ব্রাজিল হারায় নিজেকে শেষ করলেন এক সমর্থক

ব্রাজিল হারায় নিজেকে শেষ করলেন এক সমর্থক
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপ ফুটবলে নিজের প্রিয় দল ব্রাজিলের হার সহ্য করতে না পেরে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক সমর্থক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ১১টায় উপজেলার কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াইঘাট এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত তরুণের নাম রতন (১৯)। তিনি কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াইঘাট এলাকার হোসেন মিস্ত্রীর (হোসেন আলী মিস্ত্রি) ছেলে এবং পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন। রতন বিবাহিত এবং তার দুই মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাতে ব্রাজিল ও নরওয়ে ফুটবল দলের মধ্যকার খেলায় রতনের প্রিয় দল ব্রাজিল পরাজয় বরণ করে। প্রিয় দলের এই পরাজয়ের গ্লানি এবং সেই সঙ্গে প্রতিপক্ষ ফুটবল দলের সমর্থকদের নেতিবাচক ট্রলের (উত্ত্যক্ত করা) শিকার হয়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরে নিজ শোবার ঘরে গিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।

নিহতের বাবা হোসেন আলী মিস্ত্রি জানান, রাতে খেলা দেখে ঘুমিয়ে পড়েছিল রতন। বেলা ১১টার দিকে তার কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তাকে আড়ার সঙ্গে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কুমারখালী থানার ওসি (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম জানান, রতন ব্রাজিল ফুটবল দলের একজন কট্টর সমর্থক ছিলেন। তার দল হেরে যাওয়ায় পরাজয়ের গ্লানি সইতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

১০

কুমিল্লায় বিস্ফোরক মামলায় জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

১১

ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি বৃষ্টি গ্রেপ্তার

১২

উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদরাসাছাত্রদের সংঘর্ষ, আহত ৩০

১৩

চালুর প্রথম দিনেই পিংক বাসকে ধাক্কা, বলাকা বাসকে জরিমানা

১৪

পাঁচ দিন বয়সী যমজ দুই কন্যা সন্তানকে রেখে উধাও মা

১৫

স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি

১৬

কুমিল্লায় মিয়ামী এয়ারকন বাসে রড-বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে যাত্রীদের মাথা ফাটালেন বাস চালক

১৭

খাবারে খাসি না পেয়ে বিয়ে না করেই চলে গেলেন প্রবাসী বর

১৮

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা

১৯

রেললাইনে হাত ধরে টানাটানি, ট্রেনে কা'টা পড়ে দুই নারী নি'হ'ত

২০

মেলায় পাওয়া যাচ্ছে শেকড় সন্ধানী লেখক ও সাংবাদিক শরীফ প্রধানের ‘শিক্ষানবিশ সাংবাদিকতা’ বই

মেলায় পাওয়া যাচ্ছে শেকড় সন্ধানী লেখক ও সাংবাদিক  শরীফ প্রধানের ‘শিক্ষানবিশ সাংবাদিকতা’ বই
সংগৃহীত

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে শেকড় সন্ধানী লেখক, সাংবাদিক ও সংগঠক শরীফ প্রধান-এর বই ‘শিক্ষানবিশ সাংবাদিকতা’। বইটি প্রকাশ করেছে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান 'প্রতিভা প্রকাশ। গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিষয়ক বইটির প্রচ্ছদ করেছেন শাহাদাত শিবলী। মুদ্রিত মূল্য রাখা হয়েছে ৪৫০ টাকা। বই মেলার- ৩২৭,৩২৮ ও ৩২৯ নং স্টলে পাওয়া যাচ্ছে বইটি।

গণমাধ্যম পেশায় আগত নবীন ও শিক্ষানবিশদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সহায়ক হবে। বইটির মাধ্যমে সাংবাদিকতার প্রাথমিক বিষয় সম্পর্কে নবীনরা চমৎকার ধারণা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন লেখক। 

বই মেলার প্রথম দিন থেকেই প্রতিভা প্রকাশনার - ৩২৭, ৩২৮, ৩২৯ নং স্টলে বইটি পাওয়া যাবে। এছাড়াও অর্ডার করতে পারবেন রকমারি, বইফেরী, বাতিঘর, প্রথমা, বই বাজার, বিডি বুকস, ই-বইঘর, পাঠক পয়েন্ট, বইয়ের দুনিয়া, বইসদাই, বই প্রহরসহ যে কোনো অনলাইন বুকশপে।

শরীফ প্রধান বর্তমানে দৈনিক ইত্তেফাক-পত্রিকায় কাজ করছেন। এই বইটি লেখকের ৩য় প্রকাশিত গ্রন্থ। এর আগে, আঞ্চলিক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংবাদপত্রে প্রকাশিত উন্নয়নমূলক প্রতিবেদন নিয়ে ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয় "পজিটিভ দাউদকান্দি" নামে বই এবং তথ্য গবেষণা ও আঞ্চলিক বংশ ভিত্তিক ইতিহাসের বই "কাদিয়ারভাঙ্গা প্রধান বংশের ইতিকথা" নামের বইটি লেখকের প্রথম প্রতাশিত গ্রন্থ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

১০

কুমিল্লায় বিস্ফোরক মামলায় জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

১১

ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি বৃষ্টি গ্রেপ্তার

১২

উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদরাসাছাত্রদের সংঘর্ষ, আহত ৩০

১৩

চালুর প্রথম দিনেই পিংক বাসকে ধাক্কা, বলাকা বাসকে জরিমানা

১৪

পাঁচ দিন বয়সী যমজ দুই কন্যা সন্তানকে রেখে উধাও মা

১৫

স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি

১৬

কুমিল্লায় মিয়ামী এয়ারকন বাসে রড-বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে যাত্রীদের মাথা ফাটালেন বাস চালক

১৭

খাবারে খাসি না পেয়ে বিয়ে না করেই চলে গেলেন প্রবাসী বর

১৮

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা

১৯

রেললাইনে হাত ধরে টানাটানি, ট্রেনে কা'টা পড়ে দুই নারী নি'হ'ত

২০

জনগণ চায় প্রকৃত সংস্কার শেষে জাতীয় নির্বাচন: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

জনগণ চায় প্রকৃত সংস্কার শেষে জাতীয় নির্বাচন: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক মন্ত্রনালয় এবং  যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই অন্তর্বর্তী সরকারের মূল লক্ষ্য। জনগণ চায় প্রকৃত সংস্কার শেষে জাতীয় নির্বাচন। বিগত ফ্যাসিবাদের সময় উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যেভাবে বৈষম্য করা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার তা করবে না। দেশের অন্যান্য স্থানের মতো রংপুর ও রাজশাহী বিভাগেও যাতে সমানভাবে উন্নয়ন হয়, সেভাবে কাজ করবে এ সরকার।

আজ বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা শহরের সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। 

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, শিল্পের বিকাশ ছাড়া অর্থনৈতিক প্রবাহ এবং উন্নয়ন অসম্ভব। এ লক্ষ্যে উত্তরবঙ্গে যেন শিল্পের বিকাশ ঘটে এজন্য স্থলবন্দর শক্তিশালী করণে সরকার কাজ করবে। এরই মধ্যে সুগার ও টেক্সটাইল মিল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই অন্তর্বর্তী সরকারের মূল লক্ষ্য। জনগণ চায় প্রকৃত সংস্কার শেষে জাতীয় নির্বাচন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার কাজ করছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোতে আমরা হাত দিচ্ছি। 

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আবু সাঈদ লিওনসহ অনেকে এসময়  বক্তব্য দেন। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান । 

অনুষ্ঠানে দুই হাজার মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। 

পরে নীলফামারী সার্কিট হাউসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত জেলা সদরের গোড়গ্রাম ইউনিয়নের রুবেল ইসলাম ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার রণচন্ডি ইউনিয়নের নাঈম ইসলামের স্বজনদের হাতে দুই লাখ করে মোট চার লাখ টাকার করে চেক তুলে দেন তিনি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

১০

কুমিল্লায় বিস্ফোরক মামলায় জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

১১

ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি বৃষ্টি গ্রেপ্তার

১২

উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদরাসাছাত্রদের সংঘর্ষ, আহত ৩০

১৩

চালুর প্রথম দিনেই পিংক বাসকে ধাক্কা, বলাকা বাসকে জরিমানা

১৪

পাঁচ দিন বয়সী যমজ দুই কন্যা সন্তানকে রেখে উধাও মা

১৫

স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি

১৬

কুমিল্লায় মিয়ামী এয়ারকন বাসে রড-বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে যাত্রীদের মাথা ফাটালেন বাস চালক

১৭

খাবারে খাসি না পেয়ে বিয়ে না করেই চলে গেলেন প্রবাসী বর

১৮

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা

১৯

রেললাইনে হাত ধরে টানাটানি, ট্রেনে কা'টা পড়ে দুই নারী নি'হ'ত

২০

রাতে ৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা

রাতে ৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা
সংগৃহীত ছবি

দেশের জেলায় রাতের মধ্যেই ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিফতর।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য প্রকাশিত আবহাওয়ার বিশেষ পূর্বাভাসে তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম কক্সবাজার জেলার ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা কিংবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে।

কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদফতরের পৃথক আরেকটি পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামী কয়েক দিন দেশের সব বিভাগেই দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি দেশের কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণও হতে পারে।

বৈরী আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে নৌযান চলাচলে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি প্রয়োজনে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

১০

কুমিল্লায় বিস্ফোরক মামলায় জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

১১

ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি বৃষ্টি গ্রেপ্তার

১২

উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদরাসাছাত্রদের সংঘর্ষ, আহত ৩০

১৩

চালুর প্রথম দিনেই পিংক বাসকে ধাক্কা, বলাকা বাসকে জরিমানা

১৪

পাঁচ দিন বয়সী যমজ দুই কন্যা সন্তানকে রেখে উধাও মা

১৫

স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি

১৬

কুমিল্লায় মিয়ামী এয়ারকন বাসে রড-বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে যাত্রীদের মাথা ফাটালেন বাস চালক

১৭

খাবারে খাসি না পেয়ে বিয়ে না করেই চলে গেলেন প্রবাসী বর

১৮

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা

১৯

রেললাইনে হাত ধরে টানাটানি, ট্রেনে কা'টা পড়ে দুই নারী নি'হ'ত

২০

ডি-৮ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে আমন্ত্রণ মিসরের

ডি-৮ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে আমন্ত্রণ মিসরের
ফাইল ছবি

চলতি বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠেয় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে মিশর।

বাংলাদেশে মিশরের রাষ্টদূত ওমর মোহি আলদিন আহমেদ ফাহমি বুধবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়।

মিশর আয়োজিত অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশনের এই শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া, ইরান, পাকিস্তান ও তুরস্কসহ ৮টি উন্নয়নশীল দেশের শীর্ষ নেতাদের একত্রিত করবে।

১৯৯৭ সালের ১৫ জুন ইস্তাম্বুল ঘোষণার মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ডি-৮ গ্রুপটি  যাত্রা শুরু করে।

ডি-৮ এর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল বিশ্ব অর্থনীতিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবস্থানকে শক্তিশালী করা, বাণিজ্যের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা, আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং সদস্য দেশগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ইত্যাদি।

রাষ্ট্রদূত ফাহমি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় মিশরের চলমান সমর্থন পূর্ণব্যক্ত করে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে জাতির অব্যাহত অগ্রগতির প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন।

ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য বৈচিত্র্য ও উদ্ভাবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে আলোকপাত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া, সদস্য দেশগুলো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং পারস্পরিক প্রবৃদ্ধি উৎসাহিত করতে একসঙ্গে কাজ করবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

১০

কুমিল্লায় বিস্ফোরক মামলায় জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

১১

ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি বৃষ্টি গ্রেপ্তার

১২

উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদরাসাছাত্রদের সংঘর্ষ, আহত ৩০

১৩

চালুর প্রথম দিনেই পিংক বাসকে ধাক্কা, বলাকা বাসকে জরিমানা

১৪

পাঁচ দিন বয়সী যমজ দুই কন্যা সন্তানকে রেখে উধাও মা

১৫

স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি

১৬

কুমিল্লায় মিয়ামী এয়ারকন বাসে রড-বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে যাত্রীদের মাথা ফাটালেন বাস চালক

১৭

খাবারে খাসি না পেয়ে বিয়ে না করেই চলে গেলেন প্রবাসী বর

১৮

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা

১৯

রেললাইনে হাত ধরে টানাটানি, ট্রেনে কা'টা পড়ে দুই নারী নি'হ'ত

২০

দেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে সহায়তা করবে জাতিসংঘ

দেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে সহায়তা করবে জাতিসংঘ
সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনসহ প্রধান প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস।

রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর সৌজন্য সাক্ষাতে তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার, দুর্নীতি, বন্যা, রোহিঙ্গা সংকট এবং জুলাই-আগস্ট গণহত্যা বিষয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বে তদন্ত বিষয়ে আলাপ করেন।

গোয়েন লুইস অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কার উদ্যোগে সহায়তায় আগ্রহের কথা জানান এবং বিপ্লব পরবর্তী প্রশাসনের প্রধান হিসেবে অসাধারণ ভূমিকা নেওয়ায় ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানান।

জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, এটা ছিল গোটা জাতির জন্য এক অনন্য আন্দোলন। তার সরকারের প্রধান কাজ প্রত্যেকের জন্য একটা ভালো উদাহরণ স্থাপন করা। এটা দেশের অর্থনীতি এবং প্রায় সকল প্রতিষ্ঠান সংস্কারের জন্য বিরাট সুযোগ।

গোয়েন লুইস পুলিশ প্রশাসনসহ নিরাপত্তা বাহিনীর সংস্কার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তার সরকার পুলিশের সংস্কারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে।

ড. ইউনূস বলেন, সরকার সারা দেশে সমন্বিত তথ্যপ্রযুক্তি পদ্ধতি স্থাপনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি দেশে হয়রানি এবং দুর্নীতি হ্রাস করবে। নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কারে সরকার একটি কমিশন গঠন করেছে। সুতরাং আগামীতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত বিষয়ে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস বলেন, জুলাই ও আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন তদন্ত টিম ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আইএলও আহত এবং মানসিক ট্রমাতে থাকা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা বিষয়ে গোয়েন লুইস বলেন, বাংলাদেশের পূর্ব এবং দক্ষিণ অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের বন্যা পরবর্তী পুর্নবাসনে সহায়তা হিসেবে ৪ মিলিয়ন ডলার সরবরাহ করেছে।

তিনি বলেন, বন্যায় বাংলাদেশে প্রায় ১৮ মিলিয়ন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বিভিন্ন সংস্থা ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় করেছে জাতিসংঘ।

দক্ষিণ এশিয়ায় আগাম বন্যা সতর্কতার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপনে জাতিসংঘের সহায়তা চান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টা এবং জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুতে আলাপ করেন।

তিন পার্বত্য জেলায় জাতিসংঘের সংস্থাগুলো যে সাহায্য কাজ করেছে, তার চিত্র তুলে ধরেন গোয়েন লুইস।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলাপকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য অধিকতর সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে জাতিসংঘের সহায়তা চান।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

১০

কুমিল্লায় বিস্ফোরক মামলায় জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

১১

ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি বৃষ্টি গ্রেপ্তার

১২

উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদরাসাছাত্রদের সংঘর্ষ, আহত ৩০

১৩

চালুর প্রথম দিনেই পিংক বাসকে ধাক্কা, বলাকা বাসকে জরিমানা

১৪

পাঁচ দিন বয়সী যমজ দুই কন্যা সন্তানকে রেখে উধাও মা

১৫

স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি

১৬

কুমিল্লায় মিয়ামী এয়ারকন বাসে রড-বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে যাত্রীদের মাথা ফাটালেন বাস চালক

১৭

খাবারে খাসি না পেয়ে বিয়ে না করেই চলে গেলেন প্রবাসী বর

১৮

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা

১৯

রেললাইনে হাত ধরে টানাটানি, ট্রেনে কা'টা পড়ে দুই নারী নি'হ'ত

২০

দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহার কমেছে,বেড়েছে বাল্য বিয়ে

দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহার কমেছে,বেড়েছে বাল্য বিয়ে
প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ুর পাশাপাশি নারীর প্রজনন হার এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহার কমেছে, পাশাপাশি বেড়েছে বাল্য বিয়ে এবং শিশু মৃত্যুর হার। আবার এ জরিপে উঠে এসেছে- দেশে প্রাপ্তবয়স্ক হয়েও বিয়ে না করা পুরুষের সংখ্যা প্রায় ৩৬ শতাংশ। বয়স্ক পুরুষের সংখ্যা সামান্য বেড়েছে। কিছুটা হলেও কমেছে বিবাহিত দম্পতির মধ্যে তালাক বা বিবাহ বিচ্ছেদের সংখ্যা।

গত দশ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ক্রমান্বয়ে প্রায় দশ শতাংশ কমেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পপুলেশন সায়েন্সেসের অধ্যাপক ডঃ মোঃ মঈনুল ইসলাম জানান, সরকারি এই রিপোর্টে যা উঠে এসেছে তাতে মূলত বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের করুণ চিত্রই প্রতিফলিত হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ যে 'ট্রিপল জিরো কমিটমেন্ট', অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনার অপূর্ণ চাহিদা (শতভাগ দম্পতিকে পরিবার পরিকল্পনার আওতায় আসা), মাতৃমৃত্যু ও বাল্য বিবাহ-সহ জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা শূন্যতে নামিয়ে আনার যে অঙ্গীকার করেছিল তার অর্জন দুরূহ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করেন।

কেনিয়ার নাইরোবিতে ২০১৯ সালে জনসংখ্যা ও উন্নয়ন সম্মেলনের ২৫ বছর পূর্তিতে এই ট্রিপল জিরো অঙ্গীকার করেছিলো বাংলাদেশ।

প্রসঙ্গত, বিবিএস যে জরিপের ফল প্রকাশ করেছে সে জরিপটি পরিচালিত হয়েছে ২০২৩ সালে। জরিপটি দেশ জুড়ে ৩ লাখ ৮ হাজারেরও বেশি পরিবার ও বিবাহিত নারীদের ওপর পরিচালনা করা হয়েছে। তারা এই জরিপের সাথে তার আগের বছরের তথ্যও প্রকাশ করেছে।

 সূত্র- বিবিসি বাংলা

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

১০

কুমিল্লায় বিস্ফোরক মামলায় জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

১১

ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি বৃষ্টি গ্রেপ্তার

১২

উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদরাসাছাত্রদের সংঘর্ষ, আহত ৩০

১৩

চালুর প্রথম দিনেই পিংক বাসকে ধাক্কা, বলাকা বাসকে জরিমানা

১৪

পাঁচ দিন বয়সী যমজ দুই কন্যা সন্তানকে রেখে উধাও মা

১৫

স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি

১৬

কুমিল্লায় মিয়ামী এয়ারকন বাসে রড-বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে যাত্রীদের মাথা ফাটালেন বাস চালক

১৭

খাবারে খাসি না পেয়ে বিয়ে না করেই চলে গেলেন প্রবাসী বর

১৮

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা

১৯

রেললাইনে হাত ধরে টানাটানি, ট্রেনে কা'টা পড়ে দুই নারী নি'হ'ত

২০

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন স্পিকার

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন স্পিকার
সংগৃহীত ছবি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি-এর জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র বলছে, আগামী ৩ জুলাই ঢাকা থেকে ইরানের উদ্দেশে রওনা হতে পারেন স্পিকার। তিনি ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেবেন।

জানা গেছে, খামেনির শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা আগামী ৪ জুলাই তেহরানে শুরু হবে। এরপর ৭ জুলাই কোমে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং ৯ জুলাই মাশহাদে দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এই বহুধাপের রাষ্ট্রীয় আয়োজনকে ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্পিকারের এই সফরকে তেহরান-ঢাকা সম্পর্কের কূটনৈতিক গুরুত্বের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইরানের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘ সময় প্রভাবশালী ভূমিকা রাখা খামেনির মৃত্যু মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এর মধ্যেই খামেনির জানাজায় বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের খবর সামনে আসছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

১০

কুমিল্লায় বিস্ফোরক মামলায় জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

১১

ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি বৃষ্টি গ্রেপ্তার

১২

উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদরাসাছাত্রদের সংঘর্ষ, আহত ৩০

১৩

চালুর প্রথম দিনেই পিংক বাসকে ধাক্কা, বলাকা বাসকে জরিমানা

১৪

পাঁচ দিন বয়সী যমজ দুই কন্যা সন্তানকে রেখে উধাও মা

১৫

স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি

১৬

কুমিল্লায় মিয়ামী এয়ারকন বাসে রড-বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে যাত্রীদের মাথা ফাটালেন বাস চালক

১৭

খাবারে খাসি না পেয়ে বিয়ে না করেই চলে গেলেন প্রবাসী বর

১৮

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা

১৯

রেললাইনে হাত ধরে টানাটানি, ট্রেনে কা'টা পড়ে দুই নারী নি'হ'ত

২০

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান
সংগৃহীত ছবি

জাপানের আমামি ওশিমা দ্বীপে ‘হাবু নামের মারাত্মক বিষধর পিট ভাইপার সাপের উপদ্রব কমাতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে গিয়ে বড় ধরনের পরিবেশগত বিপদে পড়েছিল দেশটির কর্তৃপক্ষ।

টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেসের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৭ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত ওই অঞ্চলে ২ হাজার ৬৭৩ জন মানুষ হাবু সাপের কামড়ের শিকার হন। সাপ থেকে রক্ষা পেতে ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ থেকে আগে ওকিনাওয়ায় নেওয়া বেজির বংশধর থেকে ৩০টি বেজি আনা হয়েছিল আমামি ওশিমা দ্বীপে।

তবে সাপের উৎপাত বন্ধে গৃহীত এই পরিকল্পনাটি হিতে বিপরীত হয়। এর অন্যতম মূল কারণ ছিল- হাবু মূলত একটি নিশাচর প্রাণী এবং বেজি দিনের বেলা সক্রিয় থাকে। ফলে সাপের সাথে বেজির দেখা হওয়ার সম্ভাবনা ছিল খুবই কম।

জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানায়, হাবু সাপ শিকারের বদলে দিনের বেলা সক্রিয় থাকা বিপন্ন আমামি খরগোশ সহ দ্বীপটির বিরল বন্যপ্রাণিদের শিকার করতে শুরু করে বেজিগুলো। প্রাকৃতিক শিকারি না থাকায় এবং পর্যাপ্ত খাবারের কারণে ২০০০ সালের দিকে ৩০টি বেজি থেকে তা প্রায় ১০ হাজারে পরিণত হয়।  

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২০০০ সাল থেকে শুরু হয় ব্যাপক নিধন অভিযান। ‘আমামি মঙ্গুজ বাস্টার্স দল গঠন করে ৩০ হাজারের বেশি ফাঁদ, ৩০০ ক্যামেরা এবং প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে পুরো দ্বীপে বেজি খোঁজার কাজ চালানো হয়।

দীর্ঘ অভিযানের পর ২০১৮ সালের এপ্রিলে শেষবারের মতো একটি বেজি ফাঁদে ধরা পড়ে। এরপর টানা কয়েক বছর ব্যাপক নজরদারি চালিয়ে অবশেষে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দ্বীপটিকে পুরোপুরি বেজিমুক্ত ঘোষণা করে দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশ থেকে যাওয়া এই বেজির হাত থেকে বিরল প্রাণী ও পরিবেশ বাঁচাতে জাপানের সময় লাগে দীর্ঘ ৪৫ বছর। অন্যদিকে ২০০০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই নিধন অভিযানে জাপানের ব্যয় হয়েছে ৩.৫৭ বিলিয়ন ইয়েন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৯০ কোটি টাকা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

১০

কুমিল্লায় বিস্ফোরক মামলায় জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

১১

ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি বৃষ্টি গ্রেপ্তার

১২

উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদরাসাছাত্রদের সংঘর্ষ, আহত ৩০

১৩

চালুর প্রথম দিনেই পিংক বাসকে ধাক্কা, বলাকা বাসকে জরিমানা

১৪

পাঁচ দিন বয়সী যমজ দুই কন্যা সন্তানকে রেখে উধাও মা

১৫

স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি

১৬

কুমিল্লায় মিয়ামী এয়ারকন বাসে রড-বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে যাত্রীদের মাথা ফাটালেন বাস চালক

১৭

খাবারে খাসি না পেয়ে বিয়ে না করেই চলে গেলেন প্রবাসী বর

১৮

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা

১৯

রেললাইনে হাত ধরে টানাটানি, ট্রেনে কা'টা পড়ে দুই নারী নি'হ'ত

২০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ
সংগৃহীত ছবি

আজ আগস্ট বৃহস্পতিবার ২২ শ্রাবণ, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে কলকাতার জোড়াসাঁকোর পৈতৃক বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ৩৬টি প্রবন্ধ অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ১৯১৫টি গান গল্পগুচ্ছ গীতবিতান সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

রবীন্দ্রনাথের প্রকাশিত গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর সারদা সুন্দরী দেবীর ১৫ সন্তানের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন ১৪তম। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঐতিহ্যবাহী ঠাকুর পরিবারে তার জন্ম। বাংলার প্রকৃতি, নদী সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা তাঁর সাহিত্যকর্মে গভীর প্রভাব ফেলেছে।

তার রচিতআমার সোনার বাংলাবাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। সব মিলিয়েই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রদ্ধা ভালোবাসায় বাঙালির হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছেন।

প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর ধানমন্ডির ছায়ানট মিলনায়তনে গীতিনাট্যশ্যামামঞ্চস্থ করবে জাতীয় সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানটি। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

১০

কুমিল্লায় বিস্ফোরক মামলায় জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

১১

ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি বৃষ্টি গ্রেপ্তার

১২

উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদরাসাছাত্রদের সংঘর্ষ, আহত ৩০

১৩

চালুর প্রথম দিনেই পিংক বাসকে ধাক্কা, বলাকা বাসকে জরিমানা

১৪

পাঁচ দিন বয়সী যমজ দুই কন্যা সন্তানকে রেখে উধাও মা

১৫

স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি

১৬

কুমিল্লায় মিয়ামী এয়ারকন বাসে রড-বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে যাত্রীদের মাথা ফাটালেন বাস চালক

১৭

খাবারে খাসি না পেয়ে বিয়ে না করেই চলে গেলেন প্রবাসী বর

১৮

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা

১৯

রেললাইনে হাত ধরে টানাটানি, ট্রেনে কা'টা পড়ে দুই নারী নি'হ'ত

২০

আনসার ‘প্রযুক্তিনির্ভর মানবিক সামাজিক বাহিনী’ হয়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

আনসার ‘প্রযুক্তিনির্ভর মানবিক সামাজিক বাহিনী’ হয়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও গভীর দেশপ্রেমের মাধ্যমে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ভবিষ্যতে একটি ‘প্রযুক্তিনির্ভর মানবিক সামাজিক বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২০ মে) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

যেকোনো সুশৃঙ্খল বাহিনীর জন্য ‘চেইন অব কমান্ড ও ‘ডিসিপ্লিন মেনে চলা অপরিহার্য ও অবশ্য পালনীয় নীতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই দুটি বিষয়ে সামান্যতম অবহেলা পরিলক্ষিত হলেও কোনো বাহিনী সুশৃঙ্খল হয়ে উঠতে পারে না। কোনো বাহিনীর মধ্যে ডিসিপ্লিনের অভাব দেখা দিলে তাদের সম্পর্কে জনমনে আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়, এ বিষয়ে খেয়াল রাখা জরুরি।

মহান মুক্তিযুদ্ধে আনসার বাহিনীর গৌরবজনক ভূমিকার কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, প্রায় ৪০ হাজার রাইফেল নিয়ে আনসার সদস্যরা স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর ৬৭০ জন শহীদ হয়েছেন। তাদের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে মাগফেরাত কামনা করেন তিনি।

স্বাধীনোত্তর বাংলাদেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফেরাতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

এরই অংশ হিসেবে গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) ও আনসার বাহিনী একীভূত করা হয়। স্বাধীনতার ঘোষকের সেই দূরদর্শী পদক্ষেপই আনসার ও ভিডিপিকে আজকের বহুমাত্রিক ও গণপ্রতিরক্ষায় সক্ষম বাহিনীতে পরিণত করার ভিত্তি স্থাপন করেছে।

তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে খালেদা জিয়া সরকারের সময় ১৯৯৫ সালে আনসার-ভিডিপি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এ বাহিনীকে স্বেচ্ছাসেবী কাঠামো থেকে একটি স্বতন্ত্র শৃঙ্খলা বাহিনীর মর্যাদা দেওয়া হয়, যা এই বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশে মাইলফলক।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সংকটময় পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দেশের সব থানা পাহারা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা সহায়তায় এ বাহিনী বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

বাহিনীর বর্তমান কাঠামোর প্রশংসা করে তিনি জানান, আনসার ও ভিডিপির চারটি প্রধান স্তম্ভ ব্যাটালিয়ন আনসার, অঙ্গীভূত আনসার, থানা বা উপজেলা আনসার এবং ভিডিপি-টিডিপি সমন্বিতভাবে দেশের নিরাপত্তায় কাজ করছে। বর্তমানে ৪৭টি আনসার ব্যাটালিয়নের মধ্যে ১৬টি পার্বত্য চট্টগ্রামে নিয়োজিত। ৫২ হাজার অঙ্গীভূত আনসার দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও শিল্পকারখানায় নিরাপত্তা দিচ্ছে। এছাড়া ১৩ হাজারেরও বেশি হিল আনসার ও ভিডিপি সদস্য পাহাড়ে সম্প্রীতি জোরদারে কাজ করছেন। তৃণমূল পর্যায়ে ভিডিপি ও টিডিপি সদস্যরা বাল্যবিবাহ রোধ, নারী নির্যাতন মোকাবিলা, মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং নগর নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

আনসার-ভিডিপি নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সঞ্জীবন প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং ব্যাংক ও ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের মাধ্যমে জামানতবিহীন ঋণ দেওয়া হচ্ছে।

এভিজবস (আনসার অ্যান্ড ভিডিপি জব পোর্টাল) সফটওয়্যার এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ব্যবহার করে দেশীয় ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উদ্যোগকে সময়োপযোগী আখ্যা দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স নিয়ে আনসার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের মাধ্যমে বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্যোগ সদস্যদের জন্য সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ, ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, সিক্স-জি (6G) ওয়েল্ডিংয়ের মতো আধুনিক প্রশিক্ষণ দিয়ে বাহিনীকে ক্রমান্বয়ে একটি ‘হিউম্যান ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আনসার-ভিডিপি বর্তমানে একটি নির্ভরযোগ্য ‘ফার্স্ট রেসপন্ডার স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী হিসেবে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্যা-অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্যোগে এ বাহিনীর সাহসিকতা দৃষ্টান্তমূলক। পাশাপাশি রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং, সোলার প্যানেল এবং বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের মতো পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ টেকসই উন্নয়নের পথে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আনসার-ভিডিপির সাফল্যের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ গেমসে টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে এ বাহিনী ‘স্বাধীনতা পদক অর্জন করে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া আয়োজনে দেশের ১০টি ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নিরাপত্তায় ৩৭৯ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্য মোয়েন করা হয়েছে। ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বর্তমান সরকার খেলোয়াড়দের জন্য স্পোর্টস কার্ড ও বেতন কাঠামো চালু করেছে, যার আওতায় আনসার-ভিডিপির ১৫ জন ক্রীড়াবিদও স্পোর্টস কার্ড পেয়েছেন।

বাহিনীর কাঠামোগত ও প্রশাসনিক সংস্কার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আনসার ব্যাটালিয়ন বিধিমালা ২০২৬, ‘ভিডিপি প্রবিধানমালা ২০২৬, ‘অঙ্গীভূত আনসার বিধিমালা ২০২৬ এবং ‘আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধিমালা ২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে কার্যক্রম শক্তিশালী করতে ‘উপজেলা আনসার প্রবিধানমালা ২০২৬ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা জোরদারে সদর দপ্তরে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থা চালু করাকে জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।

দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে আনসার ও ভিডিপি ভবিষ্যতে আরও দক্ষ এবং গতিশীল বাহিনী হিসেবে দেশের কল্যাণে কাজ করে যাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

১০

কুমিল্লায় বিস্ফোরক মামলায় জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

১১

ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি বৃষ্টি গ্রেপ্তার

১২

উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদরাসাছাত্রদের সংঘর্ষ, আহত ৩০

১৩

চালুর প্রথম দিনেই পিংক বাসকে ধাক্কা, বলাকা বাসকে জরিমানা

১৪

পাঁচ দিন বয়সী যমজ দুই কন্যা সন্তানকে রেখে উধাও মা

১৫

স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি

১৬

কুমিল্লায় মিয়ামী এয়ারকন বাসে রড-বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে যাত্রীদের মাথা ফাটালেন বাস চালক

১৭

খাবারে খাসি না পেয়ে বিয়ে না করেই চলে গেলেন প্রবাসী বর

১৮

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা

১৯

রেললাইনে হাত ধরে টানাটানি, ট্রেনে কা'টা পড়ে দুই নারী নি'হ'ত

২০