় একটি
জিডি করে। সে সূত্রে
পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রাখে।
এদিকে
চুরির সঙ্গে জড়িত নারীকে এখনো
শনাক্ত করা যায়নি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা নগরীতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক
শিক্ষার্থী ও
তার মায়ের লাশ
উদ্ধার করা
হয়েছে। সোমবার ভোরে
নগরীর কালিয়াজুড়ি খেলার
মাঠের পাশের
একটি ভবনের
দ্বিতীয় তলা
থেকে তাদের
লাশ উদ্ধার করা
হয়। তবে
তাদের মৃত্যুর সময়
এখনো নিশ্চিত করা
যায়নি।
বাড়ির মালিক
আনিছুল ইসলাম
রানা জানিয়েছেন, সাড়ে
তিন থেকে
চার বছর
আগে কুমিল্লার আদালতের কর্মকর্তা নুরুল
ইসলাম বাড়িটি ভাড়া
নেন। গত
বছর তার
মৃত্যুর পর
স্ত্রী তাহমিনা আক্তার (৫০),
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া
মেয়ে সুমাইয়া আফরিন (২৪) তার
আরও দুই
ছেলে বাড়িটিতে থাকছেন। তারা
অন্য কারো
সাথে তেমন
কথা বলতেন
না। গতকাল
রাতে তার
দুই ছেলে
ঢাকা থেকে
বাসায় আসলে
তারা ঘরের
দরজা খোলা
দেখে। এই
সময় তারা
ভাবে তাদের
মা ও
বোন ঘুমিয়ে আছে।
কিন্তু বাসায় ঢুকার
পর দীর্ঘ
সময় কেটে
গেলেও তাদের
কোন সারা
শব্দ না
পেলে জাগাতে গিয়ে
দেখেন তারা
নড়ছে না।
পরে ৯৯৯
এ কল
পেয়ে সোমবার ভোরবেলা পুলিশ
লাশ উদ্ধার করে
এবং কুমিল্লা মেডিকেল এর
মর্গে পাঠায়।
তিনি আরো জানান, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে একজন ব্যক্তি রোববার দিনের বেলায় তাদের বাসায় আসা-যাওয়া করেছিল। পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
কুমিল্লার কোতোয়ালি থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি
মহিনুল ইসলাম
বলেন, মরদেহগুলি উদ্ধার করে
মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক
কারণ এখনো
জানা যায়নি। তবে
সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত
সংগ্রহ করা
হয়েছে। বিষয়টি হত্যাকাণ্ড বলেই
প্রাথমিকভাবে ধারণা
করেছেন তিনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদরের ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড জগন্নাথপুর চৌমুহনীতে প্রতি বছরের মতো এবারও যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে নুরুন্নবী (সাঃ) এর নূরানী শুভাগমন উপলক্ষে ৪র্থ বার্ষিকী ঈদে মাজিউন্নবী ও ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন উপলক্ষে নাতে মোস্তফা ও ওয়াজ মাহফিল উদযাপন করেছেন জগন্নাথপুর যুব সমাজ।
গতকাল রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিকাল হতে মধ্যরাত ব্যাপী জগন্নাথপুর চৌমুহনীর নুরে মোহাম্মাদীয়া জামে মসজিদের পাশের মাঠে এই নাতে মোস্তফা ও ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
জিকিরুল্লাহ ইসলামীয়া যুব কমিটি জগন্নাথপুর শাখার সভাপতি মোহাম্মদ গোলাম রানা শাহাপুরীর সঞ্চালনায় নুরে মোহাম্মাদীয়া জামে মসজিদের সভাপতি হাজী মোঃ মিল্লাত হোসেনের সভাপতিত্বে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহাপুর দরবার শরীফের পীর সাহেব সৈয়দ গোলাম মোহাম্মদ আবদুল কাদের কাওকাব।এতে প্রধান বক্তা হিসেবে আলোচনা করেন হযরত শাহ সৈয়দ করম আলী (রাঃ)জামে মসজিদের খতিব মুফতি মোঃ আবদুল কাদের জিহাদী,বিশেষ বক্তা হিসেবে আলোচনা করেন জগন্নাথপুর চৌমুহনির নূরে মোহাম্মদীয়া(সাঃ) জামে মসজিদের খতিব মুফতি মোঃ শাহাজালাল আল্ ক্বাদেরী। মাহফিলে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে আলোচনা করা হয় । একই সঙ্গে মহানবীর আদর্শ ও গুণাবলী সবার জীবনে ধারণ ও পালন করার আহ্বান জানান তারা।
ওয়াজ শেষে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে নাতে রাসূল পরিবেশণা করেন চট্টগ্রাম থেকে আগত শায়ের মুহাম্মদ তারেক রেজা ক্বাদেরী, আলা হযরত যুব পরিষদের সভাপতি শায়ের জানে আলম রেজা ক্বাদেরী, শায়ের মুহাম্মদ সাইমুন রেজা ক্বাদেরী, শায়ের মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ক্বাদেরী, শায়ের শহীদুল ইসলাম মিনহাজ।
উক্ত মাহফিলে আয়োজক কমিটির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রাজন,মোঃ আবাদ মিয়া, মোঃ সাকিব হোসেন, মো.রবিউল আউয়াল রবিন, মো.রাকিব হোসেন শাহপুরী, মোহাম্মদ হানিফ, ইমাম হাসান শুভ, মোঃ হৃদয়, মোঃ জিহাদ, মো.সামি, আলামিন, রবিউল, প্রমুখ।
নাতে রাসূল পরিবেশণা শেষে দেশ ও মুসলিম উম্মাহসহ সমগ্র মানবজাতির কল্যাণে আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে দোয়া ও মাহফিল সমাপ্তি করা হয়।
উল্লেখ্য, আরবি ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল, ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জন্মগ্রহণ করেন। প্রতিবছর তার জন্মদিনকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিসেবে পালন করে থাকে।
মন্তব্য করুন


রফিকুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর:
চাঁদপুরে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
রবিবার সকালে রেলী শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রধান অতিথি বক্তব্য প্রদান করেন, জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট একরামুল ছিদ্দিক ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তরের উপ- পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান।
পরে চিত্রাঙ্গন ও রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে কোরবানির পর পশুর মাংস হাড় কাটতে গিয়ে আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন অন্তত ২৫ জন। এছাড়া দুপুরে একটা পর্যন্ত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অন্তত ৩০ জন আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতরা বেশিরভাগই যুবক। শখের বশে কোরবানির পশুর মাংস কাটতে গিয়ে তারা আহত হয়েছেন। তবে আহতদের মধ্যে কয়েকজন পেশাদার কসাইরাও আছেন।
আহতরা বলছেন, মাংস কাটাকাটিতে অনভিজ্ঞ হওয়ায় হাত পা কেটেছে তাদের। যারা গুরুতর আহত হয়েছেন তাদেরকে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।
কুমিল্লা সদর উপজেলার ধনপুর ইমরান আহমেদ আহমেদ বলেন, ঈদের খুশিতে বাড়ির সবাই মিলে কোরবানি দেই। তারপর মাংস কাটার সময় পিছলে আমার আঙুলে লাগে। প্রথমে টের পাইনি, পরে দেখি রক্ত ঝরছে। হাসপাতালে আসার পর তিনটি সেলাই দিয়েছে।
সদর উপজেলার ভুবনঘর এলাকার চল্লিশোর্ধ্ব কাশেম তালুকদার গরুর হাড় কাটতে গিয়ে আঘাত পেয়েছেন হাতের কব্জিতে। তিনি বলেন, আল্লাহ বাঁচিয়েছে- আরেকটু জোরে লাগলে আমার হাতের কব্জি হয়তো আলাদা হয়ে যেত। জেনারেল হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে এখন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হবে বলে এখানকার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
টিক্কার চর এলাকা থেকে আসা মো. রাসেল বলেন, অভিজ্ঞতা ছাড়া মাংস কাটতে গেলে এরকম দুর্ঘটনা ঘটবেই। কারণ মাংস কাটাকাটির সময় ছুরি বা চাপাতি পিছলে যায়। তাই অভিজ্ঞতা ছাড়া এ কাজে না আসাই ভালো।
ঝাউতলা থেকে আসা পেশাদার কসাই জাহঙ্গীর আলম বলেন, হাড্ডি কোপাতে গিয়ে আমার পায়ে চাপাতি লেগেছে। সদর হাসপাতালে রাখেনি। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে হবে।
কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার মো. জোবায়ের জানান, আহত যারা এসেছেন তারা বেশিরভাগই একদিনের জন্য মাংস কাটাকাটি করতে গিয়ে আহত হয়েছেন। সবারই প্রায় হাতের আঙুলে ও পায়ে আঘাত। শনিবার ঈদের দিন দুপুর দেড়টা পর্যন্ত আমরা অন্তত ২০ জনকে চিকিৎসা দিয়েছি। গুরুতর আহত যারা তাদেরকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভারত হতে বাংলাদেশে পাচারের সময় কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর বিশেষ টহলদল চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ২ হাজার
পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন বাংলাদেশী মাদক চোরাকারবারীকে আটক করেছে।
আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ শাহাপুর পোষ্টের বিশেষ টহল দল দায়িত্বপূর্ণ এলাকা
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী সদর উপজেলাধীন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শাহাপুর নামক স্থানে নিজস্ব
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত
অভিযানে বিজিবি টহল দল ভারত হতে বাংলাদেশে পাচারের সময় ভারতীয় ২০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ
একজন বাংলাদেশী মাদক চোরাকারবারী মনির হোসেন (৫০) কে আটক করে।
স্থানীয়রা জানান, উক্ত মাদক চোরাকারবারী
দীর্ঘদিন যাবৎ এই এলাকায় অবৈধ মাদক চোরাচালানের সাথে জড়িত ছিল।
উল্লেখ্য, আটককৃত মাদক চোরাকারবারীকে
শাহাপুর পোষ্ট কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর
অধীনস্থ শাহপুর পোস্টের টহল দল নায়েক ছায়েদুজ্জামানের নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় মাদকদ্রব্য
উদ্ধার, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ বিশেষ টহল পরিচালিত হয়েছে।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) শাহপুর সীমান্ত
দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ চেষ্টার অভিযোগে মো: মিজান হোসেন ওরফে আনোয়ার হোসেন
(৪০) নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃত ব্যক্তি নোয়াখালী জেলার চাটখিল
উপজেলার রামগঞ্জ গ্রামের মৃত আব্দুর রউফ সাত্তারের ছেলে।
আনোয়ার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কুমিল্লার
কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


এক্সিম ব্যাংক ৩৫তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে কুমিল্লা জেলা হ্যান্ডবল দল।
সোমবার (৩ জুন) এক্সিম ব্যাংক ৩৫তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা-২০২৩ এর উদ্বোধন হবে ঢাকায়।
১২ সদস্যের কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দল রবিবার কুমিল্লা থেকে ঢাকার উদ্দ্যেশে যাত্রা করে।
রবিবার সকালে কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দলকে বিদায় জানান কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাদক্ষ আল আমিন ভূইয়া ও সদস্য দেলোয়ার হোসেন জাকির।
নারী হ্যান্ডবল দলকে শুভেচ্ছা জানান, নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন, তিনি শৃংখলার সাথে খেলায় অংশ নিয়ে নিজেদের ও কুমিল্লা জেলার সুনাম বয়ে আনতে মনোযোগী হতে বলেন।
কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দলের ম্যানেজার হিসেবে রয়েছেন রোকসানা বেগম ও কোচ আলমগীর আলম রাজু।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
“প্রযুক্তি নির্ভর যুবশক্তি, বহুপাক্ষিক অংশীদারিত্বে অগ্রগতি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে কুমিল্লা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। পরে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আলী রাজিব মাহমুদ মিঠুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী এবং যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কুমিল্লার ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মোঃ শফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক নজরুল ইসলাম সরকার। এছাড়া সহকারী পরিচালক মোঃ শহীদুল্লাহ, এনসিপির প্রধান মুখ্য সমন্বয়কারী মোঃ সিরাজুল হক, যুগ্ম সমন্বয়কারী মোঃ রাশেদুল হাসানসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী, যুব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, উদ্যোক্তা, সংগঠক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে যুব সংগঠনগুলোকে নিবন্ধন সনদ ও যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি সফল যুব সংগঠক ও উদ্যোক্তা আত্মকর্মীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন