

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেছেন, বিএনপি যতবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে, ততবারই কুমিল্লার উন্নয়নে কাজ করেছে। বর্তমানেও কুমিল্লাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও উন্নত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী সদর দক্ষিণকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে দিয়েছেন। আমার পক্ষ থেকেও কুমিল্লার উন্নয়নে যা যা করা সম্ভব, আমি করে যাব। কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)-এর আইন আমার হাত দিয়েই সংসদে পাস হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় টাউনহল মাঠে নাগরিক সমাবেশের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, কুমিল্লাকে একটি পরিকল্পিত নগরীতে রূপ দিতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের অংশ হিসেবে কুমিল্লা থেকে সরাসরি কক্সবাজার পর্যন্ত রেল যোগাযোগ চালুর বিষয়ে রেল উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, এই সরকারের আমলেই কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন হবে বলে আমরা আশাবাদী। পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি কৃষি কোর্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা এ অঞ্চলের উচ্চশিক্ষা ও কৃষি গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০০ শয্যা রয়েছে। এ হাসপাতালকে আরও সম্প্রসারণ করে অতিরিক্ত ৫০০ থেকে এক হাজার শয্যার সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় কুমিল্লায় সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। সকলের অংশগ্রহণেই দেশ আরও এগিয়ে যাবে।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমীরুজ্জামান আমীরে সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা-০৬ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকার সোহরাওয়ার্দী
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একাধিক চিকিৎসকের
ওপর হামলা করে দুষ্কৃতকারীরা। এ সময় হামলাকারীদের সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার
দিকে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলের একাধিক চিকিৎসক ও ইন্টার্ন চিকিৎসক
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ইন্টার্ন চিকিৎসকরা
জানান, মাল্টি অর্গাম ফেইলিউর একজন রোগী আইসিইউতে ভর্তি ছিল। তার অ্যাজমার সমস্যা ছিল।
সেখানে তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। যা ক্লিনিক্যালি আমাদের চিকিৎসকরা প্রুভ
করেছেন। মারা যাওয়ার পর কয়েকজন ব্যক্তি চিকিৎসকদের ওপর হামলা করে। আমাদের মনে হয় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে
কোনো একটি গোষ্ঠী এ ধরনের হামলা চালাচ্ছে।
জানা যায়, পরে পুলিশ এবং চিকিৎসকদের
উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। হামলাকারীদের সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


যুব ক্রীড়া এবং কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের দেশের বিভিন্ন সেক্টরে ইভিল প্র্যাকটিস হয়ে আসছিল। যার মধ্যে অন্যতম ছিল বাজার খাত। যে কারণে প্রতিবছরই কোনো না কোনো পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এ বছরে ডিমের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে গেছে। এর পেছনে মূলত দায়ী চাঁদাবাজি এবং সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম। আমরা সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ভাঙার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) টিসিবি কার্যালয়ের সামনে ফসল ডট কম কর্তৃক আয়োজিত ন্যায্যমূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, সাসটেইনেবল দামে পণ্য বিক্রি করায় ফসল ডটকমকে স্বাগত জানাচ্ছি। আমরা অন্যদেরও আহ্বান জানাব, তারা যেন এ ধরনের উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসে। প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে লোনের ব্যবস্থাও করা হবে। যারা সিন্ডিকেট করে তারা ব্যবসা নিয়ে সারাক্ষণ চিন্তায় থাকে। এমনটা যাতে না হয়, সে জন্য আমরা উদ্যোক্তারদের পাশে থাকব।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম উদ্দিন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের
সচিব এ এইচ এম
শফিকুজ্জামান, জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


২০২৫ সালে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা পুনর্বিন্যাসকৃত (সংক্ষিপ্ত) সিলেবাস অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
সোমবার এই বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এইচএসসি পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অধ্যক্ষদের এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত ২৮ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুষ্ঠিত সভায় ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সিলেবাস বিষয়ক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সিলেবাস ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
কমিশন (ইসি) আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনভিত্তিক ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ
করছে। আইন অনুযায়ী নির্বাচনের ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশের করার বিধান রয়েছে।
আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ
সরকারি মুদ্রণালয়ে ধারাবাহিকভাবে গেজেট ছাপানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা।
ইসির
অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, এবার ৪ হাজার ১০৩টি ভোটকেন্দ্রে চূড়ান্ত করা
হয়েছে।
কর্মকর্তারা
জানান, গত ৪ ডিসেম্বর থেকে ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ শুরু হয়। এটি ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন
করা হবে।
ইসির
উপসচিব (নির্বাচন সমন্বয় ও সহায়তা শাখা) মো. মাহবুব আলম শাহ স্বাক্ষরিত ভোটকেন্দ্রের
গেজেট সকলের জ্ঞাতার্থে প্রকাশ করছে ইসি সচিবালয়। এতে ভোটকেন্দ্রের ক্রমিক নম্বর, ভোটকেন্দ্রের
নাম ও অবস্থান, ভোটকক্ষের সংখ্যা, ভোটার এলাকা, পুরুষ, নারী, হিজড়া ভোটার এবং মোট ভোটার
সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে।
ইসির
অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছিল ২ হাজার
৭১৬টি। তারমধ্যে বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তারা বাতিল করেছেন ৭৩১টি, যা মোট দাখিলকৃত
মনোনয়নপত্রের ২৬ দশমিক ৯২ শতাংশ বা ২৭ শতাংশ। আর বৈধ হয়েছে ১ হাজার ৯৮৫টি মনোনয়নপত্র,
যা দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের ৭৩ দশমিক ০৮শতাংশ বা ৭৩ শতাংশ।
ইসি
সচিব মো. জাহাংগীর আলম জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫৬১টি আপিল
আবেদন জমা পড়েছে। আর ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর শুনানি আপিল আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন
কমিশন।
ইসি
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা
প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনি প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।
আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি। এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার
৬৩৩ জন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বাংলাদেশে কর্মরত বহুজাতিক কোম্পানিসমূহের শীর্ষ নির্বাহীদের সরকারের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে
কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশকে তুলে ধরার পাশাপাশি বিদ্যমান
ব্যবসায়িক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, এক টিমের সদস্য হিসেবে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা দেশের জন্য একটি
টিম।
তিনি শীর্ষ নির্বাহীদের উদ্দেশ্যে বলেন,
‘আপনারা দেশের র্ব্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হয়ে উঠুন, যা সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে
আসতে উৎসাহিত করবে।’
আজ মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বাংলাদেশে কর্মরত বহুজাতিক কোম্পানিসমূহের
আবাসিক প্রধানদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ আহ্বান জানান।
শীর্ষ নির্বাহীগণ বাংলাদেশে ব্যবসা
ও বিনিয়োগের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করেন।
এসময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে
সিদ্দিকী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল
কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং জাতীয় রাজস্ব
বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
ব্যবসায়ী নেতারা সরকারের কাছে লাইসেন্সিং
এবং করহার ও করনীতির পূর্বানুমেয়তা নিশ্চিত করা, সহজে ব্যবসা করার পরিবেশ উন্নত করা,
বিডার ওয়ান-স্টপ সার্ভিস আরও কার্যকর এবং ক্রেডিট রেটিং উন্নত করার আহ্বান জানান।
তারা বলেন, এগুলো করা গেলে বিনিয়োগকারীরা
তখন বাংলাদেশে আসতে উৎসাহিত হবে।
ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ শ্রম অধিকার সংস্কারের
জন্য সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এক্ষেত্রে তাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার
আশ্বাস দেন।
প্রধান উপদেষ্টা নির্বাহীগণকে ব্যবসা
পরিচালনায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,
‘ব্যবসা পরিচালনায় যেসব সমস্যা রয়েছে তা চিহ্নিত করতে সাহায্য করুন যাতে আমরা সেগুলোর
সমাধান করতে পারি’।
লুৎফে সিদ্দিকী প্রধান নির্বাহীকে একটি
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মানদণ্ড হিসেবে অভিহিত করেন।
তিনি বলেন, আগে সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের
বিশ্বাসের ঘাটতি ছিল। আমাদের সেটি দূর করতে হবে।
আশিক চৌধুরী জানান, ব্যবসায় কার্যক্রম
সহজ করতে বিডায় রিলেশনশিপ ম্যানেজার পদ চালু করা হচ্ছে।
আশিক চৌধুরী আরও জানান, তিনি এবং বিশেষ
দূত লুৎফে সিদ্দিকী আগামী মাসে সিঙ্গাপুরে গিয়ে রেটিং এজেন্সিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবেন।
এনবিআর চেয়ারম্যান ন্যাশনাল সিঙ্গেল
উইন্ডো চালু করার কথা উল্লেখ করে বলেন, এই ব্যবস্থা ব্যবসা পরিচালনা উল্লেখযোগ্যভাবে
সহজ করে দিবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিলিভার বাংলাদেশ
লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাভেদ আখতার, শেভরন বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা
পরিচালক এরিক এম. ওয়াকার, গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান, হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং
কর্পোরেশন লিমিটেডের (এইচএসবিসি) সিইও মো. মাহবুব উর রহমান, মেটলাইফ বাংলাদেশের সিইও
মুহাম্মদ আলাউদ্দিন আহমদ, এসজিএস বাংলাদেশ লিমিটেডের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুর
রশিদ, সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এম. এইচ. এম. ফাইরোজ,
কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন পিএলসির সিইও নাজিথ মীওয়ানাজ, ওরাকল বাংলাদেশের কান্ট্রি
ম্যানেজিং ডিরেক্টর রুবাবা দৌলা, মারুবেনি কর্পোরেশনের কান্ট্রি হেড মনাবু সুগাওয়ারা,
বারাকা পাওয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফয়সল আহমেদ চৌধুরী, লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেডের
সিইও মোহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী, ডিএইচএল ওয়ার্ল্ডওয়াইড এক্সপ্রেস বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেডের
ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিয়ারুল হক এবং ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের কান্ট্রি হেড
সুমিতাভ বসু।
মন্তব্য করুন


রাত
১টার মধ্যে দেশের ১৫টি জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া
অধিদপ্তর। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
অঞ্চলগুলো
হলো- পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল,
পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্রগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট।
মঙ্গলবার
(১৬ জুন) বিকেল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া
পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে
বলা হয়, এসব অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার
বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
মন্তব্য করুন


দেশের
আট অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস
দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
বৃহস্পতিবার
(২ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় পূর্বাভাস কেন্দ্র থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে
এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া
অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম,
কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায়
৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি
হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আজ
সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেওয়া অপর এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের
অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু
জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি
বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী
বর্ষণ হতে পারে।
তবে
বৃষ্টি হলেও সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে
আবহাওয়া অধিদপ্তর।
মন্তব্য করুন


গভীর
গর্ত বা নলকূপে পড়ে যাওয়া শিশুদের দ্রুত ও নিরাপদে উদ্ধারের জন্য একটি বিশেষ খাঁচা
উদ্ভাবন করেছেন নাটোরের কৃষক তারা মিয়া। সম্পূর্ণ নিজস্ব ভাবনা থেকে তৈরি করা এই উদ্ভাবনী
যন্ত্রটির কার্যকারিতা সম্প্রতি পর্যবেক্ষণ করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের
মহাপরিচালকও।
গত
রবিবার (৭ জুন) নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচলে অবস্থিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মাল্টিপারপাস
ট্রেনিং গ্রাউন্ডে এর একটি সফল প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিস ও
সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামালসহ
অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে এই মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।
প্রদর্শনীর
অংশ হিসেবে ট্রেনিং গ্রাউন্ডে কৃত্রিমভাবে ৪০ ফুট গভীর একটি গর্ত তৈরি করে সেখানে ১৫
কেজি ওজনের একটি শিশুর ডামি ফেলা হয়। এরপর কৃষক তারা মিয়া তার উদ্ভাবিত খাঁচার সাহায্যে
অত্যন্ত সফলভাবে ডামিটি উদ্ধার করে দেখান। মূলত একটি সুতার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত বিশেষ
লক সিস্টেম ব্যবহার করে এই খাঁচাটি গর্তে আটকে পড়া ভিকটিমকে নিরাপদে টেনে তুলতে সক্ষম।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই উদ্ভাবনের খবর ফায়ার সার্ভিসের
মহাপরিচালকের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি রাজশাহীর বিভাগীয় উপপরিচালকের মাধ্যমে তারা মিয়াকে
এই প্রদর্শনীর জন্য আমন্ত্রণ জানান। পেশায় কৃষক হয়েও এমন একটি মানবিক ও কারিগরি উদ্যোগ
নেওয়ার পেছনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন তারা মিয়া। তিনি জানান, ২০২৫ সালে রাজশাহীর
তানোরে গর্তে পড়ে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু তাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। সেই ঘটনার
পর থেকেই তিনি এমন একটি যন্ত্র তৈরির কথা ভাবতে শুরু করেন, যার মাধ্যমে উদ্ধারকারীদের
জটিলতা কমিয়ে দ্রুততার সঙ্গে শিশুদের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়। নিজের এই সাধারণ উদ্ভাবনটি
ফায়ার সার্ভিসের মতো একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান মূল্যায়ন করায় তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ করেন।
কৃষক
তারা মিয়ার এই অনন্য ও সময়োপযোগী উদ্ভাবনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ফায়ার সার্ভিস
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তিনি তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, খাঁচাটির কারিগরি
দিকগুলো বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে আরও গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় সংস্কার
ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে এটিকে ভবিষ্যতে ফায়ার সার্ভিসের নিয়মিত উদ্ধারকাজের উপযোগী
ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ২ হাজার ২৬৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা
ব্যয়সংবলিত ৮টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ২ হাজার
২২৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩৭ কোটি ২৮ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার
(৯ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন
দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। অনুমোদিত
প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩টি নতুন প্রকল্প, ৩টি সংশোধিত প্রকল্প এবং ২টি মেয়াদ বৃদ্ধি
পাওয়া প্রকল্প।
সভায়
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ,
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং
বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী
শেখ রবিউল আলমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
একনেক
সভায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘বরিশাল সেচ প্রকল্পের
রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের
আওতায় ‘আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথ
মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।
এ
ছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘বাংলাদেশের ৩৩টি জেলায় সার্কিট হাউস এবং ঠাকুরগাঁও জেলা
প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট সংযোজন’ প্রকল্প এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ
মন্ত্রণালয়ের ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ প্রকল্প-২’
অনুমোদিত হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)-এ
ক্যান্সার সেন্টার নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়)’ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।
শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ‘মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও তথ্যব্যবস্থা
(এমইএমআইএস) সহায়তা’ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন এবং ‘দেশের
৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ স্থাপন’ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন। অন্যদিকে
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন
লাইনের ক্ষমতা বৃদ্ধি’ প্রকল্পের প্রথম সংশোধন অনুমোদন করা
হয়েছে।
সভায়
পরিকল্পনা মন্ত্রীর অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়সংবলিত আরও ৬টি প্রকল্প সম্পর্কে
একনেককে অবহিত করা হয়। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে দেশের ৩০টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও
স্যানিটেশন প্রকল্প, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও যান্ত্রিক
পার্কিং স্থাপন প্রকল্প, নাগরিক পর্যায়ে ডাকসেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প, ঢাকা সেনানিবাসে
সামরিক প্রকৌশল সেবা (এমইএস) প্রশিক্ষণ সেলের অবকাঠামো সম্প্রসারণ প্রকল্প, বাংলাদেশে
বাল্যবিবাহ নিরসনে কার্যক্রম ত্বরান্বিতকরণ (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্প এবং খুলনায় পাইকগাছা
কৃষি কলেজ স্থাপন প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধন। সভায় জানানো হয়, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের
মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বিদ্যুৎ
সঞ্চালন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত
হবে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের নেতৃত্বের বর্তমান বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে কেবল একটি
কর্তব্য নয়, বরং মানবতার প্রতি এক বড় নৈতিক দায়িত্ব মনে করে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র
প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার
(২১ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। । মরক্কোর
রাজধানী রাবাতে অনুষ্ঠিত ‘ফ্রাংকোফোন পরিবেশে শান্তিরক্ষা’
বিষয়ক দ্বিতীয় মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ
কথা বলেন।
সম্মেলনে
বহুপাক্ষিকতাবাদের প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
বলেন, বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ
সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের যে শান্তিকামী
পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, তা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার
আমলে আরও সুসংহত হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আজও বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতার
প্রতি নিজেদের অঙ্গীকার বজায় রেখেছে।
আরও
কার্যকর শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ এগিয়ে নিতে ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’
কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব বাড়ানোর তাগিদ দেন শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, জাতিসংঘের কার্যক্রমে
বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণ ক্রমাগত বেড়ে চলেছে, যা বৈশ্বিক শান্তি রক্ষায়
নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
বিশ্ব
শান্তির সেবায় জীবন উৎসর্গকারী ১৭৪ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন
করে প্রতিমন্ত্রী আধুনিক শান্তি তৎপরতার উদীয়মান চ্যালেঞ্জগুলোর কথা তুলে ধরেন। তিনি
অপপ্রচার, ডিজিটাল হয়রানি এবং সংঘাতপূর্ণ পরিবেশে প্রযুক্তির নৈতিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের
প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। একই সঙ্গে তিনি শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা
ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আরও জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
জাতিসংঘ
শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে আরও শক্তিশালী ও দূরদর্শী সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে শামা ওবায়েদ
স্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত কার্যপরিধি নির্ধারণ, পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ করা এবং সেনা ও পুলিশ
প্রেরণকারী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তিনি ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট
অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং’ (বিপসট)-এর মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে
মিশনপূর্ব উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পরিবেশবান্ধব শান্তিরক্ষা
কার্যক্রমে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
মরক্কো
ও ফ্রান্স সরকারের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে মরক্কোয় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
সাদিয়া ফয়জুন্নেসা উপস্থিত ছিলেন।
পরে
সন্ধ্যায় শামা ওবায়েদ ‘গ্লোবাল গ্রোথ কনফারেন্স ২০২৬’-এ
অংশ নেন। সেখানে ‘জিওপলিটিক্স অব ফ্র্যাগমেন্টেশন: পাওয়ার, এস্কেলেশন অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক
রিঅর্ডারিং’ শীর্ষক একটি অধিবেশনে মূল বক্তা হিসেবে তিনি পরিবর্তনশীল
বৈশ্বিক ভূরাজনীতি এবং ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক বিভাজনের কৌশলগত প্রভাবের ওপর বাংলাদেশের
সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।
মন্তব্য করুন