

চট্টগ্রামে এক যুবককে দুটি খুঁটির সঙ্গে
বেঁধে গান গেয়ে পিটিয়ে মারার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিশ
সেকেন্ডের সে ভিডিওতে দেখা গেছে, এক যুবককে উড়ালসড়কের নিচে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা
হয়েছে। এ সময় গান গেয়ে তাকে মারধর করতে দেখা যায় কয়েকজন তরুণকে।
তবে ঘটনাটি গত ১৪ আগস্টের হলেও সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায় গত শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যে যুবককে মারধর
করা হয়, সে যুবকের নাম মো: শাহাদাত হোসেন (২৪)। তিনি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার পাঁচবাড়িয়া
গ্রামের ২নং নদনা ইউনিয়নের মিয়া জান ভুঁইয়া বাড়ির মৃত মোহাম্মদ হারুনের ছেলে। শাহাদাত
থাকতেন চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন বিআরটিসি এলাকার বয়লার কলোনিতে। তিনি নগরের
ফলমণ্ডির একটি দোকানে চাকরি করতেন।
তবে যে স্থানে তাকে বেঁধে রাখা হয়েছিল
সেটি চট্টগ্রাম নগরীর আখতারুজ্জামান উড়াল সড়কের নিচে ২নং গেট মোড় এলাকায়। গত ১৪ আগস্ট
রাতে নগরে প্রবর্তক এলাকা থেকে পুলিশ শাহাদাতের লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পরদিন শাহাদাতের
চাচা মো: হারুন বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। এতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি
করা হয়। কিন্তু কেন এ হত্যাকাণ্ড কিংবা কার সঙ্গে বিরোধ, তা এজাহারে উল্লেখ নেই।
পুলিশ জানায়, গত ১৪ আগস্ট রাতে প্রবর্তক
এলাকা থেকে ক্ষতবিক্ষত ও অচেতন অবস্থায় এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে
ওই ব্যক্তিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসকরা
তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার চাচা ফেসবুকে লাশের ছবি দেখে থানায় এসে মামলা করেন। তবে মারধরের
শিকার ব্যক্তি যে শাহাদাত, সেটি জানা গেছে তার স্ত্রীর ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখে
শনাক্ত করার পর।
মামলার এজাহারে নিহত শাহাদাতের চাচা
মো: হারুন উল্লেখ করেছেন, ১৩ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে কর্মস্থলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের
হন শাহাদাত। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফোন করলে কিছুক্ষণের মধ্যে বাসায় চলে আসবেন বলে তার
স্ত্রীকে জানান শাহাদাত। গভীর রাত পর্যন্ত স্বামী বাসায় ফিরে না আসায় খোঁজাখুঁজি করেন
স্ত্রী শারমিন। সে সময় শাহাদাতের মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
গেল ১৪ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফেসবুকে
বাদী দেখতে পান, নগরের প্রবর্তক মোড়ের অদূরে বদনা শাহর মাজারের বিপরীতে সড়কের পাশে
তার ভাতিজা শাহাদাত হোসেনের মৃতদেহ পড়ে আছে। পরে এদিন রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে গিয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে শাহাদাতের লাশ শনাক্ত করেন তার স্ত্রী শারমিন আক্তার
ও বাদী।
এ বিষয়ে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানার
ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর শাহাদাতের স্ত্রী মারধরের শিকার ব্যক্তি
শাহাদাত বলে নিশ্চিত করেছেন। তবে যারা মারধর করছেন, তাদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় ২
জন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৫ জুন) সকাল সোয়া ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী এলাকায়। কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, লিচুবাহী একটি
ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেছন থেকে একটা কাভার্ডভ্যানকে ধাক্কা দেয়। এ সময় ঘটনাস্থলে
মারা যান ট্রাকে থাকা ২ জন।
কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, চট্টগ্রামমুখী লিচুবাহী ট্রাকটি বেপরোয়া গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা একটি কাভার্ডভ্যানকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
এতে কাভার্ডভ্যান ও লিচুবাহী ট্রাকটি রাস্তার পাশে পড়ে
যায়। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যান ট্রাকের ভেতরে থাকা দুইজন। প্রাথমিকভাবে এখনও
শনাক্ত করা যায়নি তাদের পরিচয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, নিহত দুইজন হলো: ট্রাকের চালক
ও চালকের সহযোগী।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে একটি দেশীয় তৈরি শটগান ও কার্তুজসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার শাহজাহান মিয়া (৫২) মেঘনা উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের বড়ূয়াকান্দি গ্রামের হাজী সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মধ্যরাতে মেঘনা আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী শাহজাহান মিয়ার নিজ বাড়িতে অভিযান চালায়।
এ সময় তার বসতবাড়ি থেকে একটি দেশীয় তৈরি শটগান ও দুটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। অভিযান শেষে শাহজাহান মিয়াকে আটক করে মেঘনা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে মেঘনা থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাকে কুমিল্লা আদালতে প্রেরণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার।
আজ রবিবার (১১ মে)
সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শালধর সামারচর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ১। মোঃ শাহাদাত হোসেন রবিউল (২৩) এবং ২। মোঃ রবিউল হাসান (২১) নামক দুইজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৩০ কেজি গাঁজা ও মাদক
পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত ১ টি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ শাহাদাত হোসেন রবিউল (২৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বড় আলমপুর গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলাম এর ছেলে এবং ২। মোঃ রবিউল হাসান (২১) একই গ্রামের টিপু সুলতান এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩৯০
বোতল ফেন্সিডিল’সহ
০১ জন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে
র্যাব-১১,
সিপিসি- ২
কুমিল্লা।
র্যাব জানায়, রোববার দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর বিশেষ অভিযানে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানার উত্তর রামপুর এলাকা থেকে ৩৯০ বোতল ফেন্সিডিলসহ মোঃ সেলিম (৩৭) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় ফেন্সিডিল পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী সেলিম (৩৭) চট্টগ্রাম জেলার ডাবলমুরিং থানার জিলানী কলোনী গ্রামের মকবুল আহমদ এর ছেলে।
র্যাব-১১,
সিপিসি-২,
কুমিল্লার
কোম্পানী
অধিনায়ক
উপ-পরিচালক
লেঃ
কমান্ডার
মাহমুদুল
হাসান
জানান,
গ্রেফতারকৃত
আসামী
দীর্ঘদিন
ধরে
কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী
এলাকা
হতে
মাদকদ্রব্য
ফেন্সিডিল
সংগ্রহ
করে
কাভার্ড
ভ্যান
যোগে
দেশের
বিভিন্ন
জেলায়
মাদক
ব্যবসায়ী
ও
মাদক
সেবীদের
নিকট
পাইকারি
ও
খুচরা
মূল্যে
বিক্রয়
করে
আসার
কথা
স্বীকার
করে।
তার
বিরুদ্ধে
সদর
দক্ষিণ
থানায়
আইনানুগ
ব্যবস্থা
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
কুমিল্লায় রান্না ঘরে ঢুকে গৃহবধূ শানু বেগম (৫০) কে গলাকেটে হত্যা দায়ে প্রতিবেশী মোঃ দেলোয়ার হোসেন নামের একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। আজ রবিবার (৩১ আগস্ট) কুমিল্লার বিজ্ঞ জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইবুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত একমাত্র আসামি মোঃ দেলোয়ার হোসেন হলেন কুমিল্লার সদর উপজেলাধীন ১নং কালীর বাজার ইউনিয়নের হাতিগাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। রায় ঘোষণাকালে আসামি দেলোয়ার হোসেন আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণে জানাযায়- গোয়াল ঘরের জায়গার সীমানা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ২০১৯ সালের ৫ নভেম্বর ভোরবেলা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের হাতিগাড়া গ্রামের শানু বেগম (৫০) তেলের পিঠা বানানোর সময় প্রতিবেশী দেলোয়ার হোসেন রান্না ঘরে প্রবেশ করার কারণ জানতে চাইলে দেলোয়ার হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে বটি দা দিয়ে শানু বেগমের গলার কন্ঠনালী কেটে কুপিয়ে হত্যা করে ঘর থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রত্যক্ষদর্শী রেহেনা ও জুবায়ের শোর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন আগাইয়া আসিলে তাহাদের সহযোগিতায় দেলোয়ার হোসেনকে আটক করে গাছের সাথে বেঁধে রেখে থানাপুলিশকে খবর দেয় এবং ভিকটিম শানু বেগমকে উদ্ধার করে কুমেক হসপিটালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ৫ নভেম্বর মৃতা শানু বেগম এর স্বামী কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন হাতিগাড়া গ্রামের মৃত বসত আলীর ছেলে মোঃ ফরিদ (৬০) বাদী হয়ে প্রতিবেশী মৃত আব্দুর রহমান এর ছেলে মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৩৬) কে একমাত্র আসামি করে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করিলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেন এবং আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০২০ সালের ১৯ মে দঃ বিঃ আইনের ৩০২ ধারার বিধানমতে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তৎপর মামলাটি বিচারে আসিলে আসামি দেলোয়ার হোসেন এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জগঠনক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে ১৭জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামি মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন বিজ্ঞ আদালত। সেই সাথে আরো ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ০৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মোঃ ইউসুফ আলী বলেন- আমরা আশা করছি উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করবেন।
এদিকে, আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোঃ মাসুদ সালাউদ্দিন। তিনি বলেন- এ রায়ে আসামিপক্ষ ক্ষুদ্ধ। আসামিপক্ষ রায়ের কপি হাতে পেলে উচ্চ আদালতে আপীল করবেন।
মন্তব্য করুন


পুলিশ দেখে দূরপাল্লার বাস থেকে নেমে দৌড়ে পালানোর সময় ২ কেজি গাঁজাসহ একাধিক মাদক মামলার আসামি খোসবার মন্ডল (৫২) কে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামী গাংনী উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ধলা গ্রামের মৃত দেলবার মন্ডলের ছেলে।
সোমবার (২২ জানুয়ারি) সকালে জেলার সদর উপজেলার আমঝুপিতে মেহেরপুর-ঢাকা রুটে চলাচল করা গোল্ডেন লাইন পরিবহনের একটি বাস থেকে আটক করা হয় তাকে। তার কাছে থাকা ব্যাগের মধ্যে থেকে গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
মেহেরপুরের জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক রত্নেশ্বর কুমার মন্ডলের নেতৃত্বে উপ-পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ মোস্তফা তার দল নিয়ে অভিযান চালান।
মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমঝুপিতে চেকপোস্ট স্থাপন করে বাসে তল্লাশি শুরু করলে মাদক কারবারি খোসবার মন্ডল বাস থেকে নেমে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় তাকে ধরে ফেলে পুলিশ। তার কাছ থেকে ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামি খোসবার মন্ডলের বিরুদ্ধে মেহেরপুর সদর ও গাংনী থানায় মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে মেহেরপুর সদর থানায় গ্রেফতারকৃত আসামি খোসবার মন্ডলের নামে নতুন ১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহায়ক আবু হানিফ কাজী কে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।
সোমবার বিকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কলেজের প্রধান সমন্বয়কারী ও আশেক আলী খান স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. মিজানুর রহমানের উদ্যোগে ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও মাধ্যমিক শিক্ষা পরিবারের আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পরে অফিস সহায়ক আবু হানিফ কাজী কে রাজকীয় ভাবে গাড়ি চড়ে চাঁদপুরে প্রেরন করা হয়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আলী আশ্রাফ খানের সভাপতিত্বে ও আশ্রাফপুর আহসানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিন সোহাগের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার কেএম মো. সোহেল রানা, আশেক আলী খান স্কুর এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো: মিজানুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শহীদ উল্যাহ পাটওয়ারী, কচুয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রাকিবুল হাসান, তেতৈয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম পাটওয়ারী, সিংআড্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র দাস, মনোহরপুর ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম, শ্রীরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজিত কুমার কর, চাঁদপুর এমএ খালেক মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোশারফ হোসেন, মনপুরা বাতাবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা ও কচুয়া ক্যামিব্রয়ান স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আমির হোসেন মজুমদার প্রমুখ। এসময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। পরে রাজকীয় ভাবে গাড়িতে চড়ে তার নিজ বাড়ি চাঁদপুরে পাঠানো হয়।
মন্তব্য করুন


মোঃ মাসুদ রানা, কচুয়া:
সোনার বাংলাদেশ ও সমৃদ্ধিশালী সমাজ গঠনে জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও চাঁদপুর জেলা শাখার সাবেক আমীর অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম পাটোয়ারী। তিনি বলেন, বিগতে সময়ে এ দেশের মানুষের উপর নির্যাতন চালিয়েছেন আওয়ামী লীগ সরকার। আওয়ামী লীগের ইতিহাস চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসী ও লুটপাটের ইতিহাস। হাজার হাজার মায়ের বুক খালি করেছে তারা। আজকে শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়ার পর ইঁদুরের গর্ত খুজে পাচ্ছে না নেতাকর্মীরা। একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ উপহার দেওয়ার জন্য সৎ ও নিষ্ঠাবান যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাই একটি আদর্শ দেশ ও সমৃদ্ধিশালী সমাজ গঠনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের সক্ষমতা রয়েছে । তিনি শনিবার বিকালে কচুয়া উপজেলা রহিমানগর বিএবি উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে ১১নং গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামী কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
১১নং গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের আমীর মোঃ জাকির হোসেন পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি হেলাল উদ্দিনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,চাঁদপুর জেলা শাখার সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মাসুদুল ইসলাম বুলবুল,হাজীগঞ্জ আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুহাদ্দিস ও বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী,কচুয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর এডভোকেট আবু তাহের মেসবাহ,নায়েবে আমীর মাষ্টার সিরাজুল ইসলাম,সেক্রেটারী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী,বাংলাদেশ ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মোঃ শাহাদাত হোসাইন,বাংলাদেশ মাজলিসুল মোফাচ্ছিরীনের চাঁদপুর জেলা শাখার সহ- সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা মনিরুল ইসলাম মজুমদার,কচুয়া উপজেলা সাবেক আমীর খন্দকার মাওলানা হারুন রশিদ,চাঁদপুর সোনালী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা ফিরোজ মামুন সহ আরো অনেকে।
এসময় জামায়াত নেতা ডা. গোলাম সারোয়ার,মাওলানা মিজানুর রহমান সহ গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনের ১ হাজার ৪৯১টি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপারসহ প্রয়োজনীয় ভোটগ্রহণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল থেকে জেলার ১৭টি উপজেলার নির্ধারিত ভেন্যুতে ব্রিফিং শেষে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের কাছে এসব সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্স, সিল, স্ট্যাম্প, ভোটার তালিকাসহ প্রয়োজনীয় সকল সরঞ্জাম সরবরাহ করা হচ্ছে। সকাল ১০টা থেকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং অফিসার, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা নিজ নিজ কেন্দ্রের সরঞ্জাম গ্রহণ করেন।
নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ২৬ হাজারেরও বেশি সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন।
জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। পুরো জেলায় ৩ হাজার ৯৫৯ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ৭৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ২৫ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ৫৫ প্লাটুন সেনাবাহিনী, ৩৯ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ২৪টি টিম, ব্যাটালিয়ন আনসারের ২৭২ জন সদস্য এবং আনসার ও ভিডিপির ১৯ হাজার ৩৮৩ জন সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, কঠোর নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক তৎপরতার মধ্য দিয়ে কুমিল্লায় একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের জন্য সীমান্তের এক বাড়িতে এনে রাখা এক নারীকে উদ্ধার করেছে ( বিজিবি) । এ ঘটনায় বাবা-ছেলেকে আটক করা হয়।গত শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সদর উপজেলার তুলুইগাছা সীমান্তের কুলিয়াডাঙ্গা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে. কর্নেল “মো. আশরাফুল হক “ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
আটক ০২ পাচারকারী হলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুলিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে মো. আবুল কালাম (৭৪) ও আবুল কালামের ছেলে ইমরান হোসেন (২৩)।
বিজিবি সূত্র জানায়, সাতক্ষীরাস্থ বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ তলুইগাছা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশি এক নারীকে ভারতে পাচার করা হবে এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কুলিয়াডাঙ্গা গ্রামের আবুল কালামের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় ওই বাড়ি থেকে সেতু আক্তার নামের এক নারীকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় সেতু আক্তারকে ভারতে পাচারের উদ্দেশে বাড়িতে রাখার অভিযোগে বাড়ির মালিক আবুল কালাম ও তার ছেলে ইমরান হোসেনকে আটক করে বিজিবি সদস্যরা। উদ্ধারকৃত সেতু আক্তার নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার দাশেরডাঙ্গা গ্রামের জিয়া শেকের মেয়ে।
বিজিবির সূত্র আরও জানায়, উদ্ধারকৃত বাংলাদেশি নারী এবং ধৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মানবপাচারকারী মো. আবুল কালাম ও তার ছেলে মো. ইমরান হোসেন এবং মানবপাচার চক্রের আরও ১৫ জন পলাতক আসামির সহায়তায় সেতু আক্তারকে ভারতে পাচার উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। কিন্তু সীমান্তে বিজিবির কঠোর নজরদারি ও টহল তৎপরতায় তারা পাচার করতে না পেরে সুযোগের অপেক্ষায় বাড়িতে এনে রাখে। দ্রুত বাংলাদেশি মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করত ও ভিকটিমকে সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর এবং মানবপাচারের সাথে জড়িত পলাতক ১৫ জন আসামির নাম উল্লেখ করে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন