

মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বাইছারা গ্রামে কুয়েত প্রবাসী এরশাদুল হকের স্ত্রী রাবেয়া বেগমের আত্মহত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন শ^শুর পক্ষের পরিবার ও এলাকাবাসী। প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে এবং নিহত শ^শুর পক্ষের লোকজন আতংকে রাত কাটাচ্ছেন। রাবেয়া বেগম আত্মহত্যা করেছেন এমন সংবাদ দেয়া আতিকের মোবাইল ফোন কল রেকর্ড উদঘাটন করলে প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে দাবি এলাকাবাসীর। গত বুধবার রাতে নিজ গৃহের ফ্যানের সাথে ঝুলে থাকা প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করে কচুয়া থানা পুলিশ। নিহত রাবেয়া বেগম একই উপজেলার খিলমেহের গ্রামের সেকান্তর মিয়ার মেয়ে। ১৪ বছর আগে তার বিয়ে হয়। বর্তমানে তার ২ পুত্র ও ১ মেয়ে রয়েছে।
প্রবাসী এরশাদুল হকের বাবা রোস্তম আলী মাষ্টার, ভাই কামাল হোসেন, ফরিদ সিকদার, প্রতিবেশী ডা. শাহ আলম সিকদারসহ একাধিক লোকজন জানান, ঘটনার দিন রাত ১২টার দিকে পাশ^বর্তী সিংআড্ডা গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে রাজমিস্ত্রী আতিক হোসেনের সাথে রাবেয়া বেগম ভিডিও কলে কথা বলেন এবং আত্মহত্যা করবে বলেও এমন কথা জানান। এ খবর শুনে কিছুক্ষন পর আতিক হোসেন দ্রুত ওই বাড়িতে গিয়ে বাড়ির সবাইকে জাগ্রত করেন এবং ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করলে সিলিং ফ্যানের সাথে রাবেয়া বেগমের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। তারা আরো জানান, রোস্তম আলী মাষ্টারের চার ছেলে সকলেই পৃথক ভাবে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। তারা প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে দোষীদের শাস্তির দাবি ও নিরীহ লোকজন যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রুহুল আমিন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দেখতে পেয়ে কচুয়া থানা পুলিশকে খবর দেই। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুরের মর্গে প্রেরন করেন। আমিও এ আত্মহত্যার রহস্য উদঘটনের মাধ্যমে ন্যায় বিচার দাবি করছি।
মন্তব্য করুন


শেরপুর
জেলায় নিখোঁজের সাত দিন পর নিখোঁজ সেই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, গ্রেফতার তরুণীর সঙ্গে নিহত তরুণের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু একটি সম্পর্ক চলাকালে আরেক সম্পর্কে জড়িয়ে
যান ওই তরুণী। তাই ১ম প্রেমিককে সরিয়ে দিতে ২য় প্রেমিকের সহায়তায় তাকে হত্যা করা হয়। তবে পুলিশ বলছে, এ নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে।
গতকাল
সোমবার (১১ নভেম্বর) শহরের কাজীবাড়ি পুকুরপাড় এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নতুন করে আরেক তরুণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম ।
নিহত সুমন মিয়া (১৭) পৌরসভার কসবা বারাকপাড়া এলাকার কৃষক মো: নজরুল ইসলামের ছেলে। সে শেরপুর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, অভিযুক্ত তরুণী আন্নী বেগম (১৭), বাবা আজিম উদ্দিন (৪২) ও দ্বিতীয় প্রেমিক রবিন (১৭)।
জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে প্রথমে পরিচয় এবং পরে প্রেমে জড়ায় শেরপুর পৌরসভার কসবা বারাকপাড়া এলাকার কৃষক নজরুল ইসলামের ছেলে সুমন ও শ্রীবরদীর ভেলুয়া ইউনিয়নের কাউনেরচর এলাকার আজিম উদ্দিনের মেয়ে আন্নী বেগমের। সুমনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে থেকেও সুমনের অপর বন্ধু শেরপুর শহরের সজবরখিলা মহল্লার ফোরকান পুলিশের ছেলে রবিনের সঙ্গে গড়ে ওঠে গভীর প্রেমের সম্পর্ক। রবিন ময়মনসিংহের একটি কলেজের এইচএসসির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। পথের কাটা সুমনকে সরাতে ৪ নভেম্বর বিকেলে সুমনকে বিয়ের কথা বলে রবিনের বাড়িতে ডেকে আনে আন্নী ও রবিন। এরপর তাকে হত্যা করে নিজ উঠানে লাউয়ের মাচার নিচে মাটিতে পুঁতে রাখে সুমনের মরদেহ।
এদিকে রাতে সুমন বাড়ি ফিরে না এলে পরদিন সদর থানায় প্রথমে নিখোঁজ ডায়েরি এবং পরে আন্নী ও তার বাবা-মাসহ কয়েকজনের নামে অপহরণ মামলা দায়ের করে সুমনের বাবা নজরুল ইসলাম। এ ঘটনায় পুলিশ সোমবার রাতে আন্নী বেগম ও তার বাবাকে গ্রেফতার করে। পরে আন্নীর স্বীকারোক্তিতে তার অপর প্রেমিক রবিনকে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রবিনের স্বীকারোক্তিতে তার বাড়ির আঙিনায় মাটিচাপা দেওয়া সুমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রথমে মামলা নিয়ে কলেজ শিক্ষার্থী আন্নী ও তার বাবাকে গ্রেফতার করেছি। পরে আন্নীর দেওয়া তথ্যমতে রবিনকে গ্রেফতার করা হয়। রবিনের স্বীকারোক্তিতে তার বাড়ি থেকে মাটিচাপা দেওয়া লাশ উদ্ধার করা হয়। এর সঙ্গে আর কারা জড়িত তদন্ত করে বের করা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে মহাসড়কের নিমসার সবজি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ওসি মো. আবদুল মমিন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ময়নামতি হাইওয়ে থানার একটি টহল দল মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর লক্ষ্যে চলাচলরত কয়েকটি অবৈধ থ্রি-হুইলার আটক করে। এ সময় থ্রি-হুইলার চালকরা ক্ষুব্ধ হয়ে সংঘবদ্ধভাবে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে হাইওয়ে পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে গাড়িটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা গেছে।
ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ওসি মো. আবদুল মমিন জানান, অবৈধ থ্রি-হুইলার আটকের পর ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা পুলিশের গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ও পিটিয়ে ভাঙচুর করে এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলে।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


ভারী বৃষ্টিতে কক্সবাজারে পৃথক স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে জেলা সদরের ঝিলংজায় একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবিরে পাহাড় ধসে দুই শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে পাহাড় ধসের পৃথক দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
দিবাগত রাত ২টার দিকে ঝিলংজার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ডিককুলে এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে।
নিহতরা হলেন, দক্ষিণ ডিককুলের মিজানুর রহমানের স্ত্রী আঁখি আকতার (২৫) এবং তার দুই শিশু কন্যা ময়না আকতার (৭) ও মায়া আকতার (২)।
নিহতের স্বজনরা জানান, ভারী বর্ষণের কারণে গভীর রাতে মিজানুরের বাড়ির ওপর পাহাড়ের একটি অংশ ধসে পড়ে। মিজানকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও তার স্ত্রী ও দুই সন্তান মাটি চাপা পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় তাদের মরদেহ বের করে আনা হয়।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার দোলন আচার্য বলেন, তিনজনের মরদেহ বের করে আনা হয়েছে।
রাতে উখিয়ার হাকিমপাড়া ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের ব্লক ই-২ তে পাহাড় ধসে দুই শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন- আব্দুর রহিম (৩০) আব্দুল হাফেজ (১০) ও আব্দুল ওয়াছেদ (৮)।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসে তিনজন নিহত হয়েছেন। এখানে দুইজন শিশু রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, কক্সবাজারে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে এক দিনে সর্বোচ্চ।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ,
কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রামের
অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন শেষে সস্ত্রীক ভুটান ফিরে গেলেন রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল
ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে জেলার সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন
শেষে ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তিনি। কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন
শেষে সস্ত্রীক ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল ওয়াংচুক।
কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন শেষে সস্ত্রীক ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা
শুরু করেছেন রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল ওয়াংচুক।
এর
আগে বৃহস্পতিবার সার্কিট হাউজ থেকে দুপুর ১ টা ২০ মিনিটে ধরলার পাড়ের অর্থনৈতিক অঞ্চলে
যান এবং পনের মিনিট স্থানটি পরিদর্শনের পাশাপাশি বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ
হারুনসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
এর
পরে রাজা সড়ক পথে সোনাহাট স্থলবন্দরের দিকে রওয়ানা দেন। রাজা সড়ক পথে দুপুর ১২ টা ১৫
মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে কুড়িগ্রাম
সার্কিট হাউজে এসে পৌঁছান।
কুড়িগ্রামের
জেলা প্রশাসক সাইদুল আরীফ জানান, ভুটানের রাজা দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সার্কিট হাউজে অবস্থান
করেন। এরমধ্যে তিনি দুপুরের খাবার সেরে নেন। এরপর দুপুর দেড়টায় তিনি ধরলার পাড়ের কুড়িগ্রাম
সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মাধবরাম এলাকায় ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত
জায়গা পরিদর্শন করেন। সেখানে রাজা পনের মিনিট অবস্থানের পর সড়ক পথে জেলার ভূরুঙ্গামারী
উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দরের দিকে যাত্রা শুরু করেন। স্থলবন্দরে বিশেষ ইমিগ্রেশনের
মাধ্যমে ভারত হয়ে নিজ দেশ ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন রাজা। বাংলাদেশ-ভুটান দুদেশের
যৌথ উদ্যোগে ধরলা পাড়ে ২১৯ একর জমির ওপর গড়ে তোলা হবে জিটুজি ভিত্তিতে এ বিশেষ অর্থনৈতিক
অঞ্চল। রাজার আগমনকে ঘিরে সব ধরনের আয়োজন সম্পন্ন করে প্রশাসন। ভুটানের রাজার আগমনে
কয়েক স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
কুড়িগ্রাম
চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট আব্দুল আজিজ জানান, ধরলার পাড়ে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
গড়ে তোলা হলে সড়ক, নদী ও রেল পথের সুবিধা মিলবে। এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি
অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে।
এ
সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রাম ৪- আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিপ্লব হাসান পলাশ
সহ আরও অনেকেই।
মন্তব্য করুন


মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটের ৫ নম্বর পন্টুনের অদূরে ডুবে যায় ইউটিলিটি ফেরি রজনীগন্ধা উদ্ধারের জন্য নারায়ণগঞ্জ ও মাওয়া থেকে উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম ও প্রত্যয় রওনা দিয়েছে।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় উদ্ধারকারী ২টি জাহাজ রওনা দিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিআইডব্লিউটিসির আরিচা সেক্টরের ডিজিএম শাহ মো. খালেদ নেওয়াজ জানান, দৌলতদিয়া ঘাট থেকে এসে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। ডুবে যাওয়া ফেরিকে সোজা করবে হামজা এবং বাকি কাজ প্রত্যয় ও রুস্তম এসে করবে। আমাদের ট্রাক বোর্ড দিয়ে ভেসে যাওয়া পণ্য বোঝাই ট্রাকগুলো উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসবে।
তিনি আরও জানান, হয়ত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে এসে পৌঁছাতে পারে রুস্তম ও প্রত্যয় উদ্ধারকারী এই ২টি জাহাজ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা :
কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার রাজগঞ্জ বাজারের দেশওয়ালী পট্রি এবং কুচাইতলীতে ঈদুল আযহাকে উপলক্ষ করে মসলার মিলগুলিতে ভোক্তা অধিকার অভিযান পরিচালনা করেন।
এই ভালো মরিচের সাতজে নষ্ট মরিচ মিক্স
করে ভাংগানোর সময় হাতেনাতে ধরে পরে। এছাড়াও খুবই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে হলুদের গুড়া
এবং মরিচের গুড়া সংরক্ষণ ও ক্রাসিং করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী 'আল-আমিন
মসলাত মিলকে ১ লাখ এবং 'বায়জিদ মসলার মিলকে ১০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ ১০ হাজার টাকা
জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: কাউছার মিয়া।
উক্ত অভিযানে সহযোগিতা করেন কুমিল্লা
জেলা পুলিশের একটি টিম, ক্যাব কুমিল্লা এবং অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামিকে কুমিল্লার তিতাস থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। শনিবার (১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে তিতাস থানাধীন বাতাকান্দি বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (৩০)। তিনি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার ছোট কাজরা গ্রামের মো. তারা মিয়ার ছেলে।
র্যাব-১১-এর এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট সকালে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে বন্দীরা সংঘবদ্ধ হয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা শুরু করে। একপর্যায়ে কারারক্ষীদের জিম্মি করে পালানোর চেষ্টা করে তারা। বন্দীদের কয়েকজন কারাগারের লকআপের গেট ভাঙচুর করে বের হয়ে ভবনের সিঁড়িতে থাকা লোহার অ্যাঙ্গেল খুলে তা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে কারারক্ষীদের ওপর হামলা চালায়।
এ সময় কারাগারের ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর, দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে কারারক্ষীদের মধ্যে ২৫ জন গুরুতর আহত হন। ওই দিন দুপুর আনুমানিক ১টা থেকে ২টার মধ্যে মোয়াজ্জেম হোসেনসহ কয়েকজন বন্দী কারাগারের দেয়াল টপকে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে ১৯৯ জনের বিরুদ্ধে গাজীপুর মহানগর পুলিশের কোনাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করে। ২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট দায়ের করা মামলাটির নম্বর ৪। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৮, ১৪৯, ৩৫৩, ২২৪, ৪২৭, ৩৩২, ৩৩৩, ৪৩৬ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
র্যাব জানায়, কারাগার থেকে পালানোর ওই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হলে দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।
এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল শনিবার দুপুর সাড়ে ১টার দিকে তিতাসের বাতাকান্দি বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মোয়াজ্জেম হোসেন ঢাকার মতিঝিল থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলার আসামি। মামলাটির নম্বর ৯১(৩)০৫ এবং দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় করা ওই মামলায় বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। পরবর্তীতে তাকে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়।
২০২৪ সালের ৬ আগস্ট কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর মোয়াজ্জেম হোসেন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান এবং বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে আসছিলেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মোঃ জামাল হোসেন, শাহরাস্তি প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে সোমবার দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
জানা যায়, গেলো শনিবার ভোরে সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্যরা পৌরসভার উত্তর ঠাকুর বাজারে মোঃ আব্দুল কাইয়ূমের দোকান ঘরের স্যাটার ও থাই গ্লাসের তালা ভেঙে দোকানে প্রবেশ করে। ওই সময় চোরেরা দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে নগদ টাকা, স্মার্ট টিভি, কম্পিউটারসহ ২ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫ শত টাকার মালামাল চুরি করে।
এ ঘটনায় দোকানের মালিক অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে শাহরাস্তি থানায় মামলা দায়ের করে।
রোববার বিকেলে থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ রোকন উদ্দিন, ইমাম হাসান ও মহসিন ভুঁইয়ার নেতৃত্বে পৌরসভার কাজিরকামতা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৩০ পিস ইয়াবাসহ চুরির ঘটনায় জড়িত ওই গ্রামের মৃত আঃ সালামের ছেলে মোঃ রিপন (৩৫) ও আবদুল হকের ছেলে আতিকুর সবুজকে (২৭) গ্রেফতার করে।
তাদের দেয়া তথ্য মতে ঘটনাস্থলের পার্শ্ববর্তী পুকুর থেকে চুরি যাওয়া কম্পিউটার, ১টি ডেল মনিটর, ১টি মাউস, ১টি কী-বোর্ড ও ২টি সাউন্ড বক্স জব্দ করা হয়।
শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, চুরির ঘটনায় জড়িত ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী চুরি যাওয়া কিছু মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আটককৃত রিপনের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। সে আগে থেকেই মাদক কারবারের সাথে জড়িত ছিলো। গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামী এবং চোরাই যাওয়া বাকি মালামাল উদ্ধারের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
লক্ষ্মীপুরকে ৩-০ গোলে হারিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয়
কমিশনার গোল্ডকাপে কুমিল্লা ভ্যানুর (জোন) ফাইনাল নিশ্চিত করলো কুমিল্লা।
সোমবার কুমিল্লা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাথে মুখোমুখি হবে।
শনিবার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে স্বাগতিক কুমিল্লা ৩-০গোলে লক্ষ্মীপুরকে হারায়। শুরু থেকেই আক্রমনাত্মক খেলে কুমিল্লা দল। দলের মেহেদী ২ ও আরিফ ১ গোল দিয়ে নিজেদের সক্ষমতা জানান দেয়।
ফাইনালে কুমিল্লা দল ভালো করবে এমনটাই আশাবাদ
ব্যক্ত করেন দলের কোচ জামাল হোসেন ও সহকারি কোচ শাহীন। সংক্ষিপ্ত সময়ের
প্রস্তুতিতে কুমিল্লা দল প্রত্যাশা অনুযায়ী ভালো করায় খেলোয়ার ও ক্রীড়ামোদীদের
প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং দলের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন তারা।
মন্তব্য করুন


রফিকুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর:
চাঁদপুরে জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের আয়োজনে বৃক্ষ মেলা ২০২৪ উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই বৃক্ষ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জিএম মোহাম্মদ কবির, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডঃ মোঃ সাফায়েত আহমেদ সিদ্দিকী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়। এছাড়াও দর্শনার্থী ও বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মেলায় মোট চাঁদপুর জেলার২২ টি স্টল অংশগ্রহণ করেন।
মন্তব্য করুন