

কুমিল্লায় কোতয়ালী মডেল থানা কর্তৃক পৃথক দুটি অভিযানে ২০ কেজি গাঁজা সহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
বুধবার কোতয়ালী
মডেল
থানায়
কর্মরত
এসআই
(নিঃ)
নুরুল
হাকিম
এবং
সঙ্গীয়
ফোর্স
সহ
থানা
এলাকায়
মাদকদ্রব্য
উদ্ধার
ও
ওয়ারেন্ট
তামিল
ডিউটি
করাকালে
গোপন
সংবাদের
ভিত্তিতে
কোতয়ালী
মডেল
থানাধীন
০৫নং
পাঁচথুবী
ইউনিয়নের
চানপুর
ব্রীজের
উত্তর
পাড়ে
শ্রীপুর
সাকিনের
মসজিদের
সামনে
রাস্তার
উপর
তল্লাশি
করে
১০
কেজি
গাঁজা
সহ
মাদক
ব্যবসায়ী
১.
বিজয়
সূত্রধর
(২৭),
পিতা-দুলাল সূত্রধর, স্থায়ী: (সাং- খাড়েরা (মিস্ত্রি বাড়ি) , উপজেলা/থানা- বুড়িচং, জেলা –কুমিল্লা। ২. মোঃ রবিন (২৮), পিতা-কাজী জামসেদ, মাতা-হেলেনা বেগম, স্থায়ী: গ্রাম- মাশরা (কাজী বাড়ি), উপজেলা/ থানা- বুড়িচং, জেলা -কুমিল্লাকে গ্রেফতার করা হয়।
উক্ত
ঘটনায়
কোতয়ালী
মডেল
থানায়
এজাহার
দায়ের
করলে
কোতয়ালী
মডেল
থানার
মামলা
নং-২, তারিখ- ০১ নভেম্বর, ২০২৩; ধারা- ৩৬(১) সারণির ১৯(ক)/৩৬(১) সারণির ১৯(খ) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮; রুজু করা হয়।
অপর
একটি
অভিযানে
এসআই(নিঃ) মোঃ শাহিদুল ইসলাম ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ কোতয়ালী মডেল থানাধীন ০২নং ওয়ার্ড ছোটরা ফৌজদারী মোড় পূর্ব চৌমুহনী সংলগ্ন রোজ গার্ডেন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এর সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে তল্লাশি করে ১০ কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ জুয়েল রানা(৩৮), পিতা মৃত-কানু মিয়া, সাং-ভরাসার বাজার(মুহুরী বাড়ী), পোষ্টঃ ইছাপুর, থানা-বুড়িচং, জেলা-কুমিল্লাকে গ্রেফতার করেন।
উক্ত
ঘটনায়
কোতয়ালী
মডেল
থানায়
এজাহার
দায়ের
করলে
কোতয়ালী
মডেল
থানার
মামলা
নং-৩, তারিখ- ০১ নভেম্বর, ২০২৩; ধারা- ৩৬(১) সারণির ১৯(খ) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮; রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


হৃদয় চন্দ্র দাস:
কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ে খন্দকার
হক টাওয়ার মার্কেটে জমকালো আয়োজনে শুভ উদ্বোধন হলো oppo এক্সক্লুসিভ শো-রুম। শুভ
উদ্বোধন উপলক্ষে মাসব্যাপী প্রত্যেকটি মডেলের সাথে থাকছে আকর্ষণীয় গিফট অফার। তাই
দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন এবং বুঝে নিন আপনার পছন্দের ডিভাইসের সাথে আকর্ষণীয়
সব গিফট অফার।
মন্তব্য করুন


রুবেল মিয়া স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য
কবিরাজের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওই কবিরাজ চিকিৎসার নামে তার স্ত্রীকে সম্ভ্রমহানি
করেন। এমন সন্দেহে কবিরাজকে গলা কেটে হত্যা করেন রুবেল মিয়া।
চুয়াডাঙ্গার কবিরাজ রাজ্জাক শেখ রাজাই
হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মূল আসামি হিসেবে রুবেল ও সহযোগী হিসেবে সোহেল রানাকে
গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্য
জানিয়েছেন।
নিহত আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রাজাই আলী
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পদ্মবিলা ইউনিয়নের সুবদিয়া গ্রামে কাচারীপাড়ার মরহুম দেসের
আলীর ছেলে। তিনি কবিরাজি পেশায় যুক্ত ছিলেন এবং চাষাবাদ করতেন। নিহতের ভাইপো সানোয়ার
হোসেন এ হত্যাকাণ্ডের পর চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় ৩০২/৩৪ ধারায় একটি মামলা করে।
জানা যায়, শুক্রবার (৩১ মে) সন্ধ্যা
সাড়ে ৭টার দিকে রাজাই কবিরাজ জিনের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়ার কথা বলে রুবেল ও তার স্ত্রীকে
সদর উপজেলার হোগলডাঙ্গা গ্রামের নবগঙ্গা নদীর ব্রিজের পাশে পান বরজের কাছে নিয়ে যায়।
এরপর রুবেলকে সিগারেট আনতে দোকানে পাঠায়। কিছুক্ষণ পর রুবেল ফিরে এসে তাদের না পেয়ে
তার স্ত্রীর মোবাইল ফোনে কল দিয়ে সেটা বন্ধ পায়। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ৩৫-৪০ মিনিট
পর রাজাই কবিরাজ ও তার স্ত্রী পানবরজের কাছে ফিরে আসলে, রুবেল তার স্ত্রীকে দেখে সন্দেহ
করে। পরে রুবেল বাড়ি ফিরে তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, সে কান্নাকাটি করে বলে যে,
রাজাই কবিরাজ তার সম্ভ্রমহানি করেছে। এটা জানার পর রুবেল তার সহযোগী সোহেল রানাকে নিয়ে
বাড়ি থেকে বের হয়। রাজাই কবিরাজকে তার চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রীর জিন তাড়ানোর কথা বলে কৌশলে
সুবদিয়া ভুট্টা ক্রয় কেন্দ্রের সামনে থেকে মোটরসাইকেলে বসিয়ে কালীভান্ডারদহের দিকে
নিয়ে যায়। এ সময় মোটরসাইলের পেছনে বসা রুবেল তার হাতে থাকা ধারাল ছুরি দিয়ে রাজাই কবিরাজের
গলায় পোঁচ দিয়ে তাকে মোটরসাইকেল থেকে নির্জন রাস্তায় ফেলে দেয় এবং তার মৃত্যু নিশ্চিত
করে। মরদেহটি রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে গাছপালা দিয়ে ঢেকে দিয়ে তারা বাড়ি ফিরে যায়।
পুলিশের তদন্তের পর আলোচিত কবিরাজ হত্যাকাণ্ডের
ঘটনাটি গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে এভাবেই তুলে ধরেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর
রহমান।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকর চন্দ্র
ইউনিয়নের কালিভান্ডারদহ পিরতলি মাঠ থেকে আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রাজাই আলী (৪৮) নামের
এক কবিরাজের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের দিনই পুলিশি তদন্তে হত্যা রহস্য উন্মোচিত হয়েছে।
এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত রুবেল মিয়া ও সোহেল রানাকে আটক করেছে পুলিশ। তারা আদালতের বিচারকের
কাছে তাদের দোষ স্বীকার করে স্বেচ্ছায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে
হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত।
মঙ্গলবার (৪ জুন) দুপুর ১টায় চুয়াডাঙ্গা
পুলিশ সুপার কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে
জানান, চুয়াডাঙ্গা সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-১ বিচারক রিপন হোসেনের কাছে স্বেচ্ছায়
জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করে পুলিশের কাছে আটক চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সুবদিয়া
পূর্বপাড়ার আব্দুর রহমানের ছেলে রুবেল মিয়া (২৩) ও একই পাড়ার আনিসের ছেলে সোহেল রানা
(২০)। এদের কাছ থেকে হত্যাকাজে ব্যবহৃত আলামত ধারাল ছুরি, ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল
ও ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীতে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে উজিরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোঃ নাঈমুর রহমান মজুমদার মাছুমকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী।
গতকাল ১৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে নগরীর দক্ষিণ চর্থার ইপিজেড এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া মাছুম চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঘাসি গ্রামের মৃত. মোখলেসুর রহমান মজুমদাের ছেলে । তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চিহ্নিত আসামি এবং চৌদ্দগ্রামে সংঘটিত এইট মার্ডার হত্যাকাণ্ডের মামলার ৮৮ নং আসামি।
সূত্রে জানা যায়, নাঈমুর রহমানের কাছ থেকে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নাশকতা পরিকল্পনার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। তার স্বীকারোক্তিতে উঠে এসেছে যে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ ঢাকা শহরের ৮/৯টি স্থানে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সকাল ৬ টা থেকে ৭টার মধ্যে ভয়াবহ নাশকতা চালানো হবে।
অভিযুক্ত নাঈমুর রহমান আরও জানায়, এবার শুধু মহাসড়ক অবরোধেই সীমাবদ্ধ নয়, তারা এক্সকাভেটর ব্যবহার করে রাস্তাঘাট কেটে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।এর পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলগুলোতে শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি করে দেশের অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করার কৌশলও হাতে নেওয়া হয়েছে।
সেনা অভিযানে গ্রেফতারের পর নাঈমুর রহমানকে ডাক্তারি পরীক্ষার মাধ্যমে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে কুমিল্লা সিআইডিকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।
এই গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও নাশকতার যেকোনো পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লা নিউমার্কেটে নিত্যপণ্যের বাজারে
তদারকি অভিযান চালিয়ে তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ
অধিদপ্তর ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকালে কুমিল্লা নিউমার্কেটে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মোঃ আছাদুল ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন। চলমান বর্ষা মৌসুমকে কেন্দ্র করে সবজিসহ নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি তদারকি করতে এ মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।
এ সময় সহযোগিতা করেন স্যানিটারি
ইন্সপেক্টর একে আজাদ এবং জেলা পুলিশের একটি টিম।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লার
সহকারী পরিচালক মোঃ আছাদুল ইসলাম জানান, অভিযানে মসলা, সবজি, কাচামরিচ, ডিম, ফার্মেসী
প্রভৃতি বিষয়ের ওপর তদারকি করা হয়। অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
করা হয়। জনস্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর অভিযানে ১ কোটি ৮৬ লাখ ৬৮ হাজার ৬৭০ টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় চোরাচালানের মালামাল জব্দ করা হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন, কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের (১০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ।
বিজিবি সূত্র জানায়, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি বিভিন্ন সময় যৌথ অভিযানও পরিচালনা করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাফিদ খান-এর উপস্থিতিতে অত্র ব্যাটালিয়নের অ্যাডজুটেন্টের নেতৃত্বে বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
টাস্কফোর্স দলটি রাত সাড়ে ৭টায় কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার রসুলপুর রেলওয়ে স্টেশনে চট্টগ্রামগামী ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ১ কোটি ৮৬ লাখ ৬৮ হাজার ৬৭০ টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকার অবৈধ ভারতীয় বাজি, কসমেটিক্স সামগ্রী, শাড়ি, বাসমতি চাল ও ফুচকা জব্দ করা হয়।
অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ জানান, জব্দকৃত চোরাচালানের মালামালসমূহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে সিএনজি চালক রাসেলকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
২১ এপ্রিল রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।
মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম শুভপুর গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে গিয়াসউদ্দিন প্রঃ ইয়াজ উদ্দিন প্রঃ সালাউদ্দিন (২৩) ও একই জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার গান্দাচী গ্রামের আনা মিয়ার ছেলে অলি উল্লাহ প্রঃ অলি (৩০)।
মামলার বিবরণে জানাযায়- ২০১৯ সালের ১৮ জুন আসামীরা পরষ্পর যোগসাজশে হত্যাকাণ্ডের শিকার সিএনজি চালক রাসেল এর সিএনজি গাড়ীটি রিজার্ভ ভাড়া করে মুন্সিরহাট টু বাঙ্গড্ডা বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু রাসেল রাতে বাড়ীতে ফিরে না আসায় তাঁর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করার একপর্যায়ে আসামি একরামুল হক পাগলা মোবাইল করে বলে যে, সিএনজিসহ রাসেলকে অজ্ঞাত স্থানে আটক আছে। তাঁকে ছাড়াইতে হলে এক লক্ষ টাকা লাগবে। আরও বলেন এবিষয়ে কাউকে কিছু বলা যাবেনা। তখন বাদী নিরুপায় হতে অনেক কষ্টে ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে একরামুল হক পাগলার বিকাশ নম্বরে পাঠায়। কিন্তু কুমিল্লা রাজাপাড়া মোড়ে রাসেলকে ইয়াবা ট্যাবলেট খাওয়ার কথা বলে বিমানবন্দর এলাকায় জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে আসামি অলি উল্লাহ প্রঃ অলি প্যান্টের বেল্ট খুলে গলায় পেচিয়ে মাটিতে পেলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং কাঁদা মাটি দিয়ে ঢেকে লাশ গুম করে রাখে। পরে তাদের দেখানো মতে পুলিশ রাসেল এর মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। এ ব্যাপারে ভিকটিম রাসেল এর বাবা কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে জয়নাল আবেদীন (৫৫) বাদী হয়ে একই গ্রামের একরামুল হক পাগলার ছেলে মোঃ শাহীন (২৩), মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে গিয়াসউদ্দিন (২১) ও টুংকু মিয়া (১৯) ও একরামুল হক পাগলা (৪৫) সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪জনকে আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি মামলা দায়ের করিলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ হারুনুর রশিদ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি টুংকু মিয়া, গিয়াসউদ্দিন, মোঃ শাহীন ও একরামুলকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে হাজির করিলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তৎপর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ হারুনুর রশিদ, এসআই সুজন কুমার মজুমদার ও এসআই মিন্টু দত্ত দুটি চার্জশীট দাখিল করেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৫ জুন চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে গিয়াসউদ্দিন ও মহিউদ্দিন @ টুংকু ও মৃত ওসমান আলীর ছেলে একরামুল হক পাগলা ও নাঙ্গলকোট উপজেলার গান্দাচী গ্রামের আনা মিয়ার ছেলে অলি উল্লাহ প্রঃ অলি'র বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩৬৪, ৩৮৫, ৩৮৬, ৩৭৯, ৫০৬, ৩০২, ২০১, ৪১১, ১০৯ ও ৩৪ ধারা বিধানমতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর গ্রামের একরামুল হক পাগলার ছেলে মোঃ শাহীন মিয়া (১৭) ও ভিকটিম রাসেলের বড়ভাইয়ের দ্বিতীয় স্ত্রী আসমা আক্তার সাথী'র বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় সম্পূরক দোষীপত্র দাখিল করেন। তৎপর মামলাটি বিচারে আসিলে ২০১৯ সালের ১২ জুন আসামি গিয়াসউদ্দিন, মহিউদ্দিন @ টুংকু, একরামুল হক পাগলা ও অলি উল্লাহ প্রঃ অলি'র বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ গঠনক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে ১৩জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামীদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামী দ্বয়ের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি গিয়াসউদ্দিন ও পলাতক আসামী অলি উল্লাহ প্রঃ অলিকে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত। আসামি মহিউদ্দিন প্রঃ টুংকু'র বিরুদ্ধে রাষ্টপক্ষে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন এবং আসামি একরামুল হক পাগলা মামলা চলাকালীন সময়ে মৃত্যু বরণ করিয়াছেন।
রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ গিয়াসউদ্দিন আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন এবং অপর আসামি অলি উল্লাহ প্রঃ অলি আদালত কাঠগড়ায় অনুপস্থিত ছিলেন।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী অতিঃ পিপি এডভোকেট মোঃ মুজিবুর রহমান বাহার বলেন- আশা করছি উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত ফাঁসি কার্যকর করবেন।
অপরদিকে, আসামি পক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী বলেন- এ রায়ে আসামিপক্ষ অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ। রায়ের কপি হাতে পেলে শীঘ্রই উচ্চ আদালতে আপীল করবো।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের (কুসিক) প্রশাসক মো. শাহ আলম বলেন, “কুমিল্লা একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ নগরী। এই নগরীর যানজটসহ নানান সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে চাই। এ কাজে আপনাদের (সাংবাদিকদের) সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি আরও বলেন, “কুমিল্লায় পোস্টিং হওয়ায় তার স্ত্রী ও সন্তানরা খুশি নন। কুমিল্লা আসার সময় রাগ করে তারা তার সাথে হাতও মেলাননি। তবে তিনি কুমিল্লা জেলার সন্তান হিসেবে কুমিল্লার উন্নয়ন করার উদ্দেশ্য নিয়েই এখানে এসেছেন।”
আজ বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের (কুসিক) পূর্ণকালীন নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর কুমিল্লায় কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
কুমিল্লা শহরের সমস্যা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, টমছমব্রিজের বাজার পরিদর্শন করতে গিয়ে তিনি দেখেন যে সিটি করপোরেশনের লোকেরাই অবৈধ দখলের সাথে জড়িত। এছাড়া প্লান পাসের বিষয়ে তিনি বলেন, কুমিল্লা সিটির প্লান পাসের ক্ষেত্রে অতীতে যদি কোনো অনিয়ম হয়ে থাকে, তবে তা তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনা হবে।
মতবিনিময় সভায় কুমিল্লার বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা নতুন প্রশাসককে স্বাগত জানান এবং নগরীর সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে মতামত ও পরামর্শ দেন।
প্রশাসক মো. শাহ আলম বলেন, “স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনসেবার মান নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য। সবাই মিলে কাজ করলে কুমিল্লাকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।”
সভা শেষে তিনি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যানজট নিরসনের সম্ভাব্য উদ্যোগ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং অচিরেই একটি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সচিব মোহাম্মদ মামুন, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভূঁইয়া, মাঈন উদ্দিন চিশতী, সহকারী প্রকৌশলী আবু ইউনুস।
সচিব ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন বলেন, জনবল দ্রুত আনার চেষ্টা করব।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি চুয়াডাঙ্গা ইউনিট অসহায় ও দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
গতকাল আলমডাঙ্গা জেলা পরিষদ ডাকবাংলো চত্বরে শতাধিক শীতার্তদের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এসময় বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি চুয়াডাঙ্গা ইউনিটের সেক্রেটারী শহিদুল ইসলাম সাহান, কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাড. রফিকুল ইসলাম, হাবিবুল্লাহ জোয়ার্দ্দার ছটি, আব্দুল কাদের, আজীবন সদস্য সিরাজুল ইসলাম, মাহমুদুল কাওনাইন, আব্দুল জব্বার, যুব রেডক্রিসেন্টের উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম ও উপজেলা যুব সদস্য শাহেদ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে কার্পাসডাঙ্গায় ঠাণ্ডা বাতাসের দাপট আর মাঝে মাঝে অসময়ের বৃষ্টি মিলে শীত জেঁকে বসেছে। হিম হিম ঠাণ্ডা আর কুয়াশায় নাকাল জনজীবন। শীতের এই তীব্রতা বেশি কাবু করেছে নিম্ন আয়ের মানুষকে। শীতার্ত অসহায় ও দুস্থ মানুষের উষ্ণতা দিতে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার শীতার্ত মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে ৬০ জন ছিন্নমূল ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত কম্বল বিতরণের সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোকসানা মিতা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রোকসানা মিতা বলেন, সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সামর্থবানরা এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের একটু সহায়তা লাঘব করতে পারে শীতার্তদের কষ্ট এবং দুর্বিষহ জীবন।
এ সময় শীতবস্ত্র বিতরণকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. করিম বিশ্বাস, প্যানেল চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মণ্টু, বিল্লাল হোসেন, দেলোয়ারা খাতুন, আলমগীর হোসেন, আ. রাজ্জাক, সাজিবার রহমান, আ. সালাম, ইউপি সচিব হাসানুজ্জামান, সহকারী হিসাব রক্ষক মতিউর রহমান, উদ্যোক্তা হারুনার রশীদ ও মেদুল হক সহ সকল ইউপি সদস্য।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে পিকআপে করে মাদক পরিবহনকালে ৮৯ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
আজ (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে অভিনব কৌশলে পিকআপের
পিছনে মালামাল পরিবহণের ক্যারেটের মধ্যে লুকিয়ে গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী ১। জুয়েল
রানা এবং ২। মোঃ আকাশ নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামী’দ্বয়ের
কাছ থেকে ৮৯ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। জুয়েল রানা (৩১) দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানার চন্ডীপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম এর ছেলে এবং ২। মোঃ আকাশ (৩২) একই থানার উত্তর বাসুদেরপুর গ্রামের মোঃ খোকন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে দিনাজপুর সহ অন্যান্য জেলায় মাদক
ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ
করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা কর্তৃক হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার পূর্বক প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তর।
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার সার্বিক তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল ফোন জিডি মূলে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা।
সোমবার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ও অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা রাজেস রড়ুয়া পিপিএম প্রকৃত মালিকগণের কাছে মোবাইল গুলো হস্তান্তর করে।
মোবাইল ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভিকটিমগণ তাদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে কুমিল্লা পুলিশ সুপার, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
মন্তব্য করুন