

বগুড়া
শহরে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১৭ মে রোববার দিবাগত রাতে শহরের
ফুলবাড়ী দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে ১৯ বছর বয়সী ভুক্তভোগী তরুণী বগুড়া সদর
থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার
পরিপ্রেক্ষিতে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে বগুড়া সদর থানা-পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন কাওছার
(১৯), বাধন (১৯) ও রকি। তারা সবাই বগুড়া সদরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
ঢাকা
পোস্টের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণীর সঙ্গে অভিযুক্তদের পূর্ব পরিচয়
ছিল। রোববার রাত ৮টার দিকে তিনি শহরের পুলিশ প্লাজার একটি দোকানে যান। পরে অভিযুক্তদের
সঙ্গে তারা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেন।
এরপর
রাতের দিকে তারা ফুলবাড়ী দক্ষিণপাড়া এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে যান। সেখানে একপর্যায়ে
তরুণীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।
পরে
আরেক অভিযুক্ত তাকে নিয়ে বের হওয়ার সময় তিনি স্থানীয়দের কাছে সাহায্য চান। স্থানীয়রা
এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার
জন্য পাঠায়।
বগুড়া
সদর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনজনকে
গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তিনটি পণ্যবাহী গাড়ির সংঘর্ষে এক ট্রাকের হেলপার নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন। দুর্ঘটনার পর তিনটি গাড়ির চালকই ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।
শনিবার (২৭ জুন) রাত দেড়টার দিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা নতুন রাস্তা এলাকায় মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হেলপারের নাম সিয়াম (২৫)। তিনি ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার ওসমানগঞ্জ এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, একটি কাভার্ডভ্যান মহাসড়কে চলন্ত অবস্থায় কোনো ধরনের সংকেত না দিয়েই হঠাৎ রাস্তার বাম পাশে থামার চেষ্টা করে। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি মালবোঝাই ট্রাক দ্রুতগতিতে এসে কাভার্ডভ্যানটির পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকের সামনের অংশ এবং কাভার্ডভ্যানটির পেছনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
সংঘর্ষে ট্রাকের হেলপার সিয়াম ও ট্রাকে থাকা আরও দুইজন গুরুতর আহত হন। এর কিছুক্ষণ পর একই দিক থেকে আসা আরেকটি কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটির পেছনে ধাক্কা দিলে ট্রাকটির পেছনের অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরে স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক হেলপার সিয়ামকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর দুইজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, ‘নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। রেকারের মাধ্যমে দুর্ঘটনাকবলিত তিনটি যানবাহন মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
মন্তব্য করুন


মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সেনাবাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এই প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা দেওয়া হয়। এই ধারা অনুযায়ী সরকারকে মেট্রোপলিটনের বাইরে যে কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ক্ষেত্রে সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিচে কাউকে দায়িত্ব প্রদান করা না গেলেও অন্যদের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে আইনে শর্ত আরোপ করা হয়নি।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা (সেনা কর্মকর্তা) সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (জেলা প্রশাসক) তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন।
গ্রেফতার, তল্লাশি ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের ক্ষমতা: প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এসব ধারা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা কাউকে আটক বা গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ, তল্লাশির আদেশ ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের জন্য আদেশ দিতে পারবেন।
গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪ ও ৬৫ ধারায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে ও এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোনো অপরাধ করলে তিনি নিজে অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারবেন অথবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারবেন। এছাড়া ৮৩ ও ৮৪ ধারা অনুযায়ী অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। আইনের ৮৬ ধারার বিধান মতে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিতে পারবেন অথবা অপরাধ জামিনযোগ্য না হলে তাকে আদালতে পাঠাবেন।
তল্লশি সংক্রান্ত আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৯৫(২) ধারার বিধানমতে তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে ডাক বা টেলিগ্রাম বিভাগের দ্বারা তল্লাশি পরিচালনা করবার ও উক্ত দলিল, পার্সেল বা ব্যক্তি আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন। ১০০ ধারার বিধানমতে কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করার বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পেলে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। ১০৫ ধারার বিধানমতে নিজ উপস্থিতিতেও ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশির আদেশ দিতে পারবেন।
শান্তিরক্ষায় মুচলেকা গ্রহণ: শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী শান্তি শান্তিরক্ষায় সদাচরণের মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন। ১০৯ ধারার বিধানমতে অধিক্ষেত্রের মধ্যে ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা নিতে পারবেন। ১১০ ও ১২৬ ধারা অনুযায়ী অভ্যাসগত অপরাধীর কাছ থেকে জামিনদারসহ বা জামিনদার ছাড়াও শান্তিরক্ষায় মুচলেকা নিতে এবং প্রয়োজনে মুচলেকা বাতিল করতে পারবেন।
বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দান: ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ ধারা অনুযায়ী সর্বসাধারণের শান্তি বিনষ্ট হওয়ার কারণ হতে পারে এই ধরনের পাঁচ বা তারবেশি ব্যক্তির সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দিতে পারেন। আদেশ অমান্য করলে ১২৮ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ভঙ্গে বল প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন। ১৩০ ধারার বিধান অনুযায়ী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে প্রয়োজনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে পারবেন।
এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট পথ, নদী, খাল বা প্রকাশ্য স্থানে বেআইনি বাঁধা অপসারণ, ব্যবসা বা সংরক্ষিত এলাকায় মানুষের আরাম আয়েশের বিঘ্ন ঘটানো, গৃহ বা তাবু হতে ক্ষতিকর বস্তু বা বৃক্ষ অপসারণ, জলাশয় ঘেরাও, বিপজ্জনক প্রাণী ধ্বংস বা আটক ইত্যাদি আদেশ দিতে পারেন। কোনো ব্যক্তি ১৪২ ধারার বিধান মতে ক্ষতি এড়াতে কোনো ব্যক্তির উপর নির্দিষ্ট স্থানে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।
মন্তব্য করুন


চীনের
মহাকাশ স্টেশন থিয়ানকং-এ অবস্থানরত শেনচৌ-২৩ মিশনের তিন নভোচারী মহাকাশে কয়েকটি বৈজ্ঞানিক
পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছেন।
সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ হলো- অণুমাধ্যাকর্ষণ পরিবেশে ধান চাষের যুগান্তকারী সাফল্য পেয়েছেন তারা।
এই তিন নভোচারী হলেন চু ইয়াংচু, চাং চিইউয়ান ও লাই খা-ইং।
গেল
২৪ মে উৎক্ষেপণ হওয়া শেনচৌ-২৩ মহাকাশযানে ধানের বীজসহ বিভিন্ন গবেষণা উপকরণসহ থিয়ানকং-এ
পাঠানো হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় পরিচর্যার পর নভোচারীরা প্রথম ধাপের ধানের নমুনা
সফলভাবে সংগ্রহ করেছেন।
এই
গবেষণার লক্ষ্য হল- মহাকাশে ‘বীজ থেকে বীজ, আবার বীজ’—এভাবে
ধানের দুটি পূর্ণ জীবনচক্র সম্পন্ন করা এবং দীর্ঘমেয়াদি অণুমাধ্যাকর্ষণ ধানের জিনগত
স্থিতিশীলতার ওপর কী প্রভাব ফেলে, তা বের করা।
এ
ছাড়া নভোচারীরা মহাকাশ চিকিৎসাবিজ্ঞান, আলোক পরিবেশের প্রভাব, জরুরি উদ্ধার মহড়া
এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরীক্ষা পরিচালনা করেছেন। নিয়মিত শারীরিক ব্যায়ামের পাশাপাশি
সংগৃহীত তথ্য ভবিষ্যতের মহাকাশ গবেষণা ও দীর্ঘমেয়াদী মানব অভিযানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ
ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীসহ সারাদেশে
যানজট নিরসনে অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
৫ আগস্টের পর রাজধানীর
যানজট নিরসনে ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো কাজ করেছে ও সাফল্য দেখিয়েছে এ কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা
বলেন, সেজন্য ট্রাফিক পক্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে প্রায়
১ হাজার শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর)
সকালে রাজধানীর পুরান ঢাকায় অবস্থিত পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি প্রকল্পের
কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন তিনি।
কারা অধিদপ্তরের
‘পুরান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ইতিহাস, ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষণ ও পারিপার্শ্বিক উন্নয়ন’শীর্ষক প্রকল্পে রাস্তা প্রশস্তকরণ ও পার্কিংয়ের স্থান বৃদ্ধির বিষয়ে
প্রকল্প সংশি¬ষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করে উপদেষ্টা বলেন, কারা অধিদপ্তরের প্রকল্পটি
বাস্তবায়নের জন্য যে বাজেট দেয়া হয়েছে, এরমধ্যেই সম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে। এতে
বাজেট বৃদ্ধি করা যাবে না।
রাজধানীতে যানজট বাড়ছে
সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, ‘আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তবে যারা বিভিন্ন দাবিতে
আন্দোলন ও সমাবেশ করছেন তারা ভেন্যু হিসেবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ব্যবহার করলে রাস্তা
বন্ধ হবে না, যানজট কমবে। রাজধানীতে রাস্তা বাড়ছে না, কিন্তু প্রতিদিন গাড়ি বাড়ছে।
তাছাড়া কর্মসংস্থানের কারণে সারাদেশের মানুষ ঢাকামুখী হচ্ছে। ফলে নগরের জনসংখ্যা প্রতিনিয়ত
বৃদ্ধি পাচ্ছে।
পরিদর্শনকালে কারা
মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহার হোসেন, প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট
কর্নেল এস এম তৌহিদুল আলম সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় পুরাতন ঢাকা
কেন্দ্রীয় কারাগার এর 'এ' জোনস্থ মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্স, 'বি' জোনস্থ চক কমপ্লেক্স
ও মসজিদ এবং 'সি' জোনস্থ কনডেম সেল ও ফাঁসির মঞ্চ পরিদর্শন করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) সদস্যদেরকে কর্তব্যপরায়ণতা, নিষ্ঠায় অটল এবং
‘চেইন অব কমান্ডে’র প্রতি আস্থাশীল থেকে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের
নির্দেশ দিয়েছেন।
শনিবার (৬ জুলাই) বিশেষায়িত
এই বাহিনীর ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের পিজিআর সদরদপ্তরের শহীদ
ক্যাপ্টেন হাফিজ হলে অনুষ্ঠিত দরবারে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি এই নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, মনে
রাখবেন, দেশ ও জাতি যে মহান দায়িত্ব আপনাদের ওপর অর্পণ করেছে, সেই দায়িত্ব পালনে যেকোনো
আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে আপনাদের চিরস্মরণীয় করে রাখবে।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং পিজিআর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
খালেদ কামাল ঢাকা সেনানিবাসের পিজিআর সদর দফতরের শহীদ ক্যাপ্টেন হাফিজ হলে পিজিআরের
দরবারে রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান।
পিজিআর সদরদপ্তরের শহীদ ক্যাপ্টেন
হাফিজ হলে অনুষ্ঠিত দরবারে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, সমসাময়িক বৈশ্বিক
প্রেক্ষাপটে বিস্তৃত বহুমাত্রিক নিরাপত্তা, নতুন নতুন তথ্য প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণে
প্রয়োজন অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ।
মো. সাহাবুদ্দিন পিজিআর সদস্যদেরকে স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে প্রশিক্ষণ গ্রহণ, শৃঙ্খলা বজায়
রাখা, আত্মোন্নয়নে মনোযোগী হতে এবং সর্বোপরি সৈনিক হিসেবে নিজের শারীরিক যোগ্যতাকে
সর্বদা অক্ষুন্ন রাখতেও উপদেশ দেয়ার পাশাপাশি
পেশাগত মান ও দক্ষতাকে আরো বিকশিত ও বিশ্বমানে পৌঁছাতে বিদ্যমান প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে
প্রয়োজনে আরো জোরদার করার পরামর্শ ও দেন রাষ্ট্রপ্রধান।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয়
অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ৫ জুলাই
প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই দিনটি প্রতিটি গার্ডস সদস্যের কাছে একটি বিশেষ দিন উল্লেখ করে
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া পিজিআর এর সদস্য হিসাবে তারা দেশ ও জনগণের কল্যাণে
কাজ করছেন। নিঃসন্দেহে এটি খুবই আনন্দ ও গৌরবের একটি বিষয়। প্রতিষ্ঠাকাল হতে অদ্যাবধি
প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের সদস্যগণ কর্তব্য পালনে আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
স্থাপন করেছেন। দায়িত্ববোধ, পেশাগত উৎকর্ষ, দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার সাথে নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে
পালনের মাধ্যমে পিজিআর এর সুনাম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ছড়িয়ে দিতে হবে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর কালরাতে বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর
পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যদের হত্যাকান্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সাহাবুদ্দিন বলেন, দুঃখজনক
হলেও এটি সত্যি যে, পিজিআর প্রতিষ্ঠার মাত্র ৪২ দিনের মাথায় মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা
বিরোধী ঘাতক চক্রের হাতে বঙ্গবন্ধু ও বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ তাঁর পরিবারের সদস্য
বিপদগামী একদল সেনা কর্মকর্তার নির্মম বুলেটের আঘাতে ধানমন্ডির ৩২নং বাড়ীতে শহিদ হন।
সেদিন আমরা আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টাকে রক্ষা করতে পারিনি, সেটা ছিল আমাদের
অমার্জনীয় অপরাধ। সেদিন যদি পিজিআর আজকের মতো সুসংগঠিত ও চৌকস হতো তাহলে হয়তোবা ১৫
আগস্ট কালরাতে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করতে পারতো না ঘাতক দল। বাঙালি ও বাংলাদেশের
উন্নয়ন ও অগ্রগতির ইতিহাস অন্যরকম হতে পারতো। দেশ পরিণত হতো জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার
বাংলায়।
রাষ্ট্রপতি পিজিআর সদস্যদেরকে বলেন, তাদের (পিজিআর) ওপর অর্পিত দায়িত্ব একদিকে যেমন
গুরুত্বপূর্ণ অন্যদিকে তেমন গৌরবময়। বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ছাড়াও
অনেক দেশের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিআইপি) বর্গের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তারা দেশের
ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করেছেন।
রাষ্ট্রপতি একটি সুশৃঙ্খল, পূর্ণাঙ্গ এবং স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রেসিডেন্ট
গার্ড রেজিমেন্টকে বর্তমান অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করার কারিগর হিসেবে প্রাক্তন সদস্যদের
অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে
ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর আলোকে তিনটি নতুন ডিভিশনসহ বিভিন্ন ফরমেশনের অধীনে ব্রিগেড, স্পেশাল
ওয়ার্কস অরগানাইজেশন এবং ছোট বড় ৫৮টি ইউনিট প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, রাষ্ট্রপ্রধান উল্লেখ
করেন।
রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ, উর্দ্ধতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের কমান্ডার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি কোয়ার্টার গার্ড পরিদর্শন করেন এবং
দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
তিনি সেখানে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে একটি কেক কাটেন।
মন্তব্য করুন


ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমেছে। মে মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪৯ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৯৩ টাকা নির্ধারণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
বৃহস্পতিবার (২ মে) বিইআরসি হলরুমে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন দাম ঘোষণা করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো: নূরুল আমিন। সন্ধ্যা ৬টা থেকে এ নতুন দাম কার্যকর হবে। এপ্রিল মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৪৪২ টাকা।
প্রাকৃতিক গ্যাসের নতুন সংযোগ বন্ধ থাকায় গৃহস্থালি রান্নার পাশাপাশি রেস্তোরাঁ, পরিবহন, ছোট-বড় শিল্পকারখানায়ও এলপিজি ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বিইআরসি প্রতি কেজি এলপিজির খুচরা দাম ১৬ টাকা ৮ পয়সা নির্ধারণ করেছে। সে অনুযায়ী সাড়ে পাঁচ থেকে ৪৫ কেজি ওজনের সিলিন্ডারগুলোর দাম কমেছে।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন,সংবাদপত্রের গুণগত মানোন্নয়নে টাস্কফোর্স গঠন করবে সরকার। এই টাস্কফোর্স স্বচ্ছতার সঙ্গে সংবাদপত্রের প্রকৃত প্রচারসংখ্যা নির্ধারণ, ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন, বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণসহ সংবাদপত্রের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে।
আজ সোমবার (২১ এপ্রিল) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা
অধিদপ্তরের (ডিএফপি) অংশীজনের সভায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
সরকারের
নীতিমালা মেনে সংবাদপত্র প্রকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন, যে-সব সংবাদপত্র সরকারি নীতিমালা মেনে প্রকাশিত হবে, সেসব সংবাদপত্র বিজ্ঞাপনসহ সরকারি সুবিধা পাবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. গীতি আরা নাসরীন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ডিইউজের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, দৈনিক প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরীফ, দৈনিক দিনকালের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শিমুল বিশ্বাস, দৈনিক নয়াদিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলীসহ বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


ঢাকাসহ
দেশের ১৯ জেলার ওপর দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা
ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব এলাকায়
বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে।
সোমবার
(১৩ জুলাই) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য জারি করা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে,
রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া,
যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট
জেলার ওপর দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে
যেতে পারে। এ সময় বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে।
এ
কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে।
অন্যদিকে,
আবহাওয়ার আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের সব বিভাগেই
দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
পাশাপাশি রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি
ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে।
আবহাওয়া
অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝড়বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের প্রবণতা
অব্যাহত থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক ৪ দিনের সফরে আগামীকাল সোমবার ঢাকায় আসছেন।
সোমবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০টায় একটি বিশেষ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রাজার পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এ সময় রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও ফার্স্ট লেডি গান স্যালুট ও গার্ড অব অনার দিয়ে রাজাকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে যাবেন রাজা ওয়াংচুক।
এসময় সোমবার বিকেলে ভুটানের রাজা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করবেন এবং তাদের দুজনের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
বৈঠকের পর দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই দিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ রাজার সঙ্গে তার অবস্থানকালীন আবাসস্থলে সাক্ষাৎ করবেন।
মঙ্গলবার রাজা সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করবেন। সেসময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাজা সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
পরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করবেন ভুটানের রাজা। এরপর তিনি বঙ্গভবন পরিদর্শন করবেন, সেখানে রাষ্ট্রপতি ও ফার্স্ট লেডি তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করবেন রাজা। রাষ্ট্রপতি সফররত রাজপরিবারের সম্মানে ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করবেন।
বুধবার (২৭ মার্চ) সকালে ভুটানের রানী জেটসুন পেমা ওয়াংচুক ও ভুটানের নির্বাচিত প্রতিনিধি দলের সদস্যরা একটি বিশেষ ফ্লাইটে ভুটানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা ও পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বিমানবন্দরে তাদের বিদায় জানাবেন।
ভুটানের রাজা পদ্মা সেতু ও বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ পরিদর্শন করবেন। বৃহস্পতিবার রাজা কুড়িগ্রামের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করবেন।
বৃহস্পতিবার বিকালে সোনাহাট স্থলবন্দর হয়ে আসামের গোলকগঞ্জের উদ্দেশে বাংলাদেশ ত্যাগ করবেন। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী তাকে বিদায় জানাবেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ নম্বর বান্দরবান আসনের ১৮২ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে দুর্গম ১২টি ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনী সামগ্রী ও নির্বাচনী জনবল আনা নেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হবে হেলিকপ্টার ।
রোববার দুর্গম ও যাতায়াত ব্যবস্থা স্বাভাবিক না থাকায় এসব কেন্দ্রে হেলিকপ্টার ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে বলে জানান জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন।
তিনি বলেন, ১২টি হেলিস্যুটি ভোটকেন্দ্রগুলোর মধ্যে রোয়াংছড়ি উপজেলায় ১টি, রুমা উপজেলায় ৩টি, থানচি উপজেলায় ৭টি ও আলীকদম উপজেলায় ১টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবানের ৭ উপজেলার ২ পৌরসভা ও ৩৪টি ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮৮ হাজার ২৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৪৮হাজার ৫৮৩জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৬ জন। ১৮২টি কেন্দ্রে ভোটকক্ষ থাকবে ৭২৭টি।
বান্দরবানের রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করার জন্য সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দুর্গম এলাকার ১২টি হেলিস্যুটি ভোটকেন্দ্রে সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সহায়তায় হেলিকপ্টারের মাধ্যমে যাবতীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের আনা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনি প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি।
মন্তব্য করুন