

মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালাখাল গ্রামে অবস্থিত মাদরাসাতুল কুরআন ওয়াসসুন্নাহ ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের সবক প্রদান ও দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে। বুধবার মাদ্রাসা মিলনায়তনে কুরআনের পাখিদের দ্বীনি শিক্ষার আলোকে তাদের সবক প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের সবক প্রদান করেন, মুন্সীগঞ্জ দারুত তাকওয়া আরাবিয়া কাহেতারা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মাহমুদুল হাসান।
মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ ক্বারী শিব্বির আহমেদের সার্বিক পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বয়ান রাখেন, নারায়নগঞ্জ জামিয়া আবু বকর ইসলামিয়া মক্কিনগর মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা আশেক এলাহী ও ঢাকার ডেমরার দাওয়াতুল কুরআন মাদরাসার শিক্ষক মো. ইব্রাহিম সহ আরো অনেকে। এসময় কচুয়া ডাকবাংলো ঈদগাঁ বড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সানি ইমাম আবু বকর সিদ্দিক সহ মাদ্রাসার শিক্ষক,অভিভাবক,শিক্ষার্থীসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরে সবক শেষে মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
উল্লেখ্য যে, শিক্ষার্থীদের উদ্ধুদ্ধ করতে মাদ্রাসার আয়োজনে এমন উদ্যোগ নেয়া হবে বলেও জানান মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ে স্রোতের কারণে
রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের পানি এখন বিপদসীমার ঊর্ধ্বে।
শনিবার রাত ১০টায় খোলা হবে কাপ্তাই
কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬টি গেইট। এ গেইট দিয়ে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া
হবে প্রায় ৯ হাজার সিএফএম পানি। তবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে কাপ্তাই হ্রদের পানি আরও
বৃদ্ধি পেলে ৩২ হাজার পানি নিষ্কাশিত করা হবে। অর্থাৎ কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি
টানা বৃষ্টি আর ভারত সীমান্তের পাহাড়ি স্রোতের কারণে অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে
রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের পানি। পানির স্তর
বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদ তীরবর্তী অঞ্চল অর্থাৎ রাঙামাটির
৫টি উপজেলা বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, লংগদু ও বিলাইছড়ি। স্থানীয়দের তলিয়ে গেছে বসতঘর।
ফসল, ফসলি জমি, গবাদি পশু, দোকান পাঠ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
অন্যদিকে অতি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চাপ
বেড়েছে রাঙামাটি কাপ্তাই কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী গেইটে।
রাঙামাটি কাপ্তাই কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ
কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক এটিএম আব্দুজ্জাহের বলেন, রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে বর্তমানে পানি
রয়েছে ১০৭.৬৬ ফুট এমএসএল। যা বিপদ সীমার কাছাকাছি। শনিবার রাত ১০টার দিকে ১৬টি স্পিলওয়ের
৬টি গেইটই খুলে দিয়ে ৯ হাজার সিএফএম পানি কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হবে। তাছাড়া বর্তমানে
কাপ্তাই হ্রদের পানি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যদি পানির চাপ বেশি থাকে, তাহলে আরও ৩২
হাজার সিএফএম পানি ছেড়ে দেওয়া হবে কর্ণফুলীতে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৪০ বোতল ফেন্সিডিল, ৬০ বোতল এস্কাফ সিরাপ, ২০ বোতল বিভিন্ন ব্রান্ডের বিদেশী মদ ও ২০
বোতল বিয়ার সহ ১ জনকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার
(৩০/১১/২০২৩) রাত ২.২০ মিনিটে চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) লিটন চাকমা সঙ্গীয়
অফিসার ও ফোর্স সহ চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকায় গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার
ডিউটি করা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ১১নং চিওড়া ইউনিয়নের চরপাড়া
এলাকায় চট্টগ্রাম টু ঢাকামুখী মহাসড়ক সংলগ্ন চরপাড়া পাকা রাস্তার মাথায় অভিযান পরিচালনার
সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ১ জন ব্যক্তির কাধে ১টি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা সহ পালানোর
চেষ্টাকালে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় আসামী মোঃ ইয়াকুব প্রঃ ইদু মিয়া(৫০),
পিতা: মোঃ আবদুল মমিন, সাং: চিওড়া (আনু মোল্লার বাড়ী), থানা: চৌদ্দগ্রাম, জেলা: কুমিল্লাকে
আটক করেন। এ সময় ৪০ বোতল ফেন্সিডিল, ৬০ বোতল এস্কাফ সিরাপ, ২০ বোতল বিভিন্ন ব্রান্ডের
বিদেশী মদ ও ২০ বোতল বিয়ার উদ্ধার করে।
উক্ত
ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় মায়ের অভিযোগে তানভির হাসান হৃদয় (২৯) নামে এক মাদকসেবীকে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ শত টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (৭ অক্টোবর ) দুপুরে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ ফারহানা পৃথা তাকে কারাদন্ড দেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাইঘর গ্রামের আবু তাহের এর ছেলে তানভির হাসান হৃদয় মাদক খেয়ে নেশাগ্রস্থ অবস্থায় পিতা-মাতা ও ভাইকে মারধর করে এবং বিরক্তকর আচরণ করায় তাকে হাতেনাতে আটক করে।
এসময় তার মা রাশেদা বেগম উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিলে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ ফারহানা পৃথা উপস্থিত হয়ে মাতাল তানভির হাসান হৃদয়কে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ২শত টাকা জরিমানা করেন। এ সময় ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজার শহরের বাদশাঘোনা এলাকায় পাহাড়
ধসে মাটি চাপায় স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২১ জুন) ভোরে এ দুর্ঘটনা
ঘটে।
নিহত দুজন হলেন- ওই এলাকার নজির হোসেনের
ছেলে মো: আনোয়ার হোসেন (২৬) ও তার স্ত্রী মাইমুনা আক্তার (২০)।
আনোয়ার হোসেন স্থানীয় ওমর ফারুক জামে
মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন। তার স্ত্রী মাইমুনা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন
বলেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে কক্সবাজার শহরে থেমে থেমে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টি হচ্ছিল।
রাত ৩টার দিকে মুষলধারে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। এ সময় ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের ঘরের ওপর পাহাড়
ধ্বসে পড়ে। এতে স্বামী-স্ত্রী দুইজনই মাটি চাপা পড়ে মারা যান।
ঘটনার পর তাদের মায়ের চিৎকারে স্থানীয়রা
এগিয়ে এসে মাটি চাপা অবস্থায় দুইজনকে উদ্ধার করে। পরে তাদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে
নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তাদের মরদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল
মর্গে রয়েছে বলে জানান হেলাল উদ্দিন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে মিনি পিকআপে
করে মাদক পরিবহনকালে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ পাঁচজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১
সিপিসি-২।
আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) সকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন
চান্দিনা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অভিনব কৌশলে
মিনি পিকআপের পিছনে মাছ রাখার ড্রামের মধ্যে লুকিয়ে গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী ১। মোঃ
দিপু , ২। কামরুল ইসলাম , ৩। মোঃ ছুটন মিয়া , ৪। শিপন এবং ৫। মোঃ মাহফুজ নামের পাঁচজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ৪৮ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ
কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপ উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ দিপু
(২৭) বি.বাড়িয়া জেলার কসবা থানার কাইয়ুমপুর গ্রামের আইয়ুব খান এর ছেলে; ২। কামরুল ইসলাম
(৩০) কুলনা পাথর গ্রামের মৃত জামাল হোসেন এর ছেলে; ৩। মোঃ ছুটন মিয়া (৩০) কামালপুর
গ্রামের মৃত মকবুল হোসেন এর ছেলে; ৪। শিপন (৩০) নোয়াগাঁ গ্রামের টুনু মিয়া এর ছেলে
এবং ৫। মোঃ মাহফুজ (২৪) কামালপুর গ্রামের বাছির মিয়া এর ছেলে।
র্যাব
জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ
করে কুমিল্লা সহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন
অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক
অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে
র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


আন্তঃজেলা ট্রান্সফরমার চোর চক্রের মূল হোতাসহ আরো ৮ সদস্য গ্রেফতার এবং চোরাই মালামাল উদ্ধার করেছে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গত ২৪ জানুয়ারি রুজুকৃত বুড়িচং থানার মামলা নং-১৮, তারিখ-২৪/০১/২০২৪, ধারা- ২০১৮ সালের বিদ্যুৎ আইনের ৩৫ এর রহস্য উদ্ঘাটন পূর্বক গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ মনির হোসেন (৩২), ২। মোঃ সোহেল (৩০), ৩। কামরুল হাসান (৩২), ৪। মাঈনউদ্দিন (২৮), ৫। রুবেল আহমেদ @মিন্টু (২৯) দের গত ০৪/০২/২০২৪খ্রিঃ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। বিজ্ঞ আদালতে আসামি সোহেল ও মাঈনউদ্দিন ফোজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
উল্লেখ্য যে, তারা কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন থানায় ট্রান্সফরমার চুরি সংক্রান্তে রুজুকৃত ৮টি মামলার ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলো এবং তাদের দেওয়া তথ্য তদন্তকালে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণে সত্যতা পাওয়া যায়।
আসামী মাঈন উদ্দিন (২৮) এর দেওয়া বিজ্ঞ আদালতের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি মোতাবেক কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা করে তথ্য প্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্সের সহায়তায় চোর চক্রের চোরাই মাল ক্রয় -বিক্রয়ের মূল মধ্যস্থতাকারী রুবেল (২৮) কে নোয়াগাঁও চৌমোহনী এলাকায় মা-বাবার দোয়া এন্টারপ্রাইজ দোকানের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়। কুমিল্লার অধিকাংশ চোরাই মাল ক্রয়কারী মাঈন উদ্দিন ঢাকায় চোরাই মাল বিক্রয় করে। ঢাকায় চোরাইমাল ক্রয় চক্রের মূলহোতা ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ এর মালিক দেলোয়ার ও ম্যানেজার মনসুর। তার দেওয়া তথ্য মতে চোরাই মালামাল ক্রয়কারী ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ এর ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম মনছুর কে ঢাকা মিডফোর্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মনসুরের দেখানো মতে ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ নামক দোকান হতে ৫০ কেজি চোরাই তামার তার উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়।
উল্লেখ্য, ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক দেলোয়ার পলাতক রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামী রুবেলকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে কুমিল্লায় ট্রান্সফরমার চোর চক্রের সাথে জড়িত অনেক সদস্যের নাম প্রকাশ করে। প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে লালমাই থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০৩/০২/২০২৪ ইং, ধারা- ২০১৮ সালের বিদ্যুৎ আইনের ৩৫/৪১ এর পলাতক আসামী চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য ১। রবিউল আলম @ রফিক (২৬) কে নোয়াগাঁও চৌমোহনী এলাকায় থেকে গ্রেফতার করা হয় । তার দেখানো স্থান হতে ২টি ট্রান্সফরমারের খালি খোসা, ৩৩ কেজি ষ্টিলের পাত, ২টি ট্রান্সফরমারের ঢাকনা ও ২টি লোহার তৈরি কয়েলের ঢাকনা উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। রবিউল আলম রফিককে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে অত্র মামলার সাথে জড়িত আসামী ২। মেহেদী হাসান শাকিল (২৩), ৩। রুবেল (২৬), ৪। মাসুদ রানা (২৩) দেরকে ভূশ্চি এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয় এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত অটোটি জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী রুবেলের দেওয়া তথ্য মতে, তথ্য প্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্সের মাধ্যমে সদর দক্ষিণ থানার মামলা নং-৭, তারিখ- ০২/০২/২০২৪ ইং, ধারা- ৩৭৯ দন্ডবিধি এর পলাতক আসামী জহিরুল ইসলাম (২৮) কে সদর দক্ষিণ থানাধীন সুয়াগাজি থেকে গ্রেফতার করা হয়। জহিরুল ইসলাম (২৮) এর দেওয়া তথ্য মতে, অত্র মামলার আর এক পলাতক আসামী মোঃ কবির হোসেন (৩০) কে জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে, তারা ট্রান্সফরমার চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা ৩/৪ বছর যাবৎ কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর, চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, দেবিদ্বার, সদর দক্ষিণ থানাসহ বিভিন্ন থানা এলাকায় এবং পাশর্^বর্তী জেলা চাঁদপুর ও নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় ট্রান্সফরমারের তামার তার চুরি করে আসছে। তারা দিনের বেলায় টার্গেট ট্রান্সফরমারের স্থানে রেকি করে এবং রাতের বেলা গিয়ে ট্রান্সফরমারের ঢাকনা খুলে তামার তার নিয়ে চলে আসে। ট্রান্সফরমার থেকে তামার তার চুরি করতে তাদের মাত্র ২০ থেতে ২৫ মিনিট সময় লাগে। চুরি করার পরে ট্রান্সফরমারের খালি খোলস (বক্স) সাধারণত ঘটনাস্থলেই ফেলে দেয়।
উল্লেখ্য যে, আসামী মোঃ কবির হোসেন এর বিরুদ্ধে পূর্বে ৬টি মাদক মামলা রয়েছে। আসামী জহিরুল ইসলাম জহির এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১ টি চুরি মামলা, ৩টি মাদক মামলা, ২টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আসামী মাসুদ রানা এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আসামী মেহেদী হাসান শাকিল এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১ টি চুরি মামলা, ১টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আসামী রবিউল আলম রফিক এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১টি মাদক ও ১টি মারামারি মামলা রয়েছে। আসামী রফিকুল ইসলাম মনছুর এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১টি মারামারি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো:
১। মোঃ কবির হোসেন (৩০), পিতাঃ মোঃ জসিম উদ্দিন, সাং-কাদির বক্স বাড়ী, গ্রাম- সৈয়দপুর, থানা- দেবিদ্বার, জেলা- কুমিল্লা,
২। জহিরুল ইসলাম (২৮), পিতাঃ মৃত মোঃ জাকির হোসেন, সাং- পূর্ব পাড়া, গ্রাম- বড় দৌলতপুর, থানা- কোতয়ালী, জেলা- কুমিল্লা
৩। রুবেল (২৬), পিতাঃ মিজান, সাং- চৌকিদার বাড়ী, গ্রাম- দূর্গাপুর, ওয়ার্ড- ১, থানা- সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা।
৪। মাসুদ রানা (২৩), পিতাঃ আব্দুল গফুর, সং- গ্রাম- ভুচ্চি (নুরপুর) মুক্তিযোদ্ধা জহির সাহেবের বাড়ী, থানা- লালমাই, জেলা- কুমিল্লা।
৫। মেহেদী হাসান @শাকিল (২৩), পিতাঃ শুক্কুর আলী,সাং- মোহরী বাড়ী, গ্রাম- চেংহাটা, থানা- লালমাই, জেলা- কুমিল্লা।
৬। রবিউল আলম @রফিক (২৬), পিতাঃ মৃত সুরুজ, সাং- ভুচ্চি( নুরপুর) ডাক্তার বাড়ী, থানা- লালমাই, জেলা-কুমিল্লা।
৭। রুবেল (২৮), পিতাঃ মৃত ফোরকান মিয়া, সাং- আহাম্মদপুর(ধানুর বাড়ী), থানা-নবীনগর, জেলা- ব্রাহ্মনবাড়ীয়া
৮। মোঃ রফিকুল ইসলাম @মনছুর (৪৮), পিতাঃ মোঃ শাহজাহান আলী , সাং- পায়না (প্রামানিক বাড়ী), থানা- ভেড়া, জেলা- পাবনা
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২৭.৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২ ।
১৫ এপ্রিল রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানাধীন জয়পুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ সাকিল (৩০) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ২৭.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সাকিল (৩০) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানার কৃষ্ণনগর উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত সুরুজ মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


সুইয়ের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারী ব্যক্তি এবং তাঁদের যৌনসঙ্গীদের জন্য সমন্বিত এইচআইভি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদারে কুমিল্লায় জেলা পর্যায়ের মতবিনিময় ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করে পিএসটিসি, কুমিল্লা এতে সহযোগিতা করে সেভ দ্য চিলড্রেন ও জাতীয় এইডস/এসটিডি প্রোগ্রাম।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. রেজা মো. সারোয়ার আকবর, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর নজরুল ইসলাম, বিপিএমপিএ সভাপতি ডা. আবু তাহের মুহিত, আনসার ভিডিপি কুমিল্লা রেঞ্জের মেডিকেল অফিসার ডা. রবিউল হোসেন পাটোয়ারী (রবি), মেডিকেল অফিসার সিভিল সার্জন কার্যালয়,ডা. কাউসার আল আমিন, ডা. শফিকুল ইসলাম , সাংবাদিক, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সভায় বক্তারা বলেন, সুইয়ের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীরা এইচআইভি সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকেন। তাই তাঁদের জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবহৃত সুঁই-সিরিঞ্জের নিরাপদ অপসারণ, কাউন্সেলিং, চিকিৎসা ও সামাজিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে তাঁদের যৌনসঙ্গীদের সুরক্ষায় সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, মাদকাসক্তি শুধু ব্যক্তিগত নয়, পারিবারিক ও সামাজিক সংকটও সৃষ্টি করে। কুমিল্লায় মাদকের বিস্তার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে উল্লেখ করে তাঁরা দ্রুত একটি সরকারি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানান। পাশাপাশি বেসরকারি মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোতে সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
‘বাংলাদেশে মূল জনগোষ্ঠীর জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিক এইচআইভি প্রতিরোধ সেবার ধারাবাহিকতা ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পিএসটিসির সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা.মোঃ মাসুদ রানা । সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সেন্টার ম্যানেজার মানস কান্তি দাস (অপু)।
সভা শেষে সিভিল সার্জন ডা: আলী নুর মো. বশির আহমেদ আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক :
কুমিল্লায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী জান্নাতুন নাঈম ফারিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় প্রধান আসামি ও ফারিয়ার স্বামী মেহেদী হাসান হৃদয়কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তবে একই মামলায় অভিযুক্ত তার পরিবারের অন্য চার সদস্য জামিন পেয়েছেন।
আজ রবিবার (১০ মে) কুমিল্লার ১ নম্বর আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মমিন এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী তাফসীরুল আলম।
আদালত সূত্র জানায়, মামলার প্রধান আসামি মেহেদী হাসান হৃদয় ছাড়াও তাঁর বাবা আবদুর রহিম, মা আফরোজা বেগম, ননদ রীমা আক্তার ও রীমার স্বামী জাকারিয়া আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত হৃদয়কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং বাকি চারজনের জামিন মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাতে ফারিয়ার বাবা ও স্কুল শিক্ষক মো. হানিফ কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার পর থেকে আসামিরা আত্মগোপনে ছিলেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরের দেশওয়ালীপট্টি এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামের একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাট থেকে ফারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ফারিয়া (২৩) কুমিল্লা সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১২তম ব্যাচের ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর বাড়ি জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাঁড় ইউনিয়নের কান্দাল গ্রামে।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রামের রাজারহাট ও রাজিবপুর উপজেলায় সাধারণ মানুষের কাছে দেশনায়ক তারেক রহমান এর সালাম ও শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিনিয়র সহ সভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহিয়া ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক শ্যামল মালুম।
শনিবার (১৯ অক্টোবর) সকাল থেকে রাজারহাট ও রাজিবপুর উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কের চারপাশে দোকানপাটে ও সাধারণ মানুষদের সাথে লিফলেট বিতরণ ও দেশনায়ক তারেক রহমান এর সালাম ও শুভেচ্ছা পৌঁছে দিয়েছেন। রাজারহাট উপজেলা বিএনপি, ছাত্রদল ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সাথে মতবিনিময় শেষে পথসভায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সভাপতি আবু আফসান ইয়াহিয়া বলেন সাধারণ মানুষের যেকোনো অসুবিধায় বা যেকোনো বিপদে ও প্রয়োজনে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মুহূর্তে মধ্যে পদসভাটি জন সমুদ্রে পরিণত হয়। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান আল মারজান, জেলা ছাত্রদল সভাপতি আমিমুল ইইছান, রাজারহাট ছাত্রদল মীর হোসেন রাজিবপুর উপজেলায় উপস্থিত ছিলেন রাজিবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোখলেছুর রহমান, কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাসান জোবায়ের হিমেল, রাজিবপুর উপজেলা যুব দল, ছাত্রদল,সরকারি কলেজ ছাত্রদল ও জেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন