

কক্সবাজারের টেকনাফে অবৈধভাবে ক্যাম্পের বাইরে বের হওয়া ১৭১ জন রোহিঙ্গাকে আটক করে নিজ নিজ ক্যাম্পে ফেরত পাঠিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
গতকাল মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) দমদমিয়া ও নাইট্যংপাড়া এলাকায় স্থায়ী ও অস্থায়ী দুটি চেকপোস্টে তল্লাশি চালায়।
এ সময় টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী ২০টি সিএনজি, ১৭টি মাহিন্দ্র ও ২৫টি অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে ৮৮ জন পুরুষ, ৫০ জন নারী এবং ৩৩ জন শিশুসহ মোট ১৭১ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি জানায়, আটক রোহিঙ্গাদের পরিচয় যাচাইয়ের পর মুচলেকা নিয়ে সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সদস্যরা নানা অজুহাতে নির্ধারিত সীমারেখা অতিক্রম করে সদর ও আশপাশের এলাকায় অবাধে চলাফেরা করছে। কেউ রাজমিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি বা মাছ ধরা, কাঁচামালের ব্যবসাসহ বিভিন্ন পেশার আড়ালে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডেও জড়িয়ে পড়ছে।
তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের অননুমোদিত চলাচল রোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
মন্তব্য করুন


ঈদে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আপন দুই ভাই নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১৭ জুন) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে
উপজেলার সোহাগপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর
উপজেলার মেরাসানি গ্রামের ওবায়দুর রহমান খানের ছেলে রবিউল খান (৫০) ও হুমায়ুন খান
(৪৫)।
এ ঘটনায় মনিরুল ইসলাম নামে আরও একজন
আহত হয়েছেন। তিনি ঢাকার একটি টেলিভিশনের গাড়ি চালক বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি জেলা
সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার বাড়ি নোয়াখালী জেলা।
পুলিশ ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানায়,
রবিউল খান ও হুমায়ুন খান ঢাকায় জুতার ব্যবসা করেন। ঈদ উপলক্ষে সকালে তারা তিনজন মিলে
মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে আশুগঞ্জের সোহাগপুর এলাকায় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ
হারিয়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে
পাঠালে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
সরাইল খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা আশীষ কুমার বলেন, নিহতদের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া
শেষ হলে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


সোমবার
বিকেলে কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে আম রূপালী ও নারিকেল গাছসহ
বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ রোপন করেন সদ্য যোগদানকৃত কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও
দায়রা জজ মোসতাক আহমেদ।
বৃক্ষ
রোপনকালে কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোসতাক আহমেদ বলেন- এ বিশ্বকে
সুশীতল ও বাসযোগ্য করে রাখাসহ মানুষের সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য যেসব মৌলিক
চাহিদা রয়েছে তার অধিকাংশই পূরণ করে বৃক্ষ। তাই মানব জীবনে বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা
অপরিসীম।
তিনি
আরও বলেন- গাছ আমাদের পরম বন্ধু। গাছপালা ব্যতীত পৃথিবীতে আমাদের অস্তিত্ব কল্পনা
করা কঠিন। দেশের অর্থনীতিও জনজীবনে স্বাচ্ছন্দ আনার জন্য আমাদের প্রত্যেকের অন্তত
দুটি করে বৃক্ষরোপণ করা দরকার।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদ হাসান সহ জেলা
জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসির অন্যান্য বিচারকগণ।
মন্তব্য করুন


লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় ঈদ সালামি দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্ত্রীর দায়ের কোপে আহত হয়েছেন স্বামী তাইজুল ইসলাম।
আহত স্বামী রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত ঈদের দিন (১১ এপ্রিল) উপজেলার নওদাবাস ইউনিয়নের চৌপুতি বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বামী ও স্ত্রী হাতীবান্ধা থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা গেছে, ওই এলাকার মকবুল হোসেনের ছেলে তাইজুল ইসলাম ঈদের দিন সকালে তার ভাতিজাদের ২০ টাকা করে ঈদ সালামি দিতে থাকলে তার স্ত্রী রাশেদা বেগম ২০ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা দিতে বলেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর বাগবিতণ্ডা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ অবস্থায় রাশেদা বেগম দা দিয়ে তার স্বামী তাইজুল ইসলামকে কোপ দেয়। এতে তাইজুলের ঘাড়ের নিচে কেটে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে হাতীবান্ধা হাসপাতাল পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। কিন্তু তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় শনিবার সকালে চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এ ঘটনায় স্বামী তাইজুল বাদী হয়ে স্থানীয় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তাইজুলের স্ত্রী রাশেদা বেগম বলেন, তার স্বামী তাকে মারধর করে ওই দা নিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করেন। এতে তিনি বাধা দিলে ওই দা তার স্বামী ঘাড়ের নিচে লাগে। এ ঘটনায় স্ত্রীও হাতীবান্ধা থানায় পাল্টা একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
হাতীবান্ধা থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) নির্মল চন্দ্র রায় জানান, ঈদের সালামি নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মারামারি হয়েছে। এ ঘটনায় উভয়েই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের আলোকে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মো. মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
আসন্ন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কচুয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক ভোরের কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মো. রাকিবুল হাসান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন।
বৃহস্পতিবার প্রেসক্লাব কার্যালয়ে বিশেষ সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেন তিনি।
কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রিয়তুষ পোদ্দারের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক জিসান আহমেদ নান্নু’র পরিচালনায় এসময়, কচুয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হোসেন, মানিক ভৌমিক, সহ-সভাপতি মফিজুল ইসলাম বাবুল, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য কাজী এনামুল হক শামীম, উপজেলা যুবলীগের সদস্য সোহেল মাহমুদসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট ও পাঁচ দফা দাবির
বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে শনিবার (২৫ অক্টোবর)
বিকেলে ময়মনসিংহ রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয়
মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগর আমীর, ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী
মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন - নভেম্বরের মধ্যেই
গণভোটের আয়োজন করতে হবে এবং জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে, অন্যথায় দেশবাসী তা
মেনে নেবে না। জাতীয় নির্বাচনের আগে অবশ্যই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।
বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে একটি বিশেষ দলের কর্মীরা আমাদের প্রার্থীদের গণসংযোগে
হামলা করছে, পোস্টার ছিঁড়ে ফেলছে — এসব বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় এর পরিণতি শুভ হবে
না।”
সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন মহানগর জামায়াতের
সেক্রেটারি অধ্যাপক শহীদুল্লাহ কায়সার।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন —
কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর জনাব আব্দুল করিম, জেলা
জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মোজাম্মেল হক আকন্দ,
মহানগর নায়েবে আমীর ও ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল)
আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আসাদুজ্জামান সোহেল, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও
ফুলবাড়িয়া আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন।
বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে মিছিলটি রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া
চত্বর থেকে শুরু হয়ে বড় মসজিদের সামনে দিয়ে জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করে ডিসি অফিসের
সামনে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে নেতা-কর্মীরা পিআর পদ্ধতিতে জাতীয়
নির্বাচন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ, জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দল নিষিদ্ধকরণ-এর
দাবিতে স্লোগান দেন।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন — মহানগর
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারিদ্বয় মাহবুবুল হাসান শামীম ও আনোয়ার হাসান সুজন, জেলা
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুর রশীদ ফরাজী, মহানগর অর্থ সম্পাদক গোলাম
মহসিন খান, অফিস সেক্রেটারি খন্দকার আবু হানিফ, কর্মপরিষদ সদস্য ডা. আব্দুল আজিজ,
ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল বারী, মাস্টার হায়দার করিম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা–০৬ (সদর, সদর দক্ষিণ, সিটি কর্পোরেশন ও সেনানিবাস) আসনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে টানা নয়দিন ধরে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীতে বিশাল মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন বলে আয়োজকরা দাবি করেন।
সন্ধ্যায় টাউন হল মাঠ থেকে মশাল মিছিলটি শুরু হয়। এরপর মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূবালী চত্বরে এসে সমাবেশ করে। পুরো সমাবেশ ও মিছিলজুড়ে নেতাকর্মীরা শ্লোগান দিতে থাকেন— “কুমিল্লা–৬ জনতার দাবি, ইয়াছিন ভাইয়ের মনোনয়ন এবার চাই”, “ত্যাগীর মর্যাদা দিতে হবে, ইয়াছিন ভাইকে মনোনয়ন দিতে হবে”,
"১৭ বছর যাকে পাই নেতা মোদের ইয়াছিন ভাই", "জেল জুলুম জামিনে যাকে পাই নেতা মোদের ইয়াছিন ভাই", "এই কুমিল্লার মাটি ইয়াছিন ভাইয়ের ঘাটি","এক দুই তিন চার মনির চৌধুরী, কুমিল্লা ছাড়", "উড়ে এসে নমিনেশন, মানি না মানবো না"।
মিছিলের একাধিক অংশে দেখা যায়, নেতাকর্মীরা হাতে মশাল, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে দলের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের উদ্দেশে ইয়াছিনকে মনোনয়ন দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।
সমর্থকরা জানান, গত ৩ নভেম্বর রাতে মহাসড়ক অবরোধের মধ্য দিয়ে এই আন্দোলনের সূচনা হয়। পরদিন ৪ নভেম্বর নগরীর কান্দিরপাড়সহ বিভিন্ন এলাকায় মশাল মিছিল বের করা হয়। ৫ নভেম্বর নারী সমর্থকদের উদ্যোগে নারীদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
৬ নভেম্বর নফল রোজা রেখে সমর্থকেরা সন্ধ্যায় গণ–ইফতারের আয়োজন করেন। ৭ নভেম্বর জুমার নামাজের পর নগরীর বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ৮ নভেম্বর কান্দিরপাড় পূর্বালী চত্বরে অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে মনোনয়ন দাবিতে চাপ বাড়ানো হয়।
৯ নভেম্বর কারা–নির্যাতিত বিএনপি নেতাকর্মীদের পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে হাজী ইয়াছিনের পক্ষে মানবিক ও রাজনৈতিক যুক্তি তুলে ধরা হয়। আর ১০ নভেম্বর স্থানীয় তরুণদের উদ্যোগে ‘তারুণ্যের সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বক্তারা ইয়াছিনকে “সৎ, ত্যাগী ও এলাকার উন্নয়ন–বান্ধব নেতা” হিসেবে তুলে ধরে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান।
টানা কর্মসূচির নবম দিনে অনুষ্ঠিত হলো মঙ্গলবারের মশাল মিছিল। নেতাকর্মীদের দাবি, কুমিল্লা–৬ আসনে ত্যাগী, গ্রহণযোগ্য এবং শ্রমীচেতন রাজনীতিক হিসেবে হাজী ইয়াছিনই হচ্ছেন এলাকার মানুষের পছন্দের প্রার্থী।
নেতাকর্মীরা আরও জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বড় ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরিশাল থেকে ঢাকাগামী লাবিবা পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো ব-১৪-৪৫১৫) এবং বিপরীত দিক থেকে আসা মবিলভর্তি পিকআপভ্যানের (ঢাকা মেট্রো ন-১৬-৪৪৪৫) মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় দুই গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং বাসটি সড়কের পাশে উল্টে পড়ে। এতে অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন শিহাব (১৮), রবিউল আলম (৪৬), মোহাম্মদ লিটন (৫০) ও তাঁর স্ত্রী জোসনা (৪০), রেজাউল (২৫), আরিফ (২৫), সাজ্জাদুল (২৩), মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন (৩০) ও আছমত (২৮) প্রমুখ। স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
প্রাথমিক চিকিৎসার পর গুরুতর আহত আছমত ও আরিফকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
দুর্ঘটনার পর প্রায় এক ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে উভয় দিকেই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে রাজৈর থানা পুলিশ ও মস্তফাপুর হাইওয়ে পুলিশের সহযোগিতায় যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
মস্তফাপুর হাইওয়ে ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, “দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা চালায়। বর্তমানে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।”
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবুর বাবা মো. শমসের আলীর জানাজা আজ শুক্রবার বাদ জুমা কুমিল্লা টাউন হল মাঠে হয়। এতে হাজারো মানুষ অংশ নেন।
জানাজায় অংশ নেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু।
জানাজায় আরও অংশ নেন কুমিল্লার সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. কাইমুল হক রিংকু, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আবু নাছের মানিক প্রমুখ।
জানাজায় উদবাতুল বারী আবু বলেন, আমার বাবা আলী ম্যানশনে ব্যবসা করতেন। তাঁকে মাফ করে দিবেন। পরে বুড়িচং উপজেলার দেবপুরের কাছিয়াতলী এলাকায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হয়।গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় মো. শমসের আলী কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টারে মারা যান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত সিসিএন শিক্ষা পরিবার তথা সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিসিএন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, সিসিএন মডেল কলেজের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুইদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদান দেয়া হয়েছে। দেশে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতিতে দূর্গত অঞ্চলের মানুষের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ওই অনুদান প্রদান করা হয়েছে। জানা যায়, সিসিএন পরিবারের প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একদিনের বেতন বন্যার্তদের সহযোগিতায় প্রদান করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং এই বিষয়ে সিসিএন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী কে অবহিত করেন। শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি একদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে যোগ করার ঘোষণা দেন। এদিকে কুমিল্লায় বন্যা পরিস্থিতির শুরু থেকেই সিসিএন শিক্ষা পরিবারের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থীরাও বন্যা দূর্গতদের পাশে দাড়িয়েছে। তারা ত্রাণ সরবরাহ, বন্যা দূর্গতদের আশ্রয় কেন্দ্রে পৌছে দেয়া, জরুরী চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করাসহ বিভিন্ন ধরণের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠানের প্রক্টরিয়াল টিম ও শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে জেলার বন্যাদূর্গত উপজেলা চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোট, মনোহরগঞ্জ, বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া এলাকা সহ অন্যান্য এলাকায় সেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লা সদর দক্ষিণে জমিজমা নিয়ে বিরোধের
জের ধরে মোঃ গিয়াস উদ্দিন ও মোঃ জামাল হোসেন নামের দুই চাচাতো জ্যেঠাতো ভাইকে ধারালো
দা, ছেনী ও হকিস্টিক দ্বারা কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৭ জনকে যাবজ্জীবন
কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। সেই সাথে প্রত্যককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড
এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামী প্রত্যেককে অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
প্রদান করেন।
সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায়
কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ
রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কুমিল্লা
সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরী গ্রামের মোঃ হাজী আতর আলীর ছেলে তোফায়েল আহমেদ তোতা,
মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে কামাল হোসেন, হাজী আব্দুর রহিমের ছেলে আলমগীর হোসেন, মোঃ ফরিদ
উদ্দিনের ছেলে মোঃ মামুন, মৃত আনোয়ার আলীর ছেলে মোঃ বাবুল ও মৃত আনোয়ার আলীর হারুনুর
রশিদ।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা
হলেন- কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরীর মৃত জুনাব আলীর ছেলে হায়দার আলী, হাজী
আব্দুর রহিমের ছেলে আঃ মান্নান, মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে জামাল হোসেন, মৃত আঃ খালেক
এর ছেলে আবুল বাশার, মৃত আঃ রশিদ এর ছেলে জাকির হোসেন, মৃত আঃ খালেক এর ছেলে আব্দুল
কাদের ও মৃত ইউসুফ মিয়া'র ছেলে আব্দুল কুদ্দুস।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞ জেলা পিপি
এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্র পক্ষে
নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম ও অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট
মোঃ মজিবুর রহমান বাহার এবং বাদীপক্ষে প্রাইভেট ল'ইয়ার এডভোকেট মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন
আমরা আশা করছি উচ্চ আদালত রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।
মন্তব্য করুন