

মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লি: ৪৭তম বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলা বিআরডিবি কার্যালয়ে উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির আয়োজনে এ সাধারন সভা হয়।
কচুয়া উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জাবের মিয়ার সভাপতিত্বে ও মুক্তিযোদ্ধা সনতোষ চন্দ্র সেনের পরিচালনায় ভার্চুয়ালি ভাবে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ এমপি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির,এসিল্যান্ড ইবনে আল জায়েদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মবিন,উপজেলা সমবায় অফিসার দেলোয়ার হোসেন ও উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা আবু সামীম,উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির সাবেক চেয়ারম্যান ছিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ
রানা,কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি ॥
চাঁদপুরের কচুয়ায় মিশুক চালক সাব্বির হোসেনকে হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ভূক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।
শুক্রবার বিকালে এলাকাবাসীর আয়োজনে উপজেলার ভূঁইয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন পালাখাল-মেঘদাইর সড়কে প্রায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিহতের মা জাহানারা বেগম,নানী সাজেদা বেগম,মামা মহিব উল্যাহ, মাওলানা কামাল হোসেন ও মহিউদ্দিন প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাব্বির হত্যার প্রায় ১০ দিন পেরিয়ে গেছে। দ্রুত মিশুক চালকের হত্যার খুনিদের গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবি জানান তারা।
মানববন্ধন শেষে আসামীদের দ্রুত খুঁজে বের করে
গ্রেফতার করতে ভূঁইয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়ক থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা
হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি বুধবার বিকালে মিশুক নিয়ে সাব্বির বাড়ি থেকে বের হলে আর বাড়ি ফিরেনি। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে পালাখাল-সেঙ্গুয়া সড়কের পাশে ডোবা থেকে মিশুক চালক সাব্বির হোসেনের হাত পা বাধা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


দুই
বছর আগেই চিত্রনায়িকা আঁচল আঁখি বিয়ে করেছেন। নায়িকা নিজেই সম্প্রতি সেই খবর প্রকাশ্যে
এনেছেন । তার স্বামী সৈয়দ অমি একজন গায়ক। মিউজিক্যাল ফিল্মে কাজের সুবাদে পরিচয় তাদের।
এরপর ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে করেন তারা।
অমির
সঙ্গে পরিচয়ের ফিরিস্তি দিতে গিয়ে আঁচল জানান, ‘ও জান রে’ শিরোনামে একটি গানের ভিডিও
চিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে অমির সঙ্গে পরিচয় তার। গানে কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি মডেলও হয়েছিলেন
অমি। অমির সঙ্গে তার অল্প পরিচয়েই হয়েছে বিয়ে। ‘ও জান রে’ গানটি রিলিজের পর সেটির এডিটিং
মুগ্ধ করে আঁচলকে। ধন্যবাদ জানাতে তিনি ফোন করেন অমিকে। তখনই নায়িকাকে ট্রিট দেওয়ার
প্রস্তাব দেন গায়ক।
এক
সপ্তাহ পর একটি রেস্তোরাঁয় আঁচল-আমির দেখা হয়। তখন আঁচলকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দেন
অমি। আঁচল এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, অমির বাড়ি কুমিল্লায়। কুমিল্লার ছেলেদের অনেক
সাহস, আমি একটা নায়িকা, আমাকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। আমি শুনে অবাক হয়েছিলাম।
তখন
আঁচল অমিকে বলেছিলেন, ‘প্রেম নয়, বন্ধুত্ব নয় সরাসরি বিয়ে প্রস্তাব, কত বড় সাহস তোমার?
আমরা তো বন্ধু হতে পারি। প্রেম হওয়ার মতো হলে পরে হবে। উত্তরে অমি জানায়, সে আঁচলকে
অনেক আগে থেকেই পছন্দ করে। তার সিনেমার ভক্ত। এ ছাড়াও সব কিছু জেনে বুঝে নিয়ে তার পরিবারের
সঙ্গে কথা বলতে আঁচলকে অনুরোধ করেন অমি।
চিত্রনায়িকা
আঁচল জানান,পরিবারের সদস্যদের সিদ্ধান্তের পরই বিয়েটা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবিদ্বারে সর্বসাধারণের
গাড়ি ভেবে পুলিশের টহল গাড়িতে ডাকাতির করতে গিয়ে অস্ত্রসহ এক ডাকাতকে গ্রেফতার করা
হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ জুন) ভোর রাতে দেবিদ্বার-চান্দিনা
সড়কের উপজেলার নবিয়াবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় তার কাছে থাকা দুই রাউন্ড কার্তুজ ভর্তি ১টি
দেশীয় এলজি বন্দুক ও দুটি রামদা উদ্ধার করা হয়। আটককৃত আসামী মোশারফ হোসেন (৩৫) বুড়িচং
উপজেলার হালগাঁও গ্রামের আবদুল মতিন মিয়ার ছেলে।
দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)
মো. নয়ন মিয়া এসব তথ্য জানিয়েছেন।
থানাসূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার
দিবাগত রাতদেড়টার দিকে দেবিদ্বার-চান্দিনা সড়কের নবিয়াবাদ এলাকার ভূইয়া বাড়ির সামনে
সর্বসাধারণের গাড়ি ভেবে থানার একটি টহল গাড়ি থামিয়ে ডাকাতির চেষ্টা করে একটি সংঘবদ্ধ
ডাকাত চক্র। পরে টহল গাড়িতে থাকা এএসআই আবদুল কাদের ও এসআই মিশন বিশ্বাস ডাকাত মোশারফকে
অস্ত্রসহ হাতেনাতে আটক করেন। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও অন্তত ১০/১২জন ডাকাত
পালিয়ে যায়।
দেবিদ্বার থানার ওসি মো: নয়ন মিয়া জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার মোশারফ অর্ধশতাধিক ডাকাতি করেছে
বলে জানিয়েছে। ডাকাতিকালে তার সঙ্গে আরও ১০/১২ ছিল, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ডাকাতির
অভিযোগে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে। মোশারফের বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায়
অস্ত্র ও ডাকাতির ১০টি মামলা রয়েছে। তার কাছ থেকে কার্তুজ ভর্তি দেশীয় বন্দুক উদ্ধার
করা হয়েছে। মোশারফসহ ৫ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাত১ ০/১২ জনের বিরুদ্ধে দেবিদ্বার
থানায় অস্ত্র ও ডাকাতির দুটি মামলা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে তাকে কুমিল্লা জেলহাজতে
পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক :
কুমিল্লা -৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, বিএনপির কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম বলেছেন, পতিত স্বৈরাচার সরকার উন্নয়নের নামে আপনার-আমার টাকা লুটপাট করেছে। লুটপাট করা সেসব অর্থ বিদেশে পাচার করে দিয়েছে। তারা উন্নয়নের নামে চিকন চিকন রাস্তা করেছে। এসব রাস্তা রাস্তা নয়, যেন মরণফাঁদ। সেসব রাস্তায় লড়ি চালানো যায় না, ট্রাক চালানো যায় না। শুধু অটোরিকশা আর মোটরসাইকেল চলে। এসব চিকন রাস্তার ফলে সড়ক দুর্ঘটনায় অনেককে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে।
আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার আলী নজিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে হাসনাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল কালাম বলেন, আমরা ক্ষমতায় এলে এই মনোহরগঞ্জকে একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করব। এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই উন্নত করব। মনোহরগঞ্জ টু ঢাকা সরাসরি এসি বাস সার্ভিস চালু করব। ডাকাতিয়া নদীর দখলকৃত অংশ পুনরুদ্ধার করে আগের যে রূপ এবং প্রবাহ ছিল, পরিবেশবান্ধব সেই রূপ ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কার্জনখালসহ আরও যেসব খাল রয়েছে, সেগুলো খনন করে প্রবাহ বৃদ্ধি করা হবে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, মনোহরগঞ্জে যত কৃষিজ জমি আছে, আমরা ক্ষমতায় এলে কৃষিকে প্রাধান্য দিব। মনোহরগঞ্জের অনেক সম্ভাবনা, সেই সম্ভবনাকে কাজে লাগাবো। আমরা ক্ষমতায় এলে মনোহরগঞ্জকে স্বর্গীয় নগরী হিসেবে গড়ে তুলব। আমরা নিরাপদ লাকসাম-মনোহরগঞ্জ গঠন করবে। মা বোনেরা যাতে পদে আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি, হাটবাজারে যেতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, আমি নির্বাচিত হলে এই দুই উপজেলাকে মাদকমুক্ত করা হবে। এই সমাজে যারা মাদক সেবন করেন, তাদের দেখলেই চেনা যায়। মাদকসেবীদের বাবা-মা যারা আছেন আপনারা আপনার সন্তানকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আমাদের সহযোগিতা নেবেন, আমরা তাদেরকে মানুষের মতো মানুষ করবো ইনশাল্লাহ।
এসময় মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ইলিয়াস পাটোয়ারী, মনোহরগঞ্জ সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. সরোয়ার জাহান দোলনসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম
সরোয়ার নির্জন হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মামলার এজাহার নামীয় অন্যতম আসামি মো: সাদেককে
গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর)
দিনগত রাতে চকরিয়া থানার ফাসিয়াখালি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে
হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন তিনি।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের চকরিয়ার
মাইজপাড়া এলাকায় মাছ ব্যবসায়ী রেজাউল করিমের বাড়িতে একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে—
এমন সংবাদে লেফটেন্যান্ট তানজিম সরোয়ার নির্জনের নেতৃত্বে যৌথবাহিনীর একটি টিম ঘটনাস্থলে
যায়। এরপর একজন ডাকাতকে আটক করলে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য তার ওপর হামলা করে ডাকাত
দল।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় লেফটেন্যান্ট
তানজিম সরোয়ার নির্জনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন— নয়ন (২৫), সামির (২৫), ইউসুফ (২৬), বন্যা (৩৭), নুর ইসলাম (২৬), আবিদ হোসেন (৩৮), লতিফ (৫০), মনোয়ার (২৪), মোল্লা রুবেল (৩২), আলামিন (৪৫), সাগর (১৯), হীরা (৩০), রুহুল আমিন (৪৩), আসলাম (২০), মুরাদ (২১), তাজউদ্দীন (৪০), মাসুম (৩৮), জাবেদ (৪১), বাবু (৩১), কাজী আরিফ (৩০), আলমগীর (৪০), বুলু (২১), জাফর (৪০), ফিরোজ (২৬), আলামিন (২০) ও ভুট্টু (৪৮)।
আজ রোববার (৫ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন,গতকাল শনিবার (৪ অক্টোবর) দিনব্যাপী মোহাম্মদপুর থানাধীন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে মাদক মামলার আসামি, পরোয়ানাভুক্ত আসামি ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরা রয়েছেন। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


শরীয়তপুর সদর উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভাষানী খানের বাড়িসহ মোট নয়টি বসতবাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি বিএনপিতে যোগ দেওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই এই হামলা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার অনুসারীরা। হামলার সময় কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের পাশাপাশি তিনটি ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গভীর রাতে সদর উপজেলার চরগয়ঘর এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ভাষানী খান আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ১৭ জানুয়ারি শরীয়তপুর-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলামের এক রাজনৈতিক সমাবেশে তিনি তার সমর্থকদের নিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন। হামলার শিকার হওয়া বাড়িগুলোর বেশিরভাগই তার অনুসারীদের বলে জানা গেছে।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, রাতের বেলায় প্রথমে ভাষানী খানের নিজ বাড়িতে হামলা চালানো হয়। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। পরে তারা দলবদ্ধ হয়ে তার সমর্থকদের আরও আটটি বাড়িতে হামলা করে। এসব ঘটনার মধ্যে তিনটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় ভাষানী খান বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি এর আগের দিন স্ত্রীসহ সন্তানদের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যান।
ভাষানীর শাশুড়ি রাশিদা বেগম জানান, ঘটনার রাতে তিনি বাড়িতেই ছিলেন। হঠাৎ ককটেলের বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। এরপর ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি জোর করে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে তাণ্ডব চালায় এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। তবে কারা বা কী কারণে এই হামলা করেছে, তা তিনি নিশ্চিত নন বলে জানান।
হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে একজন হলেন ভাষানীর সমর্থক ইদ্রিস খান। তার বসতঘরসহ ঘরের আসবাবপত্র পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ইদ্রিস খানের দাবি, চেয়ারম্যানের সঙ্গে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার কারণে স্থানীয় বিএনপির একটি অংশ তাদের ওপর ক্ষুব্ধ ছিল এবং কয়েক দিন ধরেই হুমকি দিয়ে আসছিল।
ঘটনার খবর পেয়ে শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম। তিনি এ ঘটনাকে দুঃখজনক উল্লেখ করে বলেন, সাধারণ মানুষের ওপর এ ধরনের হামলা নির্বাচনী পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান, দোষীদের দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য।
এ বিষয়ে চিকন্দী পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক গোলাম রাসূল জানান, শৌলপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বাড়িসহ মোট নয়টি বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং তিনটি ঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। এখনো হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল থেকে তিনটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
নাঙ্গলকোটে আলোচিত গণধর্ষনের ঘটনায় জড়িত একজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ০৯/০১/২০২৫ ইং তারিখ দুপুর ১ টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানাধীন নুরপুর সাকিনস্থ সেবাখোলা বাজারের খোকন স’মিলের টিনের ঘরের ভিতর দুই নারীকে গনধর্ষণ এর ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম লাকি বেগম (৪০) বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে একটি গনধর্ষণ মামলা দায়ের করে। উক্ত ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ২৯ জানুয়ারী দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন ধামতী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ধর্ষন মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামী মোঃ খোকন (৪২), পিতা-আলী মিয়া, সাং-করের ভোমরা, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লাকে গ্রেফতার করা হয়।
ধৃত
আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিকটিম মায়া খাতুন (২০) এর সাথে ১ নং আসামী
সহিদ (২৬) এর প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। ঘটনার দিন সকালে আসামী সহিদ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে
ভিকটিমকে দেখা করার জন্য আসতে বলে। তখন ভিকটিম মায়া খাতুন তার সাথে অন্য ভিকটিম লাকি
বেগম (৪০)’কে নিয়ে বাঙ্গড্ডা বাজারে গেলে আসামী সহিদ ভিকটিমদ্বয়কে নিয়ে অটোরিক্সাযোগে
বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাফেরা করে এবং একপর্যায়ে ভিকটিম মায়া খাতুন’কে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব
দেয়। ভিকটিম মায়া উক্ত প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। পরবর্তীতে
আসামী সহিদ সুযোগ বুঝে ভিকটিমদ্বয়কে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় এবং তার পরিকল্পনা মোতাবেক
সেখানে পূর্ব থেকে ৭-৮ জন অবস্থান করছিল। ভিকটিমদ্বয়কে সেখানে নেয়ার পর আসামী সহিদ’সহ
অন্যান্য ৭-৮ জন আসামী মিলে ভিকটিমদ্বয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ
করে এবং কাউকে কিছু না বলার ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে। পরবর্তীতে ধৃত আসামীসহ অন্যান্য আসামীরা
গ্রেফতার এড়াতে আত্নগোপনে চলে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ২৪ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় মাদক ট্যাপেন ট্যাডল ট্যাবলেট আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকালে কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ গোলাবাড়ী পোষ্টের টহলদল সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালায়। অভিযানে সীমান্ত পিলার ২০৮১/৮-এস থেকে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কেরানীনগর এলাকায় চোরাচালানকৃত মাদকদ্রব্যগুলো জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, আটককৃত মাদকদ্রব্যের সংখ্যা ২,৪০০ পিস এবং বাজারমূল্য প্রায় ২৪ লাখ টাকা। এগুলো সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হচ্ছিল।
উল্লেখ্য, বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে, যা সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আটককৃত মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় আপেল বরই কিংবা কুল চাষে সফল হয়েছেন শহীদ বেপারী। প্রথমবারই সফলতার মুখ দেখেছেন তিনি। প্রতিদিন বিক্রি করছেন বাগানের বরই। কোনো ধরনের কীটনাশক ছাড়া উৎপাদিত এ বরইয়ের বেশ চাহিদা আছে।
সরেজমিনে জানা গেছে, পালাখাল গ্রামের নয়াবাড়ির অধিবাসী কৃষক শহীদ বেপারী ২২ শতক জায়গায় গড়ে তোলা বরই বাগান পুরোটা নেট দিয়ে ঘেরা। ভেতরে প্রবেশ করে গাছে ঝুলতে দেখা যায় সবুজ-হলুদ ও লালচে থাই-বলসুন্দরী বরই। বিক্রির জন্য শহীদ বেপারীসহ কয়েকজন গাছ থেকে বরই তুলে ব্যাগে রাখছেন। আকারে বড় ও স্বাদে সুমিষ্ট হওয়ায় বাগানেই বিক্রি হয়ে যায় সব বরই।
কৃষক শহীদ বেপারী বলেন, অনেক বছর ধরে কৃষিকাজ করছি। বাড়ির পাশে প্রথমে ২২ শতক জায়গায় বলসুন্দরী ও থাই জাতের বরই গাছ লাগাই। সাতক্ষীরা থেকে চারা সংগ্রহ করেছি। এ পর্যন্ত ৪০ হাজার টাকার বরই বিক্রি করেছি। গাছে যে পরিমাণ বরই আছে, আশা করছি লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবো।
কচুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, কম খরচ ও পরিচর্যায় বেশি ফলন পাওয়ায় বরই চাষে আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় চাষিদের। বলসুন্দরী ও থাই জাতের বরই অনেক সুস্বাদু। শহীদ বেপারী এ জাতের বরই চাষ করে প্রথম বছরই সফল হয়েছেন। বরই চাষে কোনো কৃষক আগ্রহ হলে কৃষি অফিস থেকে বিভিন্ন পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
মন্তব্য করুন