

কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলায় সংসারের খরচ চাওয়ায় মাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাতে উপজেলার সাতানি ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত মঞ্জুরা বেগম (৬৫) ওই গ্রামের শান্তি মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শান্তি মিয়ার দুই ছেলে তিন মেয়ে। ছোট ছেলে প্রবাসী বাবুল মিয়া বাহরাইনে থাকেন। আর বড় ছেলে নবীর হোসেন স্থানীয় একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। শান্তি মিয়ার বয়স হয়েছে, উপার্জন করতে পারেন না। সাংসারিক খরচের জন্য তাকিয়ে থাকেন দুই ছেলের দিকে। ছোট ছেলে প্রবাস থেকে মাস শেষে টাকা পাঠালেও বড় ছেলে খুব একটা সংসার খরচ দেন না। এতে করে কয়েকদিন পর পরই বড় ছেলে নবীর হোসেনের সঙ্গে তার বাবা মায়ের ঝগড়া লাগতো। এর আগেও কয়েকবার সাংসারিক খরচ নিয়ে নবীর হোসেনের সঙ্গে তার মায়ের কথা কাটাকাটি হয়। পরে স্থানীয়রা বসে সমস্যার সমাধান করেন।
মঙ্গলবার রাতে সংসারের খরচ চাওয়ায় নবীর হোসেন তার মাকে গালিগালাজ করেন। শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। এক পর্যায়ে চেয়ার দিয়ে মাকে মারধর করতে শুরু করেন। এই সময় তার বাবা শান্তি মিয়া বাধা দিলে তাকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে মা মঞ্জুরা বেগমকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারতে থাকেন। এক পর্যায়ে মা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তিতাস উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাতেই ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে সকালে পুলিশ এসে মঞ্জুরা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
কুমিল্লা তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষ্ণ কান্তি দাস বলেন, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আমরা পাইনি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে মূল ঘটনা জানা যাবে। আমরা এই বিষয়ে তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
প্রতি বছর কার্ত্তিক মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয় তিথিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাসা-বাড়ীতে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় ঘরোয়া পরিবেশে পালিত হয় বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা উৎসব।
তারই ধারাবাহিকতায় ২৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর কালিয়াজুরীতে বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা ইউনিটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের একমাত্র মেয়ে অর্পিতা সরকার তাঁর ছোটভাই অরন্য সরকার প্রিন্স এর কপালে চন্দন দিয়ে ফোঁটা এঁকে ছড়া কেটে বলেন "ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়লো কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা, আমি দেই আমার ভাইকে ফোঁটা।" এভাবেই ভ্রাতৃদ্বিতীয়া যমের দুয়ারে কাঁটা দিয়ে বোন ভাইয়ের দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করেন। এরপরে ভাইবোনেরা একে অপরের সাথে মিষ্টি বিনিময় করে এবং উপহার আদান-প্রদান করে থাকে।
জানা যায়- শুভ দিনের পরম পবিত্র লগ্নে ভাই-বোনের মধুর সম্পর্কের পুনঃ নবীকরণ করে নেওয়া হয় প্রতি বছর। শৈশবের হারিয়ে যাওয়া মধুর এই দিনটিতে বড় বেশি করে মনে পড়ে যায়। ভাই-বোনের স্নেহ ভালোবাসার সম্পর্কের প্রকাশ ভাইফোঁটা আচার অনুষ্ঠানটি মন কেড়ে নেয়। একটি অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে চিরন্তন আবেগ অনুভূতিই জীবন্ত হয়ে ওঠে। কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষে দ্বিতীয় তিথিতে বোন তাঁর ভাইকে পরম যত্ন সহকারে একটি সুন্দর আসনে বসিয়ে হেমন্তের শিশির ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে হাতের তিন আঙ্গুলের সাহায্যে বোন তাঁর ভাইয়ের কপাল ধুয়ে দেয়। এরপর বোন তার কনিষ্ঠা আঙ্গুল দিয়ে একইভাবে চন্দন তিলক এঁকে দিয়ে ছড়া কেটে বলে "ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়লো কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা, আমি দেই আমার ভাইকে ফোঁটা।"
অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার বলেন- দীপাবলির একদিন পরেই ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা। হেমন্তের পবিত্র শিশির দিয়ে বোন তাঁর ভাইয়ের সব অশুভ, অমঙ্গল ও অকল্যাণকর শক্তিকে ধুয়ে দেয়। সুগন্ধি চন্দন তিলক ললাটে এঁকে দিয়ে এনে দেয় সৌভাগ্যের পরশমনি। তারই সঙ্গে অমরত্বের প্রতীক দুর্বা আর ধনের প্রতীক ধান দিয়ে প্রার্থনা বা আশীর্বাদ বা তার মঙ্গল কামনা করেন। তিনি আরো বলেন- যমী (যমুনা) তার ভাই যমকে কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে নিজ গৃহে এনে পূজা করে ভোজনে আপ্যায়িত করেছিলেন। তিনি বলেন জনশ্রুতি আছে, সেই থেকে অদ্যাবধি বিপুুুল উৎসাহ উদ্দীপনায় ঘরোয়া পরিবেশে পালিত হয়ে আসছে বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা উৎসব।
অন্যদিকে, ১৩৩৬ খ্রিস্টাব্দে আচার্য সবানন্দ সুবীর পুঁথির শেষ শ্লোকে বলা হয় মহাবীরের জীবনবাসন হলে রাজা নন্দী বর্ধন বোনের শোক নিবারণের জন্য বোনকে বুঝিয়ে আদর যত্ন করে আপ্যায়ন করেছিলেন। ভ্রাতৃদ্বিতীয়া যমের দুয়ারে কাঁটা দিয়ে ভাইয়ের দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করা হয়। ভাইফোঁটার দিনে বোনেরা তাদের দাদা বা ভাইকে নিজের বাড়ীতে নিমন্ত্রণ করে আপ্যায়ন করে এবং ভাইয়েরাও বোনদের প্রাণ ভরে আর্শীবাদ করে। ভাগ্নিরা ভাইয়ের কপালে চন্দন ও কুমকুমের তিলক বা ফোঁটা এঁকে দিলে কেউ তার ক্ষতি করতে পারবেনা। সেজন্যই বোনেরা ভাইয়ের হাতে রাখি বেঁধে দেয়। এভাবে বোনেরা ভাইয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করে। এরপর ভাইকে ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি খাওয়ায়। ভাইও তার সাধ্যমত বোনকে কিছু উপহার বা টাকা দেয়। পশ্চিমবঙ্গের ন্যায় বাংলাদেশেও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে পালিত হয় বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা উৎসব।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে জেলায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।এর আগে সকালেই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর বশির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লার সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন রুবেল, মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার আব্দুল মতিন, দৈনিক কুমিল্লার জমিন পত্রিকার সম্পাদক শাহজাদা এমরান, টাউনহলের সদস্য সচিব সাজ্জাদ হোসেন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হাসনাত বাবুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক দুলাল, এ্যাডভোকেট গোলাম ফারুকসহ জেলার ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের এই আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বক্তারা আরও বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানানো অত্যন্ত জরুরি। তাঁদের অবদান স্মরণ করে একটি মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান বক্তারা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় মুসলিম বাল্যবন্ধুর জানাজার পেছনে বসে কাঁদা আলোচিত সেই সুধীর বাবু মারা গেছেন।
তিনি মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের চাপাচৌঁ গ্রামের নিজ বাড়িতে মারা যান ।
সুধীর বাবুর ছেলে অর্জুন চন্দ্র দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, “মঙ্গলবার রাতে বাবার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।”
এর আগে ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুধীর বাবুর একটি ছবি ভাইরাল হয়। সেই সময় ছবিটি সম্পর্কে জানা যায়, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের চাপাচৌঁ গ্রামের আমির হোসেন নামে একজনের জানাজা চলছিল। সে সময় জানাজার পেছনে একটি গাছের গুঁড়িতে বসে কাঁদছিলেন সুধীর। মৃত আমির হোসেন সওদাগর সুধীর বাবুর বাল্যবন্ধু ছিলেন। বিষয়টি উপস্থিত সবার হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
স্থানীরা জানান, সুধীর বাবু ও আমির হোসেন ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে আড্ডা ও খেলাধুলা করে বড় হয়েছেন। বয়সের একপর্যায়ে দুজন গুণবতী বাজারের ব্যবসায়ী ছিলেন। ব্যবসার শত ব্যস্ততার ভিড়েও সুযোগ পেলেই দুই বন্ধু ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা দিতেন। অবসর সময় কাটাতেন একসঙ্গে। ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বন্ধু আমির হোসেন মারা যাওয়ার ৪ বছর পর বন্ধু সুধীর বাবুও মারা গেলেন।
মন্তব্য করুন


রবিউল হাসান অমি,প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কুমিল্লা
ইউনিটের ১১ সদস্য বিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উক্ত কমিটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে মো:
আমিরুল কায়ছার (জেলা প্রশাসক,কুমিল্লা)। ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে মোস্তাক মিয়া (বিএনপির
কেন্দ্রীয় কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, ডায়াবেটিস সমিতির সাধারণ
সম্পাদক), সেক্রেটারি হিসেবে জামিল আহমেদ খন্দকার ( বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক )।
উক্ত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন
মীর আবু জাফর শামসুদ্দিন দিদার, শাহাজাদা এমরান, অধ্যাপক এ,কে , এম এমদাদুল হক মামুন,
সৈয়দ মোতাহের আলী দিলাল, মোহাম্মদ মাসউদ আলম, অধ্যাপক মো.মনিরুল ইসলাম, ফেরদৌস সায়েম
ভূইয়া ও গোলাম ইউসুফ চৌধুরী।
উক্ত কমিটি ২৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে অনুমোদন
করেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব ড. কবির মো. আশরাফ আলম, এনডিসি। এস.জি(ইউ.এ)-১৮৪৫/০১৩
স্মারকে এই কমিটি অনুমোদন করেন।
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রেখে আন্দোলনের নামে গ্রাহক ভোগান্তি, রাষ্ট্রবিরোধী আচরণ ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনা করার অভিযোগে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর ১৫৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী।
শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিল্টন ঘোষ ওই মামলা করেন। মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আসামি করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে আন্দোলন করে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এতে লাখ লাখ গ্রাহক চরম ভোগান্তির শিকার হয়।
আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার বাইমানা গ্রামের নূরুল আনোয়ারের ছেলে সহিদুল ইসলাম (২৬), চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলার কামানকান্দি মাথাভাঙ্গা গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে নূর মোহাম্মদ (২৮), চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারি উপজেলার খন্দকিয়া গ্রামের সিকদার চৌধুরীর ছেলে ফয়সাল চৌধুরী (৩৭), নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার পবনপুর তারাবো গ্রামে ফরিদ উদ্দিনের ছেলে তানভীর আহমেদ (৩৩), ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলা সদরের খায়রুল কবিরের ছেলে মিজানুর রহমান সাগর (৩০)। তারা সকলে চান্দিনাস্থ কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর কর্মকর্তা।
সন্ধ্যার পর দ্বিতীয় দফা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে আন্দোলন করাকালে চান্দিনার পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘেড়াও করে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা। এ সময় যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আটক করে। পরে দায়ের হওয়া মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: নাজমুল হুদা জানান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনকালে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় আন্দোলনকারীরা। এতে সমিতির আওতাধীন চার উপজেলার লাখ লাখ গ্রাহকের ভোগান্তি দেখা দেয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ আমরা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে তাদের সাথে আলোচনা করে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করি। সন্ধ্যার পর আবারো তারা দুই ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ায় এলাকার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর কার্যালয় ঘেড়াও করে। এ সময় যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে নাশকতা, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম পরিচালিত করায় ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মামলা করেন। ওই মামলায় তাদেরকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় ইমু ও ফেসবুক ব্যবহার করে এক পরিবারকে ব্ল্যাকমেইল ও অর্থ আদায়ের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে মোঃ সোহানুর রহমান ওরফে ইয়াকুব ইসলাম (২০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত ২৫ নভেম্বর ভিক্টিমের ইমু অ্যাকাউন্টে ‘Accounts Found’ নামের একটি ভুয়া ইমু আইডি থেকে বার্তা পাঠিয়ে জানানো হয় যে, তার স্বামীর ফেসবুক ও মেসেঞ্জার চেক করতে; অন্যথায় সমস্যা হবে। পরে ভিক্টিমের মেসেঞ্জার চেক করে দেখা যায়, একটি অজ্ঞাত ফেসবুক আইডি থেকে সংবেদনশীল ছবি ও ভিডিও পাঠানো হয়েছে। একই ধরনের ছবি-ভিডিও ভিকটিমের ইমুতেও পাঠানো হয়।
অজ্ঞাতনামা প্রতারকরা এ সব ছবি–ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ৬,০০,০০০ টাকা চাঁদা দাবি করে। এমনকি স্থানীয় বিভিন্ন মানুষকে একটি গ্রুপে যুক্ত করে ছবি-ভিডিও পাঠিয়ে বাদীপক্ষকে মানহানির হুমকি প্রদান অব্যাহত রাখে। পরবর্তীতে ‘Wahidul Siam’ নামের আরেকটি ইমু আইডি থেকেও একই ধরনের হুমকি ও ছবি-ভিডিও পাঠানো হয়। টাকা পাঠানোর জন্য প্রতারকরা 1Xbet অনলাইন অ্যাপের একটি অ্যাকাউন্ট আইডি ও পাসওয়ার্ডও সরবরাহ করে।
তদন্তে মেটা এবং সাইবার তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারণায় ব্যবহৃত ফেসবুক ও ইমু অ্যাকাউন্টের তথ্য সংগ্রহ করে পুলিশ আসামি সোহানুর রহমানকে শনাক্ত করে। ১০ ডিসেম্বর সকালে তিতাস থানার দক্ষিণ বলরামপুর এলাকায় তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় ঘটনায় ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানায় ছাগল চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ায় চোর চক্রের ৬ জন সদস্যকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হলেন, নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের বাখরনগর গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে পারভেজ (২২), একই গ্রামের রহিম মিয়ার ছেলে সাইদুল (২৩), শিশু মিয়ার ছেলে তামিম (২৩), বাদশা মিয়ার ছেলে ইসমাইল (২৫), শহিদ মিয়ার ছেলে ওমর ফারুক (২৫) ও গুঞ্জর গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া (২২)।
স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, দিঘীরপাড় গ্রামের জয়নাল হোসেনের মেয়ে নয় বছর বয়সী জাকিয়া সুলতানা নিজেদের দুইটি কালো রঙের পালিত ছাগল নিয়ে দিঘীরপাড় নুরুন্নেসা হাফিজিয়া মাদ্রাসার রাস্তার পাশে ঘাস খাওয়াচ্ছিল। এ সময় একটি সিএনজিতে করে এসে চোর চক্রের ৬জন সদস্য জাকিয়া সুলতানা কে কৌশলে পানি আনতে মাদ্রাসার ভেতরে পাঠায়। মাদ্রাসা থেকে পানি এনে জাকিয়া সুলতানা দেখে তার একটি কালো রঙের ছাগল চুরি হয়ে গেছে। ছাগল হারিয়ে জাকিয়া সুলতানা কান্নাকাটি ও চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের কলাবাগান মোরে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে একটি সিএনজি সহ চোর চক্রের ৬ জন সদস্য কে আটক করে।
এ সময় উত্তেজিত জনতা তাদের গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে আটক করে এবং ছাগল ও চুরিতে ব্যবহৃত সিএনজি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় রবিবার দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী জয়নাল হোসেন বাদী হয়ে বাঙ্গরা বাজার থানায় একটি মামলা করেছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান জানান, আটককৃত ৬ জন চোরের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদেরকে সোমবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং অপরাধ প্রতিরোধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনায় আজ মোবাইল
কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার
(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা। তাকে সহায়তা করেন চৌদ্দগ্রাম
থানা পুলিশের একটি টিম।
মোবাইল কোর্টের আওতায় মিয়া বাজার এলাকার
চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- গ্রামীণ রেস্তোরাঁ এন্ড সুইটস,
ঈশিতা সুইটস এন্ড কনফেকশনারি, আফতাব সুইটস এন্ড কনফেকশনারি এবং হীরা সুইটস এন্ড কনফেকশনারি।
অভিযানে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিএসটিআই লাইসেন্স,
সঠিক ওজন-পরিমাপ, মূল্য তালিকা এবং খাদ্যসামগ্রীর গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ
উল্লেখ রয়েছে কিনা তা যাচাই করা হয়।
এ সময় দেখা যায়, তিনটি প্রতিষ্ঠানে (গ্রামীণ, ঈশিতা ও হীরা সুইটস) বিএসটিআই লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও মিষ্টি ও দই জাতীয় খাদ্যপণ্য প্রস্তুত ও বিক্রি করা হচ্ছে।
আফতাব সুইটসে টোস্ট ও ব্রেডের জন্য
বিএসটিআই অনুমোদন থাকলেও মিষ্টিজাত পণ্যের জন্য কোনো লাইসেন্স নেই।
কোনো প্রতিষ্ঠানেই ওজন-পরিমাপ যন্ত্রের
ক্যালিব্রেশন সার্টিফিকেট নেই। মিষ্টিজাত দ্রব্যসামগ্রীর মোড়কে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের
তারিখ অনুপস্থিত।
উল্লেখিত অপরাধসমূহের প্রেক্ষিতে মোবাইল
কোর্ট আইন, ২০০৯ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অভিযুক্ত চারটি প্রতিষ্ঠানকে
মোট ২৮,০০০ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা আদায় করা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে
এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে বাজার
তদারকি অভিযান পরিচালনা করে চার প্রতিষ্ঠানকে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ শনিবার সকাল ১১টা
থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার লালমাই ও বিজয়পুর বাজারে
এ তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অভিযানে ডিম, ব্রয়লার মুরগী, আলু, মরিচ, সবজিসহ
নিত্যপণ্যের ক্রয় ভাউচার দেখা হয় এবং বিক্রয়ের তথ্য যাচাই করা হয়। দৃশ্যমান স্থানে
পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শিত আছে কিনা দেখা হয়। অভিযানে ক্রয় ভাউচার দেখাতে
না পারা এবং দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা না রাখায় বিজয়পুর বাজারের ভাইয়ের বন্ধন
ভ্যারাইটিজ স্টোরকে ৩ হাজার টাকা, লোকনাথ স্টোরকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা
হয়। এছাড়াও মেয়াদহীন ঔষধ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করায় লালমাই বাজারের মোল্লা
ফার্মেসীকে ৮ হাজার টাকা এবং কাঁচা মাছ মাংসের সাথে বাসি গ্রিল সংরক্ষণ করায় একই
বাজারের বাংলা রেস্তোরাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং বাসি গ্রিল জব্দ করে
ধ্বংস করা হয়।
আজ ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মোট চার প্রতিষ্ঠানকে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং অন্যদের সতর্ক করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মাঠ ও বাজার পরিদর্শক এমদাদুল্লাহ এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


৭ই
নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুমিল্লায়
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি।
আজ
মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকালে কুমিল্লা টাউন হলে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির
উদ্যোগে এই কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ - ড্যাব কুমিল্লার সদস্যবৃন্দ। সকাল থেকেই চিকিৎসা
সেবার বুথ থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসা নিতে আসেন শত শত মানুষ। পাশাপাশি তাদের বিনামূল্যে
ঔষধ প্রদান করা হয়। কুমিল্লা মহানগর বিএনপির
সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু ও বিএনপি নেতা নিজামুদ্দিন কায়সার অনুষ্ঠানের সূচনা
করেন।
ফ্রি
মেডিকেল ক্যাম্পে সাধারণ মানুষ ডায়বেটিস, চর্ম, নাক, কান, গলাসহ শারীরিক বিভিন্ন সমস্যায়
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে পারছেন। সকাল থেকে কুমিল্লা টাউন হলে বিভিন্ন শ্রেণী
পেশার ও নানান বয়সের মানুষ ভিড় করে চিকিৎসা সেবা নেন।
মহানগর
বিএনপির সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন,
বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুমিল্লায় ফ্রি
মেডিকেল ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। চাহিদা সম্পন্নরা কুমিল্লা টাউন হল মাঠের চিকিৎসা
সেবা বুথ থেকে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে বিনামূল্যে সেবা পেতে পারবেন। এই কর্মসূচিতে ড্যাব কুমিল্লা শাখার চিকিৎসকরা ছাড়াও
অন্যান্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ অংশ নিচ্ছেন।
বিএনপি
নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার বলেন, আমরা চেষ্টা
করছি সাধারণ মানুষকে সেবা দিতে। যে কারণে কেন্দ্রীয়
কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুমিল্লাতেও চালু হয়েছে। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি ও মহানগর
বিএনপির উদ্যোগে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
জানা
গেছে, কেন্দ্রীয় বিএনপি'র ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা
বিএনপির আহবায়ক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এই কার্যক্রমের সম্পূর্ণ তত্ত্বাবধান করছেন।
মন্তব্য করুন