

কুমিল্লায় ১২৫০ পিস ইয়াবা’সহ একজন মহিলা
মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন পশ্চিম মাঝিগাছা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী কহিনুর
বেগম নামের একজন মহিলা মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১২৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত আসামী কহিনুর বেগম (৪৫) কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী মডেল থানার গোমতী নদীর চর গ্রামের নজরুল ইসলাম এর স্ত্রী।
র্যাব জানান, আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে
আরো জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ইয়াবা
সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে
বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান
পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত
থাকবে। আটককৃত মহিলা আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ডাকাতির
মালামালসহ পাঁচ ডাকাতকে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল রোবাবার (১০ নভেম্বর)
রাতে পুলিশ প্রযুক্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে
তাদেরকে আটক করে।
এসময় তাদের কাছ থেকে এনড্রয়েড
ও বাটন মোবাইল ফোন, স্মার্ট টিভি ও ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত ডাকাত দলের সদস্যরা
হলেন- নাঙ্গলকোটের আদ্রা উত্তর ইউপির শাকতলী মুন্সি বাড়ীর ওসমান গণির ছেলে মো. আবু
বক্কর (৫০), জোড্ডা পশ্চিম ইউপির নোয়াপাড়া মিস্ত্রি বাড়ির ওলি মিয়া প্রকাশ দেলু মিয়ার
ছেলে বাবুল (৪৫), আদ্রা দক্ষিণ ইউপির ভোলাইন গ্রামের আবদুল হাকিমের ছেলে শাহিন (৩৯),
বটতলী ইউপির জিনিয়ারা গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে মোস্তফা (২৮), জোড্ডা পূর্ব ইউপির
পানকরা গ্রামের মোকছুদের ছেলে মো. রাবিক।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পুলিশ
পরির্দশক মো: ওবাইদুল হক বলেন, গত ৬ নভেম্বর নাঙ্গলকোটের জোড্ডা ইউপির তালতলা এলাকায়
নাছিমা আক্তার পাখির রান্না ঘরের টিন কেটে ঘরে ডুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্বর্ণালংকার,
টাকা ও বিভিন্ন মালামাল ডাকাতি করে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে মরিয়ম আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাত
৬/৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। অভিযান চালিয়ে পাঁচ জনকে আটক করে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে
বিভিন্ন থানায় চুরি ও ডাকাতির মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভাষাসৈনিক ও বীরমুক্তিযোদ্ধা সমাজসেবক মোঃ তাজুল ইসলাম শিকারপুরি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।
পরিবারসূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার কুমিল্লার লালমাই উপজেলার হাজতখোলা এলাকার শিকারপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে তিনি হঠাৎ অসুস্থ অনুভব করেন এবং রাত ১২টার দিকে হার্টঅ্যাটাকে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর বয়স ৯০ উর্ধ্ব। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, আট ছেলে ও তিন মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী-শুভাকাঙ্খী রেখে গেছেন।
মরহুমের ছেলে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক এডভাইজার এবং রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোঃ জামাল নাছের জানান, ভাষা সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ তাজুল ইসলাম শিকারপুরি হাজতখোলা উচ্চ বিদ্যালয় এবং শিকারপুর সেকান্দর আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। তাছাড়া লালমাই কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
এলাকাবাসী জানান, শিক্ষা বিস্তারে মরহুম তাজুল ইসলাম ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। এলাকার অসহায় মানুষের জন্য তাঁর দানের হাত সবসময় প্রসারিত ছিলো। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে রণাঙ্গনের বীর সেনা ছিলেন। কুমিল্লা নগরীর ভাষা চত্বর শহীদ মিনারে মোঃ তাজুল ইসলাম শিকারপুরির নাম রয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোক বিরাজ করছে।
পরিবার সূত্র আরো জানায়, আজ বিকাল তিনটায় হাজতখোলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের প্রথম জানাযা এবং বিকেল পাঁচটায় শিকারপুর সেকান্দর আলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে
(কুবি) গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ‘এ’
ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
আজ শনিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর
১২টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে ১টায় শেষ হয়। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ৯টি কেন্দ্রে
ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্র গুলো হল : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস,
ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, শিক্ষাবোর্ড
মডেল কলেজ, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়, গভঃ ল্যাবরেটরি হাই স্কুল,
বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুল এবং বার্ড স্কুল। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১০ হাজার ১৩৪ জন।
পরীক্ষা শেষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের
মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, আজকে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন
হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি হল ঘুরে দেখেছি। কেন্দ্রগুলোতেও
পরীক্ষার পরিবেশ অত্যন্ত ভাল ছিল। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি করা ছিল। ম্যাজিস্ট্রেট
ও পুলিশ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে ছিল। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটস
সদস্যরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছেন। আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী প্রত্যেকেই
নিজ নিজ দায়িত্বের প্রতি আন্তরিক ছিল বলেই ‘এ’-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন
হয়েছে। সামনের পরীক্ষাতেও সুন্দর পরিবেশ বজায়
থাকবে। পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রক্টরিয়াল বডি, কর্মকর্তা-কর্মচারী,
কুমিল্লা জেলা প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট,
সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জানান।
মন্তব্য করুন


এই মুহূর্তে কুমিল্লা গোমতী নদীর পানি বিপদসীমার ১১৩ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। (বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ ঘটিকায়)
আপনারা দ্রুত নিরাপদ স্থানে চলে যান। আদর্শ সদর উপজেলার সকল স্কুল কলেজ মাদ্রাসা খোলা আছে। যেটা কাছে সেটাতে উঠে যান। গোমতী নদীর পাড় থেকে দয়া করে দর্শনার্থীগণ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান। উপজেলা প্রশাসন আদর্শ সদর, কুমিল্লা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২৫ বোতল বিদেশী মদসহ একজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (৫ জুলাই) বিকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন রাজমঙ্গলপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ ইয়াসিন (২০)
নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১২৫ বোতল বিদেশী মদ
উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ ইয়াসিন (২০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার রাজমঙ্গলপুর গ্রামের মৃত আবু তাহের এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য বিদেশী মদ সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় লিপি আক্তার (৪০) নামে এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি ও তার স্বামী মো. সুমনকে (৩০) গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
শনিবার (৩০ মে) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১১ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক সিনিয়র এএসপি মিঠুন কুমার কুণ্ডু।
তিনি জানান, উপজেলা সদরের নোয়াপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় একা বসবাস করতেন লিপি আক্তার। তার তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ঈদুল আজহার দিন ২৮ মে বিকেলে তার মেয়ে মায়ের সঙ্গে দেখা করে শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। পরদিন সকালে মুঠোফোনে খবর পেয়ে তিনি মায়ের বাসায় এসে খাটের ওপর লিপি আক্তারের মরদেহ দেখতে পান।
এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামিদের গ্রেফতারে মাঠে নামে র্যাব।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার ভোরে র্যাব-১১ সিপিসি-২ এবং র্যাব-১ এর যৌথ অভিযানে গাজীপুর সদর থানার ধীরাশ্রম বুড়ি বটতলা এলাকা থেকে মো. সুমনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত সুমন একজন মাদকাসক্ত। লিপি আক্তার ছিলেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী। ঘটনার রাতে তিনি লিপি আক্তারের বাসায় অবস্থান করেন। পরদিন ভোরে নিহতের মোবাইল ফোন নিয়ে চলে যাওয়ার সময় লিপি বাধা দিলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে সুমন তাকে বিছানায় ফেলে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
হত্যাকাণ্ডের পর গ্রেফতার এড়াতে তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেন। পরে র্যাবের অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিকে বুড়িচং থানায় হস্তান্তরসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামিকে কুমিল্লার তিতাস থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। শনিবার (১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে তিতাস থানাধীন বাতাকান্দি বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (৩০)। তিনি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার ছোট কাজরা গ্রামের মো. তারা মিয়ার ছেলে।
র্যাব-১১-এর এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট সকালে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে বন্দীরা সংঘবদ্ধ হয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা শুরু করে। একপর্যায়ে কারারক্ষীদের জিম্মি করে পালানোর চেষ্টা করে তারা। বন্দীদের কয়েকজন কারাগারের লকআপের গেট ভাঙচুর করে বের হয়ে ভবনের সিঁড়িতে থাকা লোহার অ্যাঙ্গেল খুলে তা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে কারারক্ষীদের ওপর হামলা চালায়।
এ সময় কারাগারের ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর, দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে কারারক্ষীদের মধ্যে ২৫ জন গুরুতর আহত হন। ওই দিন দুপুর আনুমানিক ১টা থেকে ২টার মধ্যে মোয়াজ্জেম হোসেনসহ কয়েকজন বন্দী কারাগারের দেয়াল টপকে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে ১৯৯ জনের বিরুদ্ধে গাজীপুর মহানগর পুলিশের কোনাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করে। ২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট দায়ের করা মামলাটির নম্বর ৪। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৮, ১৪৯, ৩৫৩, ২২৪, ৪২৭, ৩৩২, ৩৩৩, ৪৩৬ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
র্যাব জানায়, কারাগার থেকে পালানোর ওই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হলে দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।
এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল শনিবার দুপুর সাড়ে ১টার দিকে তিতাসের বাতাকান্দি বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মোয়াজ্জেম হোসেন ঢাকার মতিঝিল থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলার আসামি। মামলাটির নম্বর ৯১(৩)০৫ এবং দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় করা ওই মামলায় বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। পরবর্তীতে তাকে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়।
২০২৪ সালের ৬ আগস্ট কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর মোয়াজ্জেম হোসেন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান এবং বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে আসছিলেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অভিযান চালিয়ে ১৪৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করেছে। সোমবার (১৮ মে) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, আমাগন্ডা বিওপির একটি টহলদল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান চালায়। এসময় সীমান্ত থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সপুয়া বাজার এলাকায় মোঃ ফাহাদ মিয়ার ফার্নিচার দোকানের পেছনের বাথরুম থেকে ১৪৮ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।
উদ্ধারকৃত গাঁজা চৌদ্দগ্রাম থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদ রাখার অভিযোগে পলাতক আসামি মোঃ ফাহাদ মিয়া (২৮), পিতা- মোঃ কামাল মিয়া, গ্রাম- নোয়াপুর, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লার বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সুজন মজুমদার, বরুড়া:
কুমিল্লা জেলা বরুড়া উপজেলায় ১০০ জন প্রান্তিক মাছ চাষীকে দেওয়া হয়েছে বিনামূল্যে ১০০০ কেজি কার্প মিশ্র মাছের পোনা।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (১৭ ও ১৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলা মৎস্য দপ্তর আয়োজনে উপজেলার পরিষদ ও পয়ালগাছা স্থানে মোট ১০০০কেজি কার্প মিশ্র পোনা (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) ১০০ জন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক মাছ চাষিদের মাঝে এ পোনা বিতরণ করা হয়।
উপজেলা মৎস কর্মকর্তা সুরাইয়া জাহান নিতু নেতৃত্বে ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহমেদ হাছানের সভাপতিত্বে দুইদিন ব্যাপি প্রান্তিক মাছ চাষীদের মাঝে বিনামূল্যে পোনা মাছ বিতরণ করা হয়।
প্রান্তিক মাছ চাষীদেরকে পোনামাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা মৎস্য অফিসার বেলাল হোসেন। তিনি বলেন, মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় ২০২৪ সালের বন্যায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অনেক মৎস্য চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ওই সময় ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষিদের তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠিয়েছিলাম। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ মৎস্য চাষিকে প্রণোদনার অংশ হিসেবে ১০০০ কেজি পোনা বিতরণ করা হয়েছে।
প্রান্তিক মাছ চাষী হেলেনা আক্তার বলেন, পোনা পেয়ে অনেক খুশি। বন্যার কারনে পুকুরের সব মাছ চলে যায়। আজ মাছ নিয়ে পুকুরে মাছ পেলে চারপাশে বাঁধ তৈরি করি।
অন্য আরেকজন মাছ চাষী মিজানুর রহমান বলেন, লাখ লাখ টাকার মাছ চলে গেছে, সেখানে কি আর ১০কেজি পোন মাছে পৌষবে?
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী পরিচালক (জেলা মৎস্য অফিস) অশোক কুমার দাস, উপজেলা কৃষি অফিসার জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য অফিসার (রিজার্ভ) জনাব সুদীপ্ত মিশ্র, লালমাই উপজেলা মৎস্য অফিসার হাবিবুর রহমান ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বোরহান উদ্দিন প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


রোজার মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বুড়িচং উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে বুড়িচং থানার ওসি মহোদয় এবং থানা পুলিশ সদস্যবৃন্দের উপস্থিতিতে নিমসার বাজারে বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বৃহস্পতিবার হওয়া এ অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাহিদা আক্তার লেবু, শসা, কাঁচা মরিচ,ধনে পাতা, আলু, পেঁয়াজ প্রভৃতি পণ্যের দাম যাচাই করেন। কাঁচাবাজার এর
পাশাপাশি দোকানগুলোতেও রশিদ এর মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় এর জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, লেবু ২০-৬০ টাকা হালি, কাচা মরিচ ২৬ টাকা, শশা ৩০ টাকা, খিরা ১২-১৫ টাকা , টমেটো ৫-৮ টাকা , আলু ১৬-১৮ টাকা, লাউ ১৮-২০ প্রতি পিস, পেঁয়াজ দেশি (মেহেরপুর) ১৮-২০ টাকা, পেয়াজ দেশি (পাবনা,নওগা) ২৫-৩০ টাকা, ডিম হালি ৩৩-৩৪ টাকা, চিচিংগা ১৫ টাকা, গাজর ১৫-২০ টাকা, বেগুন ৬০-৬৫/- (উন্নতমানের বড় সাইজ), চিকন বেগুন ৩০-৩৫ টাকা এবং সিম ২০-২৫ টাকা প্রতি কেজি দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে।
তবে অভিযান পরিচালনাকালীন সময়ে এটাও বলে দেওয়া হয় যে ভবিষ্যতে কোনো প্রকার অনিয়ম বা মূল্য কারসাজি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন