

আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল)
থেকে শুরু হচ্ছে চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফরম পূরণ
যা চলবে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত।
ফরম পূরণ এর ফি নিয়ে শিক্ষা
বোর্ডগুলো বলছে, এবার বিজ্ঞান শাখার পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের ফি ২ হাজার ৬৮০ টাকা
নির্ধারণ এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য ফি ২ হাজার ১২০ টাকা।
তবে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা
শাখার কোনো পরীক্ষার্থীর চতুর্থ বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা থাকলে নির্ধারিত ফি এর সঙ্গে
অতিরিক্ত ১৪০ টাকা যুক্ত হবে। আর নৈর্বাচনিক বিষয়ে ব্যবহারিক থাকলে বিষয়প্রতি আরও ১৪০
টাকা যোগ করা হবে।
এ ছাড়া অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের
ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ডগুলো বলছে পরীক্ষার্থী প্রতি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা
। জিপিএ উন্নয়ন ও প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০০ টাকা তালিকাভুক্তি ফি নির্ধারণ
করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন নবায়ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০ টাকা। আর বিলম্ব ফি নির্ধারণ
করা হয়েছে ১০০ টাকা।
তবে কোন শিক্ষার্থী ২৫ তারিখের
মধ্যে ফর্ম পূরণ করতে না পারলে নির্ধারিত সময়ের পর বিলম্ব ফি দিয়ে ২৯ এপ্রিল থেকে ২
মে পর্যন্ত ফরম পূরণ করতে পারবে ।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের এইচএসসি
ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২০ জুন হতে শুরু হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে যুক্ত হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক সি আর আবরার
(চৌধুরী রফিকুল আবরার)।
তিনি
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন ।
মঙ্গলবার
(৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
অধ্যাপক
সিআর আবরার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক নামকরা শিক্ষক ছিলেন উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন,
কাল (বুধবার) উনি শপথ নেবেন। প্রফেসর ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ অনেক দিন ধরেই বলছিলেন, উনি
একসঙ্গে দুটি মন্ত্রণালয় কাজ করতে পারছেন না। যেহেতু উনি অ্যাডভান্সড স্টেজে, প্ল্যানিং
মিনিস্ট্রিতে অনেক বড় দায়িত্ব ওনার। এজন্য অধ্যাপক সি আর আবরার যুক্ত হচ্ছে উপদেষ্টা
পরিষদে।
প্রসঙ্গত,
বর্তমান শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ এই মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি পরিকল্পনা
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করে আসছেন।
তবে
নতুন কতজন উপদেষ্টা শপথ নেবেন সেটি তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
শফিকুল আলম বলেন, উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন
মাহমুদ অনেকদিন যাবত বলে আসছিলেন, তার পক্ষে একই সঙ্গে পরিকল্পনা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে তার বদলে অধ্যাপক আবরারকে সম্ভবত শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ
(২৫) নামের এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা
(ডিবি) পুলিশ। তার প্রধান সহযোগী ও প্রেমিক খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সুমাইয়ার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার পরও তাতে সম্মতি দেওয়া এবং ওই কার্যক্রম
থেকে পাওয়া অর্থ গ্রহণের অভিযোগে তার বাবা মো. আবু সাঈদকেও মামলার আসামি করা হয়েছে।
ডিবি
পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের একটি দল রাজধানীর বসুন্ধরা
ও বাড্ডা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
ডিবি
সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার নজরদারির সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও
টেলিগ্রাম আইডিতে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির বিজ্ঞাপন নজরে আসে। পরে বিষয়টি
নিয়ে তদন্ত শুরু করে ডিবি।
তদন্তসংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তারা জানান, বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে নির্দিষ্ট অঙ্কের
টাকা নিয়ে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করা হতো। এসব কনটেন্ট বিক্রির জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
প্রচারণাও চালানো হতো। এমনকি ৩ হাজার ৫০০ টাকার বিনিময়ে ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’
দেওয়ার বিজ্ঞাপনও ছিল।
প্রযুক্তির
সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করার পর গত ১১ আগস্ট রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে
অভিযান চালায় ডিবি। সেখান থেকে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি
আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’
এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে তার প্রধান সহযোগী ও প্রেমিক খাজা সাকলাইন ফারুককে
গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক
জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, সুমাইয়া কয়েকজন সহযোগীকে
নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে এ কর্মকাণ্ড চালাতেন বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। সুমাইয়ার
বাবা মো. আবু সাঈদ মেয়ের এসব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত ছিলেন। তবে তিনি মেয়েকে বাধা
না দিয়ে ওই কার্যক্রম থেকে পাওয়া অর্থ গ্রহণ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে তাকেও
মামলায় আসামি করা হয়েছে।
এ
ঘটনায় রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর আওতায় মামলা করা
হয়েছে।
পুলিশ
জানিয়েছে, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত এবং এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের
চেষ্টা চলছে। এ জন্য গ্রেপ্তার সুমাইয়া ও খাজা সাকলাইন ফারুককে আদালতে হাজির করে তিন
দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন




স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি
অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম (এসএসটিএফ) জানিয়েছে, গত ৩৮ দিনে দেশে বজ্রপাতে
৩৫ জন কৃষকসহ অন্তত ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সংগঠনটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল
মাসে বজ্রপাতে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে নারী ১১ জন এবং পুরুষ ২০ জন। চলতি
মাসের ১ থেকে ৮ মে পর্যন্ত বজ্রপাতে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯ জন নারী
এবং ৩৪ জন পুরুষ।
বৃহস্পতিবার (৯ মে) প্রকাশিত এসএসটিএফের
গবেষণা সেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসে একদিনে বজ্রপাতে ১১ জন নিহত ও ৯ জন
আহত হয়েছে। বজ্রপাতের ক্ষেত্রে কৃষকরা কীভাবে নিজেদের নিরাপদ রাখতে পারেন- সে বিষয়েও
আলোকপাত করা হয়েছে।
সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান,
মানিকগঞ্জের সিংগাইর, ঢাকার নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিদর্শন করেছেন সংগঠনটির
সদস্যরা। এ সময় ৫০০ জন করে কৃষক নিয়ে দল তৈরি করে বজ্রপাত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা
করেছেন।
এসএসটিএফের সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা
বজ্রপাতের হাত থেকে কৃষকদের বাঁচাতে মাঠে আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি
অনুরোধ জানান।
এ ছাড়াও মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ৪ মাস
বজ্রপাত সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
সংগঠনটি কিছু পরামর্শও দিয়েছে কৃষকদের
জন্য। সেগুলো হলো:
*মাঠে কাজ করার সময় আকাশে কালো মেঘ
দেখে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া।
*বৃষ্টির সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া
থেকে বিরত থাকা।
*খোলা আকাশের নিচে কাজ করার সময় জুতা
পরতে হবে।
*বজ্রপাতের সময় মাঠে কাজ করার সময়
শুয়ে পড়ুন।
ফোরামের সভাপতি ড. কবিরুল বাশার জানান,
বজ্রপাত বাড়ার পেছনে দুটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ক্রমবর্ধমান
প্রভাব এবং বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে গাছ কাটা, বিশেষ করে মাঠের উঁচু গাছ কাটা। গাছপালা
না থাকলে খোলা স্থানে বা মাঠে মানুষের ওপর আঘাত হানে বজ্রপাত। অধিকাংশ মানুষ মনে করেন
ঝড়ের সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়াই ভালো। কিন্তু এটা ঠিক না। ঘরবাড়ি বা স্থাপনায়
আশ্রয় নিতে হবে মানুষকে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
উজানের পাহাড়ি ঢলে কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর চরাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে। এতে আগাম জাতের বিভিন্ন সবজি ও কৃষি ফসল তলিয়ে গিয়ে সহস্রাধিক কৃষক চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কমাতে কৃষকরা কোমর সমান পানিতে নেমে যতটুকু সম্ভব অপরিপক্ব ফসল তুলে আনার চেষ্টা করছেন।
ভান্তি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবদুল হক বলেন, প্রায় ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে তিনি আগাম জাতের মূলা ও লাউ চাষ করেছিলেন। হঠাৎ গোমতীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তার পুরো ক্ষেত এখন পানির নিচে।
আরেক কৃষক আবদুল জলিল বলেন, তার ডাঁটা শাক, পুঁইশাক ও চালকুমড়ার ক্ষেত পানিতে ভেসে গেছে। তাদের মতো ভান্তি, কামারখাড়া, বালিখাড়া ও আশপাশের এলাকার অন্তত শতাধিক কৃষকের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
কৃষক সোহেল মিয়া বলেন, লাউ, চিচিঙ্গা, ডাঁটা শাক, চালকুমড়া, মূলাসহ বিভিন্ন সবজি পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার আগে যতটুকু সম্ভব উদ্ধার করে বাজারে বিক্রির চেষ্টা করছেন তারা। তবে বাজারে অপরিপক্ব সবজির সঠিক দাম না পাওয়ায় লাখ লাখ টাকার ফসল ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, উজানের পাহাড়ি ঢলে গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের হাজারো কৃষকের ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। তিনি বলেন, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে আমি নিজেও মাঠে অবস্থান করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলছি। মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জরিপ করা হচ্ছে; তা শেষ হলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে শিয়ালের কামড়ে তিন গ্রামের নারী-শিশুসহ ১৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার
(২৯ জুলাই) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার সোনারকান্দি, ভটেরকান্দি ও নয়াপাড়া
এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের
মধ্যে রয়েছেন, সোনারকান্দি গ্রামের দেলোয়ার হোসেন, লিটন, শিশু আব্দুল্লাহ, ভটেরকান্দি
জামে মসজিদের ইমাম, মিনহাজ, আব্দুল হাই, এক বৃদ্ধা নারী এবং নয়াপাড়া গ্রামের গোলজার
হোসেনসহ মোট ১৫ জন।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে উপজেলার এই তিন গ্রামে শেয়াল লোকালয়ে
ঢুকে একের পর এক পথচারী ও বাড়ির আঙিনায় থাকা মানুষকে কামড়ে দেয়। শেয়ালগুলো হঠাৎ করে
বিভিন্ন বাড়ি ও সড়কে ঘুরে বেড়িয়ে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই আক্রমণ করেছে। এতে মুহূর্তেই
এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আহত
দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমি বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ একটি শেয়াল এসে আমার পায়ে
কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘটনাটি ঘটে। পরে স্বজনরা আমাকে হাসপাতালে
নিয়ে আসে।
আরেক
আহত লিটন বলেন, শেয়ালগুলো খুবই হিংস্র ছিল। একজনকে কামড়ে দৌড়ে গিয়ে আবার অন্যজনের ওপর
হামলা করছিল। সবাই আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে। পরে স্থানীয়রা মিলে আহতদের হাসপাতালে
পাঠান।
এ
বিষয়ে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সুমাইয়া ইয়াকুব জাগো নিউজকে বলেন, শেয়ালের
কামড়ে আহত সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পাশাপাশি
র্যাবিস প্রতিরোধী ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এলাকায় শেয়ালের উপদ্রব বেড়েছে।
বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকার
ধামরাইয়ে পপি রাণী সরকার নামে ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে
পুলিশ। পারিবারিক কলহের জেরে তাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামী লিটন সরকারকে (পেশায়
সিএনজিচালক) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
রোববার
(২ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলার গোমগ্রাম এলাকায় অভিযুক্তের নিজ বাড়ি থেকে নিহতের মরদেহ
উদ্ধার করা হয়। আটক লিটন সরকার দুই সন্তানের জনক।
নিহতের
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লিটন সরকার মাদকাসক্ত ছিলেন। পারিবারিক কলহের জেরে
গত রাতে স্ত্রী পপি রাণীকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে বাথরুমের সামনে ফেলে রাখেন তিনি।
পরবর্তীতে স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে কালামপুর হলি
জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্মরত চিকিৎসক পপি রাণীকে মৃত ঘোষণা করেন।
ধামরাই
থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া
গেছে এবং তিনি ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ঘটনার পর পরই স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত স্বামী
লিটনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি
চলছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মেহেরপুরে
মাটি কাটার সময় ছয়টি মাইনসদৃশ বস্তু ও কয়েকটি ধাতব বক্স উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার
(৮ আগস্ট) দুপুরে জেলার গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে পরিত্যক্ত এক জমি থেকে বস্তুলো
পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি সুরক্ষার জন্য ঘিরে রেখেছে পুলিশ।
স্থানীয়রা
জানান, বেতবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা নুরুজ্জামান কালুর একটি পরিত্যক্ত জমিতে দুপুরে
মাটি কাটার কাজ করছিলেন শ্রমিকেরা। মাটি খোঁড়ার একপর্যায়ে শ্রমিকেরা মাটির নিচে বেশ
কয়েকটি বক্স ও মাইনসদৃশ বস্তুর সন্ধান পান। বিষয়টি জানাজানি হলে তাৎক্ষণিকভাবে গাংনী
থানা-পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে জায়গাটি কর্ডন করে
রাখে।
গাংনী
থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শিমুল কুমার দাস জানান, উদ্ধারের পর সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার
স্বার্থে পুরো এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে। বিষয়টি ইতিমধ্যে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল
ইউনিটকে জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দলটি ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত
করতে পারবে যে এর ভেতর কোনো সক্রিয় বিস্ফোরক দ্রব্য রয়েছে কি না।
উদ্ধার
করা বস্তুর সময়কাল সম্পর্কে তিনি আরও জানান, প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে বস্তুগুলো ১৯৭১
সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর ফেলে যাওয়া হতে পারে। কারণ উদ্ধার
হওয়া মাইনসদৃশ ধাতব বস্তুগুলোর ওপর ‘১৯৬৭’ সাল খোদাই করা রয়েছে। ফলে এগুলো পাকিস্তান
আমলের বিস্ফোরক বা সামরিক সরঞ্জাম হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি; নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, ওএসপি,
এনপিপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান
মাহমুদ খান, বিবিপি, ওএসপি, জিইউপি, এনএসডব্লিউসি, পিএসসি শুক্রবার (১১ অক্টোবর) রমনা
কালী মন্দির পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান দুর্গাপূজা
উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন এবং বলেন,
"বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশব্যাপী পূজামন্ডপসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য
সবসময় প্রস্তুত ও তৎপর রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য
নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ যেন
উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে, সেটি আমাদের মূল উদ্দেশ্য।
আমরা অতীতের মতোই সকল ধর্মের মানুষদের মধ্যে সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখব এবং
দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করব।"
নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান
বক্তব্যের শুরুতেই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী পূজামন্ডপের নিরাপত্তা
নিশ্চিত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি সকলের জন্য নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ
পূজা উদযাপনের প্রত্যাশা করেন।
বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান
মাহমুদ খান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, দেশের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে
বিমান বাহিনীও সর্বোচ্চ সতর্কতায় দায়িত্ব পালন করছে।
তিনি সকল ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সহযোগিতা ও
সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।
সেনাবাহিনী প্রধানের পত্নী সারাহনাজ কমলিকা
জামান পূজা উপলক্ষে উপস্থিত অন্যান্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের সাথে
শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পূজামন্ডপ পরিদর্শনের সময় তিনি উপস্থিত সকলকে শারদীয়
শুভেচ্ছা জানান এবং পূজার আনন্দ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে একসাথে সময় কাটান।
পরিদর্শনকালে সশস্ত্র বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জামালপুরের
সরিষাবাড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিপু (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৮
জুন) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত নিপু উপজেলার কামরাবাদ
ইউনিয়নের বড়বাড়িয়া গ্রামের উসমান হারুনের ছেলে।
স্থানীয়
সূত্র ও পুলিশ জানায়, নিহত নিপু উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের বড়বাড়িয়া গ্রামের উসমান
হারুনের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, রোববার দিনগত রাতে বড়বাড়িয়া
এলাকার গামারা বিলে বোরো মৌসুমে ব্যবহৃত একটি সেচ পাম্পের পিডিবির এসটি খুঁটির বৈদ্যুতিক
তার চুরি করতে যান তিনি।
এ
সময় বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর
পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
সরিষাবাড়ী
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল ইকবাল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘খবর পেয়ে
ভোরে উপজেলার কামরাবাদ গ্রামে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা
হচ্ছে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি চুরি করতে গিয়েছিলেন কি
না, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের
জন্য মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
মন্তব্য করুন