

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় বৈষম্য বিরোধী শিক্ষার্থীরা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালনকালে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ২০০বোতল ফেনসিডিল ভর্তি কার্টন জব্দ করেন।
পরে উপস্থিত
সেনা সদস্যদের কাছে বিষয়টি অবহিত করে এগুলো তাদের হাতে শিক্ষার্থীরা হস্তান্তর করে।
শনিবার ১০ আগস্ট সকালে তাদের আটক করা হয়।
জব্দকৃত মাদক
পরে ধ্বংস করা হয়।
মন্তব্য করুন


রোববার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার সদর দক্ষিণে মাইক্রোবাসের চাপায় মো. মোস্তফা কামাল (৫০) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন।
এ দুর্ঘটনাটি ঘটে সদর উপজেলার সুয়াগাজী ট্রাফিক চৌমুহনী এলাকায়।
পার্শ্ববর্তী চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জয়মঙ্গলপুর গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে নিহত মোস্তফা কামাল। নিহত মোস্তফা কামাল পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক ছিলেন।
স্থানীয়রা জানায়, রাতে মোস্তফা কামাল তার অটোরিকশাটি সুয়াগাজী চৌমুহনীর একটি গ্যারেজে রেখে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় চট্টগ্রামমুখী একটি মাইক্রোবাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই কামালের মৃত্যু হয়। এ সময় মাইক্রোবাসটি ফেলে রেখে পালিয়ে যায় চালক।
সোমবার (২৪ জুন) সকালে ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার জানায়, কিছুক্ষণ আগে দুর্ঘটনার খবরটি পেয়েছি। এ বিষয়ে জানতে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলায় সংসারের খরচ চাওয়ায় মাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাতে উপজেলার সাতানি ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত মঞ্জুরা বেগম (৬৫) ওই গ্রামের শান্তি মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শান্তি মিয়ার দুই ছেলে তিন মেয়ে। ছোট ছেলে প্রবাসী বাবুল মিয়া বাহরাইনে থাকেন। আর বড় ছেলে নবীর হোসেন স্থানীয় একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। শান্তি মিয়ার বয়স হয়েছে, উপার্জন করতে পারেন না। সাংসারিক খরচের জন্য তাকিয়ে থাকেন দুই ছেলের দিকে। ছোট ছেলে প্রবাস থেকে মাস শেষে টাকা পাঠালেও বড় ছেলে খুব একটা সংসার খরচ দেন না। এতে করে কয়েকদিন পর পরই বড় ছেলে নবীর হোসেনের সঙ্গে তার বাবা মায়ের ঝগড়া লাগতো। এর আগেও কয়েকবার সাংসারিক খরচ নিয়ে নবীর হোসেনের সঙ্গে তার মায়ের কথা কাটাকাটি হয়। পরে স্থানীয়রা বসে সমস্যার সমাধান করেন।
মঙ্গলবার রাতে সংসারের খরচ চাওয়ায় নবীর হোসেন তার মাকে গালিগালাজ করেন। শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। এক পর্যায়ে চেয়ার দিয়ে মাকে মারধর করতে শুরু করেন। এই সময় তার বাবা শান্তি মিয়া বাধা দিলে তাকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে মা মঞ্জুরা বেগমকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারতে থাকেন। এক পর্যায়ে মা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তিতাস উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাতেই ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে সকালে পুলিশ এসে মঞ্জুরা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
কুমিল্লা তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষ্ণ কান্তি দাস বলেন, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আমরা পাইনি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে মূল ঘটনা জানা যাবে। আমরা এই বিষয়ে তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা,
২০ জুলাই ২০২৫:
বাংলাদেশ
রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) চেয়ারম্যানের নির্দেশনা এবং বিভাগের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং)
মহোদয়ের মনিটরিংয়ের আওতায় কুমিল্লা সার্কেলে এক বিশেষ মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই ভ্রাম্যমাণ আদালত কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন বিআরটিএ, সেনাবাহিনী, জেলা পুলিশ, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
উক্ত
অভিযানে:
মোট
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়: ১টি
১৪টি
মামলা দায়ের করা হয়
আদায়কৃত
জরিমানার পরিমাণ: ৬২ হাজার টাকা
কোনো
কারাদণ্ড প্রদান করা হয়নি
অভিযানে
ইকোনমিক লাইফ অতিক্রান্ত কোনো গাড়ি পাওয়া যায়নি। তবে কিছু ফিটনেসবিহীন গাড়িকে অর্থদণ্ড
প্রদানসহ মালিকদের সচেতন করা হয়।
বিআরটিএ
কুমিল্লা সার্কেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনসাধারণের নিরাপদ যাত্রা ও সড়ক নিরাপত্তা
নিশ্চিত করতে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর বিনোদনকেন্দ্র ধর্মসাগর পাড়ে বেড়াতে গিয়ে বখাটেদের হামলার শিকার হয়েছেন দুই পুলিশ কনস্টেবল। এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে মূল ঘাতকসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ২ এপ্রিল বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত নারী কনস্টেবল জাকিয়া সুলতানা তার স্বামী চাঁদপুর জেলা পুলিশের কনস্টেবল কাজী আব্দুল্লাহ মো. জোবায়েরকে নিয়ে ধর্মসাগর পাড়ে বেড়াতে যান। এ সময় তিনজন যুবক জাকিয়া সুলতানাকে উদ্দেশ করে অশালীন মন্তব্য করে। এতে জোবায়ের প্রতিবাদ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।
দিনদুপুরে এমন ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম-এর নজরে এলে তিনি দ্রুত জড়িতদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।
এরপর ডিবি ও থানা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের শনাক্ত করে। টানা অভিযান চালিয়ে নগরীর বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকা দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো— মো. রিফাত (১৯), কালিয়াজুড়ী (মুন্সেফ কোয়ার্টার), কোতয়ালী মডেল থানা এবং সিয়াম (২০), ভুবনঘর, কোতয়ালী মডেল থানা, কুমিল্লা।
পুলিশ সুপার জানান, কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং বা বখাটেদের কোনো ধরনের অপতৎপরতা সহ্য করা হবে না। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২,০০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ
দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
২৬ সেপ্টেম্বর রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক
দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পাঁচথুবী ইউ.পির শাহপুর
এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ সোহেল (২৪) এবং ২। মোঃ মিজানুর
রহমান আলীম (৪০) নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে
২,০০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সোহেল (২৪) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানার জালুয়াপাড়া গ্রামের মোঃ মফিজ এর ছেলে এবং আসামী মোঃ মিজানুর রহমান আলীম
(৪০) একই গ্রামের নুরুল হক এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার মামলা রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সাইদুর রহমান, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর সহকারী পরিচালক
ডাঃ নিশাত সুলতানা কে উপ-পরিচালক হিসাবে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ
মন্ত্রণালয়াধীন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সুপারিশ এবং মহামান্য
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ফিডার পদে অভিজ্ঞতার শর্ত প্রমার্জনের পরিপ্রেক্ষিতে বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ক্যাডারের নিম্নোক্ত ৪৪ জন কর্মকর্তাকে উপ-পরিচালক/সমমান পদে পদোন্নতি প্রদান সম্পর্কে
এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উক্ত পদোন্নতি পেয়ে ডাঃ নিশাত সুলতানা কুমিল্লা
টুয়েন্টিফোর টেলিভিশনকে জানান - পদোন্নতি পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের
মুহূর্ত। এটি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয় বরং আমার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের
স্বীকৃতি। এই অর্জন আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে
এবং প্রতিষ্ঠানকে আরও এগিয়ে নিতে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে
নিয়ে তার পরবর্তী পরিকল্পনা - আমার মূল লক্ষ্য হলো হাসপাতালের
সেবার মান আরও উন্নত করা এবং রোগীসেবাকে আরও মানবিক ও দক্ষ করা। এজন্য আমি কয়েকটি দিককে
অগ্রাধিকার দিতে চাই —
চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন: আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সঠিক তদারকির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় আরও নির্ভুলতা আনা।
মানবিক সেবা: চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের মধ্যে সহানুভূতি
ও নৈতিকতা জাগ্রত করে রোগীদের প্রতি যত্নশীল মনোভাব বৃদ্ধি করা।
গবেষণা ও শিক্ষা: চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের
বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ বাড়ানো।
পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনা: হাসপাতালের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
রাখা এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সেবা সহজলভ্য করা।
কমিউনিটি সংযোগ: সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য
সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদার করা।
আমার বিশ্বাস, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে
আমাদের হাসপাতাল একটি আদর্শ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে আনন্দঘন কুচকাওয়াজ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। আজ ১৬ ডিসেম্বর সকালে কুমিল্লা ভাষা সৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী বীর শহীদদের।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ রেজা হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আনিসুজ্জামান, পিপিএম। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে বাংলাদেশ পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, কারারক্ষী, বিএনসিসি এবং রোভার স্কাউটের সদস্যরা মনোমুগ্ধকর কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করেন। কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণকারীদের শৃঙ্খলা ও নৈপুণ্য দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেই আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে কুচকাওয়াজে বিজয়ী পুলিশ সদস্যদের হাতে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। তাঁদের সাহসিকতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
এছাড়াও বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার গৌরবময় চেতনার উচ্ছ্বাস।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও দেশপ্রেমের চেতনা আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করেন আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীরা।
মন্তব্য করুন


প্রায় এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার
পর কুমিল্লার ১৮টি থানার কার্যক্রম সোমবার শুরু হয়।
কর্মবিরতিতে থাকা পুলিশ
কর্মকর্তা ও সদস্যরা কাজে যোগ দেওয়ায় থানার কার্যক্রমে গতি এসেছে আর এদিকে১ যঙয ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের উপস্থিতিতে সড়কে
দায়িত্ব পালন করা শিক্ষার্থী ও আনসার সদস্য কমতে শুরু করেছে।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১৩
আগষ্ট) কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান জানান, গতকাল (সোমবার) থেকে
জেলার ১৮ থানার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রায় সব পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাগণ ডিউটি
করছেন। সেবা গ্রহীতাদের তারা বিভিন্ন সেবা প্রদান করা শুরু করেছেন।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন বলেন, আমরা ইতোপূর্বে
থানার অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমগুলো শুরু করেছি। আমাদের কোতোয়ালি মডেল থানায় ১০৪ জন
অফিসার ফোর্স কর্মরত আছেন সবাই কাজে যোগদান করেছেন । সোমবার ও আজ মঙ্গলবার এ দুই
দিনে ৬টি অভিযোগ এবং ১৯টি জিডি করা হয়েছে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায়। যেকোনো
সেবা প্রত্যাশীরা জিডি কিংবা অভিযোগ অনায়াসেই আমাদের ডিউটি অফিসারের কাছে গিয়ে
করতে পারবেন। আমি এবং আমার ডিউটি অফিসাররা এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছি।
থানার সেবা আমরা চালু করেছি। কোতোয়ালি মডেল থানার কোন হামলা হয়নি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণের পর থেকে কুমিল্লা সীমান্তজুড়ে টহল জোরদার রেখেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) পুরো সীমান্তের যেসব এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নেই, সেখানে অতিরিক্ত নজরদারির পাশাপাশি ফোর্স বাড়ানো হয়েছে। এরআগে গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) থেকে অতিরিক্ত নজরদারি ও ফোর্স বাড়ানো হয়েছে।
সরেজমিনে জেলার চৌদ্দগ্রাম, সদর দক্ষিণ ও সদর উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা ঘুরে এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গোলাবাড়ি, বিবিরবাজার, বৌয়ারা বাজার ও চৌদ্দগ্রামের আমানগড় এলাকায় বিজিবি সদস্যদের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বিবিরবাজার এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আবু হাশেম বলেন, ঢাকায় গুলির ঘটনার পর শুক্রবার ও শনিবার সীমান্ত অনেকটা গরম। বিজিবি চেকপোস্ট বাড়িয়েছে। যাকে পাচ্ছে তাকেই তল্লাশি করছে।
গোলাবাড়ি এলাকার কৃষক আবুল মনসুর বলেন, সীমান্তে বিজিবির গাড়ির টহল আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। কেন টহল বাড়ছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, শুনছি ঢাকায় গোলাগুলি হয়েছে। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা যেন সীমান্ত দিয়ে পালাতে না পারে- এই জন্যই টহল বাড়ানো হয়েছে।
কুমিল্লা সীমান্তের বিভিন্ন পোস্টে দায়িত্বরত বিজিবি কর্মকর্তারা বলেন, ঢাকায় ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনার পর কুমিল্লা-১০ বিজিবি থেকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনোভাবেই সীমান্ত ফাঁকি দিয়ে কেউ পার হতে না পারে।
কুমিল্লা-১০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ খোলা কাগজকে বলেন, আমাদের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা সম্পূর্ণভাবে সিল করে দেওয়া হয়েছে। যেসব দুর্বৃত্ত সীমান্ত দিয়ে পালানোর চেষ্টা করবে, তারা ভুল করবে। বিভিন্ন পয়েন্টে বিজিবির দ্বিগুণ সদস্য নিয়মিত টহল দিচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা-৬
(আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ উপজেলা ও সেনানিবাস এলাকা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত
সংসদ সদস্য প্রার্থী, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগর আমীর কাজী দ্বীন
মোহাম্মদের নেতৃত্বে পথসভা, গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় সদর দক্ষিণ উপজেলার
কনেশতলা বাজারে ব্যাপক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে গণসংযোগ করেন কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। পরে
বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে ধনাইতরী এলাকায় এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সহ-সভাপতি মো.
নজরুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন,“দেশে একটি ন্যায্য ও অংশগ্রহণমূলক
নির্বাচন নিশ্চিত করতে অনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন
করা প্রয়োজন। সব দলের অংশগ্রহণে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেশবাসীর প্রত্যাশা।”
তিনি আরও বলেন, “বাস ও টেম্পু স্ট্যান্ড দখল, বাজারে
চাঁদাবাজি কোনোভাবেই চলতে দেওয়া যাবে না। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড— অথচ বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ঘুণে
ধরা। আমরা একটি আদর্শ, ন্যায়নিষ্ঠ ও মানবিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই।”
কোরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “হে মানুষ, তোমরা তোমাদের
রবের দাসত্ব করো— এটাই মানবমুক্তির পথ।”
তিনি অঙ্গীকার করে বলেন, “আমরা জনগণের সেবক হবো। জনগণের
কাছে জবাবদিহি করব এবং জনগণের প্রতিটি টাকার হিসাব ইনশাআল্লাহ পাইপাই করে বুঝিয়ে দেব।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বরোড অঞ্চল পরিচালক
মোহাম্মদ হোসাইন, ২৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী অধ্যাপক সাইফুল হক চৌধুরী, ২৭
নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি কবির আহমেদ পাটোয়ারী।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি ইব্রাহিম খলিল,
আমিনুল ইসলাম, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, আব্দুর রশিদ, মাওলানা নুরুজ্জামান, মাওলানা মাসুদ
ও আব্দুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জামায়াত নেতা আব্দুল হান্নান।
এর আগে গণসংযোগ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন সদর দক্ষিণ উপজেলা আমীর মো. মিজানুর রহমান, সেক্রেটারি মু. ওমর ফারুক, কুমিল্লা
মহানগর ওলামা বিভাগের সেক্রেটারি মাওলানা তাজুল ইসলাম, গলিয়ারা উত্তর ইউনিয়ন সভাপতি
মিজানুর রহমান, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন