

গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ছোট পর্দার অভিনেতা মুশফিক আর ফারহান।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার (০৩ জানুয়ারি) রাতে তাকে আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
মুশফিক আর ফারহানের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, নাটকের শুটিংসেটে ফারহান হঠাৎ জ্বর ও শরীর ব্যথার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে শুক্রবার হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। সেখানে অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর তাকে দ্রুত আইসিইউতে নেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


এ প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। ক্যারিয়ারে ইতোমধ্যে অসংখ্য হিট নাটক উপহার দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি মেহজাবী নাম লিখিয়েছেন বড়পর্দায়। এদিকে গত কয়েক বছর ধরে শোনা যাচ্ছিল তার গোপন বিয়ে ও সংসারের খবর। তবে এবার জানা গেল আসল খবর।
মেহজাবীনদের একজন পারিবারিক বন্ধু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, বিয়ে করছেন তিনি। মেহজাবীনের বর হতে যাচ্ছেন তার সদ্য মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘প্রিয় মালতি’র প্রযোজক ও নির্মাতা আদনান আল রাজীব।
চলতি মাসের ২৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর অদূরে একটি রিসোর্টে মেহজাবীনের গায়ে হলুদ। পরদিন একই ভেন্যুতে বিয়ে। অভিনেত্রীর ঘনিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, বিয়েটা আরও আগে হওয়ার কথা ছিল। দেশের পরিস্থিতির কারণে আয়োজনে একটু দেরি হয়ে গেছে। এর আগে বেশ কয়েকবার মেহজাবীন-আদনান আল রাজীবের প্রেম-বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন রটেছে। সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন তারা। কিন্তু বরাবরই বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন দুই তারকা।
তবে এ বিয়ে নিয়ে অসমর্থিত আরও একটি সূত্র জানাচ্ছে যে, তাদের বিয়ে আরও আগেই হয়ে গেছে। এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতা করতে যাচ্ছেন দম্পতি।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে একটি রিয়েলিটি শোয়ের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মিডিয়াতে পা রাখেন মেহজাবীন। নাটকের গণ্ডি পেরিয়ে মেহজাবীন এখন ওটিটি ও সিনেমায় নিয়মিত অভিনয় করে আসছেন। গেল মাসে মুক্তি পেয়েছে তার সিনেমা ‘প্রিয় মালতি’। এ ছাড়া ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে আগামীকাল মুক্তি পাবে তার নতুন ওয়েব ফিল্ম ‘নীল সুখ’।
অন্যদিকে আদনান আল রাজীব দেশের জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন নির্মাতাদের মধ্যে অন্যতম।
২০১৯ সালেও রাজীবের সঙ্গে ঢাকার একটি বিপণিবিতানে মেহজাবীনের হাত ধরাধরি করে হাঁটার একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়। তখন থেকেই তাদের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তা সরাসরি প্রকাশ্যে আসে। এরপর বিভিন্ন সময় তাদের প্রেমের বিষয়টি সামনে আসলেও কখনো তারা মুখ খোলেননি।
মন্তব্য করুন


ঢালিউডের
সোনালী দিনের দাপুটে নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘ দিন মরণব্যাধি
ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ করে ৮২ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি
ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুর
বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী
সদস্য সনি রহমান। ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের
পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন এই গুণী অভিনেতা। পরবর্তীতে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে এলেও
নিয়তি তাকে টেনে আনে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে।
১৯৬৪
সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’র মাধ্যমে নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায়
অভিষেক ঘটে তার। তবে তার ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’
সিনেমার মাধ্যমে। এই ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা।
এরপর
আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে; একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা দিয়ে দর্শকদের হৃদয়ে
‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে স্থায়ী আসন গেড়ে নেন তিনি।
চলচ্চিত্র জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে বিয়ে করেন সে সময়ের জনপ্রিয়
চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে।
সত্তুর
ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে জাভেদ মানেই ছিল পর্দা কাঁপানো নাচ আর অ্যাকশনের অনবদ্য
এক মিশ্রণ। তার প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। দীর্ঘ দিন ক্যানসারে
আক্রান্ত হয়ে নিভৃতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এই গুণী শিল্পী।
মন্তব্য করুন


বলিউড
অভিনেতা রণিত রায় ২০তম বিবাহবার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতে নিজের স্ত্রীকেই ফের বিয়ে করেছেন।
বর
সেজে স্ত্রী নীলমকে নববধূ সাজিয়ে গোয়ার একটি মন্দিরে সেরেছেন তাদের বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা।
সোমবার
(২৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে বিয়ের ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন এই অভিনেতা।
অভিনেতা রণিত রায় ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমাকে বিয়ে করবে? আবারও?’ আরেকটি ভিডিওর ক্যাপশনে
লিখেছেন, ‘শুধু দ্বিতীয়বার কেন, হাজারবার তোমাকেই বিয়ে করব। ২০তম বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা
আমার ভালোবাসা।’
ভিডিওতে
বিয়ের সকল নিয়ম-কানুন পালন করতে দেখা গেছে এই দম্পতিকে। যেখানে নতুন করে আবারও সাত
পাকে ঘুরেছেন তারা। বিয়েতে রণিত রায় এর পরনে ছিল সাদা শেরওয়ানি ও লাল ওড়না। অন্যদিকে
রণিত রায় এর স্ত্রীর পরণে লাল রঙের লেহেঙ্গা।
রণিত
রায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন বলিউডে। তবে ‘আদালত’ নামের একটি সিরিয়াল তাকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা
এনে দেয় ভারতজুড়ে। সেখানে ‘কেডি পাঠক’ চরিত্রে পরিচিতি পান তিনি।
প্রসঙ্গত,
২০০৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর অভিনেত্রী-মডেল নীলম সিংয়ের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন রণিত
রায়।
মন্তব্য করুন


আজ
বিশ্ব পুরুষ দিবস।
এদিন
প্রিয় পুরুষ- বাবা, ভাই, বন্ধু, সহকর্মী, স্বামী বা প্রেমিক যে কাউকে চাইলে আপনি শুভেচ্ছা
জানাতে পারেন।উপহারও দিতে পারেন । কারণ, কর্মক্লান্ত জীবনে বিশেষ কোনো দিনে উপহার পেলে
ভালো লাগবে নিশ্চয়ই। আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস একজন পুরুষকে ভালো মানুষ হওয়ার মূল্যবোধ,
চরিত্র এবং দায়িত্বের প্রতি উৎসাহিত করতে পারে।
১৯৯৯ সালে জিরোম টিলাকসিংয়ের নির্ধারিত দিনটিই বিশ্ব পুরুষ দিবস হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পায়। সে সময় ক্যারিবীয় অঞ্চলে দিবসটি ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছিল। দিন দিন জনপ্রিয় হয়েছে দিবসটি। আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসে পুরুষের মাঝে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য ও সামাজিক সমস্যা নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। নারী-পুরুষের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন বিষয়ক প্রচারণা, নারী-পুরুষ সমতার প্রচার, পুরুষদের মধ্যে ইতিবাচক আদর্শ চরিত্রের গুরুত্ব তুলে ধরা, পুরুষ ও বালকদের নিয়ে গড়ে ওঠা বিভিন্ন সংস্কার ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করা, পুরুষ ও বালকদের অর্জন ও অবদানকে উদযাপন করা হয়।
বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ৪৫ বছরের কম বয়সী পুরুষের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা
বেশি। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়াসহ বিশ্বের অনেক দেশেই এটি ঘটছে।
পরিসংখ্যান বলছে, পুরুষের তুলনায় নারীরা বিষণ্নতায় বেশি ভোগেন। কিন্তু, পুরুষের আত্মহত্যার
সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই পুরুষের মাঝে সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে ও মানসিক সুস্থতার জন্য
পুরুষ দিবস উদযাপন গুরুত্বপূর্ণ।
মন্তব্য করুন


গতকাল
(৩ ডিসেম্বর) বিয়ে করলেন অভিনেতা আমির খানের মেয়ে ইরা খান ও তার জিম ট্রেনার প্রেমিক
নূপুর শিখরে। মুম্বাইয়েই বসেছিল তাদের বিয়ের আসর।
আমিরের
প্রথম স্ত্রী রিনার বাড়িতেই পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে ৪ হাত এক হলো। ইরা
বিয়েতে সাবেকি সাজই বেছে নিয়েছিলেন।
যদিও
আর ৫জন কনের মতো লেহেঙ্গা বা শাড়ি পরেননি আমিরকন্যা। ইরার পরনে ছিল নীল ও গোলাপির
কম্বিনেশনে তৈরি ডিজাইনার পোশাক।
তবে
ইরার স্বামী নূপুর শিখরের সাজে ছিল অন্য চমক। শেরওয়ানি, পঞ্জাবি নয় কালো রঙের গেঞ্জি
ও সাদা হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের মঞ্চে এসে উঠলেন জামাই!
ইরা
ও নূপুরের বিয়ের ছবি ও ভিডিয়ো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতেই নূপুরের সাজপোশাক
নিয়ে শুরু হয়ে গেছে আলোচনা। নূপুরের এই সাজ দেখে অবাক সবাই। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে
পারে, কেন কালো টি-শার্ট আর হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের আসরে এসেছিলেন বর। আসলে প্রায় ৮ কিলোমিটার
দৌড়ে ইরাকে বিয়ে করতে আসেন নুপূর। রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়েছে তাদের। আর স্বাক্ষর করার
সময় স্যান্ডো গেঞ্জিই পরে ছিলেন নুপূর।
আপাতত
রেজিস্ট্রি করেই বিয়ে করেছেন এই জুটি। আগামী ৮ জানুয়ারি উদয়পুরে হবে জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠান।
মন্তব্য করুন


ছোট পর্দার এই সময়ের অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি । ইতোমধ্যে শোবিজে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন এ অভিনেত্রী। বিভিন্ন সময় ব্যক্তিজীবন ও কাজ নিয়ে আলোচোনায় এসেছেন তিনি। নতুন বছরে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন মাহি।
তবে এবার আলোচনা কাজ দিয়ে নয়, মেকাপ ছাড়া তার একটি ভিডিও সোশ্যাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এ নিয়েই চলছে বিভিন্ন প্রকার মন্তব্য।
ফেসবুকে মাহির নো-মেকআপ লুক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে । তারপর থেকে তার গায়ের রং নিয়ে ট্রল করছেন নেটজনতা। চলছে বর্ণবৈষম্য। ভিডিওটি দেখে বোঝা যাচ্ছে কোন একটি নাটকের শুটিংয়ের ফাঁকে মেকাপ ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন এই অভিনেত্রী। আর সে সময় তার এক সহকর্মী মজার ছলেই ভিডিও করে। পরে যা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। যেখানে অনেকেই মাহির গায়ের রঙ নিয়ে বিভিন্ন প্রকার কটূক্তি করছেন।
সোশ্যাল সাইটে নাতিদীর্ঘ এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে সেই অনুভূতির কথা জানিয়েছেন মাহি।গায়ের রঙ নিয়ে ট্রল করায় কষ্ট পেয়েছেন তিনি। মাহি লিখেছেন, প্রায়ই অভিনেত্রীদের স্কিন কালার নিয়ে নানা ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য শোনা যায়। নিজের বাইরেও অনেকের পোস্টেই এসব মন্তব্য চোখে পড়ে। কিন্তু একজন অভিনেতার ক্ষেত্রে তেমনটা ঘটে না। এর কারণ আসলেই অজানা। হয়ত আমরা অনেকেই মধ্যযুগীয় চিন্তা-চিতনা নিয়েই চলছি।
ক্যারিয়ারের শুরু থেকে কাজকে গুরুত্ব দিয়েছেন জানিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বরাবরই কাজকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছি। বর্তমান যে জায়গায় দাঁড়িয়ে সেখানেও অনেক চেষ্টা, কষ্ট, পরিশ্রম আছে। মানুষের ভালোবাসা রয়েছে। কিন্তু তারপরও মাঝে মধ্যে রঙ নিয়ে মানুষের এমন ট্রল করা আমাকে ভীষণ ভাবায়। যদিও কিছু মানুষই কেবল এমনটা করে থাকে। অথচ একজন মানুষকে, একজন অভিনেত্রীকে তার কাজের মাধ্যমে বিচার করা উচিত। অন্য কোনো কিছু দিয়ে বিচার করা নয়।আমার কাজের সমালোচনা করুন, আমি মাথা পেতে নেব। নিজেকে আরও শুধরানোর জন্য চেষ্টা করব। কিন্তু এভাবে গায়ের রঙ নিয়ে মন্তব্য করে নিজের পরিচয় দেবেন না। আমি আপনাদের জন্যই কাজ করছি, আর করে যাব। আপনাদের সবার ভালোবাসায় থাকতে চাই এবং বাঁচতে চাই।
এর আগে গত বছর মাহি তার সোশ্যাল মাধ্যমে এক যুবকের সাথে ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন। প্রেমিক হিসেবে ঘোষণা না দিলেও তাদের অন্তরঙ্গতা প্রেমের আভাসই দিচ্ছিল যেন। মাহি অবশেষে প্রেমের কথাও স্বীকার করেন।
প্রেমের বিষয়টি স্বীকার করে মাহি জানান ,কোভিডের আগে, ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়। কোভিডের সময় যোগাযোগ বাড়ে, সেখানে থেকেই আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। ওর নাম সাদাত শাফি নাবিল। আর পারিবারিকভাবেই ওদের গাড়ির ব্যবসা আছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকায় এসেছেন পাকিস্তানি জনপ্রিয় নায়িকা হানিয়া আমির। ঢাকায় এসে ঘুরছেন মনের আনন্দে। পথের ধারের খাবার খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলছেন।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় তিনি ছিলেন ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে, সেখানে তিনি একটি আয়োজনে অংশ নেন। সেই আয়োজনে উপস্থাপক তাঁর কাছে প্রশ্ন করেন, শাহরুখ খান নাকি শাকিব খান—কে তাঁর পছন্দ। উত্তরে যা বলেছেন, তা উপস্থিত দর্শকদের দিয়েছে আনন্দ।
শুক্রবার ভোরে হানিয়া আমির গিয়েছিলেন ঢাকার আহসান মঞ্জিলে। সেখানে তিনি একটি ভিডিও ভ্লগের শুটিংয়ে অংশ নেন। সেখানে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফসান দ্য ছোটভাইয়ের সঙ্গে একটি ভ্লগে অংশ নেন তিনি। পাশাপাশি চেখে দেখেন ফুচকা, ঝালমুড়ির মতো কিছু রাস্তার খাবার। শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকার পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে তিনি মুখোমুখি হন উপস্থাপক সৌমিক আহমেদের। সেখানে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, শাকিব খান নাকি শাহরুখ খান, কাকে পছন্দ করেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে হানিয়া আমির বলেন, ‘আমার মনে হয়, তোমরা শাকিব খানকে অনেক বেশি পছন্দ করো, তাই আমারও পছন্দ শাকিব খান।’
হানিয়া আমির পাকিস্তানের তরুণ প্রজন্মের কাছে বেশ জনপ্রিয় অভিনেত্রী। অল্প সময়ে তিনি অভিনয়জগতে নিজের অবস্থান পোক্ত করেছেন। ২০১৬ সালে কমেডি ঘরানার ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর টেলিভিশন নাটক ‘ফির ওহি মহব্বতে’ অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের ভালোবাসা কুড়ান। এই কাজের জন্য তিনি অর্জন করেন ‘হাম অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট টেলিভিশন সেনসেশন’ (ফিমেল) পুরস্কার।
চলচ্চিত্র ‘পারওয়াজ হ্যায় জুনুন’ এবং পাঞ্জাবি কমেডি ‘সরদারজি ৩’ তাঁকে বাণিজ্যিকভাবে বড় সাফল্য এনে দেয়। প্রাণবন্ত অভিনয় ও সহজ-সরল ব্যক্তিত্বের কারণে তিনি দ্রুতই দর্শকদের প্রিয় অভিনেত্রীতে পরিণত হন।
অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সরব হানিয়া আমির। ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুসারীর সংখ্যা এখন ১৮ দশমিক ৯ মিলিয়নের বেশি। ফানি ভিডিও, নান্দনিক ছবি ও স্টাইলিশ লুক শেয়ার করে তরুণদের কাছে তিনি শুধু অভিনেত্রী নন, একাধারে ফ্যাশন আইকন ও অনুপ্রেরণার উৎস।
১৯৯৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে জন্মগ্রহণ করেন হানিয়া। কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি তাঁর প্রতিভা ও উচ্ছ্বল ব্যক্তিত্ব দিয়ে পাকিস্তানের সীমা ছাড়িয়ে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ভক্তদের কাছেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
মন্তব্য করুন


নবদম্পতি
রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবরাকোন্ডা বিয়ের আনন্দ ভাগ করে নিতে দেশজুড়ে বিশেষ উদ্যোগ
নিয়েছেন। আগামী ১ মার্চ তারা ভারতের বিভিন্ন মন্দিরে অন্নদানের আয়োজন করছেন। পাশাপাশি
২০টিরও বেশি শহরে পাঠানো হয় মিষ্টিভর্তি ট্রাক।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, মন্দিরে দর্শনের পর ভক্তদের হাতে মিষ্টির
বাক্স তুলে দিচ্ছেন এই তারকা জুটি। চারদিক থেকে ভক্তরা তাঁদের ঘিরে ধরেন এবং শুভেচ্ছা
জানান। সেদিন রাশমিকা পরেছিলেন সোনালি শাড়ি ও সবুজ রেশমি ব্লাউজ। সোনার গয়না, হালকা
সাজ ও ফুলে সাজানো খোঁপায় ছিল বিয়ের আভা। অন্যদিকে বিজয় পরেছিলেন সাদা পাঞ্জাবি, হালকা
রঙের পায়জামা এবং কাঁধে লাল চাদর।
এর
আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা জানিয়েছিলেন, দেশের মানুষের সঙ্গে বিয়ের আনন্দ ভাগ
করে নিতে ১ মার্চ ভালোবাসা ও মিষ্টিভর্তি ট্রাক বিভিন্ন শহরে পাঠাবেন। পাশাপাশি দেশের
একাধিক মন্দিরে অন্নদানেরও আয়োজন করা হবে।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক বার্তায় এই তারকা দম্পতি জানান, দেশের মানুষ সবসময় তাদের জীবনের
অংশ হয়ে থেকেছেন। তাই বিয়ের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান তারা। বার্তায় তারা
লিখেছেন, আপনারা সবসময় আমাদের যাত্রা ও ভালোবাসার অংশ। আমরা চাই আমাদের বিয়ের আনন্দ
আপনাদের সবার সঙ্গে উদযাপন করতে। আর ভারত কীভাবে উদযাপন করে? মিষ্টি আর খাবার দিয়ে।
হায়দরাবাদ,
মহবুবনগর, করিমনগর, দিল্লি, চণ্ডীগড়, নয়ডা, গাজিয়াবাদ, আহমেদাবাদ, ভোপাল, মুম্বাই,
জয়পুর, বিশাখাপত্তনম, বিজয়ওয়াড়া, পুত্তাপর্থি, কোচি, মাইসুরু, কুর্গ, বেঙ্গালুরু, কোয়েম্বাটুর,
চেন্নাই ও পুদুচেরিসহ একাধিক শহরে মিষ্টি দেয়া হয়।
উল্লেখ্য,
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরের আইটিসি মেমেন্টোস-এ তেলুগু ও কোডাভা রীতিতে বিবাহবন্ধনে
আবদ্ধ হন রাশমিকা ও বিজয়। ২০১৮ সালে ‘গীতা গোবিন্দম’ সিনেমার শুটিং সেটে তাদের প্রথম পরিচয়।
পরে ‘ডিয়ার কমরেড’ ছবিতেও একসঙ্গে কাজ করেন। দীর্ঘদিন
প্রেমের পর অবশেষে সংসার জীবন শুরু করলেন এই জুটি।
মন্তব্য করুন


পৃথিবী
সফরের অংশ হিসেবে আগামীকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় আসবে ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি।
তবে এই ঐতিহাসিক ট্রফি সবাই সরাসরি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন না। কেবল কোকা-কোলার ‘আন্ডার
দ্য ক্যাপ’ প্রোমোশনাল ক্যাম্পেইনে অংশ নেয়া নির্বাচিত কিছু ব্যক্তি
ট্রফিটি দেখার এবং এর সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পাবেন।
কোকা-কোলার
এই বিশেষ ক্যাম্পেইনটি শেষ হয়েছে ৮ জানুয়ারি। নির্দিষ্ট প্রোমোশনাল বোতল কিনে কিউআর
কোড স্ক্যান করা এবং ফিফা-থিমভিত্তিক কুইজে অংশ নিয়ে বিজয়ীরা এই এক্সক্লুসিভ পাস অর্জন
করেন।
ফিফা
বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলার ষষ্ঠ আসরের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় গত শনিবার সৌদি
আরবের রাজধানী রিয়াদে। কিংবদন্তি ইতালিয়ান ফুটবলার ও ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপজয়ী আলেসান্দ্রো
দেল পিয়েরো এই বিশ্বভ্রমণের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশনের
শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন ভিআইপিরা।
বিশেষ
ট্রফি ট্যুর বিমানে করে রিয়াদ বিমানবন্দরে পৌঁছে দেল পিয়েরো টারমাকে ফিফা বিশ্বকাপের
মূল ট্রফি উন্মোচন করেন। এরপর তিনি অংশ নেন একটি সংগঠিত ফুটবল ক্লিনিকে, যেখানে তরুণ
শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান এবং বিভিন্ন ফুটবল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বিশ্বকাপ ট্রফির
উপস্থিতি ও কিংবদন্তি ফুটবলারের সান্নিধ্যে শিশুদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।
দিনব্যাপী
উৎসবের শেষ পর্বে রিয়াদের একটি বড় শপিং মলে সাধারণ দর্শকদের জন্য আয়োজন করা হয় পাবলিক
ফ্যান ইভেন্ট। সেখানে শত শত ফুটবলপ্রেমী ও গণমাধ্যমকর্মীর সামনে প্রদর্শন করা হয় ফিফা
বিশ্বকাপের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই ট্রফি।
ফিফা
বিশ্বকাপের মূল ট্রফিটি ৩০টি ফিফা সদস্য দেশের ৭৫টি গন্তব্যে ভ্রমণ করবে। পুরো সফর
চলবে ১৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে। এই বৈশ্বিক ট্রফি ট্যুরের মাধ্যমে বিশ্বের হাজারো ফুটবলপ্রেমী
জীবনে একবার কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাবেন ফুটবলের সর্বোচ্চ পুরস্কারটি।
ট্রফি
ট্যুরের সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় আসবে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি।
এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরাও বিশ্বকাপের আবহে সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ
পাবেন।
ফিফা
বিশ্বকাপ ২০২৬ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। এই প্রথম তিনটি দেশ-যুক্তরাষ্ট্র,
কানাডা ও মেক্সিকো-যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। এবারের আসরে অংশ নেবে ৪৮টি
দল এবং অনুষ্ঠিত হবে রেকর্ডসংখ্যক ১০৪টি ম্যাচ।
এই
ট্রফি ট্যুরে ২০২৬ সালের তিন আয়োজক দেশের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ফিফা বিশ্বকাপ ও ফিফা নারী
বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলো-মরক্কো, পর্তুগাল, স্পেন, সৌদি আরব ও ব্রাজিল-সফর করবে ট্রফি।
কোকা-কোলা’র
গ্লোবাল অ্যাসেটস, ইনফ্লুয়েন্সার ও পার্টনারশিপস বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট মিকায়েল
ভিনে বলেন, ফুটবল এমন একটি খেলা, যা ভাষা বা দেশের সীমারেখা ছাড়াই মানুষকে একত্রিত
করে। দুই দশক ধরে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলা ফুটবলপ্রেমীদের খেলাটির
জাদুর সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে।
ফিফার
চিফ বিজনেস অফিসার রোমি গাই বলেন, ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি খেলাধুলার জগতে সর্বোচ্চ সম্মানের
প্রতীক। কোকা-কোলার সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের
বিশ্বকাপের উত্তেজনার সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে।
ফুটবল
ম্যাচ দেখার সময় যে আবেগ, উত্তেজনা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়-সেই অনুভূতিগুলোকে উদযাপন করতেই
ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফিটি বাংলাদেশে নিয়ে আসা হচ্ছে। ট্রফির এই সংক্ষিপ্ত সফর হলেও
তা দেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের ৪ কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি
কার্ড’ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার ( ২২ জানুয়ারি ) সকালে সিলেটে এক
পাঁচ তারকা হোটেলের কনফারেন্স রুমে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি
এ কথা বলেন।
তারেক রহমান জানান, ফ্যামিলি কার্ডটি মূলত পরিবারের
প্রধান নারীর নামে দেওয়া হবে।
কার্ডের সুবিধাদি তুলে ধরে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে
প্রতিটি পরিবারকে মাসে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা এবং প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হবে।
তরুণদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোকপাত
করে তিনি আরও বলেন, বিদেশ গমনেচ্ছুদের সক্ষমতা বাড়াতে দেশের কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থাকে
আধুনিকায়ন করা হবে। একইসঙ্গে বিভিন্ন দেশের ভাষা শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেবে বিএনপি।
‘দ্য প্ল্যান: ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক
এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
এ সময় তারেক রহমান তরুণদের কথা শোনেন এবং তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।
এই মতবিনিময় শেষে তারেক রহমান সিলেটের সরকারি আলিয়া
মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন।
মন্তব্য করুন