

আজ
সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের
নিকলিতে। একদিন আগে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল নওগাঁর
বদলগাছীতে।
বৃহস্পতিবার
(১১ জানুয়ারি) পৌষ মাসের ২৭ তারিখ। আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা খুব বেশি কমার সম্ভাবনা
নেই বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে আগামী সপ্তাহে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন
তারা।
বৃহস্পতিবার
সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার
হোসেন বলেন, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত
থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং এটি কোথাও কোথাও দুপুর
পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক
যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে। এসময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
দেশের দক্ষিণাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং অন্যত্র এটি অপরিবর্তিত
থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা প্রতিনিধি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম – মনোহরগঞ্জ) আসন থেকে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক দপ্তর সম্পাদক জনাব মোঃ সফিকুর রহমান এর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার লাকসাম উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভীন রুহি কাছ থেকে বিএনপি নেতা নাজমুল হাসান,নয়ন মিয়া, সুমন মিয়া,যুবদল নেতা সোহাগ, ছাত্রদল নেতা নুর মোহাম্মদ মোঃ সফিকুর রহমান পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপির প্রবীণ নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,কুমিল্লা:
১৯৭১ সালের ১৮ অক্টোবর কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানায় দেউশ মন্দভাগ বাজারে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে একটি যুদ্ধে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে।
১৯৭১ সালের ১৪ অক্টোবর সালদা নদীতে প্রথম আক্রমণের পর ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ‘সি’ কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার ওহাবের ৭ নং প্লাটুনকে দেউশ-মন্দভাগ এলাকায় প্রতিরক্ষা অবস্থান নিতে নির্দেশ দেন। এলাকাটি দক্ষিণ-পশ্চিমে চান্দলা খাল ও দক্ষিণ-পূর্বে সালদা নদী ঘিরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সুবেদার ওহাবের নেতৃত্বে প্রায় ৬০ জন মুক্তিযোদ্ধা, ২টি এমজি, ৭-৮টি এলএমজি এবং ৬০ মি.মি. মর্টারসহ দৃঢ় প্রতিরক্ষা অবস্থান গ্রহণ করেন।
শত্রুপক্ষ ৩৩ বালুচ রেজিমেন্টের একটি কোম্পানি ১৭ অক্টোবর রাতে সালদা নদী পথে অগ্রসর হয়। ১৮ অক্টোবর ভোরে চান্দলা খালে মাছ ধরায় নিয়োজিত আবু মিঞা প্রথমে শত্রুর নৌবহরের শব্দ শুনে মুক্তিযোদ্ধাদের সতর্ক করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই শত্রুর প্রথম নৌকাটি প্রতিরক্ষা অঞ্চলে প্রবেশ করলে নায়েক আতাউর রহমান গুলি চালিয়ে আক্রমণ শুরু করেন। মুহূর্তেই মুক্তিবাহিনীর সব পোস্ট সক্রিয় হয় এবং সুবেদার ওহাব নিজে এমজি পজিশনে থেকে ফায়ার নিয়ন্ত্রণ করেন। ভয়াবহ গুলিবর্ষণে পাকিস্তানি সেনাদের ৭-৮টি নৌকা ধ্বংস হয়, বহু সেনা নিহত ও আহত হয়। ভোরের আলো ফোটার পর সুবেদার ওহাব ও তাঁর সহযোদ্ধারা লে. সীমাসহ প্রায় ১৫-২০টি মৃতদেহ উদ্ধার করেন। নিহত এক হাবিলদারের পকেট থেকে উদ্ধারকৃত চিঠিতে লেখা ছিল- “এখানে মুক্তিবাহিনী নামক বাহিনী আচমকা এসে আক্রমণ করে পালিয়ে যায়, এদের দেখা যায় না।”
এই চিঠি মুক্তিবাহিনীর গেরিলা কৌশলের সার্থকতা প্রকাশ করে।
আহতদের মধ্যে হাবিলদার আকরাম নামের এক সৈনিক জানায়, তাদের নৌকায় মেজর আফ্রিদি ছিলেন যিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিখোঁজ হন। সুবেদার ওহাব আহত আকরামকে হত্যা না করে চিকিৎসার জন্য ক্যাম্পে পাঠান—যা মুক্তিবাহিনীর মানবিক আচরণের উদাহরণ।
অতঃপর সকাল ৯টার দিকে পাকিস্তানি বাহিনী পশ্চিম ও দক্ষিণ দিক থেকে প্রতিআক্রমণ শুরু করে। সুবেদার ওহাবের এমজি ও এলএমজি পোস্ট থেকে গুলি ও মর্টার বর্ষণে শত্রু ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে পিছু হটে যায়। এরপর শুরু হয় আধাঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আর্টিলারি গোলাবর্ষণ, যা অধিকাংশই খাল ও বিলের পানিতে গিয়ে পড়ে। মুক্তিযোদ্ধাদের কেউ হতাহত না হলেও তাদের দৃঢ় অবস্থান শত্রুকে হতাশ করে।
দুপুরে শত্রু ৪টি হেলিকপ্টার নিয়ে আকাশ থেকে গুলি বর্ষণ করে। এই হামলায় কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক হতাহত হলেও মুক্তিযোদ্ধারা অক্ষত থাকে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও সুবেদার ওহাব পরে হেডকোয়ার্টারের সঙ্গে যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করে যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাঠান।
এই অভিযানে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রায় ৫০-৫২ জন নিহত ও ৫০-৫৫ জন আহত হয়, যার মধ্যে ২ জন অফিসারও ছিলেন। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একক অভিযানে শত্রুপক্ষের সর্বাধিক হতাহতের অন্যতম নজির। পাকিস্তানি সেনারা পরবর্তীতে সুবেদার ওহাবকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় ধরিয়ে দিলে ৫০,০০০ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে।
দেউশ-মন্দভাগ অভিযান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায়—যেখানে সুবেদার ওহাবের নেতৃত্ব, মুক্তিযোদ্ধাদের কৌশল, সাহস ও আত্মত্যাগ প্রমাণ করেছিল যে আধুনিক অস্ত্র নয়, স্বাধীনতার অদম্য আকাঙ্ক্ষাই বিজয়ের মূল শক্তি।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ও চাকরিপ্রাপ্তির
ক্ষেত্রে কোটা প্রয়োগের বিষয়ে তিনটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বৈঠকে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ ও ইউনিটে মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত ৫ শতাংশ আসনে শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদ-বৈঠকের আলোচনা অনুযায়ী, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোটা পদ্ধতির প্রয়োগ বিষয়ে মতামত বা সুপারিশসহ সারসংক্ষেপ উপদেষ্টা পরিষদ-বৈঠকে উপস্থাপন করতে হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোটা পদ্ধতির প্রয়োগ বিষয়ে মতামত বা সুপারিশসহ সারসংক্ষেপ উপদেষ্টা পরিষদ-বৈঠকে উপস্থাপন করবে।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে আটক আটজনের বিরুদ্ধে বন আইনের অধীনে মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে উদ্ধার করা শামুক-ঝিনুক সুন্দরবনের নদীতে আবার ছেড়ে দেওয়া হয়। এর আগে বুধবার বিকেলে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কোবাদক স্টেশনের কঞ্চির খাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারটি নৌকা ও বিভিন্ন সরঞ্জামসহ তাদের আটক করে বন বিভাগ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—খুলনা জেলার কয়রা থানা এলাকার আব্দুল ওয়াদুদ গাজী (৪০), খলিল সানা (৫৯), শফিকুল গাজী (৪৫), আবু সাইদ গাজী (৫৫), গফফার গাজী (৫১), দেলবর গাজী (৫৭), গোলাম মোস্তফা (৩৫) এবং মাসুম বিল্লাহ (৩৪)।
বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে নৌকায় করে শামুক-ঝিনুক সংগ্রহের সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়। এ সময় চারটি নৌকা, জালসহ শামুক-ঝিনুক সংগ্রহের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. ফজলুল হক জানান, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২–এর তফসিল–২ অনুযায়ী শামুক-ঝিনুক ধরা, বহন বা বাণিজ্য করা নিষিদ্ধ। আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটকদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে।
উল্লেখ্য, এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর ৬৯০ কেজি, ২৭ নভেম্বর ৮৬০ কেজি এবং ৩ ডিসেম্বর ১ হাজার ৬০০ কেজি শামুক-ঝিনুক উদ্ধার করে বন বিভাগ। উদ্ধারকৃত এসব শামুক-ঝিনুকও নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের কালিয়াকৈর
সাহেব বাজার এলাকাস্থ আল-আবরার ইন্টারন্যাশনাল হিফয মাদ্রাসার টয়লেট থেকে হাবিবুল্লাহ
নামক জনৈক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গত মঙ্গলবার
সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে । নিহত হাবিবুল্লাহ কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জামে
মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আব্দুল হামিদের ছেলে।
মাদ্রাসা ও
স্থানীয় সুত্র জানায়, কালিয়াকৈর বাইপাস বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন সাহেব বাজার এলাকার মাহিম-মাইশা
টাওয়ারের ২য় তলায় অবস্থিত আল আবরার ইন্টারন্যাশনাল হিফয মাদ্রাসার ছাত্র হাবিবুল্লাহ
বিকেলে মাদ্রাসার টয়লেটে প্রবেশ করে। কিন্তু ১ দেড় ঘন্টা কেটে গেলেও হাবিবুল্লাহ টয়লেট
থেকে বের না হওয়ায় অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তাকে ডাকতে থাকে। এতে কোন সাড়া না পেয়ে শিক্ষার্থীরা
মাদ্রাসার শিক্ষকদের জানান। পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ টয়লেটের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে গিয়ে
দেখেন হাবিবুল্লাহ টয়লেটের রেলিংয়ের সাথে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে রয়েছে। পরে সংবাদ পেয়ে
কালিয়াকৈর থানার এসআই রেজাউল ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে জানতে
চাইলে কালিয়াকৈর থানা পুলিশের ওসি ইনচার্জ খন্দকার নাসির উদ্দীন বলেন আমরা সংবাদ পেয়ে
ওই মাদ্রাসার টয়লেট থেকে লাশটি উদ্ধার করেছি। ময়নাতদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের
কিছু লেনদেন সাময়িকভাবে সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ
সময় বিকাশ, রকেট, নগদসহ এমএফএসে একজন গ্রাহক দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা লেনদেন করতে
পারবেন, প্রতিটি লেনদেনের সীমা হবে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই সীমা কার্যকর থাকবে।
একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি টাকা
স্থানান্তর সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র
জানায়, নির্বাচনে ভোটারদের প্রভাবিত করতে অর্থের অপব্যবহার ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনের
চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) প্রস্তাবনা
দিয়েছে। প্রস্তাব বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী
সীমার অঙ্ক সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে।
বর্তমানে
এমএফএস গ্রাহকেরা দিনে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা এবং মাসে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন
করতে পারেন। নির্বাচনকালীন সময়ে প্রস্তাব অনুযায়ী একজন গ্রাহক দিনে অন্য গ্রাহকের কাছে
সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পাঠাতে পারবেন এবং দিনে সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেন করা যাবে—
যার সর্বোচ্চ সীমা ১ হাজার টাকা।
এদিকে
ব্যাংকের অ্যাপস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবায় ব্যক্তি গ্রাহকেরা প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০
লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করতে পারেন। নির্বাচনকালীন সময়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি টাকা
স্থানান্তর বন্ধ রাখার প্রস্তাবটি বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে বলে সংশ্লিষ্ট
সূত্র জানিয়েছে।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের চাহিদার
পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ লেনদেন সীমিত করার বিষয়ে কাজ চলছে। এ বিষয়ে চলতি সপ্তাহে প্রজ্ঞাপন
জারি করা হবে।’
এ
ছাড়া নগদ টাকা জমা ও উত্তোলনের ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো
হিসাবে এক দিনে এক বা একাধিক লেনদেনের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি নগদ জমা বা
উত্তোলন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে বিএফআইইউতে নগদ লেনদেনের প্রতিবেদন (সিটিআর) দাখিল
করতে হবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সাপ্তাহিক ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন জমা
দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, সিটিআরে কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে
তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যত্যয় হলে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের বিধান অনুযায়ী
ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


যা কিছুই ঘটুক না কেন, গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কাজে অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় সেনাপ্রধান তার কার্যালয়ে বসে রয়টার্সকে দেওয়া এক বিরল সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান।
তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৮ মাসের মধ্যে যেন নির্বাচন হতে পারে, সে জন্য তিনি যেকোনো পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দেবেন।
আগস্টের শুরুতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পদত্যাগ করেন। পরে নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান রয়টার্সকে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর তার পূর্ণ সমর্থন আছে। সামরিক বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত করার একটি পথের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, আমি তাকে (মুহাম্মদ ইউনূস) সমর্থন করব। পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন। যেন তিনি তার কাজ সম্পন্ন করতে পারেন।
মুহাম্মদ ইউনূস দেশের বিচার বিভাগ, পুলিশ, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উত্তরণ হওয়া উচিত। তবে ধৈর্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি।
সেনাপ্রধান বলেন, যদি আপনি আমাকে জিজ্ঞেস করেন, আমি বলব, এ সময়ের মধ্যে আমাদের একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যাওয়া উচিত।
বাংলাদেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ এবং প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এর আগে আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা নেওয়ার তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানায়।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সেনাপ্রধানের প্রতি সপ্তাহেই বৈঠক হচ্ছে। তাদের মধ্যে বেশ ভালো সম্পর্ক রয়েছে। অশান্ত পরিস্থিতির পর দেশকে স্থিতিশীল করতে সরকারের প্রচেষ্টায় সামরিক বাহিনীর সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।
তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত, যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি, তবে ব্যর্থ হওয়ার কোনো কারণ নেই।
মন্তব্য করুন


আগামী জাতীয় নির্বাচনে দেশের নারী ভোটারদের বড় অংশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন জানাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তার দাবি, এই সমর্থনের ইতিবাচক ইঙ্গিত তারা ইতোমধ্যেই লক্ষ্য করছেন।সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর বসুন্ধরায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য ইভারস আইজাবসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি জানান, দেশের জনগণের ওপর তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ সুশাসনের পক্ষে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করবে। জামায়াতে ইসলামীর একমাত্র প্রত্যাশা হলো—নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়।তবে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়া নিয়ে আশঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষায়, কোনো ধরনের অনিয়ম বা শঙ্কা দেখা দিলে প্রথমে তা নির্বাচন কমিশনের নজরে আনা হবে। সেখান থেকে সমাধান না এলে বিষয়টি জাতির সামনে তুলে ধরা হবে।জামায়াত আমির আরও বলেন, যদি এবারের নির্বাচনেও জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন হয়, তাহলে ভবিষ্যতে মানুষ কবে তাদের অধিকার ফিরে পাবে—তা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।এ সময় তিনি দেশের গণমাধ্যম নিয়েও মন্তব্য করেন। তার অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু গণমাধ্যম একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। এমনকি অতীতের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়েও একই প্রবণতা দেখা গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামি চায় গণমাধ্যম স্বাধীন ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করুক। তার মতে, গণমাধ্যম যদি স্বেচ্ছায় পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়, তাহলে তা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল হবে। প্রশাসন ও গণমাধ্যম—উভয়ের ভূমিকাই জনগণ মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে
দলটির মনোনীত প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর নির্বাচনি প্রচারণা থেকে রবিউল ও সজীব নামে
সন্দেহভাজন দুই যুবককে আটক করে দেবিদ্বার থানা পুলিশ। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে
ছেড়ে দেওয়া হয়। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলায় এলাহাবাদ ইউনিয়নে নির্বাচনি প্রচারণাকালে
এ ঘটনা ঘটে।
জানা
যায়, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দেবিদ্বারে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।
এক পর্যায়ে তার সঙ্গে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেওয়া বেশ কিছু সমর্থকের মধ্যে ৩ জনকে
সন্দেহ করে পুলিশ। এরপর দুজনকে আটক করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখানে স্থানীয়দের
সহায়তায় পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এর আগে শুক্রবার রাজধানীর বিজয় নগর
এলাকায় প্রচারণা শেষে ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের
সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি। এরপরই ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী
শুধু হাদিই নয়, হিট লিস্টে ১০ জনের নাম রয়েছে। এ তালিকায় হাসনাত আব্দুল্লাহর নামও রয়েছে।
এ
বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সারোয়ার হোসেন জানান, হাসনাত
আব্দুল্লাহর নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে তৎপর রয়েছে পুলিশ। সন্দেহভাজন
দুজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করে পরিচয় নিশ্চিত হয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশন থেকে ৪ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে স্থানীয় ছাত্র-জনতার সহযোগিতায় তাদের আটক করে পুলিশ। পরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে মামলা দায়েরের পর তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তাররা হলেন—লালমনিরহাটের দুরাকুটি গ্রামের জমির উদ্দিনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম (৩৫) ও একই জেলার শ্বাশান কলোনী গ্রামের মৃত আনিছ আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম (৩৩)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, লালমনিরহাট থেকে ছেড়ে আসা সান্তাহারগামী একটি লোকাল ট্রেনে যাত্রীবেশে স্কুল ব্যাগে করে ৪ কেজি গাঁজা বহন করছিল ২ যুবক। দুপুরে ট্রেনটি স্টেশনের ৫ নম্বর প্লাটফরমে দাঁড়ালে তাদের ১ জন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে স্থানীয় ছাত্র-জনতা তাদের ২ জনকে আটক করে। ওই সময় তাদের হেফাজতে থাকা স্কুল ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় চার কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
আমিনুল ইসলাম নামের ৯ ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলে, ‘বার্ষিক পরীক্ষা শেষে কয়েকজন বন্ধু মিলে স্টেশনের প্ল্যাটফরম দিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। এ সময় ২ ট্রেন যাত্রীর মধ্যে ১ জন ট্রেন থেকে নেমেই দৌড় দেয়। বিষয়টি আমাদের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয় জনতার সহযোগিতা নিয়ে তাদের ২ জনকে আটক করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান ,হাবিব বলেন, ‘ট্রেনে আসা ২জন মাদক ব্যবসায়ীকে ফলো করছিল ছদ্মবেশে থাকা এক পুলিশ সদস্য। সান্তাহার স্টেশনে নামার সময় তাদের ২ জনকে ধরে ফেললে অপরজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে স্থানীয় ছাত্র-জনতা তাকেও আটক করে ফেলে।’
মন্তব্য করুন