

দেশের ছয়টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যেতে পারে ঝড়ো হাওয়া। তাই সতর্ক সংকেত তোলা হয়েছে সে সকল এলাকার নদীবন্দরগুলোতে।
রোববার (০৯ জুন) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানান, রংপুর, দিনাজপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বর্তমানে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
সোমবার (১০ জুন) সকাল পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার (১১ জুন) সকাল পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু'এক জয়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে বুধবার (১২ জুন) সকাল পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জয়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা- সিলেট মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করন এবং দ্রুত সংস্কারের দাবিতে কুমিল্লার ময়নামতি থেকে কংশনগর পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা।
বুধবার সকাল ১০ টা থেকে ঘন্টা ব্যাপী কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কের ময়নামতি থেকে কংশনগর পর্যন্ত নয়টি পয়েন্টে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভ চলাকালীন সময় সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট তৈরি হলেও, বিক্ষোভ শেষে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। সড়ক ও জনপদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জেলা পুলিশের কর্মকর্তাদের আশ্বাসে পরবর্তীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি উঠিয়ে নেওয়া হয়।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, দীর্ঘদিন যাবত কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করনের জন্য প্রস্তাবিত হয়ে। এছাড়া দীর্ঘদিব সড়কটিতে খানাখন্দ হলেও সেটি মেরামত করা হচ্ছে না। চরম ভোগান্তিতে যাতায়াত করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তাই আমরা চাই খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হোক।
এছাড়াও বক্তারা আরো বলেন, সড়কটি সংকীর্ণ হওয়ায় প্রতিনিয়ত হলো দুর্ঘটনা ঘটছে। প্রাণহানি সহ মানুষের অঙ্গ হানি হচ্ছে। তাই সড়কের নিরাপদ করতে দ্রুত মেরামত করা দরকার। আমাদের দাবি মেনে নেয়া হলে আবারও কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।
দেবপুর এলাকায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ময়নামতি ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, যুবদল নেতা মোস্তফা কামাল, সমাজকর্মী আনোয়ারুল আজিম, হারুনুর রশিদ মেম্বারসহ অন্যান্যরা।
এদিকে মহাসড়কের দেবপুর এলাকায় এসে বিক্ষোভকারীদের সাথে কথা বলেন সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা ও বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিজুল হক। দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক মেরামতের কাজ শুরু করার আশ্বাসে দেবপুর এলাকা সহ অন্যান্য এলাকা থেকে বিক্ষোভ উঠিয়ে নেয়া হয়।
এ সময়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কটি চার লাইনে উন্নীত করনের কাজ সরকারের ঊর্ধ্বতনও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে সড়কটি মেরামতের কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শুরু করা হবে বলে আমরা আশা করছি।
মন্তব্য করুন


নরসিংদীর রায়পুরায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান (দোকান) বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে মানিক মিয়া (৬৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক দেড়টায় রায়পুরা জঙ্গি শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রায়পুরা থানার পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মানিক মিয়া উত্তর বাখরনগর ইউনিয়নের জঙ্গি শিবপুর গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে। পেশায় তিনি একজন মুদি মালামালের ব্যবসায়ী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সোমবার রাতেও তিনি দোকান বন্ধ করে বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। তখন আড়িয়াল খাঁ নদীর পাড়ে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করে তার লাশ ফেলে পালিয়ে যায়। হত্যার কারণ সম্পর্কে জানতে পারেনি কেউ। পরে খবর পেয়ে রায়পুরা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
নিহতের ভাই মো. আরিফ মিয়া জানান, গতরাত ১০টা পেরিয়ে গেলেও বাড়ি আসেনি। তার ফোনে অনেকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি। পরে আমরা তার খোঁজে বাজারে যাওয়ার পথে আড়িয়াল খাঁ নদের পাশে তার গলাকাটা করা লাশ দেখতে পাই।
নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার ঘাড়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলেও প্রাথমিকভাবে হত্যার কারণ জানা যায়নি। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোন, টর্চলাইট ও কিছু টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র এখনও পাওয়া যায়নি। হত্যার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার কাবিলা বাজারে অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন কোটি আট লাখ আট হাজার টাকার ভারতীয় অবৈধ আতশবাজি আটক করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
আজ
শুক্রবার (১৪ মার্চ) দুপুর আড়াইটায় এই তথ্য নিশ্চিত করেন কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ।
বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৩ মার্চ রাত থেকে ১৪ মার্চ ভোর ৫টা পর্যন্ত কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাবিলা বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) রতন কুমার দত্ত-এর উপস্থিতিতে বিজিবি ও র্যাব সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৪০০টি ভারতীয় অবৈধ আতশবাজি এবং একটি ট্রাক জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় তিন কোটি আট লাখ আট হাজার টাকা।
বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ জানান, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)। এরই অংশ হিসেবে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানে এসব অবৈধ মালামাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত পণ্য বিধি মোতাবেক কাস্টমসে জমা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
প্রচন্ড শীতে চরম বিপাকে পড়েছেন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার গরিব-অসহায় শীতার্ত মানুষ। এই শীতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন সমাজের ছিন্নমূল মানুষেরা। গরিব-দুঃখী শীতার্ত মানুষের শীতের কষ্ট লাঘবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে শীতার্ত মানুষের মাঝে রাতের আঁধারে কম্বল নিয়ে হাজির হচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী।
ঢাকা পিজি হাসপাতালের রেন্ট কালেক্টর ইনচার্জ মো. সাজেদুল হাসান কামালের উদ্যোগ ও সার্বিক তত্ত্ববধানে শুক্রবার রাতে উপজেলার সফিবাদ নূরানীয়া হাফিজিয়া ফোরকানীয়া মাদ্রাসা ও এতিখানা এতিম শিশুদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শীতের কম্বল বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী। শীতের রাতে কম্বল পেয়ে হাসি ফুটেছে এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীদের মুখে।
এসময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম,এতিমখানার সভাপতি ডা. মো. সফিকুল ইসলাম লনী,বিএনপি নেতা মো. জুয়েল,বাবুল হোসেন,মহসিন মোল্লা,জামাল মোল্লা ও রুবেল বেপারী অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী বলেন, হঠাৎ শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। শীতের প্রকোপে সমাজের অসহায় দুস্থ মানুষের অবর্ণনীয় কষ্ট হচ্ছে। শীতার্ত কোনো মানুষ যেন কষ্ট না পায় সেজন্য কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবীদ্বারে একই পরিবারের আপন চাচাতো ভাই বোন জারিফ (২) ও নাবিলা (২) নামে ২ শিশু পুকুরের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। নিহত জারিফ(২) চান্দপুর গ্রামের আব্দুল জলিল’র পুত্র এবং নাবিলা(২) সোহাগ হোসেন’র কন্যা। নিহত দুই শিশুর পিতা আব্দুল জলিল ও সোহাগ হোসেন আপন ভাই। তারা চান্দপুর গ্রামের মোসলেম উদ্দিন’র বড় ও মেজ ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের চান্দপুর গ্রাামের মিঠাপুকুরিয়া হাকীম হুজুরের বাড়ির নিজ পুকুরে। সরেজমিনে গিয়ে নিহত দুই শিশুর আপন চাচা সাকিব’র সাথে কথা বললে তিনি জানান, সকাল ১০ টায় আমি বাড়িতে নাস্তা খেতে এসে দেখি উঠানে জারিফ ও নাবিলা খেলাধুলা করছে। নাস্তা খেয়ে বাড়ি থেকে যাওয়ার একটু পরেই শুনি আমার ভাতিজা ও ভাতিজী নিখোঁজ। এদিক সেদিক খুঁজার পর শুনি পুকুরের পানি থেকে ডুবন্ত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়। তাদের দ্রæত স্থানীয় একটি ফামের্সীতে নিয়ে গেলে ফার্মেসীর মালিক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আমাদের বিশ্বাস হচ্ছিল না, সঙ্গে সঙ্গে আবারো তাদের দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। ওদের মৃত্যুর খবরটা মেনে নিতে পারি নাই। ফের আবারো কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। অনেক চেষ্টা করেও তাদের বাঁচাতে পারি নাই। ঘটনায় নিহতের পরিবারসহ পুরো এলাকা জুড়ে শোকের মাতম বইছে। এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুদ্দীন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, ঘটনার বিষয়ে আমাদের কেউ অবগত করেনি। যদি নিহতের পরিবারের পক্ষে থেকে কোন লিখিত অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে দায়িত্বরত দুই গেটম্যানকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, বরখাস্ত হওয়া ওই দুই গেটম্যান নিয়মিত গাঁজা সেবন করতেন এবং ঘটনার রাতেও তারা বহিরাগতদের নিয়ে নেশায় মত্ত ছিলেন।
গত শনিবার (২১ মার্চ) ঈদের দিন রাতের বিভীষিকাময় এ দুর্ঘটনায় মুহূর্তেই ঝরে যায় ১২টি প্রাণ। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। স্বজন হারিয়ে শোকস্তব্ধ পুরো এলাকা।
দুর্ঘটনার পর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি। পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে দায়িত্বরত গেটম্যানদের গাফিলতিকেই এ দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।এদিকে, গেটম্যানদের কক্ষে গিয়ে মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনের বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম এবং গাঁজা সেবনের উপকরণ বিছানার পাশেই পড়ে থাকতে দেখা গেছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, গেটম্যানদের জন্য নির্মিত সরকারি কক্ষগুলোতে নেই কোনো নিয়মিত মনিটরিং। এই সুযোগে সেখানে প্রায়ই বসে নেশার আসর। ঘটনার দিন রাতেও গেইটম্যান মেহেদী ও হেলাল বহিরাগতদের নিয়ে গাঁজা সেবন করছিলেন বলে দাবি করেন এলাকাবাসী।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এ রেলক্রসিংয়ে অব্যবস্থাপনা চলছে। দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অবহেলার কারণেই এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার শেখ আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, “গেটম্যানদের ঘরে কোনো ধরনের নেশা করা হয় না। দুর্ঘটনার বিষয়টি প্রকৌশল বিভাগ ভালো বলতে পারবে। কারণ এটি তাদের আওতাধীন।”এ বিষয়ে কুমিল্লা রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ইনচার্জ ফরহাদ সরকার বলেন, “গেটম্যানদের ঘরে যদি মাদক সেবন হয়, সেটি প্রথমে দেখবে স্টেশন মাস্টার। কারণ তারা তো আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে সেবন করবে না। তবে যদি অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”এদিকে, ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তিনটি তদন্ত কমিটিকে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্ত প্রতিবেদনেই উঠে আসবে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ।কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান জানান, তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে এবং জেলা প্রশাসন বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার দেবীদ্বারে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় ঘটনাস্থলে এক সিএনজি আরোহী নিহত ও চালকসহ আরো ৩ জন গুরুতর আহতের ঘটনা ঘটেছে।
নিহত সিএনজি আরোহী মোঃ আব্দুল জলিল (৬৫) দেবীদ্বার উপজেলার ৩ নং সুবিল ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামের মৃত: আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি কি কারনে কোথায় যাচ্ছিলেন তার পরিবারের কেউ বলতে পারেননি। তবে তিনি হলুদ, মরিচের ব্যবসা করতেন বলে তারা জানান।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের কালিকাপুর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্নে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কুমিল্লা থেকে ব্রাক্ষনবাড়িয়াগামী একটি যাত্রীবাহী নিউ সুগন্ধা পরিবহন, কোম্পানীগঞ্জ থেকে ময়নামতিগামী একটি যাত্রীবাহী সিএনজিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই সিএনজি আরোহী জলিল নিহত ও চালকসহ ৩ জন মারাত্মক আহত হন। আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা আহত সিএনজি চালক মো. ইসমাইল(২৬) জানান, তিনি কোম্পানীগঞ্জ থেকে ৩ যাত্রী নিয়ে ময়নামতি যাওয়ার পথে অনুমান বেলা সোয়া ১টায় সময় কালিকাপুর বাস স্ট্যাশনের পাশে পৌঁছার পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি নিউ সুগন্ধা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস সিএনজি টিকে চাপা দিলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চালকের মাথা ফেটে যায়। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুমেক হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
এদিকে নিউ সুগন্ধা বাস চালক মো. রাজা মিয়া(৩৫)’কে গনপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপার্দ করেন স্থানীয়রা। বাস চালক মো. রাজা মিয়া হবিগঞ্জ সদর উপজেলার মোহনপুর গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে।
এবিষয়ে মীরপুর হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান জানান, নিহত বৃদ্ধ এবং সিএনজি চালকের পরিচয় পাওয়া গেলেও আহত অপর দু’জনের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। আহতদের কুমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লাশ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে, দূঘটনায় কবলিত বাস ও সিএনজি পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। গণপিটুনিতে আহত বাস চালককে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা–০৬ (সদর, সদর দক্ষিণ, সিটি কর্পোরেশন ও সেনানিবাস) আসনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে টানা নয়দিন ধরে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীতে বিশাল মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন বলে আয়োজকরা দাবি করেন।
সন্ধ্যায় টাউন হল মাঠ থেকে মশাল মিছিলটি শুরু হয়। এরপর মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূবালী চত্বরে এসে সমাবেশ করে। পুরো সমাবেশ ও মিছিলজুড়ে নেতাকর্মীরা শ্লোগান দিতে থাকেন— “কুমিল্লা–৬ জনতার দাবি, ইয়াছিন ভাইয়ের মনোনয়ন এবার চাই”, “ত্যাগীর মর্যাদা দিতে হবে, ইয়াছিন ভাইকে মনোনয়ন দিতে হবে”,
"১৭ বছর যাকে পাই নেতা মোদের ইয়াছিন ভাই", "জেল জুলুম জামিনে যাকে পাই নেতা মোদের ইয়াছিন ভাই", "এই কুমিল্লার মাটি ইয়াছিন ভাইয়ের ঘাটি","এক দুই তিন চার মনির চৌধুরী, কুমিল্লা ছাড়", "উড়ে এসে নমিনেশন, মানি না মানবো না"।
মিছিলের একাধিক অংশে দেখা যায়, নেতাকর্মীরা হাতে মশাল, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে দলের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের উদ্দেশে ইয়াছিনকে মনোনয়ন দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।
সমর্থকরা জানান, গত ৩ নভেম্বর রাতে মহাসড়ক অবরোধের মধ্য দিয়ে এই আন্দোলনের সূচনা হয়। পরদিন ৪ নভেম্বর নগরীর কান্দিরপাড়সহ বিভিন্ন এলাকায় মশাল মিছিল বের করা হয়। ৫ নভেম্বর নারী সমর্থকদের উদ্যোগে নারীদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
৬ নভেম্বর নফল রোজা রেখে সমর্থকেরা সন্ধ্যায় গণ–ইফতারের আয়োজন করেন। ৭ নভেম্বর জুমার নামাজের পর নগরীর বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ৮ নভেম্বর কান্দিরপাড় পূর্বালী চত্বরে অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে মনোনয়ন দাবিতে চাপ বাড়ানো হয়।
৯ নভেম্বর কারা–নির্যাতিত বিএনপি নেতাকর্মীদের পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে হাজী ইয়াছিনের পক্ষে মানবিক ও রাজনৈতিক যুক্তি তুলে ধরা হয়। আর ১০ নভেম্বর স্থানীয় তরুণদের উদ্যোগে ‘তারুণ্যের সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বক্তারা ইয়াছিনকে “সৎ, ত্যাগী ও এলাকার উন্নয়ন–বান্ধব নেতা” হিসেবে তুলে ধরে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান।
টানা কর্মসূচির নবম দিনে অনুষ্ঠিত হলো মঙ্গলবারের মশাল মিছিল। নেতাকর্মীদের দাবি, কুমিল্লা–৬ আসনে ত্যাগী, গ্রহণযোগ্য এবং শ্রমীচেতন রাজনীতিক হিসেবে হাজী ইয়াছিনই হচ্ছেন এলাকার মানুষের পছন্দের প্রার্থী।
নেতাকর্মীরা আরও জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


বস্ত্র ও পাট এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সপ্তাহখানেক আগেও
কুমিল্লায় ত্রাণ দিয়েছি। আজ জরুরি ওষুধ যা বন্যা পরবর্তী সময় দরকার হয় ও একদল বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসক নিয়ে এসেছি। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। দ্রুত বন্যায় ক্ষয়-ক্ষতির নিরূপণ
ও বন্যা দুর্গতদের পুনর্বাসনে কাজ করছে অন্তর্বর্তী সরকার। ক্ষতির পরিমাণ দেখে বন্যায়
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করা হবে
শনিবার (৩১ আগস্ট) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
উপজেলা ও বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের জরুরি চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণের পর এসব কথা
বলেন তিনি। এসময় শিশু ও গণস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও এইচ অ্যান্ড এইচ ফাউন্ডেশনের হেলথ কেয়ার
প্রজেক্ট কনসালটেন্ট ডা. রেহানা খানমের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রতিনিধি দল বন্যায়
অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে
আহত হয়ে কুমিল্লার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ৬ জনের চিকিৎসার
খোঁজ-খবর নিলেন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। পরে বন্যার কারণে অসুস্থদের পরিদর্শন ও
চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।
বস্ত্র ও পাট এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনের নিজ উদ্যোগ ও এইচ অ্যান্ড এইচ ফাউন্ডেশন, পিএসও, এস এস
গ্রুপের ও অন্যান্য সংগঠনের সহায়তায় প্রায় ৭০ হাজার ওষুধ এবং ১০০০ প্যাকেট শিশুখাদ্য
বিতরণ করা হয়েছে, এর মধ্যে পাউডার দুধ, চকোলেট, ম্যাংগো বার,বিস্কুট, চিপস, চানাচুর
ইত্যাদি প্রদান করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম সেনা
ক্যাম্পের লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রহমতুল্লাহ, সার্কেল
এএসপি জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহেদা বেগমসহ সেনাবাহিনীর অন্যান্য কর্মকর্তা
ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
আজ (১১ জুন) সকালে জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটা চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে
কোতয়ালী মডেল থানাধীন টিক্কারচর ব্রীজ -টু-পালপাড়া গামী রোডের উত্তর পাশ হতে ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী মোঃ ইকবাল
হোসেন ওরফে শুক্কুর আলীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন রাজমঙ্গলপু এলাকার আবুল মিয়ার
ছেলে মোঃ ইকবাল হোসেন ওরফে শুক্কুর আলী (৪০)।
উক্ত ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল
থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন