

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তি। সংগঠনটির চবি শাখার প্রথম কমিটিতে নেতৃত্বে আসছেন আব্দুল্লাহ আল মাহাতির ও মো. ইসমাইল।
শুক্রবার (৮ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খান তালাত মাহমুদ রাফি।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকানের সঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
ওই বৈঠকেই ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খান তালাত মাহমুদ রাফি প্রথমবারের মতো চবি শাখা ছাত্রশক্তির সম্ভাব্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করেন।
ঘোষণা অনুযায়ী, সভাপতি পদে থাকছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহাতির এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে থাকছেন ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইসমাইল।
এসময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক জোবাইরুল হাসান আরিফসহ সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতারা। সূত্র জানায়, এ সপ্তাহের মধ্যেই ৫ বা ৭ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।
সম্ভাব্য সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহাতির বলেন, “ক্যাম্পাসে ছাত্রশক্তির অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী রয়েছে। আনুষ্ঠানিক কমিটি গঠিত হলে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গুছিয়ে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।”
এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতা খান তালাত মাহমুদ রাফি বলেন, “আগামী দুয়েক দিনের মধ্যেই চবি শাখার অফিসিয়াল কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।”
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ বিলুপ্ত করে জাতীয় ছাত্রশক্তি গঠন করা হয়। সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিক কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
চকরিয়ায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযানে নিহত শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩)
এর পিতা-মাতা আজ বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪) সেনাসদরে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল
ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি এর সাথে সাক্ষাৎ করেন।
এ
সময় শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন এর পিতা-মাতা সন্তান হারানোর বেদনায় আবেগ
আপ্লুত হয়ে পড়েন এবং হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির
দাবি জানান।
সেনাবাহিনী
প্রধান শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের
আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিতে সর্বপ্রকার সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গিকার করেন।
উল্লেখ্য,
এই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ৭ জনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করে চকরিয়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর
করে এবং সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে চকরিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্থানীয়
সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখন যে ভাষায় বিরোধীদলীয়
নেতারা কথা বলছেন, ‘৫ বছর ক্ষমতায়
থাকতে দেবো না।’ ঠিক এমনই কথা বলতেন শেখ হাসিনাও।
সোমবার
(৩ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
স্থানীয়
সরকারমন্ত্রী বলেন, ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগ বলেছিল, সরকারকে একটি মুহূর্তের জন্য শান্তিতে থাকতে দেবো না। ঠিক সেই একই ভাষায় কথা বলতে শুরু করেছে বর্তমান বিরোধীদলের নেতারা।
তিনি
আরও বলেন, বিএনপি জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চায় না, এমনটা বলে ভুল বোঝানো হচ্ছে। গণভোটের একটি প্রশ্ন ঐকমত্য কমিশন চাপিয়ে দিয়েছে। জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। বিএনপি যেখানে একমত নয়, সেটা বলেছে। স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি অংশ পালন করবে বিএনপি।
স্থানীয়
সরকারমন্ত্রী বলেন, রাজপথে বিরোধীদলের নেতারা যে ভাষায় কথা
বলছেন, সেটা ঠিক নয়। রাজপথে আন্দোলন তাদের অধিকার। কিন্তু, সেটা যেন সংঘাতের দিকে না যায়। সংশোধন
কমিটি হবে নাকি সংস্কার পরিষদ, সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে বিরোধীদলকে আহ্বান জানান তিনি।
এছাড়াও
যেসব জায়গায় হামলার মতো ঘটনা ঘটেছে, সেটার নিন্দা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।
এসময়
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, রাজনীতিকে কৃত্রিমভাবে সংসদের বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির ধারা বজায় রাখতে দলগুলোর সহযোগিতা চায় বিএনপি।
তিনি
আরও বলেন, কার্যকর সংসদ আর গণতান্ত্রিক পন্থায়
রাজনৈতিক বিতর্ক হলে শহীদদের আত্মত্যাগ সফল হবে।
মন্তব্য করুন


চলতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে সরকার।
শনিবার (১ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে
পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়ে বলা হয়, গত ফেব্রুয়ারি মাসের নির্ধারিত
দামেই এই মাসে জ্বালানি তেল বিক্রি হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মার্চ মাসে তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে
জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে বিদ্যমান দাম অনুযায়ী প্রতিলিটার ডিজেল ও কেরোসিন ১০৫
টাকা, পেট্রোলের দাম ১২২ টাকা ও অকটেনের দাম ১২৬ টাকা রাখা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত বছরের মার্চ থেকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে
জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ শুরু করেছে সরকার। সেই থেকে প্রতি
মাসে নতুন দাম ঘোষণা করে আসছিল সরকার। তবে চলতি মাসে এর ব্যতিক্রম ঘটলো।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম
লিটারপ্রতি এক টাকা বাড়িয়ে এই দাম নির্ধারণ করেছিল সরকার।
মন্তব্য করুন


সিলেট
মহানগরীর রায়নগর এলাকায় বৃদ্ধ দম্পতি ও তাদের গৃহকর্মীকে
হত্যার ঘটনায় ঘটনার প্রায় ছয় ঘণ্টার মধ্যেই
বাবুল মিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার
করেছে পুলিশ। বিজ্ঞাপনস্লট
বুধবার
(১২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রায়নগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাবুল মিয়া রাজবাড়ী এলাকার আক্তার মিয়ার কলোনিতে বসবাস করেন। পেশায় তিনি রংমিস্ত্রি হলেও মাঝে মাঝে কসাইয়ের কাজও করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সিলেট
মহানগর পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম জানান, বুধবার সকাল ৯টা ২৫ থেকে ৯টা
৩৫ মিনিটের মধ্যে রায়নগরের মিতালি ১১১ নম্বর বাসায় ট্রিপল মার্ডারের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি, প্রযুক্তিগত তথ্য ও অন্যান্য বিষয়
বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে বাবুল মিয়াকে শনাক্ত করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলেও জানান পুলিশ কমিশনার।
পুলিশ
জানায়, নিহত আব্দুস সাত্তার, তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম এবং গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে বাবুল মিয়ার আগে থেকেই পরিচয় ছিল। প্রায় ১৫ থেকে ২০
দিন আগে তাহমিনার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। ওই বাড়িতে বাবুল
আগে রংমিস্ত্রি ও রাজমিস্ত্রির কাজও
করেছিলেন।
পুলিশের
ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার একটি ছুরি নিয়ে ওই বাড়িতে যান
বাবুল। দরজায় নক করলে গৃহকর্মী
তাহমিনা তাকে ভেতরে ঢুকতে দেন। পরে একটি কক্ষে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাবুল তাহমিনাকে ছুরিকাঘাত করেন। তাকে রক্ষা করতে সুরাইয়া বেগম এগিয়ে এলে তাকেও আঘাত করা হয়। পরে আব্দুস সাত্তার এগিয়ে এলে তার সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাকেও ছুরিকাঘাত করা হয়।
তিনজনকে
হত্যার পর বাবুল বারান্দা
দিয়ে পালিয়ে গিয়ে রায়নগর এলাকায় নিজের বাসায় ফিরে যান বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। LawEnforcement
পুলিশ
কমিশনার জানান, বাবুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার বাড়ি চাঁদপুর বলে সে পুলিশকে জানিয়েছে।
এ
ঘটনায় বুধবার রাত পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে
অন্য কেউ জড়িত কি না, তা
তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
যাত্রাবাড়ি এলাকায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ,
কবি নজরুল কলেজ এবং ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থীর মধ্যে হামলা, মারধর ও
সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া।
উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া বলেন,
‘ভাঙচুরসহ হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় কারা জড়িত, অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং
আগামীতে এ ধরনের ঘটনাকে কোনোভাবেই টলারেট করা হবে না। সংঘর্ষ এড়াতে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কোনোভাবেই যেন আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ না হয়,
সেজন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করে যাচ্ছিল। কিন্তু কোনোভাবেই সংঘর্ষ এড়ানো
যায়নি।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি
এসব কথা বলেন।
এ
সময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষার্থীদের
মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, সামাজিকমাধ্যমে
বিভিন্ন জায়গা থেকে আমরা দেখেছি,
তিনজন নিহত হওয়ার একটি খবর রটেছিল। তবে এখন পর্যন্ত কারও নিহত হওয়ার কোনো
সংবাদ আমরা পাইনি। নানা মাধ্যমে চেষ্টা করেও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠিত কোনো
গণমাধ্যমেও এ ধরনের খবর আমরা পাইনি।
তিনি
বলেন, তবে
অনেকেই আহত হয়েছেন, হাসপাতালে
ভর্তি হয়েছেন। এটি আমরা জানতে পেরেছি। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে তিনি
উল্লেখ করেন।
উপদেষ্টা
বলেন, আমরা
বারবার আহ্বান জানাচ্ছি ছাত্ররা যেন কোনো প্রকার উসকানিতে পা না দিয়ে ধৈর্য সহকারে
তাদের যেকোন সমস্যা কলেজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধান করতে পারে। কিংবা প্রয়োজন হলে
সরকারও এর মধ্যে অংশীভূত হতে পারে।
মাহবুবুর রহমান কলেজের হামলার ঘটনা নিয়ে কাজ করার সময় জানতে পারলাম যে ৬ দিন
আগ থেকে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। একজন শিক্ষার্থী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সঠিক
চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগে এই ঘটনা শুরু হয়,
অভিযোগ ছিল ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে। কিন্তু এখানে সোরহাওয়ার্দী কলেজ
কীভাবে এলো সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এক
প্রশ্নের উত্তরে আসিফ মাহমুদ বলেন,
বিগত দিনগুলোতে পুলিশ যেকোন সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য রাবার বুলেট বা গুলি ছুড়তো।
এটা কোনো আন্তর্জাতিক প্রাকটিস না। আমরা সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছি।
অপর
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,
কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এ বিষয়ে অনেক ধরনের
তথ্য আসছে। জড়িতদের খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে জানাতে পারবো কারা এর
পেছনে জড়িত আছে।
দেশে অস্থিরতা তৈরির জন্য পরিকল্পিতভাবে যড়যন্ত্র করা হচ্ছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। সরকার সফলভাবে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাক, এটা তো অনেকে চাচ্ছে না, বিশেষ করে বিগত দিনের ফ্যাসিস্ট সরকার নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি
বলেন, সরকারের
কার্যক্রম নস্যাত করতে এবং সারাদেশের মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য
এসব করা হচ্ছে।’ তবে
যারা দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে এসব করছে তাদেরকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে
বলে তিনি জানান।
পরিকল্পিত
যড়যন্ত্র ও অপপ্রচার রুখে দিতে বিল্পবী চেতনার রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনকে
দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘জনগণের কাছে
আহবান থাকবে যেহেতু আমরা একটা অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে আছি। সকলের ভেতরে
বিপ্লবী চেতনা আছে, উত্তেজনা
আছে সেটা যেন আমরা ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করি।'
তিনি
আরো বলেন, 'আমরা
সচেতনতা সবদিক থেকে তৈরি করি এবং রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে এখানে অনেক
ভূমিকা নেওয়ার আছে। গণঅভ্যুত্থানে যেমন আমাদের মধ্যে ঐক্য ছিল- আমরা মনে করি
বর্তমান পরিস্থিতিতেও সকলের ঐক্যের ভিত্তিতে এসব রুখে দিতে হবে। মিথ্যা
প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে রাজধানীতে জড়ো করা
হয়েছিল। যে সংগঠনের ব্যানারে সাধারণ মানুষ ঢাকায় আনা হয়েছিল, সেই সংগঠনের
প্রধানকে পুলিশ ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছে।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, আমার ওপর ভরসা রাখুন, দেশের কোথাও কারও ওপর হামলা হবে না ।
দুপুর ২টার পর ড. ইউনূসকে বহনকারী বিমানটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
দেশে ফেরার পর তাকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনীর প্রধান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। এ ছাড়াও সেখানে উচ্চপদস্থ অনেক কর্মকর্তারা ছিলেন।
এ সময় শুরুতেই কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হওয়া রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে স্বরণ করেন ড. ইউনূস।
তিনি বলেন, নতুন এই বাংলাদেশ যাতে দ্রুত গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে সেদিকে আমাদের কাজ করতে হবে।
নোবেলবিজয়ী আরো বলেন, এই স্বাধীনতাটা আমাদের রক্ষা করতেই হবে। শুধু রক্ষা না এর সুফল প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। তা নাহলে এই স্বাধীনতার কোনো দাম নেই।
তিনি আরও বলেন, আজকের এই দেশ তরুণ প্রজন্মের হাতে। তোমরা যেভাবে এটা স্বাধীন করেছো, তোমরাই এটা গড়ে তুলবে।
এর আগে বুধবার (৭ আগস্ট) তিনি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের চার্লস দ্য গল বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করেন তিনি। বিমানবন্দরে তাকে কড়া নিরাপত্তা দেন ফ্রান্সের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা।
বুধবার ইউনূস সেন্টার থেকে বলা হয়েছিল, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশে ফিরবেন। এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার।
অলিম্পিক কমিটির আমন্ত্রণে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্যারিসে গিয়েছিলেন ড. ইউনূস। সেখানে তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন, তার একটি ছোট অস্ত্রোপচার হয়েছে।
জানা গেছে, ড. ইউনূস সরকারপ্রধান হিসেবে আজ রাত ৮টায় বঙ্গভবনে শপথ নেবেন।
মন্তব্য করুন


ফেসবুকে পরিচয়, প্রেম। অতঃপর বছর দুই বছর আগে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ১১ বছরের অনামিকা আক্তার জুঁই ও ২০ বছরের যুবক শাকিল ওরফে শাকিব মিয়া। একসময় কোলজুড়ে আসে এক ছেলে সন্তান। সেই শিশুকে কেড়ে নিয়ে মাকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ স্বামী-শাশুড়ির বিরুদ্ধে। ১৩ বছরের জুঁই ৭ মাসের ছেলেকে ফিরে পেতে দ্বারস্থ হয়েছেন আদালতের।
মঙ্গলবার
(২৮ জুলাই) ঢাকার চিফ লিগ্যাল এইডের বিচারক মো. সায়েম খান বাচ্চাটিকে তার শিশু মায়ের
কাছে থাকার আদেশ দেন। আড়াই মাস পর ছেলেকে কোলে ফিরে পেয়েছেন জুঁই।
আড়াই
মাস আগে শিশুটিকে রেখে মা জুঁইকে বাসা থেকে বের দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগ এনে গত ১ জুলাই
লিগ্যাল এইডে এমন অভিযোগ দেওয়া হয় শাকিল এবং তার মা আছমার বিরুদ্ধে। বাচ্চাকে উদ্ধারের
প্রার্থনা জানান জুঁই। তাদের ১৬ জুলাই লিগ্যাল এইডে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
তবে ওইদিন তারা হাজির হননি। এজন্য বিচারক সায়েম খান শিশুটিকে উদ্ধার করতে চকবাজার থানা
পুলিশকে নির্দেশ দেন। নির্দেশমতে গতকাল সোমবার শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশ। মঙ্গলবার
শাকিল ও তার মা আছমা লিগ্যাল এইডে হাজির হন। শিশুটিকেও নিয়ে আসা হয়। আসেন জুঁইও। পরে
শুনানি শুরু হয়।
প্রথমে
বিচারক সায়েম খান শিশুটির বাবাকে ডেকে নিয়ে পাশে বসান। এরপর জুঁইকেও ডেকে নিয়ে সামনে
বসানো হয়। এসময় জুঁইয়ের কোলে ছিল তার ৭ মাসের বাচ্চাটিও। সেখানে দুপক্ষের আইনজীবীরাও
উপস্থিত ছিলেন। এসময় বিচারক জুঁইয়ের কাছে জানতে চান, ‘তোমার বাবু?’ জুঁই বলেন, ‘হ্যা।
আমার ছেলে।’ ছেলেকে পেয়ে খুশি কি না জানতে চান বিচারক। জুঁই বলেন,
‘অনেক খুশি।’
এরপর
বিচারক সবার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘জুঁই প্রথম যেদিন এখানে আসে, বিশ্বাস করিনি ওর বাচ্চা
আছে। বিশ্বাস করার মতোও না বিষয়টা। সে নিজেও একটা বাচ্চা।’
এরপর বিচারক শাকিলের কাছে তার বয়স জানতে চান। শাকিল বলেন, ‘২২ বছর বয়স।’এটুকু
মেয়েটাকে কীভাবে নিয়ে গেলে বিচারক জানতে চাইলে শাকিল দাবি করেন, ‘যখন নিয়ে গেছি প্রাপ্তবয়স্ক।
ওর একটা মামাতো বোন আছে। ওর চেয়ে এক বছরের ছোট। তার থেকে ওকে তিন গুন বড় দেখায়।’
জোর
করে আটকে রাখা হয়েছে কি না বিচারক জানতে চান। শাকিল বলেন, ‘না আটকে রাখিনি।’
এসময় জুঁইয়ের আইনজীবী মৃনাল কান্তি মিত্র বিচারককে বলেন, ‘পারিবারিক কোর্টে গার্ডিয়ানশিপের
মামলাও করে দিয়েছে।’ পরে বিচারক শিশুটি তার মায়ের কাছে
থাকবে মর্মে জানান।
এ
পর্যায়ে শাকিলের আইনজীবী খন্দকার মো. শাহজাহান ইসলাম বিচারককে বলেন, ‘বাচ্চাকে আটকে
রাখা হয়েছে এমন অভিযোগ যদি মনে করি তাহলে বিষয়টা একপক্ষে চলে যায়। আমরা বিশ্বাস করি
বা না করি, ঘটনা কিন্তু ঘটে গেছে। মা তার বাচ্চাকে ফেলে রেখে চলে গেছে। এজন্য তাকে
আর তার মায়ের কাছে দেওয়া যায় না। এজন্য গার্ডিয়ানশিপের মামলা করি। এখন বাচ্চাটা মায়ের
কাছে গেলে বিষয়টা সাংঘর্ষিক হয়ে যায় না?’
তখন
বিচারক বলেন, ‘যেহেতু বাচ্চাটাকে নিয়ে আসা হয়েছে, মায়ের কাছে থাকুক। মানবিক দিক তো
দেখতে হবে।’
বাচ্চাকে
মায়ের কাছে রাখার আদেশ দিয়ে আগামী মঙ্গলবার শুনানির পরবর্তী দিন রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন
লিগ্যাল এইড অফিসে কর্মরত (জেল অর্ডার) মো. লুৎফর রহমান। শুনানি শেষে জুঁই বিচারকের
কাছে জানতে চান, বাচ্চা তার কাছে থাকবে কি না। বিচারক বলেন, ‘হ্যা, তোমার কাছে থাকবে।
জুয়েল খান ও লিমা আক্তারের একমাত্র কন্যা জুঁই। জুয়েল খান অটোরিক্সা চালিয়ে জীবিকা
নির্বাহ করেন। আর লিমা আক্তার দুই বছর আগে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরব যান। মেয়েকে নিয়ে
জুয়েল খান হাজারীবাগ এলাকায় বসবাস করতেন। এদিকে সৌদি আরবে থাকাবস্থায় লিমা মেয়ের বিয়ের
কথা শুনতে পান। ১৪ দিন আগে দেশে ফিরেছেন। আজ তিনিও লিগ্যাল এইড অফিসে উপস্থিত হন। তার
স্বামী জুয়েল খানও ছিলেন।
লিমা
অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মেয়ে পড়াশোনা করতো। এই ছেলে ফুঁসলায়ে আমার মেয়েকে নিয়ে অনেক
দিন রাখে। এরপর নিয়ে আসি। আবার আমার মেয়েকে নিয়ে গেছে। আমি তো শুরু থেকেই এই ছেলের
কাছে মেয়ে দেবো না। আমার যদি ছেলের ফ্যামিলি দেখে পছন্দ হয় নাই। আমি মেয়ে দেব কেন?
আমার মেয়ের তো বিয়ের বয়স হয়নি। ওর কেবল ১৩ বছর বয়স।’
জুয়েল
খান বলেন, ‘তাকে (শাকিলকে) বলি আমার মেয়ে মেট্রিক পরীক্ষা দিবে তারপর বিয়ের কথা বলবো।
ও আমার মেয়েকে ভাগায় নিয়ে যায়। এক সপ্তাহ রাখে। মান-সম্মানের দিকে তাকায়ে কিছু বলিনি।
পরে আবার ভাগায়ে নিয়ে আমার মেয়েকে বিয়ে করছে। কোন জায়গায় গিয়ে বিয়ে করছে তাও আমি জানি
না। আমাকে অনেক হুমকি-ধমকি দিছে।’
শাকিল
বলেন, ‘ফেসবুকে ওর সঙ্গে আমার পরিচয়। পরিচয়ের মাসখানেক পর আমাকে বলে, তাকে নিয়ে আসতে।
না নিয়ে আসলে মরে যাওয়ার হুমকি দেয়। কিছু চিন্তা না করে নিয়ে গেছি। বিয়ে করছি। আমার
মা ওরে মাইন্যা নিছে। আমার মা ওরে নামাজ-কালাম পড়তে কয়। আমার মাকে আজে-বাজে কথা বলতো।
মায়ের সাথে বনতো না। ওর জন্য আমি আমার কাছেও অনেক অত্যাচার করছি।’
তিনি
বলেন, ‘পরে ও চলে যায়। ওর বাপে ওকে বরিশালে নিয়ে আটকে রাখে। বাচ্চা হওয়ার পরে আবার
আমার বাসা সোয়ারীঘাটে নিয়ে আসি। আনার পর ওর বাবা যখন আমাদের বাসায় আসতো, তখন ঝগড়া বাঁধতো।
একা থাকলে ঝগড়া হতো না। আমাকে ঘরজামাই থাকতে বলে। আমি থাকি না। ওর বাপে স্ট্রোক করছে
এ কথা বলে তিন মাস আগে এক ঘণ্টার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়। বাচ্চা রেখে যাই। এরপর
আর কোনো খোঁজ-খবর নেয় নাই তিন মাসের মধ্যে। এখন তারা দরদ দেখাইতেছে।’
জুঁইয়ের
চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শাকিল। জুঁইয়ের আইনজীবী মৃনাল কান্তি মিত্র বলেন, ‘শুটিং
স্পট দেখানোর কথা বলে মেয়েটাকে নিয়ে সেখান থেকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে আটকে রাখে। শারীরিকভাবে
নির্যাতন করে। ব্ল্যাংক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে বলে বিয়ে হয়ে গেছে। স্বামীর অধিকার
দেখিয়ে তাকে বারবার নির্যাতন করে। গত ১ জানুয়ারি বাচ্চা ডেলিভালি হয়। বাচ্চাকে রেখে
গত মে মাসে ভিকটিমকে বিদায় করে দেয়। বাচ্চাটাকে মায়ের কাছ থেকে নিয়ে নিতে গার্ডিয়ানশিপের
মামলা করে। তারা নিরুপায় হয়ে লিগ্যাল এইডে আসে। বাচ্চা উদ্ধারে সার্চ ওয়ারেন্ট দেওয়া
হয়। আজ বাচ্চাকে এখানে নিয়ে আসা হয়। বাচ্চাটা মায়ের কাছে থাকবে এমন আদেশ এসেছে।’
মন্তব্য করুন


থার্টি
ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাতে কিছু সড়ক বন্ধ থাকবে। নিরাপত্তার স্বার্থে এসব
সড়ক ব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। সড়কগুলো
হলো-
১।
৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে শাহবাগ, নীলক্ষেত ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, বকশী বাজার
ক্রসিং, পলাশী ক্রসিং এবং চাঁনখারপুল, শহিদুল্লাহ হল ক্রসিং দিয়ে কোনো প্রকার যানবাহন
প্রবেশ করবে না।
২।
৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়
প্রবেশের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাড়া
অন্য যে কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন কেবলমাত্র পুরনো হাইকোর্ট-দোয়েল চত্বর-শহীদ মিনার-জগন্নাথ
হলের দক্ষিণ গেট-পলাশী মোড় দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। এসব এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে অন্যান্য
সব ক্রসিং বন্ধ থাকবে।
৩।
৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে মহাখালী
এলাকা-ফিনিক্স রোড ক্রসিং, বনানী ১১ নম্বর রোড ক্রসিং, চেয়ারম্যান বাড়ি ক্রসিং, ঢাকা
গেট, শুটিং ক্লাব, বাড্ডা লিংক রোড, ডিওএইচএস বারিধারা-ইউনাইটেড হাসপাতাল ক্রসিং ও
নতুন বাজার ক্রসিং এলাকাগুলোতে প্রবেশের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে এসব এলাকা থেকে
বের হওয়ার ক্ষেত্রে ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে।
৪।
৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায়
যানবাহনযোগে প্রবেশের জন্য কামাল আতার্তুক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী
ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে।
সড়ক ব্যবহার সংক্রান্তে যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে ডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬০, এডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬১, এসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৭২, এসি ট্রাফিক (মহাখালী) ০১৩২০-০৪৪৩৭৫, এসি ট্রাফিক (বাড্ডা) ০১৩২০-০৪৪৩৭৮, ডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬০, এডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬১, ডিসি (গুলশান) ০১৩২০-০৪১৪২০ ও ডিসি (রমনা) ০১৩২০-০৩৯৪৪০ এসব নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
মিরপুরে টিসিবির পণ্য নিতে এসে দেয়াল ধসে নাছিমা বেগম নামে এক নারী নিহতের খবর পাওয়া
গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪ থেকে ৫ জন।
মঙ্গলবার
(২৮ জুলাই) মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের পেছনের সীমানা প্রাচীর (লাভ রোড়, মন্দির রোড়)
ধসে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহত
নাছিমা বেগম মিরপুর ২ নম্বর জনতা হাউজিংয়ের বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী
ওই এলাকার ডাব বিক্রেতা শাকিব বলেন, টিসিবির পণ্য নিতে অনেকে লাইন ধরে দাঁড়িয়েছিলেন।
হঠাৎ করে দেয়াল ধস পড়তে দেখে আমি দৌড়ে যাই। এ সময় দেয়াল চাপা পড়ে ৭ থেকে ৮ জন আহত হন।
এরমধ্যে মুখ তেঁতলানো ও পা ভেঙে যাওয়া এক নারীকে দেখতে পাই। নাসিমা নামে ওই নারীর মৃত্যু
হয়েছে।
নাসিমার
স্বজন তারেক বলেন, নাসিমা আমার পাশের বাসায় থাকেন। তিনি দেয়াল ধসে পড়ে মারা গেছেন।
ডিএমপির
মিরপুর জোনের পুলিশ সুপার মোস্তাক সরকার বলেন, আমি ঘটনাস্থলে আছি। হতাহতের সংখ্যা পরে
জানা যাবে।
মন্তব্য করুন


আজ (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪) রাত আনুমানিক ৩ টায় গোয়েন্দা তথ্যের
ভিত্তিতে চকোরিয়া উপজেলার অন্তর্গত ডুলহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া গ্রামে
ডাকাতির খবর পেয়ে চকোরিয়া আর্মি ক্যাম্প হতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল
দ্রুততার সাথে গমন করে। আনুমানিক ৪ টায় মাইজপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করার সময়
৭/৮ সদস্যের একটি ডাকাত দল সেনা টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যত্র পালিয়ে যাওয়ার
সময় লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩) ডাকাত দলের কয়েকজনকে তাড়া করেন। এসময়
ডাকাত দলের সদস্যরা লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন এর ঘাড়ে ছুরিকাঘাত করলে
গুরুতর আহত হয় এবং এতে তার প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে লেফটেন্যান্ট
তানজিম ছারোয়ার নির্জনকে উদ্ধার করে মালুমঘাট মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেয়া হলে
কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন টাঙ্গাইল জেলার একটি
সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মেধাবী এই তরুণ সেনা কর্মকর্তা পাবনা
ক্যাডেট কলেজ হতে উচ্চ মাধ্যমিক সমাপনান্তে ৮২তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সাথে বাংলাদেশ
মিলিটারি একাডেমি হতে গত ৮ জুন ২০২২ তারিখে আর্মি সার্ভিস কোরে (এএসসি) কমিশন লাভ
করেন।
উল্লেখ্য, ঘটনাস্থল হতে ৩ জন ডাকাতকে আটকসহ ১টি দেশিয় তৈরি বন্দুক,
৬ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও, ডাকাত সন্দেহে আরও ৩ জনকে আটক করা হয়।
দেশমাতৃকার সেবায় এই তরুণ সেনা কর্মকর্তার আত্মত্যাগ বাংলাদেশ
সেনাবাহিনী গভীর শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করে এবং সেই সাথে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সকল
সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে।
মন্তব্য করুন