এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি
ছবি

যুক্তরাজ্যের হাই কোর্ট রায় দিয়েছেকোনো পুরুষকেবাল্ড’ (টাক) বলে অপমান করা আইনগতভাবে যৌন হয়রানি হিসেবে গণ্য হতে পারে। আদালতের এই রায় ঘিরে দেশজুড়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

এই মামলার সূত্রপাত ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে। একজন ইলেকট্রিশিয়ান টনি ফিন অভিযোগ করেন, তার বস তাকে ‘stupid bald cunt’ বলে গালিগালাজ করেছিলেন। বিষয়টি কর্মক্ষেত্রে অপমানজনক হয়রানিমূলক আচরণ হিসেবে ট্রাইব্যুনালে গড়ায়। শুনানি শেষে আদালত রায় দেন, মন্তব্যটি গ্রহণযোগ্য সীমা অতিক্রম করেছে।

রায়ে বিচারকেরা বলেন, টাক হওয়া বা চুল না থাকা বিষয়টি মূলত পুরুষদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। ফলে কাউকেবাল্ডবলে অপমান করা লিঙ্গভিত্তিক মন্তব্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, যা যুক্তরাজ্যের সমতা বৈষম্যবিরোধী আইনের আওতায় পড়ে।

রায়ের ক্ষেত্রে এক অদ্ভুত আলোচিত বিষয় হলোমামলাটি নিষ্পত্তি করা তিন বিচারকই ছিলেন টাক। এই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রায়ের পর অনলাইনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই একে অতিরঞ্জিত সিদ্ধান্ত বলে সমালোচনা করছেন। অন্যদিকে, কেউ কেউ বলছেনযেভাবে নারীদের শারীরিক গঠন বা চেহারা নিয়ে কটূক্তিকে হয়রানি হিসেবে দেখা হয়, একই যুক্তিতে পুরুষদের ক্ষেত্রেও এমন মন্তব্যের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেওয়া যুক্তিসংগত।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সাধ্যের বাইরে কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না: তারেক রহমান

আজ থেকে ভোটের মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

টানা দেড় মাসের ছুটিতে যাচ্ছে মাদ্রাসা

শ্রমবাজারে সুনাম বজায় রাখতে সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার

আজ প্রপোজ ডে, প্রিয়জনকে মনের কথা জানানোর বিশেষ দিন

মাদ্রাসায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১০টি কক্ষ ভস্মীভূত

৩ বছরের শিশু সন্তানকে হত্যা করে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালালেন মা

কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনে ইশতেহারে

১০

গতকাল কমার পর আজ আবার বাড়ল সোনার দাম

১১

ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তারেক রহমানের

১২

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

১৩

গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার

১৪

মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু মারা গেছে

১৫

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন এক নারী

১৬

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিক্ষিকার ঠোঁট কেটে দিল ছাত্র

১৭

এলপিজির কর কাঠামো পুনর্গঠন, আমদানিতে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ

১৮

জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের মামলায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তার জামিন মঞ্জুর

১৯

একুশে পদক পাচ্ছে সংগীত দল ও ৯ ব্যক্তি

২০

আগামী জানুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আগামী জানুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী জানুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির তৃতীয় সভায় তিনি কথা জানান।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আগামী জানুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। তবে তারিখ এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। বিশ্ব ইজতেমা কীভাবে ভালোভাবে হতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, বিশ্ব ইজতেমায় এখন দুটি গ্রুপ হয়ে গেছে। তাদের মধ্যে মতেরও পার্থক্য আছে।   আমরা তাদের সঙ্গে বসব, যাতে তারা সবাই ঐকমত্যে এসে ভালোভাবে (ইজতেমা) করতে পারে। এটি খুবই ভালো একটা আয়োজন, আমাদের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য বিরাট অনুষ্ঠান। এখানে বহু হুজুর যান এবং বহু দিকনির্দেশনা আসে। আমরা তাদের অনুরোধ করব।  আমরা তাদের বলব, আপনাদের নিজেদের মধ্যে যে সমস্যাটা রয়েছে, তা নিজেরা সমাধান করতে পারলে আমাদের জন্য ভালো। আর যদি নিজেরা সমাধান করতে না পারেন, তাহলে আমরা বসতে পারি, কীভাবে সমাধান করে আয়োজনটি ভালোভাবে করা যায়, সে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। 

সভায় সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে করণীয়; বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সার্বিক নিরাপত্তা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়; সন্ত্রাসী কার্যক্রম জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ, নির্মূল নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ; অস্ত্র জমা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সচেষ্ট হওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারী অপরাধীদের গ্রেপ্তার কার্যক্রম জোরদার করা, বিভিন্ন অপরাধী আন্দোলন-সমাবেশে উসকানিদাতাদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত হয়। 

ছাড়াও রাস্তায় সমাবেশ না করে দাবি-দাওয়া সংশ্লিষ্ট সরকারি কমিটি বা কমিশনে পেশ করা, জনভোগান্তি দূর করতে শাহবাগের পরিবর্তে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা সমাবেশ আয়োজন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের বিষয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জনসাধারণকে জানানো, জামিনে মুক্তি পাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীরা অপরাধে লিপ্ত হলে দ্রুত গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নেওয়া ইত্যাদি সিদ্ধান্ত হয়। 

স্বরাষ্ট্র কৃষি উপদেষ্টা এবং কমিটির আহ্বায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা এতে অংশ নেন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সাধ্যের বাইরে কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না: তারেক রহমান

আজ থেকে ভোটের মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

টানা দেড় মাসের ছুটিতে যাচ্ছে মাদ্রাসা

শ্রমবাজারে সুনাম বজায় রাখতে সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার

আজ প্রপোজ ডে, প্রিয়জনকে মনের কথা জানানোর বিশেষ দিন

মাদ্রাসায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১০টি কক্ষ ভস্মীভূত

৩ বছরের শিশু সন্তানকে হত্যা করে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালালেন মা

কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনে ইশতেহারে

১০

গতকাল কমার পর আজ আবার বাড়ল সোনার দাম

১১

ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তারেক রহমানের

১২

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

১৩

গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার

১৪

মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু মারা গেছে

১৫

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন এক নারী

১৬

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিক্ষিকার ঠোঁট কেটে দিল ছাত্র

১৭

এলপিজির কর কাঠামো পুনর্গঠন, আমদানিতে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ

১৮

জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের মামলায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তার জামিন মঞ্জুর

১৯

একুশে পদক পাচ্ছে সংগীত দল ও ৯ ব্যক্তি

২০

মায়ের কফিনের পাশে কোরআন তেলাওয়াত করছেন তারেক রহমান

মায়ের কফিনের পাশে কোরআন তেলাওয়াত করছেন তারেক রহমান
ফাইল ছবি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মরদেহের পাশে বসে কোরআন তিলাওয়াত করেন ছেলে তারেক রহমান।

এখানেই দলের নেতাকর্মী ও স্বজনরা খালেদা জিয়াকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে আসছেন।

আজ বুধবার সকাল ৯টার আগে বাংলাদেশের পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের উদ্দেশ্যে বের করা হয় তাঁর মরদেহ।

এরপর নেওয়া হয় গুলশানের তারেক রহমানের বাসায়। সেখানে তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন তার কন্যা জাইমা রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সাধ্যের বাইরে কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না: তারেক রহমান

আজ থেকে ভোটের মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

টানা দেড় মাসের ছুটিতে যাচ্ছে মাদ্রাসা

শ্রমবাজারে সুনাম বজায় রাখতে সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার

আজ প্রপোজ ডে, প্রিয়জনকে মনের কথা জানানোর বিশেষ দিন

মাদ্রাসায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১০টি কক্ষ ভস্মীভূত

৩ বছরের শিশু সন্তানকে হত্যা করে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালালেন মা

কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনে ইশতেহারে

১০

গতকাল কমার পর আজ আবার বাড়ল সোনার দাম

১১

ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তারেক রহমানের

১২

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

১৩

গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার

১৪

মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু মারা গেছে

১৫

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন এক নারী

১৬

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিক্ষিকার ঠোঁট কেটে দিল ছাত্র

১৭

এলপিজির কর কাঠামো পুনর্গঠন, আমদানিতে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ

১৮

জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের মামলায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তার জামিন মঞ্জুর

১৯

একুশে পদক পাচ্ছে সংগীত দল ও ৯ ব্যক্তি

২০

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া
ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য আপসহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, নেতৃত্ব এবং দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট গঠনে তাঁর ভূমিকা বিশ্ব গণমাধ্যমে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।

বিশ্বের প্রভাবশালী সংবাদ সংস্থা ও গণমাধ্যমগুলো তাঁর রাজনৈতিক উত্থান, সংগ্রাম ও অবদানের ওপর আলোকপাত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি বলেছে, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, যাঁকে অনেকেই আগামী নির্বাচনে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরতে পারেন বলে মনে করছিলেন, মঙ্গলবার সকালে ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন।

সরকার তাঁর মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। বুধবার তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি আরো বলেছে, দীর্ঘদিন অসুস্থতা ও কারাবাস সত্ত্বেও খালেদা জিয়া গত নভেম্বর মাসে ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন। গত বছর গণ-অভ্যুত্থানে তাঁর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর এটিই ছিল দেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন।

বিবিসি ‘খালেদা জিয়া: নিহত নেতার বিধবা স্ত্রী থেকে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণকারী খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। একসময় তাঁকে তাঁর স্বামী, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা ও ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি হওয়া জিয়াউর রহমানের ‘লাজুক গৃহিণী হিসেবে বর্ণনা করা হতো। তবে ১৯৮১ সালে স্বামীর হত্যাকাণ্ডের পর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতৃত্বে উঠে আসেন এবং নব্বইয়ের দশক ও ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে দুই দফায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেছেন বলে মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে বিএনপি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি যেসব দুর্নীতি মামলার মুখোমুখি হয়েছিলেন, সেগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছিলেন খালেদা জিয়া। চলতি বছরের জানুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে থাকা শেষ দুর্নীতি মামলাতেও তাঁকে খালাস দেন, যার ফলে তিনি ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেতেন। এপি আরও জানায়, ২০২০ সালে অসুস্থতার কারণে কারামুক্তির পর তাঁর পরিবার অন্তত ১৮ বার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের কাছে তাঁকে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দেওয়ার আবেদন জানালেও তা প্রত্যাখ্যান করা হয়।

২০২৪ সালে শেখ হাসিনার পতনের পর নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার অবশেষে তাঁকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়। তিনি জানুয়ারিতে লন্ডন যান এবং মে মাসে দেশে ফেরেন।

রয়টার্স শিরোনাম দেয়- ‘বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ৮০ বছর বয়সে মারা গেলেন

রয়টার্স জানায়, ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়া খালেদা জিয়া দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর মঙ্গলবার মৃত্যুবরণ করেন।

চিকিৎসকদের বরাতে বলা হয়, তিনি লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসসহ বুক ও হৃদ্রোগে ভুগছিলেন।

আল জাজিরা জানায়, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও দেশের অস্থির রাজনীতির এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব খালেদা জিয়া দীর্ঘ অসুস্থতার পর ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন।

কাতারভিত্তিক এই গণমাধ্যমটি আরও একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে- ‘খালেদা জিয়া: বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী - ক্ষমতা ও প্রতিরোধের এক জীবন শিরোনামে।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান তাদের অনলাইন সংস্করণে লিখেছে- ‘বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ৮০ বছর বয়সে মারা গেলেন

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই এক প্রতিবেদনে লিখেছে- ‘খালেদা জিয়া: কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারকারী এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া কয়েক দশক ধরে দেশের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করেন।

দীর্ঘদিন বিএনপির নেতৃত্ব দেওয়া তিনবারের প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার ভোরে ঢাকায় দীর্ঘ অসুস্থতার পর মৃত্যুবরণ করেন।

পিটিআই জানায়, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকার জন্য সমর্থকদের কাছে তিনি ব্যাপকভাবে সমাদৃত। নব্বইয়ের দশক এবং ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি ছিলেন এক প্রভাবশালী নাম।

ভারতের বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে, ‘একদা রাজনীতিতে ঘোর অনিচ্ছুক ‘ফার্স্ট লেডি থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী!’ জলপাইগুড়ির ‘পুতুল হয়ে উঠেছিলেন ‘বেগম জিয়া-শীর্ষক প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয় তাঁর স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর। ১৯৮২ সালে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং ৯০-এর দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার পতনের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত জাতীয় সাংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয়বার এবং ২০০১ সালে তৃতীয়বার তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি অধ্যায়ের অবসান হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। তিনি শুধু একটি দলের প্রধানই ছিলেন না, বরং সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিত বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশ-বিদেশে অসংখ্য মানুষ শোক প্রকাশ করছেন।

বেগম জিয়ার ইন্তেকালে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সারাদেশে এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল, গুলশানে তাঁর বাসভবন ও নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শোকাহত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা গেছে। সেখানে অসংখ্য মানুষকে অশ্রুসিক্ত দেখা যায়। সারাদেশে সব জায়গায় দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে শোকের মাতম।

 

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সাধ্যের বাইরে কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না: তারেক রহমান

আজ থেকে ভোটের মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

টানা দেড় মাসের ছুটিতে যাচ্ছে মাদ্রাসা

শ্রমবাজারে সুনাম বজায় রাখতে সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার

আজ প্রপোজ ডে, প্রিয়জনকে মনের কথা জানানোর বিশেষ দিন

মাদ্রাসায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১০টি কক্ষ ভস্মীভূত

৩ বছরের শিশু সন্তানকে হত্যা করে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালালেন মা

কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনে ইশতেহারে

১০

গতকাল কমার পর আজ আবার বাড়ল সোনার দাম

১১

ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তারেক রহমানের

১২

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

১৩

গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার

১৪

মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু মারা গেছে

১৫

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন এক নারী

১৬

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিক্ষিকার ঠোঁট কেটে দিল ছাত্র

১৭

এলপিজির কর কাঠামো পুনর্গঠন, আমদানিতে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ

১৮

জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের মামলায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তার জামিন মঞ্জুর

১৯

একুশে পদক পাচ্ছে সংগীত দল ও ৯ ব্যক্তি

২০

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ১২ ফেব্রুয়ারি

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ১২ ফেব্রুয়ারি
ছবি

আজ বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের তারিখ রেখে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন তিনি। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে প্রচারিত হয়। তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীদের মনোনয়পত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ১১ জানুয়ারি এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি, প্রচার শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে ৩০০ সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৯৩ জন। প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটাররাও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, আসুন আচরণবিধি মেনে শান্তিপূর্ণ উৎসবমুখর নির্বাচন করি। ভোটের আস্থা অর্জনই হোক আপনাদের লক্ষ্য। কমিশন স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনে বদ্ধপরিকর। কোনো শিথিলতা বা গাফিলতি সহ্য করা হবে না। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেয়। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১৬ মাসের মাথায় জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগের দিন বুধবার দুপুরে সিইসির নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনাররা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সাধ্যের বাইরে কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না: তারেক রহমান

আজ থেকে ভোটের মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

টানা দেড় মাসের ছুটিতে যাচ্ছে মাদ্রাসা

শ্রমবাজারে সুনাম বজায় রাখতে সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার

আজ প্রপোজ ডে, প্রিয়জনকে মনের কথা জানানোর বিশেষ দিন

মাদ্রাসায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১০টি কক্ষ ভস্মীভূত

৩ বছরের শিশু সন্তানকে হত্যা করে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালালেন মা

কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনে ইশতেহারে

১০

গতকাল কমার পর আজ আবার বাড়ল সোনার দাম

১১

ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তারেক রহমানের

১২

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

১৩

গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার

১৪

মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু মারা গেছে

১৫

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন এক নারী

১৬

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিক্ষিকার ঠোঁট কেটে দিল ছাত্র

১৭

এলপিজির কর কাঠামো পুনর্গঠন, আমদানিতে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ

১৮

জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের মামলায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তার জামিন মঞ্জুর

১৯

একুশে পদক পাচ্ছে সংগীত দল ও ৯ ব্যক্তি

২০

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম বাড়লো

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম বাড়লো
সংগৃহীত

সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে । বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহার করা গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা বাড়িয়ে গেজেট জারি করা হয়েছে। নতুন এ দাম চলতি ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর ধরা হয়েছে।


এর আগে গত বছরের ১৮ জানুয়ারি আবাসিক, সিএনজিচালিত যানবাহন, সার ও চা শিল্পে ব্যবহার ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল, যা ওই বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কার্যকর হয়।


সরকারি, আইপিপি ও রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের জন্য গ্যাসের পূর্ব মূল্য ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা যা বাড়িয়ে বর্তমান মূল্য করা হয়েছে ১৪ টাকা ৭৫ পয়সা।


ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট, স্মল পাওয়ার প্ল্যান্ট ও বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ছিল প্রতি ঘনমিটার ৩০ টাকা। এক্ষেত্রেও ৭৫ পয়সা বাড়িয়ে সেটা ৩০ টাকা ৭৫ পয়সা করা হয়েছে।


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ভতুর্কি সমন্বয়ে বিদ্যুতের সঙ্গে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে । গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেছিলেন, গ্যাসের দাম সমন্বয় গ্রাহক পর্যায়ে হচ্ছে না। বিদ্যুতের পর্যায় হচ্ছে। গ্যাসের আবাসিক পর্যায়ে ব্যবহারের ক্ষেত্রে দাম বাড়ছে না। শিল্পেও গ্যাসের দাম বাড়ছে না। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে যে গ্যাস দেওয়া হয় সেখানে আমরা কিছুটা সমন্বয় করছি।


তিনি বলেন যে গ্যাস বিদ্যুতে দেওয়া হয় সেখানে প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা বাড়বে, অর্থাৎ এটা ইন্টারনাল।


এ বছর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি আসবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি ক্ষেত্রে ৬ হাজার কোটি টাকার মতো ভর্তুকি আসবে। এগুলো আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আমরা সমন্বয়ে যাবো।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সাধ্যের বাইরে কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না: তারেক রহমান

আজ থেকে ভোটের মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

টানা দেড় মাসের ছুটিতে যাচ্ছে মাদ্রাসা

শ্রমবাজারে সুনাম বজায় রাখতে সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার

আজ প্রপোজ ডে, প্রিয়জনকে মনের কথা জানানোর বিশেষ দিন

মাদ্রাসায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১০টি কক্ষ ভস্মীভূত

৩ বছরের শিশু সন্তানকে হত্যা করে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালালেন মা

কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনে ইশতেহারে

১০

গতকাল কমার পর আজ আবার বাড়ল সোনার দাম

১১

ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তারেক রহমানের

১২

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

১৩

গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার

১৪

মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু মারা গেছে

১৫

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন এক নারী

১৬

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিক্ষিকার ঠোঁট কেটে দিল ছাত্র

১৭

এলপিজির কর কাঠামো পুনর্গঠন, আমদানিতে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ

১৮

জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের মামলায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তার জামিন মঞ্জুর

১৯

একুশে পদক পাচ্ছে সংগীত দল ও ৯ ব্যক্তি

২০

দক্ষিণ এশীয় উচ্চশিক্ষা সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দক্ষিণ এশীয় উচ্চশিক্ষা সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা
সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পথনির্দেশনা নিয়ে তিন দিনের দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেছেন।

তিনি আজ মঙ্গলবার ( ১৩ জানুয়ারি ) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের শিরোনাম ‘দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলন: উচ্চশিক্ষার অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পথনির্দেশনা (সার্চে ২০২৬)’।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন এবং বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে। স্বাগত বক্তব্য দেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজিমউদ্দিন খান।

অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাগণ, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ, দেশি-বিদেশি গবেষক ও শিক্ষাবিদ এবং কূটনীতিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

ইউজিসি কর্মকর্তারা জানান, হায়ার এডুকেশন অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ইউজিসি এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের ৩০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরাও এতে অংশগ্রহণ করছেন। আগামী ১৫ জানুয়ারি সম্মেলন শেষ হবে।

এ ছাড়া সার্কভুক্ত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও উচ্চশিক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিগণ, বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ ও গবেষক সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।

ইউজিসি জানায়, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এবং সার্ক দেশগুলোর মধ্যে ইউজিসির নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করাই এ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।

তিন দিনে মোট আটটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দিন আজ দুটি অধিবেশনে আলোচনা হবে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা: শাসনব্যবস্থা, গুণগত মান ও অন্তর্ভুক্তি এবং ‘গবেষণা, উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন ও সামাজিক সম্পৃক্ততা বিষয়ে।

দ্বিতীয় দিনে আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংযুক্তি, ডিজিটাল রূপান্তর ও স্মার্ট লার্নিং ইকোসিস্টেম, স্নাতকদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা, উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ পথ: সহযোগিতা, সংহতি ও নেটওয়ার্কিং, উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে অংশীজনদের সংলাপ: নাগরিক সমাজের কণ্ঠস্বর এবং হিট প্রকল্পের প্রেক্ষাপটে উপাচার্যদের সঙ্গে সংলাপ।

শেষ দিনে উচ্চশিক্ষায় লিঙ্গসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে। এরপর ‘ঢাকা উচ্চশিক্ষা ঘোষণা গ্রহণের মধ্য দিয়ে সম্মেলন শেষ হবে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সাধ্যের বাইরে কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না: তারেক রহমান

আজ থেকে ভোটের মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

টানা দেড় মাসের ছুটিতে যাচ্ছে মাদ্রাসা

শ্রমবাজারে সুনাম বজায় রাখতে সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার

আজ প্রপোজ ডে, প্রিয়জনকে মনের কথা জানানোর বিশেষ দিন

মাদ্রাসায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১০টি কক্ষ ভস্মীভূত

৩ বছরের শিশু সন্তানকে হত্যা করে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালালেন মা

কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনে ইশতেহারে

১০

গতকাল কমার পর আজ আবার বাড়ল সোনার দাম

১১

ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তারেক রহমানের

১২

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

১৩

গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার

১৪

মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু মারা গেছে

১৫

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন এক নারী

১৬

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিক্ষিকার ঠোঁট কেটে দিল ছাত্র

১৭

এলপিজির কর কাঠামো পুনর্গঠন, আমদানিতে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ

১৮

জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের মামলায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তার জামিন মঞ্জুর

১৯

একুশে পদক পাচ্ছে সংগীত দল ও ৯ ব্যক্তি

২০

ডেঙ্গুর থাবায় একদিনে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৩৭৭

ডেঙ্গুর থাবায় একদিনে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৩৭৭
ছবি

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে মোট প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়াল ৩৭৭ জনে। একই সময়ে নতুন করে ৫৬৭ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত একদিনে ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় সবচেয়ে বেশি ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ২ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। এদিন ভর্তির সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন১২৫ জন।

এছাড়া ঢাকা বিভাগে ৯২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম বিভাগে ৮৬ জন করে মোট ১৭২ জন, বরিশালে ৬৯, খুলনায় ৪১, ময়মনসিংহে ৩৭, রাজশাহীতে ২৫, সিলেটে ৪ এবং রংপুরে ২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বছরের শুরু থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৩৭৭ জন। এদের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যু ঢাকার দক্ষিণ সিটিতে১৭২ জন। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটিতে ৬২, বরিশালে ৪৭, চট্টগ্রামে ৩০, ময়মনসিংহে ২২, রাজশাহীতে ২০, খুলনায় ১২, ঢাকা বিভাগে ৯ এবং সিলেটে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ বছর সর্বমোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৯২ হাজার ৭৮৪ জনে পৌঁছেছে। এরমধ্যে বরিশাল বিভাগে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ৪৫২ জন এবং সিলেট বিভাগে সর্বনিম্ন ৩৬৪ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সাধ্যের বাইরে কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না: তারেক রহমান

আজ থেকে ভোটের মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

টানা দেড় মাসের ছুটিতে যাচ্ছে মাদ্রাসা

শ্রমবাজারে সুনাম বজায় রাখতে সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার

আজ প্রপোজ ডে, প্রিয়জনকে মনের কথা জানানোর বিশেষ দিন

মাদ্রাসায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১০টি কক্ষ ভস্মীভূত

৩ বছরের শিশু সন্তানকে হত্যা করে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালালেন মা

কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনে ইশতেহারে

১০

গতকাল কমার পর আজ আবার বাড়ল সোনার দাম

১১

ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তারেক রহমানের

১২

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

১৩

গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার

১৪

মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু মারা গেছে

১৫

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন এক নারী

১৬

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিক্ষিকার ঠোঁট কেটে দিল ছাত্র

১৭

এলপিজির কর কাঠামো পুনর্গঠন, আমদানিতে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ

১৮

জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের মামলায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তার জামিন মঞ্জুর

১৯

একুশে পদক পাচ্ছে সংগীত দল ও ৯ ব্যক্তি

২০

বঙ্গোপসাগর অঞ্চল সহযোগিতা-প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দু: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

বঙ্গোপসাগর অঞ্চল সহযোগিতা-প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দু: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
ফাইল ছবি

বঙ্গোপসাগর অঞ্চলকে সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, এখানে সহযোগিতার কেন্দ্রে যেন পরিণত হয় আমরা সেই চেষ্টা করছি। এখানে যেন কোনো দ্বন্দ্ব-সংঘাতের কেন্দ্র না হয়।

আজ রোববার (২২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ-বিআইআইএসএসে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

‘বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে পুনরায় সংযোগ’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করে বিআইআইএসএস ও ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপিং ইকোনমিকস (আইডিই-জেট্রো)।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, বঙ্গোপসাগর অঞ্চল অর্থনীতি ও ভূ-কৌশলগত কারণে ফোকাল পয়েন্টে পরিণত হয়েছে। এ কারণে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিকভাবে বঙ্গোপসাগর এলাকায় বড় বড় শক্তির নজর পড়েছে। এটা এখন সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দু। বঙ্গোপসাগর যেন সহযোগিতার কেন্দ্রে পরিণত হয় আমরা সেই চেষ্টা করছি, যাতে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের কেন্দ্র না হয়। গত সাত বছরের বেশি সময় ধরে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অবস্থান করছে। রোহিঙ্গাদের অধিকারসহ নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে না পারলে এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে না। নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বঙ্গোপসাগর এলাকা গড়ে তোলার জন্য স্থিতিশীলতা দরকার। এজন্য রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সব অংশীজনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাই।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত আইওয়ামা কিমিনিরো বলেন, মাতারবাড়ী বন্দর দিয়ে এই অঞ্চলে কানেক্টিভিটি আরও জোরদার হবে আশা করি।  এই কানেক্টিভিটি জোরদারে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া থাকা দরকার।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআইআইএসএসের চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত এ এফএম গাওসুল আজম সরকার ও মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ইফতেখার আনিস।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সাধ্যের বাইরে কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না: তারেক রহমান

আজ থেকে ভোটের মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

টানা দেড় মাসের ছুটিতে যাচ্ছে মাদ্রাসা

শ্রমবাজারে সুনাম বজায় রাখতে সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার

আজ প্রপোজ ডে, প্রিয়জনকে মনের কথা জানানোর বিশেষ দিন

মাদ্রাসায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১০টি কক্ষ ভস্মীভূত

৩ বছরের শিশু সন্তানকে হত্যা করে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালালেন মা

কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনে ইশতেহারে

১০

গতকাল কমার পর আজ আবার বাড়ল সোনার দাম

১১

ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তারেক রহমানের

১২

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

১৩

গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার

১৪

মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু মারা গেছে

১৫

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন এক নারী

১৬

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিক্ষিকার ঠোঁট কেটে দিল ছাত্র

১৭

এলপিজির কর কাঠামো পুনর্গঠন, আমদানিতে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ

১৮

জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের মামলায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তার জামিন মঞ্জুর

১৯

একুশে পদক পাচ্ছে সংগীত দল ও ৯ ব্যক্তি

২০

ঢাকায় আসবে ফিফা বিশ্বকাপের ট্রফি, সঙ্গে বিশেষ শর্তাবলি

ঢাকায় আসবে ফিফা বিশ্বকাপের ট্রফি, সঙ্গে বিশেষ শর্তাবলি
ছবি

আগামী জানুয়ারিতে ফিফা বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকায় ট্রফিটি প্রদর্শন করা হবে, তবে সবকিছুই নির্ভর করছে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকার ওপর। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলেই ফিফার এই বহুল প্রতীক্ষিত ট্রফি সফর বাস্তবায়ন করবে আয়োজক সংস্থা।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) আশা করছে, এবারের ট্রফি সফর আগের তুলনায় অনেক বেশি দর্শক সম্পৃক্ততা তৈরি করবে। তারা মনে করছে, বিভিন্ন প্রচারণা, প্রদর্শনী এবং অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আরও স্মরণীয় আয়োজন করা সম্ভব হবে।

বাফুফে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম জানান, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বাড়ায় এবার ফিফা সদস্য দেশগুলোকে বরাদ্দ দেওয়া টিকিটের সংখ্যাও বাড়তে পারে। ফলে বাংলাদেশ থেকেও ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখার আরও বড় সুযোগ পেতে পারেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, ট্রফির সফর শুধু একটি প্রদর্শনী নয়, বরং বাংলাদেশের ফুটবলকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার একটি সুযোগও বটে। যথাযথ নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে এ সফরটি দেশের ফুটবল ইতিহাসে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সাধ্যের বাইরে কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না: তারেক রহমান

আজ থেকে ভোটের মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

টানা দেড় মাসের ছুটিতে যাচ্ছে মাদ্রাসা

শ্রমবাজারে সুনাম বজায় রাখতে সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার

আজ প্রপোজ ডে, প্রিয়জনকে মনের কথা জানানোর বিশেষ দিন

মাদ্রাসায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১০টি কক্ষ ভস্মীভূত

৩ বছরের শিশু সন্তানকে হত্যা করে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালালেন মা

কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনে ইশতেহারে

১০

গতকাল কমার পর আজ আবার বাড়ল সোনার দাম

১১

ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তারেক রহমানের

১২

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

১৩

গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার

১৪

মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু মারা গেছে

১৫

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন এক নারী

১৬

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিক্ষিকার ঠোঁট কেটে দিল ছাত্র

১৭

এলপিজির কর কাঠামো পুনর্গঠন, আমদানিতে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ

১৮

জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের মামলায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তার জামিন মঞ্জুর

১৯

একুশে পদক পাচ্ছে সংগীত দল ও ৯ ব্যক্তি

২০

পতিত শক্তি গন্ডগোল লাগিয়ে নির্বাচনের আয়োজনকে ভন্ডুল করার চেষ্টা করছে : প্রধান উপদেষ্টা

পতিত শক্তি গন্ডগোল লাগিয়ে নির্বাচনের আয়োজনকে ভন্ডুল করার চেষ্টা করছে : প্রধান উপদেষ্টা
ছবি

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পতিত শক্তি গন্ডগোল লাগিয়ে নির্বাচনের আয়োজনকে ভন্ডুল করার চেষ্টা করছে। এই অপচেষ্টাকে প্রতিহত করতে ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

আজ শনিবার (২৬ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে কথা বলেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অভ্যুত্থানের সকল শক্তি মিলে একটি সুন্দর নির্বাচন করতে না পারলে এই মস্ত বড় সুযোগ আমাদের হাতছাড়া হয়ে যাবে। পরাজিত শক্তি যখনই সুযোগ পাচ্ছে তখনই নানা রকম গন্ডগোল সৃষ্টি করছে। এসব করে তারা দেশের স্বাভাবিক অগ্রযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। যখনই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আমরা অগ্রসর হচ্ছি তখনই নানা ষড়যন্ত্র সামনে আসছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে কোন ষড়যন্ত্র করেই গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। কারণ ফ্যাসিবাদ প্রশ্নে সবগুলো গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য স্পষ্ট।

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।

উপস্থিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও প্রধান উপদেষ্টাকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণফ্রন্টের আমিনুল হক টিপু বিশ্বাস, ১২ দলীয় জোটের মোস্তফা জামাল হায়দার, নেজামে ইসলাম পার্টির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, ন্যশনাল পিপলস পার্টির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ জাসদের . মুশতাক হোসেন, ন্যাশনালিস্ট ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের ববি হাজ্জাজ, ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, ভাসানী জনশক্তি পার্টির রফিকুল ইসলাম বাবলু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ডা: মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) -এর মাসুদ রানা এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী।

বৈঠকের শুরুতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনার ঘটনায় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সাধ্যের বাইরে কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না: তারেক রহমান

আজ থেকে ভোটের মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

টানা দেড় মাসের ছুটিতে যাচ্ছে মাদ্রাসা

শ্রমবাজারে সুনাম বজায় রাখতে সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার

আজ প্রপোজ ডে, প্রিয়জনকে মনের কথা জানানোর বিশেষ দিন

মাদ্রাসায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১০টি কক্ষ ভস্মীভূত

৩ বছরের শিশু সন্তানকে হত্যা করে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালালেন মা

কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনে ইশতেহারে

১০

গতকাল কমার পর আজ আবার বাড়ল সোনার দাম

১১

ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তারেক রহমানের

১২

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

১৩

গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার

১৪

মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু মারা গেছে

১৫

শিশু নিখোঁজের নাটক সাজিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালেন এক নারী

১৬

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিক্ষিকার ঠোঁট কেটে দিল ছাত্র

১৭

এলপিজির কর কাঠামো পুনর্গঠন, আমদানিতে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ

১৮

জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের মামলায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তার জামিন মঞ্জুর

১৯

একুশে পদক পাচ্ছে সংগীত দল ও ৯ ব্যক্তি

২০