

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সার। তিনি আজ কুমিল্লা জেলার মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, জেলার রাস্তা, ড্রেন, জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসনে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। তিনি জেলার নির্মাণাধীন রাস্তা ও ড্রেনের গুণগত মান বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকির নির্দেশ দেন।
জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সার সরকারি অফিস ও স্থাপনাসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সারাদেশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। বিষয়গুলো নিছকই দুর্ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। পরিকল্পিতভাবে সরকারি স্থাপনাকে টার্গেট করে এসব করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও নথি সংরক্ষণে দ্রুত ব্যবস্থা নিন। এগুলো সবই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মনে করছি। এ অবস্থায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতনতা জরুরি।’
সভায় জুলাই শহীদদের কবর পাকাকরণের দায়িত্বে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়। গৃহহীন জুলাই শহীদ ও আহতদের ঘর নির্মাণ করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে জানানো হয় মুরাদনগর উপজেলায় আহত গৃহহীন জুলাই যোদ্ধাদের জন্য ঘর তৈরি করা হয়েছে।
সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর বশির বলেন, সারা দেশে টাইফয়েডের টিকাদান কর্মসূচি চলমান। কুমিল্লায় টাইফয়েড টিকার টার্গেট ১৫ লাখ ৮৬ হাজার। ইতোমধ্যে আমরা ৪ লাখের মতো টিকা দিতে সক্ষম হয়েছি। যা লক্ষ্যমাত্রার ৩২ শতাংশ। আশা করছি নির্দিষ্ট সময়ে রেজিস্ট্রেশনের শতভাগ টিকাদান সম্পন্ন করা হবে। তিনি জানান, জানুয়ারি থেকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে। জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত কুমিল্লা জেলায় ১৯৪৭ জন আক্রান্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৮৯৬ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মিজানুর রহমান বলেন, নির্বিকারে কৃষি জমি ধ্বংস করা হচ্ছে। ড্রেজার ও এস্কেভেটর দিয়ে ইটভাটায় কৃষি জমির উপরিভাগের মাটি নিয়ে যাওয়া হয়। কৃষি জমির টপসয়েল রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ টপসয়েল তৈরি হতে ৩০ থেকে ৪০ বছর সময় লেগে যায়। টপসয়েল রক্ষা করতে না পারলে একসময় কৃষি জমি নিচু ও অনুর্বর হয়ে পরবে।
সভায় সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে যথাযথ ভূমিকা পালনের জন্য সকল দপ্তর প্রধানকে আহবান জানানো হয়।
জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুলতানা রাজিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইনউদ্দিন চিশতি, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর রাশেদুল করিম, সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুন, বিভিন্ন দপ্তর প্রধান এবং উপজেলাসমূহের ইউএনওরা উপস্থিত ছিলেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলাম সভা সঞ্চালনা করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
“প্রযুক্তি নির্ভর যুবশক্তি, বহুপাক্ষিক অংশীদারিত্বে অগ্রগতি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে কুমিল্লা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। পরে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আলী রাজিব মাহমুদ মিঠুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী এবং যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কুমিল্লার ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মোঃ শফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক নজরুল ইসলাম সরকার। এছাড়া সহকারী পরিচালক মোঃ শহীদুল্লাহ, এনসিপির প্রধান মুখ্য সমন্বয়কারী মোঃ সিরাজুল হক, যুগ্ম সমন্বয়কারী মোঃ রাশেদুল হাসানসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী, যুব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, উদ্যোক্তা, সংগঠক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে যুব সংগঠনগুলোকে নিবন্ধন সনদ ও যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি সফল যুব সংগঠক ও উদ্যোক্তা আত্মকর্মীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
আসন্ন নির্বাচনে দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) কুমিল্লা জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার (চতুর্থ পর্যায়) সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, কুমিল্লার কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) মোঃ ফারুক হোসেন।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন বলেন, “আজকের এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও দায়িত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করা। নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন, যেখানে পুলিশের ভূমিকা নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের দায়িত্ব হলো ভোটার, প্রার্থী এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখা। এজন্য প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে আইন, আচরণবিধি ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”
পুলিশ সুপার আশা প্রকাশ করেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যরা মাঠ পর্যায়ে আরও দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠবেন। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটাই— নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় কুমিল্লা জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকল প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার
দাউদকান্দির গৌরীপুর মুন্সি ফজলুর রহমান সরকারী ডিগ্রী কলেজের একটি ভবনের দেয়াল ধ্বসে
পড়েছে।
গতকাল
বুধবার রাতে বজ্রপাতের কম্পনে এ দেয়াল ধ্বসে পড়েছে। তবে কোন হতাহতের খবর পাওয়া যাযনি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলেজের চত্বরের পশ্চিম পাশে রাবেয়া কবির স্মৃতি হলের উত্তর সাইটের দেয়াল ধ্বসে পড়েছে। কলেজের সামনে পুকুরে মাছ চাষে ভবনের নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় ধ্বসে পড়েছে বলে জানান কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ শহিদুজ্জামান মিয়া।
তিনি
বলেন, কলেজের সামনের পুকুরে মাছ চাষের ফলে ভবনের নিচের অংশের মাটি ধীরে ধীরে সরে গেছে।
আর কয়েকদিন আগে পুকুরের পানি সেচের কারনে ফাটল দেখা দেয়। একারনে ভবনটিকে তালাবদ্ধ করে
রেখেছি। আর গত রাতে বজ্রপাতের প্রচন্ড কম্পনে ভবনের দেয়ালটি ধ্বসে পড়েছে। পুরো ভবনের
উত্তরাংশে গাইড ওয়াল করার বিষয়ে শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগকে জানানো হয়েছে। অতি দ্রুত প্রোটেকশান
দেয়াল করা না হলে পুরো ভবনটি রক্ষা করা যাবে না।
এ
বিষয়ে দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা ইসলাম বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের
সাথে আলোচনা করে কলেজের পুরো ভবনটি রক্ষা করতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, বিএনপি যদি সংস্কার প্রস্তাব না মানে তবে এটা তাদের দায়িত্বহীনতার পরিচয়। নতুন করে রাজনৈতিক সংকট তৈরির অপপ্রয়াস। ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন সম্পর্কে জনগণের মাঝে সংশয় তৈরির অপপ্রয়াস।
আজ শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) কুমিল্লায় নিজ নির্বাচনি এলাকা চৌদ্দগ্রামের নির্বাচন কেন্দ্র পরিচালক সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় ডা. তাহের বলেন, ‘যদি নির্বাচন না হয় তাহলে যারা পালিয়ে গিয়ে ভারতে বসে ষড়যন্ত্র করছে, তারাই একটা সুযোগ নিবে। বিগত সরকারের যে বাংলাদেশ, সংস্কারবিহীন যে বাংলাদেশ, মনে হয় যেন বিএনপি সেই জায়গায় ফিরে যেতে চায়। বাংলাদেশকে আওয়ামী জাহেলিয়াতের দিকে ফিরে যেতে এদেশের মানুষ দিবে না।’
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, ‘সরকারের সিদ্ধান্ত থেকে যদি সরকার সরে যায়, তাহলে এটা পরিষ্কার হবে যে সরকার আর নিরপেক্ষ নেই। এ সরকার যদি নিরপেক্ষতা হারায় এবং কোনো দলের প্রতি যদি তাদের আনুগত্য প্রকাশ করে এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এটা আশঙ্কা তৈরি হবে।’
উপজেলা জামায়াতে আমির মু মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা অঞ্চল টিম সদস্য ও সাবেক জেলা আমির আব্দুস সাত্তার, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান ভুঁইয়া, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে সাবেক আমির ভিপি সাহাব উদ্দিন।
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইনের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা আমির মাওলানা ইব্রাহীম, জামায়াত নেতা আয়ুব আলী ফরায়েজী, সাবেক চৌদ্দগ্রাম উপজেলা দক্ষিণ আমির শাহ মিজানুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রহিম, পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি, মোশাররফ হোসেন ওপেলসহ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ও চিকিৎসাধীন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সাথে মতবিনিময় করেছেন ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম।
আজ রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩ টায় প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় সমন্বয়ক, আহত ও চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীরা তাদের স্মৃতিচারণ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন দাবী উপস্থাপন করেন।
ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, আমি শিক্ষার্থীদের সকল কথা শুনেছি। সকল দাবীই যৌক্তিক। আমাদের এসব দাবী পূরণের তীব্র ইচ্ছা থাকলেও সক্ষমতা কম রয়েছে। দুটি হলের নাম অফিসিয়ালি পরিবর্তন করতে একটু সময়ের দরকার। আবদুল কাইয়ুমের স্মৃতি স্মরণীয় করে রাখার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের সাহায্য করার ইচ্ছা থাকলেও আমাদের সক্ষমতা সীমিত। কারণ এসব চিকিৎসা অনেক ব্যয় বহুল। তবে আমরা আহতদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করার জন্য উপদেষ্টাদের কাছে তা পাঠিয়ে দেবো। সেখান থেকে তাঁরা সাহায্য করবেন বলে আমরা আশাবাদী। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সকল দাবী পূরণে চেষ্টা করবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্যাহ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এক প্রবাসী ও এক সাবেক ইউপি সদস্যকে গুলি করে ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জুমার নামাজের আগে নাঙ্গলকোট উপজেলার বকশগঞ্জ ইউনিয়নের আলিয়ারা গ্রামে এ রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—প্রবাস থেকে এক মাস আগে দেশে ফেরা দেলোয়ার হোসেন এবং বকশগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ছালেহ আহম্মদ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা দেলোয়ার হোসেন ও ছালেহ আহম্মদকে গুলি করে আহত করার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে পায়ের রগ কেটে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
ঘটনায় গুরুতর আহত একজনসহ অন্যান্য আহতদের কুমিল্লা ও ফেনীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, গত জুন মাসে গরুর ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে আলিয়ারা গ্রামের আবুল খায়ের গ্রুপ ও শেখ ফরিদ গ্রুপের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়। ওই সময় গুলিবিদ্ধ হন রোকন আলীর স্ত্রী শরিফা বেগম (৬০) এবং বশির আহম্মেদের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম (৫৫)।
ওই ঘটনায় আবুল খায়ের বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কারাগার থেকে বেরিয়ে আসার পর আবারও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আজকের এই ভয়াবহ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
ঘটনার পর থেকে আলিয়ারা গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত এক বছরে এলাকায় একাধিক সহিংস ঘটনা ঘটলেও পুলিশ কোনো অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি, যা অপরাধ দমনে বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক
মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানে পৃথক পৃথক স্থানে ১ কোটি ৫ লক্ষ ৯৬ হাজার ১৫০
টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য এবং চোরাচালানী পণ্য জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের
দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিজিবির বিশেষ টহলদল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বাংলাদেশের
অভ্যন্তরে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন স্থান থেকে উল্লেখিত মূল্যমানের মাদকদ্রব্য, ভারতীয়
শাড়ি, থ্রি-পিস এবং কসমেটিক্স সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মাদকদ্রব্য এবং পণ্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস এবং বিভিন্ন ধরনের কসমেটিক্স রয়েছে, যা চোরাচালানের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে আনার চেষ্টা করা হচ্ছিল। বিজিবি এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৭৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,সিপিসি-২।
রবিবার (৩০ জুন) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন
কনেশতলা বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী শিশু মিয়া (২৫) নামের
একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৭৫ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক
পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী শিশু মিয়া (২৫) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার ধনপুর গ্রামের জামাল মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত
সিএনজি গাড়ি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ
করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয়
করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আল আমিন ও তার সহযোগীকে পিস্তলসহ গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,
সিপিসি-২।
২২ নভেম্বর রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন সংরাইশ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ আল আমিন এবং ২। আবুল
কাশেম নামের দুইজন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেন। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১ টি পিস্তল,
১টি ম্যাগাজিন ও ৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো: ১। মোঃ আল আমিন (৩৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার সংরাইশ মধ্যপাড়া গ্রামের
মৃত ইদ্রিস মিয়া এর ছেলে এবং ২। আবুল কাশেম (৩৪) একই গ্রামের বাবুল মিয়া এর ছেলে।
র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার উপ-পরিচালক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত আসামী আল আমিন এর বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিরীহ ছাত্রদের উপর গুলিবর্ষণেরও তথ্য পাওয়া যায়। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন