

বরগুনার আমতলীতে সেতু ভেঙে বরযাত্রীবাহী
একটি মাইক্রোবাস খালে পড়ে গেছে। এতে এখন পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বেশ
কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।
শনিবার (২২ জুন) দুপুরে উপজেলার ব্রিজ
হলদিয়া হাট নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমতলী উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আলম।
জানা যায়, সেতু ভেঙে খালে পড়া মাইক্রোবাসটিতে
করে বিয়ের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন লোকজন। এ সময় সেতুটি ভেঙে মাইক্রোবাসটি খালে পড়ে যায়।
এতে খালে ডুবে এখন পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ
রয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ
আশরাফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। নিখোঁজদের উদ্ধার করতে পুলিশ, ফায়ার
সার্ভিস ও স্থানীয়রা কাজ করছেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এক প্রবাসী ও এক সাবেক ইউপি সদস্যকে গুলি করে ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জুমার নামাজের আগে নাঙ্গলকোট উপজেলার বকশগঞ্জ ইউনিয়নের আলিয়ারা গ্রামে এ রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—প্রবাস থেকে এক মাস আগে দেশে ফেরা দেলোয়ার হোসেন এবং বকশগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ছালেহ আহম্মদ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা দেলোয়ার হোসেন ও ছালেহ আহম্মদকে গুলি করে আহত করার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে পায়ের রগ কেটে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
ঘটনায় গুরুতর আহত একজনসহ অন্যান্য আহতদের কুমিল্লা ও ফেনীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, গত জুন মাসে গরুর ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে আলিয়ারা গ্রামের আবুল খায়ের গ্রুপ ও শেখ ফরিদ গ্রুপের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়। ওই সময় গুলিবিদ্ধ হন রোকন আলীর স্ত্রী শরিফা বেগম (৬০) এবং বশির আহম্মেদের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম (৫৫)।
ওই ঘটনায় আবুল খায়ের বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কারাগার থেকে বেরিয়ে আসার পর আবারও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আজকের এই ভয়াবহ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
ঘটনার পর থেকে আলিয়ারা গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত এক বছরে এলাকায় একাধিক সহিংস ঘটনা ঘটলেও পুলিশ কোনো অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি, যা অপরাধ দমনে বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা নগরীকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু। তিনি নগরীর যানজট, জলাবদ্ধতা, চুরি-ছিনতাই ও মশার উপদ্রব দূর করে একটি ‘গ্রিন ও ক্লিন সিটি’ উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ‘আজ থেকে কুমিল্লা নগরীতে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও যৌন হয়রানির বিষয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করছি। মানুষ যেন দরজা খোলা রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে—এমন নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের নির্দেশনা রয়েছে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করব, ইনশাআল্লাহ।’
প্রশাসক হিসেবে প্রথম ও প্রধান কাজ হিসেবে নগরীকে যানজটমুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। ঈদের আগেই মাঠ পর্যায়ে নেমে যানজট নিরসনে কাজ শুরু করার ঘোষণা দেন।
এ ছাড়া মশা নিধনকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রথমে চারটি ওয়ার্ডকে মশার উপদ্রব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করা হবে। এ বিষয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে এবং ঈদের আগেই কাজ শুরু করা হবে। ধীরে ধীরে পুরো নগরীকে মশামুক্ত করা হবে, ইনশাআল্লাহ। মানুষ যেন মশারি না টানিয়েও নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে সেই লক্ষ্যেই কাজ করব।
তিনি আরও বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং সবুজায়ন বাড়ানোর মাধ্যমে কুমিল্লাকে একটি পরিবেশবান্ধব শহরে পরিণত করা হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে।
প্রশাসক হিসেবে প্রথম দিনের আগমনকে ঘিরে নগর ভবনজুড়ে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ সময় সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইউসুফ মোল্লা টিপুকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
মন্তব্য করুন


গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে কাভার্ডভ্যানে ফেনসিডিল পাচারকালে ২ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩।
শনিবার (২০ জানুয়ারি) রাতে এ তথ্য জানানো হয় র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে ফারুক মিয়া (৩৬) এবং শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার শাহআলীর ছেলে বিপ্লব হোসেন (২৬)। তাদের কাছে থেকে ৮৬ বোতল ফেনসিডিলসহ কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করা হয়।
র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদে শনিবার (২০ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৮টায় পৌরশহরের খলসী নামক স্থানে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের ওপর চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায় র্যাব। এ সময় ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যান থেকে ৮৬ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ জনকে আটক করা হয়। সেইসঙ্গে জব্দ করা হয় কাভার্ডভ্যানটি।
বিভিন্ন কৌশলে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে আসছিলেন তারা।
র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও জানান, আসামিদের গোবিন্দগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার ২০২৪-২০২৫ সনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
২৯ আগস্ট বৃহস্পতিবার কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির কার্যালয়ে সকাল ৯টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এতে ৫১৭জন ভোটারের মধ্যে ৪২৮জন ভোটার গোপন ব্যালট পেপার এর মাধ্যমে তাদের সুনিশ্চিত মতামত প্রদান করেন।
ওই নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি এডভোকেট মোঃ মনির হোসেন পাটোয়ারী এবং সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এডভোকেট মাহাবুল আলম রিমন। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুল বারী সরদার (বারেক) এবং সহকারী নির্বাচন কমিশন সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম ও মোঃ আবুল কালাম আজাদ। এছাড়াও নির্বাচন পরিচালনা করেন বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতির উচ্চ পরিষদের সদস্য মোঃ এমদাদ হোসেন ও আবুল খায়ের খোকন। এসময় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাকির হোসেন, রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি এডভোকেট আছিয়া মাহজাবিন খান নিশু, সাবেক এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি এডভোকেট মোঃ এনামুল হক সরকার, এডভোকেট মোসাঃ কামরুন্নাহার ও এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার প্রমুখ।
ওই নির্বাচনে ১৫টি পদের মধ্যে দু'টি পদে গোপন ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের দ্বিতীয় তলায় ৭নং হল রুমে ভোট গণনা শুরু হয় আর শেষ হয় রাত ৯টায়। ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি এডভোকেট মোঃ মনির হোসেন পাটোয়ারী।
ওই নির্বাচনে সভাপতি পদে মোঃ নুরুল ইসলাম ২২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ ওমর ফারুক পেয়েছেন ১৮০ ভোট ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (সিভিল কোর্ট) পদে মোঃ সামছুল আলম ২৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ আতাউর রহমান সরকার মাসুদ পেয়েছেন ১৫১ ভোট।
ভোট গণনার সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাকির হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এডভোকেট মাহাবুল আলম রিমন ও এডভোকেট মোসাঃ কামরুন্নাহার, এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার, জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির সাবেক সভাপতি আবু তাহের কালন, সাবেক সভাপতি মোঃ এমদাদ হোসেন, সাবেক সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান (মজিব), সাবেক সভাপতি মোঃ আবুল খায়ের (খোকন) ও সাবেক সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিনসহ জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির প্রায় শতাধিক সদস্য।
এ ছাড়াও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন সহ-সভাপতি পদে মোঃ শহিদুল হক লিটন, সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ হোসেন মিয়া, সহ-সাধারণ (ফৌজদারি কোর্ট) পদে মোঃ হরমুজ আলী সরকার, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক পদে মোঃ জসিম উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক পদে মোঃ লিটন মিয়া মুন্সি, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ মনিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক পদে মোঃ মাহাবুব আলম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোঃ শাহজাহান মিয়া এবং সদস্য পদে মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ শাহাদাত হোসেন, মোঃ খোরশেদ আলম, মোঃ আবুল কাশেম ও মোঃ জহিরুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক :
কুমিল্লা -৯ (লাকসাম মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, বিএনপির কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম বলেছেন, আমি নির্বাচিত হলে লাকসাম-মনোহরগঞ্জে একটি নার্সিং ইনস্টিটিউট করা হবে। একটি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ করা হবে, যাতে করে আমাদের ছেলে-মেয়েরা আর লেবার ভিসায় বিদেশ যেতে না হয়। উপযুক্ত ট্রেনিং নিয়ে উচ্চ বেতনে যেন তারা বিদেশে যেতে পারে। আমরা সেই সুযোগ ইনশাল্লাহ করে দেবো।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার বান্দুয়াইন মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে লাকসাম এবং মনোহরগঞ্জের চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ এবং দখলবাজদের নির্মূল করা হবে। এসব যারা করে তাদের প্রতিহত করা হবে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলবাজদের নির্মূল করতে হবে।
আবুল কালাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে তারেক রহমানের সহধর্মিনী ডা. জোবাইদা রহমান দেশের প্রতিটি গ্রামে পল্লী ক্লিনিক করবেন। এসব ক্লিনিক সরকারি অভিজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা পরিচালিত হবে। এখানে আপনারা বিনামূল্যে চিকিৎসা নেবেন।
তিনি আরও বলেন, লাকসাম-মনোহরগঞ্জ দিয়ে প্রবাহিত ডাকাতিয়া খাল দখল হয়ে আছে। দখল হওয়া এসব খাল পুনরুদ্ধার করে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি করা হবে। ডাকাতিয়া নদীকে পরিবেশবান্ধব করা হবে।
খিলা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মনজুর আলম মজনুর সভাপতিত্বে এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ইলিয়াস পাটোয়ারী। এসময় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সরোয়ার জাহান দোলনসহ অন্যন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বজ্রপাতে সিরাজ মিয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নের পাঁচানি গ্রামের মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
সিরাজ মিয়া উপজেলার পাঁচানি গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, পাচানী গ্রামে সবজি তুলছিলেন কৃষক সিরাজ মিয়া। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাশেদুল হাসান খান বলেন, বজ্রপাতে সিরাজ মিয়া নামে একজনের মৃত্যুবরণ করেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই। তাই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধীন জামালপুর বিওপির একটি টহলদল দৌলতপুর সীমান্ত এলাকা থেকে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে।
আজ শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সীমান্ত পিলার ১৫২/৬-এস সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। টহলদলের নেতৃত্বে থাকা হাবিলদার মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আটক ব্যক্তি ভারতের বিহার রাজ্যের গোপালগঞ্জ জেলার উচ্ছাগাঁও থানার শাখে খাস ইন্দ্রাটোল গ্রামের বাসিন্দা ওপেনদার (৩০)। তিনি প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ করলে বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করে।
কুষ্টিয়া ৪৭ ব্যাটালিয়ন বিজিবির সহকারী পরিচালক জাকিরুল ইসলাম জানান, আটককৃত ভারতীয় নাগরিককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দৌলতপুর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ে দুইটি ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রাম লণ্ডভণ্ড হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঝড়ে শতাধিক বসতঘর বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে চলতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে এলাকা বিদ্যুতবিহীন হয়ে পড়েছে।
বুধবার (২৭ মার্চ) দিবাগত রাত একটার দিকে উপজেলার পাচুড়িয়া ও বানা ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে অসংখ্য গাছপালা ভেঙে এবং উপড়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় সড়কের উপরে গাছ পড়ে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে অন্ধকার হয়ে যায় দুটি ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রাম।
বানা ইউনিয়নের কঠুরাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ইমরান হোসেন জানান, বানা ইউনিয়নের শিরগ্রাম, গড়ানিয়া, পাকুড়িয়া, টাবনী, টোনাপাড়া, শিয়ালদি চরপাড়া, জয়দেবপুর, আউশির হাট, কঠুরাকান্দি, মাজপাড়া, আড়পাড়া গ্রামে ঝড় আঘাত হানে। ঝড়ে কাচাঁ-আধাপাকা ঘরবাড়ি, গাছপালা, পেঁয়াজ, রসুন, মশুরি, ধনিয়া, ধান, গমসহ কৃষি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গ্রামগুলোতে বিদ্যুত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে।
পাচুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো. আমিনুর রহমান বলেন, ঝড়ে আমার ঘরবাড়ি, ফসলি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও যুগীবরাট, ভাটপাড়া, চাদড়া, পাচুড়িয়া, দেউলি, চরনারানদিয়া, ধুলজুড়ি, চরভাটপাড়ায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম জাহিদুল হাসান জাহিদ বলেন, বুধবার রাত একটার দিকে ঘূর্ণিঝড়ে দুই ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক কাঁচাপাকা বাড়িঘর ও কয়েকশ গাছপালা উপড়ে যায়। বিস্তীর্ণ জমির ফসল বিনষ্ট হয়েছে। অনেকেই ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান নেন। ঘটনাস্থলে পোঁছে তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে কাজ শুরু করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুত সমিতির আলফাডাঙ্গা সাব জোনাল অফিসের এজিএম ফাহিম হাসান বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সেখানে কয়েকটি গ্রামে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুতের তাঁর ছিড়ে গেছে, কয়েকটি খুঁটি ভেঙ্গে অনেকগুলো আঁকাবাঁকা হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করতে কাজ চলছে।
এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমীন ইয়াছমীনের মোবাইল নম্বারে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি। তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করতে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বাত্মক সাহায্য সহযোগিতা করা হবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, চাঁদপুর প্রতিনিধি :
চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভায় ৫নং ওয়ার্ডের কড়ইয়া গ্রামের পূর্ব বিলে লোডশেডিংয়ের কারনে চলতি মৌসুমের ইরি-বোরো ধানের পানি সেচ নিয়ে বিপাকে রয়েছেন কৃষকরা। এতে করে কৃষকরা ভালো ফলন নিয়ে খুবই চিন্তিত। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারনে ওই বিলের কৃষকরা ইরি ধানের ফলন ঘরে তোলা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে,কচুয়া পৌরসভাধীন কড়ইয়া গ্রামের পূর্ব বিলে প্রায় ৫শ একর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে। চলতি বছরের ওই বিলের বোরো ধানের থোর বের হলেও পানি না থাকার কারনে ভালো ফলন নিয়ে ঘরে ফেরার দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা। এছাড়া সরকারি খাস ভূমিগুলো ইচ্ছে মত দখল করে নেয়ায় পানি চলাচল করতে পারছে না। এসব খাস ভূমিগুলো অসাধু দখলদারীদের কাছ থেকে উদ্ধারের দাবী জানিয়েছে কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষক জাহাঙ্গীর হোসেন, মনির হোসেন, আব্দুল আউয়ালসহ একাধিক কৃষকরা জানান, চলতি মৌসুমে এই মাঠে আমরা বোরো ধান চাষ করেছি। কিন্তু ঘন ঘন লোডশেডিং হওয়ায় সেলু মেশিন থেকে আমাদের ফসলী জমিতে পানি আসছে না। তারা আরো জানান, পার্শ¦বর্তী এলাকায় বিদ্যুৎ থাকলেও আমাদের এ অঞ্চলে বিদ্যুৎ থাকেনা। তাই কৃষি জমির ফসলী উৎপাদনের লক্ষে জনস্বার্থে বিদ্যুতের ঘাটতি কমিয়ে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ দেয়ার জোড় দাবী করছি।
ওই মাঠের আলী হোসেনের সেলু মেশিনের লাইনম্যান জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমি গত বেশ কয়েক বছর যাবৎ এই সেলুতে লাইন ম্যানের কাজ করছি। কিন্তু এবারের মত এত ভয়াবহ লোডশেডিং কখনো দেখিনি। বিদ্যুৎ একবার গেলে আর আসার নাম থাকে না। কখনো কখনো বিদ্যুৎ আসলে সেলু মেশিন চালু দিলে ড্রেইনে পানি প্রবেশের আগেই বিদ্যুৎ চলে যায়।
কচুয়া কৃষি অফিসের উপ-সহকারি কর্মকর্তা টিটু মোহন সরকার বলেন, স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ফসলী জমি দেখতে পরিদর্শনে আসি। চাহিদা মত বিদ্যুৎ না থাকায় অধিকাংশ ফসলী জমিতে পানি নেই। ফসলী ধানের জমিতে পানি না থাকলে কৃষকদের ক্ষতি সাধন হবে।
মন্তব্য করুন


মেয়ে শিশু জন্ম নেওয়ায় ওই নবজাতককে মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যরা নবজাতককে হাসপাতালে ফেলে পালিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে ওই ঘটনাটি ঘটে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে। বিষয়টি জানাজানি হয় বিকেলে।
নবজাতক রেখে পালিয়ে যাওয়া দম্পতি হলো আলমগীর হোসেন ও পাপিয়া খাতুন। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামের বাসিন্দা ওই নবজাতককে মা-বাবা।
নিজেদের সন্তান হাসপাতালে ফেলে পালানোর বিষয়ে জানা যায়, তিন মেয়ের পর এবার ছেলেসন্তানের আশায় বুক বেঁধেছিলেন এ দম্পতি। ফের কন্যাসন্তান হলে স্ত্রী পাপিয়াকে তালাকের হুমকিও দেন আলমগীর! কিন্তু এবারও কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন পাপিয়া। তাই তারা হাসপাতালে সন্তান রেখেই পালিয়ে গেছেন।
হাসপাতাল থেকে জানা গেছে, প্রসব বেদনা উঠলে সকাল ৭টা ৪৩ মিনিটে পাপিয়া খাতুনকে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানেই কন্যাসন্তান প্রসব করেন পাপিয়া। পরে তাকে ভর্তি করা হয় গাইনি ওয়ার্ডে। কিছুক্ষণ পর নবজাতককে আলমডাঙ্গা উপজেলার ছত্রপাড়া গ্রামের বিলকিস বানু নামে এক নারীর কাছে রেখে পালিয়ে যান ওই নবজাতকের মা-বাবা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।
খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিদ্দিকা সোহেলী রশীদ ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী।
পরে নবজাতকটিকে সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মালেকা খাতুনের তত্ত্বাবধায়নে রাখা হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা ওই নবজাতকের নাম রাখেন ‘পুষ্প’।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেন, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ওয়াহেদ মাহমুদ রবিন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী জানান, ওই দম্পতি হাসপাতালে যে নাম ও ঠিকানা দিয়েছেন তা যাচাই করা হয়েছে। তারা ভুল তথ্য দিয়েছেন। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ও ছবি দেখে ওই নারী ও তার স্বজনদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
নবজাতকটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়নে রয়েছে। প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা।
মন্তব্য করুন