

২২ তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার ঢাকার শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানটি করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জনাব সরদার এ রাজ্জাকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রফেসর ডাঃ সরদার এ নাঈম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সুইড বাংলাদেশ এর মহাসচিব মাহবুবুল মনির। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির সেক্রেটারী জেনারেল বৈশাখী সমাদ্দার বানী।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ইন্টারন্যাশনাল ডিজ্যাবিলিটি অ্যালায়েন্স (IDA) এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি জনাব অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম সিদ্দিকী, জাতীয় তৃণমূল প্রতিবন্ধী সংস্থার প্রোগ্রাম ম্যানেজার বশির আল হোসাইন এনডিডি ট্রাস্টের ট্রেনিং কনসালট্যান্ট ডঃ মারুফ আহমেদ মৃদুল,ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের পরিচালক শাহানাজ পারভীন চৌধুরী প্রমুখ।
ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার আহমাদ ইবনে সালেহ এর সঞ্চালনায় এতে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক উত্তম হাওলাদার। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন মঙ্গোলিয়ান অভিনেতা কর্তৃক অভিনীত আন্তর্জাতিক পুরস্কার চলচ্চিত্র The TRIO Movie এই অনুষ্ঠানে প্রদর্শন করা হয়। এশিয়া প্যাসিফিক ডাউন সিনড্রোম ফেডারেশনের অন্যতম সদস্য দেশ মঙ্গোলিয়ার ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অভিনেতার অভিনীত এই চলচ্চিত্রটি বিশ্বের বেশ কয়েকটি পুরস্কার লাভ করেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করেন এবং প্রদর্শিত চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সুইড বাংলাদেশ এর মহাসচিব মাহবুবুল মনির বলেন ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি বাংলাদেশে সকল উদ্যোগে সাইটসেভার্স পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে। ২২ তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র অভিনেতা কর্তৃক অভিনীত সেরা চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জনাব সরদার এ রাজ্জাক ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের আমন্ত্রণে সাড়া দেয়ায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল অতিথিবৃন্দকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ এদেশে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর বৃহত্তর কল্যাণে সমতার বাংলাদেশ গড়তে তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অভিনেতার অভিনীত এই চলচ্চিত্রটি জনসচেতনতা সৃষ্টিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে চমৎকার নৃত্যশৈলী প্রদর্শন করে ডাউন সিনড্রোম ড্যান্স সেলিব্রিটি দল।
মন্তব্য করুন


আসন্ন কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে পশু
বিক্রির হাটগুলো জমজমাট হয়ে উঠেছে। পশুর হাটে প্রায়ই দেখা যায় পশুদের নাম রাখা হয় বিশ্বের
বিভিন্ন তারকাদের নামে। তবে এই তালিকায় রাজত্ব করছে অভিনেতা জায়েদ খান। প্রায়ই দেখা
যাচ্ছে গরুর নাম রাখা হয় জায়েদের নামে। এই বিষয় নিয়ে জায়েদ খান নিজেই মুখ খুললেন।
সংবাদমাধ্যমে জায়েদ খান বলেন, আমার
নাম যখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে আর সে নামকে কাজে লাগিয়ে যদি কেউ জীবনে ভালো কিছু করতে চায়,
দুটো টাকা ইনকাম হয়, লাভবান হয়, করুক না। আমার এতে কোনো সমস্যা নেই। কোরবানির হাটে
প্রিয় জিনিসটাকে বিক্রি করছে আমার নাম দিয়ে, করুক। একজন শিল্পীর ক্ষেত্রে এটা হয়, ব্যাপার
না। এর আগে আরও সেলিব্রেটিদের নামের ক্ষেত্রেও এমন হয়েছে দেখেছি। আমার নাম ব্যবহার
করে, আমার কাঁধের ওপর ভর করে কেউ যদি ভালো কিছু করতে চায় এটাকে আমি নেগেটিভভাবে দেখি
না। কারণ নেগেটিভভাবে দেখলে আমি আমার কাজে মনোযোগ দিতে পারব না। কোরবানির পশুর হাট
নিয়েই আমায় পড়ে থাকতে হবে।
মন্তব্য করুন


সংসদ সদস্য পদ থেকে ‘পদত্যাগ’ করেছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিধানসভায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে এসেছেন তিনি। যদিও মমতা এখনও সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। বিষয়টি জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী নিজেই।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, আজ বিধানসভায় মমতা বক্তব্য দেওয়ার সময় তার কক্ষে ঢোকেন মিমি। কিছুক্ষণ পর ওই কক্ষে ঢোকেন তৃণমূলের দুই তারকা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী এবং জুন মালিয়া। বক্তব্য শেষ হলে নিজের কক্ষে যান মমতা। তারপর তিনি মিমি এবং বাকিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠক থেকে বের হয়ে মিমি বলেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাছে এমপি পদ থেকে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। তবে মমতা এখনো সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলে তিনি ভারতীয় লোকসভার স্পিকারের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র দিয়ে আসবেন।
সম্প্রতি সংসদের দুটি স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছে মিমি। সংসদের শিল্পবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। ছিলেন কেন্দ্রীয় শক্তি মন্ত্রণালয় এবং নবীন ও পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের যৌথ কমিটির সদস্যও। এই দুটি পদ থেকেই তিনি পদত্যাগ করেন।
এরপর জানা যায়, যাদবপুর লোকসভার অধীন নলমুড়ি এবং জিরানগাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারপারসন পদও ছেড়ে দিয়েছেন মিমি। তারপর থেকেই তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঘিরে জল্পনা শুরু হয়।
প্রশ্ন উঠেছে, ২০২৪ সালে যাদবপুর থেকে আবারও কি প্রার্থী হবেন মিমি? নিজের ধারাবাহিক পদত্যাগ প্রসঙ্গে অবশ্য এর আগে তিনি মুখ খোলেননি। আজ জানিয়ে দিলেন, আর এমপি থাকতে চান না তিনি। মিমি বলেন, আমার যা বলার ছিল, দিদিকে (মমতা) বলেছি। অনেকে বলছিলেন, আমি পরবর্তী টিকিট পাকা করার জন্য এটা করছি। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি আমার জন্য নয়।
এর ব্যাখ্যা দিয়ে অভিনেত্রী বলেন, রাজনীতি করলে আমার মতো মানুষকে গালাগালি দেওয়ার লাইসেন্স পেয়ে যায় লোকে। মিমি চক্রবর্তী যদি খারাপ কিছু করত, সবার আগে শিরোনামে উঠে আসত। আমি জেনে জীবনে কারও কোনো ক্ষতি করিনি। আমি রাজনীতিক নই। কখনো রাজনীতিক হবো না। সবসময় আমি মানুষের জন্য কর্মী হিসাবে কাজ করতে চেয়েছি। আমি অন্য দলের কারও বিরুদ্ধেও কখনো খারাপ কথা বলিনি।
মন্তব্য করুন


বিয়ে
করেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফসান সাবাব এবং আলোচিত সংগীতশিল্পী জেফার
রহমান। দীর্ঘদিনের ‘ওপেন সিক্রেট’ প্রেমের সম্পর্ক এবার আনুষ্ঠানিকভাবে
পরিণয়ে রূপ নিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের খবরটি নিজেই নিশ্চিত করেছেন রাফসান সাবাব।
বিয়ের
একটি বিশেষ মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে রাফসান সাবাব লেখেন, “পরিবার ও ভালোবাসার মানুষদের
পাশে নিয়ে আমাদের নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি। আপনাদের দোয়া ও আশীর্বাদ আমাদের কাম্য।
আজ আমাদের দুই জীবন এক হলো, শুরু হলো একসাথে পথচলার এক সুন্দর গল্প।”
এই
খবরে অভিনন্দনের জোয়ার বইছে শোবিজ অঙ্গনে। সহকর্মী ও ভক্তদের শুভেচ্ছায় ভরে উঠেছে নবদম্পতির
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের টাইমলাইন। এর মধ্যে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবিরের
আবেগঘন মন্তব্যটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে নেটিজেনদের।
সাফা
কবির লিখেছেন, “দৃশ্যটি কী যে চমৎকার! আমি চোখ ফেরাতে পারছি না। আনন্দে আমার বুক ভরে
উঠছে, চোখ যেন খুশির অশ্রুতে ভরে উঠেছে। এই দুই সুন্দর মানুষ যখন এক হতে যাচ্ছে, সৃষ্টিকর্তার
আশীর্বাদ থাকুক। আল্লাহ আপনাদের জীবন সীমাহীন ভালোবাসা আর নিয়ামতে ভরিয়ে দিন।”
উল্লেখ্য,
রাফসান সাবাব দীর্ঘদিন ধরে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন ইভেন্ট ও শো উপস্থাপনার মাধ্যমে
নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অন্যদিকে, জেফার রহমান তার গায়কী ও ফ্যাশন সেন্স দিয়ে তরুণ
প্রজন্মের মধ্যে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন। দুই ভিন্ন ভুবনের দুই সফল মানুষের এই নতুন
পথচলা বিনোদন জগতে যোগ করলো নতুন এক মাত্রা।
মন্তব্য করুন


প্রায় দেড়শ
বছরের ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী সৌদি আরবের সবচেয়ে প্রবীণ নাগরিক শেখ নাসের বিন রাদ্দান
আল রশিদ আল ওয়াদাইয়ের ইন্তেকাল করেছেন।
পরিবারের দাবি
অনুযায়ী, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১৪২ বছর। গত ১১ জানুয়ারি সৌদি আরবের দাহরান
আল এলাকায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
পরিবারের তথ্যমতে,
আধুনিক সৌদি আরব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠারও বহু আগে ঊনবিংশ শতকে আল রশিদের জন্ম
হয়েছিল। তিনি প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, মরুপ্রধান সমাজ থেকে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক
সৌদি আরবের রূপান্তর এবং একাধিক সৌদি শাসকের শাসনকাল প্রত্যক্ষ করেছেন।
পরিচিতজনদের
ভাষ্যে, তাঁর দীর্ঘ জীবনের মূল ভিত্তি ছিল দৃঢ় ধর্মবিশ্বাস ও পরিবার। জীবদ্দশায় তিনি
৪০ বারেরও বেশি পবিত্র হজ পালন করেন। মৃত্যুকালে তিনি ১৩৪ জন সন্তান, নাতি-নাতনি ও
তাঁদের বংশধর রেখে গেছেন। তিনি সাত বিয়ে করেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, ১১০ বছর বয়সে তিনি
শেষবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং পরবর্তী সময়ে তাঁর একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।
মন্তব্য করুন


গতকাল
(৩ ডিসেম্বর) বিয়ে করলেন অভিনেতা আমির খানের মেয়ে ইরা খান ও তার জিম ট্রেনার প্রেমিক
নূপুর শিখরে। মুম্বাইয়েই বসেছিল তাদের বিয়ের আসর।
আমিরের
প্রথম স্ত্রী রিনার বাড়িতেই পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে ৪ হাত এক হলো। ইরা
বিয়েতে সাবেকি সাজই বেছে নিয়েছিলেন।
যদিও
আর ৫জন কনের মতো লেহেঙ্গা বা শাড়ি পরেননি আমিরকন্যা। ইরার পরনে ছিল নীল ও গোলাপির
কম্বিনেশনে তৈরি ডিজাইনার পোশাক।
তবে
ইরার স্বামী নূপুর শিখরের সাজে ছিল অন্য চমক। শেরওয়ানি, পঞ্জাবি নয় কালো রঙের গেঞ্জি
ও সাদা হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের মঞ্চে এসে উঠলেন জামাই!
ইরা
ও নূপুরের বিয়ের ছবি ও ভিডিয়ো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতেই নূপুরের সাজপোশাক
নিয়ে শুরু হয়ে গেছে আলোচনা। নূপুরের এই সাজ দেখে অবাক সবাই। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে
পারে, কেন কালো টি-শার্ট আর হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের আসরে এসেছিলেন বর। আসলে প্রায় ৮ কিলোমিটার
দৌড়ে ইরাকে বিয়ে করতে আসেন নুপূর। রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়েছে তাদের। আর স্বাক্ষর করার
সময় স্যান্ডো গেঞ্জিই পরে ছিলেন নুপূর।
আপাতত
রেজিস্ট্রি করেই বিয়ে করেছেন এই জুটি। আগামী ৮ জানুয়ারি উদয়পুরে হবে জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠান।
মন্তব্য করুন


নাটকের শুটিংয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুরের একটি রিসোর্টে একটি মডেলকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর গাজীপুর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পরিচালক নাসিরউদ্দীন মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) রাজধানীর উত্তরার বটতলা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়, নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর জেলা ডিবির পরিদর্শক হাসমত উল্লাহ।
তিনি জানান, “মামলার প্রধান আসামি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। আজ তার গ্রেপ্তারের মাধ্যমে আশা করা যায়, অন্যান্য জড়িতদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।”
ভুক্তভোগী মডেল জানান, “সব আসামিকে গ্রেপ্তার করলে আরও ভালো লাগত। আমি এখনো হুমকির মুখে আছি। আশা করি ন্যায়বিচার হবে।”
ঘটনার পেছনের ইতিহাস অনুযায়ী, গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে মডেল শ্রীপুরের তেলিহাটি ইউনিয়নের উত্তর পেলাইদ গ্রামের একটি রিসোর্টে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই রাতেই তিনজন—নাসিরউদ্দীন মাসুদ, তাঁর সহযোগী বাবর এবং একজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি—তার উপর যৌন নির্যাতন চালান। পরের দিন বিকেলে মডেলকে রিসোর্ট থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং তার আইফোন, যার মূল্য ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা, কেড়ে নেওয়া হয়।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগী মডেল নাটক সংক্রান্ত কাজের প্রস্তাব পাওয়ার কারণে ওই স্থানে গিয়েছিলেন। পরে জানা যায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামির নাম আবুল হাসেন। মামলায় নাসির (৩৫) ও বাবর (৩২) নামে দুই আসামির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পর্দার
নায়িকারা সাধারণত নিজেদের গ্ল্যামারাস লুক উপস্থাপন করতেই পছন্দ করেন। তবে চরিত্রের
প্রয়োজনে সেই গ্ল্যামার ঝেড়ে ফেলে যখন তারা রাস্তায় নামেন ‘পাগল’
বা মানসিক ভারসাম্যহীন রূপে, তখন ভক্তদের চমকে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। ছোট পর্দার দুই
জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি এবং কেয়া পায়েল— দুজনই সম্প্রতি নিজেদের ভেঙেচুরে এমন
এক লুকে হাজির করেছেন, যা নিয়ে নেটপাড়ায় এখন তুমুল চর্চা। প্রশ্ন উঠেছে, পাগল সাজে
অভিনয়ে কে কাকে টেক্কা দিলেন?
আলোচনার
কেন্দ্রবিন্দুতে এখন কেয়া পায়েল। সদ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে
তাকে দেখা গেছে উষ্কখুষ্ক চুল, গায়ে ময়লা পোশাক আর মুখভর্তি কালচে দাগ। অভিনেতা জোভান
তার পেজে ভিডিওটি শেয়ার করতেই নেটিজেনরা বিভ্রান্ত— ইনি কি আসলেই সেই গ্ল্যামারাস পায়েল?
ভিডিওতে
দেখা যায়, পায়েল জোভানকে শাসিয়ে বলছেন, “এককেরে খাইয়ালামু কিন্তু!” জোভানও মজা করে
ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ছেমড়ি পাগল নাকি? আমারে কয় খাইয়া লাইবো!’ জানা গেছে, এটি একটি নাটকের
শুটিংয়ের দৃশ্য। ভক্তরা অবশ্য এই লুকে পায়েলের সাহসিকতার প্রশংসা করতে ভুলেননি। কেউ
লিখেছেন, ‘বাপরে বাপ, কী মারাত্মক অভিনয়!’, আবার কারও মতে, ‘একদম পারফেক্ট মেকআপ।’
অন্যদিকে,
এই ‘পাগল’ সাজের দৌড়ে পিছিয়ে নেই ‘সিলেটি ফুরি’
খ্যাত সামিরা খান মাহিও। কিছুদিন আগেই ‘বকুল ফুল’ নাটকের শুটিংয়ের ছবি প্রকাশ করে তিনি
হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। জট ধরা চুল, হাতে খাবারের থালা আর শূন্য দৃষ্টি—মাহির
এই লুক দেখে তখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল। ভক্তরা লিখেছিলেন, ‘ওরে আল্লাহ একদমই
চেনা যাচ্ছে না, অসাধারণ হবে অভিনয়।’ আবার মুদ্রার উল্টো পিঠও দেখেছেন তিনি।
ট্রল করে কেউ কেউ বলেছিলেন, ‘আপনার আগের চেহারাটা এরকমই ছিল’
বা ‘এরে এমনেই ভালো মানায়।’ তবে মাহি সেসব নেতিবাচক মন্তব্য গায়ে
না মেখে নিজের কাজের মানের দিকেই নজর দিয়েছেন বেশি।
দুই
অভিনেত্রীর এই ‘ট্রান্সফর্মেশন’ বা ভোল পাল্টে ফেলা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে
চলছে অঘোষিত প্রতিযোগিতা। একদিকে মাহির ‘বকুল ফুল’-এর বাস্তবতা, অন্যদিকে পায়েলের ‘খাইয়ালামু’র
তেজ। গ্ল্যামার জগতের বাইরে এসে অভিনয়ের এই দৌড়ে কে এগিয়ে—
মাহি নাকি পায়েল? উত্তরটা নাহয় দর্শকদের হাতেই তোলা থাকল। তবে এটা নিশ্চিত, চরিত্রের
প্রয়োজনে নায়িকাদের এই সাহসিকতা বাংলা নাটকের দর্শকদের জন্য নতুন এক চমক।
মন্তব্য করুন


মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে হলুদের বিশাল সমারোহ। চারদিকে বিরাজ করছে শীত। কুয়াশা ও ঝলমলে রোদের খেলা এখন দিগন্ত বিস্তৃত হলদে বরণ সরিষার ফুলে ফুলে। সরিষা ক্ষেতের মাঝে দাঁড়িয়ে আবার অনেকেই ছবি তুলেন। সেই সব ছবি বেশ কিছু দিন ধরেই অনেকেই সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমণি। ছবির লোকেশন ট্যাগ দেখে জানা যায় বরিশালের কোন একটি স্থানে ছবিগুলো তুলেছেন পরীমনি। আর সঙ্গে রয়েছেন আরও কয়েকজন বোন।
পরীমণি
ছবিগুলো শেয়ার করে বোনদের উদ্দেশে ক্যাপশনের শুরুতেই লেখেন, তোরা যখন আমার বয়সের হবি
তখন আমার মতো করে তোদের ছোটদের সঙ্গেও এমন সুন্দর কিছু মেমোরি জীবনে বাঁধাই করে রাখিস।
এসব পাগলামি জীবনকে আনন্দে বাঁচায়। ছবিগুলোর পেছনের গল্পও যুক্ত করেছেন এই পোস্টে।
পরীমণি আরও লেখেন, ছবিগুলোর পেছনের গল্পটা অনেক অ্যাডভেঞ্চারাস ছিল। গাড়িতে বাবুকে
(পরীর পুত্র রাজ্য) ঘুমে রেখে একটা আননোন মার্কেটে নাক, মুখ চাদরে ঢেকে নেমে পরলাম
শাড়ি খুঁজতে। পাই না, পাই না, পাই তো পছন্দ মতো হয় না, যাই হোক হলো। হতেই হতো আর কি!
এবার পালা শাড়ির ব্লাউজ! ওহ সেকি কাণ্ড! সেটাও ম্যানেজ করে ফেললাম শেষ মেষ। ওদিকে
রোদ চলে যায় যায়। দুপুরের খাওয়া হয়নি তখনও। পেটে খিদে নিয়ে কি আর এমন সুন্দর মাঠে নেমে
হিহি করা যায়। উড়ে এসে ঘরে ঢুকেই পেট ভরে হাঁসের মাংস দিয়ে ভাত খেলাম। তখন সূর্য গাছের
নিচে! এর মধ্যে আমরা রেডি হয়ে মাঠে হিহি-হাহা করতে করতে এতো সুন্দর কিছু মুহুর্ত ধরে
রাখতে পারলাম।
মন্তব্য করুন


রায়হান রাফির সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের সুপারস্টার শাকিব খান।
সুপারস্টার শাকিব খান কে নিয়ে ‘তুফান’ নামে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন রায়হান রাফি।
এবার সিনেমায় ‘গডফাদার’-এর চরিত্রে অভিনয় করবেন শাকিব। ইতোমধ্যে সিনেমাটির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ শুরু হয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি বছর কুরবানির ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। ভারতের হায়দরাবাদে রামুজি ফিল্ম সিটিতে চলছে ‘তুফান’-এর সেট নির্মাণের কাজ।
সম্প্রতি এসকে ফিল্মসের ইউটিউবে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে নির্মাতা রায়হান রাফি ‘তুফান’ সিনেমার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছেন।
রায়হান রাফি জানান, শাকিব খান চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করেন। আমি অনেক দিন থেকে এই সিনেমার প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রায় ৪ মাস থেকে প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে।
আর এদিকে সিনেমাটির শুটিং সেটের কিছু ডামি ছবি প্রকাশ পেয়েছে, নব্বই দশকের বাড়িঘর, গাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনায় সাজানো হয়েছে সেট। তা দেখে রীতিমতো মুগ্ধ হয়েছেন সিনেমাপ্রেমীরা।
মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপনের মডেল হয়ে দারুণ সাড়া পান প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। সেই ছোট্ট দিঘী এখন পুরোদস্তুর নায়িকা। নায়িকা হিসেবে অভিষেক হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৪টি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে দিঘীর। তবে আশানুরূপ আলোচনা বা ব্যবসা কোনোটাই এ নায়িকার কপালে জোটেনি। তবে বর্তমান সময়ে
দিঘী কী করছেন? ব্যস্ততা নিয়ে এ অভিনেত্রী
দিঘী বলেন, সত্যি কথা বলতে, বর্তমানে হাতে তেমন কোনো কাজ নেই। অনেকটাই ফ্রি সময় কাটাচ্ছি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেক সময় পার করছি। বলা
যায় এক ধরনের অলস সময় পার করছি। ছোটবেলা থেকেই শুটিং করে আসছি। এখন লাইট ক্যামেরা অ্যাকশন ছাড়া কীভাবে সময় কাটবে- বুঝতে পারছি না। এ ছাড়া চলতি মাসে আরও কিছু কাজ করার কথা রয়েছে। অনেকগুলো স্টেজ শোতে অংশ নেওয়ারও কথা। সেগুলোও একের পর এক বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া অচিরেই নতুন একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেলিং করার কথা। যদি এটাও পিছিয়ে যায় হরতাল-অবরোধের কারণে- তাহলে বলেন কী করব! সবাই এখন সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।
মন্তব্য করুন