

কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে পৃথক অভিযানে এক কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোনসহ চোরাচালানী পণ্য আটক করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
সোমবার ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
ও আদর্শ সদর উপজেলার সীমান্ত এলাক থেকে এসব মালামাল আটক করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগন্ডা সীমান্ত এলাকার নোয়াপুর কাচিগাং মাঠ থেকে মালিক বিহীন অবস্থায় ৫২ লাখ টাকা মূল্যর অবৈধ ১২১টি মোবাইল ফোন আটক করে।
অন্য অভিযানে আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবী হাইস্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে ৫৬ লাখ টাকার বিভিন্ন প্রকার বাজি, শাড়ীসহ অন্যান্য চোরাচালানী পণ্য আটক করা হয়।
মন্তব্য করুন


এমদাদুল হক সোহাগ:
কাজাখস্তানের আলমাতিতে অনুষ্ঠিত 'আইএইউপি সেন্ট্রাল এশিয়া রিজিওনাল কনফারেন্স ২০২৬'-এ এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে কুমিল্লার স্বনামধন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (CCN-UST)। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে তুলে ধরতে এবং প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ সাধনে বিশ্বের ৬টি মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে পৃথক পৃথক সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
এই ঐতিহাসিক চুক্তিগুলোর মাধ্যমে শিক্ষায় পারস্পরিক সহযোগিতা, যৌথ গবেষণা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন হলো। সিসিএন-ইউএসটি-এর পক্ষে সমঝোতা স্মারকগুলোতে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও অনারারি ডিরেক্টর (অ্যাডমিন) ইফতেখারুল ইসলাম চৌধুরী সিয়াম।
চুক্তি স্বাক্ষরিত বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে, কাজাখস্তানের আলমাতি ম্যানেজমেন্ট ইউনিভার্সিটি ও আলীখান বোকেইখান ইউনিভার্সিটি, তুরস্কের ইস্তাম্বুল নিশান্তাসি ইউনিভার্সিটি, উজবেকিস্তানের সেন্ট্রাল এশিয়া ইউনিভার্সিটি, পোল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি অ্যান্ড আর্টস ইন অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস এবং আজারবাইজানের খাজার ইউনিভার্সিটি।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই অসামান্য অর্জন আন্তর্জাতিকীকরণের প্রতি সিসিএন-ইউএসটি-এর দৃঢ় প্রতিশ্রুতি এবং বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে বিশ্ব দরবারে সুপ্রতিষ্ঠিত করার দূরদর্শী ভাবনারই এক সফল প্রতিফলন। 'কুমিল্লা থেকে বিশ্বমঞ্চে'—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব ও শিক্ষার মানোন্নয়নের মাধ্যমে সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আগামী দিনে আরও এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে সিএনজি চালক রাসেলকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
২১ এপ্রিল রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।
মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম শুভপুর গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে গিয়াসউদ্দিন প্রঃ ইয়াজ উদ্দিন প্রঃ সালাউদ্দিন (২৩) ও একই জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার গান্দাচী গ্রামের আনা মিয়ার ছেলে অলি উল্লাহ প্রঃ অলি (৩০)।
মামলার বিবরণে জানাযায়- ২০১৯ সালের ১৮ জুন আসামীরা পরষ্পর যোগসাজশে হত্যাকাণ্ডের শিকার সিএনজি চালক রাসেল এর সিএনজি গাড়ীটি রিজার্ভ ভাড়া করে মুন্সিরহাট টু বাঙ্গড্ডা বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু রাসেল রাতে বাড়ীতে ফিরে না আসায় তাঁর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করার একপর্যায়ে আসামি একরামুল হক পাগলা মোবাইল করে বলে যে, সিএনজিসহ রাসেলকে অজ্ঞাত স্থানে আটক আছে। তাঁকে ছাড়াইতে হলে এক লক্ষ টাকা লাগবে। আরও বলেন এবিষয়ে কাউকে কিছু বলা যাবেনা। তখন বাদী নিরুপায় হতে অনেক কষ্টে ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে একরামুল হক পাগলার বিকাশ নম্বরে পাঠায়। কিন্তু কুমিল্লা রাজাপাড়া মোড়ে রাসেলকে ইয়াবা ট্যাবলেট খাওয়ার কথা বলে বিমানবন্দর এলাকায় জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে আসামি অলি উল্লাহ প্রঃ অলি প্যান্টের বেল্ট খুলে গলায় পেচিয়ে মাটিতে পেলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং কাঁদা মাটি দিয়ে ঢেকে লাশ গুম করে রাখে। পরে তাদের দেখানো মতে পুলিশ রাসেল এর মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। এ ব্যাপারে ভিকটিম রাসেল এর বাবা কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে জয়নাল আবেদীন (৫৫) বাদী হয়ে একই গ্রামের একরামুল হক পাগলার ছেলে মোঃ শাহীন (২৩), মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে গিয়াসউদ্দিন (২১) ও টুংকু মিয়া (১৯) ও একরামুল হক পাগলা (৪৫) সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪জনকে আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি মামলা দায়ের করিলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ হারুনুর রশিদ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি টুংকু মিয়া, গিয়াসউদ্দিন, মোঃ শাহীন ও একরামুলকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে হাজির করিলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তৎপর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ হারুনুর রশিদ, এসআই সুজন কুমার মজুমদার ও এসআই মিন্টু দত্ত দুটি চার্জশীট দাখিল করেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৫ জুন চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে গিয়াসউদ্দিন ও মহিউদ্দিন @ টুংকু ও মৃত ওসমান আলীর ছেলে একরামুল হক পাগলা ও নাঙ্গলকোট উপজেলার গান্দাচী গ্রামের আনা মিয়ার ছেলে অলি উল্লাহ প্রঃ অলি'র বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩৬৪, ৩৮৫, ৩৮৬, ৩৭৯, ৫০৬, ৩০২, ২০১, ৪১১, ১০৯ ও ৩৪ ধারা বিধানমতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর গ্রামের একরামুল হক পাগলার ছেলে মোঃ শাহীন মিয়া (১৭) ও ভিকটিম রাসেলের বড়ভাইয়ের দ্বিতীয় স্ত্রী আসমা আক্তার সাথী'র বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় সম্পূরক দোষীপত্র দাখিল করেন। তৎপর মামলাটি বিচারে আসিলে ২০১৯ সালের ১২ জুন আসামি গিয়াসউদ্দিন, মহিউদ্দিন @ টুংকু, একরামুল হক পাগলা ও অলি উল্লাহ প্রঃ অলি'র বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ গঠনক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে ১৩জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামীদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামী দ্বয়ের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি গিয়াসউদ্দিন ও পলাতক আসামী অলি উল্লাহ প্রঃ অলিকে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত। আসামি মহিউদ্দিন প্রঃ টুংকু'র বিরুদ্ধে রাষ্টপক্ষে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন এবং আসামি একরামুল হক পাগলা মামলা চলাকালীন সময়ে মৃত্যু বরণ করিয়াছেন।
রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ গিয়াসউদ্দিন আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন এবং অপর আসামি অলি উল্লাহ প্রঃ অলি আদালত কাঠগড়ায় অনুপস্থিত ছিলেন।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী অতিঃ পিপি এডভোকেট মোঃ মুজিবুর রহমান বাহার বলেন- আশা করছি উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত ফাঁসি কার্যকর করবেন।
অপরদিকে, আসামি পক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী বলেন- এ রায়ে আসামিপক্ষ অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ। রায়ের কপি হাতে পেলে শীঘ্রই উচ্চ আদালতে আপীল করবো।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক ঘটনায় ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১ জুন) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে তাদের চৌদ্দগ্রাম সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত শিশুরা হলো চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমানের ছেলে আয়ান (১২), কনকাপৈত ইউনিয়নের কালকোট গ্রামের ফরহান ইবনে মোস্তফার ছেলে মোহাম্মদ (২) এবং মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাংপাই গ্রামের মো. হাসানের ছেলে শাহাদাত (৬)।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল বলেন, পৃথক ঘটনায় পানিতে ডুবে যাওয়া তিন শিশুকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অসাবধানতা ও পর্যাপ্ত তদারকির অভাবে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। শিশুদের নিরাপত্তায় অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘সকাল থেকে তিন শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়েছি। ঘটনাগুলোর বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।’
একই দিনে তিন শিশুর মৃত্যুতে তাদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের মধ্যেও বিরাজ করছে গভীর শোক।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চান্দিনার অংশে মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজের সামনে ১৭ আগস্ট শনিবার দুপুর ২টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এলাকায় একটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
এ দুর্ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে মাইক্রোবাসের চালকসহ ৩ জন নিহত হয়েছে। আরও ১ জন মহিলা গুরুতর আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুজন বীমা কোম্পানীর কর্মকর্তা।
নিহতরা
হলেন, চালক তারেক, ট্রাস্ট লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানীর কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন ও মোজাম্মেল
হক।
দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন মাইক্রোবাসে থাকা আরও তিন যাত্রী।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চান্দিনা ফায়ার স্টেশন মাস্টার অনয় কুমার ঘোষ জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি মাইক্রোবাস মাধাইয়ার নাওতলা এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে থাকা একটি গাছের সাথে ধাক্কা খেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ৩ জন মারা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, মাইক্রোবাসটি চালকসহ ৪ জন যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাচ্ছিল। মাধাইয়া
মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজের সামনের সড়কে ঢাকা-চট্টগ্রাম লেন দ্রুত গতিতে আসা মাইক্রোবাসটি
নিয়ন্ত্রণ হারায়। এতে সড়কের পাশের একটি গাছের সাথে ধাক্কা লাগলে মাইক্রোবাসের সামনের
অংশসহ একপাশ দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই মাইক্রোবাসের চালকসহ ৩ জন নিহত হয়।
মাইক্রোবাসের
ভিতরে থাকা গুরুতর আহত এক নারীকে চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের লোকজন উদ্ধার করে চান্দিনা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর কাটাবিল এলাকায় স্কুলছাত্র ইথান আহমেদ গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। ঘটনার পর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রথমে মূল অভিযুক্তকে বিদেশি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলিসহ আটক করা হয়। পরে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তবে এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার এসব তথ্য জানান।
ওসি জানান, ঘটনার পরপরই অপরাধীদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান শুরু করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। অভিযানের অংশ হিসেবে ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত কাটাবিল এলাকার জামাল হোসেনের ছেলে জামসেদ হোসেন শ্রাবণ (২২) কে একটি বিদেশি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার করা হয়।
পরবর্তীতে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে একই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও তিনজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন মৃত শাহজাহান মিয়ার ছেলে আসিফ (২৬), মৃত মোঃ সুলতানের ছেলে আশিক (৩৫) ও মোঃ ইকবালের ছেলে ইমন (১৯)। গ্রেফতার হওয়া চারজনের বাড়িই কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা এলাকায়।
ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, সমাজে নিরাপত্তা বিঘ্নকারী এবং মাদক ও অস্ত্রের সঙ্গে জড়িত কোনো অপরাধীকে কুমিল্লার মাটিতে ছাড় দেওয়া হবে না। স্কুলছাত্র ইথানের ওপর যারা গুলি চালিয়েছে, তাদের দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। অস্ত্র ও মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশের কঠোর অবস্থান এবং চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অবৈধ বিজ্ঞাপন প্রচার ও চিকিৎসার নামে
প্রতারণার অভিযোগে 'কলিকাতা হারবাল' নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা
জরিমানা করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না মানলে সিলগালা
করা হবে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ রেফাঈ আবিদ।
আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় এ প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ সহকারী কমিশনার ভূমি কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ রেফাঈ আবিদ।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেফাঈ আবিদ বলেন, কলিকাতা হারবাল নামক ওই প্রতিষ্ঠানটি অবৈধ বিজ্ঞাপন দিয়ে চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা করছিল। অপচিকিৎসা ও রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না মানলে সিলগালা করা হবে। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ছকিনা বেগম ও রেনু বেগম নামে ২ নারীসহ ৩ জন নিহত হয়েছে।
ছকিনা বেগম ও রেনু বেগম উভয়ে চাচাতো বোন মঙ্গলবার দুপুরে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে দু’জনে কুমিল্লায় যায় রাত সাড়ে নয়টায় কুমিল্লা থেকে ফিরে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিয়াবাজারে সড়ক পারাপার হচ্ছিল এ সময় চট্টগ্রামমুখী তিশা প্লাটিনাম পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় তারা ছিটকে পড়ে এতে ঘটনাস্থলে ছকিনা বেগম নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় রেনু বেগমকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়।
এদিকে প্রবাসী ছেলের বিয়ের জন্য মেয়ে দেখে ফেরার পথে উজিরপুর ইউনিয়নের বেলঘর রাস্তার মাথায় সিএনজি ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে আবদুর রশিদ মারা যান।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ এস এম লোকমান হোসাইন বলেন, এ ঘটনায় ওই যাত্রীবাহী বাসটি জব্দ করে ফাঁড়িতে নিয়ে গেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার মজলিশপুর গ্রামের বাসিন্দা ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড.মোশারফ হোসেন এর মেয়ে আদ্রিতা বিনতে মোশারফ (২১) ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
রাজধানীর শাহবাগ থানার ফুলার রোডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আবাসিক কোয়ার্টারে আদ্রিতা বিনতে মোশারফ (২১) নামে এক শিক্ষার্থী ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি ঢাবির মার্কেটিং বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
রোববার (৩১ মার্চ) ভোরে দক্ষিণ ফুলার রোডের ১৯ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাজিরুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ভোরে ফুলার রোডে আবাসিক কোয়ার্টারের ওই বাসায় গিয়ে দেখা যায়, বিছানায় শায়িত অবস্থায় রয়েছেন ওই শিক্ষার্থী। তখন তার পরিবারের কাছ থেকে জানা যায়, ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়েছিলেন তিনি। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, কী কারণে ওই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে পরিবার তেমন কিছুই জানাতে পারেনি। ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা :
কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার রাজগঞ্জ বাজারের দেশওয়ালী পট্রি এবং কুচাইতলীতে ঈদুল আযহাকে উপলক্ষ করে মসলার মিলগুলিতে ভোক্তা অধিকার অভিযান পরিচালনা করেন।
এই ভালো মরিচের সাতজে নষ্ট মরিচ মিক্স
করে ভাংগানোর সময় হাতেনাতে ধরে পরে। এছাড়াও খুবই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে হলুদের গুড়া
এবং মরিচের গুড়া সংরক্ষণ ও ক্রাসিং করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী 'আল-আমিন
মসলাত মিলকে ১ লাখ এবং 'বায়জিদ মসলার মিলকে ১০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ ১০ হাজার টাকা
জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: কাউছার মিয়া।
উক্ত অভিযানে সহযোগিতা করেন কুমিল্লা
জেলা পুলিশের একটি টিম, ক্যাব কুমিল্লা এবং অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন।
মন্তব্য করুন


সুজন মজুমদার,বরুড়া:
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) ইংরেজি ১ম পত্র
পরীক্ষার দিন তাদের বহিষ্কার করে উপজেলা প্রশাসন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নু এমং মারমা মং। তবে তিনি বহিষ্কার হওয়া পরীক্ষার্থীদের
নাম প্রকাশ করেননি।
বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)
নু এমং মারমা মং জানান, বৃহস্পতিবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ৩য় দিন বরুড়া উপজেলার
বরুড়া শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ কেন্দ্র, আড্ডা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্র এবং বরুড়া সুন্নিয়া
কামিল মাদরাসা কেন্দ্র পরিদর্শন করে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বরুড়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসা
কেন্দ্রে ৮ জন পরীক্ষার্থীকে তল্লাশি করে ৮টি মোবাইল ও নকল, শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ
কেন্দ্রে ১ জন পরীক্ষার্থীকে তল্লাশি করে ১টি মোবাইল ও নকল এবং আড্ডা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে
২ জন পরীক্ষার্থীকে তল্লাশি করে মোবাইল ফোন ও নকল পাওয়া যায়। এ সময় নকল ও মোবাইল ফোন
পাওয়া পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা স্থগিত করে তাদের সবাইকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নকলের বিরুদ্ধে জিরো
টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে। বরুড়া উপজেলা প্রশাসনের নকল বিরোধী অভিযান সব সময় অব্যাহত
থাকবে। শিক্ষার্থীরা হলে কীভাবে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করল সেটি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট
কেন্দ্রের শিক্ষক ও সচিবদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে তার বিরুদ্ধেও
ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন