

নগরীর
পতেঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় মো. সোহেল (৩৭) নামে এ যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার
(২৭ ডিসেম্বর) দিবাগর রাত ২টার দিকে চরপাড়া আম্বিয়া পেট্রোল পাম্পের বিপরীতে এ দুর্ঘটনা
ঘটে।
মো.
সোহেল ইপিজেড থানার দক্ষিণ হালিশহরেরে সেইলস কলোনী এলাকার মো. জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
পতেঙ্গা
থানা উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. লিটন বাংলানিউজকে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় এ যুবকের মৃত্যু
হয়েছে।
খবর
পেয়ে তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া
শেষে হাসপাতাল থেকে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আগামী সোমবার ঘোষিত রায়কে কেন্দ্র করে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি ইতোমধ্যেই সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
তিনি
বলেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনা এবং অন্যদের বিরুদ্ধে রায় ১৭ নভেম্বর ঘোষণা
করা হবে। রায়কে কেন্দ্র করে দেশের কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তাই
আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি ইতোমধ্যেই তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।’
আজ শনিবার ( ১৫ নভেম্বর ) দুপুরে সরকারি
সফরে পটুয়াখালী সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি ।
জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে নয় দিনের জন্য
বিশেষ আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। নির্বাচনের আগে পাঁচ দিন, নির্বাচনের দিন এবং পরে আরও তিন দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে কঠোর অবস্থানে থাকবে। প্রয়োজন হলে দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী সময়সীমা সমন্বয় করা হতে পারে বলেও তিনি জানান।
তিনি
জানান, বর্তমানে ৩০ হাজার সেনা
সদস্য মাঠে থাকলেও নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীর মোতায়েন বাড়িয়ে প্রায় ১ লাখ করা
হবে। এছাড়া দায়িত্ব পালন করবে প্রায় ১ লাখ ৫০
হাজার পুলিশ, ৩৫ হাজার বিজিবি,
৫ হাজার নৌবাহিনী, ৪ হাজার কোস্টগার্ড,
৮ হাজার র্যাব এবং
আনুমানিক সাড়ে ৫ লাখ আনসার
সদস্য। নিরাপত্তা জোরদারে আনসার সদস্যদের অস্ত্র ও বডিক্যাম সরবরাহ
করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নির্বাচনের
নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো সন্দেহের সুযোগ নেই জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ইলেকশন খুবই শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন
করেছে।
সরকার
পরিবর্তন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ দেশে সরকার
পতন কোনো তিনজন মানুষের কারণে হয়নি। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের কারণেই সরকার পরিবর্তন ঘটেছে। আপনারা দেখেছেন, তারা কীভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, তাদের আত্মীয়স্বজনও পালিয়েছে। এটি জনগণের ইচ্ছার ফসল।’
উপদেষ্টা
জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে রোজার আগেই অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল ঘোষণার পর লটারির মাধ্যমে
প্রশাসনের রদবদল করা হবে।
মতবিনিময়
শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পটুয়াখালী পুলিশ লাইনস ও কোস্টগার্ড বেইস
পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


ভাষা
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান
তারেক রহমান।
ইতিহাসে
প্রথমবারের মতো তিনি একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের
পর সেখানেই দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ
নেন।
প্রথা
অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণের পরপরই শহীদ মিনার ত্যাগ করেন।
তবে এবার সেই প্রথার বাইরে গিয়ে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণেই দোয়া মাহফিলে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
দোয়া
পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের জ্যেষ্ঠ ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা
নাজির মাহমুদ। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী
আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ
মোনাজাত করা হয়।
এ
সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার
জন্যও বিশেষ দোয়া করা হয়। পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
নেতৃত্বাধীন সরকারের সফলতা কামনা করা হয়।
এর
আগে রাত ১২টা ৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
দোয়া
শেষে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর মন্ত্রিসভা, দল এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকেও পৃথক পুষ্পস্তবক অর্পণ
করেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, ‘আজকের এই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের সংসদ। দেশের মানুষ এই সংসদের
দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে।’
আজ
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংসদের স্পিকারের
বক্তব্যের পর শুভেচ্ছা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন।
তিনি
বলেন, ‘আজ থেকে স্পিকার আর কোনো দলের নন, তিনি পুরো সংসদের অভিভাবক। দেশের স্বাধীনতাপ্রিয়
গণতান্ত্রিক মানুষ এই সংসদের দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। দেশ ও জনগণের স্বার্থে
আমরা এই সংসদকে অর্থবহ করতে চাই।’
তিনি
আরো বলেন, ‘গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার
কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। জনগণকে দুর্বল জনগোষ্ঠীতে পরিণত করা হয়েছিল এবং সংসদকে মানুষের
অধিকার লুণ্ঠনকারীদের ক্লাবে পরিণত করা হয়েছিল।’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘বিগত দেড় দশকে যারা নিজেদের এমপি পরিচয় দিতেন, তারা কেউ জনগণের ভোটে নির্বাচিত
ছিলেন না। কিন্তু আজকের সংসদ জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংসদ। এটি
বাংলাদেশের জনগণের সংসদ।’
তারেক
রহমান বলেন, বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা নয়, বরং সুনির্দিষ্ট যুক্তি ও বিতর্কের মাধ্যমে
সংসদকে প্রাণবন্ত করে তুলতে চাই আমরা। এক্ষেত্রে স্পিকারের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি
বলেন, জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে সংসদ পরিচালনায় আমরা স্পিকারকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা
করবো।
বক্তব্যের
শেষদিকে স্পিকারকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা, অভিনন্দন
ও ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগের নিবন্ধন
বাতিল করে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক
পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
আজ শুক্রবার
(২ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে আমার বাংলাদেশ-এবি পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর
অনুষ্ঠানে তিনি এ দাবি জানান।
এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ
ইসলাম বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক আলোচনার
মূল বিষয় হলো সংস্কার, নির্বাচন এবং আওয়ামী লীগের
বিচার। এই তিনটি বিষয় একে অপরের পরিপূরক এবং এর মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক রূপান্তর
সম্ভব। ৫ আগস্ট দেশের জনগণ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে, তারা আর রাজনীতি করতে পারবে না। জনগণই তাদের ভাগ্য
নির্ধারণ করবে, যা ভোটের মাধ্যমে অথবা
গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশ পাবে। ইতিহাসে একটি গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, যেখানে জনগণ মুজিববাদ ও আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখ্যান
করেছে। জনরোষের ভয়ে আওয়ামী লীগের নেতারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। তাই তাদের রাজনীতি
করার নৈতিক ভিত্তি নেই। এখন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের রাজনীতি থেকে বের করে
দেওয়াই একমাত্র উপায়। অবিলম্বে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল এবং তাদের সাংগঠনিক
কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা উচিত।
নাহিদ ইসলাম সংস্কারের
প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, দেশের সব রাজনৈতিক দল সংস্কারের কথা বলছে। একটি মৌলিক
সংস্কারের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থা ও ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ প্রশস্ত করতে হবে।
অন্যথায় জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে না।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে সরকার প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা
ব্যবস্থা নিশ্চিত করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আজ
বুধবার ( ২৪ ডিসেম্বর ) বিকেলে রাজধানীর ফরেন
সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা তার বাংলাদেশে
ফেরাকে স্বাগত জানাই। তার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে দলের সঙ্গে
আমাদের যোগাযোগ রয়েছে।’
প্রেস
সচিব আরও জানান, সরকার তার নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি বিএনপির সঙ্গে পরামর্শ করছে
এবং তাদের চাহিদা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ
চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।’
ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শারিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের বিচারের বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘এ
বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। আমরা গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পাচ্ছি এবং
ঘটনার তদন্তে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। ইতোমধ্যেই কয়েক জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
ময়মনসিংহে
পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে প্রেস সচিব বলেন, ‘সরকার হত্যাকাণ্ডকে
নিন্দা জানিয়েছে। ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে অন্তত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইন
উপদেষ্টা আজ উপদেষ্টা পরিষদকে জানিয়েছেন, দিপু হত্যার বিচার দ্রুত বিচার আইনের আওতায়
সম্পন্ন হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা
নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি।’
প্রথম
আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনার বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘ভিডিও
ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকটি মামলা
দায়ের করা হয়েছে। সমস্ত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে। ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র
সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সুদানের
আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষী
শাহাদাতবরণ করেন। এ ঘটনায় মোট
৯ জন শান্তিরক্ষী আহত
হন বলে সর্বশেষ তথ্যে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সন্ত্রাসী হামলায় শাহাদাতবরণকারী ৬ জন শান্তিরক্ষীদের
মরদেহ আগামী ২০ ডিসেম্বর ঢাকায়
প্রত্যাবর্তনের কথা রয়েছে।
বুধবার
(১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আইএসপিআর
জানায়, গত ১৩ ডিসেম্বর
সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সংঘটিত বর্বরোচিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলার ঘটনায় প্রাথমিকভাবে ৮ জন বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষী আহত হন। পরে, প্রাপ্ত হালনাগাদ তথ্যে আরও একজন শান্তিরক্ষী আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ জন। আহত
সব শান্তিরক্ষীর দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বর্তমানে
আহত শান্তিরক্ষীরা কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে (লেভেল–৩ হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন
রয়েছেন এবং তাদের একজন এরইমধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন। বর্তমানে সবাই শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
উল্লেখ্য,
গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের
আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইস-এ বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী
পরিচালিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় দায়িত্ব পালনরত ৬ জন বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষী শাহাদাতবরণ করেন এবং মোট ৯ জন আহত
হন।
মন্তব্য করুন


পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী
উপলক্ষে চট্টগ্রামে জশনে জুলুসের র্যালিতে গিয়ে অসুস্থ ও পদদলিত হয়ে দুইজনের প্রাণ
গেলো । আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
নিহতরা হলেন , পটিয়ার বাসিন্দা
আইয়ুব আলী (৬০) ও নগরের কালামিয়া বাজার এলাকার সাইফুল ইসলাম (১৩)।
আজ শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর)
দুপুর ১২টার দিকে নগরের মুরাদপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বলেন তীব্র গরমের কারণে আইয়ুব আলী অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সাইফুল ইসলাম নামের আরেক কিশোর আহত হওয়ার পর হাসপাতালে আনা হলে প্রথমে ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে তার মৃত্যুবরন হয়। লাশ মর্গে রাখা হয়েছে।
এছাড়া ভিড়ের মধ্যে চাপা পড়ে এবং নালার ওপর বসানো কাঠের সেতু ভেঙ্গে আহত হয়েছেন। প্রায়ই আরও ৭-৮ জন আহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজনকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে।হতাহতদের হাসপাতালে নিয়ে যান আঞ্জুমানে রহমানিয়া ট্রাস্টের মেডিক্যাল টিমের সদস্যরা।
তারা জানান, ভিড়ের মধ্যে গরমে অসুস্থ হয়ে বেশ কয়েকজন পদদলিত হন। আহত ৮ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চুয়াডাঙ্গাতে গতকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে বৃষ্টি কমে গেলে শনিবার থেকে তাপমাত্রা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, আগামী ১০ ডিসেম্বরের পর থেকে সারাদেশে শীত জেঁকে বসতে পারে। আর মাসের শেষের দিকে একটি শৈত্যপ্রবাহ আসার সম্ভাবনা আছে।
এদিকে নিম্নচাপের প্রভাবে গতকাল বুধবার দুপুরের পর থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। এই বৃষ্টির পরিমাণ সন্ধ্যার পর বেড়ে আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্থায়ী হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ‘ডিসেম্বর মাস থেকে শীত শুরু হয়। এখন রাতের তাপমাত্রা ১৪ থেকে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ওঠানামা করছে। আগামীকাল এই তাপমাত্রা কমে গিয়ে ১৪ থেকে ১৯ বা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করবে। এছাড়া যদি বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেড়ে যায় তবে তাপমাত্রা কমে গিয়ে শীতের অনুভূতি বাড়িয়ে দেবে। মিগজাউমের প্রভাবে এই বৃষ্টি হচ্ছে এবং তাপমাত্রা কমে যাচ্ছে।
এছাড়াও চলতি মাসের শেষের দিকে দেশে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দিতে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। এদিকে বুধবার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রার তারতম্য হতে পারে।
মন্তব্য করুন


হাসপাতালের সাদা অ্যাপ্রন গায়ে, গলায় ঝোলা স্টেথোস্কোপ—দেখলে সাধারণ চিকিৎসকের মতোই মনে হয় তাঁকে। কিন্তু তাঁর চলাফেরা, চোখেমুখের উত্তেজনা এবং রোগীদের প্রতি আলাদা দায়িত্ববোধ তাঁকে বাকিদের থেকে খানিকটা আলাদা করে দেয়। গুজরাতের ভাবনগর জেলায় স্যার টি জেনারেল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে নতুন রোগী আনা মাত্রই ছোট্ট শরীরে দ্রুত পদক্ষেপে এগিয়ে গেলেন তিনি। স্ট্রেচারের পাশে দাঁড়িয়ে নিজে দেখার বদলে দুই ইন্টার্ন ডাক্তারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে দিলেন, তারপর ধীরগতিতে নিজের চেম্বারের দিকে রওনা হলেন।এই সময় রোগীর স্বজনদের মধ্যে কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে। কারণ সবার চোখে একই বিস্ময়—ডাক্তারটির উচ্চতা স্ট্রেচারের উচ্চতার চেয়েও কম! কিন্তু তাঁদের বিস্ময় বা সংশয়কে গুরুত্ব দেওয়ার ফুরসত না নিয়েই তিনি নিজের কাজে ফিরে যান। তিনি গণেশ বরইয়া—মাত্র ২৫ বছর বয়সী, উচ্চতা তিন ফুট, তবু নামের পাশে গর্বের সঙ্গে লেখা ‘এমবিবিএস’। জন্মগতভাবে শারীরিকভাবে ৭২ শতাংশ অক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি চিকিৎসা বিজ্ঞানে ডিগ্রি অর্জন করেছেন। নিরক্ষর কৃষক বাবার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন তিনি পূরণ করেছেন নিজের অধ্যবসায় ও মনোবলের জোরে।ভাবনগরের গোরখি গ্রামের দরিদ্র পরিবারে জন্ম গণেশের। বাবা-মায়ের অষ্টম সন্তান এবং পরিবারের প্রথম ছেলে হওয়ায় জন্মের পর থেকেই তাকে ঘিরে নানা আশা ছিল। কিন্তু জন্ম থেকেই তিনি বামনত্বে (dwarfism) ভুগছিলেন; গ্রোথ হরমোনের ঘাটতিতে হাঁটাচলাতেও ছিল সমস্যা। রোগ ধরা পড়ার পর অনেকে মনে করেছিলেন—গণেশের ভবিষ্যৎ হয়তো খুব সীমিত। তবু পরিবার তাঁকে কখনো ছাড়েনি, ভালোবাসায় আচ্ছন্ন রেখেছিল সবসময়।শৈশবের এক ভয়ংকর ঘটনাও আজও তাঁর মনে গেঁথে আছে। যখন তাঁর বয়স মাত্র ১০, কয়েকজন সার্কাসকর্মী এসে পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে তাঁকে কিনে নিতে চেয়েছিল। যুক্তি ছিল—গণেশের ভবিষ্যৎ সার্কাসেই সীমাবদ্ধ, অন্য কোথাও তার জায়গা নেই। কিন্তু তাঁর বাবা দৃঢ়ভাবে তা প্রত্যাখ্যান করেন। ছেলে যেন পৃথিবীর আলো ছায়ায় নিজের পথ তৈরি করতে পারে—এই বিশ্বাসেই তিনি সার্কাসদলকে তাড়িয়ে দেন। এরপর গণেশকে আরও বেশি আগলে রাখেন পরিবার। দিদিরা কোলে করে স্কুলে নিয়ে যেত, বাবা মাঝে মাঝে কাঁধে বসিয়ে পথ চলতেন। ছোট বয়সেই গণেশ বুঝে যায়—অক্ষমতা তার জীবনের অংশ হলেও তা তাকে থামাতে পারবে না। উচ্চতা না বাড়লেও তাকে ‘বড়’ হতেই হবে।তিনি নিজেই বলেন, “জীবনের পথে এগোতে অনেকের সহায়তা আমার প্রয়োজন ছিল, তা ছোটবেলাতেই বুঝেছিলাম। অনেকেই আমাকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁদের স্নেহ ও সাহায্য ছাড়া আমি এতটা দূর আসতে পারতাম না।”
আজ গণেশ বরইয়া সেই প্রমাণ যে শারীরিক সীমাবদ্ধতা নয়, মানুষের মনোবলই নির্ধারণ করে তার সাফল্যের পথ। তাঁর তিন ফুট শরীর হলেও স্বপ্নের বিস্তার আকাশছোঁয়া।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আল্লাহর রহমতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয়
সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ তথা বিএনপির বিজয় হবে। জনগণের বিপুল সমর্থন ও জাতীয় ঐক্য
সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে বিএনপি এমন একটা সরকার পরিচালনা করবে যে সরকারের মালিক হবে সকল
জনগণ।
আজ
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় চকরিয়ার সাহারবিল ইউনিয়নের বিএমএস উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে
অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, জনগণ তাদের রাষ্ট্রের মালিকানা ফেরত পাবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের
মধ্য দিয়ে।
আপনার
ভোট আপনি দিবেন, যাকে খুশি তাকে দিবেন। আপনার পছন্দের প্রার্থীকে দিবেন। গণতন্ত্রকে
শক্তিশালী করবেন। বাংলাদেশে যেন আর কোনদিন এই কথা শুনতে না হয় কেউ গুম হয়েছে।
কোন
মাকে যেন তার সন্তান হারানোর বেদনা অনুভব করতে না হয়। বিএনপি এমন একটা বাংলাদেশ বিনির্মাণ
করবে যে বাংলাদেশে আর কোন মানুষ গুম হবেনা। যারা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন তাদের
মর্যাদাবান করতে হবে।
তিনি
আরো বলেন, বিএনপি কর্মসূচি, বিএনপির প্ল্যান, পরিকল্পনা এবং রাষ্ট্র চিন্তা যদি মানুষের পছন্দ হয় তাহলে অবশ্যই তারা বিএনপিকে
ভোট দিবে।
অন্য
যে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন করছেন তারাও তাদের কর্মসূচি, পরিকল্পনা প্রকাশ করবে। জনগণ
তাদেরটা পছন্দ করলে তাদেরই ভোট দিবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য্য। এমনই হওয়া উচিত।
কিন্তু একটা দল তা না করে তাদের ভোট দিলে মরলে পরে জান্নাত পাবেন বলে ধোঁকাবাজি করছে
তাদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমি দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে আপনাদের সাথে আছি। আমি জেলে
থাকার কারণে ২০০৮ সালে নির্বাচন করতে পারিনি জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, সেবার আমার
স্ত্রী অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদকে আমার চাইতে বেশি ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন। এ কারণে
আমি এবং আমার পরিবার আজীবন আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। সুতরাং এতে করে বুঝতে পারি আপনারা
আমাকে ভালোবাসেন। এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করতে গিয়ে আমার জীবন বিপন্ন হতে
বসেছিল। আমরা গণতন্ত্রকে হারিয়ে ফেলেছিলাম। কেউ মুক্ত পরিবেশে কথা বলতে পারেনি। তাদের
ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি।
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন- মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহীম চৌধুরী,
সাধারণ সম্পাদক হেফাজতুর রহমান টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শোয়াইবুল ইসলাম সবুজসহ অসংখ্য
নেতাকর্মী।
মন্তব্য করুন