

‘টাইগার’ ফ্র্যাঞ্চাইজির
৩য় কিস্তি নিয়ে হাজির হলেন সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ জুটি। যশরাজ ফিল্মস
প্রযোজিত সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে ১২ নভেম্বর (রোববার)। কিন্তু সিনেমাটি মুক্তির কয়েক ঘণ্টা পরই অনলাইনে ফাঁস হয়েছে। মুক্তির
প্রথম দিনে ফাঁস হওয়ায় বক্স অফিসের আয়ে প্রভাব ফেলতে পারে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম
ইন্ডিয়া ডট কম জানিয়েছে, মুক্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সালমান খানের ‘টাইগার ৩’
সিনেমা অনলাইনে ফাঁস হয়েছে। এইচডি কোয়ালিটির প্রিন্ট পাওয়া যাচ্ছে টরেন্ট
ওয়েবসাইটে। তা ছাড়াও তামিল রকার্স, টেলিগ্রাম, মুভিরুলসে পাওয়া যাচ্ছে সিনেমাটি।
মুক্তির প্রথম দিনে ফাঁস হওয়ায় বক্স অফিসের আয়ে প্রভাব ফেলতে পারে।
‘টাইগার ৩’ সিনেমায়
অতিথি চরিত্রে দেখা যাবে শাহরুখ খানকে। সিনেমাটির অ্যাকশন দৃশ্যে সালমানের সঙ্গে
হাজির হবেন কিং খান।
‘টাইগার ৩’ সিনেমার অনান্য চরিত্রে আছেন ইমরান হাশমি,আশুতোষ রাণা, রেবতী, রণবীর শোরে, বিশাল জেঠওয়া, রিদ্ধি ডোগরা।
মন্তব্য করুন


দ্বিতীয়বারের মতো বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী-অভিনেতা তাহসান খান। বছরের শুরুতেই এমন সুসংবাদ নিশ্চিতভাবেই চমকে দিল তাহসানের ভক্ত-অনুরাগীদের। মেকওভার আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এই অভিনেতা।
সংবাদমাধ্যমে বিয়ের খবর নিশ্চিত করেছেন তাহসান নিজেই।
তাহসান খান জানান, রোজা নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি থেকে কসমেটোলজির ওপর পড়াশোনা করছেন। তিনি একজন উদ্যোক্তা। পড়াশোনা শেষ করে তিনি কসমেটোলজি লাইসেন্স গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে নিউইয়র্কের কুইন্সে রোজাস ব্রাইডাল মেকওভার প্রতিষ্ঠা করেন।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ৭ আগস্ট বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান ও মিথিলা। এরপর ২০১৩ সালের ৩০ জুলাই তাদের ঘর আলোকিত করে আসে আইরা তাহরিম খান নামের কন্যাসন্তান। পরে ২০১৭ সালের ৪ অক্টোবর ফেসবুক পেজ থেকে তাহসান ও মিথিলা যৌথভাবে তাদের বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন।
মন্তব্য করুন


নতুন বছরের শুরুতেই বিয়ে করলেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আরমান মালিক। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা আশনা শ্রফের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তিনি।
সামাজিকমাধ্যমে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে নিজেই সুখবরটি জানিয়েছেন। নিজের ইনস্টাগ্রামে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে আরমান লেখেন, ‘তু হি মেরা ঘার (তুমিই আমার ঘর)’।
২০২৩ সালের আগস্ট মাসে বাগদান সেরেছিলেন আরমান মালিক ও আশনা শ্রফ। তাদের বাগদানের ছবিতেও মুগ্ধ হয়েছিলেন অনুরাগীরা। বিয়েতেও সেই ধারা বজায় থাকল। দিনের আলোয় পালিত হলো বিবাহ অনুষ্ঠান।
বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন, দুজনের পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনরা।
মন্তব্য করুন


’ডোডোর
গল্প’র শুটিংয়ে মাধ্যমে অভিনয়ে ফিরেন অভিনেত্রী পরীমণি। তবে হঠাৎ রেগে আগুন পরীমণি।
সম্প্রতি
ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্য
চলচ্চিত্র ‘বুকিং’। হাতে রয়েছে আরও বেশ কিছু কাজ।
রোববার
(২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সামাজিকমাধ্যমে পরীমণি লেখেন, ‘মিথ্যুক, ভণ্ড, প্রতারক,.. বাচ্চাদের
জন্যে সিনেমার... মারা হচ্ছে। শবে বরাতের দিনে কলিজার মধ্যে কষ্ট দিয়ে দিল। এই কষ্ট
তাদের না হোক। আল্লাহ তাদের মাফ করে দিক।
যদিও
এই পোস্টের রহস্য এখনও জানা যায়নি। কোনো কিছু খোলাসা করেননি নায়িকা পরীমণি।
প্রসঙ্গত,
শিগগিরই ‘রঙিলা কিতাব’ নামে অনম বিশ্বাসের একটি ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার কথা
রয়েছে পরীমণির। এ ছাড়াও টলিউডে ‘খেলা হবে’ নামে একটি সিনেমাও রয়েছে তার হাতে।
মন্তব্য করুন


মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে হলুদের বিশাল সমারোহ। চারদিকে বিরাজ করছে শীত। কুয়াশা ও ঝলমলে রোদের খেলা এখন দিগন্ত বিস্তৃত হলদে বরণ সরিষার ফুলে ফুলে। সরিষা ক্ষেতের মাঝে দাঁড়িয়ে আবার অনেকেই ছবি তুলেন। সেই সব ছবি বেশ কিছু দিন ধরেই অনেকেই সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমণি। ছবির লোকেশন ট্যাগ দেখে জানা যায় বরিশালের কোন একটি স্থানে ছবিগুলো তুলেছেন পরীমনি। আর সঙ্গে রয়েছেন আরও কয়েকজন বোন।
পরীমণি
ছবিগুলো শেয়ার করে বোনদের উদ্দেশে ক্যাপশনের শুরুতেই লেখেন, তোরা যখন আমার বয়সের হবি
তখন আমার মতো করে তোদের ছোটদের সঙ্গেও এমন সুন্দর কিছু মেমোরি জীবনে বাঁধাই করে রাখিস।
এসব পাগলামি জীবনকে আনন্দে বাঁচায়। ছবিগুলোর পেছনের গল্পও যুক্ত করেছেন এই পোস্টে।
পরীমণি আরও লেখেন, ছবিগুলোর পেছনের গল্পটা অনেক অ্যাডভেঞ্চারাস ছিল। গাড়িতে বাবুকে
(পরীর পুত্র রাজ্য) ঘুমে রেখে একটা আননোন মার্কেটে নাক, মুখ চাদরে ঢেকে নেমে পরলাম
শাড়ি খুঁজতে। পাই না, পাই না, পাই তো পছন্দ মতো হয় না, যাই হোক হলো। হতেই হতো আর কি!
এবার পালা শাড়ির ব্লাউজ! ওহ সেকি কাণ্ড! সেটাও ম্যানেজ করে ফেললাম শেষ মেষ। ওদিকে
রোদ চলে যায় যায়। দুপুরের খাওয়া হয়নি তখনও। পেটে খিদে নিয়ে কি আর এমন সুন্দর মাঠে নেমে
হিহি করা যায়। উড়ে এসে ঘরে ঢুকেই পেট ভরে হাঁসের মাংস দিয়ে ভাত খেলাম। তখন সূর্য গাছের
নিচে! এর মধ্যে আমরা রেডি হয়ে মাঠে হিহি-হাহা করতে করতে এতো সুন্দর কিছু মুহুর্ত ধরে
রাখতে পারলাম।
মন্তব্য করুন


ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমণি মাত্র তিন বছর বয়সে মাতৃহারা হন। ২০১২ সালে তার বাবাও না ফেরার দেশে চলে যান।
মাতৃহারা হওয়ার পর থেকেই নানার কাছেই বড় হয়েছেন তিনি। তবে এবার প্রিয় সেই নানা শামসুল হক গাজীকে হারালেন তিনি।
নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত ২টা ১১ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে চলে যান তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) ।
এই নির্মাতা আরো জানান, পরীমণির নানার মরদেহ গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের শিংখালীতে নেওয়া হচ্ছে। সেখানেই পরীর নানির কবরের পাশে তাকে শায়িত করা হবে।
গেল অক্টোবর মাসের ছিল পরীমণির জন্মদিন। প্রতিবার ঘটা করে দিনটি উদযাপন করলেও এবার নানার অসুস্থতার কারণে আয়োজন থেকে বিরত ছিলেন তিনি।
তখন পরীমণি বলেছিলেন, বেশ কদিন ধরেই নানা বেশ অসুস্থ। তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি। আপনারা জানেন প্রতিবার জন্মদিনে নানুর হাত ধরে কেক কাটি। আমার নানু আমার জন্য কী সেটা সবাই জানেন। তিনি কদিন ধরেই অসুস্থ। তার অসুস্থতার জন্য আমি শুটিংও বাদ দিয়েছিলাম। তাই এবার জন্মদিনটি পালন করছিনা।
মন্তব্য করুন


ছোট পর্দার এই সময়ের অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি । ইতোমধ্যে শোবিজে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন এ অভিনেত্রী। বিভিন্ন সময় ব্যক্তিজীবন ও কাজ নিয়ে আলোচোনায় এসেছেন তিনি। নতুন বছরে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন মাহি।
তবে এবার আলোচনা কাজ দিয়ে নয়, মেকাপ ছাড়া তার একটি ভিডিও সোশ্যাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এ নিয়েই চলছে বিভিন্ন প্রকার মন্তব্য।
ফেসবুকে মাহির নো-মেকআপ লুক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে । তারপর থেকে তার গায়ের রং নিয়ে ট্রল করছেন নেটজনতা। চলছে বর্ণবৈষম্য। ভিডিওটি দেখে বোঝা যাচ্ছে কোন একটি নাটকের শুটিংয়ের ফাঁকে মেকাপ ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন এই অভিনেত্রী। আর সে সময় তার এক সহকর্মী মজার ছলেই ভিডিও করে। পরে যা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। যেখানে অনেকেই মাহির গায়ের রঙ নিয়ে বিভিন্ন প্রকার কটূক্তি করছেন।
সোশ্যাল সাইটে নাতিদীর্ঘ এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে সেই অনুভূতির কথা জানিয়েছেন মাহি।গায়ের রঙ নিয়ে ট্রল করায় কষ্ট পেয়েছেন তিনি। মাহি লিখেছেন, প্রায়ই অভিনেত্রীদের স্কিন কালার নিয়ে নানা ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য শোনা যায়। নিজের বাইরেও অনেকের পোস্টেই এসব মন্তব্য চোখে পড়ে। কিন্তু একজন অভিনেতার ক্ষেত্রে তেমনটা ঘটে না। এর কারণ আসলেই অজানা। হয়ত আমরা অনেকেই মধ্যযুগীয় চিন্তা-চিতনা নিয়েই চলছি।
ক্যারিয়ারের শুরু থেকে কাজকে গুরুত্ব দিয়েছেন জানিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বরাবরই কাজকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছি। বর্তমান যে জায়গায় দাঁড়িয়ে সেখানেও অনেক চেষ্টা, কষ্ট, পরিশ্রম আছে। মানুষের ভালোবাসা রয়েছে। কিন্তু তারপরও মাঝে মধ্যে রঙ নিয়ে মানুষের এমন ট্রল করা আমাকে ভীষণ ভাবায়। যদিও কিছু মানুষই কেবল এমনটা করে থাকে। অথচ একজন মানুষকে, একজন অভিনেত্রীকে তার কাজের মাধ্যমে বিচার করা উচিত। অন্য কোনো কিছু দিয়ে বিচার করা নয়।আমার কাজের সমালোচনা করুন, আমি মাথা পেতে নেব। নিজেকে আরও শুধরানোর জন্য চেষ্টা করব। কিন্তু এভাবে গায়ের রঙ নিয়ে মন্তব্য করে নিজের পরিচয় দেবেন না। আমি আপনাদের জন্যই কাজ করছি, আর করে যাব। আপনাদের সবার ভালোবাসায় থাকতে চাই এবং বাঁচতে চাই।
এর আগে গত বছর মাহি তার সোশ্যাল মাধ্যমে এক যুবকের সাথে ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন। প্রেমিক হিসেবে ঘোষণা না দিলেও তাদের অন্তরঙ্গতা প্রেমের আভাসই দিচ্ছিল যেন। মাহি অবশেষে প্রেমের কথাও স্বীকার করেন।
প্রেমের বিষয়টি স্বীকার করে মাহি জানান ,কোভিডের আগে, ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়। কোভিডের সময় যোগাযোগ বাড়ে, সেখানে থেকেই আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। ওর নাম সাদাত শাফি নাবিল। আর পারিবারিকভাবেই ওদের গাড়ির ব্যবসা আছে।
মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপনের মডেল হয়ে দারুণ সাড়া পান প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। সেই ছোট্ট দিঘী এখন পুরোদস্তুর নায়িকা। নায়িকা হিসেবে অভিষেক হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৪টি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে দিঘীর। তবে আশানুরূপ আলোচনা বা ব্যবসা কোনোটাই এ নায়িকার কপালে জোটেনি। তবে বর্তমান সময়ে
দিঘী কী করছেন? ব্যস্ততা নিয়ে এ অভিনেত্রী
দিঘী বলেন, সত্যি কথা বলতে, বর্তমানে হাতে তেমন কোনো কাজ নেই। অনেকটাই ফ্রি সময় কাটাচ্ছি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেক সময় পার করছি। বলা
যায় এক ধরনের অলস সময় পার করছি। ছোটবেলা থেকেই শুটিং করে আসছি। এখন লাইট ক্যামেরা অ্যাকশন ছাড়া কীভাবে সময় কাটবে- বুঝতে পারছি না। এ ছাড়া চলতি মাসে আরও কিছু কাজ করার কথা রয়েছে। অনেকগুলো স্টেজ শোতে অংশ নেওয়ারও কথা। সেগুলোও একের পর এক বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া অচিরেই নতুন একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেলিং করার কথা। যদি এটাও পিছিয়ে যায় হরতাল-অবরোধের কারণে- তাহলে বলেন কী করব! সবাই এখন সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের
ভাঙ্গায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে নার্গিস বেগম (৬০) নামে এক নারী তার প্রেমিক আবু
বক্কারের (৪৫) বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার ঘারুয়া
ইউনিয়নের ঘারুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নার্গিস
বেগম চার সন্তানের জননী এবং আবু বক্কার পাঁচ সন্তানের জনক।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, নার্গিস বেগম ও আবু বক্কার কাজির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
ছিল। এর আগে আবু বক্কার তাকে নিয়ে দুবার ঢাকার সাভার এলাকায় পালিয়ে যান। পরে আবু
বক্কারের প্রথম স্ত্রী তাদের সেখান থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
নার্গিস
বেগমের দাবি, আবু বক্কার তাকে বিয়ে করেছেন এবং তার ডাকে সাড়া দিয়েই তিনি বাড়িতে
এসেছেন।
তিনি
বলেন, আমি আমার আগের সংসার ছেড়ে চলে এসেছি। আবু বক্কার আমাকে বিয়ে করেছে, তাই আমি
এখন তার বাড়িতেই থাকব।
অন্যদিকে
আবু বক্কারের স্ত্রী নুপুর বেগম বলেন, আমার স্বামী এখন জেলে আছে। সে যদি এসে তাকে ঘরে
তুলে নেয়, তাহলে আমার আপত্তি নেই। তবে আমার স্বামীর অনুপস্থিতিতে আমি তাকে জায়গা দিতে
পারব না৷ এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গ্রামজুড়ে ব্যাপক কৌতূহল ও উত্তেজনা দেখা
দিয়েছে।
মন্তব্য করুন


এমদাদুল হক সোহাগ, কুমিল্লা:
পাহাড় আর কাপ্তাই লেকের নীল জলরাশির মিতালীতে মুখর পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে বার্ষিক কর্পোরেট ট্যুর সম্পন্ন করেছে কুমিল্লার প্রথিতযশা সিসিএন শিক্ষা পরিবার। গত ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারি সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সিসিএন ইউএসটি), সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং সিসিএন মডেল কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এই আনন্দভ্রমণ বা ‘কর্পোরেট রিট্রিট’ অনুষ্ঠিত হয়। দুই দিনব্যাপী এই ট্যুরে সিসিএন পরিবারের প্রায় ১২০ জন সদস্য রাঙামাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন। রাঙামাটির নীল জলরাশি ঘেরা অনন্য সুন্দর ‘দ্যা গ্র্যান্ড হিল তাজ রিসোর্ট’-এ অবস্থানকালে অংশগ্রহণকারীরা এক অনাবিল আনন্দে মেতে ওঠেন। তৈরি হয় প্রকৃতি ও আনন্দের অনন্য মেলবন্ধন।
নৌ-বিহারের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা উপভোগ করেন শুভলং ঝর্নার শীতল ধারা। পাহারি জীবন, বিভিন্ন ধরনের নৌকার আধিক্য, এছাড়াও আদিবাসী গ্রাম ও স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখার পাশাপাশি কাপ্তাই লেকের সুস্বাদু মাছ ও ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নেন তারা। তাছাড়া আদিবাসীদের পোষাক কিনে, সেই পোষাক পড়ে আবার ঘুরে বেড়িয়েছেন অনেক নারী শিক্ষক-ছোট শিশুরা। এই দৃশ্য অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ভিন্ন আনন্দ যোগ করেন। বিনোদনের অংশ হিসেবে ছিল ডার্ক বোর্ড, ব্যাডমিন্টন ও নারীদের জন্য বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা। রাতের আবহে অনুষ্ঠিত হয় জমকালো বারবিকিউ পার্টি। আধুনিক ও বিলাসবহুল স্যুটের পাশাপাশি অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় অনেকে রাত কাটিয়েছেন তাঁবুতে (ক্যাম্পিং), যা ট্যুরে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। তাবুতে আবার অনেকে মেতে ওঠেন গান-আড্ডা আর গানের কলি খেলায়। গ্র্যান্ড হিল তাজ রিসোর্ট-টিতে দোলনা হতে শুরু করে রিসোর্টের শৈল্পিক নির্মান বা স্ট্রাকচার অনেকটা ঐতিহাসিক তাজমহলের মতো। নীল জলরাশির কাছাকাছি পাহাড়ের বাজে ভাজে বসার জন্য বেঞ্চ, দোলনা, বাহারি সিড়ি, সবুজের সমারোহ বাড়তি আনন্দ যোগ করে। এর আগে কুমিল্লা থেকে রওনা হওয়া বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের বিশাল বহরটি যখন পাহাড়ের বুক চিরে আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পিচঢালা পথে এগোচ্ছিল, তখন জানালার ওপাশে ধরা দিচ্ছিল প্রকৃতির ভিন্ন এক রূপ। একদিকে আকাশছোঁয়া সবুজ পাহাড় আর বিরল সব বৃক্ষরাজি, অন্যদিকে গভীর খাদের রোমাঞ্চকর সৌন্দর্য—সব মিলিয়ে এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতায় ভাসছিলেন সিসিএন পরিবারের সদস্যরা। যাত্রাপথে দুচোখ ভরে উপভোগ করেছেন পাহাড়ের ঢালে গড়ে ওঠা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জনবসতি আর তাদের সহজ-সরল জীবনধারা। পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে প্রকৃতির এই আদিম ও অকৃত্রিম রূপ যেন সফরের ক্লান্তি ভুলিয়ে সবার মনে বুলিয়ে দিচ্ছিল এক প্রশান্তির পরশ।
আনন্দভ্রমণে উপস্থিত ছিলেন সিসিএন শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ডক্টর তারিকুল ইসলাম চৌধুরী। অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, "কাজের একঘেয়েমি দূর করতে এবং সহকর্মীদের মধ্যে আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্ক জোরদার করতে এ ধরণের ভ্রমণ অত্যন্ত জরুরি। সিসিএন পরিবার একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তি, যা আজকের এই আনন্দঘন পরিবেশের মাধ্যমে আরও সুদৃঢ় হলো।" একটি সফল কনভোকেশন শেষে এমন ভ্রমণ আনন্দের মাত্রা বহুগুন বাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে আরো বড়ো পরিসরে এমন আয়োজন করার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো: জামাল নাছের, লিবারেল আর্টস অনুষদের ডিন ডক্টর আলী হোসেন চৌধুরীসহ অন্যান্য বিভাগীয় প্রধান ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ। ট্যুর কো-অর্ডিনেটর ছিলেন, আইন বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারি অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।
৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে ফিরতি যাত্রা শুরু হয়। ফেরার আগে পাহাড় আর হ্রদের পটভূমিতে সবাই মিলে ফ্রেমবন্দি হন একটি গ্রুপ ছবিতে, যা এই ভ্রমণের স্মৃতিকে অমলিন করে রাখবে। অংশগ্রহণকারীরা জানান, পাহাড়-প্রকৃতির মাঝে এমন আয়োজন তাদের কর্মস্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফুটবল ইতিহাসের
প্রথম বিশ্বকাপের ট্রফিটি নিয়ে বছরের পর বছর কম আলোচনা হয়নি। বারবার এটি চুরির চেষ্টা
হয়েছে। একবার জানা গিয়েছিল, ট্রফিটি গলিয়ে সেটি থেকে প্রাপ্ত সোনা নাকি বিক্রি করা
হয়েছে। ৬০ বছর পর ফিফা মিউজিয়ামে এর অংশবিশেষ পাওয়া গেছে।
ফরাসি শিল্পী
আবেল লাফ্লুরে তৈরি করেছিলেন জুলে রিমে ট্রফি। এটাকে গ্রিক দেবী নায়ক ‘নিকি’কে আকারে
ফুটিয়ে তোলা ছিল। ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে
এই ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্বাগতিকরা। ট্রফিটির উচ্চতা ছিল প্রায় ৩০ সেন্টিমিটার, ওজন প্রায়
চার কেজি এবং এটি সোনা দিয়ে মোড়ানো ছিল। বিশ্বকাপের পর থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত এই ট্রফি
নিয়ে নাটকীয়তা কম হয়নি।
বিশ্বযুদ্ধের
সময় নাৎসীদের হাত থেকে বিশ্বকাপ ট্রফি রক্ষা করতে ফিফার কর্মকর্তা এটিকে একটি পরিত্যক্ত
জুতার বাক্সে লুকিয়ে রেখেছিলেন। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে প্রদর্শনীর সময় এটি চুরি হয়েছিল।
পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি এবং তার কুকুর পিকলস ট্রফি উদ্ধার করে। ১৯৮৩ সালে ব্রাজিলের
রিও দে জেনেরিওতে এটি চুরি হলে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয় যে ট্রফিটি গলিয়ে স্বর্ণ বিক্রি
করা হয়েছে। যদিও ওই বিবৃতিতে অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন।
যাই হোক, ফিফা
মিউজিয়ামের সাম্প্রতিক এক অনুসন্ধানে চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া গেছে। ট্রফির মূল চার-পাশের
লাপিস লাজুলি বেসটি ফিফার আর্কাইভে বহু বছর ধরে সংরক্ষিত ছিল! এটিকে কেউ চুরি করতে
পারেনি। আসলে ১৯৫৮ সালে ট্রফির বেস বদলানো হয়েছিল, এবং নতুন বেসে আটটি সাইড রাখা হয়েছিল
যাতে ভবিষ্যতের বিজয়ীদের নাম লেখা যায়। মূল বেসটি তখনই আর্কাইভে রাখা হয়েছিল, কিন্তু
সেটা দীর্ঘ সময় কারও নজরেই আসেনি।
এই মুহূর্তে
জুলে রিমে ট্রফির এই চার-পাশের বেসটি ফিফা মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হচ্ছে, যা ফুটবল ইতিহাসের
এক অমূল্য স্মারক। এটি আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় বিশ্বকাপের প্রাথমিক দিনগুলির উত্তেজনা,
চমক এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনার স্মৃতি। সময়ের সাথে বিশ্বকাপ ট্রফি আরও আধুনিক হয়েছে, আরও
মূল্যবান হয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের এই নিদর্শন মনে করিয়ে দেবে কিভাবে একটি বিশ্বকাপ
ট্রফি কীভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে।
মন্তব্য করুন