

গাজায় মানবিক সহায়তা নিয়ে যাওয়া ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ আটকে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ সময় জলযানগুলোতে থাকা সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ অন্যান্য অ্যা স্বেচ্ছাসেবীদের আটক করা হয়। তাদের ইসরায়েলের একটি বন্দরে নিয়ে যাচ্ছে দখলদার বাহিনী। খবর আলজাজিরার।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নৌবহর থেকে আটক গাজার কর্মীরা নিরাপদ ও সুস্থ আছেন। নৌবাহিনীর কমান্ডোরা সমুদ্রে তাদের আটক করার পর কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। আটক গাজা কর্মীরা ২ ঘণ্টার মধ্যে আশোদ বন্দরে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এখন আটককৃতদের ইসরায়েল থেকে ইউরোপে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।
গত রাত থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার উপর ভয়াবহ অবরোধ ভাঙার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় ইসরায়েল ৪৪টি মানবিক ত্রাণ বহনকারী নৌকার মধ্যে কমপক্ষে ২১টি আটক করে। এ নিয়ে বিশ্বে নিন্দার ঝড় উঠলেও ইসরায়েল পাত্তা দিচ্ছে না।
ঘটনার আগে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজে এবং কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো ফ্লোটিলাটিকে বাধাহীনভাবে যেতে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, ফ্লোটিলার সরবরাহকৃত সহায়তা মানবিক আইনের আওতায় বৈধ। তবে ইসরায়েল বলছে, ফ্লোটিলার স্বেচ্ছাসেবীরা ‘আইনসংগত নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা’ করছে। তবে আন্তর্জাতিক আইন মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর অনুমতি দেয় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
গাজায় ইসরায়েলি অভিযানে হাজারো মানুষের মৃত্যু ও অবরোধ চলমান থাকায় এই ফ্লোটিলা মানবিক সহায়তা ও সংহতির অংশ হিসেবে রওনা হয়েছিল।
আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে স্পেনের ৩০ জন, ইতালির ২২ জন, তুরকির ২১ জন এবং মালয়েশিয়ার ১২ জন রয়েছেন। কর্মীরা বলছেন, গ্রেপ্তার অভিযান চললেও ফ্লোটিলার মিশন থেমে যায়নি। এখনো কয়েকটি জাহাজ ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বাধা উপেক্ষা করে গাজার উপকূলে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।
মন্তব্য করুন


গুগল ম্যাপসের একটি দল জরিপ করতে গিয়েছিল
এক গ্রামে। সে সময় চোর সন্দেহে স্থানীয়দের হাতে তারা গণপিটুনির শিকার হন।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে ভারতের
উত্তরপ্রদেশের কানপুরের বিরহার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এনডিটিভি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল গুগল ম্যাপসের
জন্য নিযুক্ত টেক মাহিন্দ্রার কর্মীরা একটি বিশেষ যন্ত্রসংবলিত গাড়ি ও ক্যামেরার সাহায্যে
রাস্তার ছবি তুলছিলেন। সেই ছবির মাধ্যমেই মানচিত্রে সঠিকভাবে রাস্তা চিহ্নিত করা হয়।
কিন্তু গ্রামবাসী ওই ক্যামেরাযুক্ত গাড়িকে সন্দেহজনক মনে করেন এবং ধারণা করেন, চুরির
উদ্দেশ্যে তথ্য সংগ্রহের জন্য ক্যামেরা বসানো হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বেশ কিছু মানুষ
গাড়িটি ঘিরে ফেলেন। কর্মীদের আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে দলটির সদস্যদের
মারধর শুরু করেন গ্রামবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে হস্তক্ষেপ করে।
পরে গ্রামবাসী ও জরিপকারী দল- দুই পক্ষকেই
থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গুগল ম্যাপসের কর্মীরা জানান, তারা চোর নন; গ্রামের মানচিত্র
তৈরি করছিলেন। তাদের কথা শোনার পর গ্রামবাসী শান্ত হন।
গুগল ম্যাপসের এক কর্মী এনডিটিভিকে
বলেন, আমার দল নিয়ে আমরা মানচিত্র তৈরির কাজে গিয়েছিলাম। কিন্তু ভুল-বোঝাবুঝির কারণে
স্থানীয়রা আমাদের মারধর করে। আমরা এই কাজের জন্য ডিজিপির (পুলিশের মহাপরিচালক) অনুমতি
নিয়েছিলাম।
স্থানীয়দের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে ওই
এলাকায় একাধিক চুরির ঘটনা ঘটেছে, যার কারণে তারা অতিরিক্ত সতর্ক ছিলেন।
এ ঘটনায় গুগল ম্যাপসের দলটি গ্রামবাসীর
বিরুদ্ধে থানায় কোনো অভিযোগ করেনি।
মন্তব্য করুন


নারীর
ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ
নিয়েছে সরকার। সরকার নারী প্রধান পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী
'ফ্যামিলি কার্ড' চালু করলো।
আজ
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টা ১৮ মিনিটে রাজধানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি
সংলগ্ন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ল্যাপটপে বাটন প্রেস করে এ 'ফ্যামিলি কার্ড' উদ্বোধন
করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
'ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশে ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল
সার্ভিসে ভাতা পোঁছে গেছে কার্ড প্রাপ্ত নারীর হাতে। পরে অনুষ্ঠান মঞ্চে ১৭ জন নারীর
হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাঁর পাশে ছিলেন সহধর্মিণী জুবাইদা
রহমান এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
সাততলা
বস্তিতে বাস করা ফ্যামিলি কার্ড প্রাপ্ত রিনা বেগম খুশিতে আবেগ আপ্লূত হয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে
ধন্যবাদ। জীবনে স্বপ্নেও ভাবিনি এই কার্ড হাতে পাবো। এই টাকা দিয়ে আমার পরিবারের অনেক
সাহায্য হবে।’
ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রতিটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার অঙ্গীকার
করা হয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে। দেশের সর্বস্তরে আলোচিত
হয়েছিল নারীর ক্ষমতায়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচনকারী এই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। সেই অঙ্গীকার
বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই সরকার গঠনের মাত্র ২১ দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
এই ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করেন। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ১৪ টি স্থানে এই পাইলট
প্রকল্প চালু হয়েছে। প্রথম ধাপে ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন নারী ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন।
এর
আগে সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বনানী টিএন্ডটি মাঠে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র
করে কড়াইল ও এর আশপাশের এলাকায় ভোর থেকেই উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ফ্যামিলি
কার্ড সুবিধাভোগী নারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। সকাল হওয়ার আগেই শত
শত নারী কড়াইল বস্তি সংলগ্ন উদ্বোধনী এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে
তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন এই ফ্যামিলি কার্ড হাতে পাওয়ার জন্য।
রাজধানীর
বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আজ ফ্যামিলি
কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফ্যামিলি কার্ড
উদ্বোধনের শুভ সূচনার আগে কোরআন থেকে তেলোয়াত করেন মাওলানা ইউসুফ আল মাদানী। এর পরে
বিএনপি দলীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এ সময় ব্যাক-গ্রাউন্ডে বেজে ওঠে 'প্রথম বাংলাদেশ
আমার শেষ বাংলাদেশ..জীবন বাংলাদেশ আমার মরণ বাংলাদেশ', বাংলাদেশ, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ।
' পরে ‘সবার আগে স্বাবলম্বী পরিবার, সবার আগে বাংলাদেশ’
এই স্লোগানকে সামনে রেখে 'ফ্যামিলি কার্ড' নিয়ে তৈরি করা প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন
করা হয়। এতে দেখা যায় হতদরিদ্র পরিবারে এক নারীর অভাব আর সংগ্রামের নিদারুণ কষ্টের
মাঝে স্বস্তির বার্তা নিয়ে হাজির হয় বিএনপি সরকারের দেয়া 'ফ্যামিলি কার্ড'।
আজ
মঙ্গলবার থেকে যেসব এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে সেগুলো হচ্ছে—রাজধানীর
কড়াইল বস্তি, সাততলা বস্তি, ভাসানটেক বস্তি, মিরপুর সার্কেল বা শাহ আলীর ওয়ার্ড-৮,
আলিমিয়ার টেক বস্তি (ওয়ার্ড-১৪) এবং বাগানবাড়ি বস্তি এলাকা।
এছাড়া
রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর, বান্দরবানের লামা,
খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাশন, সুনামগঞ্জের দিরাই, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, বগুড়া সদর,
নাটোরের লালপুর, ঠাকুরগাঁও সদর এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জেও এই পাইলট কর্মসূচি চালু হচ্ছে।
'ফ্যামিলি
কার্ড' প্রদানের ক্ষেত্রে সুবিধাভোগী বাছাই প্রক্রিয়া যেভাবে হয়েছে তা হলো- প্রাপ্ত
তথ্য হতে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি, পেনশন ইত্যাদি
কারণে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭ টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য চূড়ান্ত
করা হয়।
সমগ্র
প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র্য সূচক মানের ভিত্তিতে
সম্পন্ন করায় উপকারভোগী নির্বাচনে কোনোরূপ দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের
অবকাশ ছিল না।
এই
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নির্বাচিত নারীরা মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। এ সময় তিনি
অন্য কোনো ভাতা বা সুবিধা পাবেন না। তবে পরিবারের অন্য কেউ কোনো সুবিধা পেয়ে থাকলে
তা বহাল থাকবে।
মন্তব্য করুন


ভাষা
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান
তারেক রহমান।
ইতিহাসে
প্রথমবারের মতো তিনি একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের
পর সেখানেই দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ
নেন।
প্রথা
অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণের পরপরই শহীদ মিনার ত্যাগ করেন।
তবে এবার সেই প্রথার বাইরে গিয়ে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণেই দোয়া মাহফিলে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
দোয়া
পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের জ্যেষ্ঠ ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা
নাজির মাহমুদ। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী
আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ
মোনাজাত করা হয়।
এ
সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার
জন্যও বিশেষ দোয়া করা হয়। পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
নেতৃত্বাধীন সরকারের সফলতা কামনা করা হয়।
এর
আগে রাত ১২টা ৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
দোয়া
শেষে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর মন্ত্রিসভা, দল এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকেও পৃথক পুষ্পস্তবক অর্পণ
করেন।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের হামোন্টন মিউনিসিপ্যাল এয়ারপোর্টের আকাশসীমায় দুটি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে একজন পাইলট নিহত হয়েছেন এবং অপর একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।স্থানীয় সময় রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা ২৫ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানিয়েছে, সংঘর্ষে জড়িত হেলিকপ্টার দুটি ছিল এন্সট্রম এফ-২৮এ এবং এন্সট্রম ২৮০সি মডেলের। প্রতিটি হেলিকপ্টারে একজন করে পাইলট ছিলেন।সংঘর্ষের পর একটি হেলিকপ্টার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘূর্ণায়মান অবস্থায় নিচে পড়ে যায়, আর অন্যটি কাছাকাছি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। ঘটনাস্থলেই এক পাইলটের মৃত্যু হয়। অপর পাইলটকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।হামোন্টন পুলিশের প্রধান কেভিন ফ্রিল জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও জরুরি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। বিধ্বস্ত একটি হেলিকপ্টারে আগুন ধরে গেলে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আকাশে দুটি উড়োজাহাজের সংঘর্ষের পর একটি হেলিকপ্টার হঠাৎ দিক হারিয়ে মাটির দিকে নেমে আসে। দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে হামোন্টন মিউনিসিপ্যাল এয়ারপোর্ট এলাকা সাময়িকভাবে সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়।আটলান্টিক কাউন্টির অন্তর্গত হামোন্টন শহরটি কৃষিভিত্তিক ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত এবং এটি ফিলাডেলফিয়া শহর থেকে প্রায় ৩৫ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।এই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। এফএএ এবং ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) যৌথভাবে বিষয়টি তদন্ত করছে। প্রাথমিকভাবে যান্ত্রিক ত্রুটি, পাইলটদের মধ্যে যোগাযোগের সমস্যা কিংবা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আবহাওয়া পরিষ্কার থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদন পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। নিহত ও আহত পাইলটদের পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে আকাশপথে সংঘর্ষজনিত দুর্ঘটনার নজির রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ওয়াশিংটন ডিসিতে একটি সামরিক হেলিকপ্টারের সঙ্গে যাত্রীবাহী বিমানের সংঘর্ষে বহু প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল। সাম্প্রতিক এই দুর্ঘটনা নতুন করে আকাশযান নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনকে (বিএসসি) একটি
শক্তিশালী ও লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধরে রাখতে হবে।
আজ
বুধবার ( ১৪ জানুয়ারি ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন কর্তৃক বাস্তবায়িত ছয়টি জাহাজ ক্রয় প্রকল্পের জন্য গৃহীত
ঋণ পরিশোধ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ঘোষিত লভ্যাংশ বাবদ সরকারের পাওনা হিসেবে মোট ২০৩ কোটি
৪৭ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে
নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন ও বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল
মালেক প্রধান উপদেষ্টার কাছে চেক হস্তান্তর করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে বিএসসি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে,
সেই ধারা বজায় রাখতে হবে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এমনভাবে নিতে হবে, যাতে প্রতিষ্ঠানের আয়
দিয়েই বিএসসিকে আরও শক্তিশালী করা যায় এবং বহরে নতুন জাহাজ যুক্ত করা সম্ভব হয়।
তিনি
বলেন, বিএসসির বহরে আরও জাহাজ যুক্ত হলে নাবিকদের মধ্যে উৎসাহ বাড়বে এবং নতুন কর্মসংস্থানের
সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি মেরিন একাডেমিগুলোর প্রশিক্ষকদের যথাযথ সম্মানী দিয়ে ধরে
রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি, যাতে বিশ্বমানের নাবিক তৈরি করা যায়।
বিএসসির
ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক জানান, জি-টু-জি ভিত্তিতে ছয়টি জাহাজ সংগ্রহের
লক্ষ্যে বাস্তবায়িত ‘ছয়টি নতুন জাহাজ ক্রয়’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ সরকার (অর্থনৈতিক
সম্পর্ক বিভাগ) ও চীন সরকার (চায়না এক্সিম ব্যাংক)-এর মধ্যে ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর
একটি ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ ঋণের মূল পরিমাণ ১,১৯৯,৯৯৯,০৭০ ইউয়ান, যা বাংলাদেশি
মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ৪৫৭ কোটি ৬৭ লাখ ৯৮ হাজার ৭৮৫ টাকা।
এই
ঋণ পরিশোধের লক্ষ্যে ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর সরকারের অর্থ বিভাগ ও বিএসসির মধ্যে একটি
সাবসিডিয়ারি লোন অ্যাগ্রিমেন্ট (এসএলএ) স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী ১৩ বছরের মধ্যে
বিএসসিকে মোট ২ হাজার ৪২৫ কোটি ২ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হবে।
এসএলএ
অনুযায়ী গ্রেস পিরিয়ডকালীন সুদ বাবদ ৪৭৫ কোটি ২৫ লাখ ১৩ হাজার ৩৪০ টাকার চেক গত ২৬
নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
প্রকল্পটির
মাধ্যমে দীর্ঘ ২৭ বছর পর ২০১৮-১৯ মেয়াদে বিএসসির বহরে ছয়টি বাণিজ্যিক জাহাজ যুক্ত হয়।
এর মধ্যে পাঁচটি জাহাজ—এমভি বাংলার জয়যাত্রা, এমভি বাংলার
অর্জন, এমভি বাংলার অগ্রযাত্রা, এমভি বাংলার অগ্রদূত এবং এমভি বাংলার অগ্রগতি—বর্তমানে
আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত রয়েছে এবং বাংলাদেশের পতাকা
বহন করছে।
বিএসসি
তাদের ৫৪ বছরের ইতিহাসে সর্বশেষ অর্থবছরে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা আয় করে ৩০৬ কোটি ৫৬ লাখ
টাকা মুনাফা অর্জন করেছে, যা প্রতিষ্ঠানটির সর্বোচ্চ মুনাফা। এই অগ্রগতিতে প্রকল্পের
আওতায় বহরে যুক্ত পাঁচটি জাহাজের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
প্রধান
উপদেষ্টার নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে বিএসসি নতুন জাহাজ সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। এর
মধ্যে নিজস্ব অর্থায়নে দুটি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ সংগ্রহের আওতায় প্রথম জাহাজ ‘বাংলার
প্রগতি’ ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর ডেলিভারি গ্রহণ করে বাণিজ্যে যুক্ত
হয়েছে। দ্বিতীয় জাহাজ ‘বাংলার নবযাত্রা’
আগামী ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ডেলিভারির সূচি নির্ধারিত রয়েছে।
এ
ছাড়া সরকারি অর্থায়নে দুটি এমআর প্রোডাক্ট অয়েল ট্যাংকার এবং নিজস্ব অর্থায়নে একটি
আল্ট্রাম্যাক্স বাল্ক ক্যারিয়ার সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি চীন থেকে
জি-টু-জি ভিত্তিতে আরও চারটি বড় জাহাজ সংগ্রহের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


অভিবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে ৬৬২ জন বিদেশি অভিবাসীকে আটক করেছে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ। তাদের মধ্যে ১৫০ জন বাংলাদেশিও রয়েছেন। গতকাল বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের পুলাউ ইন্দাহ শিল্প এলাকায় সমন্বিত অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার ৪৩৭ জন, পাকিস্তানের ৩৫ জন, মিয়ানমারের ৩৬ জন, নেপালের ২৪ জন এবং ভারতের ১০ জন নাগরিক রয়েছেন।
সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক খাইরুল আমিনুস কামারুদিন জানিয়েছেন, গত চার মাস ধরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা করা হয়। এদিন ১০০টিরও বেশি স্থাপনায় অভিযান চালানো হয় এবং নয়টি দোকানঘর চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা হয়।
সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগ (JIM), রয়েল মালয়েশিয়ান পুলিশ (PDRM), মালয়েশিয়ান মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি (APMM), এয়ার অপারেশনস ফোর্স (PGU), রয়েল ক্লাং সিটি কাউন্সিল (MBK), জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের (JPN) মোট ২৪২ জন কর্মকর্তা ও কর্মী অভিযান পরিচালনায় অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড.
আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া। আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় সচিবালয়ে মন্ত্রীপরিষদ
বিভাগে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানান। এ সময়ে উভয়ের মধ্যে ভ্রাতৃপ্রতিম
দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং আসন্ন হজ নিয়ে আলোচনা হয়।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন
কবির।
এর
আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ে অফিস করতে আসেন। এ সময়
মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
মন্তব্য করুন


আসন্ন রমজানকে
সামনে রেখে ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের দ্রুত বুকিং দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন ভ্রমণসেবা সংশ্লিষ্টরা।
দেরি করলে ওমরাহ প্যাকেজের খরচ দুই থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠানগুলো।
আজ রোববার এক
প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদেন
বলা হয়েছে, রমজান মাসে মক্কা ও মদিনায় লাখ লাখ মুসল্লির আগমনের কারণে পরিবহন ও আবাসন
ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।
ওমরাহ অপারেটরদের
তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাসে ওমরাহ প্যাকেজের খরচ প্রায় এক হাজার ২০০ দিরহাম হলেও আগামী
কয়েক দিনের মধ্যেই তা বেড়ে ১ হাজার ৪০০ দিরহামে পৌঁছাতে পারে। রমজান যত ঘনিয়ে আসবে,
এই ব্যয় দুই হাজার দিরহামেরও বেশি হয়ে যাবে।
সংশ্লিষ্টরা
জানান, অনেকেই শেষ মুহূর্তে সস্তা প্যাকেজের আশায় বুকিং পিছিয়ে দেন, কিন্তু রমজানের
মতো ব্যস্ত সময়ে আসন ও হোটেল সীমিত হয়ে পড়ায় উল্টো বেশি দাম গুনতে হয়।
আকাশপথে ওমরাহর
ক্ষেত্রে খরচ আরও বেশি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বিমানযাত্রাসহ ওমরাহ প্যাকেজ শুরু
হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ দিরহাম থেকে। তবে রমজান শুরু হলে এই প্যাকেজের দাম ৫ হাজার
২০০ দিরহাম ছাড়িয়ে ৮ হাজার দিরহাম পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বিশেষ করে রমজানের শেষ দশকে
খরচ সবচেয়ে বেশি হবে বলে জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ট্যুর অপারেটররা।
বিশ্লেষণে দেখা
গেছে, উড়োজাহাজের টিকিটের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও হোটেল ভাড়াই ব্যয় বৃদ্ধির
প্রধান কারণ। মসজিদুল হারাম থেকে হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত হোটেলগুলোর ভাড়া রমজানে দ্বিগুণ
এবং শেষ দশ দিনে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়।
এছাড়া, হজের
প্রস্তুতির কারণে ওমরাহ ভিসার সময়সীমাও গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ১৭ মার্চের পর ওমরাহ ভিসা
আবেদন বন্ধ হবে এবং ২ এপ্রিলের মধ্যে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে হবে। ১৮ এপ্রিলের মধ্যে
দেশ ছাড়ার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।
তাই খরচ ও সময়-দুটো বিষয় মাথায় রেখে আগেভাগে পরিকল্পনার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন


দেশের গণমাধ্যম এখন নজিরবিহীন স্বাধীনতা
ভোগ করছে বলে মন্তব্য করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন,
তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল তথ্যের বন্যা বয়ে গেছে।
আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) অর্থনীতি পুনর্গঠন,
সম্পদপাচার, ভুল তথ্য মোকাবেলা এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নে বাংলাদেশের
প্রচেষ্টা নিয়ে ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের নেতারা সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধান উপদেষ্টা
এসব কথা বলেন।
ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান
অ্যালেক্স সোরোস এবং সভাপতি বিনাইফার নওরোজির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে।
বৈঠকে অ্যালেক্স সোরোস ইতিহাসের একটি
গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া এবং দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিক করা ও অর্থনীতি
পুনর্গঠনে প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় ড. ইউনূসের প্রশংসা করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থান দেশের জন্য একটি নতুন গতিপথ নির্ধারণের জন্য
বিরাট সুযোগ এনে দিয়েছে। তারা জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান, ভিকটিমদের জন্য অন্তর্বর্তী
ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক সংস্কার, গণমাধ্যম, চুরি যাওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার, নতুন সাইবার
নিরাপত্তা আইন, কিভাবে তাদের উন্নতি করা যায় এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করেন।
অ্যালেক্স সোরোস বলেন, আমরা এসব ক্ষেত্রে
আপনার প্রচেষ্টা সমর্থন করার উপায় খুঁজব।
প্রধান উপদেষ্টা ওপেন ফাউন্ডেশনকে তাদের
সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।
তিনি নজিরবিহীন ছাত্র-নেতৃত্বাধীন অভ্যুত্থানের
খবর ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ডাভোস সফরে গিয়ে
আমি যা প্রত্যক্ষ করেছি তা হলো, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে অনেকেই জানে না।
অনেক অপপ্রচার হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা শেখ হাসিনার ১৬ বছরের
শাসনামলে পাচার হওয়া প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করার জন্য ফাউন্ডেশনের
প্রতি আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বলেন,
অন্তর্বর্তী সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে একটি ‘বিধ্বস্ত ও যুদ্ধবিধ্বস্ত’ অর্থনীতি পেয়েছে
এবং তিনি পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় ফাউন্ডেশনের সমর্থন কামনা করেন।
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনে
সাহায্য করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে ফাউন্ডেশন। এই পদক্ষেপকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূস স্বাগত জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনের
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা দেবে সরকার।
তবে
এই সম্মানী কত টাকা তা এখনো নির্ধারণ করেনি সরকার। ঈদের আগেই কয়েকটি এলাকায় এই কার্যক্রম
শুরু করবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আজ
শনিবার ( ২১ ফেব্রুয়ারি ) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গেটে প্রধানমন্ত্রীর
উপদেষ্টা মাহদী আমিন এসব কথা জানান।
মাহদী
আমিন জানান, নির্বাচনের আগে বিএনপির অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন,
খতিবসহ বিভিন্ন ধর্মগুরুকে সম্মানী ভাতা প্রদান করা। ক্ষমতায় এসে সেই ধারাবাহিকতায়
বিএনপি সরকার ঈদুল ফিতরের আগেই প্রাথমিকভাবে এই কার্যক্রম শুরু করবে। পর্যায়ক্রমে সারা
দেশে তা চালু হবে।
কত
টাকা সম্মানী ভাতা দেওয়া হবে চাইলে মাহদী আমিন বলেন, আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে তা চূড়ান্ত
করা হবে। এ সময় স্থানীয় সরকার ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
এর
আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ বলেন, আজ ছিল প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের তৃতীয় কর্মদিবস। নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বেশ কিছু দিকনির্দেশনা
দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
আবু
আবদুল্লাহ এম ছালেহ আরো বলেন, আজ তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রথমবারের মতো অফিস করেছেন তারেক
রহমান।
মন্তব্য করুন