

কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৭ জন।
শুক্রবার (১৭ মে) ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথ বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় গাড়ির ভেতর থেকে নিহত পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ ত্রিনাথ চন্দ্র সাহা বলেন, ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী রিলাক্স পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ৫ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


সবুজের মাঝে ফুটে আছে গোল গোল ফুল। কোনোটি হলুদ, কোনোটি বেগুনি রঙের। কাছে গেলে ভুল ভাঙে। কারণ এগুলো রঙিন ফুলকপি। কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার শিবপুর গ্রামের মাঠে এই দৃশ্য দেখা যায়। এই জেলার ১৭টি উপজেলায় জনপ্রিয় হচ্ছে রঙিন ফুলকপি চাষ। চাহিদা বেশি ও স্বাদ ভালো হওয়ায় ভালো দাম পাচ্ছেন কৃষক। আগামীতে তারা আরও বেশি জমিতে চাষ করবেন বলে জানিয়েছেন।
শিবপুর মাঠে গিয়ে দেখা যায়, পাশের গ্রামের উৎসুক মানুষ রঙিন ফুলকপির জমির পাশে ভিড় করছেন। কেউ ফুলকপি কিনতে এসেছেন। কেউ জানতে এসেছেন কোথায় এর বীজ পাওয়া যায়। অনেকে ফুলকপি ধরে দেখছেন। হাত দিয়ে পরীক্ষা করছেন- রং আসল না কৃত্রিম!
শিবপুর গ্রামের কৃষক খলিলুর রহমান বলেছেন, দেড় যুগ ধরে সবজি চাষ করি। এ্ই প্রথমবার ১৫ শতক জমিতে রঙিন ফুলকপি চাষ করেছি। প্রথমে মানুষ হাসাহাসি করেছে, ভালো ফলন হবে না বলে মন্তব্য করেছে। ফলন দেখে এখন অনেকে চাষের আগ্রহ প্রকাশ করছেন। প্রতিটি ফুলকপি বড়গুলো ৭০-৮০ টাকা, ছোটগুলো ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি করছি। বৃষ্টিতে কিছু সমস্যা হয়েছে, না হলে আরও ভালো ফলন পেতাম।
স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেছেন, শিবপুরে প্রথম রঙিন ফুলকপির চাষ হয়েছে। এ চাষ দেখে অন্য কৃষকরাও আগ্রহ প্রকাশ করছেন। সাধারণ ফুলকপির চেয়ে এর দাম ভালো পাচ্ছেন কৃষক।
উপজেলা কৃষি অফিসার বানিন রায় বলেছেন, আমরা কয়েকজন কৃষককে রঙিন ফুলকপির বীজ দিয়েছি। তার মধ্যে শিবপুরের মাঠে ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকদের মধ্যে রঙিন ফুলকপি চাষের আগ্রহ বাড়ছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা:
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ইউপি সদস্য আলাউদ্দিনকে বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি শেখ ফরিদকে (৪৫) ঢাকার মগবাজার রেলগেট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গতকাল শুক্রবার (৮ আগস্ট) মধ্যরাতে অভিযান চালিয়েছে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার শেখ ফরিদ নাঙ্গলকোট উপজেলার বক্সগঞ্জ আলীয়ারা গ্রামের বাসিন্দা।
আজ শনিবার (৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিল্লা শাকতলা এলাকায় র্যাব অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১১ এর কুমিল্লার কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম এ তথ্য জানান।
মেজর সাদমান বলেন, নাঙ্গলকোটের আলিয়ারা গ্রামে দুই পরিবারের মধ্যে বংশপরম্পরায় বিরোধ চলে আসছিল। গত ২৫ জুলাই গরুর ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেদিন দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৫ জন গুলিবিদ্ধসহ মোট ২৫ জন আহত হন।
এ ঘটনার রেশ ধরে ৩ আগস্ট দুপুরে আলিয়ারা গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন তার চাচাতো ভাইয়ের জানাজার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা তাকে একটি সিএনজিতে তুলে নিয়ে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে। পরে ৫ আগস্ট নিহত আলাউদ্দিনের ছেলে বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় হত্যা মামলা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৭৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,সিপিসি-২।
রবিবার (৩০ জুন) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন
কনেশতলা বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী শিশু মিয়া (২৫) নামের
একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৭৫ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক
পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী শিশু মিয়া (২৫) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার ধনপুর গ্রামের জামাল মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত
সিএনজি গাড়ি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ
করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয়
করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
কুমিল্লা মহেশাঙ্গণ শ্রী শ্রী লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক হারাধন ভৌমিক ও কুমিল্লা সরকারি কলেজের প্রাক্তন ভিপি চিত্তরঞ্জন ভৌমিক এর গর্ভধারিনী মাতা এবং চট্টগ্রাম মিরসরাই উপজেলার আবুতোরাবস্থিত শ্রী শ্রী জগন্নাথ ধাম, শিব মন্দির ও কালীমাতা বিগ্রহ বাড়ী পরিচালনা পরিষদের প্রাক্তন উপদেষ্টা স্বর্গীয় গোপাল কৃষ্ণ ভৌমিক এর সহধর্মিণী এবং শ্রী শ্রী মা নয়নমণি শ্রীধাম পরিচালনা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শ্রী মিহির কান্তি নাথের শাশুড়ী মাতা স্বর্গীয় কিরণ বালা ভৌমিক এর শ্রাদ্ধানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
গত বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) মৃতার নিজ বাসায় শ্রাদ্ধকার্য অনুষ্ঠিত হয়।
তদুপলক্ষে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান শেষে পরদিন শুক্রবার দুপুরবেলা কুমিল্লা মহেশাঙ্গণে শাকান্নভোজ এর আয়োজন করা হয়।
উল্লেখ যে, চলতি বছর ২৯ অক্টোবর মঙ্গলবার প্রয়াত কিরণ বালা ভৌমিক বার্ধক্যজনিত কারণে ইহলোকের মায়ামমতা ত্যাগ করে পরলোকগমন করেন। তিনি মৃত্যুকালে হারাধন ভৌমিক, চিত্তরঞ্জন ভৌমিক, অমূল্য ধন ভৌমিক, পূর্ণধন ভৌমিক, জর্নাধন ভৌমিককে ০৫ (পাঁচ) পুত্র এবং বর্ণানী ভৌমিক ও জয়ন্ত ভৌমিককে (০২) দুই কন্যা, পুত্রবধূ, নাতি-নাতনি ও আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা লাকসাম থানার আলোচিত ও ক্লুলেস
মো. শাহজাহান প্রকাশ সাইমন (১৭) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
গত ৩ সেপ্টেম্বর লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত কোয়ার্টারের ভেতরে খাটের ওপর সাইমনের মৃতদেহ সাদা কাপড়ে মোড়ানো
অবস্থায় পাওয়া যায়। লাশের গলা কাটা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। মৃতদেহ থেকে পচা রক্ত
ও পানি বের হচ্ছিল।
পরে সাইমনের পিতা আবদুল হান্নান বাদী
হয়ে লাকসাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে কুমিল্লা পুলিশের একটি
বিশেষ দল সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থেকে প্রধান
আসামি আব্দুল ওয়াদুদ প্রকাশ মানিক (২৪) কে রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে
মানিকের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাইমনের অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার এবং অপর আসামি
মো. সানাউল্লাহ (২৪) কে লাকসাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে মানিক স্বীকার
করে, সানাউল্লাহর সাথে সাইমনের পূর্বের একটি মাদক সেবন নিয়ে ঝগড়া হয়েছিল এবং সাইমন
সানাউল্লাহর মোবাইল নিয়ে যায়। এই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে তারা সাইমনকে হত্যার পরিকল্পনা
করে। হত্যাকাণ্ডের দিন তারা সাইমনকে লাকসাম হাসপাতালের পরিত্যক্ত কোয়ার্টারে নিয়ে যায়,
সেখানে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে মানিক কাঠের লাঠি দিয়ে সাইমনের মাথায় আঘাত করে এবং সানাউল্লাহ
ব্লেড দিয়ে তার গলা কাটে।
গ্রেফতার মানিক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশ এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত র্যাব কর্মকর্তা মো. মোতালেব হোসেনের কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে এখন শুধু শোকের মাতম। কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামে তাঁর বাড়ি। স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী এখনো বিশ্বাস করতে পারছেন না যে মানুষটি হাসিমুখে গ্রামের সবার সঙ্গে সময় কাটিয়ে গত শনিবার কর্মস্থলে ফিরে গেছেন, আজ তিনি ফিরছেন লাশ হয়ে।
অলিপুর গ্রামের প্রয়াত আবদুল খালেক ভূঁইয়ার ১১ সন্তানের মধ্যে সবার ছোট মোতালেব হোসেন। শিক্ষাজীবন শেষে চাকরিতে যোগ দিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ঢাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন তিনি। স্ত্রী শামসুন্নাহার, বড় ছেলে মো. সাকিব, মেয়ে শামিমা জান্নাত ও ছোট মেয়ে মুনতাহাকে নিয়ে ছিল তাঁর সংসার। বড় ছেলে সাকিব কলেজে পড়ে, মেয়ে শামিমা জান্নাত এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং ছোট মেয়ে মুনতাহা পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, স্বজনদের সঙ্গে সময় কাটাতে গত শুক্রবার ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন মোতালেব হোসেন। বাড়িতে এলে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকার মানুষের সঙ্গে আন্তরিকভাবে সময় কাটান তিনি। গ্রামের মসজিদ, বাড়ির উঠান কিংবা পাশের বাড়িগুলোতে গিয়ে সবার খোঁজখবর নিতেন তিনি। ছুটি শেষে শনিবার কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার পর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ হারান এই র্যাব কর্মকর্তা। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার ও গ্রামে নেমেছে গভীর শোকের ছায়া। কান্নায় ভেঙে পড়েন স্ত্রী শামসুন্নাহার, সন্তান ও স্বজনেরা। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, বাড়ি ছাড়ার সময় মোতালেবের ছোট মেয়ে বারবার বাবাকে যেতে মানা করছিল। বড় মেয়ে শামিমা জান্নাতও চাইছিল, বাবা আরও কয়েক দিন বাড়িতে থাকুন। অনেক বুঝিয়ে সন্তানদের রেখে দায়িত্বে ফিরে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বিদায়ই যে শেষ বিদায় হবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।
নিহতের বড় ভাই মো. জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘আমার আট ভাইয়ের মধ্যে মোতালেব সবার ছোট। লেখাপড়া শেষ করে সে চাকরিতে যোগ দেয়। ছুটিতে বাড়িতে এলে এলাকার সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকত। শুক্রবার বাড়িতে এসেছিল, শনিবার দুপুরে বের হওয়ার সময় তার মেয়ে বারবার আটকাতে চেয়েছিল। অনেক বুঝিয়ে সে চাকরিতে যায়। তার সৎ চাকরির কারণে তেমন কিছুই করতে পারেনি। ধারদেনা করে বাড়ির কাজ ধরেছিল। কিন্তু শেষ করে যেতে পারল না। আমরা আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
নিহতের বোন আনজুম আরা বেগম মুন্নি বলেন, ‘আমার ভাই একজন দেশপ্রেমিক মানুষ ছিলেন। পরিবার আর সন্তানের চেয়েও দায়িত্ব ও দেশকে বেশি গুরুত্ব দিতেন। শেষবার যখন বাড়িতে এসেছিল, তখন সন্তানেরা যেন অজানা আশঙ্কায় বারবার তাকে যেতে নিষেধ করছিল। আরও কিছুদিন ছুটি নিয়ে বাড়িতে থাকার অনুরোধ করেছিল। এত অনুরোধের পরও সে চাকরিতে ফিরে গিয়েছিল, আর সেখানেই হত্যার শিকার হলো। আমরা এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আমরা আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের বিচার চাই।’
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে জানাজা শেষে নিজ বাড়ির সামনের মসজিদের পাশেই মোতালেব হোসেনকে দাফন করা হবে।
কালিরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘মোতালেব হোসেন ছিলেন অত্যন্ত নম্র, ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের মানুষ। তাঁর এমন মৃত্যু শুধু পরিবারের নয়, পুরো এলাকার জন্যই অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ফুটবল ম্যাচ শেষে ফেরার পথে খেলোয়াড় ও সমর্থকবাহী একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র আব্দুল্লাহ আল ইমন (১৪) নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে উপজেলার বাকশিমুল উত্তরপাড়া এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইমন হরিপুর উত্তরপাড়া এলাকার শফিউল আলমের ছেলে এবং হরিপুর সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে “এলইডি টিভি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট”-এর ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় হরিপুর উত্তর একাদশ ও হরিপুর দক্ষিণ একাদশ মুখোমুখি হয়। উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় হরিপুর দক্ষিণ একাদশ বিজয়ী হয়।
খেলা শেষে খেলোয়াড় ও সমর্থকরা একটি ট্রাকে করে নিজ নিজ গ্রামে ফিরছিলেন। পথে বুড়িচং-কালিকাপুর সড়কের বাকশিমুল উত্তরপাড়া এলাকায় পৌঁছালে ট্রাকচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের গভীর খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। সেখানে ইমনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। কিন্তু সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ইমনের মৃত্যুর খবরে তার পরিবার, সহপাঠী ও সমগ্র হরিপুর উত্তরপাড়া এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল হক বলেন, “খেলা শেষে ফেরার পথে খেলোয়াড় ও সমর্থকদের বহনকারী ট্রাক খাদে পড়ে একজন নিহত হয়েছেন। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।”
শনিবার সকালে জানাজা শেষে ইমনের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫২ কেজি গাঁজা সহ ১জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
গতকাল (১৫জানুয়ারী) জেলা গোয়েন্দা শাখা কুমিল্লায় কর্মরত এসআই (নিঃ) আরিফুল ইসলাম, এএসআই গিয়াস উদ্দিন, এএসআই মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানাধীন চট্টগ্রাম-টু-ঢাকা গামী মহাসড়কের মিয়া বাজার সাকিনস্থ প্রতাপপুর রাস্তার মাথায় একটি পুরাতন কাভার্ডভ্যান গাড়ী আসতে দেখে গাড়ীটি থামানোর জন্য চালককে সংকেত দিলে চালক সহ গাড়ীতে থাকা অপর একজন ডিবি পুলিশকে চিনতে পেরে চালক উক্ত স্থানে গাড়ীটি থামিয়ে কৌশলে গাড়ীর দরজা খুলে দ্রুত পালিয়ে যায় এবং গাড়ীর ভিতরে চালকের পাশের সিটে বসা মোঃ লাবলু কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মোঃ লাবলু (২৯), পিতা-মৃত নুরুন্নবী, মাতা-মনোয়ারা বেগম, গ্রাম-মির্জানগর (জয় মিয়ার বাড়ী), থানা-মেঘনা, জেলা-কুমিল্লা, বর্তমান ঠিকানা- গ্রাম-তারাবৌ ভরাবৌ বাজার (আতাউর রহমান এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া), থানা-রূপগঞ্জ, জেলা-নারায়নগঞ্জ। কাভার্ডভ্যান গাড়ীটি তল্লাশী করে গাড়ীর পিছনের বডিতে ৩টি প্লাষ্টিকের বস্তার ভিতরে রাখা সর্বমোট ৫২কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।
উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল:
কুমিল্লা টমছম ব্রিজ বাজারে অনিয়মের
অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
কুমিল্লা।
আজ ডিমসহ নিত্যপণ্যের বাজারে তদারকি
কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এসময় অনিয়মের অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
করা হয় এবং একটি পরিমাপক যন্ত্র বিনষ্ট করা হয়। সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিফলেট
ও প্যাম্পলেট বিতরণ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলাম।
এ তদারকি কার্যক্রমে জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের প্রতিনিধি, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর একে আজাদ এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ও সুবিধা নিশ্চিত করতে শনিবার ভ্রাম্যমান আদালত একটি বিশেষ পরিচালনা করে ।
রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে দালাল নির্মুলের লক্ষ্যে ভ্রাম্যমান আদালতের বিশেষ অভিযানে জুয়েল নামের এক দালালকে গ্রেফতার করে তার পকেট থেকে একটি ইয়াবা ট্যাবলেট ও সেবনের যন্ত্রাংশ পাওয়া যায় ।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ও সাধারণ রোগীদের ঠকিয়ে দালালি করার অপরাধে জুয়েল নামের দালালকে ৩ মাসের জেল ও ৫০ টাকা জরিমান করা হয় ।
জরিমানা দিতে ব্যর্থ হইলে আরো সাত দিন জেল খাটতে হবে বলে এই আদেশ দেন এসিল্যান্ড ভূমি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান।
রোগীদের সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ও সুবিধা নিশ্চিত করতে সামনের দিনগুলোতেও এমন অভিযান চলমান থাকবে বলে জানা যায়।
মন্তব্য করুন