

মোঃ মাসুদ রানা, কচুয়া:
সোনার বাংলাদেশ ও সমৃদ্ধিশালী সমাজ গঠনে জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও চাঁদপুর জেলা শাখার সাবেক আমীর অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম পাটোয়ারী। তিনি বলেন, বিগতে সময়ে এ দেশের মানুষের উপর নির্যাতন চালিয়েছেন আওয়ামী লীগ সরকার। আওয়ামী লীগের ইতিহাস চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসী ও লুটপাটের ইতিহাস। হাজার হাজার মায়ের বুক খালি করেছে তারা। আজকে শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়ার পর ইঁদুরের গর্ত খুজে পাচ্ছে না নেতাকর্মীরা। একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ উপহার দেওয়ার জন্য সৎ ও নিষ্ঠাবান যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাই একটি আদর্শ দেশ ও সমৃদ্ধিশালী সমাজ গঠনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের সক্ষমতা রয়েছে । তিনি শনিবার বিকালে কচুয়া উপজেলা রহিমানগর বিএবি উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে ১১নং গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামী কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
১১নং গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের আমীর মোঃ জাকির হোসেন পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি হেলাল উদ্দিনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,চাঁদপুর জেলা শাখার সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মাসুদুল ইসলাম বুলবুল,হাজীগঞ্জ আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুহাদ্দিস ও বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী,কচুয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর এডভোকেট আবু তাহের মেসবাহ,নায়েবে আমীর মাষ্টার সিরাজুল ইসলাম,সেক্রেটারী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী,বাংলাদেশ ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মোঃ শাহাদাত হোসাইন,বাংলাদেশ মাজলিসুল মোফাচ্ছিরীনের চাঁদপুর জেলা শাখার সহ- সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা মনিরুল ইসলাম মজুমদার,কচুয়া উপজেলা সাবেক আমীর খন্দকার মাওলানা হারুন রশিদ,চাঁদপুর সোনালী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা ফিরোজ মামুন সহ আরো অনেকে।
এসময় জামায়াত নেতা ডা. গোলাম সারোয়ার,মাওলানা মিজানুর রহমান সহ গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শাসনগাছা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকা থেকে ০৬ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত (২১ জুন) বিকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ জামাল হোসেন (৫০), ২। মোঃ শাহিন (৪৮), ৩। রাসেল আহমেদ (২৭) এবং ৪। মোঃ খোকন (৫০) নামক ০৪ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ২,৫৪০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গত (২১ জুন) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মিজানুর রহমান (২২) এবং ২। মোঃ আব্দুর রশিদ (৫০) নামক ০২ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ৯,৭৯০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ জামাল হোসেন (৫০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার শাসনগাছা গ্রামের মৃত শফিক ইসলাম এর ছেলে, ২। মোঃ শাহিন (৪৮) একই গ্রামের মৃত খয়েজ আলী এর ছেলে, ৩। রাসেল আহমেদ (২৭) একই গ্রামের মৃত আবুল হাশেম এর ছেলে, ৪। মোঃ খোকন (৫০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার সাতোরা চম্পকনগর গ্রামের মৃত তাজুল এর ছেলে, ৫। মিজানুর রহমান (২২) কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানার পরকরা গ্রামের আবুল হাশেম এর ছেলে এবং ৬। মোঃ আব্দুর রশিদ (৫০) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার উত্তর বিজয়পুর গ্রামের মানিক মিয়া এর ছেলে।
আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা সকলেই চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী ও সদর দক্ষিণ থানা এবং এর আশ-পাশের বিভিন্ন রাস্তায় অটো, সিএনজি ইত্যাদি পরিবহনের ড্রাইভার ও হেলপারদের নিকট হতে ক্ষয়ক্ষতি ও গুরুতর আঘাতের ভয়ভীতি দেখিয়ে বলপূর্বক টাকা গ্রহণ করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর পৃথক অভিযানে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
ও সদর দক্ষিন এলাকা হতে ইয়াবা ও গাঁজা সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
৪ মে রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম
থানাধীন পূর্ব কাশিপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ সুমন
মিয়া (২৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৫ কেজি গাঁজা
উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে
৪ মে রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন জগপুর (পশ্চিম পাড়া) এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা
করে। উক্ত অভিযানে আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ
সময় আসামীর কাছ থেকে ৪২ পিস ইয়াবা ও ১২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো, ১। মোঃ সুমন মিয়া (২৮) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার পূর্ব কাশিপুর গ্রামের
মোঃ আঃ মালেক এর ছেলে এবং ২। আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানার
জগপুর (পশ্চিম পাড়া) গ্রামের মৃত সরাফত আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা
হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা ও ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, ৯ মামলার আসামী জাহাঙ্গীর (৪৬) ওরফে লতা জাহাঙ্গীরকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ভোর আনুমানিক ৪ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিকে বিজিবি’র আনন্দপুর বিওপির নায়েক সুবেদার মোঃ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে বাতিসা ইউনিয়নের পশ্চিম দুর্গাপুর কাজী মার্কেট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এসময় জাহাঙ্গীরের নিকট থেকে ৯৬পিস ইয়াবা, নগদ ৭,২৮০ টাকা জব্দ করা হয়। আটককৃত মাদক সম্রাট জাহাঙ্গীর (লতা) বাতিসা ইউনিয়নের দূর্গাপুর এলাকার মৃত রঙ্গু মিয়ার ছেলে। লতা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অন্তত ৯টি মাদক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে চৌদ্দগ্রাম থানার এস. আই হিসাম উদ্দিন।
বিজিবি’র আনন্দপুর বিওপির নায়েক সুবেদার মোঃ আব্দুল হালিম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোরে একাধিক মাদক মামলার আসামী লতা জাহাঙ্গীরকে ইয়াবাসহ আটক করা হয়। পরে জব্দকৃত ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহমেদ জানান, আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী লতা জাহাঙ্গীরকে মাদক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকমন্ডলীর পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে শতবর্ষী বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয় এবং বাগমারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের যৌথ আয়োজনে দুই দিন ব্যাপি ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ-২০২৫ আজ শনিবার শেষ হয়। শুক্রবার সকাল ৯টায় বাগমারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়।
প্রশিক্ষণের ১ম দিনে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) এর উপ-পরিচালক ড. মো: আয়েত আলী, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ- বিদ্যালয় পরিদর্শক মো: আক্তার হোসেন, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের প্রাক্তন উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) ও বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম। উল্লেখ্য তিন প্রশিক্ষকই বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। এছাড়া প্রশিক্ষণের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯২ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিশিষ্ট শিল্প উদ্যেক্তা মো: সুমন আহমেদ হানিফ।
২য় দিনে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং সৃজনশীল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন বিষয়ে বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট (BEDU) এর কোর ট্রেইনার গোলাম কিবরিয়া খোন্দকার এবং আইসিটি বিষয়ে জেলা মাস্টার ট্রেইনার রুবাইয়া সুলতানা। প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী মূল্যায়ন ও সম্পর্ক, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা ও এ সংক্রান্ত বিধিবিধান, প্রাতিষ্ঠানিক শিষ্টাচার, পাবলিক পরীক্ষা আইন, শিক্ষকতা পেশার উতকর্ষ সাধনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, এবং সৃজনশীল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও উত্তরপত্র মূল্যায়ন ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন অধিবেশনে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন মজুমদার,বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের প্রোগ্রামার মো: আবদুর রউফ, বাগমারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো: গোলাম মহিউদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি কাজী আবুল হাছান।
এই প্রশিক্ষণে বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মনির আহমদ,বাগমারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: ফারুক হোসেন, বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক লিটন চন্দ্র রায়সহ দুই বিদ্যালয়ের সকল পর্যায়ের শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।সভায় বক্তারা বলেন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণ পঠন পাঠনে বৈচিত্র্য আনে। প্রশিক্ষণ নিলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। এটা বাড়াতে হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদ ও হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার ( ৯আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লা রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে প্রেস ক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন আয়োজন করা হয়। এ সময় কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান,সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, অর্থ সম্পাদক তাওহীদ হোসেন মিঠু সহ শতাধিক কর্মরত সাংবাদিকরা মানববন্ধনে অংশ নেন। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা একাত্মতা পোষণ করে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে যারা প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচার নিষ্পত্তি করতে হবে। এছাড়াও স্বাধীনতার পর থেকে সাগর-রুনিসহ যত সাংবাদিক নিহত ও হেনস্তার স্বীকার হয়েছেন তাদের সকল অপরাধীকে বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা জেলার ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিদের
সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন নতুন জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান।
আজ বুধবার সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে
মতবিনিময় সভায় সঞ্চালনা করেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( সার্বিক) মো: সাইফুল
ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ( এডিএম) জাফর সাদিক চৌধুরী।
জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, কুমিল্লা শিক্ষা
দীক্ষা ও প্রবাসী আয়ে এগিয়ে। এ জেলার জন্য আমি কাজ করব।
তিনি বলেন, নির্বাচন করব সুন্দরভাবে। আমি সবাইকে
তথ্য দিয়ে সহায়তা করব। আগের ডিসির কাজ যেন চালিয়ে নিতে পারি। টাউন হল, বিয়াম স্কুল
ও ডিসি পার্কের কাজ এগিয়ে নেব।
তিনি আরও বলেন, রাজশাহীতে সিটি করপোরেশন অনেক জায়গা
অধিগ্রহণ করে শহর সম্প্রসারণ করেছে। রাস্তা বাড়িয়েছে। কুমিল্লা চাইলে সেটা করতে পারে।
তিনি বলেন, আমাকে সময় দিতে হবে। আপনাদের ( গণমাধ্যমকর্মী)
সহযোগিতা চাই। কোথাও যেন ভুল বোঝাবুঝি না হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আবুল হাসানাত বাবুল, মীর শাহআলম, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, কুমিল্লা জেলা সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহাজাদা এমরান ও আমার শহর সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ।
মন্তব্য করুন


পোষাক শ্রমিক হজরত
আলীর বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণে বিয়ে করলেন হেলিকপ্টারে চড়ে।
হজরত আলী গাইবান্ধার
সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য
বুজরুক জামালপুর গ্রামের রফিকুল আকন্দ ও সালমা বেগম দম্পতির ছেলে।
শুক্রবার (৩ মে) বিকেলে
নিজ বাড়ি থেকে হেলিকপ্টারে চড়ে পাঁচ কিলোমিটার দূরে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের ইসবপুর
(পূর্বপাড়া) গ্রামে কনে রেফা মনির (১৮) বাড়িতে পৌঁছে বরযাত্রী। কনে রেফা মনি একই গ্রামের
এনামুল হক ও শেফালি বেগম দস্পতির মেয়ে।
বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা
শেষে বউ নিয়ে হজরত আলী হেলিকপ্টারে চড়ে বাড়ি ফেরেন। এ সময় হেলিকপ্টার দেখতে উৎসুক জনতার
ভিড় জমে।
স্থানীয়রা জানান,
বর হজরত আলী ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। রফিকুল ও সালমা দম্পতির
একমাত্র ছেলে তিনি। ছেলে জন্মের পর থেকে তাদের ইচ্ছে ছিল ছেলেকে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে
করাবেন।
বরের বাবা রফিকুল
ও মা সালমা জানান, ছেলেকে হেলিকপ্টার যোগে বিয়ে করানোয় স্বপ্ন ছিল। আলহামদুলিল্লাহ,
আজ সেই ইচ্ছে পূরণ হলো।
এদিকে, হেলিকপ্টার
চড়ে বর আসায় খুশি মেয়ের বাবা এনমামুল হক ও মা শেফালি বেগম।
তারা জানান, আমরা
গর্বিত যে, হেলিকপ্টার চড়ে জামাই আমাদের মেয়েকে নিতে এসেছে।
যৌতুকবিহীন এই বিয়ে
সম্পন্ন হয়েছে বলে জানালেন এই দম্পতি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত দুই কিশোরের লাশ উত্তোলন করেছে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কাজের স্বার্থে আদালতের নির্দেশে গতকাল শনিবার (২৬ অক্টোবর) তাদের লাশ কবর থেকে তোলা করা হয়েছে।
তারা হলেন, দাউদকান্দির সুকিপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে মো. রিফাত (১৬)। রিফাত উপজেলার সুন্দলপুর হাই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। অপরজন দিনমজুর মো.বাবু মিয়া (২৩)। বাবু মিয়া উপজেলার তুজারভাঙ্গা গ্রামের অটোরিকশা চালক আব্দুল মান্নানের ছেলে।
গত ৪ আগস্ট দাউদকান্দিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রিফাত বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। ওইদিন রাতেই মারা যান রিফাত। পরদিন রিফাতের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করে তার পরিবার।
এ ঘটনার ১৪ দিন পর ১৮ আগস্ট রিফাত হোসেনের মামা পরিচয়ে আব্দুর রাজ্জাক ফকির বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর রিফাত হত্যার ঘটনায় কুমিল্লার আদালতে আরেকটি হত্যা মামলা করেন তার মা নিপা বেগম। মামলাটির তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
দুই মামলাতেই সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমন, পৌর মেয়র নাইম ইউসুফ সেইন-সহ ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের চার শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।
অপরদিকে, গত ৫ আগস্ট বিকেলে দাউদকান্দি মডেল থানার সামনে দিনমজুর মো. বাবু মিয়া (২৩) গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাকে দাফন করা হয়। নিহত দিনমজুর বাবুর প্রতিবেশী লিটন আহম্মেদ পাভেল বাদী হয়ে ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৫০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না থাকায় আদালতের নির্দেশে তাদের দুজনের লাশ উত্তোলন করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তাদের লাশ উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন, দাউদকান্দি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দাউদকান্দি মডেল থানার উপপরিদর্শক হারুনুর রশিদ।
দাউদকান্দি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে আইনি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর আবার লাশ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের আলোকে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
তরুন প্রজন্মকে মাদকের আগ্রাসন থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাইতো এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়েছে উপজেলার খিলমেহের গ্রামে। যুব সমাজের অবক্ষয় রোধ ও সমাজের নানা অপরাধ রোধে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেয়া হয়। পাশাপাশি এলাকায় ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি ও উদীয়মান খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এ ম্যাচের আয়োজন। প্রতিবছর এমন উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান আয়োজক কমিটি। কচুয়া উপজেলার খিলমেহের গ্রামের বেপারী বাড়ি এলাকায় বিবাহিত ও অবিবাহিত খেলোয়ারদের মধ্যে ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় একটি সামাজিক সংগঠন ইচ্ছা সংগঠনের আয়োজনে এ ম্যাচের আয়োজন করা হয়। এতে বিবাহিত খেলোয়াররা ৫-১ গোলে বিজয়ী লাভ করেন।
খেলার প্রথমার্ধের ১০ মিনিটের সময় বিবাহিত খেলোয়ার সোহেল মৃধা গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যায়। প্রথমার্ধের ২৫ মিনিটের সময় অবিবাহিত খেলোয়ার রেজাউল গোল করে সমতা আনে। দ্বিতীয়ার্ধে বিবাহিত দলের খেলায়াররা ৫-১ গোলে চ্যাম্পিয়ান হয়। প্রীতি ফুটবল ম্যাচে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাহিদ সরকার,মাহবুব প্রধান,শামীম আহমেদ বেপারী,সুমন সরকার,কামাল হোসেন,খোরশেদ আলম মৃধা,হারুন পাঠান,আব্দুল কাদির, কবির পাঠান,জাকির হোসেন ও সাদ্দাম হোসেন। পরে চ্যাম্পিয়ান ও রার্নাসআপ খেলোয়ারদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। খেলাটি পরিচালনায় করেন রেফারী আশিকুর রহমান,ল্যান্সম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন খোরশেদ ও জাহিদ সরকার।
মন্তব্য করুন