

উপবৃত্তির
জন্য স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা ব্যক্তিগত
তথ্যের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে রূপালী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখার এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত
কর্মকর্তা তারেক মাহমুদ অ্যাকাউন্ট খোলার ফর্মে দেওয়া মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে একাধিক
ছাত্রীকে গভীর রাতে হোয়াটসঅ্যাপে অডিও-ভিডিও কল ও মেসেজ দিয়ে ইভটিজিং ও সাইবার বুলিং
করতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিষয়টি
জানাজানি হওয়ার পর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। পরে
কলেজ প্রশাসন ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানালে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কর্মকর্তাকে বদলি
করা হয়।
ভুক্তভোগী
শিক্ষার্থী ও কলেজ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীদের
উপবৃত্তির অর্থ বিতরণের লক্ষ্যে স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার কার্যক্রম পরিচালনা করে
রূপালী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখা। এ সময় নির্ধারিত ফরমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নাম ও মোবাইল
নম্বরসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের
অভিযোগ, অ্যাকাউন্ট খোলার কিছুদিন পর থেকেই রূপালী ব্যাংকের ওই কর্মকর্তা তাদের ব্যক্তিগত
মোবাইল নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠাতে শুরু করেন। পরবর্তীতে গভীর রাতে ভিডিও ও
অডিও কল করে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও বিরক্ত করতেন। একই ধরনের ঘটনার শিকার হন কলেজের
একাধিক ছাত্রী। এতে বিব্রত ও আতঙ্কিত হয়ে তারা বিষয়টি কলেজের শিক্ষকদের জানান ।
পঞ্চগড়
সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ বলেন, রূপালী ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা আমাদের
কলেজের অনেক শিক্ষার্থীকে রাতের বেলায় ভিডিও-অডিও কল দিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতেন।
একটি ব্যাংক থেকে ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে একজন ব্যাংক কর্মকর্তা কীভাবে এই ধরনের ইভটিজিং
ও সাইবার বুলিং করতে পারেন? বিষয়টি রূপালী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখার ব্যবস্থাপককে জানানো
হয়েছে।
এ
বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা তারেক মাহমুদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,
এ বিষয়ে ব্রাঞ্চে যোগাযোগ করুন। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরপরই তিনি ফোন কেটে দেন।
পরবর্তীতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।
রূপালী
ব্যাংক পঞ্চগড় শাখার ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার রায় জানান, পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজ
থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। প্রাথমিক
পদক্ষেপ হিসেবে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বদলি করা
হয়েছে।
এ
বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার ওসি (তদন্ত) আশীষ কুমার বলেন, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায়
কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


ভোক্তা
পর্যায়ে বেসরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অটোগ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে
কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২
কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থাৎ
১২ কেজির এলপিজির সিলিন্ডারে ৩৫৭ টাকা কমেছে। একই সঙ্গে অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি
১৬ টাকা ৫৩ পয়সা কমিয়ে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা করা হয়েছে।
আজ
বৃহস্পতিবার বিইআরসির জারি করা এক আদেশে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করা হয়। নতুন দাম বৃহস্পতিবার
সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।
বিইআরসি
জানিয়েছে, জুলাই মাসের জন্য সৌদি আরামকোর ঘোষিত কনট্রাক্ট প্রাইস (সিপি) অনুযায়ী
আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এ মাসে
প্রোপেনের সিপি প্রতি মেট্রিক টন ৫৮০ মার্কিন ডলার এবং বিউটেনের ৬০০ মার্কিন ডলার ধরা
হয়েছে। ৩৫:৬৫ অনুপাতে দুই গ্যাসের গড় সিপি হয়েছে ৫৯৩ মার্কিন ডলার। পাশাপাশি এলপিজি
আমদানিতে প্রতি মেট্রিক টনে ১৮০ মার্কিন ডলার জাহাজভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম এবং
প্রতি ডলারের গড় বিনিময় হার ১২৩ টাকা ৮ পয়সা বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা
হয়েছে।
নতুন
মূল্য অনুযায়ী, প্রতি কেজি বোতলজাত এলপিজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে
১২৭ টাকা ৩০ পয়সা। সে হিসাবে ১২ দশমিক ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৯১ টাকা,
১৫ কেজির ১ হাজার ৯১০ টাকা, ১৬ কেজির ২ হাজার ৩৭ টাকা, ১৮ কেজির ২ হাজার ২৯১ টাকা,
২০ কেজির ২ হাজার ৫৪৬ টাকা, ২২ কেজির ২ হাজার ৮০১ টাকা, ২৫ কেজির ৩ হাজার ১৮৩ টাকা,
৩০ কেজির ৩ হাজার ৮১৯ টাকা, ৩৩ কেজির ৪ হাজার ২০১ টাকা, ৩৫ কেজির ৪ হাজার ৪৫৬ টাকা
এবং ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৫ হাজার ৭২৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রেটিকুলেটেড
পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহ করা বেসরকারি এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১২৩ টাকা ৫৫ পয়সা
এবং গ্যাসীয় অবস্থায় সরবরাহ করা এলপিজির দাম প্রতি ঘনমিটার ২৭৪ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ
করেছে কমিশন। এ ছাড়া কমিশন নির্ধারিত দামের বেশি মূল্যে বোতলজাত এলপিজি, রেটিকুলেটেড
এলপিজি বা অটোগ্যাস বিক্রি করা যাবে না বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সরকারি এলপিজির
দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সরকারি ১২ দশমিক ৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য আগের
মতোই ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সা থাকবে।
এর
আগে গত ২ জুন বিইআরসি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা থেকে কমিয়ে
১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল। একই সময়ে অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ৮৯ টাকা ৫০
পয়সা থেকে কমিয়ে ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা করা হয়েছিল। জুলাই মাসে নতুন সমন্বয়ের ফলে এক
মাসের ব্যবধানে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম আরো ৩৫৭ টাকা কমল।
মন্তব্য করুন


বন্যাদুর্গত কয়েকটি
উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার ড্যামেজ হওয়ার কারণে নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়েছে বলে
জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার তথ্য ও
সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে তার বরাত দিয়ে এক বার্তায় এ জানানো হয়েছে, বন্যাদুর্গত
এলাকার ১৩ শতাংশ সাইট ডাউন রয়েছে। কয়েকটি উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার ড্যামেজ হওয়ার
কারণে নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন আছে কয়েকটি জায়গায়। জেনারেটর
ব্যবহার করা হচ্ছে। নেটওয়ার্ক একবারে বিচ্ছিন্ন
হলে ১০টি ভিএসএটি প্রস্তুত আছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ফ্রি করতে তাই
জরুরিভাবে নির্দেশনা দেওয়া আছে।
উল্লেখ্য,
পাহাড়ি ঢল আর বৃষ্টিতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত হয়েছে দেশের নয়টি জেলা।
বন্যাকবলিত জেলাগুলো হলো– ফেনী, নোয়াখালী, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কুমিল্লা,
চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর ও খাগড়াছড়ি। এসব জেলার কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি ও বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন
হয়ে পড়েছে।
মন্তব্য করুন


ক্রীড়াঙ্গনকে সক্রিয় করতে মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে
বলে জানান যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আজ রোববার (১১ মে) মিরপুরস্থ শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে
২৯তম জাতীয় কারাতে প্রতিযোগিতা-২০২৫ এর বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা
বলেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান
পরবর্তী সময়ে, এই পট পরিবর্তনের ছোঁয়া ক্রীড়াঙ্গনে লেগেছে। যার ফলে মাঝে কিছুটা সময় ক্রীড়াঙ্গনে স্থবিরতা ছিল।
বর্তমানে ক্রীড়াঙ্গনকে সক্রিয় করতে মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন
ফেডারেশনে অ্যাডহক কমিটি গঠনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সারাদেশে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা
পর্যায়ে ক্রীড়া সংস্থাগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছিল; সেগুলো পুনর্গঠনে কার্যক্রম চলমান আছে।
আমরা এখন একটা পর্যায়ে এসে পৌঁছেছি, যেখানে ক্রীড়া ফেডারেশন এবং সংস্থাগুলো পূর্ণরূপে
কার্যক্রম শুরু করেছে। ক্রীড়াঙ্গন আবারো পুনর্জীবিত হচ্ছে। খেলাধুলা সমাজ থেকে বিশেষ
করে তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখে এবং একটি সুন্দর জীবন গড়তে সহায়তা করে। স্পোর্টস
সেক্টরে বাজেটের কিছু স্বল্পতা রয়েছে। তবে
বাজেট বৃদ্ধির চেষ্টা করা হচ্ছে যার সুষ্ঠু
বণ্টনের মাধ্যমে ক্রীড়া ক্ষেত্রগুলোকে প্রমোট করা সম্ভব হবে।
এ সময় বিভিন্ন কর্পোরেশন ও ব্যবসায়ীদের ক্রীড়াঙ্গনে বিনিয়োগের
আহ্বান জানিয়ে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, আমাদের তরুণ প্রজন্ম যদি সুন্দরভাবে গড়ে উঠতে পারে তবে ভবিষ্যতে আমরা একটি
সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে পারবো।
মন্তব্য করুন


শহুরে
ব্যস্ত জীবনে এখন সম্পর্কের নতুন ঠিকানা হয়ে উঠছে কর্মক্ষেত্র। সকালের তাড়াহুড়া, একসঙ্গে
ডেডলাইন সামলানো, সাফল্যের মুহূর্ত ভাগ করে নেয়া, খারাপ দিনে পাশে থাকা, দুপুরের ছোট্ট
কফি বিরতি কিংবা দিনের শেষে ক্লান্ত মুখে ‘আজ অনেক চাপ গেল’,
এভাবেই অজান্তে কাছাকাছি চলে আসেন অনেক সহকর্মী।
একই
অফিসে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাতে কাটাতে কখন যে পেশাদার কথাবার্তার ভেতর একটু
আলাদা যত্ন, অপেক্ষা কিংবা ভালো লাগা জন্ম নেয়, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না শুরুতে। এসব
থেকেই অনেক সময় তৈরি হয় নির্ভরতা এবং প্রেম। এখন কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক বা ‘ওয়ার্কপ্লেস
রোমান্স’ আগের চেয়ে অনেক বেশি সাধারণ হয়ে উঠছে।
তবে
অফিসের সম্পর্ক শুধু সিনেমার মতো রোমান্টিক গল্প নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পেশাদারিত্ব,
ব্যক্তিগত সীমারেখা, সহকর্মীদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং কর্মপরিবেশের ভারসাম্যও।
সাম্প্রতিক
‘ওয়ার্কপ্লেস রোমান্স স্ট্যাটিস্টিকস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন বলছে, ৬০ শতাংশেরও
বেশি কর্মজীবী মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন।
এর মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ সম্পর্ক পরিণয়ে গড়িয়েছে। অর্থাৎ, অফিসে শুরু হওয়া সম্পর্কের
অনেকগুলোই শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে। ফোর্বস ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ
করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা
বলছেন, এর বড় কারণ হলো সময়ের পরিবর্তন। এখন মানুষের জীবনের বড় একটা অংশ কাটে কর্মস্থলে।
সকালে বের হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত অফিসেই সময় যায়। ফলে বাইরের সামাজিক যোগাযোগ কমে যাচ্ছে।
নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও আগের মতো নেই। তাই স্বাভাবিকভাবেই সহকর্মীদের
মধ্যেই তৈরি হচ্ছে কাছাকাছি আসার সুযোগ।
ফোর্বসের
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক তৈরির পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ‘স্বাচ্ছন্দ্যবোধ’।
প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, সহকর্মীর সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করতে করতে একটা বিশ্বাস
ও মানসিক নিরাপত্তা তৈরি হয়। এছাড়া ৬১ শতাংশ জানিয়েছেন, কাজের বাইরে নতুন মানুষের সঙ্গে
পরিচিত হওয়ার সময় না থাকাও একটি বড় কারণ। তবে অফিসের সম্পর্ক সবসময় সহজ বা সুন্দর অভিজ্ঞতা
হয় না। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নানা ধরনের জটিলতাও।
সমীক্ষায়
দেখা গেছে, প্রায় ৫৭ শতাংশ কর্মী মনে করেন, অফিসের সম্পর্ক তাদের কাজের পারফরম্যান্সে
প্রভাব ফেলেছে। কেউ কেউ কাজের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়েছেন, আবার অনেকের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত
টানাপোড়েন কাজের পরিবেশকেও অস্বস্তিকর করে তুলেছে।
এছাড়া
৫২ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, সম্পর্কের কারণে সহকর্মীদের আচরণ বদলে গেছে। অফিসে গুজব,
ঈর্ষা বা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও বেড়েছে অনেক ক্ষেত্রে। প্রায় অর্ধেক কর্মী বলেছেন,
সহকর্মীদের মধ্যে তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা বা কানাঘুষা চলেছে।
আরও
একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, প্রায় ৩৫ শতাংশ কর্মী তাদের সম্পর্কের বিষয়টি অফিস কর্তৃপক্ষকে
জানান না। কারণ হিসেবে তারা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, অস্বস্তি কিংবা চাকরিগত ঝুঁকির কথা
উল্লেখ করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের
মতে, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। মানুষ যেখানে বেশি সময় কাটায়,
সেখানেই আবেগ তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে সম্পর্কের কারণে যেন কর্মপরিবেশ, পেশাদারিত্ব
বা অন্য সহকর্মীদের স্বস্তি নষ্ট না হয়, সেই বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ
অফিসের সম্পর্ক শুধু দুজন মানুষের ব্যক্তিগত বিষয় হয় না, অনেক সময় সেটি পুরো কর্মপরিবেশের
ওপরও প্রভাব ফেলে।
এ
ব্যাপারে সাদমিনা নামের এক তরুণী বলেন, ‘অফিসে একজনকে ভালো লাগে। একসঙ্গে কাজ করতে
করতে কখন যে তার প্রেমে পড়ে গেলাম টেরই পেলাম না। আমরা একসঙ্গে লাঞ্চে যাই, চা খেতে
যাই, কাজের বাইরেও অনেক গল্প হয়। তবে ভালোলাগার কথাগুলো এখনও আদান-প্রদান হয়নি।’
এদিকে
সহকর্মীকে বিয়ে করা শাহরিয়ার নীরব নামের এক যুবক বলেন, ‘আমরা একই অফিসে চাকরি করি।
৫ বছর আগে যখন আমাদের প্রেম হয় তখন আশেপাশের সহকর্মীরা আমাদের দেখে হাসতো, মজা নিতো।
ব্যাপারটা আমরাও বেশ উপভোগ করতাম।’
নীরব
হেসে হেসে আরও বলেন, ‘আমরা যখন প্রেম করতাম তখন অফিসের কাজের চাপ থাকলেও চাপ মনে হতো
না। প্রেয়সীর চোখের দিকে তাকালেই সব ক্লান্তি দূর হয়ে যেত, অফিস ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও
টের পেতাম না।’
সহকর্মীর
সঙ্গে সংসার কেমন কাটছে এমন প্রশ্নের জবাবে নীরব বলেন, ‘আমরা ভালো আছি। সংসার জীবনের
এত বছরেও প্রেমের প্রথম দিনের মতোই মনে হয় এখনও। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আমরা এখনও
সহকর্মী।’
মন্তব্য করুন


সেনাপ্রধান
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত কোনো অ্যাকাউন্ট নেই।
বৃহস্পতিবার
(৫ সেপ্টম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য
জানিয়ে বলা হয়, সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধানের ব্যক্তিগত কোনো অ্যাকাউন্ট নেই।
সাথে
আরো বলা হয় যে, এ অবস্থায় সেনাবাহিনী প্রধানের পরিচয় বা ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
কোনো ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে প্রচারিত পোস্ট দেখে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আইএসপিআর থেকে
অনুরোধ করা হয়।
মন্তব্য করুন


গভীর
গর্ত বা নলকূপে পড়ে যাওয়া শিশুদের দ্রুত ও নিরাপদে উদ্ধারের জন্য একটি বিশেষ খাঁচা
উদ্ভাবন করেছেন নাটোরের কৃষক তারা মিয়া। সম্পূর্ণ নিজস্ব ভাবনা থেকে তৈরি করা এই উদ্ভাবনী
যন্ত্রটির কার্যকারিতা সম্প্রতি পর্যবেক্ষণ করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের
মহাপরিচালকও।
গত
রবিবার (৭ জুন) নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচলে অবস্থিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মাল্টিপারপাস
ট্রেনিং গ্রাউন্ডে এর একটি সফল প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিস ও
সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামালসহ
অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে এই মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।
প্রদর্শনীর
অংশ হিসেবে ট্রেনিং গ্রাউন্ডে কৃত্রিমভাবে ৪০ ফুট গভীর একটি গর্ত তৈরি করে সেখানে ১৫
কেজি ওজনের একটি শিশুর ডামি ফেলা হয়। এরপর কৃষক তারা মিয়া তার উদ্ভাবিত খাঁচার সাহায্যে
অত্যন্ত সফলভাবে ডামিটি উদ্ধার করে দেখান। মূলত একটি সুতার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত বিশেষ
লক সিস্টেম ব্যবহার করে এই খাঁচাটি গর্তে আটকে পড়া ভিকটিমকে নিরাপদে টেনে তুলতে সক্ষম।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই উদ্ভাবনের খবর ফায়ার সার্ভিসের
মহাপরিচালকের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি রাজশাহীর বিভাগীয় উপপরিচালকের মাধ্যমে তারা মিয়াকে
এই প্রদর্শনীর জন্য আমন্ত্রণ জানান। পেশায় কৃষক হয়েও এমন একটি মানবিক ও কারিগরি উদ্যোগ
নেওয়ার পেছনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন তারা মিয়া। তিনি জানান, ২০২৫ সালে রাজশাহীর
তানোরে গর্তে পড়ে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু তাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। সেই ঘটনার
পর থেকেই তিনি এমন একটি যন্ত্র তৈরির কথা ভাবতে শুরু করেন, যার মাধ্যমে উদ্ধারকারীদের
জটিলতা কমিয়ে দ্রুততার সঙ্গে শিশুদের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়। নিজের এই সাধারণ উদ্ভাবনটি
ফায়ার সার্ভিসের মতো একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান মূল্যায়ন করায় তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ করেন।
কৃষক
তারা মিয়ার এই অনন্য ও সময়োপযোগী উদ্ভাবনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ফায়ার সার্ভিস
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তিনি তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, খাঁচাটির কারিগরি
দিকগুলো বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে আরও গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় সংস্কার
ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে এটিকে ভবিষ্যতে ফায়ার সার্ভিসের নিয়মিত উদ্ধারকাজের উপযোগী
ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


পৌষ
মাসের শেষ দিন পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের সাকরাইন উৎসবে মেতে ওঠার দিন। এ উৎসবের মূল
আকর্ষণ ঘুড়ি উড়ানো।
রবিবার
(১৪ জানুয়ারি) পৌষের শেষ দিন। ঐতিহ্যের আলোয় পৌষের শেষদিনকে রঙিন করতে মাতোয়ারা পুরান
ঢাকাবাসী। তাই উৎসব ঘিরে পুরান ঢাকার অলিগলিতে চলছে ঘুড়ি বেচাকেনার উৎসব। শিশু, তরুণ,
বৃদ্ধরা কিনছেন ঘুড়ি, নাটাই, সুতা। চলছে সুতায় মাঞ্জা দেওয়ার কাজ। পুরান ঢাকায় চলছে
ঘুড়ি বেচাকেনার ধুম। দোকানে দোকানে হরেক রকমের ঘুড়ি সাজিয়ে রাখা হয়েছে। রঙ-বেরঙের ঘুড়ি
আর নাটাই-সুতা সারি সারি করে সাজিয়ে রেখেছেন দোকানিরা। বাজারে বিভিন্ন নামের ঘুড়ি পাওয়া
যাচ্ছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম- চোখদার, চশমাদার, কাউটাদার, লাভবার্ড, পঙ্খিরাজ, প্রজাপতি,
চক্ষুদার, ঈগল, সাদাঘুড়ি, চার বোয়া, দুই বোয়া, টেক্কা, লাভঘুড়ি, তিন টেক্কা, মালাদার,
দাবা ঘুড়ি, বাদুড়, চিল, অ্যাংগ্রি বার্ডস হরেক রঙের ঘুড়ি। এসব নাটাই মিলবে ৫০০ থেকে
তিন হাজার টাকার মধ্যে। সেসব সুতার মধ্যে রক সুতা, ডাবল ড্রাগন, কিংকোবরা, ক্লাক ডেবিল,
ব্লাক গান, ডাবল গান, সম্রাট, ডাবল ব্লেট, মানজা, বর্ধমান, লালগান ও টাইগার অন্যতম।
জানা
যায়, রবিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে ঐতিহ্যবাহী উৎসব সাকরাইন শুরু হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা
পর্যন্ত ঘুড়ি ওড়ানোর পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে চলবে পিঠাপুলির উৎসব।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরীর উদ্যোগে যাকাত শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(৬ মার্চ) বিকাল ৪ টায় নগরীর গোল্ডেন স্পুন অডিটরিয়ামে মহানগর জামায়াতের আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ড.আবরার আহমেদ।বিশেষ আলোচক হিসাবে আলোচনা করেন ড.মাসুদুল হক চৌধুরী,আড়াইবাড়ী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতী আমিনুল ইসলাম।
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতে সেক্রেটারী মু.মাহবুবর রহমান এর সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন,মহানগর জামায়াতে নায়েবে আমীর যথাক্রমে মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দিন,অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন,মহানগর জামায়াতে কর্মপরিষদ সদস্য এড এয়াকুব আলী চৌধুরী,অধ্যাপক মজিবুর রহমান,কাজী নজীর আহম্মেদ,অধ্যাপক জাকির হোসেন,কাজী মোতাহের আলী দিলাল প্রমুখ।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করতে হবে। আল্লাহতাআলার আইন দিয়ে দেশ না চললে কেউ সুখ শান্তি পাবে না। এখানে চুরি, হত্যা রাহাজানিসহ যতধরনের অপকর্ম চলতে থাকবে। ইসলাম মানেই সুবিচার, ইসলাম মানলেই সুবিচার হবে। ইসলাম যতদিন না থাকবে কোথাও সুবিচার কায়েম হবে না। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে ইসলাম কায়েমের মাধ্যমেই সমাজের সকল স্তরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী সমাজ, রাষ্ট্র ও বিচার বিভাগ চালাবে না তারা কাফের, ফাসেক ও জালেম।
সেমিনার সম্মিলিত সকলের অংশগ্রহণে ইফতার করার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
চৌদ্দগ্রামে বন্ধুদের সাথে সাঁতার কেটে নদী পার হতে গিয়ে নিখোঁজ কলেজছাত্র মোহাম্মদ
শিহাব (১৮)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে ডুবুরিরা। নিখোঁজের ১৭ ঘণ্টা পর ডাকাতিয়া নদী থেকে
তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
গতকাল
শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম ও নাঙ্গলকোট উপজেলার সংযোগস্থল জাগজোর-নারান্দিয়া
ব্রিজ সংলগ্ন ডাকাতিয়া নদীতে শিহাব নিখোঁজ হয়। সে পার্শ্ববর্তী নাঙ্গলকোট উপজেলার
ঢালুয়া ইউনিয়নের নারান্দিয়া গ্রামের জাফর আহমেদ শিফনের ছেলে। সে চট্টগ্রাম বি.এন
কলেজের এইচএসসি প্রথমবর্ষের ছাত্র।
সিহাবের মামা আসিফ করিম বিষয়টি নিশ্চিত
করে জানান, শুক্রবার দুপুরে শিহাব তার অপর দুই বন্ধুকে নিয়ে নারান্দিয়া গ্রাম থেকে
পার্শ্ববর্তী জাগজোর গ্রামে যায় তালের শাঁস খাওয়ার জন্য। জুমার নামাজের সময় হওয়ায়
সেখান থেকে দ্রুত সাঁতার কেটে মসজিদে আসার জন্য নদীতে নামে তিন বন্ধু। এসময় অপর দুই
বন্ধু সাঁতার কেটে নদী পার হলেও শিহাব নদীতে হারিয়ে যায়।
চৌদ্দগ্রাম
ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, আমরা চাঁদপুর জেলা থেকে ডুবুরি টিমকেও
খবর পাঠাই। মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে চাঁদপুরের ডুবুরি টিম এসে বিকেল থেকে আনুমানিক এক
ঘণ্টা চেষ্টা করেও নিখোঁজ শিহাবকে উদ্ধার করতে পারেনি। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার
কার্যক্রম স্থগিত রাখে তারা এবং শনিবার সকালে উদ্ধার কার্যক্রম ফের শুরু করে। এ সময়
শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর মরদেহ নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা
হয়।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের
ফতুল্লার হাজিগঞ্জ এলাকায় ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালকে কেন্দ্র করে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার
সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায়
পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন বলে জানা
গেছে।
সোমবার (২০ জুলাই) রাতে ফতুল্লার হাজিগঞ্জ
এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,ফিফা
বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা পরাজিত হওয়ার
পর হাজিগঞ্জ এলাকার ব্রাজিল সমর্থক অপূর্ব ও তার অনুসারীরা বিজয় উল্লাস করে। এ সময়
উল্লাসকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনা সমর্থক হাবিব ও তার সহযোগীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু
হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে আর্জেন্টিনা
সমর্থকরা ব্রাজিল সমর্থকদের ধাওয়া দিলে পরে ব্রাজিল সমর্থকরা আরও লোকজন নিয়ে ফিরে
আসে। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুর হয়। এ সময় বাড়িঘরে ভাঙচুর ও
লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হলে পুরো এলাকায়
আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ
ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক
রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি
শান্ত করেছি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা
দায়ের হয়নি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন