

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবর শুনে রাফেয়া আক্তার (২১) নামের এক গৃহবধূ গলায়
ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
তিনি উপজেলার জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের আতাকরা গ্রামের প্রবাসী ওবায়দুল ইসলামের স্ত্রী।
আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে
ঘটনাটি ঘটেছে।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবুল হাসেম সবুজ।
স্বাস্থ্য কপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেল ৩ টায় রাফেয়া আক্তারকে তার স্বামী ওবায়দুল ইসলাম ও প্রতিবেশী এক নারীসহ হাসপাতালে নিয়ে আসে। এ সময় তার গলায় কালো জখমের চিহ্ন দেখা যায়। ডাক্তার পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাফেয়ার স্বামী ওবায়দুল ইসলাম গত ৯ সেপ্টেম্বর স্ত্রীকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। আর স্বামীর বিয়ের খবর প্রথম স্ত্রী রাফেয়া সোমবার দুপুরে জেনে যায়। ক্ষোভে তিনি বসতঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
রাফেয়ার চাচা শ্বশুর খোকন মিয়া বলেন, ওবায়দুল ইসলাম ১৫ দিনের ছুটিতে ওমান থেকে দেশে আসে। দেশে আসার আগে ওবায়দুল মুঠোফোনে ঢাকার এক মেয়েকে বিয়ে করে।
বিষয়টি সোমবার তার প্রথম স্ত্রী জেনে যায়। আমরা তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলি এই বাড়িতে তুমি ছাড়া অন্য কোনো নারী আসতে পারবে না। তারপরও সে সবার অজান্তে স্বামীর ওপর অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
কর্তব্যরত চিকিৎসক আবুল হাসেম সবুজ বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই রাফেয়ার মৃত্যু হয়। তার গলায় কালো জখমের দাগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি গলায় ফাঁস দেওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ টি এম আক্তার উজ জামান জানান, গলায় ফাঁস দিয়ে এক গৃহবধূর আত্মহত্যার সংবাদ পেয়ে পুলিশ গিয়ে হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সৈয়দপুর এলাকায় হোটেল ব্যবসার অন্তরালে গাঁজার বাণিজ্য করছে একটি চক্র।
আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে ফাঁকি দিতে হোটেল বা দোকানের বাহিরে ঝোপ ও মাটির স্তুপের মধ্যে ছোট ছোট পুটলি করে গাঁজার লুকিয়ে রাখে। মহাসড়কে চলাচলরত ট্রাক, কার্ভাডভ্যান, যাত্রীবাহী বাসের কিছু চালক ও হেলপারসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে মাদকসেবীরা ওইসব হোটেলের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। তখন হোটেল বা চা দোকানের লোকজন লুকানো স্থান থেকে চাহিদা মাফিক গাঁজার পুটলি তাদের হাতে তুলে দেয়।
শনিবার বিকেল ৩ টা ২২ মিনিটে ঢাকাগামী সিডিএম পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস উপজেলার সৈয়দপুর এলাকায় মহাসড়কের পাশের জোনাকি হোটেল সংলগ্ন (দক্ষিণ পাশে) একটি দোকানের সামনে দাঁড়ায়। পরে গাড়ির সুপারভাইজার থেকে ২০০ টাকা নিয়ে হেলপার সাইনবোর্ড বিহীন হোটেলে যায়। হেলপার যাওয়ার পরে ওই হোটেলের মালিক পাশের মাটির স্তুপ থেকে কয়েকটি গাঁজার পুটলি বের করে নিয়ে আসে।
এমন একটি সংবাদ পেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই ওসমান গণি সঙ্গীয় অফিসারসহ পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে হোটেলের মালিক জাহাঙ্গীর আলম (৩৮)কে আটক করে।
এসময় তার দেহ তল্লাশি করে ও ডান হাতে থাকা নীল রংয়ের পলিথিনের ভিতর রক্ষিত পেপার দ্বারা মোড়ানো ৫০টি গাঁজার রোল উদ্ধার করা হয়। যাহা কাগজ সহ প্রতিটি রোলের ওজন ২০ গ্রাম করিয়া মোট ১০০০ গ্রাম বা ০১ কেজি।
আটককৃত জাহাঙ্গীর উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের উত্তর বাবুচির্র (বসুন্ডা বাড়ি) মৃত রুহুল আমিনের ছেলে।
এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে ওসি ত্রিনাথ সাহা সংবাদ মাধ্যমকে জানান। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ছুপুয়া গ্রামের গৃহবধূ মরিয়ম বেগম হত্যা মামলায় শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবরসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রোববার(২৩ই আগস্ট), কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. শামছুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—মরিয়মের শ্বশুর আবদুল মমিন, শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ও দেবর মো. নিজাম। মামলার অপর আসামি এবং মরিয়মের স্বামী আবদুল মতিনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে পারিবারিক বিরোধের জেরে নাঙ্গলকোট উপজেলার ছুপুয়া গ্রামে গৃহবধূ মরিয়ম বেগমকে গলা টিপে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন নিহতের বাবা সোলেমান বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় চারজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রোববার এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই মামলায় মরিয়মের স্বামী আবদুল মতিনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।
রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. ইকরাম হোসেন ও নিহতের স্বজনরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর এ রায়ের মাধ্যমে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন।একই সঙ্গে তারা দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানান।
মন্তব্য করুন


সীমান্ত এলাকায় মানব পাচারকারী আপন
মিয়াসহ তার সহায়তায় ৩ জন বাংলাদেশী নাগরিক অবৈধভাবে বাংলাদেশ হতে ভারতে যাওয়ার সময়
সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি), কুমিল্লা তাদের আটক করে।
আজ শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর অধীনস্থ শশীদল বিওপির টহল দল
সীমান্ত এলাকায় টহল পরিচালনাকালে সীমান্ত পিলার ২০৫৮/এম হতে আনুমানিক ১০ গজ বাংলাদেশের
অভ্যন্তরে নারায়নপুর নামক স্থানে মানব পাচারকারী সদস্য মোঃ আপন মিয়াকে আটক করে। এসময়
তার সহায়তায় অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় মোঃ বজলুল আমিন, মোঃ মামুন মিয়া ও মোঃ
তারিকুল ইসলামকে মৌলভীবাজার এলাকা থেকে পাসপোর্টবিহীন অবস্থায় বিজিবি টহল দল আটক করে।
আটককৃতরা হলো: কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া
থানার নারায়নপুর গ্রামের মোঃ ফয়েজ আহম্মেদ এর ছেলে মোঃ আপন মিয়া (২২), হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার
শতকবাজার গ্রামের জয়তুন মিয়ার ছেলে মোঃ বজলুল আমিন (২০), একই এলাকার মোঃ আব্দুল মান্নান
এর ছেলে মোঃ মামুন মিয়া (১৯) এবং মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার নারায়নপুর গ্রামের
মোঃ মনির মিয়ার ছেলে মোঃ তারিকুল ইসলাম (২২)।
উক্ত আটককৃত ব্যক্তিদেরকে বিজিবি টহল
দল প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে, মানব চোরাচালানকারীর সদস্য মোঃ আপন মিয়া
এর সহায়তায় উল্লিখিত ৩ জন বাংলাদেশী নাগরিক অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।
উক্ত ব্যক্তিদের নিকট হতে তাদের ব্যবহৃত ৪টি এ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করে।
আটককৃতদের কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া
থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫২ কেজি গাঁজা সহ ১জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
গতকাল (১৫জানুয়ারী) জেলা গোয়েন্দা শাখা কুমিল্লায় কর্মরত এসআই (নিঃ) আরিফুল ইসলাম, এএসআই গিয়াস উদ্দিন, এএসআই মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানাধীন চট্টগ্রাম-টু-ঢাকা গামী মহাসড়কের মিয়া বাজার সাকিনস্থ প্রতাপপুর রাস্তার মাথায় একটি পুরাতন কাভার্ডভ্যান গাড়ী আসতে দেখে গাড়ীটি থামানোর জন্য চালককে সংকেত দিলে চালক সহ গাড়ীতে থাকা অপর একজন ডিবি পুলিশকে চিনতে পেরে চালক উক্ত স্থানে গাড়ীটি থামিয়ে কৌশলে গাড়ীর দরজা খুলে দ্রুত পালিয়ে যায় এবং গাড়ীর ভিতরে চালকের পাশের সিটে বসা মোঃ লাবলু কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মোঃ লাবলু (২৯), পিতা-মৃত নুরুন্নবী, মাতা-মনোয়ারা বেগম, গ্রাম-মির্জানগর (জয় মিয়ার বাড়ী), থানা-মেঘনা, জেলা-কুমিল্লা, বর্তমান ঠিকানা- গ্রাম-তারাবৌ ভরাবৌ বাজার (আতাউর রহমান এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া), থানা-রূপগঞ্জ, জেলা-নারায়নগঞ্জ। কাভার্ডভ্যান গাড়ীটি তল্লাশী করে গাড়ীর পিছনের বডিতে ৩টি প্লাষ্টিকের বস্তার ভিতরে রাখা সর্বমোট ৫২কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।
উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলে পিঠা উৎসবের আয়োজন
করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে স্কুল প্রাঙ্গণে পিঠা উৎসবকে ঘিরে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উক্ত পিঠা উৎসবে সকল শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পদচরণায় মুখরিত হয়ে ওঠে স্কুল প্রাঙ্গণ।
এ
পিঠা উৎসবে প্রায় ৩০ এর অধিক স্টলের আয়োজন করা হয়।
সকাল ৯ টায় উৎসবমুখর পরিবেশে সাংস্কৃতিক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অধ্যাপক জামাল নাসেরের সভাপতিত্বে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এ কে এম আখতার হোসেনের উপস্থিতিতে পিঠা উৎসবের সূচনা করা হয়।
শিক্ষার্থীরা
নানা ধরণের মুখরোচক পিঠা বানিয়ে নিয়ে এসে সেগুলোকে স্টলে সাজিয়ে পরিবেশন করে।
কয়েক ঘন্টা ব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে চলে শিক্ষক শিক্ষার্থীবৃন্দের অংশগ্রহণে কেনা বেচা।
মন্তব্য করুন


সুইয়ের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারী ব্যক্তি এবং তাঁদের যৌনসঙ্গীদের জন্য সমন্বিত এইচআইভি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদারে কুমিল্লায় জেলা পর্যায়ের মতবিনিময় ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করে পিএসটিসি, কুমিল্লা এতে সহযোগিতা করে সেভ দ্য চিলড্রেন ও জাতীয় এইডস/এসটিডি প্রোগ্রাম।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. রেজা মো. সারোয়ার আকবর, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর নজরুল ইসলাম, বিপিএমপিএ সভাপতি ডা. আবু তাহের মুহিত, আনসার ভিডিপি কুমিল্লা রেঞ্জের মেডিকেল অফিসার ডা. রবিউল হোসেন পাটোয়ারী (রবি), মেডিকেল অফিসার সিভিল সার্জন কার্যালয়,ডা. কাউসার আল আমিন, ডা. শফিকুল ইসলাম , সাংবাদিক, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সভায় বক্তারা বলেন, সুইয়ের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীরা এইচআইভি সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকেন। তাই তাঁদের জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবহৃত সুঁই-সিরিঞ্জের নিরাপদ অপসারণ, কাউন্সেলিং, চিকিৎসা ও সামাজিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে তাঁদের যৌনসঙ্গীদের সুরক্ষায় সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, মাদকাসক্তি শুধু ব্যক্তিগত নয়, পারিবারিক ও সামাজিক সংকটও সৃষ্টি করে। কুমিল্লায় মাদকের বিস্তার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে উল্লেখ করে তাঁরা দ্রুত একটি সরকারি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানান। পাশাপাশি বেসরকারি মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোতে সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
‘বাংলাদেশে মূল জনগোষ্ঠীর জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিক এইচআইভি প্রতিরোধ সেবার ধারাবাহিকতা ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পিএসটিসির সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা.মোঃ মাসুদ রানা । সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সেন্টার ম্যানেজার মানস কান্তি দাস (অপু)।
সভা শেষে সিভিল সার্জন ডা: আলী নুর মো. বশির আহমেদ আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি-
কুমিল্লা ১০ কেজি গাঁজা ও ২২ বোতল ফেনসিডিলসহ দুইজন নারীকে আটক করেছে।
ডিএনসি
কুমিল্লার উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্বাবধানে ও উপ-পরিদর্শক তামাল
মজুমদার এর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১০ কেজি গাজা ও ২২ বোতল ফেনসিডিলসহ
দুজনকে আটক করা হয়।
আজ
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭ টায় কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানাধীন চান্দিনা
পৌর এলাকাস্থ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে চান্দিনা উপজেলা রাস্তার মোড়ে
পাকা রাস্তার উপর শাসনগাছা টু হোমনাগামী একতা বাস তল্লাশী করে ১০ কেজি গাঁজাসহ মোসা:
ফারজানা আক্তার(৩০) নামের একজন আসামিকে আটক করে। আটককৃত আসামি কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
থানার কাটাবিল গ্রামের মৃত আলী মিয়ার মেয়ে।
অপর
এক অভিযানে কুমিল্লা টু ঢাকাগামী এশিয়া ট্রান্সপোর্ট নামের বাস তল্লাশি করে ২২ বোতল
ফেনসিডিলসহ মোসা: আসমা আক্তার (৪০) নামের একজনকে আটক করা হয়। আটককৃত আসামি বাগেরহাট
জেলার কচুয়া থানার চরলক্ষীপুর গ্রামের মৃত আব্দুল রাজ্জাকের মেয়ে।
আসামীদের
বিরুদ্ধে উপ-পরিদর্শক তমাল মজুমদার ও সহকারী উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ মনির হোসেন বাদী
হয়ে চান্দিনা থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু :
জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
গত (১০ ফেব্রুয়ারি) শনিবার জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা চান্দিনা থানাধীন কাশিপুর সাকিনস্থ পশ্চিম পাড়া মোঃ খলিল এর বসত ঘর হতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রনি(২৪) কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত রনি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার কাশিমপুর পশ্চিম পাড়া খলিলের বাড়ী মাধাইয়া ইউপির মোঃ খলিল এর ছেলে।
উক্ত ঘটনায় চান্দিনা থানায় এজাহার দায়ের করলে চান্দিনা থানার মামলা নং-০৮, তারিখ- ১০/০২/২০২৪খ্রিঃ, ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬(১) এর টেবিল ১৯(গ) রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী বাসের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত হয়েছেন।
আজ শনিবার (৬ জুন) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার ছুফুয়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ওই দুই যুবকের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
মিয়াবাজার হাইওয়ে ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সকালে দ্রুতগতিতে চলা একটি মোটরসাইকেল মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ‘মদিনা পরিবহন’-এর একটি বাসের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুই আরোহী গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। একই সঙ্গে দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেল ও বাসটি জব্দ করা হয়েছে। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই বাসের চালক ও হেলপার পালিয়ে যান।
ওসি রুহুল আমিন আরও জানান, নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার চান্দিনায় ঘরে ঢুকে বীনা রানী রায় (৫৮) নামে এক গৃহকর্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে সাড়ে ৮টায় উপজেলার বরকইট ইউনিয়নের বরকইট দক্ষিণপাড়া শীল বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বীনা রানী রায় ওই গ্রামের দিলীপ কুমার রায়ের স্ত্রী।
নিহতের ছেলে তাপস রায় জানান- আমরা সবাই বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করি, বাড়িতে মা ও বাবা থাকেন। আমার মা প্রতিদিনের ন্যায় সন্ধ্যায় পূজা-অর্চনা শেষে ঘরে টিভি দেখছিলেন, বাবা দোকানে চা পান করতে যান। এমন সময় দুষ্কৃতিকারীরা ঘরে ঢুকে আমার মায়ের মাথায় এলোপাথারি পিটাতে থাকে। এ সময় আমার পাশের ঘরের এক জেঠা আমার মায়ের চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজনকে সাথে নিয়ে আসার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আমার মাকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বোন শংকরী রানী রায় জানান- পারিবারিক সম্পত্তির জেরে তার ভাসুর সুরেশ চন্দ্র রায়ের সাথে দীর্ঘদিন ঝামেলা চলে আসছিলো। গত কয়েকদিন আগেও মামলা হয়েছে এসব ঘটনা নিয়ে। আমি আমার স্বামীর বাড়িতে ছিলাম। ফোনে খবর পেয়ে এসে দেখি কে বা কাহারা আমার বোন কে হত্যা করেছে।
এব্যাপারে সুরেশ চন্দ্র রায় বলেন- তাদের সাথে আমাদের পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্ধ আছে। কিছুদিন পূর্বেও তারা আমার উপর হামলা করেছিলো। এঘটনায় মামলা চলমান রয়েছে৷ তবে গতকালের হত্যার ঘটনা কে বা কারা ঘটিয়েছে এব্যাপারে আমরা কিছু জানিনা।
বরকইট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূরে আলম জানান- স্থানীয়ভাবে যেটুকু জেনেছি পূর্ব শত্রুতা জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। পার্শ্ববর্তী বাসিন্দাদের সাথে তাদের দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরূপ চলে আসছে।
এ ব্যাপারে চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান- মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে কি কারণে এই ঘটনা, বা কারা ঘটিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি। আমাদের একাধিক টিম রহস্য উদঘাটন সহ দুষ্কৃতিকারীদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে।
মন্তব্য করুন