

শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যার ঘটনায় জড়িত আরও একজনকে গ্রেফতার
করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযান
পরিচালনার সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩) শহিদ
হয়েছিলেন। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত মোঃ নাসির (৩৪) নামক একজনকে গতকাল (২৭
সেপ্টেম্বর ২০২৪) গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ১৭
জনের মধ্যে এ পর্যন্ত ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গ্রেফতারকৃত
ডাকাতদের নিকট হতে ৫টি দেশিয় তৈরি বন্দুক, বিভিন্ন ধরনের ১৪ রাউন্ড গুলি,
হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। ডাকাত দলের অন্যান্য জড়িত
সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতকে চকরিয়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গত বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) চট্টগ্রাম সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়া মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, বিএসপি, এসইউপি, এনডিসি, পিএসসি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
গত ১৪ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ হতে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন সেনা অঞ্চলের মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় ১১ পদাতিক ডিভিশন দল চ্যাম্পিয়ন এবং ২৪ পদাতিক ডিভিশন দল রানার-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। প্রতিযোগিতায় ১১ পদাতিক ডিভিশন এর কর্পোরাল মোঃ সোলাইমান তনু শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় এবং ১১ পদাতিক ডিভিশন এর এনসি (ই) রবিন চন্দ্র দাস শ্রেষ্ঠ নবীন খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ এবং চট্টগ্রাম সেনানিবাসের সকল অফিসার, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার এবং অন্যান্য পদবীর সৈনিকবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যামের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে শারীরিক সক্ষমতা, খেলাধুলার মান উন্নয়ন এবং খেলোয়াড় সুলভ মনোভাবের বিকাশ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য আরো মজবুত হবে।
মন্তব্য করুন


২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ৩৩ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে একটি
প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পর যেসব এসপি ও ইউনিট প্রধানরা বিপিএম-পিপিএম পদক পেয়েছিল তাও বাতিল করা হয়েছে।
এই
একই
কারণে এর আগে ওএসডি করা হয় ১২ ডিসিকে।
ওএসডি করা কর্মকর্তাদের তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৬১০ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে ধ্বংস করা হয়েছে শতবর্ষী ২টি পুকুর ও ২২ একর প্রাকৃতিক জলাশয়। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও পলাতক, হত্যা মামলার আসামী আবু জাহের রাতের আঁধারে গোমতী নদীর মাটি কেটে এই জলাধার ও পুকুর ভরাট করেন—যা পরিবেশ আইন ও প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।
আইনের অপমান
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন ২০০০ অনুযায়ী, কোনো পুকুর, খাল, নদী কিংবা প্রাকৃতিক জলাশয় ভরাট করা সম্পূর্ণ বেআইনি। কিন্তু কারাগারের অভ্যন্তরের পুকুরসহ ২২ একর জলাশয় বুলডোজারের নিচে চাপা পড়েছে নিরব প্রত্যক্ষদর্শীদের সামনে।
ঐতিহাসিক জলাধার, আজ শুধু স্মৃতি
ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৬৭ একর জমির মধ্যে দুটি পুকুর ও একটি ২২ একরের বিশাল জলাশয় রয়েছে। একসময় এ জলাশয়ে হাজারো অতিথি পাখির সমাগম হতো। পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছিল। এসব পুকুরে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দও গোসল করেছিলেন—স্মৃতি হিসেবে সেই ছবিও সংরক্ষিত আছে।
কিন্তু এখন সেই পুকুরগুলোর দুটি সম্পূর্ণভাবে ভরাট, অপরটি আংশিকভাবে ভরাটের প্রক্রিয়ায়। আর বিশাল জলাশয়টি রাতারাতি মাটি ফেলে সমতল করা হয়েছে।সেখানে গড়ে উঠেছে দশতলা চারটি ভবন।
ক্ষমতার ছত্রছায়ায় কাজ
সূত্র মতে, কারাগারের এই উন্নয়ন কাজটি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় প্রভাব খাটিয়ে সাবেক এমপি আবু জাহের ও তার ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জলাধার ভরাটের ঠিকাদার ছিলেন আবু জাহের নিজেই। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের অধিকাংশ অর্থাৎ কোটি কোটি টাকার কাজ তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে দখলে রেখেছেন।অধিকাংশ কাজ এখনো চলমান রয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর নির্লিপ্ত?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের কুমিল্লা অঞ্চলের উপ-পরিচালক মুসাব্বির হোসেন মোহাম্মদ রাজিব জানান, “আমরা কারা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি। বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ পর্যন্ত গিয়েছে। কাজ বন্ধের সিদ্ধান্ত আছে, তবে তারা আমাদের অনুমতি না নিয়েই জলাশয় ভরাট করেছে।”
গণপূর্ত বিভাগ দায় এড়ালো
গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ৬১০ কোটি টাকার প্রকল্পটি তাদের তত্ত্বাবধানে হলেও জলাধার ভরাটের বিষয়ে তিনি বলেন,খতিয়ান নাল জমি উল্লেখ আছে। “পুকুর ভরাটের জায়গার কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে, তবে কারা কর্তৃপক্ষ ভালো বলতে পারবে।”
কর্তৃপক্ষের নীরবতা
সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুনের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে রিজার্ভ গার্ডের প্রধান কারারক্ষী জানান, তিনি ব্যস্ত। পরে তাঁর সরকারি নম্বরে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। একইভাবে জেলার আব্দুল্লাহ আল-আমিনের নম্বরেও যোগাযোগ করা হলে সাড়া মেলেনি।
এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনা এবং প্রাকৃতিক জলাধার রক্ষার দাবিতে পরিবেশবাদী ও সচেতন মহল সরব হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মন্তব্য করুন


বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের সঙ্গে আলোচনা করে বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) এ সিদ্ধান্ত নেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
প্রধান বিচারপতির নেওয়া এ সিদ্ধান্ত বিজ্ঞপ্তি আকারে জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তির ভাষ্যমতে, দেশব্যাপী চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের আলোচনাক্রমে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন।
সিদ্ধান্ত অনুসারে, দেশের সব অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত-ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা এবং আইনজীবীরা ক্ষেত্রমত সাদা ফুলশার্ট বা সাদা শাড়ি/সালোয়ার কামিজ ও সাদা নেক ব্যান্ড/কালো টাই পরিধান করবেন। এক্ষেত্রে কালো কোট এবং গাউন পরিধান করার আবশ্যকতা নেই। এ নির্দেশনা আগামী ৮ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
মন্তব্য করুন


যশোরে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে দুই নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটারকে
পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে
এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ
সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার যশোর শহরের কদমতলা এলাকার একটি ছাত্রাবাস থেকে এক যুবকের
মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের রেশমা বেগম ওরফে তাসনিম ফুয়াদ এবং ভেকুটিয়া
গ্রামের ডালিয়া খাতুন তাদের ফেসবুক আইডিতে দাবি করেন, মরদেহটি পুলিশ লাইনের একটি মেস
থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ভুল তথ্যভিত্তিক এ পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে
পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।
বিষয়টি
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে এলে মঙ্গলবার সকালে ওই দুই নারীকে পুলিশ সুপারের
কার্যালয়ে ডাকা হয়। সেখানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও
কথা বলেন পুলিশ সুপার।
কোতোয়ালি
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান বলেন, অভিযুক্তরা প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, সম্প্রতি ঢাকার
একটি অগ্নিকাণ্ডের ভিডিও যশোরের ঘটনা বলে প্রচার করা হয়েছিল। এছাড়া মনিরামপুরের একটি
পারিবারিক ঘটনাকে ডাকাতির ঘটনা হিসেবে ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন তাসনিম ফুয়াদ।
তিনি
আরও জানান, ডালিয়া খাতুনের বিরুদ্ধেও আগে বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। সর্বশেষ ভুল তথ্য প্রচারের
ঘটনায় তাদের সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট না করার শর্তে
মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পুনরায় একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে আইনগত ব্যবস্থা
নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


বর্তমান পরিস্থিতিতে চলমান এইচএসসি
ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। তবে পরীক্ষার ফলাফল কীভাবে হবে, তা পরে
সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান
তপন কুমার সরকার সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে, এসএসসির ফলাফলের সঙ্গে সমন্বয়
করে এইচএসসির ফলাফল প্রকাশের দাবিতে সচিবলায়ে বিক্ষোভ করেন এইচএসসির পরীক্ষার্থীরা।
সকাল থেকে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামনে জড়ো হন তারা। দুপুরের দিকে স্লোগান দিতে
দিতে সচিবালয়ে ঢুকে পড়েন শিক্ষার্থীরা।
তারা জানান, বন্যা, কোটা সংস্কারসহ
নানা কারণে গত ৫ মাস ধরে পরীক্ষার মধ্যে আছেন। এ ছাড়া কোটা সমন্বয় ও সরকার পতনের এক
দফা আন্দোলনে অনেক পরীক্ষার্থী নিহত ও আহত হয়েছেন। অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি। এমন পরিস্থিতিতে
বারবার পরীক্ষার পেছানোর ফলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। তাই আহতদের রেখে
এ বছর আর পরীক্ষা দিতে চান না তারা।
এ ছাড়াও তাদের এসএসসি ফলাফলের সঙ্গে
সমন্বয় করে দ্রুত এইচএসসির ফলাফল প্রকাশের দাবিও জানান তারা।
মন্তব্য করুন


সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত
সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আইনটি বাতিলের সঙ্গে সঙ্গে এর অধীনে সাংবাদিকদের
বিরুদ্ধে হওয়া সব হয়রানিমূলক মামলাও বাতিল হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন, আইন, বিচার ও সংসদ
বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা
ক্লাবে ‘ডিআরইউ-দেশ টিভি বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৪’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) অন্তর্বর্তী
সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে বহুল আলোচিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়। সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে হয়রানির হাতিয়ার হিসেবে এই আইন
ব্যবহার হয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, সাইবার
সিকিউরিটি অ্যাক্ট বাতিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ আইনের অধীনে সব মামলা বাতিল হয়ে যাবে,
এ মামলার জন্য সাংবাদিকদের আবেদন করা লাগবে না। তবে এ আইনের আওতায় হওয়া পর্নোগ্রাফি
ও যৌন হয়রানির মামলাগুলোর বিচার চলবে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় শহীদ পরিবারে পক্ষ
থেকে কোনো মামলা হলে সেখানে আমাদের কিছু করণীয় নেই। এক্ষেত্রেও সংবেদনশীলতার বিষয়টি
আমরা দেখতে বলেছি।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের
সালথায় গভীর রাতে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হয়েছেন মো.
আজাদ শেখ (৩৫) নামে এক স্কুল দপ্তরি। মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার
যদুনন্দী ইউনিয়নের বড় খারদিয়া এলাকায় ওই প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের আলমারির ভেতর থেকে তাকে
আটক করা হয়। যদিও পরে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলকে মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে
নেয় তার পরিবার। তবে ঘটনার ৫৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে
দেখা যায়, প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের আলমারির ভেতর খালি গায়ে লুকিয়ে আছেন আজাদ। তাকে আলমারির
ভেতর থেকে বের করার চেষ্টা করছেন কয়েকজন যুবক। এসময় অনেককে ঘটনাটি মোবাইলে ভিডিও ধারণ
করতে দেখা গেছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আটক
আজাদ শেখ বড় খারদিয়া গ্রামের বর শেখের ছেলে। তিনি বড় খারদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
দপ্তরি হিসেবে কর্মরত। স্থানীয়রা জানান, ওই প্রবাসীর স্ত্রীর ছেলে বড় খারদিয়া স্কুলে
পড়ে। ছেলেকে স্কুলে আনা-নেওয়ার সময় দপ্তরি আজাদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।
পরে
তারা দুজন পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। যে কারণে মাঝে মাঝেই গভীর রাতে ওই নারীর ঘরে যাওয়া-আসা
করত আজাদ। বিষয়টি স্থানীরা টের পেলে রাতে পাহাড়া দিতে থাকে। মঙ্গলবার গভীর রাতে আজাদ
ওই নারীর ঘরে ঢুকলে স্থানীয় লোকজন বাড়িটি ঘিরে ফেলেন। পরে ঘরের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে
একটি আলমারির ভেতর লুকিয়ে থাকা অবস্থায় তাকে বের করে আটক করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, ঘটনাটি ঘটনার পর আজাদকে পুলিশে না দিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময় তাকে ছেড়ে
দেন স্থানীয় প্রভাবশালী মহল। এখন এ ঘটনা মিমাংসা করার জন্য দেন-দরবার চলছে।
ঘটনার
সত্যতা স্বীকার করে প্রবাসীর স্ত্রী বলেন, রাতে পাশের বাড়ির মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি সেখানে
যাই। পরে বাড়িতে এসে দেখি আজাদ ঘরের ভেতরে। এসময় আজাদ আমাকে চুপ থাকতে বলেন। কিন্তু
প্রতিবেশীরা যখন আমার বাড়ি ঘিরে ফেলে, তখন ভয় পেয়ে আজাদ আলমারিতে লুকিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে
স্থানীয়রা এসে তাকে আটক করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইরন বলেন, এ
ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। সবই ভিত্তিহীন। এখানে কোনো সমস্যা নেই। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ
না করার অনুরোধ করেন তিনি।
বড়
খারদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোরশেদা খান
লিমা বলেন, আজাদের স্ত্রী ফোন করে তার জন্য ছুটির আবেদন করেন। আমি ছুটি মঞ্জুর করি।
পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।
সালথা
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.
তামেম উদ্দিন বলেন, বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমি বর্তমানে প্রশিক্ষণে আছি। রবিবার অফিসে
এসে বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সালথা
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দবির উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, এ ঘটনায় যদি স্কুল দপ্তরি
আজাদের বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং তিনি দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা
নেওয়া হবে। এমনকি সাময়িক বরখাস্তও করা হতে পারে।
মন্তব্য করুন


দেশের
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা ও মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং
সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকাতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য
মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
রবিবার
(২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-২ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে সংশ্লিষ্ট
জেলা প্রশাসকদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে
বলা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল,
শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে
বলে আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং জানমালের ব্যাপক
ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ
অবস্থায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার
স্বার্থে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুর মহানগর এলাকা, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর
জেলায় ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের
জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের চাহিদার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়েছে।
চিঠির
সঙ্গে ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পাঠানো সেনা মোতায়েন সংক্রান্ত
চাহিদাপত্রও সংযুক্ত করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলোর কর্মসূচিকে
কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি
সেনাবাহিনীকে মাঠে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেনাসদস্যরা বেসামরিক প্রশাসনকে
সহায়তার অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জানিয়েছে,বাংলাদেশি ভোটার বিদেশে বসবাস করলেও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।
সম্প্রতি এ নিয়ে ইসির উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমানের স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র জারি হয়েছে যাতে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ২৭ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিধান রয়েছে।
পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের জন্য আবেদন:প্রবাসী ব্যক্তি ভোটদানের জন্য কমিশনের ঘোষিত সময়সূচির প্রজ্ঞাপন ঘোষণার দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদানের জন্য রিটার্নিং অফিসারের নিকট বিধি অনুসারে আবেদন করতে পারবেন।বিধান অনুযায়ী পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদান সংক্রান্ত রিটার্নিং অফিসার স্থানীয়ভাবে প্রচার করবেন। আর বিদেশে অবস্থিত দূতাবাস, হাইকমিশন ও মিশনসমূহ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পদ্ধতিগতভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর করণীয়: রিটার্নিং অফিসার উল্লিখিত আবেদন প্রাপ্তির পর পরই সংশ্লিষ্ট ভোটারের নিকট একটি পোস্টাল ব্যালট পেপার এবং তার সঙ্গে একটি খাম পাঠাবেন। এই খামের ওপর ভোটার থেকে যথারীতি পূরণকৃত খামটি ডাক বিভাগের উপযুক্ত কর্মকর্তার দ্বারা সার্টিফিকেট অব পোস্টিংয়ের মাধ্যমে ডাকযোগে প্রেরণের প্রত্যয়নসহ তারিখ উল্লেখ থাকবে। সার্টিফিকেট অব পোস্টিংয়ের মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালট পেপার গ্রহণ এবং চিঠির ওপর এ সম্পর্কে রাবার স্ট্যাম্পের সিল ব্যবহার করতে হবে। রিটার্নিং অফিসার সঙ্গে সঙ্গে ডাকযোগে ভোটদানের যোগ্য ব্যক্তিদের নিকট পোস্টাল ব্যালট পেপার প্রেরণ করবেন।
পোস্টাল ব্যালটে ভোটের নিয়ম: যার নিকট ব্যালট পেপার প্রেরণ করা হবে তার নাম, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার নাম এবং ভোটার তালিকায় বর্ণিত ক্রমিক নম্বর ইস্যুকৃত ব্যালট পেপারের মুড়িপত্রে লিপিবদ্ধ করবেন।) উল্লিখিত ভোটার সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে যাতে ভোট প্রদান করতে পারেন তা নিশ্চিত করবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্তৃপক্ষকে ডাকযোগে ব্যালট পেপার প্রেরণ ও প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানের লক্ষ্যে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করতে হবে ।
মন্তব্য করুন