

কুড়িগ্রামে বিশ্ব ইজতেমার উদ্দেশ্যে মুসল্লিদের নিয়ে ছেড়ে যাওয়া একটি রিজার্ভ বাসে মুসল্লি সেজে মাদক পাচারের সময় গাঁজাসহ আঙুর হোসেন নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগেশ্বরী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুপ কুমার সরকার।
এর আগে গতকাল (বুধবার) রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, নাগেশ্বরী থানা পুলিশের একটি টিম গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে নাগেশ্বরী বাসস্ট্যান্ড থেকে ছন্মবেশে বিশ্ব ইসতেমার রির্জাভ বাসে মুসল্লি সেজে মাদক পরিবহন করে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় ওই বাসের মুসল্লিদের সহায়তায় নাগেশ্বরীর আঙ্করনগর (নতুন বাজার) গ্রামের মাদক কারবারি মোঃ আঙ্গুল হোসেন (৩০) কে সাড়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


সোমবার (৮ এপ্রিল) সকালে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানি গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক কুদরত ই খুদা মিলন নিশ্চিত করে বলেছেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে টানা ৬ দিন বন্ধ থাকছে দেশের উত্তরের একমাত্র চার দেশীয় (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান) বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দরের সব কার্যক্রম। তবে স্বাভাবিক থাকবে বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার।
তিনি জানান, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আগামী মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) থেকে রোববার (১৪ এপ্রিল) পর্যন্ত এই ৬ দিন এ বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া বন্ধ থাকবে বন্দরের অভ্যন্তরীণ সব কার্যক্রম। আবার সোমবার (১৫ এপ্রিল) থেকে পুনরায় আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক হবে।
স্থলবন্দর সূত্র জানা যায়, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আগামী ৯ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছয় দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়ীরা।
বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি অমৃত অধিকারী জানান, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও এই চেকপোস্ট দিয়ে উভয় দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে।
মন্তব্য করুন


মোটরসাইকেলে করে অভিনব কায়দায় ফেনসিডিল বহনের সময় ফরিদপুর জেলার মধুখালী এলাকা থেকে ১৫২ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন, র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক (অপারেশন অফিসার) আমিনুল ইসলাম।
গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিরা হলো: মো. জাবেদ আলী (৩৮) ও বাক প্রতিবন্ধী মো. ইকবাল হোসেন (২৫)।
র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, সোমবার (২৯ জানুয়ারি) ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানাধীন সেনখালী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে আনুমানিক ৪ লাখ ৫৬ হাজার টাকা মূল্যমানের ১৫২ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ১টি মোটরসাইকেল, ১টি ব্যাগ ও ৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক কারবারি। তারা বেশ কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ফেনসিডিলসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে রাজধানী ঢাকা ও ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলেন।
তিনি আরও জানানম গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহতের ২৬ ঘণ্টা পর বাংলাদেশি যুবক কামাল হোসেনের (৩৩) মরদেহ তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
ভারতের এনসি নগর কোম্পানি কমান্ডার সুনীল কুমার বিজিবি-পুলিশের কাছে এ মরদেহ হস্তান্তর করে।
নিহত যুবক কামাল হোসেন (৩৩) সোমবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পাহাড়পুর সীমান্তে গেলে ভারতীয় বিএসএফ তাকে গুলি করে। কামাল ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করে।
নিহত কামাল হোসেন সদর দক্ষিণ উপজেলার জোলাই কুড়িয়াপাড়া গ্রামের ইদু মিয়ার ছেলে।
নিহত কামাল হোসেনের বড় ভাই হিরন মিয়া মরদেহ দেখে জানান, ‘আমার ভাই ঘুমে ছিল। লাদেন কামাল বাড়ির ভিতর আইসা ২ বার ডাকি নিয়ে গেছে। ৮ টার দিকে শুনছি, আমার ভাইরে বিএসএফ গুলি করে মারছে। সোমবার সন্ধ্যার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা পরে বিএসএফ ভারতীয় একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে কামালের মরদেহ নিয়ে যায়। যশপুর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডারের সঙ্গে মরদেহ আনার বিষয়ে যোগাযোগ করলে তারা এখন আমাদের নিকট মরদেহ বুঝিয়ে দেয়।
নিহতের ফুফাতো বোন খোরশেদা জানান, আমার ভাইকে যারা সীমান্তে নিছে তাদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা হোক।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই দিলীপ কুমার মজুমদার বলেন, মরদেহ আমরা গ্রহণ করে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছি। তারা বলছিল দ্রুত সময়ে মরদেহ দাফন করে ফেলবে।
কুমিল্লার ১০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত সিইউ মেজর আরাফাত বলেন, পুলিশ মরদেহ গ্রহণ করে। বিএসএফ এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে। পরবর্তীকালে এমন ঘটনা ঘটবে না। যদি করে আমরা বিজিবিও সমুচিত জাবাব দিতে প্রস্তুত। গুলিতেই সে নিহত হন। তারা হত্যা না করে আমাদের নিকট তাকে ধরিয়ে দিতে পারতো। এ হত্যাটি কোনভাবেই কাম্য নয়।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু, চৌদ্দগ্রাম:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুল ইসলাম এর নির্দেশনায় ১৪ জুলাই রাত ২ টার সময় চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এস আই সুজন কুমার চক্রবর্তী সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানার চিওড়া ইউনিয়নের ঘোষতল রাস্তার উপর থেকে ০১টি সিএনজি গাড়ী তল্লাশী করে ১টি স্কুল ব্যাগ ও ১টি প্লাষ্টিকের বস্তার ভিতরে থেকে মোট ২৫ কেজি গাঁজা ও ০১টি নাম্বার বিহীন সিএনজি অটোরিক্সা উদ্ধার করে।
এ সময় সি এন জি তে থাকা দুইজন আসামী ইউসুফ (৪৫) ও কাজী মোঃ লিটন (৩২)কে মাদকদ্রব্য সহ আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আর একজন আসামী মোঃ ইউনুছ আলী দৌড়ে পালিয়ে যায়।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে চৌদ্দগ্রাম থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলা করা হয়।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ,কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রাম
জেলায় চর রাজিবপুর উপজেলার কাচারিপাড়া এলাকায় চর রাজিবপুর সমাজকল্যাণ সংগঠন(RPSKS)এর
পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধী, অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র(কম্বল)বিতরণ করা হয়েছে।এ
সময়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রাম জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক
মোঃ রোকোনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চর রাজিবপুর উপজেলা সমাজসেবা
কার্যালয়ের সমাজসেবা কর্মকর্তা(অ:দা:) মোঃ মিনহাজ উদ্দিন, চর রাজিবপুর উপজেলার সাবেক
ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজা বেগম। এ সময় আরো উপস্থিত
ছিলেন, চর রাজিবপুর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের ফিল্ড-সুপারভাইজার মোঃ আমিনুল ইসলামসহ
এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
মন্তব্য করুন


মিথ্যা মামলায় কুমিল্লা আদালত থেকে
জামিন পেলেন সিনিয়র সাংবাদিক ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) স্থায়ী সদস্য সাদেকুর
রহমান।
মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র
জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ( আমলী আদালত নং ১১) মুমিুনুল হকের আদালতে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পন করে আগাম জামিন আবেদন
করলে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। এসময় আদালতে বাদী ও বাদী পক্ষের আইনজীবী অনুপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সিনিয়র সাংবাদিক সাদেকুর রহমানের
বিরুদ্ধে কুমিল্লার আদালতে মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে
ডিআরইউ।
আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স
ইউনিটির সভাপতি সভাপতি আবু সালেহ আকন এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এক বিবৃতিতে
সাদেকুর রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে সাংবাদিক সাদেকুর
রহমান জানান, সম্প্রতি জনৈক শাহিনূর বেগম আমার বিরুদ্ধে কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল
ম্যাজিস্ট্রেট ৮নং আমলী আদালতে ২০২৪ সালের ১৪ জানুয়ারি দ.বি. আইনের ৪০৬/৪২০/৫০৬ ধারায়
মামলার অভিযোগ দায়ের করেন। তাকে আমি চিনি না। তার সাথে আমার কখনো দেখা বা কথা হয়নি।
বিজ্ঞ আদালতের আদিষ্ট হয়ে কুমিল্লা ডিবি পুলিশ কথিত তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১ জুলাই
আমার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করে। অথচ তদন্ত কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, বিপি-৮৮১৪১৬৭৬৫৮,
সাব-ইনস্পেক্টর (নিরস্ত্র), জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লা, আমার সাথে কথা বলেন নি বা
কোনো প্রকার যোগাযোগ করেন নি। মামলার আর্জি ও আদালতে দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদনের ভাষা
প্রায় একই রকম, যেন অভিযোগকারী ও তদন্ত কর্মকর্তা একই ব্যক্তি বা গোষ্ঠী। আমি খোঁজ
নিয়ে জানতে পারি বাদী ও সাক্ষীগণ পতিত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। মামলার পুরো
প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে বিগত সরকারের আমলে সম্পাদিত হয়। আমার দাদার বাড়ি
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন হলেও জন্ম, বেড়ে উঠা ও কর্মসূত্রে
নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকায় বসবাস করে আসছি। চাচারা আমাদের জায়গা-সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে। এ
মামলায় তাদের ইন্ধন থাকতে পারে।
ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিক সাদেকুর রহমানকে আদম বেপারী বানিয়ে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত করে এই মামলা থেকে সাদেকুর রহমানকে অব্যাহতি দেয়ার পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলাবাহীনির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
চৌদ্দগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যসহ তিনজনকে গ্রেফতার হয়েছে। আটককৃতদের
থেকে মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার শেষে অপরাধীদের স্থানীয় চৌদ্দগ্রাম থানায় সোপর্দ
করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর
২৩ বীর ক্যাম্প জানায়, ৯ মে ভোর ৪ টায় খাটরা এলাকা থেকে ২ কেজি গাঁজাসহ শাহাবুদ্দিন
বাবু (২৯) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস
মাদক ব্যবসা চাঁদাবাজিসহ বহু অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়ভাবে।
অপর
এক অভিযানে একই দিন ভোরে গুনবতী ইউনিয়নের খাটরায় অভিযান চালিয়ে সুজন মিয়া (২৩) নামের
এক কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তার বাড়ি তল্লাশি করে ১টি চাইনিজ কুড়াল,
১টি সাধারণ কুড়াল এবং ১টি দা উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, এই অস্ত্রগুলো ব্যবহার করে
সে বিভিন্ন গ্যাং-সম্পর্কিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।
তৃতীয়
অভিযানে, খাটরা এলাকা থেকে আরেক কিশোর গ্যাং সদস্য জাহিদ হাসান (২২) কে গ্রেফতার করা
হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তাকে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করতে দেখা যায় এবং
পরে সে গুনবতী ইউনিয়নে গ্যাং কার্যক্রমে জড়িত হয়। সে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী তুয়ানের
সহযোগী ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে জড়িত বলেও জানা যায়।
চৌদ্দগ্রাম
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান, শুক্রবার সকালে আটককৃত তিনজনকে
থানায় সোপর্দ করেছে সেনাবাহিনী। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা শেষে আদালতের মাধ্যমে
জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে এক ভারতীয় তরুণকে আটক করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। এ সময় তার কাছ থেকে ১০০ বোতল ফেনসিডিল ও একটি মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি অবৈধভাবে বাংলাদেশে মাদকসহ প্রবেশ করেছিলেন।
আজ মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে ১০ বিজিবি, কুমিল্লার অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ইফতেখার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক ভারতীয় তরুণের নাম মেহেদী হাসান (১৮)। তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সিপাহিজলা জেলার সোনামুড়া থানার এনসি নগর গ্রামের মো. স্বপন মিয়ার ছেলে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ইফতেখার হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকালে কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের (১০ বিজিবি) অধীন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার গোলাবাড়ি পোস্টের টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিজিবির টহলদল সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কেরানীনগর নামক স্থান হতে ওই ভারতীয় নাগরিককে আটক করে। মাদকসহ অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনায় ওই তরুণের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় নিষিদ্ধ নেশার বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ আব্দুর রশিদ (৪৫) এবং আজিজুল ইসলাম (৪৪) নামে দুই মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।
বুধবার জেলার দামুড়হুদা উপজেলার পাটাচোরা মাঠ এলাকা থেকে এবং চুয়াডাঙ্গা শহরের স্টেশন এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আব্দুর রশিদ দামুড়হুদা উপজেলার কোমরপুর গ্রামের মাঝেরপাড়ার আব্দুস সাত্তারের ছেলে এবং আজিজুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের মৃত কাশেম মন্ডলের ছেলে আব্দুর রশিদের কাছ থেকে ৩শ অ্যাম্পুল এবং আজিজুল ইসলামের কাছ থেকে ১’শ এ্যাম্পুল ভারতীয় বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।
অপর একটি অভিযানে চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান চালিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের আজিজুল ইসলামের নিকট থেকে ১’শ পিচ বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। আজিজুলের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত হিলি সীমান্ত থেকে মাদক নিয়ে আনার অভিযোগ রয়েছে।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিদর্শক নাজমুল হোসেন খানের নেতৃত্বে উপ পরিদর্শক সাহারা ইয়াসমিন ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদরে ভিত্তিতে দামুড়হুদা উপজেলার নাপিতখালি সড়কের পাটাচোরা মাঠে অভিযান চালায়। এ সময় ব্যাটারিচালিত চলন্ত একটি ইজিবাইকের গতিরোধ করে আব্দুর রশিদকে গ্রেফতার করেশ। গ্রেফতার আব্দুর রশিদের কাছে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে ৩শ’ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয় ও চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনা গামী রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান চালিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের মৃত কাশিম মন্ডলের ছেলে আজিজুল ইসলামের নিকট থেকে ১’শ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিদর্শক নাজমুল হোসেন খান বলেন, আব্দুর রশিদ একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। বেশ কিছুদিন ধরে আমরা ছদ্ববেশে ক্রেতা সেজে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে আসছিলাম। বুধবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে অভিযান চালিয়ে ৩শ’ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি আরও বলেন, আব্দুর রশিদসহ আরও বেশ কিছু ব্যক্তি মাদক কারবারির সাথে জড়িত আছে।
চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপ পরিদর্শক সাহারা ইয়াসমিন বাদি হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলাসহ গ্রেফতার আব্দুর রশিদকে দামুড়হুদা মডেল থানায় ও আজিজুল ইসলামকে চুয়াডাঙ্গা সদর থািনায় নিয়মিত মামলা দিয়ে সোপর্দ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় ভাড়া বাসা থেকে মা এবং মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুড়ি এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ধারণা করছে, শ্বাসরোধ করে তাদের হত্যা করা হয়েছে।
নিহতরা হলেন, কুমিল্লা নগরীর সুজানগর এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী তাহমিনা বেগম (৪৫) এবং তার মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (২৩)।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাইফুল মালিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নিহতরা নগরীর সুজানগর এলাকার হলেও গত ৫-৬ বছর ধরে কালিয়াজুড়ি এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছেন। নিহত তাহমিনার দুই ছেলে এক মেয়ে। তাদের মধ্যে বড় ছেলে কুমিল্লা ইপিজেডে চাকরি করেন, ছোট ছেলে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। তাহমিনার মেয়ে সুমাইয়া আক্তার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন।
সোমবার গভীর রাতে ছেলেদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ভাড়া ওই বাসায় গিয়ে দেখে দুই কক্ষের বিছানার ওপর দুজনের মরদেহ পড়ে আছে। পরে পুলিশ সেগুলোর সুরতহাল তৈরি করে মরদেহগুলো উদ্ধার করে নিয়ে আসে।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক বলেন, ঘটনার খবর পাই আমরা রাত আড়াইটার দিকে। পরে সেখানে যাই। খাটের নীচে বালিশ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ করে তাদের হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর রহস্য পুরোপুরি জানা যাবে। এ ঘটনায় পুলিশি তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন